নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে মানব! আর নয়তো দেরী; জেগে তুলে বিবেকের তরী করো হিংসার বলিদান। জন্মান্ধ হয়ে থেকো নাকো তুমি;মানুষ বলে হও বলিয়ান ।

তুমি জীবন খুঁজো সুখের নীড়ে, আমি জীবন খুঁজি দুঃখের ভীরে।,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

বিবাহিত জীবনের গল্প

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৭


(একজন বিবাহিত পুরুষ বলছি!) অনুবাদ --

সেই রাতে যখন বাড়ি ফিরে এলাম... আমার স্ত্রী রাতের খাবার পরিবেশন করছিল, আমি তার হাত ধরে বললাম, তোমাকে কিছু কথা বলার আছে । সে চুপচাপ বসে খাবার খেয়ে নিলো। আবারও আমি ওর চোখে আঘাতের চিহ্ন পর্যবেক্ষণ করেছিলাম । হঠাৎ কিভাবে মুখ ফুটে বলবো তা জানতাম না । কিন্তু আমি কী ভাবছি, সেটা ওকে জানতেই হবে !
ডিভোর্স চাই । আমি শান্তভাবে প্রসঙ্গটি তুলেছিলাম । সে আমার কথা শুনে মনে হয়নি বিরক্তবোধ করছে, তার বদলে সে নরম স্বরে জিজ্ঞেস করল, কেন? আমি ওর প্রশ্ন এড়িয়ে গেলাম। এতে সে রাগান্বিত হলো । সে হাতের চামচটি ফেলে দিয়ে আমার দিকে চেঁচিয়ে উঠল, তুমি তো মানুষ নও! সেই রাতে আমরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলিনি । সে কাঁদছিল । আমি জানতাম সে জানতে চায় আমাদের বিয়েতে কি হয়েছিলো । কিন্তু আমি তাকে সন্তোষজনক কোন উত্তর দিতে পারিনি; সে আমার হৃদয়কে ভেঙে দিয়েছে 'জেনের' কাছে। আমি ওকে আর ভালবাসি না । আমি শুধু তাকে একটি গভীর অপরাধবোধ সঙ্গে বেঁধে ফেলেছি !
আমি বিবাহবিচ্ছেদের একটি খসড়া চুক্তি তৈরি করলাম, যাতে আমার স্ত্রী আমাদের ঘর, আমাদের গাড়ীর মালিক এবং আমার কোম্পানীর 30% শেয়ারের মালিকানা পাবে। সে তখন তা ছিঁড়ে টুকরো করে ফেলে । যে মহিলা আমার সঙ্গে জীবনের দশ বছর কাটিয়েছিলেন,সে তখন অচেনা হয়ে গিয়েছিলো । আমি তার নষ্ট সময়, সম্পদ এবং শক্তির জন্য দুঃখিত কিন্তু আমি যা বলেছিলাম তা ফিরিয়ে নিতে পারলাম না। আমি এখন জেন'কে ভালবাসি । পরিশেষে সে আমার সামনে জোরে কেঁদেছে, যা আমি আশা করেছিলাম । আমার কাছে ওর আর্তনাদ আসলে এক ধরনের মুক্তি । তালাকের ধারণাটি যে বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে আমাকে আচ্ছন্ন করেছিল, তা এখন বরং আরো শক্ত এবং স্পষ্ট মনে হয়েছে ।
পরের দিন খুব দেরিতে বাড়ি ফিরে এসে ওর টেবিলে কিছু একটা লেখা দেখতে পেলাম। আমি রাতের খাবার না খেয়ে সোজা ঘুমাতে গিয়েছিলাম এবং খুব দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েছিলাম কারণ আমি জেনে'র সাথে একটা ঘটনাবহুল দিনের পর ক্লান্ত ছিলাম । যখন ঘুম ভাঙালো তখন টেবিলের উপর লেখাটা দেখতে পেলাম কিন্তু আমি কোন তোয়াক্কা না করো মুখ ঘুরিয়ে আবারো ঘুমিয়ে ছিলাম । সকালে সে তার বিবাহবিচ্ছেদের শর্ত উপস্থাপন করেছে: সে আমার কাছ থেকে কিছু চায়নি, কিন্তু তালাকের আগে এক মাসের নোটিশ দরকার ছিল। সে অনুরোধ করেছে যেন এই এক মাসে আমরা উভয়েই যতটা সম্ভব একসাথে স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য সংগ্রাম করি । তার কারণ ছিল সহজ: আমাদের ছেলের এক মাসের মধ্যে পরীক্ষার সময় এবং ছেলেটাকে আমাদের ভাঙ্গা বিয়ের জন্য বিপর্যস্ত করতে চায়নি । এটা আমার কাছে অমায়িক ছিল । কিন্তু তার আরো কিছু শর্ত ছিল, সে আমাকে স্মরণ করতে বলেছিল,কিভাবে আমি আমাদের বিবাহের প্রথম দিনে তাকে ব্রাইডাল রুমে নিয়ে গিয়েছিলাম? সে অনুরোধ করেছে যে এই একমাস সময়কাল ধরে আমি তাকে আমাদের শোবার ঘর থেকে সামনের দরজা পর্যন্ত নিয়ে যেতে । আমি ভেবেছিলাম সে পাগল হয়ে যাচ্ছে । শুধু আমাদের শেষ দিনগুলো একসঙ্গে সহনীয় করতে আমি তার অদ্ভুত অনুরোধ গ্রহণ করি।
আমি জেন'কে আমার স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদের অবস্থার কথা বলেছি । . সে জোরে হেসেছিলো তার কাছে মনে হয়েছিল অবাস্তব শর্ত ।
সে যে কৌশলই প্রয়োগ করুক না কেন, তাকে বিবাহবিচ্ছেদের মুখোমুখি হতেই হবে 'জেন' দাঁতচেপে বললো ।

