নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে মানব! আর নয়তো দেরী; জেগে তুলে বিবেকের তরী করো হিংসার বলিদান। জন্মান্ধ হয়ে থেকো নাকো তুমি;মানুষ বলে হও বলিয়ান ।

তুমি জীবন খুঁজো সুখের নীড়ে, আমি জীবন খুঁজি দুঃখের ভীরে।,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

দ্যা পোস্ট ট্রুথ ওয়ার্ল্ড- আমাদের চারপাশে এত বিশেষজ্ঞ কেন?

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৩৭


পোস্ট-ট্রুথ ( Post Truth) বা সত্য- পরবর্তী শব্দটি অক্সফোর্ড অভিধানের' ২০১৬ সালের সেরা আন্তর্জাতিক শব্দ ছিলো - যে বছর যুক্তরাজ্য ই'ইউ ত্যাগের পক্ষে ভোট দেয় এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন । এটি এমন একটি পরিস্থিতির বর্ণনা দেয় "যার মধ্যে বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের বদলে আবেগ এবং ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রভাব অনেকাংশেই বেশি এবং তাতে জনমতের কোন প্রতিফলন নেই।

ট্রাম্প প্রশাসনের "বিকল্প তথ্য বা Alternative Facts '-এর যুগে জলবায়ু পরিবর্তন প্রত্যাখ্যান এবং ভোট লিভ ক্যাম্পেনের নিন্দিত £350,000,000 মিলিয়ন পাউন্ড এনএইচএস-এর কাছে ফিরিয়ে আনার মিথ্যা বুলি দিয়ে বৃটেনের ই,ইউ থেকে বেরিয়ে আসার সফল ক্যাম্পেইন করা। পৃথিবীর সব দেশে এখন মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা, ভিত্তিহীন সংবাদ এসব মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। প্রায়ই বুঝা মুশকিল হয় কোনটি সত্যি আর কোনটি মিথ্যা। অনেক সময় দেখা যায় পুরাতন ছবি, বা কোন সিনেমার ছবি ব্যবহার করে মুসলিম বা ইহুদি বিদ্বেষি পোস্ট দেয়া হয়। এইসব ফেইক সংবাদগুলো প্রতিনিয়ত মিডিয়া ও ভার্চুয়াল জগতে থেকে শুরু করে প্রত্যহিক মানবজীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর সমস্যা হিসাবে দেখা দিয়েছে। আর সত্যকে মিথ্যা দিয়ে চাপা দেয়া হয় মূলত কোন না কোনভাবে শক্তিশালী ও বিত্তশালীদের সুবিধার জন্য।

আমরা কীভাবে এসব বাড়াবাড়ি, স্পিন ও অসত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারি?

আমরা বর্তমানে সত্য- পরবর্তী বা পোস্ট-ট্রুথ জগতে বাস করছি, যেখানে বিকল্প তথ্য এবং ফেক নিউজ যুক্তরাজ্যের গ্লোবাল নিউজ এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সার্ভিস, বিবিসি-র মতো পিয়ার-রিভিউ গবেষণা এবং পূর্বতন-প্রামাণিক উৎসের সাথে সমান ভাবে প্রতিযোগিতা করছে। কোনটা সত্য আর কোনটি মিথ্যা তা মিলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। অনেক সময় দেখা যায় সত্যকে খুঁজতে গিয়ে সাঁপে- নেউলে সম্পর্ক তৈরি হয় ফলে অনেক সময় ও শক্তি অপচয় করেও নিজের জীবনের উপর নেমে আসে মৃত্যু ঝুঁকি।



