নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিপদে পড়লে আগে মাথা ঠাণ্ডা করতে হয়। নিজের স্নায়ুকে নিয়ন্ত্রণে রাখলে কোন না কোন উপায় ঠিক খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু প‍্যানিক করলে আগেই হেরে যেতে হয়। আমি হারতে রাজী নই।

ইসিয়াক

অভিজ্ঞতা জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ ।

ইসিয়াক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি অভিশাপ দিচ্ছি.......

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:০৪


আর কতো নিচে নামবো আমরা ?
আমাদের হাত পা বাঁধা সেতো অনেকদিন ।
বাক স্বাধীনতা সে তো কথার কথাতেই.....।
মত প্রকাশ সেতো দুরের ভাবনা।
লাঠিয়াল বাহিনীর ভয়ে তো মুখ খোলবার ই উপায় নেই ।
এখনতো মুখ , চোখ , হাতের আঙ্গুল সেটাও বেঁধে ফেলা হলো ।
ভাবনা গুলো ও হয়তো একদিন বেঁধে ফেলা হবে।
এরপর.....।
আমরা কি স্থবির হয়ে যাচ্ছি ।
আমরা কি পাথর হয়ে যাচ্ছি।
আমরা কি মধ্য যুগে চলে যাচ্ছি ?

আরে পশুরও তো মমত্ববোধ আছে তোদের নেই কেন ?
তোদের হাত কি একটু ও কাঁপেনি ।
বিবেক কি একটুও জাগেনি .....আর মানবতা.......।
মনে হয়নি আবরারের জায়গায় নিজেকে ।
এত দম্ভ ! এতোটা.......আবার হাসছিস.....।
জানিস না হয়তো.।
অন্যের মতামত শোনা সেটাই গনতন্ত।
অন্যের মতামতকে শ্রদ্ধা করা সেটাই গনতন্ত।
সবার মতামতের ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত গ্রহন করাই গনতন্ত্র......।
আমি অভিশাপ দিচ্ছি নিরীহ আবরারের মায়ের পক্ষ থেকে ..
আমি অভিশাপ দিচ্ছি নিরীহ আবরারের বাবার পক্ষ থেকে......
আমি অভিশাপ দিচ্ছি সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে......।
আবরার ফাহাদের খুনিরা ধ্বংস হোক.....

================================================================================

আবরার ফাহাদ। ছবি: সংগৃহীত


বুয়েটে নিহত আবরার ফাহাদের মায়ের আহাজারি। গতকাল সকালে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের বাড়ি। ছবি: প্রথম আলো




আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মিছিল। বুয়েট ক্যাম্পাস, ঢাকা, ৮ অক্টোবর। ছবি: আবদুস সালাম


আবরার ফাহাদের মরদেহ তাঁর পৈতৃক ভিটা রায়ডাঙ্গায় পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর মা ও ছোট ভাই। কুষ্টিয়া, ৮ অক্টোবর। ছবি: তৌহিদী হাসান



কুষ্টিয়া শহরে আবরারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়া, ৮ অক্টোবর। ছবি: তৌহিদী হাসান


মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় আবরার ফাহাদের দাফন সম্পন্ন হয়। কুষ্টিয়া, ৮ অক্টোবর। ছবি: তৌহিদী হাসান

@ফেসবুকে আবরার ফাহাদ নিজের পরিচয় দিয়ে লিখে রেখেছিলেন, ‘অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা অসীম মহাকাশের অন্তে।’ সামান্য একটা ফেসবুক স্ট্যাটাস, দেশের কল্যাণ ভাবনায় একটা ভিন্নমত, তাতেই অসীমের পথে শিক্ষার্থী আবরার।

স্ট্যাটাসে ফাহাদ লেখেন, ‘৪৭-এ দেশভাগের পর দেশের পশ্চিমাংশে কোনো সমুদ্রবন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ছয় মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করল। কিন্তু দাদারা নিজেদের রাস্তা নিজেদের মাপার পরামর্শ দিল। বাধ্য হয়ে দুর্ভিক্ষ দমনে উদ্বোধনের আগেই মোংলাবন্দর খুলে দেয়া হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ ইন্ডিয়াকে সেই মোংলাবন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, কাবেরি নদীর পানি ছাড়াছাড়ি নিয়ে কানাড়ি আর তামিলদের কামড়াকামড়ি কয়েক বছর আগে শিরোনাম হয়েছিল। যে দেশের এক রাজ্যই অন্যকে পানি দিতে চায় না, সেখানে আমরা বিনিময় ছাড়া দিনে দেড় লাখ কিউসেক মিটার পানি দেব।’
ভারতকে গ্যাস দেয়ার সমালোচনা করে বুয়েটের এই শিক্ষার্থী লেখেন, ‘কয়েক বছর আগে নিজেদের সম্পদ রক্ষার দোহাই দিয়ে উত্তর ভারত কয়লা-পাথর রফতানি বন্ধ করেছে অথচ আমরা তাদের গ্যাস দেব। যেখানে গ্যাসের অভাবে নিজেদের কারখানা বন্ধ করা লাগে, সেখানে নিজের সম্পদ দিয়ে বন্ধুর বাতি জ্বালাব।’
স্ট্যাটাসের শেষে তিনি কবি কামিনী রায়ের একটি কবিতা জুড়ে দিয়ে বলেন, হয়তো এ সুখের খোঁজেই কবি লিখেছেন-
‘পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি
এ জীবন মন সকলি দাও,
তার মত সুখ কোথাও কি আছে
আপনার কথা ভুলিয়া যাও।’

