নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

সচেতনতামূলক পোষ্ট: মোবাইল ফোন রেডিয়েশন নিয়ে সাম্প্রতিক জরিপ; সতর্কতার প্রয়োজন নিয়ে ভাবনা; মোবাইল রেডিয়েশন থেকে বেঁচে থাকার কিছু উপায়

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৩২



মোবাইল ফোন থেকে বিচ্ছুরিত রেডিয়েশন সম্পর্কে সাম্প্রতিক জরিপ; সতর্কতার প্রয়োজন নিয়ে ভাবনা

মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনের বিষয়টি ইতোপূর্বে যদিও বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছে তবু এ থেকে বাঁচার কার্যকর কোনো সমাধান এ পর্যন্ত এসেছে বলে শোনা যায়নি। প্রয়োজনের তাগিদে বরং মোবাইল ফোনের উপর মানুষের নির্ভরতা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। যোগাযোগ রক্ষায় সহজলভ্যতা, ব্যবহারের বহুবিধ সুবিধা থাকার ফলে আধুনিক জীবনের অপরিহার্য্য অনুসঙ্গ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। সম্প্রতি ‘দ্য জার্মান ফেডারেল অফিস অব রেডিয়েশন প্রোটেকশন’ নামের একটি সংস্থা মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনের পরিমাণ নিয়ে জরিপ করেছে।



রেডিয়েশন আসলে কি?

বিজ্ঞানীদের মতে, রেডিয়েশন হচ্ছে ‘তেজস্ক্রীয় রশ্মি’ বা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক প্রকার ত্বড়িৎ চুম্বকীয় বিচ্ছুরিত শক্তি বা পাওয়ার। যেন আকাশে চমকানো বিদুৎ। অথবা এক মোবাইল থেকে অন্য মোবাইলে কথাবার্তা একটি শক্তির দ্বারা আসা-যাওয়া করে। ওই শক্তির নামই ‘রেডিয়েশন’।

রেডিয়েশনের কারণে মানব শরিরে ঠিক কি ধরণের সমস্যা হতে পারে?

আন্তর্জাতিক ক্যান্সার রির্সাস সংস্থা তাদের মতামতে জানিয়েছে, অতিমাত্রায় রেডিয়েশনের কারণে ব্রেইন ক্যান্সার হতে পারে। একইরকমভাবে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন অভিমত ব্যক্ত করেছে, অতিমাত্রায় মোবাইল ব্যবহারে শরীরের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। দীর্ঘক্ষণ কথা বলার কারণে কানের সমস্যা, কানে ঝিমঝিম করা, কানের ভিতরে ব্যথা, ব্রেইনের নিউরনের ক্ষতি, ব্রেনের কোষ দুর্বল হয়ে যেতে পারে। মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন থেকে বাঁচতে সতর্কতা অবলম্বন করলেই মিলতে পারে রেহাই।



সাম্প্রতিক গবেষনার ফল

২০১৮ সালের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে অ্যাপল, ব্ল্যাকবেরি, গুগল, এইটিসি, হুয়াওয়েই, এলজি, মোটোরোলা, ওয়ান প্লাস, স্যামসাং, সনি, শাওমি, জেডটিই- ফোনগুলির মধ্যে সমীক্ষা চালায় সংস্থাটি।

এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা মোবাইলের ক্ষতিকর কিছু দিকের সন্ধান দিয়েছে। তারা জানিয়েছে বাঁচার সহজ কিছু উপায়ও। তাদের পরামর্শ, কানে মোবাইল চেপে কথা বলার অভ্যাস ছাড়তে হবে। প্রয়োজনে হ্যান্ডস ফি গেজেট ব্যবহার করা যেতে পারে। স্পিকার ফোনে কথা বলার অভ্যাস বাড়াতে হবে। বন্ধ ঘরে মোবাইলে দীর্ঘক্ষণ কথা এড়াতে হবে। খুদে বার্তা (ম্যাসেজ) দিয়ে কাজ মিটে গেলে মোবাইলে কথা না বলে খুদে বার্তা পাঠানো যেতে পারে।