কেন এমনটা হচ্ছে?
অনেকেই ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন বিপ্লবকে দোষারোপ করলেও সেটা পুরোপুরি সত্য ঘটনা নয় । এটা ঠিক প্রযুক্তি এই সমস্যাকে বহুলাংশে উত্তেজনাকর করে তুলেছে, নিশ্চিতভাবে হলেও এখানে অন্তর্নিহিত সামাজিক প্রবণতা প্রাক-কম্পিউটার যুগে ফিরে এসেছে । কিছু মানুষ প্রখ্যাত সত্যকে -চ্যালেঞ্জ করে এবং ব্যক্তিকে দোষারোপ করে, কিন্তু আমাদের কারণ এবং প্রভাবকে একসাথে মিশ্রিত করা উচিত নয়।
অনেক দীর্ঘ চক্র প্রবণতার কারণে পোস্ট-ট্রুথ যুগ আবির্ভূত হয়েছে, যা আমাদের চারপাশের বিশ্বকে কিভাবে বোধগম্য করে তুলছে । এই ঘটনাটিরও একটি নাম আছে — অজ্ঞতাবিদ্যা, সাংস্কৃতিকভাবে প্রবর্তিত অজ্ঞতা বা সন্দেহ । আর তা আসে স্বাদে-গন্ধে, অপেক্ষাকৃত সৌম্য (' স্পিন '-এর মাধ্যমে মানুষকে প্ররোচনায় ফেলার মাধ্যমে অথবা তথ্য-প্রমাণের মাধ্যমে) ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্বেষকে (বস্তুত ভুল তথ্যের উইলফুল পেটানোর) মাধ্যমে । অজ্ঞতাতত্ত্বের প্রভাব, ব্যবসার জন্য এবং রাজনীতির জন্য এক বিশাল প্রবণতা বিরাজমান। আর এ সুন্দর পৃথিবী সম্পর্কে আমাদের জানতে ও বোঝতে দুটি দীর্ঘ চক্রের বিশাল প্রবণতা দেখা যায় ।

প্রথমত, আমরা সবাই দিন দিন বোকা হয়ে পড়ছি, আত্মীয়ের ভিত্তিতে । গত কয়েক দশকে যখন ব্যক্তি জ্ঞান Individual Knowledge (IQ দ্বারা মাপা) (তথাকথিত ফ্লিন এফেক্ট) উপর ধীরে ও সুসংগঠিতভাবে বেড়েছে, আর মানুষের সম্মিলিত জ্ঞান (Collective Knowledge) বর্ধিষ্ণু হয়ে উঠেছে — মনে করুন বই লেখা, পিএইচডি সম্পন্ন,বিস্ফোরক বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে অথবা পেটেন্ট নিবন্ধিত করতে আমরা প্রত্যেকে যা জানি এবং পৃথিবী যা জানে তার মধ্যে ব্যবধান দ্রুত বাড়ছে ।

