নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুসলিম বিচারকের ন্যায়বিচারে বিস্ময়াভিভূত ইহুদির ইসলাম গ্রহণের অসাধারণ ঘটনা

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৫৫

ছবিঃ অন্তর্জাল।

মুসলিম বিচারকের ন্যায়বিচারে বিস্ময়াভিভূত ইহুদির ইসলাম গ্রহণের অসাধারণ ঘটনা

হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু ছিলেন বহুমুখী জ্ঞান, প্রতিভা এবং গুণের অধিকারী। তাঁর জ্ঞানের বিশালতা সুবিদিত। তাঁর বীরত্ব, মহত্ত্ব ও ন্যায়বিচারের মাহাত্মও মানবজাতির কাছে অদ্যাবদি জীবন্ত দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। তাঁরই জীবনে ঘটে যাওয়া চমৎকার একটি ঘটনা-

তখন মুসলিম জাহানের খলিফা অর্থাৎ, রাষ্ট্রপ্রধান তিনি। একবার তাঁর একটি বর্ম হারিয়ে যায়। বর্মটি ছিল অতি সুন্দর এবং তাঁর খুবই প্রিয়। তাই হারানো বর্মটি খুঁজে বের করার জন্য তিনি অনেক চেষ্টা করলেন। কিছু দিন পরে তিনি জানতে পারলেন যে, এক ইহুদির কাছে সেই বর্মটি রয়েছে। বর্মটির সন্ধান পেয়ে তিনি খুশি হলেন। তিনি উক্ত ইহুদি ভদ্রলোককে একান্তে ডেকে তার সাথে কথা বললেন। তাকে অনুরোধ করে বললেন যে, তোমার হাতে যে বর্মটি রয়েছে ওটা আমার। তাই বর্মটি আমাকে ফিরিয়ে দাও।

ইহুদি ভদ্রলোক খলিফার কথা উড়িয়ে দিয়ে বললেন যে, না এটা ঠিক নয়, এটি আমার নিজের বর্ম। এই বর্ম আপনি দাবি করতে পারেন না। ইহুদির এই আচরণে খলিফা অবাক হলেন কিন্তু তিনি প্রতিশোধপরায়ন না হয়ে ধৈর্য্যধারণ করলেন এবং শেষমেষ নিরুপায় হয়ে বর্মটি উদ্ধারের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

তখনকার সময়ে রাষ্ট্র নিযুক্ত বিচারক ছিলেন কাজী শুরাইহ রহ.। খলিফা কাজীর কাছে গেলেন এবং কাজী শুরাইহ এর আদালতে অভিযোগ পেশ করলেন। বর্মটি উদ্ধারের জন্য ন্যায়বিচার চেয়ে বিচারপ্রার্থী হলেন।

বলা বাহুল্য, কাজী শুরাইহ ছিলেন প্রকৃতই একজন ন্যায়বিচারক। তিনি ঘটনা বিস্তারিত জেনে অভিযুক্ত ইহুদি লোকটিকে আদালতে তলব করলেন। সমন অনুযায়ী ইহুদি আদালতের কাঠগড়ায় এসে দাঁড়ালেন।

কাজী সাহেব বললেন, আপনার বিরুদ্ধে মহামান্য খলিফার অভিযোগ কি সত্য?

ইহুদি লোকটি প্রতিবাদ করে বললেন, জ্বি,না, মহামান্য বিচারক। এই অভিযোগ সত্য নয়। আমি খলিফার বর্ম চুরি করিনি। এটা আমারই বর্ম।

কাজী শুরাইহ বললেন, তা হলে যে বর্মটি খলিফা তাঁর নিজের বলে দাবি করছেন, সেটি আপনার?

ইহুদি জবাব দিলেন, নিশ্চয়ই আমার। বর্মটি এখনো আমার কাছেই আছে।

কাজী প্রশ্ন করলেন, মহামান্য খলিফা! অভিযুক্তের কাছে যে বর্মটি রয়েছে সেটিই যে আপনার তার কি কোনো প্রমাণ আপনি দাখিল করতে পারবেন?