@গত রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, ওই রাতেই হলটির ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর মরদেহে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে সোমবার সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্। এ ঘটনায় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
@গণমাধ্যমের কর্মীরা সকাল থেকেই আসছিলেন আবরারদের বাড়িতে। অনেকে ছবি নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। আবরারের মা রোকেয়া খাতুন তখন তাঁদের বলেন, ‘আমার ছবি নিয়ে কী করবেন? পারলে যারা আমার ছেলেকে খুন করেছে, তাদের খুঁজে বের করেন। তাদের ছবি তোলেন। পারবে প্রশাসন আমার বাবুকে আমার বুকে ফিরিয়ে দিতে?
@কান্নারত অবস্থায় ক্ষোভের সঙ্গে আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্ বলেন, ‘এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যে ছেলেটা বিকেল ৫টায় ঢাকায় পৌঁছাল, তাঁকে ৮টার দিকে নির্যাতন করার জন্য ডেকে নিয়ে গেল। ছয় ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালাল, এটা অবশ্যই পরিকল্পিত।
@আবরারের চাচা মিজানুর রহমান বলেন ‘এখন অনেকেই রটাচ্ছে, আবরার শিবিরের কর্মী। কিন্তু এটা বানোয়াট, আমরা সবাই আওয়ামী লীগের সমর্থক। হানিফ সাহেবের বিভিন্ন মিটিংয়েও আমরা যাই।’

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের নিরীক্ষক কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমানে এলাকায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নিরীক্ষক। মা রোকেয়া খাতুন একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক। দুই ভাইয়ের মধ্যে আবরার ফাহাদ বড়। ছোট ভাই আবরার ফায়াজ ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। সে ঢাকা কলেজের হোস্টেলে থাকে। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের কাছেই তার হোস্টেল।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আবরার ফাহাদের কোনো শত্রু ছিল না। তাঁদের পুরো পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সমর্থক। তাঁদের সন্তানকে কেন এভাবে জীবন দিতে হলো, বুঝে উঠতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা।

@বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের দাফন আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ১০টায় পৈতৃক ভিটা রায়ডাঙ্গা গ্রামের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে আবরারের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

@সামগ্রিক বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা বিশ্বে নিজেদের উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে গেছি, সারা বিশ্ব আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে দাবি করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শান্তির জন্য সেদিনও একটা পুরস্কার পেলেন, তিনি মাদার অব হিউম্যানিটি পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু আমরা কোন সমাজ, কোন রাষ্ট্রে বাস করছি। একজন ভিন্নমত পোষণ করতেই পারেন। তাঁর বিশ্লেষণের সঙ্গে আমরা একমত না হতেই পারি। তাই বলে একজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলব—এমন সামাজিক, রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে যদি আমরা বাস করি, তাহলে প্রশ্ন করতেই পারি নিজেদের সভ্য বলে দাবি করছি কীভাবে? আমরা নিজেদের উন্নত বলে দাবি করছি কীভাবে? আমাদের উন্নতিটা কোথা থেকে হচ্ছে? কীভাবে বলতে পারি, মানবতার কোনো একটা শর্তটা পূরণ করছি।’

সুলতানা কামাল আরও বলেন, ‘যাকে মারল সে যুবক, যারা মারল তারাও যুবক। এই বয়সীদের মনে এমন হিংস্র মনোভাব কীভাবে হতে দিলাম। এর জন্য আমরা সবাই দায়ী। এর জন্য আমাদের সমাজ, সামাজিক সংস্কৃতি, রাজনীতি সবই দায়ী। এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। সেভাবেই বিষয়টি দেখা উচিত। যারা এই কাজ করেছে তারা যেন এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়, যাতে তারা অনুতপ্ত হয়। তাদের দেখে যেন অন্যরা বোঝে ভিন্নমতকে আসলে এভাবে দমন করা যায় না।’

জানাজায় উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক অংশ নিয়েছেন। চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পুরো ঈদগাহ ময়দান ভরে যায়।
তথ্যঃ প্রথম আলো সহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক।
০৮ ১০ ২০১৯

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: রাতের আঁধারে ব্যালট ভরে
হত্যা করেছে গণতন্ত্র
স্বৈরাচারিতায় ছিল যারা সাথী
বলো দেখী এ কি তন্ত্র?

স্বৈরাচারিতার ইতিহাস কভু
হয়নিকো ভাল সূখের
তবু্ ও উন্মাদ মোহে ক্ষমতার
জীবনইতো নয় চিরদিনের!

