নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি এক প্রব্রজ্যা , আয়ু ভ্রমণ শেষে আমাকে পরম সত্যের কাছে ভ্রমণবৃত্তান্ত পেশ করতেই হবে । তাই এই দুর্দশায় পর্যদুস্ত পৃথিবীতে আমি ভ্রমণ করি আমার অহম দিয়ে । পরম সত্যের সৃষ্টি আমি , আমি তাই পরম সত্যের সৃষ্ট সত্য !!

নিবর্হণ নির্ঘোষ

স্বাগতম আপনাকে এক প্রব্রজ্যার প্রবচন রাজ্যে !

নিবর্হণ নির্ঘোষ › বিস্তারিত পোস্টঃ

মার্ক্স নিজেই এখন বুর্জোয়াদের শো-পিচ !!

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:০০



চট্টগ্রামের নুপূর মার্কেটে পুরাতন বইয়ের একটি ছোটখাটো বাজার আছে । সেখানে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি সাহিত্যের ও গল্প উপন্যাস নয় এমন সাহিত্যের বইও পাওয়া যায় । সেখানে প্রায় প্রতিটি দোকানে পুরাতন বইয়ের পাশাপাশি নতুন বইও রাখে তারা । একদিন পকেট ফাঁকা থাকলেও সেইদিকে গিয়ে একটা সাঁড়াশি অভিযান চালালাম । বুকশেলফগুলোর অধিকাংশ জায়গা একাডেমিক বই ও হুমায়ূন আহমেদ, রবীন্দ্রনাথ, সুনীল , শীর্ষেন্দু , সমরেশ এবং বাংলার দুই আজাদ ( হুমায়ন আজাদ ও আরিফ আজাদ ) দখল করে থাকলেও মাঝে মাঝে সাঁড়াশি অভিযান করে আমি অনেক চটকদার বই (এই যেমন- দস্যু বনহুর) উদ্ধার করতে পারি । কখনো সখনো হয়তো আমার দাদার থেকে প্রাপ্ত আলমারিতে সেসব আশ্রয় পায় কখনও আবার পায় না , কারণটা অবশ্য আমার আর্থিক রিক্ততা !


সে যাকগে , সেদিন আমি আমার সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছিলাম । একটা শেলফের এক কোণায় দেখতে পেলাম কার্ল মার্ক্সের পুঁজি বইয়ের দুটি খণ্ড । বেশ ঝাঁ ব চকচকে এর মলাট , দেখে মনে হচ্ছে না এগুলো পুরাতন বই । দেখে লোভ লাগল বলে দোকানিকে বললাম বইদুটো দিতে । বইদুটো দোকানি শেলফ থেকে নামিয়ে আমার সামনে রাখল । মলাট উল্টে পাল্টে দেখলাম , প্রকাশকাল ২০১৬ কিংবা ২০১৭ হবে হয়তো । অনুবাদকের নাম আমার মনে নেই , প্রকাশনির নামটাও হজম করে ফেলেছি মাথায় রাখিনি । বইয়ের ভেতরে প্রথম কয়েকপাতা উল্টে দাম দেখলাম । দামটা কম নয় , ঐ টাকা দিয়ে আমার সেই সময়ের অনার্সের একাডেমিক সব বই কেনা যাবে । রেখে দিলাম বইগুলো , ছাড় দিলেও বইদুটোর দাম কমপক্ষে ১৬০০ টাকা হবে ।মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে বলে বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত না বাড়ানোর সাবধান বাণী সেই ছোট থেকেই মাথায় রেখে এসেছি । সেই সাবধান বাণীকে মাথায় রেখে বইদুটো দোকানির হাতে দিয়ে কিছু না বলে আমি বেরিয়ে এলাম ।