সংস্থাটির পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে, শাওমির এমআই এ১-এ রেডিয়েশন সবচেয়ে বেশি। এর পরিমাণ ১.৭৫ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম। অথচ বিশ্ব জুড়ে ফোনের ব্যবহারযোগ্য বা নিরাপদ অ্যাবজর্ভশন রেট ০.৬ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম।

চীনের ওয়ান প্লাস ৫টি’র রেডিয়েশনের পরিমাণ ১.৬৮ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম, শাওমি এমআই ম্যাক্স ৩-র ক্ষেত্রে রেডিয়েশনের পরিমাণ ১.৭৫ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম। শাওমি ও ওয়ান প্লাসের ফোনগুলির রেডিয়েশনের পরিমাণ এই তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি।

এরপর রয়েছে ওয়ান প্লাস ৬টি ও এইচটিসি ইউ১২ লাইফ। এই ফোনের ক্ষেত্রে রেডিয়েশনের পরিমাণ ১.৫৫ ও ১.৪৮ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম।



এরপরই তালিকায় রয়েছে শাওমি এমআই মিক্স৩ ও গুগল পিক্সল ৩-এক্স এল। এই ফোনের ক্ষেত্রে রেডিয়েশনের পরিমাণ ১.৪৫ ও ১.৩৯ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম।

ওয়ান প্লাস ৫ ও আই ফোন ৭-এর ক্ষেত্রেও রেডিয়েশনের পরিমাণ মারাত্মক। এই ফোনগুলির ক্ষেত্রে রেডিয়েশনের পরিমাণ ১.৩৯ ও ১.৩৮ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম।

এরপর রয়েছে সনি এক্সপেরিয়া এক্স জেড১ কমপ্যাক্ট ও এইচটিসি ডিসায়ার ১২/১২+ এর ক্ষেত্রে রেডিয়েশনের পরিমাণ ১.৩৬ ও ১.৩৪ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম।

গুগল পিক্সল ৩ ও ওয়ান প্লাস ৬-এর ক্ষেত্রে রেডিয়েশনের পরিমাণ একই। ১.৩৩ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম।

আইফোন ৮-এর ক্ষেত্রে রেডিয়েশনের পরিমাণ ১.৩২ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম।

শাওমি রেডমি নোট ৫-এর ক্ষেত্রে রেডিয়েশনের পরিমাণ ১.২৯ ওয়াট প্রতি কিলোগ্রাম। জেডটিই অ্যাক্সন ৭ মিনির ক্ষেত্রেও রেডিয়েশনের পরিমাণ একই।



তবে স্যামসাং নোট ৮, এ৮ বা স্যামসাংয়ের অন্য স্যামসাং ফোনের ক্ষেত্রে রেডিয়েশন যথাক্রমে ০.১৭, ০.২৪, ০.২৬, ০.২৯, অর্থাৎ যথেষ্ট নিরাপদ বলেই উল্লেখ করেছে এই সংস্থা।

বিষয়টি নিয়ে ভাবনার যথেষ্ট কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

মোবাইল রেডিয়েশন থেকে বাঁচার উপায়

‘‘মোবাইল ফোনের মাইক্রোওয়েব প্রতিদিন মস্তিষ্ক গ্রহণ করলে একটা সময় এসে তা মানুষের জৈবিক ও শারীরিক ক্ষেত্রে কঠিন পরিণতি বয়ে আনতে পারে।’’ অধ্যাপক লেইফ সালফোর্ড, সুইডেনের লান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রধান।



চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আশংকা করছেন, মোবাইল ফোনের ব্যবহার বাড়তে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তা বিরাট বিপর্যয় বয়ে আনবে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২০ কোটি ৮০ লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী রয়েছে। সেল ফোন ইন্ডাস্ট্রিজে’র সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক ড. জর্জ কার্লো বলেন, ২০১০ সালে সেলফোন ব্যবহারের ফলে সারা বিশ্বে ৫ লাখ ব্যবহারকারী মস্তিষ্ক ও কানের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যায়, সেলফোন বিকিরণ স্বাস্থ্যের ওপর বিভিন্ন প্রভাব ফেলে। যেমন: মাথাব্যাথা, উচ্চ রক্তচাপ, ব্রেইন টিউমার, ক্যান্সার, আলজেইমার সহ নানা রোগ ।



বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কতৃক পরিচালিত 'ইন্টারফোন নামে একটি গবেষণায় বলা হয়, যারা দশ বছর ধরে দিনে আধ ঘন্টার বেশি সেলফোন ব্যবহার করেছে, তাদের মারাত্মক মস্তিষ্ক টিউমারের সম্ভাবনা বেড়েছে। এই গবেষণাটির জন্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেলফোন ব্যবহার মানবদেহে ক্যান্সারের সম্ভাব্য কারণগুলির একটি।

শরীরের জন্য ক্ষতিকর সেলফোন রেডিয়েশন থেকে মুক্তির কিছু উপায়:

১. যথাসম্ভব যে কোন কলকে সীমিত রাখার চেষ্টা করুন এবং প্রতিটি কল সংক্ষিপ্ত করুন। কেননা দুই মিনিট মোবাইলে কথা বললে তা আপনার মস্তিষ্কের প্রাকৃতিক ইলেকট্রিক্যাল কার্যক্রমকে এক ঘন্টা পর্যন্ত স্তমিত করে দিতে পারে।

২. কেবল জরুরী প্রয়োজনে শিশুদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেয়া উচিত। কেননা শিশুদের বাড়ন্ত বয়সে মোবাইল ব্যবহার করলে মোবাইলের রেডিয়েশন তার মস্তিকের স্কাল গঠনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

৩. কথা বলার সময় বায়ু নল হেডসেট ব্যবহার করুন। তবে এতে নিয়মিত তারযুক্ত হেডসেট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। কেননা তারযুক্ত হেডসেট কানের ক্যানেলে তীব্র বিকিরণ সৃষ্টি করে।

৪. ব্যবহারের সময় কিংবা মোবাইল চালু থাকা অবস্থায় পকেটে বা বেল্টের সঙ্গে সেলফোন রাখবেন না। কেননা শরীরের চামড়ার নিচে অবস্থিত নরম টিস্যু দ্রুত মোবাইলের বিকিরণ শুষে নিতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষেরা প্যান্টের পকেটে মোবাইল রাখে তাদের বীর্য ৩০ ভাগ পর্যন্ত কমে যায়।

৫. যদি হেডসেট ছাড়া ফোন ব্যবহার করেন তখন মোবাইল যতক্ষণ পর্যন্ত কানেক্ট না দেখায় ততক্ষণ পর্যন্ত ফোন কানের কাছে ধরে রাখা থেকে বিরত থাকুন।

৬. মোবাইল কোন বদ্ধ ধাতব জায়গায় ব্যবহার করবেন না। যেমন: যানবাহন কিংবা লিফটের মধ্যে। কারণ, ধাতু ঘেরা এলাকায় মোবাইল ‘ফ্যারাডে কেজ’ হিসেবে কাজ করে। এই কেজ বিকিরণকে ধরে রাখে। ফলে মোবাইল ব্যবহারকারীর শরীরে বিকিরণ প্রতিফলিত হয়।



৭. নেটওয়ার্ক কম থাকাকালীন সময়ে কারো মোবাইলে কল দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

৮. কম স্পেসিফিক অ্যাবজরপশন রেটের মোবাইল বা কম বিকিরণ সমৃদ্ধ মোবাইল কিনুন। কারণ এতে রেডিও ফিক্রোয়েন্সি কম থাকে।

৯. যখন কোথাও দীর্ঘ সময় বিশ্রাম নেয়ার প্রয়োজন মনে করবেন, সেসময় মোবইল ফোন শরীর থেকে দুরে রাখুন।

১০. বেশি বেশি পুষ্টগুণসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। বিশেষ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন খাবার গ্রহণ করুণ। কেননা মাইক্রোওয়েব রেডিয়েশন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়।



আসুন, মোবাইল ফোনের ব্যবহার সম্মন্ধে সচেতন হই। নিজে বাঁচি এবং অন্যকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করি ক্ষতিকর রেডিয়েশন থেকে।