খলিফা বললেন, অবশ্যই পারবো। ঐ বর্মটিই যে আমার তার সাক্ষী আছে। এ জন্য আমি দু'জনকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে উপস্থিত করার বিষয়ে আপনার অনুমতি প্রার্থনা করছি।

কাজী শুরাইহ বললেন, তা বেশ। কিন্তু সাক্ষীগণের পরিচয় কি?

খলিফা বললেন, প্রথম সাক্ষী হাসান। আমার পুত্র। আর দ্বিতীয় সাক্ষী কুম্বার। সে আমার ভৃত্য। আমার বিশ্বাস, ওরা সত্য সাক্ষ্য দিবে এবং সঠিকভাবে বিষয়টি আদালতে প্রকাশ করবে।

কাজী বললেন, মহামান্য খলিফা! আমি দুঃখিত এ জন্য যে, এদের দু’জনের কারও সাক্ষ্যই আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়। আপনাকে সত্য প্রমাণ করার জন্য অন্য সাক্ষীর ব্যবস্থা করতে হবে।

কাজীর কথা শুনে খলিফা বিব্রত হলেন। তবে তিনি মোটেও রাগান্বিত হলেন না। শুধু বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন, আপনি কি মনে করেন, এরা আমার হয়ে আদালতে মিথ্যে কথা বলবে?

কাজী শুরাইহ গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, আমাকে ভুল বুঝবেন না মহামান্য খলিফা। আমি জানি, আপনি সত্যবাদী। আপনার পুত্র হাসানও সত্যবাদী। তিনি প্রিয় নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর দৌহিত্র। আমি এ-ও বিশ্বাস করি যে, মিথ্যে আপনারা বলতে পারেন না। কিন্তু পিতার পক্ষে পুত্রের সাক্ষ্য এবং মনিবের পক্ষে ভৃত্যের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো আমাদেরকে এই শিক্ষাই প্রদান করেছেন। এটাই তো তাঁর আদর্শ। কাজেই আপনি যদি পুত্র হাসান ও ভৃত্য কুম্বারের বিপরীতে নতুন কোনো সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করতে না পারেন, তাহলে বর্মটি যে সত্যিই আপনার এটা নিশ্চিত করা কোনপ্রকারেই সম্ভব নয়। মহামান্য খলিফা, এটাই ন্যায়বিচার।

এবার খলিফা আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু অত্যন্ত বিনীতভাবে বললেন, সম্মানীয় কাজী সাহেব! বর্মটি যে আমার সে ব্যাপারে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত। কিন্তু এ সত্যকে প্রমাণ করার জন্য হাসান এবং কুম্বার ব্যতীত তৃতীয় কোনো সাক্ষী আমার নেই। তাই ন্যায়বিচারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি আপনার রায়কেই মেনে নিচ্ছি। উপযুক্ত সাক্ষীর অভাবে বর্মটির ওপর থেকে আমি আমার দাবি তুলে নিচ্ছি।

অকুতোভয় কাজী শুরাইহ দ্বিধাহীন চিত্তে ইহুদির অনুকূলে মামলার রায় ঘোষণা করলেন এবং এর ফলে বর্মটির মালিকানা তারই থেকে গেল।

মামলায় নিজে জিতে গিয়েও ন্যায়বিচারের এই তুলনাহীন দৃষ্টান্ত দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন ইহুদি। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লেন তিনি। কয়েক মুহূর্ত তার মুখে কোন কথা ফুটছিল না। সম্বিত ফিরে পেয়ে পরক্ষণেই তিনি ছুটে গেলেন বিচারকের আসনে আসীন কাজী শুরাইহর একেবারে সম্মুখে। আবেগ, উচ্ছ্বাস আর আনন্দে দিশেহারা তিনি। বললেন, অপূর্ব! অভূতপূর্ব! অতুলনীয়! অসাধারণ! অনন্য এই দৃষ্টান্ত! যে ধর্মে এমন নিরপেক্ষ বিচারের বিধান রয়েছে, সে ধর্ম সত্যিই মহান। যে ধর্মের বিচারে সাক্ষীর অভাবে খলিফার দাবিও অগ্রাহ্য হয়, সে ধর্ম অবশ্যই সর্বশ্রেষ্ঠ।