বইয়ের বাজার থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নামবার পর কিছু চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগল। আমি নিজেও সমাজতান্ত্রিকতার প্রতি অনুরাগী ছিলাম সেই কিশোর বয়স থেকে । সমাজতান্ত্রিকতার সম্পর্কে জানবার জন্য সব সময় আমি চেষ্টা চালিয়ে গেছি । সেই কবে থেকেই শুনে এসেছি সমাজতান্ত্রিক মানুষরা পুঁজিবাদদের মত কেবল মুনাফা নিয়ে চিন্তা করেন না , সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য এরা চিন্তা করে থাকে । যে শ্রমিককে শোষণ করে পুঁজিরা ফুলেফেঁপেঁ উঠে সেই শ্রমিকদের স্বার্থের জন্য তারা ভাবে ও লড়াই করে । পুঁজিবাদদের সে আর্থিক অত্যাচার ও মুনাফার প্রতি পৈশাচিক যে উন্মাদনা সেই সবের বিরুদ্ধে বিপ্লব করাটাই তো সমাজতান্ত্রিকতার নামান্তর । কিন্তু সেই সমাজতান্ত্রিকতার চেহারায় যদি পুঁজিবাদের জেল্লা পাওয়া যায় সেই দৃশ্যানুভূতি কেমন হওয়া উচিত আসলে ?



মার্ক্সের পুঁজি বইটির ১৯৮৮ সালের একটি এডিশন পেয়েছিলাম এর আগে একবার , তার গায়ে দাম লিখাছিল ১০০০ টাকা । প্রকাশনি কিন্তু মস্কোপন্থি । মস্কোপন্থি প্রকাশনি বইয়ের দাম এত বেশি রাখল কেন ? এত মুনাফা দিয়ে সে কী করবে ? একটা বই ছাপাতে সে সময় ঐ টাকার ১০ ভাগের এক ভাগও খরচ হত বলে আমার মনে হয় না । যদি ধরিও যে সেই মাপের খরচ হয়েছে তবে তো এই বইয়ের ওপর মুনাফা হয়েছে ৯০০ টাকার মত শতাংশে কত হতে পারে সে নাহয় আপনারাই বুঝে নিন । তো এমন মুনাফা অর্জন তো পুঁজিবাদীদের বৈশিষ্ট্য সমাজতান্ত্রিকরা কেন এমন বৈশিষ্ট্য ধারণ করল ?



আচমকা আমার মানসপটে একটা সিদ্ধান্তের উদয় হলো , আসলে সমাজতান্ত্রিকরা পুঁজিবাদদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে গিয়ে তাদের সাথেই মোলাকাত করেছে কিংবা বলা যায় তাদের পোশাকই তারা পরিগ্রহণ করেছে । তাহলে পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রবাদ তো এক হয়ে গেল এইদিক থেকে । একজন হয়তো সোনার থালায় খাচ্ছে আরেকজন পেতলের থালা বলে সোনার থালাতেই খাচ্ছে । পার্থক্য করা যায় কীভাবে ?



মনটা আমার বিস্বাদে ভরে গেল । এটা কী মেনে নেয়া যায় ! যে মার্ক্স একসময় পুঁজির বিরুদ্ধে লিখেগিয়েছিলেন সেই মার্ক্স এখন নিজেই পুঁজিপতি ও সমাজতান্ত্রিকদের মুনাফার পুঁজি ! আমরা যারা মধ্যবিত্ত কিংবা আমরা যারা নিম্নবিত্ত তারা তো মার্ক্সের কোন লিখাই পড়তে পারছি না । নতুন বই হোক কিংবা পুরাতন মার্ক্সের বই মানেই বিশাল অংকের মূল্য । প্রলেতারিয়েতরাই পড়তে পারছে না মার্ক্সের রচনা , কিন্তু মার্ক্স যে বুর্জোয়া সমাজের বিরোধীতা করেছিলেন সেই সমাজের পণ্য এখন তিনি নিজেই । মার্ক্স এসব দেখলে কী ব্যাখ্যা দিতেন কে জানে !!




সেদিন আমার এক নতুন বোধধয় হয়েছিল , মার্ক্স এখন আর কোন বিপ্লব নয় বরং একটি পুঁজির নাম , বুর্জোয়াদের পুঁজি । আর আমাদের ঘিরে আছে যে অনিয়মের অন্ধকার সেই অন্ধকারে যেকোন আলো জ্বলে উঠুক না কেন একসময় অন্ধকার সেই আলোকে শুষে নেবে আর বাড়িয়ে নেবে নিজের আঁধারের ঘনত্ব । শেষমেশ সবকিছুর আঁধারেতেই অবসান হবে আর আলো হলো এই আঁধারে মিথ্যে আশা নিয়ে বেঁচে থাকবার নামান্তর !!