ভালো থাকুন সকলে। সকলের সুস্বাস্থ কামনায়।

ছবি: গুগল।

সূত্র: ১. একটি সচেতনতা মুলক পোষ্ট:মোবাইলের ক্ষতিকর বিকিরণ থেকে বাচার ১০ উপায় !!;);)
২. সবচেয়ে মারাত্মক রেডিয়েশন শাওমির ফোনে
৩. মোবাইলের রেডিয়েশন কি কি ভাবে ক্ষতি করে? এ থেকে বাঁচার উপায় কি? সরকারের কি করণীয় অাছে?
৪. মোবাইল রেডিয়েশন থেকে বাঁচার ৫ সহজ উপায়

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:১০

হাবিব স্যার বলেছেন: দারুণ পোস্ট। ++++

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:১৬

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ। আপনার সাক্ষাত আনন্দদায়ক।

লাইকসহ প্রথম মন্তব্যে আসায় কৃতজ্ঞতা।

নিরন্তর কল্যান কামনা আপনার জন্য।

২| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:১৫

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৫

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ।

কেমন আছেন কবি ভাই? আহ, কত দিন পরে!

৩| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০১

নয়া পাঠক বলেছেন: সুন্দর একটি সচেতনতামূলক পোষ্ট। এটি সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক। আমি একবার এ সংক্রান্ত একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম, কিন্তু তাতে অনেকেই বিষয়টি মানতে চাননি।: দেখুন এখানে

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

নতুন নকিব বলেছেন:



দেখে এসেছি আপনার পোস্টটি।

অনেক সময় নতুন কিছুকে মেনে নেয়াটা কঠিন হয়ে যায়। আমি নিজেও তো এমনই। তথ্য প্রমান সাপেক্ষে মানুষ সবকিছুকে ভাবতে চায়। এটা অবশ্যই ভালো দিক।

অনেক ভালো থাকবেন।

৪| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২৭

নীল আকাশ বলেছেন: সালাম নকিব ভাই,
দুর্দান্ত একটা পোস্ট দিয়েছেন। ঠিক যেন আমার আগের পোস্টের পরের পর্ব বলে মনে হলো। চমৎকার একটি সচেতনতামূলক পোষ্ট। এটি সবার জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক। খুব দু:খের বিষয় হলো, আমাদের দেশের মানুষ জন প্রায় বিনা কারনেই ফোনে বকর বকর করে বেড়ায়। বিশেষ করে কিছু কিছু মহিলারা। অনর্থক মোবাইলে একদম অপ্রয়োজনীয় কথা বলে বেড়ায়।
আশা করি এই পোস্ট পড়ে কারো না করো বোধদয় হবেই!!!!!!!!!!!
লাইকড এবং প্রিয়তে সোজাসুজি......
ধন্যবাদ এই পোস্ট দেবার জন্য!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার প্রতিও সালাম।

আন্তরিক মূল্যায়নে পোস্ট সিক্ত হওয়ায় অভিনন্দন অন্তহীন।

পোস্টে লাইক প্রদান এবং পোস্ট প্রিয়তে নেয়ায় কৃতজ্ঞতা। ভালো থাকুন সবসময়।

৫| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সতর্ক করে দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০৪

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ।

৬| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: চমৎকার একটি পোস্ট । পোষ্টটির বহুল প্রচার দরকার ।

বাসন্তিক শুভেচ্ছা নিয়েন প্রিয় নকিবভাই।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০৬

নতুন নকিব বলেছেন:



চমৎকার একটি পোস্ট । পোষ্টটির বহুল প্রচার দরকার ।

বাসন্তিক শুভেচ্ছা নিয়েন প্রিয় নকিবভাই।


কখন যে বসন্ত দুয়ারে এসে পড়েছে, খেয়ালই করিনি। আপনিও নিন বসন্তের স্নিগ্ধ মলয়ের আলোড়িত শুভেচ্ছা।

৭| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫১

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: চমৎকার এবং প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে ভাললাগা রইলো। +++

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনাকে পেয়ে আনন্দিত হলাম। ভালো থাকুন সবসময়।