হায়! থামো। আছে জেনো পরকাল
পার পাবেনা পাবেনা জবাব দিতেই হবে কাল।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৪

ইসিয়াক বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ......
হায়! থামো। আছে জেনো পরকাল
পার পাবেনা পাবেনা জবাব দিতেই হবে কাল।

অনেক অনেক শুভকামনা রইলো ।
শুভসকাল

২| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:১০

রাজীব নুর বলেছেন: প্রিয় বন্ধু, পোষ্টটি পড়ে মন টা প্রচন্ড খারাপ হয়েছে।
কি সব অন্যায় হছে দেশে। দুঃখে কলিজাটা ছিড়ে যাচ্ছে।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:১৪

ইসিয়াক বলেছেন: ৥রাজীব নুর বলেছেন: প্রিয় বন্ধু, পোষ্টটি পড়ে মন টা প্রচন্ড খারাপ হয়েছে।
কি সব অন্যায় হছে দেশে। দুঃখে কলিজাটা ছিড়ে যাচ্ছে।

সেটাই ! কি আর বলবো । বলার ভাষা নাই ।
আস্তে আস্তে হয়তো আমরা প্রতিবাদের ভাষাও হারিয়ে সব মেনে নেয়াতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বো।
গভীর অন্ধকার জাতির সামনে । আলোর সে পথ না জানি কতদুর।
ঈশ্বর আমাদের মঙ্গল করুন ।

৩| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: সমাধান বিহীন সমস্যা।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

ইসিয়াক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন প্রিয় মাহমুদ ভাই ।
সমাধান বিহীন সমস্যা।
একের পর এক ঘটনা ঘটছে আর আমরা দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখছি আর নয়তো মার খাচ্ছি ।কেউ কেউ মারাও যাচ্ছি ।
এরপর কে সেটাই ভাবার বিষয় । কতদিন চলবে তাও অজানা....।
ভাবতে গিয়ে গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়।
এসব রাজনৈতিক মাফিয়াদের হাত এতদুর পর্যন্ত লম্বা যে এদের কিছু করার ক্ষমতা সাধারণ জনগনের নেই।
হয় বশ্যতা শিকার কর না হয় লাশ হও।
আরেকটা সমাধন আছে পালিয়ে যাও ,পালিয়ে যাও উন্নত কোন দেশে ।তাইতো আমাদের মেধাবি ছেলে মেয়েরা সাধারণ জীবধযাপন মেনে নিয়ে বাধ্য হয়ে উন্নত দেশে তথাকথিত ইমিগ্রান্ট হতে বাধ্য হচ্ছে । একটু নিরাপত্তা পাওয়ার আশায় । একটু
নিরাপদ জীবন পাওয়ার আশায় ।

৪| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: এইচএসএসি তে ঢাকা বোর্ডে টপ ২০তে ছিল।

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

ইসিয়াক বলেছেন: ঢাবিয়ান বলেছেন: এইচএসএসি তে ঢাকা বোর্ডে টপ ২০তে ছিল।
ভাবা যায় !!!
যারা হত্যাকারী তারাও তো শিক্ষিত এবং মেধাবী ।আমি তো বলবো এসব হত্যাকারীরা শুধু রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নয় পারিবারিক
সমর্থনে ও কাজ করে । না হলে এতোটা বেপরোয়া হয় কিভাবে ?
ধন্যবাদ

৫| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:২১

বলেছেন:


দুঃখজনক

০৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:২৯

ইসিয়াক বলেছেন: আমার কেবলি কান্না পাচ্ছে । আমি শোকাহত ....।আমি........
হে ঈশ্বর তুমি আমাদের সন্তানদের রক্ষা কর।
হে ঈশ্বর তুমি আমাদের সন্তানদের মঙ্গল কর।
ধন্যবাদ । দোয়া রইলো।

৬| ০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৪৯

করুণাধারা বলেছেন: মনকে নাড়া দেওয়া পোস্ট লিখেছেন। শুনলাম আবরার কে খুন করার পর খুনিরা খেতে যায় এবং ফিরে এসে বার্সেলোনার খেলা দেখতে বসে। আবরারের মায়ের মুখোমুখি এই ছেলেদের মায়েদের বসিয়ে দেওয়া উচিত। খুব জানতে ইচ্ছে করে, তারা কিভাবে নিজেদের ছেলেদের মানুষরূপী পশু করে গড়ে তুলেছিলেন।

আমি অভিশাপ দিচ্ছি নিরীহ আবরারের মায়ের পক্ষ থেকে ..
আমি অভিশাপ দিচ্ছি নিরীহ আবরারের বাবার পক্ষ থেকে......
আমি অভিশাপ দিচ্ছি সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে......।
আবরার ফাহাদের খুনিরা ধ্বংস হোক.....
আমিও অভিশাপ দিচ্ছি।

০৯ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৬

ইসিয়াক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভে্ছা রইলো।
ঈশ্বরের কাছে শুধু প্রার্থনা অদূর ভবিষ্যতে যেন ,এরকম ঘটনা না দেখতে হয় এ অভাগা জাতির।
শুভকামনা রইলো।
সুপ্রভাত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.