হে মার্ক্স এসে দেখে যাও তুমি তোমার কথা এখন কাদের পুঁজি , মাজদাকের আত্মা বহন করে যে রচনা তুমি রচেছিলে সেটা এখন একেবারেই ভেস্তে গেছে কারণ তুমি এখন বুর্জোয়াদের শো-পিচ !!



রচনাকারী: নিবর্হণ নির্ঘোষ ।

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৮:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন। বই এর পাতার থিউরি আসলে মানুষের হাতে পড়লে কি হয় তার প্রমান সোভিয়েত ইউনিউনিয়ন গঠন, এর ভাঙ্গন আর অবশেষে আজকের বিশ্বের যুদ্ধবাজ রাশিয়া। মার্ক্সের বুর্জোয়া ও সর্বহারা শ্রেনী আজ তাই মিলেমিশে জগাখিচুরি পাকিয়েছে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৪৭

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

মানুষ এমন এক প্রাণী যে তার স্বার্থের জন্য সব কিছু ব্যবহার করতে পারে !!!

২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১০:০৩

সোনাগাজী বলেছেন:



অন্ধের হাতী দেখা

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১০:১৭

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: হা হা হা , অন্ধ ভক্ত থেকে এমন মন্তব্য আসতেই পারে । বাদান্ধ মানুষের কাছে পুরো দুনিয়ার সবাইকে অন্ধ বলে মনে করে !!

৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১০:২০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


মার্ক্সের আত্না প্রতিদিন না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১০:২৩

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: বাহ্ ভালো বলেছেন তো ! আপনার এই মন্তব্যটি বেশ ভাবগম্ভীর !!

৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ ভোর ৪:৫৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বইয়ের দামটা অস্বাভাবিক নিঃসন্দেহে।

সমাজতন্ত্র, কমিউনিজম এই বিষয়গুলি সম্পর্কে সংক্ষেপে কেউ বলতে পারলে ভালো হত। এই বিষয়ে বিভিন্ন লেখকদের জটিল আর কঠিন লেখা পড়লে মাথা গুলিয়ে যায়।

সমাজতন্ত্র বা কমিউনিজমের উপর আপনি একটা পোস্ট দিলে ভালো হত। আপনি যেহেতু এই বিষয়ে আগ্রহী তাই আপনার কাছ থেকে কিছু জানা যেতে পারে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:৫৮

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।


আসলে মার্ক্স , ফ্রয়েড , নিটশে এরা সবাই জার্মান ভাষায় লিখেছে । আমরা যা পড়ছি তা সরাসরি একদম জার্মান থেকে অনুবাদ নয় ইংরেজি থেকে অনুবাদ করা । তাই অনুবাদে কিছুটা সমস্যা হয়ে থাকেই , অনুবাদকের কিচ্ছু করবার নেই । আর কার্ল মার্ক্সের দর্শন জানতে হলে আসলে আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে অনেকটা জানতে হয় । এই যেমন ধরুন মার্ক্স মজুরি নিয়ে উপযোগবাদীতার জনক স্টুয়ার্টের মতকে বাতিল করেছেন , আবার ডেভিড রিকার্ডোর অনেক তত্ত্বই তিনি বাতিল বলেছেন । তার বক্তব্য বুঝতে হলে ওদের লিখা সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হয় । তাই জটিল হয়ে পড়ে মার্ক্সকে বোঝা ।


একটা কথা বলে রাখি নিজেকে মার্ক্সবাদী বলে যারা প্রচার করে বেড়ায় তারা নিজেরা মার্ক্সের লিখা আসলে ছুঁয়েও দেখেনি । মার্ক্সের কিছু বাণী চটি আকারে বের হত সেসব মুখস্থ করে নিজেকে বিরাট মার্ক্সবাদী ভাবে তারা ।

আল্লাহ চাহেন তো আমার স্বল্প জ্ঞানে আমি যদি সমর্থ হই তবে আমি এই নিয়ে কিঞ্চিত লিখলেও লিখতে পারি ! ধন্যবাদ চুয়াত্তর ভাই !!

৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৭:৫৫

সোনাগাজী বলেছেন:



একজন আপনার থেকে সহজ ও সরলীকৃত ডাস-ক্যাপিটেল শুনতে চাচ্ছেন; আপনি গরু কিংবা নদীর রচনা মুখস্হ জানলে চালিয়ে দেন।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:৩১

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আপনার এই অভদ্র মন্তব্যগুলো আমার কাছে আসলেই অসহনীয় হয়ে উঠেছে । আমি যতটুকু জানি তা নগন্য হলেও আমি জানি তার ছিঁটেফোঁটাও আপনার নেই । যিনি জানতে চেয়েছেন তিনি এসব না বুঝলেও আপনার চেয়ে ঢের ভালো কারণ অন্তত তিনি আপনার মত গর্দভ না !! আপনার প্রতি এমন শব্দ ব্যবহার না করে পারছি না কারণ প্রসঙ্গজ্ঞান আপনার নেই বললেই চলে !!

৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ৯:৪৯

জুল ভার্ন বলেছেন: খুব সুন্দর করে লিখেছেন। ধন্যবাদ জানিয়ে বলতে চাই- ব্যক্তিগত ভাবে আমি সমাজতন্ত্রের পক্ষে। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে সমাজতন্ত্র সেকেলে চিন্তা যা আজকের দিনে অচল। এখন বিশ্বের জনসংখ্যার দরিদ্রতম অংশ যারা মোট জনসংখ্যার অর্ধেক, তাদের হাতে আছে পৃথিবীর মোট সম্পদের মাত্র ২%। অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী যারা বিশ্ব জনসংখ্যার মাত্র ১০%, তারাই পৃথিবীর মোট সম্পদের ৭৬% এর মালিক।
বিশ্বের ধনীতম, যারা বিশ্ব জনসংখ্যার মাত্র ১%, তারা ভোগ করছে বিশ্বের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের এক-পঞ্চমাংশেরও বেশি এবং নিচের দরিদ্রতম অংশ যারা জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক, তারা ভোগ করেছে মাত্র ১৩%। বর্তমান বিশ্বে যার হাতে বিত্ত আছে, তার হাতেই বন্দুক আছে। বিত্ত আর বন্দুক মানের ক্ষমতার উতস। কাজেই বিত্তবানদের হাত থেকে আমাদের মুক্তি নাই।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:৩৫

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: সমাজতন্ত্রের চর্চা সেই প্রাচীন কাল থেকে হয়ে আসছে কিন্তু দেখা গেছে যারা সমাজতন্ত্র চর্চা করেছে তারাই আবার পুঁজির ও সামন্তের চর্চা করেছেন ফলে সমাজতন্ত্র বারবার ধর্ষিত হয়েছে । বিফলে হবার পেছনে সমাজতন্ত্রের কেতাবি সীমাবদ্ধতা বড় রকমের দায়ী । কারণ অর্থনীতিতে অনুমিত শর্তে মানুষকে মনে করা হয় যুক্তিশীল , কিন্তু মানুষ যে যুক্তিশীল হবার কারণে স্বার্থনির্ভর এক জীব এটা অর্থনীতি ও সমাজতন্ত্র এড়িয়ে গেছে যার সংখ্যাত্মক প্রকাশ আপনি দিয়েছেন ।


ধন্যবাদ অগ্রজ এমন সুন্দর মন্তব্যের জন্য !!

৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২৬

কামাল১৮ বলেছেন: সমাজতন্ত্র হলো গরীবের দর্শন।ধনী হাজার চেষ্টা করলেও এর অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে পারবেনা।সেই কবিতাটির মতে,কি যাতনা বিষে———।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:২৭

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আপনার কথা মেনে নেয়ার মত কিন্তু মার্ক্সকে তো আমাদের মত ছাত্র কিংবা যুবা পুরুষরা ধরতে পারে না । সে তো সেই ধনীদের দখলে তাই না ? মার্ক্স যেন আমার হয়েও আমার না !!

৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:২৯

কামাল১৮ বলেছেন: মতো হবে।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:২৮

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: অসুবিধে নেই , এমনটা প্রায়ই আমার হয় । আমি বুঝে নিয়েছি ধন্যবাদ !!

৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৩৬

ফুয়াদের বাপ বলেছেন: ভালো লিখেছেন। ব্লগার চুয়াত্তুর ভাইয়ের সাথে গলার স্বর মিল রেখে অনুরোধ করবো সমাজতন্ত্র/মার্ক্স মতাদর্শ বিষয়গুলো আমাদের জন্য লিখুন। আপনার মাধ্যেমে আরো জানার আগ্রহ নিয়ে ধন্যবাদ আজকের লেখনীর জন্য।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩০

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: ধন্যবাদ ।

চুয়াত্তর ভাইকে যা বলেছি আপনার প্রতিও সেই নিবেদন থাকল , আল্লাহ চাহেন তো আমার স্বল্প জ্ঞানে আমি যদি সমর্থ হই তবে আমি এই নিয়ে কিঞ্চিত লিখলেও লিখতে পারি ! ধন্যবাদ ভাই"

১০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: দস্যুবনহুর এখন আর পাওয়া যায় না।
কার্ল মাক্স এই আধুনিকে যুগেও সমান গুরুত্ব ওপাচ্ছে।
মার্কেটের নামটা সুন্দর- নুপুর। এই মার্কেটে আমি কখনও যাইনি।

চাঁদগাজী মানুষটা ভালো। রাগ না করে তাকে বুঝতে চেষ্টা করুণ।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৬

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আসলেই আর পাওয়া যায় না । পরে গিয়ে অনেক খুঁজেছি আর পাইনি ।


মার্ক্সের গুরুত্ব আছে কিন্তু মার্ক্স এখন সর্বহারাদের দখলে নয় মার্ক্স যাদের নিন্দা করেছিল তাদের বুকশেলফে ও তাদের মুনাফা অর্জনের জন্য মার্ক্সের রচনা এখন বারবণিতা হিসেবে কাজ করছে ।

এই মার্কেটটার নাম করণ করা হয়েছে নূপুর সিনেমা হল থেকে ।

চাঁদগাজী কিংবা সোনাগাজী অথবা কামাল ৮০ । এই নিকধারীর সাথে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ নেই বলে কেমন মানুষ সেই নিয়ে আমার ধারণা নেই । তার সার্বিক চিত্র আমি ব্লগের মধ্যে দেখতে পাই । আর যা দেখতে পাই তাতে আমার কাছে বেশ অনেকটাই বিরক্তিকর চরিত্র । উনি সমালোচনা যদি করতে চান তো কাউকে আক্রমণ না করে আমার সমালোচনা করুন , এবং প্রাসঙ্গিক ও যৌক্তিক সমালোচনা করুক । এতে বরং আমি খুশিই হব ।

ধন্যবাদ রাজীব ভাই !!

১১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:১৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আসলে সমাজতান্ত্রিকরা পুঁজিবাদদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে গিয়ে তাদের সাথেই মোলাকাত করেছে কিংবা বলা যায় তাদের পোশাকই তারা পরিগ্রহণ করেছে । তাহলে পুঁজিবাদ ও সমাজতন্ত্রবাদ তো এক হয়ে গেল এইদিক থেকে । একজন হয়তো সোনার থালায় খাচ্ছে আরেকজন পেতলের থালা বলে সোনার থালাতেই খাচ্ছে । পার্থক্য করা যায় কীভাবে ?

অসাধারণ স্টেটমেন্ট এটা। নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা করতে যেয়ে সমাজতান্ত্রিকতার নিষ্ঠুর একটা পরিণতি ফুটিয়ে তুলেছেন।

বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি রয়েছে, যেমন, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র কীভাবে একসাথে যায়, সেটা বুঝবার বিষয়। তবে সমাজ বা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য যত নীতিই প্রয়োগ করা হোক না কেন, নেতৃত্ব একটা বড়ো ও বিশাল ভূমিকা পালন করে। কালক্রমে নেতারা হয়ে ওঠে ডিক্টেটর এবং পুঁজিবাদের উত্থান ঘটতে থাকে তাদের হাত ধরেই।

গরীব হয়ে জন্ম নেয়াটা হলো সবচাইতে বড়ো অভিশাপ, অথচ এ জন্মের উপর মানুষের নিজের কোনো হাত নাই। আপনি গরীব হয়ে জন্ম নিয়েছেন, তার অর্থ আপনাকে সারাজীবন কামার-কুমার-কুলি-মজুরদের শ্রেণিতে জীবন কাটাতে হবে। আপনার জীবন বদলানোর জন্য সমাজতন্ত্র বা গণতন্ত্র তেমন কোনো ভূমিকা রাখবে না।

চমৎকার আপনার লেখা ও ধ্যান-ধারণা।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪১