দ্বিতীয়, ব্যবসা ও রাজনীতির জগৎ আরও পরস্পর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, এই অর্থে এক জায়গায় কিছু ঘটে গেলে অন্য জায়গায় অনিশ্চিত দ্বিতীয় বা তৃতীয় অর্ডারের পরিণতি হতে পারে । সাইবার-হামলা, সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব, সন্ত্রাসবাদী হুমকি, রাজনৈতিক আন্দোলন, সামাজিক কালচার — এ সবই ' বিশ্ব অর্থনীতির এক জটিল ব্যবস্থা বলে মনে করা হয় । দুর্ভাগ্যবশত, জটিল সিস্টেম সঠিকভাবে মডেল করা যাবে না । এটা আমাদের সময়ের এক অদ্ভুত কূট: আমরা যতই সংযুক্ত করি না কেন, ভবিষ্যদ্বাণী করা আমাদের জন্য আসলেই কঠিন ।
এই দুই বিন্দুকে একসাথে রাখুন: ব্যক্তি হিসেবে আমরা বর্তমান সম্পর্কে বোঝার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি এবং ভবিষ্যতের ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন হয়ে পড়ছে । ফলে এক ধরনের কগনিটিভ ডিসসোসিয়েন্স হয় । চিন্তাশীল মানুষ হিসেবে আমরা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পছন্দ করি, কিন্তু ক্রমশ আমরা তা পারি না । তাহলে কীভাবে আমরা এই ডিসসোসিয়েট্যান্স সমাধান করব? আমরা বিশ্বাস করে পিছিয়ে পড়ি — নিজেদের সংস্কার নিয়ে । নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জোনাথন হান্টি এই বিন্দুকে নিম্নরূপ ব্যাখ্যা করেছেন । আমরা মনে করতে চাই যে আমরা যুক্তি এবং বিশ্লেষণ ব্যবহার করি বিচারের কাছে পৌঁছানোর জন্য, উদাহরণস্বরূপ জেনেটিক্যালি মডিফায়েড ফসলের বিপদ সম্পর্কে প্রমাণ দেখে, এবং তারপর তাদের নিষিদ্ধ করা উচিত কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া । বাস্তবে আমরা ঠিক উল্টো কাজ করি: প্রথমদিকে আমরা একটি সংস্কার-ভিত্তিক বিচার করতে আসি (প্রায়ই তা হয়) এবং তারপর আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির জন্য একটি কোজেন্ট যুক্তি নির্মাণ করতে পারি, সাধারণত সমর্থনপুষ্ট প্রমাণ লোপাট করে এবং প্রমাণ অগ্রাহ্য করে যা আমাদের বিভিন্ন দিকে নিয়ে যেতে পারে।
এটা একটা ভীতিকর বিষয়: এটা মানুষের স্বভাব যে সোজা একটি বিচারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়া, প্রায়শই তথ্য এবং, প্যারাডিক্সিকভাবে, আরো জটিল এবং অনিশ্চিত বিষয় উপর ভিত্তি করে, আমরা আমাদের সংস্কার বিশ্বাস করতে ঝোঁক. যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনি যেখানে বাস করেন সেখানে ব্যস্ত চৌহদ্দিতে ট্রাফিক লাইট লাগানো আপনি কি সমর্থন করেন, আপনি দ্রুত খুঁটিনাটি মাধ্যমে ভাবতে পারেন এবং রায় দিতে আসবেন । যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে আসতে সমর্থন করেন, আপনার মস্তিষ্কের যুক্তিভিত্তিক অংশ এড়িয়ে যায়, এবং স্বজ্ঞাত অংশ গ্রহণ করে। বিচারের এই প্রবণতা সবসময়ই বিদ্যমান থাকে, তখন এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেমন ব্যক্তি (অপেক্ষাকৃত) অজ্ঞ এবং পরবর্তী কি আসছে তা দেখতে সক্ষম নয় । প্রযুক্তি তারপরের সমস্যা, আমাদের ফেসবুক এবং টুইটার প্রচার একটি ইকো চেম্বার তৈরি করে যে প্রায়ই সম্পূর্ণ তথ্য বর্জিত হয়. এবং স্মার্ট রাজনীতিবিদরা দ্রুত এই ধারাকে শোষণ করে, আমাদের সংস্কার এবং অবচেতন আবিশ্বাসে টোকা দেয়, বরং কঠিন প্রমাণ দিয়ে আমাদেরকে আয়ত্বের মধ্যে নিয়ে যায় আর তখন আবেগের বশে যুক্তিবোধের শিল্পকর্মে যুক্তি খেই হারিয়ে ফেলে। অবশেষে আবেগের জয় হয়।

