নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন

আমি মানুষের কথা বলি। মানবতার কথা বলি। স্বপ্ন দেখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। নিরাপদ একটি ভূখন্ডের।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাকে ভোট দিলেন? কেন দিলেন?

০৯ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৯



গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থাকবে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কেউ নির্বাচিত হবেন কেউ হবেন না এটাই স্বাভাবিক। যে যাই বলুক রাজনীতির নিয়ামক শক্তি জনগণই। তারাই সমর্থন দান করেন। আবার তারাই সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন। যার উপর ভিত্তি করে এক দল ক্ষমতায় আরোহণ করে। আরেক দল ব্যর্থ হন বা ক্ষমতার মসনদ থেকে বিদায় নেন।



কিন্তু কথা হল, জনগণ কেন ভোট দেন? ভোট দিতে হয় বলেই কি তারা ভোট দেন? না সত্যিই পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে চান বলে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। যদি নির্দিষ্ট কাউকে বা কোন দলকে ক্ষমতায় পাঠাতেই ভোট দিয়ে থাকেন তাহলে তো সে ভোট দানের পেছনে যথেষ্ট কারণও থাকতে হবে? সেই সাথে যাকে ভোট দিলেন না, তাকে ভোট না দেয়ার পেছনেও থাকতে হবে উপযুক্ত কারণ। কেননা এটা কোন ছেলে খেলা নয়। ভোট প্রদানের ক্ষমতা যেমন একজন নাগরিকের অধিকার ঠিক তেমনি দেশের উন্নয়নে সেই ভোট কতটা কাজে লাগল তা খেয়াল করাও তার দায়িত্ব।



কথাগুলো এ জন্যেই বলছি, যেহেতু এ দেশে সাধারণত মানুষ ব্যক্তিকে বিচার্য না করে, ব্যক্তির দোষ-গুন বিবেচনায় না এনে দলীয় আনুগত্যেই ভোট দেন। তারা ভোট দেন দলকে; ব্যক্তিকে নয়। এমনকি জীবিতকেও নয় মৃত নেতাকে। আরেকটু খোলাসা করে বললে বলতে হয়, তারা আওয়ামীলীগকে বা বিএনপিকে ভোট দেন না। ভোট দেন বঙ্গবন্ধু অথবা জিয়াউর রহমানকে। এমনকি দলের শীর্ষ নেতৃত্বে কে আছেন সেটাও বড় কথা নয়। কাল আজকের নেতৃ দ্বয়ের স্থলে যদি তাদের উত্তরসূরিদের স্থলাভিষিক্ত হতে দেখা যায় তাতেও এ দেশের জনগণের ভালবাসার কমতি হবে বলে মনে হয় না। এদেরকে এক কথায় একটি মোহ গ্রোস্থ জাতি বললে মনে হয় বাড়িয়ে বলা হবে না। আর এর ফলে এই বেকুব জনসাধারণের অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়ে যিনি নির্বাচিত হন তিনিও দলীয় প্রতিনিধি হিসেবে যতটাই মুখ্য হয়ে উঠেন ব্যক্তি হিসেবে হয়ে পড়েন ততটাই গৌণ। বিষয়টি খুব ভাল জানেন এবং বোঝেন বলেই নির্বাচিত হওয়ার পড়ে খুব স্বাভাবিক ভাবেই দলের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকেন। সাধারণের পক্ষে এসে দাঁড়ানোর কোন যৌক্তিক কাড়ন খুঁজে পান না। কেননা তিনি এও জানেন পরবর্তীতে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া বা নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা হিসেবেও বিবেচিত হবে তার দলীয় আনুগত্য, স্বীয় দায়িত্ব পালন বা ক্রিয়া-কর্ম নয়। অতএব জনসাধারণের জন্য আত্মোৎসর্গের কোন মানেই হয় না। জনগণ হল ছাগলের তিন নম্বর। ওগুলো এমনি এমনি লাফায়।