৮| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
উপকারী ও জরুরী পোস্ট। ++++++

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ।

৯| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
850/ 900/1800 MHz জিএসএম বেতার তরংগ, এবং টাওয়ার টু টাওয়ার যোগাযোগে মাইক্রওয়েভ।
মাইক্রোওয়েভ অবস্য শুরু থেকে সেটেলাইট যোগাযোগেও বহুল ব্যাবহৃত।
এসব মামুলি এফএম রেডিওর মত বেতার তরংগ ক্ষতিকর বলে মনে হয় না।
শত বছর রেডিও তরংগ ব্যাবহৃত হয়ে আসছে কোন বিতর্ক ছাড়াই।
ব্লুটুত ওয়াইফাই আরো হালকা।
বরং টিভি মনিটর বেশী রেডিয়েশন ছড়ানোর কথা। অবস্য সেসবও ক্ষতিকর প্রমানিত হয় নি।
এরচেয়ে হাজার গুন ক্ষতিকর এসিতে/ফ্রিজারে সিএফসি (ফ্রিয়ন২২ গ্যাস) ব্যাবহারে ওজন স্তর ধ্বংশের কারনে সুর্যের আল্ট্রা ভায়োলেট রেডিয়েশন।

এসব রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রকৃতই ক্ষতিকর হয়ে থাকলে পরিবেশ সচেতন দেশগুলোএসব জিএসএম ফোন অনেক আগেই বন্ধ করে দিত।
৫ লাখ সেলফোন ব্যাবহারকারি ক্যানসারে আক্রান্ত বলছে জর্জকার্লো নামে একজন কোন প্রমান ছাড়াই।
যেখানে ১কোটির উপর লোক প্রতি বছর সেলফোন বাদেই ক্যান্সারে মারা যাচ্ছে।

প্লাস্টিক চাল, প্লাস্টিক ডিমের মত মোবাইল আতংক!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



তথ্যপূর্ণ মন্তব্যে স্বাগত।

তবে যত দিন পর্যন্ত মোবাইল রেডিয়েশনের ক্ষতির পরিমান নির্ণয়ে সঠিক কোনো সুরাহা না হয়, তত দিন গবেষনা অব্যহত রাখা প্রয়োজন।

১০| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: চমৎকার একটি দরকারী পোষ্ট দিয়েছেন ভাইজান।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ আপনাকেও।

১১| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১৩

বোকা পুরুষ বলেছেন: দরকারি পোষ্ট...কিন্তু আপনি যে জরিপ টা দিয়েছেন আমার মনে হয় এর পেছনে স্যামসং এর কোন মার্কেটিং পলিসি আছে।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৪

নতুন নকিব বলেছেন:



মার্কেটিং পলিসি থেকেও থাকতে পারে।

১২| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

আমি ভালো আছি ভাই.... আশা করি, আপনিও ভালো আছেন।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

নতুন নকিব বলেছেন:



জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ। পুনরায় এসে অভিব্যক্তি জানিয়ে যাওয়ায় কৃতজ্ঞতা।

ভালো থাকুন।

১৩| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৯

ফয়সাল রকি বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:....প্লাস্টিক চাল, প্লাস্টিক ডিমের মত মোবাইল আতংক!

বিষয়টা আতংকের হলেও কিছুটা ক্ষতি হয়তো হয়, সতর্কতা হয়তো দরকার!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

নতুন নকিব বলেছেন:



আতংকের নয়, বিষয়টিতে সতর্কতার প্রয়োজন।

১৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১০

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। ৯নং মন্তব্যও, ভালো তথ্য দিয়েছেন। প্রয়োজন ছাড়া (কলের ক্ষেত্রে) মোবাইল হাতে নেয়াই ঠিক না। যদিও আমরা সবাই ডিজিটাল এবং মোবাইলের ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে এবং আরো যাবে।
+।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৬

নতুন নকিব বলেছেন:



সুন্দর বলেছেন দাদা।

অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

১৫| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২৫

নতুন বলেছেন: উপরে হাসানভাই এর সাথে একমত...