আমার বিবাহ বিচ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার পর থেকে আমার স্ত্রীর সাথে কোন শারীরিক সম্পর্ক ছিল না । আমি যখন প্রথম দিন তাকে রুম থেকে বের করলাম, তখন আমরা দু ' জনেই নীরব হয়ে গেলাম । আমাদের ছেলে পেছনে পিছনে হাততালি দিতে লাগলো , বাবা আম্মাকে তার কোলে ধরে রেখেছে । ছেলের কথাগুলো শুনে অজানা যন্ত্রণা অনুভব করতে লাগলাম। বেডরুম থেকে বসার ঘর, তারপর দরজার কাছে আমি তার সঙ্গে দশ মিটার আমার কাঁধের উপর ভর দিয়ে হেঁটে গেলাম। সে চোখ বন্ধ করে নরম গলায় বললো; আমাদের ছেলেকে ডিভোর্সের কথা বলবেন না । আমি, কিছুটা বিচলিত বোধ করলাম । আমি ওকে দরজার বাইরে নামিয়ে দিলাম । সে কাজের উদ্দেশ্য যাবার জন্য বাসের অপেক্ষা করতে লাগলো। । আমি একাই গাড়ি চালিয়ে অফিসে এলাম । দ্বিতীয় দিনে আমরা দুজনেই অনেক বেশি সহজে অভিনয় করেছি । সে আমার বুকের উপর ঝুঁকে পরে আমি ওর ব্লাউজের সুগন্ধি পাচ্ছিলাম । বুঝতে পারলাম, অনেক দিন ধরে এই মহিলার দিকে এমন সাবধানী চোখে তাকাইনি । আমি বুঝতে পারলাম সে আর তরুণী নয় । তার মুখে সূক্ষ্ম বলিরেখা ছিল, তার চুল ধূসর হয়ে গেছে! আমাদের বিয়ে তার পাওনাকড়ি আদায় করে নিয়েছে । এক মিনিটের জন্য আমি ভাবছিলাম আমি তার সাথো কি করেছি? চতুর্থ দিনে যখন আমি তাকে উঠিয়ে দিলাম, তখন আমার একটা অন্তরঙ্গতা ফিরে আসার অনুভূতি অনুভব করলাম । এই সেই মহিলা, যে জীবনের দশ বছর আমাকে দিয়েছে । পঞ্চম ও ষষ্ঠ দিন বুঝতে পারলাম, আমাদের আন্তরিকতার বোধ আবারও জন্ম নিয়েছে। আমি জেনকে এ কথা বলিনি । দিনের পর দিন তাকে বহন করা সহজ হয়ে ওঠে । হয়তো প্রতিদিনের ওয়ার্কআউট আমাকে আরও শক্তিশালী করেছে । সে এক সকালে কী পরবেন সেটা বাছাই করছে কিন্তু সে বেশ কিছু ড্রেস পরে চেষ্টা করেছিল কিন্তু একটা উপযুক্ত ড্রেস খুঁজে পায়নি । তখন সে দীর্ঘশ্বাস ফেলে, আমার সব ড্রেস বড় হয়ে গিয়েছে ! আমি হঠাৎ বুঝতে পারলাম যে সে এত রোগা হয়ে গেছে, সেই কারণেই আমি তাকে আরও সহজে বহন করতে পারি । হঠাৎ তা আমাকে বড্ড আঘাত করলো... সে হৃদয়ে এত যন্ত্রণা ও তিক্ততা চাপা পড়ে আছে। আমি অর্ধচেতন আবস্থাতে আমি তার কাছে পৌঁছে গিয়ে তার মাথা ছুঁয়ে দিলাম । আমাদের ছেলে এই মুহূর্তে এসে বলল, বাবা, এটা ' ই সময় মা-কে বাইরে বয়ে নিয়ে যেতে হবে । আমার ছেলের কাছে তার বাবা যেভাবে তাার মাকে নিয়ে যেতে দেখে তাই যেন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছিল । আমার স্ত্রী ছেলের কাছাকাছি এসে তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে । আমি মুখ ফিরিয়ে ছিলাম কারণ আমি ভয় পেয়েছি এই শেষ মিনিটে আমি হয়তো আমার মন পরিবর্তন করতে পারি । আমি তখন ওকে আমার কোলে ধরে, শোয়ার ঘর থেকে হেঁটে, বসার ঘরের ভিতর দিয়ে, হলরুমে নিয়ে গেলাম । আমি অনুভব করলাম তার হাত আমার ঘাড়ে নরম ও স্বাভাবিকভাবে ঘিরে রেখেছে । আমিও তার শরীর শক্ত করে ধরে রেখেছি; ঠিক যেন ছিল আমাদের বিয়ের দিন । কিন্তু তার অনেক হালকা ওজন আমাকে ভারাক্রান্ত করে তুলেছে । শেষ দিনে, যখন আমি তাকে আমার কোলে ধরে রেখেছি আমি খুব কমই হাঁটতে পারছিলাম। আমাদের ছেলে স্কুলে চলে গিয়েছে । আমি তাকে শক্ত করে ধরে বললাম, আমি খেয়াল করিনি যে আমাদের জীবনের অন্তরঙ্গতা কমে গেছে ।
