নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অর্থনীতিবিদ

অর্থনীতিবিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

মেদ ও চর্বি কমানোর জন্য কতিপয় এলোপ্যাথি ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ

১২ ই জুলাই, ২০১৯ ভোর ৬:৩৮


দীর্ঘ সময় বসে বসে কাজ করা এবং দৈহিক পরিশ্রম কম হওয়ার কারণে পেটে মেদ জমতে থাকে। সাধারণত নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকেরই পেটের মেদজনিত জটিলতা আছে। বিশেষ করে সারা শরীরের তুলনায় পেটে মেদ জমে বেশি এবং অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে পেটের মেদ কমানো যেমন পরিশ্রমসাধ্য তেমনি সময়সাপেক্ষও। যার ফলে অনেকের পক্ষেই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে বা অলসতা করে পেটের মেদ কমানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। অথচ পেটে মেদ বা চর্বি হলে চলা-ফেরায় যেমন কষ্ট হয়, তেমনি নষ্ট হয় সৌন্দর্যও। অনেকে আছেন খুব বেশি মোটা না কিন্তু পেটে অনেক মেদ জমায় খুবই অস্বস্তি বোধ করেন। কোনো ভালো পোশাক পড়লেও ভালো লাগে না। এ অবস্থায় সবারই বাসনা থাকে কিভাবে পেটের অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি দূর করা যায়। ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন। না খেয়ে থাকাসহ বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করেন অনেকে। এর মধ্যে আছে ওজন বৃদ্ধি পায় এমন খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, ব্যায়াম এবং মেডিকেশন। তবে কখনোই না খেয়ে থাকবেন না। কারণ না খেয়ে থাকলে তাতে ওজন কমে না বরং শরীরের ক্ষতি হয় আরো। এই নিবন্ধে মেদ কমানোর উপযোগী কতিপয় এলোপ্যাথি ও আয়ুর্বেদিক ওষুধ নিয়ে আলোচনা করা হলো। তবে এটি কোনো চিকিৎসামূলক পোস্ট নয়। তাই নিম্নলিখিত যে কোনো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত সেবন করবেন না।

এলোপ্যাথি
অরলিসট্যাট (Orlistat): বাজারে Orlistat উপাদানে তৈরি 60 মিগ্রা ও 120 মিগ্রা এর দুটি ওষুধ পাওয়া যায় যা চর্বি পরিপাক ও শোষণে বাধা দেয় এবং যা শুধুমাত্র পরিপাক তন্ত্রেই সক্রিয়; যা মাংস নয় বরং চর্বি কমিয়েই শরীরের ওজন কমাতে সক্ষম। এটি রক্তে উচ্চ মাত্রার চর্বি ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। এটি মস্তিষ্কে কোন প্রভাব ফেলে না। এই ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে এবং যা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্যও নিরাপদ। ওষুধটি খাবার ফলে চর্বি জাতীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পদার্থে পরিণত হতে না পারার কারণে তা রক্তে শোষিত হতে পারে না ফলে তা ক্ষুদ্রান্তেই থেকে যায় এবং যা পরে মলের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। যাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কিংবা যারা অস্বাভাবিক রকম মোটা, যাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি তারা এই ওষুধটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে এই ধরনের ওষুধ আপনি নিজে নিজে ব্যবহার করবেন না, কারণ অতিদ্রুত ওজন হ্রাস বা বৃদ্ধি কোনটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কাম্য নয়। আপনি অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এ ধরনের ওষুধ ব্যবহার করবেন। তবে মনে রাখবেন এর পাশাপাশি দৈহিক শ্রম ও ব্যায়াম আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও সাহায্য করবে। আপনি প্রতিদিন খাবারের সাথে যে চর্বি খাচ্ছেন এই ওষুধ তার এক তৃতীয়াংশকে হজমে বাধা দেয়। এছাড়া রক্তের মোটা কোলেস্টেরল ও এলডিএল কমায়। কোলেস্টেরল ছাড়াও রক্তের ট্রাইগ্লোসারাইড, ডায়াবেটিসও এই ওষুধের সাহায্যে কমে থাকে। এই ওষুধ ব্যবহার করতে হলে আপনি আপনার চিকিৎসককে নিয়ে একত্রে সিদ্ধান্ত নেবেন যে, আপনার ওজন কতটুকু কমাতে হবে। মনে রাখবেন শতকরা ৫ থেকে ১০ ভাগ ওজন কমলেই অনেক রোগের ঝুঁকি কমে যায়। এই ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও যে নেই তা কিন্তু নয়। ওষুধ খেলে পায়ুপথে অতিরিক্ত বাযু নির্গমন হতে পারে। চর্বি মল ও তন্ত্রে পরিচালন বৃদ্ধি ঘটাতে পারে যার অবধারিত প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দিতে পারে লুজ মোশন। স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে হয়তো প্রশ্ন আসবে যে, এই ওষুধ কত দ্রুত ওজন কমাতে সক্ষম। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, যেখানে ১ হাজার লোকের উপর পরীক্ষা চালানো হয়েছিল তাতে ৬ থেকে ৮ মাস ওষুধ ব্যবহারে গড়ে ১০ ভাগ ওজন কমেছে। ওষুধ কোম্পানি বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে একে খুবই কার্যকরী ও নিরাপদ বলে জানিয়েছে। তারা প্রাথমিকভাবে সাত হাজারেরও বেশি লোকের উপর এই ওষুধের প্রতিক্রিয়া ও কার্যকারিতা পরীক্ষা শেষে একে নিরাপদ কার্যকরী ও এক কথায় চমৎকার বলে জানিয়েছেন। (তথ্যসূত্রঃ ড. দিদারুল আহসান, চর্ম, যৌন ও এলার্জি রোগ বিশেষজ্ঞ, আলরাজি হাসপাতাল, ১২, ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন : ৯১১৭৭৭৫, ০১৭১৫৬১৬২০০)।