এই বিষয়ে আরো স্টাডির দরকার... এখন এটা নিয়ে আলোচনা হয়, লেখা/ভিডিও হয় ব্লগে/ভিডিওতে ভিউ বাড়াতে যাতে জনগন বেশি তাদের পেজে আসে, ভিডিও লাইক করে....

এর পেছনে বেশি গবেষনা নেই... যেটুকু হয়েছে তাতে তেমন কোন প্রমান নেই...যে এটা আমাদের ক্ষতি করছে...

এটা এখন পযন্ত প্লাস্টিকের চাল, প্লাস্টিকের ডিমের মতন গুজব..... :)

Mobile phone radiation and health
From Wikipedia, the free encyclopedia
Jump to navigationJump to search
A man speaking on a mobile telephone
Part of a series on
Antennas
Montage of the typical cellular Antenna at the top of the tower
Common types[show]
Components[show]
Systems[show]
Safety and regulation[hide]
Mobile phone radiation and health
Wireless electronic devices and health
International Telecommunication Union
(Radio Regulations)
World Radiocommunication Conference
Radiation sources / regions[show]
Characteristics[show]
Techniques[show]
vte
The effect of mobile phone radiation on human health is a subject of interest and study worldwide, as a result of the enormous increase in mobile phone usage throughout the world. As of 2015, there were 7.4 billion subscriptions worldwide, though the actual number of users is lower as many users own more than one mobile phone.[1] Mobile phones use electromagnetic radiation in the microwave range (450–3800 MHz and 24-80GHz in 5G mobile). Other digital wireless systems, such as data communication networks, produce similar radiation.

The World Health Organization states that "A large number of studies have been performed over the last two decades to assess whether mobile phones pose a potential health risk. To date, no adverse health effects have been established as being caused by mobile phone use."[2] In a 2018 statement, the FDA said that "the current safety limits are set to include a 50-fold safety margin from observed effects of radiofrequency energy exposure".[3]


Contents
1 Effects studied
1.1 Blood–brain barrier
1.2 Cancer
1.3 Male fertility
1.4 Electromagnetic hypersensitivity
1.5 Glucose metabolism
2 Base stations
3 Safety standards and licensing
4 Lawsuits
5 Precautions
5.1 Precautionary principle
5.2 Precautionary measures and health advisories
5.3 Bogus products
6 See also
7 References
8 External links
Effects studied
See also: Wireless electronic devices and health and Electromagnetic radiation and health
Blood–brain barrier
A 2010 review stated that "The balance of experimental evidence does not support an effect of 'non-thermal' radiofrequency fields" on the permeability of the blood-brain barrier, but noted that research on low frequency effects and effects in humans was sparse.[4] A 2012 study of low-frequency radiation on humans found "no evidence for acute effects of short-term mobile phone radiation on cerebral blood flow".[5][6]

Cancer
See also: Non-ionizing radiation
There is no strong or consistent evidence that mobile phone use increases the risk of getting brain cancer or other head tumors. The United States National Cancer Institute points out that "Radiofrequency energy, unlike ionizing radiation, does not cause DNA damage that can lead to cancer. Its only consistently observed biological effect in humans is tissue heating. In animal studies, it has not been found to cause cancer or to enhance the cancer-causing effects of known chemical carcinogens." The majority of human studies have failed to find a link between cell phone use and cancer. In 2011 a World Health Organization working group classified cell phone use as "possibly carcinogenic to humans". The CDC states that no scientific evidence definitively answers whether cell phone use causes cancer.[5][7][8]

In a 2018 statement, the FDA said that "the current safety limits are set to include a 50-fold safety margin from observed effects of radiofrequency energy exposure".[3][9]

An analysis of an "eagerly anticipated" study using rats and mice by the National Toxicology Program indicates that due such issues as the inconsistent appearances of "signals for harm" within and across species and the increased chances of false positives due to the multiplicity of tests, the positive results seen are more likely due to random chance. The full results of the study were released in February 2018.[10]