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আসলে সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্র এক হতে পারে একটি পর্যায়ে যদি মিশ্র অর্থনীতি বজায় থাকে এছাড়াও অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে আসলে সমাজতন্ত্র হলো নব্য গণতন্ত্র । সেভাবে বললেও আসলে এক হতে পারে । মূলত আমরা এই দুটো শব্দেরসাথে পরিচিত কিন্তু এই শব্দ দুঠোর বাদের সাথে পরিচিত নই বলে আমাদের কাছে অনেক প্যাঁচালো মনে হয় ।


সে যাকগে , আপনাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্যের জন্য । আপনার শেষ প্যারাটা একেবারেই সত্য । এইসব বাদের শেষ পরিণতি যেন এটাই মনে করিয়ে দেয় , গরীব হয়ে জন্ম নেয়াটাই যেন আজন্মের পাপ।

১২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:০০

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। পোস্টটি ভালো লাগলো।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:২৪

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: ধন্যবাদ গোফরান ভাই । জেনে ভালো লাগল !!!

১৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৪০

অপু তানভীর বলেছেন: পোস্টের পড়ে অনেক দিন আগে ব্লগে পড়া দুইটা কৌতুক মনে পড়ে গেল । সেই কৌতুক দুটি নিচে দিলাম । :D

– দর্শন, মার্কসীয় দর্শন এবং মার্কসীয়-লেনিনীয় দর্শন বলতে কী বোঝায়?
– দর্শন হলো অন্ধকার ঘরে বেড়াল ধরা। মার্কসীয় দর্শন হলো বেড়ালহীন অন্ধকার ঘরে বেড়াল ধরা। আর মার্কসীয়-লেনিনীয় দর্শনের বৈশিষ্ট্য হলো বেড়ালহীন অন্ধকার ঘরে বেড়াল ধরেছে বলে বেড়াল-শিকারীর সার্বক্ষণিক চিৎকার।



– কমিউনিস্ট আখ্যা দেয়া যায় কাকে?
– মার্কসবাদ-লেনিনবাদের ক্ল্যাসিকগুলো যে পড়ে।
– আর অ্যান্টি-কমিউনিস্ট কে?
– লেখাগুলো পড়ে যে বুঝতে পারে।


এছাড়াও বিখ্যাত ''ইউ হ্যাভ টু কাউ'' কৌতুক আছে ।
সোস্যালিজম - আপনার দুইটি গরু আছে । সরকার আপনার কাছ থেকে দুইটি গরু দিয়ে নিবে । এবং আপনার ও আপনার প্রতিবেশির ভেতরে একটা একটা করে গরু ভাগ করে দিবে ।
কমিউনিজম - আপনার দুইটি গরু আছে । সরকার আপনার কাছ থেকে দুইটি গরু নিয়ে যাবে এবং পরে আপনাকে কিছু দুধ দিবে।
ক্যাপিটালিজম - আপনার দুই গরু আছে । আপনি একটি গরু বিক্রি করে একটা ষাড় কিনলেন ।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৩৭

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: হা হা হা হা , প্রতিটা কৌতুকই বেশ হাস্যরসাত্মক হলেও নিছক কৌতুক নয় , বিশেষ করে প্রথম দুটি !! ধন্যবাদ কৌতুকগুলো শেয়ার করবার জন্য !!

১৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:১৪

ক্ষণ-পূর্বক্ষণ বলেছেন: কার্ল মার্ক্স তো পুঁজির কথা বলেছেন বটে তবে সেটি মানুষের সামাজিক মালিকাণার রাস্ট্রীয় পুঁজির কথা বলেছেন,যেখানে রাষ্ট্র মানুষের সকল দায়িত্ব নেবে। আর গোটা ইউরোপ মার্ক্সের এই অর্থনীতি ব্রবস্থাকে ঠেকানোর জন্য কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণাকে সামনে নিয়ে এসেছে তবে এটিও এখন পুরোনো হয়ে গেছে। আমরা আশাবাদী একদিন সমাজতন্ত্রের জয় হবেই

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪২

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: মূল সমাজতন্ত্রের জয় সবাই চায় , কারণ মানুষ নিজেকে দলিত হিসেবে দেখতে চায় না ।