আমি দ্রুত অফিস চলে যাবার জন্য...ঘরের দরজাটা বন্ধ না করেই দ্রুত গাড়িতে চড়ে বসি । আমি ভয় পেয়েছিলাম যে, কোন কালক্ষেপণ যদি শেষ সময়ে আমার মনের ভেতর কোন পরিবর্তন এনে দেয়.....
আমি উপরে হেঁটে গেলাম । জেন দরজা খুলে দিলে আমি ওকে বললাম, সরি, জেন, আমি ডিভোর্স আর চাই না । সে আমার দিকে তাকিয়ে আশ্চর্য হয়, তারপর আমার কপাল ছুঁয়ে বলে তোমার কি শরীরে জ্বর এসেছে? আমি মাথা থেকে তার হাত সরিয়ে বললাম, দুঃখিত, জেন, আমি তালাক দেবো না । আমার বিবাহ জীবন বিরক্তিকর ছিল সম্ভবত কারণ আমার স্ত্রী এবং আমি আমাদের জীবনের মূল্য দেইনি তার কারণ এই নয় যে আমরা একে অপরকে আর ভালোবাসি না। এখন আমি বুঝতে পারছি যে, যেহেতু আমি বিয়ের দিন তাকে আমার বাড়ীতে নিয়ে যাই, তাই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমি তাকে ধরে রাখা উচিৎ। জেনকে হঠাৎ মনে হলো জাগ্রত হতে চলছে । সে আমাকে জোরে চড়-থাপ্পড় মেরে তারপর দরজা বন্ধ করে কান্নায় ফেটে পড়ে । আমি নীচে হাঁটলাম এবং গাড়ি চালাতে লাগলাম। যাবার সময় ফুলের দোকানে আমি আমার স্ত্রীর জন্য ফুলের তোড়া অর্ডার করলাম । বিক্রেতা আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কার্ডে কী লিখব । আমি মুচকি হেসে লিখেছিলাম, "আমি তোমাকে প্রতিদিন সকালেবাইরে নিয়ে যাবো যতক্ষণ না মৃত্যু আমাদেরকে আলাদা করে" । সেই সন্ধ্যায় আমি বাড়িতে পৌঁছলাম, আমার হাতে ফুল, মুখে হাসি, আমি সিঁড়ি দিয়ে দৌড়েছি, শুধু বিছানায়-ঘরে আমার স্ত্রীকে খুঁজে বের করার জন্য।
" মৃত" একটি মৃত শরীর !
আমার স্ত্রী কয়েক মাস ধরে ক্যান্সারের সাথে লড়াই করছিল আর আমি জেনের সাথে খেয়ালী ভালোবাসায় ব্যস্ত ছিলাম । আমার স্ত্রী জানত যে সে খুব তাড়াতাড়ি মারা যাবে এবং যদি আমরা বিবাহ বিচ্ছেদেরব দিকে যাই তবে আমার ছেলের উপর যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে তা থেকে সে আমাকে রক্ষা করতে চেয়েছিলো, । — অন্তত, আমাদের ছেলের চোখে —-আমি ভালোবাসার স্বামী... ।
আমাদের জীবনের ক্ষুদ্র ঘটনা যা আমাদের জীবনে সত্যিই বড় ব্যাপার।
অট্টালিকা বা বাড়ি, গাড়ি, সম্পত্তি, ব্যাঙ্কে টাকা এগুলো সুখের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু নিজেদের মধ্যে সুখ দিতে পারে না । তাই স্ত্রীর বন্ধু হওয়ার সময় খুঁজুন এবং একে অপরের জন্য ওই সামান্য জিনিসগুলি করুন যা অন্তরঙ্গতা গড়ে তোলে । একটি সত্যিকারের সুখী বিবাহ এখনও আছে ! এই শেয়ার বা হৃদয়ের আদানপ্রদান না করলে কিছুই হবে না । যদি তা করেন, তবে একটি বিয়েকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন. জীবনে বেশির ভাগ ব্যর্থ মানুষ যখন হাল ছেড়ে দেয় তখন উপলব্ধি করতে পারেনি যে তারা সাফল্যের কত কাছাকাছি ছিলো। তুমি বুঝতে পারবেনা কি জিনিস তুমি হারিয়েছে যতক্ষণ পর্যন্ত না তা তোমার কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যায় !