Male fertility
A decline in male sperm quality has been observed over several decades.[11][12][13] Studies on the impact of mobile radiation on male fertility are conflicting, and the effects of the radiofrequency electromagnetic radiation (RF-EMR) emitted by these devices on the reproductive systems are currently under active debate.[14][15][16][17] A 2012 review concluded that "together, the results of these studies have shown that RF-EMR decreases sperm count and motility and increases oxidative stress".[18][19] A 2017 study of 153 men that attended an academic fertility clinic in Boston, Massachusetts found that self-reported mobile phone use was not related to semen quality, and that carrying a mobile phone in the pants pocket was not related to semen quality.[20]

Electromagnetic hypersensitivity
Main article: Electromagnetic hypersensitivity
Some users of mobile phones and similar devices have reported feeling various non-specific symptoms during and after use. Studies have failed to link any of these symptoms to electromagnetic exposure. In addition, EHS is not a recognised medical diagnosis.[21]

Glucose metabolism
According to the National Cancer Institute, two small studies exploring whether and how cell phone radiation affects brain glucose metabolism showed inconsistent results.[5]

Base stations

Cellular Mobile and UHF Antenna Tower with multiple Antennas
Experts consulted by France considered it was mandatory that the main antenna axis should not to be directly in front of a living place at a distance shorter than 100 metres.[22] This recommendation was modified in 2003[23] to say that antennas located within a 100-metre radius of primary schools or childcare facilities should be better integrated into the cityscape and was not included in a 2005 expert report.[24] The Agence française de sécurité sanitaire environnementale (fr) as of 2009, says that there is no demonstrated short-term effect of electromagnetic fields on health, but that there are open questions for long-term effects, and that it is easy to reduce exposure via technological improvements.[25]

Safety standards and licensing
In order to protect the population living around base stations and users of mobile handsets, governments and regulatory bodies adopt safety standards, which translate to limits on exposure levels below a certain value. There are many proposed national and international standards, but that of the International Commission on Non-Ionizing Radiation Protection (ICNIRP) is the most respected one, and has been adopted so far by more than 80 countries. For radio stations, ICNIRP proposes two safety levels: one for occupational exposure, another one for the general population. Currently there are efforts underway to harmonise the different standards in existence.[26]

Radio base licensing procedures have been established in the majority of urban spaces regulated either at municipal/county, provincial/state or national level. Mobile telephone service providers are, in many regions, required to obtain construction licenses, provide certification of antenna emission levels and assure compliance to ICNIRP standards and/or to other environmental legislation.

Many governmental bodies also require that competing telecommunication companies try to achieve sharing of towers so as to decrease environmental and cosmetic impact. This issue is an influential factor of rejection of installation of new antennas and towers in communities.

The safety standards in the US are set by the Federal Communications Commission (FCC). The FCC has based its standards primarily on those standards established by the Institute of Electrical and Electronics Engineers (IEEE), specifically Subcommittee 4 of the "International Committee on Electromagnetic Safety".

Switzerland has set safety limits lower than the ICNIRP limits for certain "sensitive areas" (classrooms, for example).[27]

Lawsuits
In the US, a small number of personal injury lawsuits have been filed by individuals against cellphone manufacturers (including Motorola,[28] NEC, Siemens, and Nokia) on the basis of allegations of causation of brain cancer and death. In US federal courts, expert testimony relating to science must be first evaluated by a judge, in a Daubert hearing, to be relevant and valid before it is admissible as evidence. In a 2002 case against Motorola, the plaintiffs alleged that the use of wireless handheld telephones could cause brain cancer and that the use of Motorola phones caused one plaintiff's cancer. The judge ruled that no sufficiently reliable and relevant scientific evidence in support of either general or specific causation was proffered by the plaintiffs, accepted a motion to exclude the testimony of the plaintiffs' experts, and denied a motion to exclude the testimony of the defendants' experts.[29]

Two separate cases in Italy, in 2009[30][31] and 2017,[32][33] resulted in pensions being awarded to plaintiffs who had claimed their benign brain tumors were the result of prolonged mobile phone use in professional tasks, for 5–6 hours a day, which they ruled different from non-professional use.

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৭

নতুন নকিব বলেছেন:



ভালো বলেছেন। সবাই সচেতন হোক সেটাই চাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.