নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চার হাত থেকে আধ হাত কম..

সৈয়দ তাজুল ইসলাম

জীবনের পুত্র

সৈয়দ তাজুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

মৃতের বাড়িতে তার পরিবার কর্তৃক আয়োজিত ভোজনায়োজন একটি নতুন বিদআত (অধর্ম ও অপসংস্কৃতি রক্ষার্থে...)

০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৯


মৃতের পরিবারই কেবল আপনজনের লোকান্তরিত হওয়ার শোক অনুধাবন করতে পারে, সে-ও কিছুটা অনুধাবন করতে পারে যে পিতা তার সন্তান হারিয়েছে, যে সন্তান হারিয়েছে তার বাবা; আমরা কেবল সমবেদনায় যা প্রকাশ করতে পারি তাই। এমন কঠিনতম সময়ে দূর থেকে আগত মেহমানদের মেজবানি করা তাদের জন্য খুবই দুষ্কর। আর তাই, তখন মেহমানদের মেজবানের দায়িত্ব বর্তায় প্রতিবেশি/আত্মীয়দের উপর। এটা এমন একটা বিষয় যা মৃতের প্রতিবেশী/আত্মীয়দের পরিবর্তে পরিবারের আদায়ের কারণে অদূর ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট এক গোষ্ঠীকে এর খেসারত দিতে হবে। যেরকমটা দিয়ে আসছে বর্তমান সময়ের মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও দারিদ্র্য পরিবারের লোকেরা; তাদের কন্যার বিবাহের সময়ে।

বিয়ে-শাদিতে আমরা বরের চৌদ্দপুরুষ-মহিলাকে উদরপূর্তি করাই হৃদয়ে পবিত্র মানসিকতা লালন করে। একসময় এই অনাচারটি ছিল এলিট বা ধরবানদের কাজ; তাদের জন্য তা গ্রহণ ছিল অতি স্বাভাবিক। কিন্তু এটা ধীরেধীরে সমাজের নিম্নবর্গের দিকে ধাবিত হয়। যা বর্তমানে নিম্ন মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত দারিদ্র পরিবারের জন্য একটি মারাত্মক ঘাতকের ভূমিকায় রয়েছে। অথচ না তারা এর প্রতিবাদ করতে পারছে না সহ্য করতে পারছে। আর তাই অনেকে গোপনে বিক্রি করছে নিজের ভিটেমাটি; কেবলমাত্র অধর্ম ও অপসংস্কৃতি রক্ষার্থে।

মৃতের মৃত্যুর দিন ভোজনায়োজন উদযাপনের মাধ্যমে আজ আমরা যারা সমাজের অদূর ভবিষ্যতের জন্য একটি ঘাতক সর্প পুষছি তা যে সমাজের নিম্নবর্গকে চুষে খেতে যথেষ্ট আগ্রাসী ভূমিকা রাখবে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। সুতরাং অধর্ম ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করুন তার প্রতিবাদের মাধ্যমে।


#লেখাটাকে নির্বাচিত পাতায় নেওয়ার জন্য মডারেটরকে ধন্যবাদ।

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


একটা বড় ধরণের অর্থনৈতিক নিয়মের ব্যাখ্যা ও আবিস্কার।

০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:০৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: অনিয়মের

২| ০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৭

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: খাওয়ার জন্য মৌলভীদের ফন্দি।

০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: যখন মৌলভীরা এসকল নব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কিছু না বলে নিরব থাকে তখন নিশ্চয়ই এটা তাদের উদরপূর্তির ফন্দি ছাড়া অন্য কিছু নয়।

৩| ০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:০৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মুরুব্বিদের আমলে ছিল এখনোও আছে মনে হয় ভবিষ্যতে আরো বাড়বে।

০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আশঙ্কা থেকেই যায়...

শ্রদ্ধেয় মুরুব্বিদের সময়ে কী ছিল বা কী ছিল না সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। আমাদের দেখার বিষয় আমরা ভবিষ্যৎকে কতটুকু কুসংস্কার মুক্ত রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমাদের নিরবতাই কিন্তু ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের অথৈ নির্জনতায় ডুবিয়ে দিবে।

৪| ০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১১

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: লেখকের সাথে ঐক্যমত পোষণ করছি। লোক দেখানো সামাজিকতাকে ধর্মীয় অনুশাসনে রুপান্তরিত করা একটা সামাজিক ব্যাধি।

০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: অদূর ভবিষ্যতে এই ব্যধি আমাদের সমাজের দরিদ্র পরিবারগুলোকে আরো বেশি ডুবিয়ে দিবে। একে তো দিনদিন তাদের অর্থনৈতিক যোগান কমেই যাচ্ছে তার উপর আবার নব্য অধর্মী কর্মকাণ্ড!