আবেগে আপ্লুত ইহুদি এবার কাজী শুরাইহকে লক্ষ্য করে বললেন, হে ন্যায়বিচারক! আমি সৃষ্টিকর্তার নামে শপথ করে বলছি, মহামান্য খলিফার দাবি ছিল ন্যায়সঙ্গত। এই বর্মটি আমিই চুরি করেছিলাম। সুতরাং, আমি তা প্রকৃত মালিককে এখন আপনার সম্মুখেই ফিরিয়ে দিচ্ছি। সেই সঙ্গে ইসলামের প্রতি আমার আনুগত্য পেশ করছি। আজ থেকে আমার পরিচয়, আমি একজন মুসলিম। এ কথা বলে তিনি তখনই পড়ে নিলেন কালিমা। শাহাদতের অমিয় বানী উচ্চারণ করে তিনি আশ্রয় নিলেন ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে।

বিস্ময়াভিভূত ইহুদীর ততোধিক বিস্ময়কর কান্ড দেখে হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুরও তখন খুশি যেন আর ধরে না। তিনিও খুশির দমকে আবেগাপ্লুত হয়ে সদ্য ফেরত পাওয়া তাঁর প্রিয় বর্মটি উপহার হিসেবে দিয়ে দিলেন তাকে।

এভাবেই কালে কালে, যুগে যুগে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে সত্য দীন ইসলাম। সমাজ সংসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ন্যায়বিচারের সুমহান আদর্শ। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই বিশ্বময় অগণিত মানুষ লাভ করেছে ভ্রাতৃত্যের, সাম্যের আর মুক্তির আলোকিত পথের সঠিক দিশা।

তথ্যসূত্র: মাওলানা ইমরান রাইহান রচিত ‘সালাফের জীবন থেকে’ গ্রন্থ এবং অনলাইন অন্যান্য মাধ্যম অবলম্বনে।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:১৫

নীল আকাশ বলেছেন: শিক্ষনীয় লেখা।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



শুকরিয়া। মন্তব্যে আপনাকে পেয়ে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

শুভকামনাসহ।

২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:৪৩

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি তো খুব সুন্দর ভাবে তথা কথিত আল্লাহর আইণের দুর্বল দিক দেখিয়ে দিলেন, জনৈক ইহুদীর ইসলাম ধর্ম গ্রহনের কাহিণী বলে । পুত্র ও ভৃত্তের সাক্ষী গ্রহন যোগ্য নহে ---- এটা ইসলামি আইনের কোথায় আছে এই ব্যপারে কোন রেফারেন্স দেখানো কি করা উচিৎ ছিল না ? শরিয়া আইনের কোথায় এমন আইন আছে দেখাবেন কি ?
যে আইনের কথা বললেন , সেটা হোলে পুত্র ও ভৃত্তের সামনে পিতাকে খুন করে ফেললেও হত্যাকারির বিচার হবে না কারন পুত্র ভৃত্তের সাক্ষী গ্রহন যোগ্য নহে ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:২৯

নতুন নকিব বলেছেন:



প্রিয় মিথ্যাবাদী ভ্রাতা,

মুখ সামলে কথা বলবেন দয়া করে। অন্যথায় আপনাকে আমার কোন পোস্টে মন্তব্য করা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য হব। আল্লাহর আইণ কথাটির পূর্বে তথা কথিত শব্দ ব্যবহার করার ধৃষ্টতা দেখানোর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি এবং এর জন্য এই পোস্টে এসে নিজের ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

যদি তা না করেন, তাহলে আপনার এই নিতান্ত আপত্তিকর এবং ঘৃণা ছড়ানো মন্তব্যের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করতে বাধ্য হব।

শুভকামনাসহ।

৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:৪৮

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি তো খুব সুন্দর ভাবে তথা কথিত আল্লাহর আইণের দুর্বল দিক দেখিয়ে দিলেন, জনৈক ইহুদীর ইসলাম ধর্ম গ্রহনের কাহিণী বলে । পুত্র ও ভৃত্তের সাক্ষী গ্রহন যোগ্য নহে ---- এটা ইসলামি আইনের কোথায় আছে, এই ব্যপারে রেফারেন্স দেখানো কি উচিৎ ছিল না ? শরিয়া আইনের কোথায় এমন আইন আছে দেখাবেন কি ?
যে আইনের কথা বললেন , সেটা হোলে পুত্র ও ভৃত্তের সামনে পিতাকে খুন করে ফেললেও হত্যাকারির বিচার হবে না কারন পুত্র ভৃত্তের সাক্ষী গ্রহন যোগ্য নহে । এটা কি আ্ল্লাহর আইন হতে পারে ?

৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৫৩

এ আর ১৫ বলেছেন: আল্লাহর আইণ কথাটির পূর্বে তথা কথিত শব্দ ব্যবহার করার ধৃষ্টতা দেখানোর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি এবং এর জন্য এই পোস্টে এসে নিজের ভুল স্বীকার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য আপনাকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

চালাকি কার সাথে দেখান ? আমি কি দেখাতে পারি না সবাইকে যে আল্লাহর আইনের নামে একটা তথা কথিত আইনের কাহিণী ফেদেছেন --- আপনার দাবি এটা নাকি আল্লাহর আইন -- তাহোলে প্রমাণ পেশ করুন । আপনি যে আল্লাহর আইনের নামে মিথ্যা একটা আইন আল্লাহর নামে চালিয়ে দিয়েছেন , সেটা জন্য আপনি ক্ষমা চাবেন সবার আগে ।
মুখ সামলে কথা বলবেন দয়া করে।

মুখ সমলাবো কেন ? প্রমান না করলে মুখ কেন সামলাবো ? ইসলামের নামে মিথ্যাচার করলে কেন মুখ সামলাবো । এমন আইনের কথা বলছেন -- যেটা দিয়ে পু্ত্র কণ্যার সামনে মাকে বা বাবাকে খুন করে ফেললেও হত্যাকরির কোন বিচার হবে না । এই আইন কি আল্লাহর আইন নাকি তথা কথিত আল্লাহর আইন ?
এখানে একটা জিনিস পরিষ্কার যে -- আপনি এটা যে শরিয়া আইন এবং শফি আইন নাকি হাম্বলি নাকি মালিকি - কোনটা এবং কত ধারা এগুলো উল্লেখ না করে তথা কথিত শব্দটা নিয়ে পাল্টা হুমকি দিচছেন ? সেটার কারন টা পরিষ্কার কারন আপনার হাতে কোন রেফারেন্স নেই এবং রেফারেন্স থাকলেও কিন্তু --- এই আইন কি আল্লাহর না মানুষের বানানো এটা নিয়ে প্রশ্ন এসে যাবে ? কারন আল্লাহর আইন এমন হোতে পারে না পু্ত্রের সামনে পিতাকে খুন করলে খুনিকে শাস্তি দেওয়া যাবে না কারন পুত্রের সাক্ষী গ্রহন যোগ্য নহে ।
এখন এমন একটা আইনকে আল্লাহর আইন হিসাবে দাবি করার জন্য -- আপনার না সবার আগে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ এবং আমাদেরও উচিৎ কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার নামে ইসলামের অপব্যাখা করার জন্য অভিযোগ করার ।
ওয়াজে মহফিলে এই ধরনের কাহিণী চলে ব্লগে দিলে ধরা খেতে হয় । মুফতি ইব্রাহিমদের সাথে আপনাদের পার্থক্য দেখিনা কোথাও ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০৮

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার অনমনীয়তা দুঃখজনক। আমি কোথাও বলিনি যে, এটা আল্লাহর আইন। আপনার স্বভাব হচ্ছে, আপনি অন্যদের সাথে গায়ে পড়ে ঝগড়া করেন। এটা খুবই নিন্দনীয়। দয়া করে অনর্থক তর্কবিতর্কে লিপ্ত হবার চেষ্টা পরিহার করুন।

আপনাকে আবারও বিনয়ের সাথে আপনার প্রথম মন্তব্যের আপত্তিকর কথার জন্য দুঃখপ্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করছি।