মন্তব্য ৫১ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৫১) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৪

ইসিয়াক বলেছেন: আপনার মতো পোষ্ট সংক্রান্ত ঝামেলা আমার ও হয়েছিলো । যাক আমি তো মনে করলাম এত সুন্দর শুরু পুরোটা আর পড়তেই পারবো না ।যাক ভালো লাগছে আপনার পোষ্ট পেয়ে............।কিন্তু এখন মন্তব্য করবোনা। ঘুম পাচ্ছে খুব । এখন পড়বো সকালেও পড়বো ।তারপর মন্তব্য করবো।
শুভরাত্রি

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৬

বলেছেন: একটু ড্রাফটে নিয়ে এডিট করতেছিলাম তাই হয়তো পোস্টটিকে সরিয়ে নেওয়া দেখাচ্ছিল।।

এই পোস্টের সাথে আপনার নাম স্মরণীয় হয়ে থাকবে কারণটা কি জানেন!!! হা হা।।।


এতে সময় নিয়ে আমার পোস্ট ও ফডো দেখার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।।

২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৮

ইসিয়াক বলেছেন: বার বার পোষ্ট হাওয়া হয়ে যাচ্ছে কেন ? এক মিনিট pdf ফাইলে সেফ করে নিচ্ছি । আর কেউ আমাকে ডাধা দিতে পরবে না। হো হো হো .....।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৭

বলেছেন: এডিটিং করতেছিলাম।।।

আপনার আরামপ্রদ ঘুম কামনা করছি।।।

শুভ রা্এি।।।

৩| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৮

ইসিয়াক বলেছেন: এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম । আমার ঘুম ছুটে গেছে..................।ভালবাসাহীন পৃথিবীতে ভালোবাসাটা খুব খুব ই প্রয়োজন।
অনেক ভালো লেগেছে। ++++

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৮

বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।।


ভালোবাসার জয় হোক।।।
সময় গেলে সাধন হবে না।।।।

কৃতজ্ঞতা রইলো।।।

৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:



অনুবাদ বলে মনে হয়নি! অনুবাদ যদি হয়ে থাকে, শেষ প্যারাগ্রাফটি কি মুল গল্পে ছিল?