নিচে অরলিসট্যাট গ্রুপের কিছু ওষুধের নাম উল্লেখ করা হলো। সবগুলো ওষুধই 120 মিগ্রা শক্তির। মূল্য হিসেবে ইউনিট মূল্য দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে একটি ওষুধের ইউনিট মূল্য 40 টাকার অর্থ হলো 10টি ক্যাপসুলের এক পাতা ওষুধের মূল্য হবে 400 টাকা। বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি বিভিন্ন নামে বাজারে অরলিসট্যাট গ্রুপের ওষুধ বের করলেও সবগুলো ওষুধের উপাদান ও কার্যকারিতা একই। তাই আপনার চিকিৎসক অনুমতি দিলে যে কোনো কোম্পানির ওষুধ কিনে খেতে পারেন।

1. অ্যাডিপোনিল – ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ ট 40.00

2. ডায়েটিল – EsKayef (SK+F) বাংলাদেশ লিঃ ট 40.00
3. লোয়েট (Lowet) – Albion ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ ট 55.00
4. Olistat – স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ ট 60.00
5. অরলিফিট – অপসোনিন ফার্মা লিঃ ট 50.00
6. Ornical – ACI Limited ট 55.00
7. স্লিমফাস্ট – হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ ট 50.00

আয়ুর্বেদিক
বড়বাগ্নি রসঃ মেদ ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বড়বাগ্নি রস অত্যন্ত কার্যকরী। এই গ্রুপের ওষুধ হলো লোফ্যাট যার উপাদানসমূহ হলো কজ্জলী (250 মিগ্রা), তাম্র (125 মিগ্রা), হরিতাল (125 মিগ্রা) এবং অন্যান্য উপাদানসমূহ। খাবার গ্রহণের পর লোফ্যাট সেবন করলে তা পরবর্তীতে পায়খানাকে পানির মতো তরল করে বের করে দেয়। পায়খানা নিয়ে যাদের সমস্যা আছে তাদের জন্য এই ওষুধটি একটি অনন্য সমাধান।

ওষুধের নামঃ লোফ্যাট (বড়বাগ্নি রস)

মূল্যঃ 860 টাকা (50 ক্যাপসুল)।
প্রস্তুতকারকঃ এবি ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ু), ঢাকা, বাংলাদেশ।
কার্যকারিতাঃ স্থৌল্য / মেদ / চর্বি ও কোলেস্টরল প্রশমক।
ব্যবহারবিধিঃ 1-2 টি করে ক্যাপসুল দিনে 1-2 বার আহারের পর অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।