তাহলে এইসবের অর্থ কী?
• একজন ব্যক্তি হিসেবে, নিজের গোঁড়ামির বোঝা হিসবে ভিত্তিহীন সংবাদকে একধাপ এগিয়ে রাখি । আমরা নিজের চিন্তার পরিধি ব্যাপক আকারে না করে সংকীর্ণ করে ফেলি যা সংকটসময় অবস্থার সৃষ্টি করে।
একটি নতুন ব্র্যান্ড স্লোগান ও নতুন নতুন বিশেষজ্ঞ আমাদেরকে কী বলে? কোন তথ্য যে বস্তুনিষ্ঠ সেটা প্রমাণের উৎস কী? কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা আমাদেরকে বুঝতে সাহায্য করে যা আমাদের মন মানসিকতার পরিবর্তন করতে পারে, নিজেকে ভাল করে জানতে সাহায্য করে এইসব অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে ব্যবহার করতে পারলে আসল ও নকল যাচাইবাছাই করা সম্ভব। ।
• দৃষ্টিকোণ — অন্য কারও পয়েন্ট থেকে পৃথিবীকে দেখা — অন্য কৌশলকে সেরা ভাবা । আমরা কোন নিউজকে পর্যায়ক্রমে পরীক্ষা না করে তা সেরা মনে করে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে কমফোর্ট জোনের বাইরে রেখে দেই। অতিমাত্রায় পরনির্ভরশীলতার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে।
• সময়ের সাথে বদলে যাওয়ার প্রতিযোগিতা- মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ নয় বরং সময়, যা আমাদের মনোযোগ কাড়ে না । তাই বাস্তব সময়ে বাস্তব চিন্তা সম্পর্কে সিলেক্টেড হওয়া গেলে সময়ের সাথে সহাবস্থান সম্ভব।
• ফেক নিউজের সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে থাকলেও তথ্য-প্রমাণের দিকে সঠিক দিকটাতে থাকার নৈতিক ও অনেকগুলো দায়িত্ব আমাদের। কোন ট্যাপকে ভয় না পেয়ে আমাদের যুক্তি এবং আবেগের সংমিশ্রণ প্রয়োজন। সমাজের সবক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলে ফেইক নিউজের ফাঁদ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
• পরিশেষে, কঠিন বৈজ্ঞানিক প্রমাণের মধ্যেও কোন সংবাদ বস্তুনিষ্ঠতা ও উৎকৃষ্টমানের হয় যখন তা ভালোভাবে উপস্থাপন করা হয়। প্রশ্ন "সামাজিক দায়বদ্ধতা কার ? একটি শিল্পকে গণশ্রোতাদের জন্য সঠিকভাবে উপস্থাপন সমাজ ও ব্যক্তি জীবনে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। মনে রাখা প্রয়োজন হৃদয় থেকে স্বতঃস্ফূর্ত ভাষণ প্রতিবারই লিখিত স্ক্রিপ্টকে হারিয়ে দেয়।

সূত্র --
১) দ্যা গার্ডিয়ান - ১২ জুলাই ২০১৬, We are living in a post truth era.
২) দ্যা ফরবস, প্রফেসর জুলিয়ান বারক'শ, তারিখ ২২.০৫.২০১৭..The post truth world -why have we had enough of expert.

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৫৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বিশেষজ্ঞ = বিশেষ ভাবে অজ্ঞ

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:০৫

বলেছেন: অচিরেই এই সংখ্যা বাড়বে...
নতুন নতুন বিশেষজ্ঞ যোগ হবে, এদের কেউ আবার ফটো রাজনীতি করবে।।


মানুষ হই, মানবিক হই,

ধন্যবাদ।।

২| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: চমৎকার বিষয়বস্তু নির্বাচন করেছেন। :)

বর্তমান যুগে সবধরনের মিডিয়ার সহজলভ্যতা মানুষের জীবনকে একদিকে যেমন সহজ করেছে, অন্যদিকে তেমনি জটিলও করেছে। তথ্য যাচাই বর্তমান যুগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর থেকে উত্তরণে কমন সেন্স এপ্লাই করার কোন বিকল্প নাই।