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২৯

বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয়,

শেষ দুটি লাইন কোটেশন হিসাবে গল্পের সাথে জুড়ে দেয়া হয়েছে।।।

আপনার পড়ার চোখকে ধন্যবাদ দিতেই হয়।।


৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৫৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: স্বামী স্ত্রী দ্বন্দ্ব করে হিন্দি সিরিয়াল না করে দুজন পৃথিবীর দু মেরুতে বসবাস করাতে আমি সম্মান করি। জীবন অল্প সময়ের এখানে দ্বন্দ্ব করে নিজের নিজত্ব করার কোনো দরকার নেই। স্বামী বেচারা হার মেনে গৃহপালিত পশুতে রুপান্তরিত হোন অথবা পটল ক্ষেতে পটল তুলেন।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৪০

বলেছেন: জীবন চলার পথে সংসার নামক বিচিত্র ক্ষেএে সমস্যা আসবে কখনো বা তা সুনামি হয়ে লান্ড ভন্ড করে দিবে
কিন্তু
সমঝোতা নামক তেল ছাড়া জীবন গাড়ি রোডে চলতে পারবে না।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো কম্পোমাইজের কোন বিকল্প নেই।
আমাদের সমাজটা যেখান পুরুষ শাসিত সেখানে স্বামী গৃহপালিত হবে কিভাবে স্বাভাবিক প্রশ্ন থেকেই যায়?

৬| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এই প্লটে নাটক করা হয়েছে আমি সম্ভবত দেখেছি, বাস্তবে তেমন কিছু হয় না। বাস্তব হচ্ছে খেলার মাঠ এখানে একজনের জয় হবে আর একজন হারবে। বাস্তব জীবনের খেলাতে ড্র হয়না বা দুজন জেতে না। সাধারণত পুরুষটি হারে তবে ক্ষেত্র বিশেষে নারীও হারেন।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৪৯

বলেছেন: "মাঝে মাঝে পরাজয়ে যে আনন্দ আছে তা আমরা ভুলে যাই"।
সংসার নাম পুত -পবিত্র সোনার ঘরটি কোনভাবেই খেলার মাঠ বা খেলাঘর নয় বরং ভালোবাসার মেলাঘর।।।
"নিজে পরাজিত হয়ে অন্যকে হাততালি দিয়ে উৎসাহ দিতে গরজ লাগে তো কয়জন পারে "



ধন্যবাদ প্রিয় গুরু।।।

ভালো থাকুন।।

৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৪৫

ইসিয়াক বলেছেন: লেখক বলেছেন: একটু ড্রাফটে নিয়ে এডিট করতেছিলাম তাই হয়তো পোস্টটিকে সরিয়ে নেওয়া দেখাচ্ছিল।।

এই পোস্টের সাথে আপনার নাম স্মরণীয় হয়ে থাকবে কারণটা কি জানেন!!! হা হা।।।

কারণটা আমি জানি না । কারণটা কি ?
শুভসকাল।
ধন্যবাদ

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০৬

বলেছেন: আপনি এতে সময় নিয়ে আমার পুরাতন পোস্ট ও ভিডিওগুলো না দেখলে এই লেখাটা চোখে পরতো না আর লেখা পোস্ট করা হতো না।
তাই আপনার কাছে কৃতজ্ঞ....

৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৫২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: সময়ে অনেক কিছুই শিখবেন-জানবেন, এটি সময়ের শিক্ষা। সময় আমাদের বড় শিক্ষক।
ধন্যবাদ গুরু।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০৮

বলেছেন: সুর সময়ে অনেকই বন্ধু বটে হয়..........
অসময়ে হায় হায় কেউ কারো নেয় শুধু প্রিয় মানুষগুলো ছাড়া।।।


ভালো থাকুন প্রিয়জন।।।।

৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৬

ডার্ক ম্যান বলেছেন: চারদিকে যে দাম্পত্য কলহের দামামা বাজছে আপনার গল্প যেন তার প্রতিচ্ছবি। এই কলহের ভয়ে আমি এই শুভ কাম করার সাহস পাচ্ছি না।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০৯

বলেছেন: তবুও ন্যাড়া বেল তলায় যায়...
দিল্লি করা লাড্ডু।।।।


আপনার শুভ কাজের জন্য অগ্রীম শুভকামনা রইল।

শাদি মোবারক।।।

১০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো গল্প। বাস্তব গল্প।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

বলেছেন: বাস্তব হোক আর অবাস্তব হোক ভালোবাসার গল্প বেঁচে থাক।।


সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।

১১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ফেসবুকে অনেক আগে পড়েছিলাম। সন্তান না থাকলে জোর করে সংসার করার কোন মানে হয় না...