ঐক্যমত পোষণের জন্য ধন্যবাদ ভাই।

৫| ০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৮

করুণাধারা বলেছেন: এটা একটা সামাজিক প্রথা, এর বিরোধিতা করা এত সহজ নয়।

ভালো বিষয়ে লিখেছেন, আমারও ইচ্ছা ছিল লেখার। লেখায় লাইক।

০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আপনার লেখা আর আমার লেখায় পার্থক্য আছে। আপনি লিখুন। নতুন করে। বিবেককে কাঁপিয়ে। তাছাড়া আমাদের সকলেরই উচিত এসকল সামাজিক কুপ্রথার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। নব্য এই বেদয়াত তথা অধর্মী কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সকলের ভেতর এখনই প্রতিবাদের মনোভাব তৈরি করে দেওয়ার সময়।

৬| ০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৭

অধীতি বলেছেন: ঢালাও ভাবে বিদাআদ বলার আগে কোরআন হাদীসের দলীল দিতে হয়। কেউ সামাজিক চাপে পরে খাওয়ায় কেউ স্বেচ্ছায় খাওয়ায়। মৃতব্যক্তির নামে গরীব দুঃখীকে খাওয়ালে পূণ্য আছে। বিদাআত না বলে বিষয়টা সামাজিক ভাবে ব্যখ্যা করেন।

০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:০৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: মাস'আলা মতে মৃতের পরিবারের শোক পালনের জন্য তাদের দ্বারা মেহবানের মেজবানি করানোর পরিবর্তে তাদের প্রতিবেশিরা তাদের দায়িত্ব আদায় করবেন। (মাস'আলা পছন্দসই না হলে আপনার নিকটস্থ কোন গ্রহণযোগ্য মুফতি সাহেবকে জিজ্ঞেস করুন!)

কিন্তু আমাদের সমাজে দেখা যাচ্ছে নতুন করে একটি বিষয় চালু হচ্ছে, দুরবর্তীদের জন্য মৃতের পরিবার ভোজনায়োজন করে থাকে, হোক তা ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় (যদিও এই ভোজন পর্বে নিকটবর্তীজনেরাও বেহায়ার মত শামিল হয়ে থাকে) । যদি মৃতের পরিবার নিজে থেকে সাচ্ছন্দ্যেে এমনটা করে থাকে তবে তারা অদূর ভবিষ্যতের জন্য জন্ম নেওয়া একটি কালো সাপ সাদৃশ্য বিদ'আতের জন্মদাতা হিসেবে ক্রমাগত পাপের অংশীদার হবে। আর যদি তারা বাধ্য হয়ে করে তবে বাধ্যকারীরা অদূর ভবিষ্যতের নব্য সৃষ্টি হওয়া অধর্মী কুসংস্কারের পাপের অংশীদার হবে। সামাজিক অন্ধকারের অথৈ গভীরে দারিদ্র্যদের ডুবিয়ে দেওয়ার কাজে এটা আরেকটি আগ্রাসন। (পোস্টটি ভালোভাবে পড়ুন!)

৭| ০২ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: কিছু কিছু পুরোনো ধ্যান ধারনা আমি ভাঙতে চাই।

০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সকলেরই এমনটা হওয়া উচিত।

বাস্তবায়িত হোক সত্যের কামনা।

৮| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:০৬

রাশিয়া বলেছেন: মৌলভীরা নীরব থাকে - একথা ঠিক না। আমাদের পাড়ার মসজিদে কুলখানি উপলক্ষে মিষ্টি পাঠিয়েছিল মিলাদের জন্য। তিনি মিলাদ না পড়িয়ে মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো ছেলেপেলদেরকে সেগুলো বিতরণ করে দেন এবং তাদের নিয়ে সেখানেই দোয়ার আয়োজন করেছিলেন।

০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: রাশিয়ার কোন পাড়ায় কী ঘটে সেটা আমাদের দেখনের বিষয় না :-B