মূল লেখা থেকে লেখার সময় আরেকটু রিভাইজ করতে পারেন।

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:০৬

বলেছেন: কিছুটা পরিমার্জন ও পরিবর্তন করতাছি।।।


পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।।।

৩| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৪:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সত্য-পরবর্তী (Post-truth ) শব্দটি তুলনামূলকভাবে সাম্প্রতিক হলেও ধারণাটি পূর্ববর্তী নৈতিক জ্ঞানচর্চা, এবং রাজনীতিতে নৈতিকতা, মিথ্যা, প্রতারণা এবং ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচার সহ আপেক্ষিকতা, উত্তর-আধুনিকতাযুগে ঘুরে ফিরে সেই মিথ্যাচার মন্ডিত রাজনৈতিক বিতর্কগুলির কাছেই ফিরে যায়। মধ্যযুগীয় ইটালিয়ান চিত্র শিল্পী টিনটোরেটো (১৫৮৫) পার্থিব বিষয়গুলির প্রতি নৈতিকতার আক্ষেপটি তাঁর বিখ্যাত একটি তৈল চিত্রে সুন্দর করে তুলে ধরেছিলেন ।

দার্শনিক ইম্মানুয়াল কান্ট তাঁর নিঃশর্ত আবশ্যক (categorical imperative) এ বলেছেন যতদুর পারা যায় কেবলমাত্র সেই সর্বোচ্চটি অনুসারে কাজ করুন যতক্ষন পর্যন্তনা অন্য কোন একটি বিয়য় সর্বজনীনতা না হয়ে উঠে। তাই সত্যিকার সত্য-পরবর্তীর (Post-truth) জন্য আরো কিছু কাল অপেক্ষাই মনে হয় করতে হবে ।

শুভেচ্ছা রইল

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:০৯

বলেছেন: আপনার মূল্যবান তথ্যের জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।।।


আধুনিক যুগের অন্যতম সমস্যা হলো সাইবার ক্রাইম।
দেখা যায় তথ্য বিভ্রাট নেশনের জন্য অনেকটা ফ্যাশন হয়ে গেছে আর তাতেই বিপত্তি সৃষ্টি হচ্ছে।।


ভালো থাকুন সবসময়।।


৪| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:০৪

ইসিয়াক বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই
পোষ্টটি পড়লাম ।
বিষয় নির্বাচন অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ ও যুক্তিযুক্ত। চমৎকার লিখেছেন ।
আসলেই ইন্টারনেটের এই সহজলভ্যতার যুগে , ভুলভাল তথ্য ও অপপ্রচার অনেক সময় সত্যকে মারাত্মক ভাবে প্রভাবিত করছে।
সেই কারণে তথ্য যাচাই বর্তমান যুগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
অনেক ধন্যবাদ

প্রিয় ভ্রাতা নতুন কবিতা দিয়েছি । আপনার মূল্যবান মন্তব্য আশা করছি।
সুপ্রভাত

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:১০

বলেছেন: আচ্ছা।।

আফনার কবিতাটা পড়ে আসি।।

৫| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই,

আপাতত পড়া শেষ করলাম। সময় নিয়ে আবার আসছি।

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৯

বলেছেন: কো - ইন্সিডেন্ট।।।

আমিও মরিচীকা পড়া শেষ করলাম।।।

৬| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:১১

শায়মা বলেছেন: সবকিছুরই পরিবর্তন আছে সাথে আছে অনুকুলতা এবং প্রতিকুলতা এবং সমস্যা ও সমাধান........

শুধু মাঝখান থেকে গড়বড় লেগে যায় মানে লেগেই থাকে.......