তিনকারঃ লোফ্যাটের সাথে সহায়ক ওষুধ হিসেবে চিকিৎসকরা সাধারণত তিনকার গ্রুপের ওষুধ সুপারিশ করে থাকেন। তিনকার গ্রুপের দুটি ওষুধ হলো হাল্যাক্স (হামদর্দ) এবং ফ্যাট রিডিউসার (মডার্ন হারবাল)। এ দুটি ওষুধের মধ্যে হাল্যাক্স তুলনামূলক স্বল্প মূল্যের হওয়ায় এটিই বেশি সুপারিশ করা হয়।

ওষুধের নামঃ হাল্যাক্স (তিনকার)
মূল্যঃ 100 টাকা (50 ট্যাবলেট)।
প্রস্তুতকারকঃ হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ।
কার্যকারিতা / নির্দেশনাঃ অরুচি, পেটফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও স্থুলতা।
ব্যবহারবিধিঃ 1-2 ট্যাবলেট দুধসহ শয়নকালে অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।


ওষুধের নামঃ ফ্যাট রিডিউসার (হাব্বে তিনকার)
মূল্যঃ 450 টাকা (30 ট্যাবলেট)।
প্রস্তুতকারকঃ মার্কো ইউনানী ফার্মা (মডার্ন হারবাল ফুড লিঃ), ঢাকা, বাংলাদেশ।
কার্যকারিতা / নির্দেশনাঃ রুচির অভাব, পেট ফাঁপা, পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য ও মেদ কমাতে কার্যকরী।
ব্যবহারবিধিঃ প্রতিদিন 1-2 টি ট্যাবলেট অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।

কুরছ মুহাযযিলঃ দৈহিক স্থুলতা, মেদ ও পেটের অতিরিক্ত চর্বিকে দূর করার জন্য কুরছ মুহাযযিল গ্রুপের তিনটি ওষুধ হলো স্লিমোরেক্স (ইউনিড্রাগ), স্লিফিট (হামজা) এবং কৃশক্যাপ (জেবিএল ড্রাগ)। ওষুধ তিনটির উপাদান একই হলেও পরিমাণ ও কার্যকারিতার মধ্যে পার্থক্য আছে। আর তাই দামের মধ্যেও পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। এক্ষেত্রে জেবিএল ড্রাগ ল্যাবরেটরীজের কৃশক্যাপ অপেক্ষাকৃত বেশি দামী। তবে হামজা ল্যাবরেটরীজের স্লিফিটের মধ্যে ওষুধের উপাদানের পরিমাণ বেশি। চিকিৎসক রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে এ তিনটি ওষুধের মধ্যে যে কোনো একটির সুপারিশ করে থাকেন।


ওষুধের নামঃ স্লিফিট (কুরছ মুহাযযিল)
মূল্যঃ 500 টাকা (30 ক্যাপসুল)।
প্রস্তুতকারকঃ হামজা ল্যাবরেটরীজ, ভাটারা, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কার্যকারিতা / নির্দেশনাঃ দৈহিক স্থুলতা, মেদ, পেটের অতিরিক্ত চর্বি।
ব্যবহারবিধিঃ 4 ক্যাপসুল (দিনে একবার, ভোরে খালিপেটে) অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
উপাদানঃ
প্রতি 500 মিগ্রা ক্যাপসুলে আছে-
আজওয়াইন – 100 মিগ্রা
জিরা সিয়াহ – 100 মিগ্রা
লুক মগসুল – 100 মিগ্রা
মরযনজোশ – 100 মিগ্রা
চন্দরস – 200 মিগ্রা


ওষুধের নামঃ স্লিমোরেক্স (কুরছ মুহাযযিল)
মূল্যঃ 300 টাকা (30 ক্যাপসুল)।
প্রস্তুতকারকঃ ইউনিড্রাগ ইউনানী ল্যাবরেটরীজ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কার্যকারিতা / নির্দেশনাঃ দৈহিক স্থুলতা, মেদ, পেটের অতিরিক্ত চর্বি।
ব্যবহারবিধিঃ 2 ক্যাপসুল দৈনিক 2 বার আহারের পূর্বে অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
উপাদানঃ
প্রতি 500 মিগ্রা ক্যাপসুলে আছে-
আজওয়াইন – 83.33 মিগ্রা
জিরা সিয়াহ – 83.33 মিগ্রা
লুক মগসুল – 83.33 মিগ্রা
মরযনজোশ – 83.33 মিগ্রা
চন্দরস – 166.67 মিগ্রা