'আমাদের দেশে এরকম অধর্মের বিরুদ্ধে মৌলভীরা সোচ্চার' তখনই বলা যাবে যখন বাস্তবিক অর্থে তাদের বিরুদ্ধাচারণ ফুটে উঠবে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে । এমন অধর্ম সমাজ ধ্বংসের মূল কারণ। দারিদ্রের সর্বস্ব কেড়ে নেওয়ার নতুন কুসংস্কার।

৯| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ধর্মের অপব্যবহার ও অজ্ঞতার জন্যই নতুন নতুন বিধাত চালু হয়।

এ বিষয়টি মেজবানী যেন মৃত পরিবারের জন্য আগুনে ঘি ঢালা না হয়ে দাড়ায় সেটািই কাম্য।

০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: 'এ বিষয়টি মেজবানী যেন মৃত পরিবারের জন্য আগুনে ঘি ঢালা না হয়ে দাড়ায় সেটািই কাম্য।'
আফসোসের বিষয় হল, সেটাই ঘটছে। কিন্তু আমাদের সমাজ সংস্কারেরা এসবকে উপেক্ষা করছেন। হয়তোত ছোট ভেবে, কিংবা বকধার্মিকদের ভয়ে। কিন্তু সমাজ রক্ষায় এসবের উর্ধ্বে গিয়ে তাদের উচিত সত্যের জন্য সংগ্রাম করা।

ধন্যবাদ আপনাকে। আশাকরিভালোই দিনকাল যাচ্ছে।
শুভকামনা নিরন্তর।

১০| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:০৮

নীল আকাশ বলেছেন: দেশের মানুষের ইসলাম সর্ম্পকে জ্ঞান এত কম যে দেখলেই অবাক হতে হয়। নিজেরা তো ধর্মীয় বই পড়বেই না আবার যাবে কিছু স্বল্পজ্ঞানের হুজুরদের কাছে যারা মিলাদ ওয়াজ ছাড়া কিছুই বুঝে না, নিজেরাই তাবিজ দিয়ে বেড়ায়।
কারো বাসায় মানুষ মারা গেলে বরং বতার আত্মীয়স্বজনদের কাহাবার দাবার নিয়ে যাওয়া উচিত। কারন ঐ সময়ে তাদের এতা এরেঞ্জ করা খুব কঠিন বিষয়।
ভালো একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। এই কুপ্রথা থেকে বের হয়ে আসার জন্য আগে সবাইকে ইসলামের উপর ভাল জ্ঞান থাকতে হবে।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৪৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: অনেকে এটাকে কুলখানির সাত্থে সাদৃশ্যপূর্ণ করে তুলেছেন। হ্যা, যদি কুলখানি অপচয় ও দরিদ্রদের দারিদ্র্যতা বাড়িয়ে দেওয়ার পর্যায় থাকে তবে অবশ্যই তাও অগ্রাহ্য পাওয়ার মতই।

সবাইকে ইসলামি জ্ঞানের সাথে বর্তমান সময়ের সমন্বয় করে চলা উচিত।

ধন্যবাদ জুনাইদ ভাই।

১১| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: এই পোষ্ট টার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:১৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আপনাকেও হাস্যোজ্বল ধন্যবাদ

১২| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৯

ওমেরা বলেছেন: এটাকে যদি ধর্মের অংশ মনে করে , করে তাহলে বিদআত হবে ।
কিন্ত কেউ যদি এমনিতেই মানুষকে খাওয়াও তাহলেও কি বিদআত হবে ?
যদিও আমাদের আত্বীয় স্বজনদের মাঝে এটা কখনো করতে দেখিনি, আমার আম্মুর মৃত্যুর পর আমরাও করিনি ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:১৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আপু, মানুষকে যে কেউ এমনিতে খাওয়াতে পারে, সেটা তার ব্যক্তিচ্ছা, তবেবে তা ধর্মে প্রভাব ফেলার মত হলে তা বেদ'আত হবে। এসব বিষিয় ভবিষ্যতে দারিদ্রদের আরো দারিদ্র করে তুলে, তারা এভাবেই নিঃশেষ হয়ে যায়। কেবলই সামর্থবানদের কারণে। অথচ সামর্থবানরা এটাকে পূন্যার্জনের মাধ্যম ভেবে সমাজকে ধ্বংস করে চলেছে।

১৩| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘এক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-কে প্রশ্ন করেন, ইসলামে কোন কাজটি শ্রেষ্ঠ? মহানবী (সা.) বলেন, ‘ইসলামে সবচেয়ে ভালো কাজ হচ্ছে ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো।’ (বুখারি, হাদিস : ১২; মুসলিম হাদিস : ৩৯)