কি আর করা........ এই পরিবর্তন, পরিমার্জন, সমস্যা ও সমাধান না থাকলে পৃথিবীতে আজও আদিম যুগই বিরাজমান থাকতো।

তা তো হবার নয়। মানুষের ধর্মই হলো সমস্যা বাঁধানো এবং তা উপকারী, অপকারী, নির্বিকারী যা কিছুই হতে পারে।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:০৯

বলেছেন: সবকিছুরই পরিবর্তন আছে সাথে আছে অনুকুলতা এবং প্রতিকুলতা এবং সমস্যা ও সমাধান........ ইউ আর এ জিনিয়াস এজ অলওয়েজ ।।।।


ধন্যবাদ নিরন্তর

৭| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৭

নীল আকাশ বলেছেন: আগের মন্তব্য ডিলিট করে দিন। ফন্ট নিয়ে সমস্যা হয়েছে।

সত্য সব সময় শ্বাশত, সত্যের কোন পরিবর্তন হয় না। সত্য চিরস্থায়ী। সময়ের পাল্লায় সত্যই জয়ী হয়।
Truth is always win over fiction।in course of time।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৩২

বলেছেন: সত্য সমাগম
মিথ্যা অপসৃত
মিথ্যার পতন অবশ্যম্ভাবী।।।


অন্তহীন শুভকামনা।।

৮| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৯

হাবিব স্যার বলেছেন: আপাতত শুধু লাইক দিয়ে গেলাম

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৩

বলেছেন: আপনি ভালো আছেন তো স্যার স্টার।।।।


ভালো থাকুন সবসম।।।

৯| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: এরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক।
তাই তো যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৪

বলেছেন: যুগের সাথে তাল মিলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়।।


ভালো থাকুন বেশ করে।।।

১০| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি কি অনুবাদ করেছেন? অনেক সময় ইংলিশ আর্টিক্যাল ইংলিশ এ পড়লেই ভাল বোঝা যায়। সেটা অনুবাদ করলে বরং মাথার উপড় দিয়ে চলে যায়

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৩৬

বলেছেন: সহমত।।।

ভালো থাকুন।।

১১| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩১

বিজন রয় বলেছেন: আমি কোন বিশেষজ্ঞ নই।

পোস্টে +++++!

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৩৬

বলেছেন: আপনি তো কবিতা বিশেষজ্ঞ।।।


ভালো থাকুন সবসময়।।

১২| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:


মানব সভ্যতার ব্যাপক উন্নয়নের ফলে, মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত লব্ধজ্ঞানের পরিসর বিশালভাবে বর্ধিত হয়েছে; মানুষ প্রতিটি বিষয়কে নতুনভাবে ভাবছেন; ভাবনায় অনেক কিছু ডায়নামিক, যেগুলো বিভিন্ন স্পেশালিষ্ট এখনো বিভিন্ন স্পিয়ারে দেখছেন; ফলে, একই বিষয়ে বহু মতামত পাওয়া যাচ্ছে; তবে, এগুলোর মাঝে মিল আছে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর মন্তব্যের জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।।।


বিষয়টি মনে থাকবে....

১৩| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এসবই ক্ষমতা আর বিত্তশালী চক্রের এক বিভ্রম জাল!
যে জালে আমজনতাকে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে দিচ্ছে ক্রমশ!
বিজ্ঞাপনের বিভ্রম বা চলচিত্রের ইলুইশন সোশাল মিডিয়ার আসক্তি তৈরী
সব তাদেরই কারসাজি!
জ্ঞানকে ক্লাসিফাইড করে বিভাজিত করে মানুষকে ডিজিটাল ক্রীতদাস করে রাখছে
মূল নিয়ন্ত্রনে তারা কিন্তু সর্বব্যাপি বিরাজ করছে। সেখানে শুধূ সেই চক্রেরই মনোপলি!

জীবন বোধ, জ্ঞান আর বিশ্বাস দিয়েই বুঝি এ চক্র থেকে মুক্ত থাকা যায়!
কর্পোরেট ফাস থেকে, ভোগবাদী জীবন দর্শন থেকে বেরিয়ে গেলেই প্রাথমিক মুক্তি মেলে!
সেই মুক্তিকে দৃঢ় অবস্থানে নিতে চাই জ্ঞান এবং প্রজ্ঞার চর্চায় বিশ্বাসের দৃঢ়তা অর্জন। ধারন।চর্চা।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৩৮

বলেছেন: ছোটখাটো পোস্ট হয়ে গেলো দাদা।।।

পাবলিশ করুন।।।


জীবন বোধ, জ্ঞান আর বিশ্বাস দিয়েই বুঝি এ চক্র থেকে মুক্ত থাকা যায়!
কর্পোরেট ফাস থেকে, ভোগবাদী জীবন দর্শন থেকে বেরিয়ে গেলেই প্রাথমিক মুক্তি মেলে!