ওষুধের নামঃ কৃশক্যাপ
মূল্যঃ 1000 টাকা (40 ক্যাপসুল)।
প্রস্তুতকারকঃ জেবিএল ড্রাগ ল্যাবরেটরীজ, গাজীপুর, বাংলাদেশ।
কার্যকারিতা / নির্দেশনাঃ দৈহিক স্থুলতা, মেদ, পেটের অতিরিক্ত চর্বি।
ব্যবহারবিধিঃ 2-4 টি ক্যাপসুল দিনে 2 বার অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
উপাদানঃ
প্রতি 500 মিগ্রা ক্যাপসুলে আছে-
আজওয়াইন – 83.33 মিগ্রা
জিরা সিয়াহ – 83.33 মিগ্রা
লুক মগসুল – 83.33 মিগ্রা
মরযনজোশ – 83.33 মিগ্রা
চন্দরস – 166.67 মিগ্রা

নবীন চিরতাঃ যে কোনো ওষুধ সেবন কিডনী রোগের কারণ হিসেবে আবির্ভুত হতে পারে। এক্ষেত্রে লিভার ও কিডনীকে প্রাকৃতিক সুরক্ষা দেওয়ার জন্য নবীন ল্যাবরেটরী লিঃ এর নবীন চিরতা ওষুধ একটি কার্যকরী ওষুধ হতে পারে। এ ওষুধটি সুস্থ শরীরেও সেবন করা যেতে পারে। কারণ নবীন ল্যাবরেটরীজের ভাষ্য মতে, সুস্থ শরীরে নবীন চিরতা ক্যাপসুল সেবন দেহকে সর্ব প্রকার রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

ওষুধের নামঃ নবীন চিরতা
মূল্যঃ 150 টাকা (50 ক্যাপসুল)।
উপাদানঃ পরিশোধিত হিমালয়ান চিরতা 250 মিগ্রা।
উপকারিতাঃ লিভার ও কিডনীকে প্রাকৃতিক ভাবে সুরক্ষা করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। পালা জ্বর ও মেয়াদী জ্বরে কার্যকর। গ্যাস, এসিডিটি ও বদহজম নিয়ন্ত্রণ করে। মেদ, ভুঁড়ি ও কোলেস্টেরল প্রাকৃতিক ভাবে রোধ করে।
সেবন মাত্রা ও বিধিঃ 1টি করে ক্যাপসুল দৈনিক 2 বার (সকালে ও সন্ধ্যায়)। আহারের অর্ধ ঘন্টা পূর্বে অথবা অর্ধ ঘন্টা পরে সেবনে ভালো ফল পাওয়া যায়। বিশেষ ক্ষেত্রেঃ 2টি করে ক্যাপসুল দৈনিক 3 বার সেব্য।

ওজন কমানোর জন্য বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন কিছু বিদেশি ওষুধ (Daraz.com এ পাবেন)
1. AyurSlim – 315 tk
2. Obe Slim Fat Reducer – 850 tk
3. Nano Fast Slim Thailand’s Slimming Capsule – 1190 tk
4. Forever Garcinia Plus – 1600 tk
5. Saffron Capsule – 899 tk
6. True Slim Pro – 2368 tk
7. Detoxi Slim – 899 tk
8. Glow Zero – 455 tk
9. Super Slimming Herb Diet Pills – 650 tk
10. Max Slim – 999 tk

আরো অসংখ্য ওষুধের নাম আছে যা লিখে শেষ করা যাবে না। slim হওয়ার ওষুধের ব্যবসা এখন মাদকদ্রব্য বিক্রির ব্যবসার মতোই লাভজনক একটা ব্যবসা। তাই বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন নামে বিভিন্ন উপাদান দিয়ে একের পর এক ওষুধ বাজারে আনছে। আমদানিকারকরাও অতিরিক্ত মুনাফার লোভে সেগুলো আমদানি করছে। মানুষ উচ্চমূল্য দিয়ে সেগুলো ক্রয়ও করছে। কিন্তু সেগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য কতটুকু নিরাপদ তাতে সন্দেহ থেকেই যায়। তাছাড়া তাতে কতটুকু মেদ কমছে সেটাও দেখার বিষয়।