ইসলামের দৃষ্টিতে ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে খাবার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ ব্যাপারে অত্যধিক গুরুত্ব ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, মানুষের কল্যাণসংশ্লিষ্ট যত কাজ আছে, তার মধ্যে সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম হচ্ছে দরিদ্র ও ক্ষুধার্তকে খাবার দান করা। (বুখারি, হাদিস : ১২)

পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন স্থানে মহান আল্লাহ ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে খাবার দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। বিভিন্নভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি তাকে দুটি পথ প্রদর্শন করেছি। অতঃপর সে ধর্মের ঘাঁটিতে প্রবেশ করেনি। আপনি জানেন, সে ঘাঁটি কী? তা হচ্ছে দাসমুক্তি অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে এতিম আত্মীয় অথবা ধুলি-ধুসরিত মিসকীনকে অন্নদান।’ (সুরা বালাদ, আয়াত : ১০-১৬)’। তাই ক্ষুধার্ত দরিদ্র ব্যক্তিকে খাবার দানের মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নির্দেশ পালনকারী বান্দা হিসেবে গণ্য হতে পারি।

আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ

ক্ষুধার্ত ব্যক্তিদের খাবার দানকারী ব্যক্তি মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভে ধন্য হবেন। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তারা বলে, কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে আমরা তোমাদের খাবার দান করি, তোমাদের নিকট এর কোনো প্রতিদান চাই না এবং কৃতজ্ঞতাও কামনা করি না।’ (সুরা দাহর, আয়াত : ৯)।

মহানবী (সা.) বলেন, ‘দয়াশীলদের ওপর দয়াময় আল্লাহ দয়া করে থাকেন। তোমরা জমিনবাসীদের ওপর দয়া করো, আসমানবাসী (আল্লাহ) তোমাদের ওপর দয়া করবেন।’। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯২৪; আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯৪১)

অন্য হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি অনুগ্রহ করে না, তার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ বর্ষিত হয় না।’ (বুখারি, হাদিস : ৭৩৭৬; মুসলিম, হাদিস : ২৩১৯)

রাসুল (সা.) আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সাহায্যে থাকবে, আল্লাহ তার সাহায্যে থাকবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের কষ্ট দূর করবে, আল্লাহ তাকে কেয়ামতের দিনে একটি বড় বিপদ দূর করে দেবেন।’ (বুখারি, হাদিস : ২৪৪২; মুসলিম, হাদিস : ২৫৮০)

ক্ষুধার্তকে খাবার দান করার মাধ্যমে মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করা হয়। এতে আমরা মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করতে পারি। আবার তাদের কষ্ট লাঘবের কারণে আল্লাহতায়ালা কিয়ামতের দিন বিভিন্ন কষ্ট লাঘব করে দেবেন।

আল্লাহর শুকরিয়া আদায়

ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় হয়। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমরা কি দিইনি তাকে দুটি চোখ? এবং জিহ্বা ও দুটি ঠোঁট? আর আমরা তাকে দেখিয়েছি দুটি পথ। কিন্তু সে তো ধর্মের ঘাঁটিতে প্রবেশ করেনি। তুমি কি জানো ঘাঁটি কী? তা হলো দাসমুক্তি। অথবা ক্ষুধার দিনে এতিম নিকটাত্মীয়কে অথবা ভূলুণ্ঠিত অভাবগ্রস্তকে খাবার দেওয়া।’ (সুরা বালাদ, আয়াত : ৮-১৬)

শোকরিয়া আদায় করলে সম্মান-মর্যাদা ও সম্পদ বৃদ্ধি পায়। আল্লাহ বলেন, ‘যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো, তাহলে আমি অবশ্যই তোমাদের বেশি বেশি করে দেব।’ (সুরা ইবরাহিম, আয়াত : ০৭)

রাসুল (সা.)-এর আনুগত্য

গরিব, অসহায় ও ক্ষুধার্তকে খাবারদানকারী রাসুল (সা.)-এর অনুগত্যকারী বলে গণ্য হবেন। রাসুল (সা.) ক্ষুধার্তকে খাবার দান করতে কঠোর নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা ভিক্ষুক (ক্ষুধার্তকে) কিছু না কিছু দাও, আগুনে পোড়া একটা খুর হলেও।’ (আহমাদ, হাদিস : ১৬৬৯৯; নাসাঈ, হাদিস : ২৫৬৫)