অসাধারণ।।

১৪| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল ,




পড়তে গিয়ে বুঝতে কষ্ট হওয়াতে যা মনে হয়েছিলো, দেখি সহব্লগার ঢাবিয়ান আর ভুয়া মফিজ অনেকটা তাই-ই বলে গেছেন।
তাছাড়া এই লাইনটি - " অনেক সময় দেখা যায় সত্যকে খুঁজতে গিয়ে সাঁপে-বর হয়ে আসে ফলে অনেক সময় ও শক্তি অপচয় করেও নিজের জীবনের উপর নেমে আসে মৃত্যু ঝুঁকি।" অর্থের দিক থেকে মেলাতে পারছিনে। "সাঁপে-বর" বা আশীর্বাদ হলে তো " মৃত্যু ঝুঁকি" বাড়বার কথা নয়! বরং আয়ু বেড়ে যাবার কথা। কথাটি কি "সাঁপে-বর" হবে নাকি অন্যকিছু?

তবে এটা ঠিক একালে কোন তথ্যটি সত্য আর কোনটি মিথ্যে তা যাচাই করা কষ্টকর। সহ ব্লগার চাঁদগাজী যেমনটা বলেছেন - মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত লব্ধজ্ঞানের পরিসর বিশালভাবে বর্ধিত হওয়ায় মানুষ প্রতিটি বিষয়কে নতুনভাবে ভাবছেন। মানুষের ভাবনায় অনেক কিছু ডায়নামিক, যেগুলো বিভিন্ন স্পেশালিষ্ট এখনো বিভিন্ন স্পিয়ারে দেখছেন; ফলে, একই বিষয়ে বহু মতামত পাওয়া যাচ্ছে।
বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে "র‍্যাব" (RAB) তথ্য বিভ্রাট নিয়ে খুব সুন্দর একটি সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করছেন। তথ্য বিভ্রাট কি ভাবে হয় , কিভাবেই বা তথ্যকে নিজের স্বার্থ সিদ্ধির কাজে লাগানো হয় সেটাই ঐ তথ্যচিত্রে পরিষ্কার ভাবে ফুটে উঠেছে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৪০

বলেছেন: লেখাটাকা সময় করে আরেকটু ঘষামাজা করবো স্যার।।

সাপে - নেউলে দিতে চেয়েছিলাম।।। ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা।।।


ভালো থাকুন

১৫| ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

পুলক ঢালী বলেছেন: তথ্যের সত্যমিথ্যা যাচাই কঠিন হয়ে পড়েছে । রাজনৈতিক দুর্বৃত্যায়নের জন্য সুবিধামত তথ্য উপস্থাপন করা হয় এক্ষেত্রে মিডিয়া প্রচন্ডভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পরবর্তি সত্য আসলে কি ? এই সত্য কিভাবে সুনিশ্চিতভাবে নির্ধারন করা যাবে ? সেই সত্য কি চিরন্তন ? তার গ্যারান্টার কে ? যে কোনো তথ্যের মোকাবিলা করতে নিজেরা সুবিধামত তথ্য তৈরী করে নেই। কালেক্টিভ নলেজ আসলে গনতান্ত্রিক ধারার আরেকটি রূপ।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৪১

বলেছেন: কালেকটিভ নলেজ - গনতান্ত্রিক ধারার আরেকটি দিক।।। অনেক ভালো বলেছেন।


ধন্যবাদ রইলো।।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.