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

বলেছেন: কিন্তু এ গল্পে তো সন্তান আছে - ভালোবাসা আছে।।।

চোখ বুলানোর জন্য ধন্যবাদ।।।


ভালো থাকুন।।

১২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৪

মা.হাসান বলেছেন: ল ভাই, মন ভরিয়ে দেয়া একটা গল্প পড়লাম, অনেক ধন্যবাদ অসাধারণ মানবিক এই গল্পটি অনুবাদ করার জন্য। যে কোন রূঢ় সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে মানুষ যদি একটু চিন্তা করতো, একটু আশেপাশে তাকাতো, তবে জীবন অন্য রকম হতে পারতো।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

বলেছেন: মানুষ তার অতীতে ভুলে না গিয়ে তাকে স্মরণ করার মধ্যেই হয়তো জীবনের অযুত নিযুত ভালোবাসা মানব হৃদয়ে স্হায়ী আসন পেতে নিবে।।। জয়তু ভালোবাসা।।

সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।।।


ভালো থাকুন।।

১৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: গল্পটা আগেই পড়েছি , অনেক সুন্দর গল্প।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

বলেছেন: বাংলা নাকি ইংরেজি ভাষায় পড়েছিলেন।।

১৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: জীবন যে কখনো কখনো কল্পনার চেয়ে কঠিন তা ঘটনা ঘটার পর বুঝা যায়।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

বলেছেন: জীবন সুন্দর হোক।।।

ভালো থাকুন।।।

১৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২২

নীল আকাশ বলেছেন: লতিফ ভাই,
এটা ফেসবুক এবং ইন্টানেটে অনেকেই লিখেছে। আমি অনেকবার এই গল্পটা পড়েছি।
বড় কোন সমস্যায় পরার আগেই আপনি এখনই অরিজিনাল গল্প (জানি না কোন ভাষায়) এর লিংক দিয়ে দিন।
আপনি যে অনুবাদ করেছেন সেটা পড়ার পর সহজেই বুঝা যাচ্ছে। একদম শেষ অংশ একেকজন কিছুটা চেঞ্জ করে লিখেছে।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

বলেছেন: আমি ইংরেজি ভাষায় থেকে অনুবাদ করেছি।।

বাংলায় গল্পটি কখনো পড়িনি।।।

আপনি লিংকটি সময় করে দিয়ে দিবেন।।।

১৬| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৬

তানজীর আহমেদ সিয়াম বলেছেন: এরকম একটা নাটক মনে হয় দেখেছিলাম

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

বলেছেন: হতেও পারে, ঠাকুর মাহমুদ ভাই তাইতো বললেন।।

পাঠে ও মন্তব্য করার জন্য অশেষ ধন্যবাদন।।।

১৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বিলম্বিত আগমনের জন্য দুঃখিত প্রিয় লতিফ ভাই।
অনুবাদ একটি কঠিন খটমটে কাজ। আপনি অত্যন্ত মুন্সিয়ানায় সেই কাজটি সম্পন্ন করেছেন। গল্প পড়ে যে কারণে প্রথমে অনুবাদ বলে মনেই হয়নি। কয়েকটি স্থানে অবশ্য একটু ব্যতিক্রমী আছে। তবে ফুলের দোকানদারের কথা অনুযায়ী কার্ডে লেখার বয়ানটা কিন্তু আমার পছন্দ হয়নি।
'তুমি আমার হৃদয়ে আছো প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিটি ক্ষণে। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমি তা ধারণ করতে চাই।' যাই হোক একজন অনুবাদকের বা গল্পকারের নিজস্ব স্বাধীনতা থাকবে।
মর্মস্পর্শী গল্পে ষষ্ঠ ভালো লাগা রেখে গেলাম।++
শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৫