তিনি আরও বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সে ব্যক্তি পূর্ণ মুমিন নয়, যে নিজে পেট পুরে আহার করে। কিন্তু তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে।’ (বায়হাকি, হাদিস : ৩৩৮৯) তিনি আরও বলেন, ‘ক্ষুধার্তকে খাবার দান করো। তাহলে শান্তির সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৮৪)

বিশেষ সাহায্য লাভ

ক্ষুধার্তকে খাবার দান করে আল্লাহর বিশেষ সাহায্য লাভ করা যায়। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো গরিবের চলার পথ সহজ করে দেয়, দুনিয়া-আখিরাতে মহান আল্লাহ তার চলার পথ সহজ করে দেবেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ২৫৯৪; তিরমিজি, হাদিস : ১৭০২)

অবিরাম নামাজ-রোজা পালনকারীর মতো

আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) বলেছেন, মিসকিনদের জন্য চেষ্টা-সাধনাকারীদের সম্বন্ধে এ কথাও বলেছেন যে, ওই ব্যক্তি একাধারে নামাজ ও রোজা পালনকারীর মতো।’ (বুখারি, হাদিস : ৬০০৭; মুসলিম, হাদিস : ২৯৮২)

জান্নাতের অফুরন্ত নেয়ামত লাভ

মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই মুমিনরা আল্লাহর প্রতি তাদের ভালোবাসার খাতিরে ক্ষুধার্ত এতিম, মিসকিন ও কয়েদিদের খাবার দান করে। যার কারণে মহান আল্লাহ তাদের কিয়ামতের সেই ভয়াবহ দিনের অনিষ্ঠ থেকে রক্ষা করবেন। শুধু তাই নয়; বরং তাদের দান করবেন আনন্দ ও সজীবতা। তাদের ধৈর্যশীলতার জন্য দেবেন জান্নাতের রেশমি পোশাক। জান্নাতে তারা উচ্চ আসনে হেলান দিয়ে বসবে।’ (সুরা দাহার, আয়াত : ৮-২২)

আবার খেয়াল করুন রোজার কাফফারা কি?
শরিয়তি ওজরের কারণে যদি রোজা রাখতে না পারেন - কাফফারা হলো- ষাটজন মিসকিনকে দুই বেলা ভালোভাবে আহার করানো বা আপ্যায়ন করা। মানুষকে খাওয়ানোর মর্তবা অনুভব করতে পারছেন কি?

ভাইরে, একটা জিনিষ মাথায় আসলেই ‘ফায়সালা’ দিয়ে মতামত দেয়া ঠিক না।
ভালভাবে তথ্যানুসন্ধান করে উভয় মত উপস্থাপন করে একটা উপসংহারের আশা করাই জ্ঞানীর লক্ষন।

উপরে যে হাদীস এবং কোরআনের আয়াত আছে সবটাতেই ক্ষুধার্তকে আহার করানোতে পূণ্য আছে। ।এবং আরো বহুবিধ কল্যানও উপকারের কথা উল্লেখ আছে।
এখন যখনি কেউ মারা যান তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়, তখন তাঁর উত্তরািধকারেদর সবচে বেশি ভাবনা হয় মৃতের কল্যান এবং পূন্যের, যাতে করে তিনি ওপারে ভাল থাকেন। এবং যে যার সামর্থের মধ্যেই সে আয়োজন করে থাকেন।
আমার দীর্ঘ জীবনে বহু মৃত্যু দেখেছি, কোথাও দেখিনি চাপিয়ে দেয়া কোন মেজবানী বা কুলখানির আয়োজন।
আর মৃতের বাড়িতে চারদিন খাবার পৌঁছে দেযাতো অতি সাধারন মানবিক বোধোৎসারিত দায়। আর ইসলামের প্রতিবেশির হকের আওতাতেই তা মান্যতারও বটে।