মার্ক্সকে পূর্ণাঙ্গভাবে আমার পাঠ করা হয়নি বলে মার্ক্সের সামগ্রিক মতকে একক বাক্যে বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয় তাই আপনার বক্তব্যের প্রতি আমার কোন দ্বিমত নেই । কিন্তু মার্ক্স কী সত্যিই এটাই চেয়েছিলেন যে রাষ্ট্র জনগণের সকল দায়িত্ব নেবে ? কারণ এই ব্যবস্থাতে দেশের আর্থিক অগ্রগতি যেমন থমকে যায় তেমনি উৎপাদনও কমে যায় অনেক অবস্থায় থমকেও যায় । মার্ক্সের মত এমন ক্ষুরধার বুদ্ধির মানুষ এটা করবে বলে মনে হয় না । তবুও এটা আমার অনুমান , আমি স্বীকার করছি আমার অনুমান সত্য নাও হতে পারে তবুও প্রশ্নটা রাখলাম ।

ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য !!

১৫| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১:০৭

অন্ধঘোড়া বলেছেন: ভালো লিখেছেন। অর্থনীতি ব্যবস্থা সম্পর্কে জানাশোনা কম, তবে আগ্রহ আছে জানার। আপনার এ বিষয়ে বেশ ধারণা আছে দেখছি, কই থেকে শুরু করলে ভাল হবে সাজেস্ট করবেন।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:২৩

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আমার জানাশোনা আসলেই কম । আমি বিক্ষিপ্তভাবে পড়ি সেই বিক্ষিপ্ত পড়া থেকে যা পাই তাই কুড়াই । আপনাকেও বলব বিক্ষিপ্তভাবে পড়ুন । অর্থনীতির মূল কিছু টার্ম আছে সেগুলো আগে জেনে নিন নাহলে যাই পড়ুন না কেন মূল বোঝা বুঝতে অনেক সময় লেগে যাবে অথবা ভুল বুঝবেন !!

১৬| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:১৫

অন্ধঘোড়া বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমার জানাশোনা আসলেই কম । আমি বিক্ষিপ্তভাবে পড়ি সেই বিক্ষিপ্ত পড়া থেকে যা পাই তাই কুড়াই । আপনাকেও বলব বিক্ষিপ্তভাবে পড়ুন । অর্থনীতির মূল কিছু টার্ম আছে সেগুলো আগে জেনে নিন নাহলে যাই পড়ুন না কেন মূল বোঝা বুঝতে অনেক সময় লেগে যাবে অথবা ভুল বুঝবেন !!

আচ্ছা ঠিকাছে। প্রতিউত্তর করার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:৪০

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আপনার হয়তো মনোঃক্ষুন্ন হয়েছে , আসলে অর্থনীতির কোথা থেকে শুরু করবেন সেটা বুঝতে হলে ঠিক একজন অর্থনীতির ছাত্র হলে যেমনটা করেন তেমনটাই করতে হবে । অর্থনীতির আলাদা যুক্তি আছে , সেই যুক্তি অন্যান্য যুক্তি থেকে আলাদা । অর্থনীতি হলো এমন এক সাবজেক্ট যা উত্তরাধুনিক পর্যায়ে পৌঁছায়নি । যাকগে আপনার অর্থনীতি পড়া সফল হোক সুগম হোক , আপনিও ভালো থাকবেন !!

১৭| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:৫১

অন্ধঘোড়া বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার হয়তো মনোঃক্ষুন্ন হয়েছে , আসলে অর্থনীতির কোথা থেকে শুরু করবেন সেটা বুঝতে হলে ঠিক একজন অর্থনীতির ছাত্র হলে যেমনটা করেন তেমনটাই করতে হবে । অর্থনীতির আলাদা যুক্তি আছে , সেই যুক্তি অন্যান্য যুক্তি থেকে আলাদা । অর্থনীতি হলো এমন এক সাবজেক্ট যা উত্তরাধুনিক পর্যায়ে পৌঁছায়নি । যাকগে আপনার অর্থনীতি পড়া সফল হোক সুগম হোক , আপনিও ভালো থাকবেন !!

আশ্চর্য ভাই মনোঃক্ষুণ্ণ হবে কেনো! যাকগে, মনোঃক্ষুণ্ণ হইনি।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:১৪

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আচ্ছা ধন্যবাদ !!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.