বলেছেন: হা হা দাদা আমার,

আরেকটু সম্পাদনা দরকার ছিলো সেটা এখনো মনে হচ্ছে।।।

বরাবরের মতো গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।।

১৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

সোহানী বলেছেন: সবার মতো আমি ও লিখাটা পড়েছিলাম আগে। তারপর ও ভালো লাগল নুতন করে অনুবাদের জন্য।

ভালো থাকেন সবসময়।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৬

বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ প্রিয় মেন্টর।।

ভালো থাকুন।।

১৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০১

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: বাস্তব হোক আর অবাস্তব হোক ভালোবাসার গল্প বেঁচে থাক।।
সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।

ভালোবাসার মানুষ গুলোও বেঁচে থাক।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৭

বলেছেন: মানুষকরে নিয়েই গল্প, মানুষকরে নিয়েই সমাজ সংসার।।। প্রিয় মানুষগুলো বেঁচে থাক।।।

ভালোবাসা রইলো।।

২০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

আরোগ্য বলেছেন: বড় ভাই প্রথম বার পড়েই গল্পটি প্রিয়তে রাখলাম।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৮

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ছোড ভাই আমার।।।

ভালোবাসা রইলো।।

২১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১০

আনমোনা বলেছেন: এ ধরনের ঘটনা বাস্তবে ঘটেনা। শুধু কল্পনাতেই ঘটে। হয়তো অসুস্থ স্ত্রীর শেষ মুহূর্তের স্বপ্ন।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৯

বলেছেন: কল্পনার শক্তি আছে ব'লেই মানুষ স্বপ্ন দেখে, আর স্বপ্নকে জিইয়ে রেখে আবহ সৃষ্টি করে ভালোবাসার।।।

সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।।।


ভালো থাকুন।।

২২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনুবাদটা কেমন যেন অনুবাদ অনুবাদ লাগছে। :P

আপনার অন্য লেখার যেমন আপন করে নিজের মতো করে ভাবা যায়
তেমন আপনাপন নেই!!!!

দারুন সমাপ্তি। হুম বুঝতে বুঝতেই আমাদের জীবনের বড় সময়টা পেরিয়ে যায়!
যখন বুঝ আসে হয়তো কেউ থাকে কেউ থাকে না!
++++++++++

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪০

বলেছেন: অনুবাদটাকা আরো ভালো হতো কিন্তু সময়ের অভাবে হয়ে ওঠেনি
আমার লেখায় আপনার এমন মূল্যায়নে আপ্লুত হলাম।।


ভালো থাকুন।।

২৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২০

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: গল্পটি ভিন্নধর্মী এবং এতে একটি ম্যাসেজ আছে। যা হউক অনুবাদ প্রাঞ্জল মনে হয়েছে।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪০

বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।

ভালো থাকুন।।।

২৪| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৭

শায়মা বলেছেন: :(

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৩

বলেছেন: ধন্যবাদ রাজকন্যা।।

২৫| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২

শায়মা বলেছেন:

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজকন্যা।।


:P এই নাম বললে আমার মহা হাসি পায়!!!!!!!!!

কেমনে যে লুকাই ছিলামমমমমম হা হা হা হা :P

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

বলেছেন: আপনি তো রাজকন্যার চেয়ে ঢ়ের বেশি - মাল্টি টাস্ক।।।

২৬| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪০

আমি তুমি আমরা বলেছেন: গল্পটা আগেও একবার পড়েছিলাম, সম্ভবত ফেসবুকে। অন্যকোন লেখক অনুবাদ করেছিলেন হয়ত, গল্পের ভাষাটা একটু ভিন্ন ছিল।

আপনার অনুবাদটাও বেশ ভাল হয়েছে।অনুবাদ গল্পের একটা সিরিজ শুরু করতে পারেন।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:১৫

বলেছেন: প্রিয় হেভিওয়েট ব্লগার,

আপনার মন্তব্য পেয়ে পুলকিত হলাম।।।

আইডিয়াটা বেশ পছন্দ হয়েছে তবে অনুবাদ কাজটা বেশ সময়সাপেক্ষ।।।

খালিদ হোসেন, আফগান লেখকের একটা উপন্যাস যা ২.৫ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে সেই উপন্যাসটিকে অনুবাদ করার ইচ্ছে আছে।।। একটু শুরু করে রেখে দিছি।।। আপনার কথায় বেশ ভালো লাগলো।।।

দোয়া করবেন।।।

পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.