এটা নির্ভর করে আপনার মৃতের প্রতি আপনার ভালবাসা বা দায় কতটুকু তার উপর।
আপনি ভোগবাদী বিশ্বাসেরর হলে তার জন্য এক টাকা খরচও বেহুদা মনে হবে। আর কল্যানকামী হলে নিজের সর্বস্ব উজার করে তাঁর শান্তি ও মুক্তি চাইবেন। বিষয়টা বিশ্বাসের।
আজীবন দেখে এসেছি এই ভালবাসা আর প্রেমের ইসলামকে। ইদানিং ওহাবী সউদ গং নতুন নতুন ফতোয়া নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে সর্বত্র। নবীজিকে সাধারন মানুষ ভাবা, বলা, কবর, হাশর, মিলাদ, দোয়া নিয়ে নানান নতুন নতুন বিদাতী বিভ্রান্তিকর মতবাদ চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। যার মাঝে এই কুলখানিও একটা।

আবার দেখুন সবচে অবাক হয়েছি - ঢাকায় আমার বাড়ীওয়ালার পরিণতি দেখে। বেচারা সারাজীবন খেয়ে না খেয়ে ৫ কাঠা জমি কিনেছিলেন। তাতে শেষ বয়সে এসে ৪ তলা বাড়ী বানালেও ভোগ করতে পারেন নি। কিছুদিনের মধ্যে মারা যান। এবং তারচে দূর্বাগ্য হলো তার জন্য কুলখানি দূরে থাক মসজিদের হুজুরকে ডেকে এনে তারা ৪ ভাই শুধু মিলাদ পড়েছে। কোটি টাকার সম্পদ রেখে গেলেও ভালবাসা রেখে যেতে পারে নি। তাই সব সম্পদ পড়ে রইল মরণের পড়ে দরিদ্রদের একবেলা বা দুবেলা খাবারের মাধ্যমে কল্যানের সুযোগটুকু থেকেও বঞ্চিত হলো। আর পরের বছর গুলোতে তো স্মরনই করে কিনা সন্দেহ।

জামাতী, তাবলিগী বা ওহাবীদের মাঝেই এ ধরনের অদ্ভুত কথা শুনি। হাজার বছর ধরে চলে আসা রসম রেওয়াজ বিধানকে তারা নতুন করে ভুল বলে বলতে চায়। অথচ এর গভীরে গিয়ে অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বোঝার ক্ষমতা নাই।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:১৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাই, আমি জ্ঞানহীনরে আপনি জামাতী, তাবলীগী, ওয়াহাবীদের দলে দিয়া দিলে তো তাদেরকে অপমান করা হবে। সর্বোপরি আমি এখানে কোথাও বলি নাই যে এতিম, অসহায় বা ক্ষুধার্থদের খাবার দেওন যাইবো না। ইসলামের স্পষ্টতম বিধানের উল্টো আমি কী এমন বলেছি সেটা তো বুঝবার পারছি না।

ভৃগু ভাই, আপনি যথেষ্ট জ্ঞানীগুণী মানুষ, আপনাকে বিশেষ ভাবে বললে নিজেকে হেয় করার মত হয়। কিন্তু আপনি কুলখানির স্বপক্ষে কোন হাদিস উল্লেখ করে নি। অথচ নবীজি (সা)র জীবদ্দশায় হাদিস মুখস্থ করে রাখার মত যথেষ্ট মেধাবী সাহাবী বর্তমান ছিলেন এবং এদের জীবদ্দশায়ও নবীজি (সা)র অনেক সাহাবী শহীদ/লোকান্তরিত হন। নবীজি (সা) এদের কুলখানির অনুষ্ঠান কীভাবে করেছিলেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত একটা হাদিস দিলে সকলেই উউপকৃত হতো।

ব্যস্ততার কারণে ব্লগে আসলেও সময় করে এখনো স্থির হতে পারছি না, আমার এই অনুপস্থিতিকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ভালো থাকবেন সবসময়।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:২১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভৃগু ভাই, ১৪ নং মন্তব্যকারী 'নতুন' ভাইকে একটা রিপ্লে দিয়েন। অনুরোধ থাকলো।
ধন্যবাদ।

১৪| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১২

নতুন বলেছেন: দেশে কুলখানির নামে এখন লোক দেখানোর প্রতিযোগিতা হয়।

কিন্তু যাদের সামর্থ নাই তাদের সমস্যায় পরতে হয়। কারন সমাজে প্রচলন হয়ে আছে এই সব না করলে মানসন্মান থাকেনা।

আর এখন সেই অর্থে ক্ষধার্থ মানুষ কমই আছে। আর বেশির ভাগ মানুষই তাদের দাওয়াত দেয় না। দাওয়াত দেয় আত্নিয়,বন্ধু,রাজনিতিক নেতা,প্রভাবসালী।

ভিক্ষুক শ্রেনী যারা আসলেই খেতে কস্ট করে তাদের টেবিলে বসিয়ে খেতে দেয় কয়জন?