মেদ বা চর্বি কমানোর জন্য ওষুধ কখনই ব্যায়াম ও পরিশ্রমের বিকল্প হতে পারে না। কিন্তু ব্যস্ত নগর জীবনের কারণে সবার পক্ষে ব্যায়াম বা পরিশ্রম করার সুযোগ হয় না। এক্ষেত্রে একান্তই যদি মেদ বা চর্বি তথা ওজন কমানোর জন্য ওষুধ গ্রহণের প্রয়োজন হয় তবে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ওষুধ গ্রহণ করুন এবং পাশাপাশি পরিমিত খাবার গ্রহণ করে সপ্তাহে একদিন বা দুদিন শরীরচর্চা করুন। এতে ওজন যেমন কমবে তেমনি শরীরও ভালো থাকবে।

ফটো ক্রেডিটঃ কিছু আমার নিজের তোলা আর বাকিটা গুগল থেকে নেয়া।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:২২

বলেছেন: অর্থনীতিবিদ এবার ডাক্তার, কবিরাজ সবিই হয়ে গেলেন --হা হা


ব্যায়াম ও কায়িক পরিশ্রমের বিকল্প কোন কিছুনেই এটাই সত্য।।।
নবীন-চিরতা আজীবন নবীন রাখবে নাকি অসময়ে প্রবীণ করবে কে জানে!!!

জানা হলো অনেক....

ভালো থাকুন।।।
দেশের বাজেট পরবর্তী অবজারভেশন লেখুন একটু জানি।।।

১২ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:৪৭

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ভাই, দুঃখের কথা কী বলবো, আমি আসলে ছিলাম রোগী। পেশাগত কারণে পরিশ্রম কম হওয়ায় ধীরে ধীরে ওজন অনেক বেড়ে গিয়েছিলো। বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা। তারপর ওজন কমানোর জন্য প্রথমে এলোপ্যাথি ডাক্তার দিয়ে শুরু, তারপরে এলোপ্যাথির পাশাপাশি আয়ুর্বেদিক ডাক্তার দেখিয়ে নানান পদের ওষুধ খেয়ে, বাসায় ও জিমে ব্যায়াম করতে করতে দীর্ঘদিন পরে আবার ওজন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এই দীর্ঘ সময়ে নিজের অভিজ্ঞতাপ্রসূত ওষুধের বিবরণটাই মূলত তুলে ধরেছি। নবীন চিরতা ওষুধটা মূলত বিভিন্ন ওষুষের প্রতিক্রিয়ায় কিডনী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেটা পূরণ করার জন্য এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য। পাশাপাশি এটা আবার ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও কিছুটা কাজ করে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। বাজেট নিয়ে লেখার ক্ষেত্রে আপনার উৎসাহ পেয়ে ভালো লাগলো। লিখবো ভাই। আসলে এতোদিন ব্লগে প্রবেশ করতে পারিনি। অবশেষে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে জানতে পারলাম ভিপিএন সার্ভার দিয়ে প্রবেশ করা যায়। আশা করি সবাই খুব দ্রুত আবার আমাদের এই প্রিয় প্লাটফর্মটিতে সক্রিয় হবে।

২| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: যারা অলস এবং আরাম প্রিয় তাদের'ই ভুড়ি হয়।
প্রতিদিন প্রচুর হাটলে ভুড়ি জমে না।

১২ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:১১

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

৩| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:২০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: যারা অলস এবং আরাম প্রিয় তাদের'ই ভুড়ি হয়।
প্রতিদিন প্রচুর হাটলে ভুড়ি জমে না।
হায় হায়, এই তথ্যটা তো এতোদিন জানতামই না! জেনে অত্যন্ত উপকার হলো। :P

চমৎকার এবং উপকারী পোষ্ট। আশাকরি, অনেকেই উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ আপনাকে। :)