৫| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৫৯

নীল আকাশ বলেছেন: নকিব ভাই, এতদ বিষয়ে যথাযথ ইসলামী আইন সূত্র সহ এনে দেখান।
আমি যত টুকু জানি সাক্ষী হবার জন্যো কিছু সুনির্দিষ্ট ক্রাইটেরিয়ায় আছে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:২৬

নতুন নকিব বলেছেন:



এই বিষয়টা নিয়ে আমি খোঁজ খবর নিয়ে যতটুকু জানতে পেরেছি তার সারমর্ম হচ্ছে, এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলোতে স্বার্থ জড়িত, এমনসব ক্ষেত্রে পিতার পক্ষে পুত্রের এবং মনিবের পক্ষে ভৃত্যের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। এটা সাধারণভাবে খুব সহজেই বোধগম্য একটি বিষয় যে, আত্মীয়তা বা রক্তের টানে মানুষ স্বভাবতঃই অনেক সময় সত্য হতে বিচ্যুত হয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারে। সঙ্গত কারণে আইনে এমন একটি বিধান বা ধারা থাকা যৌক্তিক এবং সঠিক। এর সপক্ষে আরও বিস্তারিত জেনে পরে জানানোর চেষ্টা থাকবে ইনশাআল্লাহ।

জাজাকুমুল্লাহ।

৬| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৩৮

এ আর ১৫ বলেছেন: আমি কোথাও বলিনি যে, এটা আল্লাহর আইন।

খলিফাদের সময়ে বুঝি শরিয়া আইনে বিচার হোত না , তাগুদি আইনে বিচার হোত ? -- শরিয়া আইনের উৎস কোরান হাদিস কি নহে -- নবি(সা: ) এর শিক্ষা কি নহে --- দেখুন বিচারক কি বলছে -
কিন্তু পিতার পক্ষে পুত্রের সাক্ষ্য এবং মনিবের পক্ষে ভৃত্যের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো আমাদেরকে এই শিক্ষাই প্রদান করেছেন
তাহোলে এটাকে আল্লাহর আইন বলেন নি দাবি করলেন কি করে ?
আপনাকে আবারও বিনয়ের সাথে আপনার প্রথম মন্তব্যের আপত্তিকর কথার জন্য দুঃখপ্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করছি।
আপনাকে আবারও বিনয়ের সাথে আপনার আল্লাহর আইনের নামে অসত্য কাহিণী লেখার জন্য দুঃখপ্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করছি।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আপনার কাহিণীতে আরো দুর্বলতা আছে --
বিচারকের নাম কি ?
ইহুদী ব্যক্তিটির নাম কি ?
কোন স্থানে এই ঘটনা ঘটেছে ?
মক্কা মদিনাতে তখন কোন অমুসলিম ছিল না, তাহোেল সেখানে ইহুদী চোর আসলো কোথা থেকে ?
খলিফার নিরাপত্তা বলয় হতে কি করে একজন ইহুদী চুরি কোরলো ?
হযরত আলী (রা: ) আগের দুই খলিফা খুন হয়েছেন --- সেই পরিস্থিতে তার হাই প্রোটেকটেড থাকার কথা , সেখানে ইহুদী চোর কি করে চুরি কোরলো ?
আপনি এর আগে নাস্তিক বনাম ইমাম হানিফাকে নিয়ে অসত্য কাহিণী ফেদেছিলেন , ফেরাউনের লাশ নিয়ে আরেক মিথ হাজির করেছিলেন , সেগুলো সাথে আজকে আরেক মিথ্যা কাহিণী ফাদলেন ।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:১৬

নতুন নকিব বলেছেন:



মাথা মোটা টাইপের লোকদের পক্ষে বিষয়টা বুঝতে কিছুটা সমস্যা হতেই পারে, তবে যারা সচেতন এবং চিন্তাশীল তারা নিশ্চয়ই বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন এবং তাদের এ বিষয়টিও জানা থাকার কথা যে, পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলোর ক্ষেত্রে বিবাদ দেখা দিলে পৃথিবীর অনেক দেশেই সেইসব দেশের প্রচলিত রাষ্ট্রীয় আইনেও নিকটাত্মীয় বা রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়ের সাক্ষ্য আদালতে গ্রহনযোগ্য হয় না। সঙ্গত কারণে এই প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে এই আইনটি শুধুই যে ইসলামী শরিয়া প্রণিত একমাত্র আইন বিষয়টি এমন নয়।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে কিছু লোকের সমস্যা হচ্ছে, তারা ইসলাম ধর্মের কোন বিষয়কেই সহজে মেনে নিতে পারেন না। তাদের এলার্জির মূল কারণটাই ইসলাম। ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, কুরআন হাদিসের বানী, সাহাবায়ে কেরামের জীবনী, ইসলাম ধর্মের গৌরবময় প্রারম্ভিককালের সোনালী দিনগুলোর আলোচনা, নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পবিত্র সীরাত ও জীবনচরিত আলোচনা ইত্যাদি কোন কিছু দেখলেই তারা দিকবিদিক জ্ঞানশুন্য হয়ে পড়েন। যুক্তির নামে আলতু ফালতু প্যাঁচাল পাড়তে আসেন।

বস্তুতঃ জ্ঞানীমহল বলতেই এই ধরণের কপটচারী বিড়ালতপস্বীদের চিনে থাকেন। এরা স্পষ্টতঃই যে মিথ্যেবাদী তার প্রমান এই ব্লগেও অনেক দেয়া সম্ভব। কিন্তু ব্লগ পারস্পারিক ঝগড়া বিবাদের স্থান নয় এবং এগুলো আমাদের পছন্দের কাজও মোটেই নয় বিধায় সে দিকে যেতে আমরা আগ্রহবোধ করি না বরং এর পরিবর্তে উহাদের জন্য সর্বান্তকরণে অব্যাহতভাবে শুভকামনা জানিয়ে যাওয়াকেই উত্তম মনে করে আমরা সেটারই চেষ্টা করি।

শুভকামনা।

৭| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:৪৫

এ আর ১৫ বলেছেন: এটা সাধারণভাবে খুব সহজেই বোধগম্য একটি বিষয় যে, আত্মীয়তা বা রক্তের টানে মানুষ স্বভাবতঃই অনেক সময় সত্য হতে বিচ্যুত হয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারে
দুনিয়াতে লক্ষ কোটি সাক্ষী পাওয়া যাবে যারা আত্মিয় নহে কিন্তু আদালতে মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছে । কত গুলো ব্যপার আছে যেগুলোর সাক্ষ্য ঘরের লোক ছাড়া কেহ হতে পারে না । যেমন আমি কি পারফিউম পছন্দ করি , কি ধরনের কাপড় পছন্দ করি, কি ধরনের বেল্ট ঘড়ি পছন্দ করি ইত্যাদি ।
খলিফার বর্মের বর্ণনা ঘরের লোকেরাই সব চেয়ে ভালো দিতে পারে ।


আদালতের কাজ হোল সাক্ষীর কাছে থেকে তথ্য নিয়ে ক্রসচেক করে রায় দেওয়া ।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:১৭

নতুন নকিব বলেছেন:



আদালত বুঝা সবার কাজ নয়।

ধন্যবাদ।

৮| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমাদের নবীর ধর্ম প্রথম গ্রহন করেছেন, উনার স্ত্রী; আজকে ১৬০ কোটী জীবিত উন্মত আছেন উনার; কিন্তু ইহুদী জাতির চরিত্র পর্যবেক্ষণ করলে, মনে হয়, ইহুদীদের থেকে অনেকেই খৃষ্টান হয়েছে শুরুতে, কিন্তু ইহুদীরা ইসলাম গ্রহন করেনি।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:১৯

নতুন নকিব বলেছেন:



আমাদের নবী!

দারুন কথা! আপনাকে অভিনন্দন।

৯| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৫০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি ঠিক আছেন।

ইসলামে সবাইকে সাক্ষী হিসাবে গণ্য করা হয় না সব ক্ষেত্রে। কেইসের মেরিট অনুযায়ী বিভিন্ন শর্ত থাকে। এই এই আর্টিকেল অনুসারে স্বার্থ জড়িত থাকলে সাক্ষী হওয়া যায় না। এই লেখার ১১ পৃষ্ঠার ১১ নং পয়েন্ট অনুযায়ী;

Likewise, the evidence of a man who subsists on the food of
someone and of a person employed privately on hire, is not admissible.