তাই বর্তমানে লোক দেখানো খাবার দেওয়া হয়, আসল ক্ষুধার্তকে কতজন খাবার দেয়?

১৫| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বিদআত ই এখন ধর্মরক্ষা !

১৬| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অল্প কথায় ভালো লিখেছেন। কিন্তু এসব সামনে বলার সাহসী পাওয়া দুষ্কর।
শুভেচ্ছা নিয়েন প্রিয় তাজুল ভাই।

১৭| ০৩ রা নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৪

মরুর ধুলি বলেছেন: মৃত ব্যক্তির রুহের মাগফেরাতের উদ্দেশ্যে মরহুমের ওয়ারিশগণের কেউ যদি আত্নীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী কিংবা অসহায়-দুস্থদের আপ্যায়ন করার উদ্দেশ্যে মেজবান বা কুলখানির আয়োজন করেন তবে তা বিদয়াত নয় বরং সাওয়াবের কাজ। এটা জায়েজ কিন্তু ফরজ ওয়াজিব টাইপের ইবাদাত নয়। কেউ অনুষ্ঠান করতে চাইলে করবে না চাইলে করবে না। যার সামর্থ্য আছে সে করবে, যার নাই সে করবে না। কোন ব্যক্তির উচিত হবে না মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশগণকে এমন অনুষ্ঠান করতে বাধ্য করতে বা না করলে তাকে হেয় করে কথা বলতে। অনুষ্ঠান করতেই হবে এমন বিশ্বাস রাখা, অনুষ্ঠান করার জন্য প্রয়োজনে ঋণ কর্জ করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করার বিষয়ে কঠোর নিষেধ রয়েছে। এমনটি করা গুণাহের কাজ।

সমস্যাটা যেটা হয়েছে সেটা হলো, সমাজের কোথাও কোথাও মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশগণকে এমন অনুষ্ঠান করতে চাপ দেয়া হয় বা অনুষ্ঠান না করলে খাটো চোখে দেখা হয়। এটা উচিত নয়। মানুষ এমন আচরণ করে তখনই যখন ইলমে দ্বীন শিখে না বা দ্বীন সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করে না।
কোন অবস্থায় এমন অনুষ্ঠান বেদয়াত আবার কোন অবস্থায় করা যাবে, অনুষ্ঠান করার বিষয়ে আক্বিদা বিশ্বাস কেমন হবে তার বিস্তারিত না থাকায় আপনার লেখাটা অস্পূর্ণ হয়েছে। র্ধ্মীয় বিষয়ে লেখাগুলো অল্প কয়েক বাক্যে শেষ করা ঠিক না বরং ব্যাখ্যাসাপেক্ষ।

১৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:৩৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


এই নতুন বিদআতটি কি আমাদের জন্যে কোন পাপ বয়ে নিয়ে আসছে, ভাই?

নবীজী (সাঃ )-এর সময়ে অনেক কিছুই ছিলো না যা এখন প্রচলন হয়েছে।

তাই, এই নতুন বিদাআতটি একদমই নিষিদ্ধ নাকি মুবাহ কোন ব্যাপার।

অফটপিক প্রশ্নঃ ইমাম জাওযী (র)-এর 'রুহ' বইটি কি পড়েছেন?

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

১৯| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: যে বাড়ীতে কোন একজন ব্যক্তি ইন্তেকাল করেছেন, সে বাড়ীর প্রতিবেশিদের এবং আত্মীয়স্বজনদেরই বরং উচিত, দিন কয়েক তাদের বাড়ীতে খাদ্য সরবরাহ করে শোক সন্তপ্ত মানুষগুলোকে সহায়তা প্রদান করা। মৃতের পরিবারের সদস্যদেরকে ভুড়িভোজের আয়োজন করে আত্মীয়-স্বজনদেরকে খাওয়ানোর এই কু-প্রথার বিলোপ চাই, এবং এ প্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাই। এটা নিঃসন্দেহে একটি বিদা'ত।
"লোক দেখানো সামাজিকতাকে ধর্মীয় অনুশাসনে রুপান্তরিত করা একটা সামাজিক ব্যাধি" - চমৎকার এ মন্তব্যটুকুর জন্য ইফতেখার ভূইয়া কে ধন্যবাদ।
পোস্টে ভাল লাগা + +।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.