১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:২১

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: শ্রীলঙ্কার ল্যাসিথ মালিঙ্গাকে দেখে ইদানিং আমি বিস্ময় বোধ করি। কারণ মোটামুটি দৌড়ের উপর থেকেও তার ভুড়ি বিশ্বকাপে ভালোই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। রাজীব নুর কোন প্রেক্ষিতে এই কথা বলেছে তা সেই জানে কারণ অলস বা আরামপ্রিয় হলেই যে ভুড়ি হবে তা সবসময় সত্যি নয়। আর ব্যস্ত নগর জীবনের কারণে আমাদের সবার পক্ষে প্রতিদিন প্রচুর হাটা সম্ভব নয়। আপনার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো। মেদ ভুড়ি কমানোর উপর বেশ ওষুধপত্র আছে যা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করলে উপকার পাওয়া যায়। আশা করি যারা মেদভুড়ি সমস্যায় ভুগছে তাদের জন্য কিছুটা হলেও উপকার করবে এই পোস্ট। আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: ভুড়িঁওয়ালাদের জন্য ভালো টোটকা হাজির করেছেন ভাইজান। এবার যদি রক্ষা হয় মেদবহুল জাতির। ;)

*একটি কৌতুক শুনেছিলাম, অনেক আগে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অনেকে নাদুসনুদুস ভুড়িঁ থাকত ঐতিহ্য অনুসারে। তাই দেখে পশ্চিমা দুইজন দর্শক মাঠে খেলা দেখার সময় গল্প করছে, 'দেখেছিস, টম, হারা*দারা একবেলা খেতে পায় না ঠিক মত আর খানদানি ভুড়িঁটার আকার দেখ'। :-P

আশা করি তাবৎ ভুড়িঁবাবাদের উপকারে আসবে এই মূল্যবান পোস্ট। তবে লেখকের সাথে বলতে চাই, 'ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খেয়ে বাপ-দাদার দেওয়া পৈত্রিক জানটা আবার ওষ্ঠ্রাগত করবেন না'। :P

১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: মেদভুড়ি আর ভোজনরসিক বাঙ্গালিকে আলাদা করা বড়ই দুঃসাধ্য। অবশ্য এখন আর ভোজন রসিকের জন্য নয়, ভেজাল খেতে খেতেই মনে হয় বাঙ্গালির ভুড়ি প্রকট আকার ধারণ করেছে। ক্রিকেটার আকরাম খানের বিশাল শরীর এখনও চোখের সামনে ভাসে। মেদভুড়ি সমস্যায় পতিত যারা তাদের সামান্য উপকার হলেও আমার পোস্টটি লেখা সার্থক হবে। আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো।

৫| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:০৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: উপকারী পোষ্ট।

১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। অনেক খেটেখুটে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য নিয়ে পোস্টটি লিখেছি। মেদভুড়ি সমস্যা আমাদের কম বেশি সবারই আছে। পরিশ্রম বা ব্যায়াম করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। আর শুধু খাওয়া দাওয়া নিয়ন্ত্রণ করেও শরীরের চর্বি কমানো সম্ভব হয় না। এমতাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কিছু ওষুধ খেয়ে যদি শরীরের মেদ কিছুটা কমানো যায় তাহলে ক্ষতি কি। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন সর্বদা।

৬| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

ইসিয়াক বলেছেন: কাজে লাগবে হয়তো। ধন্যবাদ

১২ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:০৮

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ব্যস্ত নগর জীবনে ব্যায়াম ও পরিশ্রম করে মেদভুড়ি কমানো যাদের সম্ভব হচ্ছে না তাদের সামান্য উপকারে লাগলেও আমার পোস্ট লেখাটা সার্থক হবে।

৭| ১২ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

নতুন বলেছেন: ভাই ওজন কমানোর জন্য কোন ওষুধই খাওয়া ঠিক না। কারন সব ওষুধেই শরিরের সাভাবিক প্রকৃয়াকে বাধা দিবে এবং তার কারনে পরে অন্য সমস্যা শুরু হবে।

ওজন কমানোর জন্য শারিরিক পরিশ্রমের বিকল্প নাই।

আপনার শরিরের যদি দিনে ২০০০ ক্যালোরির দরকার হয় তবে তার চেয়ে একটু কম খাবার খান এবং ৫০০ ক্যালোরি খচরা করুন.... তখন আপনি কয়েক মাসেই ওজন কমাতে সক্ষম হবেন...