কেউ পুরো লেখাটা পড়লে আরও শর্তগুলি সম্পর্কে জানতে পারবে। আমি আরও কয়েকটি সাইটে গিয়ে দেখলাম যে আপনি ঠিক আছেন। শরিয়া আইনে এভাবেই বলা আছে। মালয়েশিয়ার একটি ইসলামী/ আইনের সাইটে শরিয়া আইনের ব্যাপারে আপনার উল্লেখিত আলী (রা) সংক্রান্ত ঘটনার বর্ণনা আছে। দরকার হলে আরও কিছু লিংক দিতে পারবো।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:২৫

নতুন নকিব বলেছেন:



আমি মূলতঃ এই বিষয়টির প্রয়োজন দেখা না দেয়ায় এটা নিয়ে এর আগে কখনও স্টাডি করিনি। এখন চেষ্টা করছি। আপনার তথ্য পেয়ে উপকৃত হলাম। আরও যদি দেয়ার সুযোগ থাকে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

জাজাকুমুল্লাহ।

১০| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ১১:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:৫৬

নতুন নকিব বলেছেন:



পাঠ করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

১১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:২৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: চমৎকার ঘটনা। এতে রয়েছে ন্যায় বিচারের চমৎকার অনুপ্রেরণা।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:৫৮

নতুন নকিব বলেছেন:



সত্য বলেছেন। এটা ন্যায় বিচারের অনুপ্রেরণাদায়ক চমৎকার একটি ঘটনাই বটে।

জাজাকুমুল্লাহ।

১২| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৮

এ আর ১৫ বলেছেন: মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: চমৎকার ঘটনা। এতে রয়েছে ন্যায় বিচারের চমৎকার অনুপ্রেরণা।

আইনের ফাক গোলে একজন চোর যদি ছাড়া পেয়ে যায় , তখন কি তাকে ন্যায় বিচার বলে ? আপনি বোধ হয় মন্তব্য গুলো পড়েন নি ?
আপনাদের সমস্যা হোল -- কোন কিছুকে ক্রস এনালাইসিস না করে -- হুজুর যা বলেছে তাকে আলহামদুল্লিলাহ , সোবাহানাল্লাহ বলা ।

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:০৩

নতুন নকিব বলেছেন:



'গোলে' মানে কি? লেখাপড়া কি স্বর্গে উঠে গেল না কি, দাদা? যতদূর জানি, 'গোল' তো বলা হয় অন্য কিছুকে। গোলাকার কোন বস্তুকে 'গোল' বললে সেটা সঠিক। আবার ফুটবল খেলায় বল যখন গোলপোস্ট অতিক্রম করে ভিতরে ঢুকে পড়ে তখনও তাকে 'গোল' করা বলা হয়ে থাকে। কিন্তু আইনের ফাক (সঠিক হবে, ফাঁক) আবার 'গোলে' কি করে? কিসব যে বলছেন! অন্যদের এত এত ভুল ধরার খাহেশ যার, তার লেখার ছত্রে ছত্রে এত এত ভুল থাকা মানায় কি? হাস্যকর রীতিমত!

১৩| ০১ লা অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:০২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: Syariah Court Evidence (Federal Territories) Act 1997
Syariah Court Evidence (Federal Territories) 1
LAWS OF MALAYSIA এই লিংক দেখুন
উপরের লিঙ্কের ধারা ৮৩ এর উপধারা (৬) দেখতে পারেন (Chapter 2, WITNESS)। এখানে বলা আছে;
A person whose credibility is suspected because of his good relationship with and who has an interest in the adverse party is competent to give bayyinah but not competent to give syahadah (সাক্ষ্য). (7) A person whose credibility is suspected because of his bad relationship with the adverse party is competent to give bayyinah but not competent to give syahadah (সাক্ষ্য).

০১ লা অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:০৪

নতুন নকিব বলেছেন:



শুকরিয়া ভাই।

জাজাকুমুল্লাহ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.