মেদ চবি` কমানোর কোন সট`কাট নাই.... পরিমিত খাবার খান এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন... ৪-৫ কিলো হাটুন সপ্তাহে ৫ দিন....

১২ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:১৯

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন। আমি নিজেও আসলে ব্যায়াম ও পরিশ্রমের বিকল্প হিসেবে কোনো ওষুধকে সুপারিশ করি না। কিন্তু ওজন কমানোর জন্য কারো কারো পক্ষে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা সম্ভব নাও হতে পারে। এখন চিকিৎসা বিজ্ঞান অনেক অগ্রগামী হয়েছে। মেদভুড়ি সমস্যার ক্ষেত্রেও যে এখন ওষুধ প্রয়োগ করা যায় সেটা জানানোর জন্যই মূলত এই পোস্ট। আর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যদি কেউ ওষুধ গ্রহণ করে তবে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না।

৮| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:২১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

ব্লগের এই দুর্দিনে আপনি বিশাল গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা নিয়ে এলেন যদিও ব্লগার নতুনের মন্তব্যর আলোকে মেদ কমানোর জন্য ঔষধ সেবন খুব একটা ভালো না। তারপরও বলব অনেক সুন্দর সাজিয়েছেন লেখাটি । ধন্যবাদ প্রাপ্য বটে, যেহেতু অর্থনীতির পাশাপাশি ভিন্ন ভিন্ন লেখা প্রকাশ করে সবার উপকার করছেন, এমনকি ইদানিং স্বাস্থ্যনীতি নিয়েও লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন সেহেতু স্বাস্থ্য বৃদ্ধির তরিকা নিয়ে আরেকটি লেখা প্রকাশ করে ফেলুন।


সুস্বাস্থ্য নিয়ে বহাল থাকুন সবসময়
শুভকামনা থাকলো।

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ২:৩৮

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: স্বাভাবিক অবস্থায় ওষুধ সেবন করে ওজন কমানোর পরামর্শ সাধারণত দেয়া হয় না। এটা হলো একান্তই যারা পরিশ্রম করে মেদ বা চর্বি কমাতে পারে না তাদের জন্য। আপনার ধন্যবাদ আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করা হলো। স্বাস্থ্য বৃদ্ধির তরিকা ! হুম, আপনার আইডিয়াটা আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। যদিও অধিকাংশ মানুষ স্বাস্থ্য কিভাবে কমানো যায় সে চিন্তায় পেরেশান।

আপনার জন্যও শুভকামনা রইলো।

৯| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:১০

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য।

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পুনরায় মন্তব্যের জন্য। আমি আসলে চেষ্টা করি সবার মন্তব্যেরই উত্তর দেওয়ার জন্য।

১০| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৪৫

এম ডি মুসা বলেছেন: আরো কিছু ট্রিপস চাই , ওষুধের বা মেডিসিন কার্যকারিতা সম্পর্কে আরো একটু
যদি ক্লিয়ার বুঝতাম ভালো হতো।

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:১৮

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: প্রথমেই পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে। ওষুধের কার্যকারিতার বিবরণকে একটু সংক্ষিপ্তই করেছি আসলে। কারণ ওষুধের বিস্তারিত বিবরণ দিলে কেউ যদি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ কিনে সেবন করে দেয় - সেই ভয় কাজ করছিলো মনে। আমি দুজন ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করেছিলাম। একজন ড দিদারুল আহসান এবং আরেকজন আয়ুর্বেদিক ডাক্তার যার চেম্বার মালিবাগ চৌধুরিপাড়া ওভারব্রিজের পশ্চিমপাশে। আপনিও এ বিষয়ে কোনো চিকিৎসকের সাথে কথা বলে বিষয়টা ক্লিয়ার হতে পারেন।

১১| ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

গড়ল বলেছেন: ওরলিসট্যাট ফ্যাট শোষণে বাধা প্রদান করলে ফ্যাট সল্যুবল ভিটামিন (A, D, E, K) শোষণও বাধাগ্রস্থ হবে। অতএব ওরলিসট্যাট গ্রহণের অন্তত দুই ঘন্টা আগে বা পরে ভিটামিন এর সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

১৬ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:২৭

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের ক্ষেত্রে ভালো একটা তথ্য জানালেন। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.