আমাদের একটি পুরনো অভ্যাস আছে, প্রিয় দল থেকে মনোনীত প্রার্থী যদি চরম অপ্রিয়ও হয় তবু তাকেই ভোট দিতে হবে। যেভাবেই হোক প্রিয় দলকে ক্ষমতায় পাঠিয়ে আমরা আত্মপ্রসাদ লাভ করি। এখানে কোন চাওয়া-পাওয়ার বালাই নেই। দায়িত্ব বোধের বিষয় নেই। এ যেন একটি খেলা। যেখানে প্রিয় দল জিতলেই শান্তি।

সবচেয়ে মজার বিষয় হল, আমাদের প্রধান দু দলের নেতৃবৃন্দ সর্বদাই গুণকীর্তনে মশগুল থাকেন সত্য কিন্তু কখনোই নিজেদের গুণকীর্তন করেন না। নেহায়েত প্রয়োজনে মাঝে মাঝে জনস্বার্থে(!) নেয়া তাদের কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরেন মাত্র। যদিও তার সাথে বাস্তবতার ফারাক যোজন যোজন।



তাদের প্রিয় প্রসঙ্গ চল্লিশ বছরের পুরনো ইতিহাস। ইতিহাস যে তাদের খুব প্রিয় বিষয় বা তারা যে ইতিহাস ঘাটতে পছন্দ করেন বিষয়টি তা নয়। এমনকি প্রয়াত নেতাকে সম্মান জানাতেই যে তারা একই ইতিহাসের পুনঃ পুনঃ প্রচারণা চালান তাও নয়। ইতিহাসের এই জাবর কাটার প্রধান এবং একমাত্র উদ্দেশ্য হল নিজেদের অন্যায় আর ব্যর্থতাকে চাপা দেয়ার চেষ্টা।



আমরা এমনই এক দুর্ভাগা জাতি যাদের একাধিক শীর্ষ নেতা থাকতেও তাদের সাফল্য বলতে কোন কিছু তাদের একনিষ্ঠ ভক্ত এবং অধস্তনরাও দেখাতে পারেন না। আর তাই আমাদের ভাল লাগাও বর্তমান নেতৃত্বকে আশ্রয় করে নয়, ইতিহাসকে আশ্রয় করেই আবর্তিত হয়।



একদা আমাদের একজন নেতা ছিলেন! আমরা তার গল্প শুনতে শুনতে বড় হয়েছি। এরপরে আমাদের সন্তান, তাদের সন্তানরাও বড় হবে। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় নতুন কোন নাম যুক্ত হবে না। তখন যদি কোন দেব শিশু জানতে চায় কেন তাদের মত হতে পারলে তোমরা? তখন কি আমরাও লজ্জিত হব? মোটেই না! আমাদের নেতারা লজ্জাকেও হজম করে ফেলতে শিখিয়েছেন আমাদের।



পছন্দের দল যেমন থাকবে তেমনি পছন্দের কারণও তো থাকতে হবে? আমি যাকে পছন্দ করে ভোট দিয়েছি তারা যখন ক্ষমতায় গিয়ে তাদের দেয়া কথা রাখেনি। উল্টো হত্যা, সন্ত্রাস, লুটপাট আর দুর্নীতির রাম রাজত্ব কায়েম করল। এরপরেও আমাকে সেই দলকেই কেন সমর্থন দিতে হবে? বিরোধী শিবিরকে অপছন্দ করি বলে? যদি দুটি দলের কোনটিকেই পছন্দ না হয় তাহলে বিকল্প প্রার্থীকেও তো ভোট দিতে পারি। যদি তাকেও পছন্দ না হয়। না হয় না ভোটটিই দেই। তবু তো জেনে শুনে একটি অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেয়ার মত আত্মতৃপ্তি লাভ করতে পারি। আত্মতৃপ্তি লাভের সাথে আত্মসম্মানের একটি যোগসূত্র রয়েছে। সেই বোধটুকুর ঘাটতিই বড় বেশি অনুভূত হচ্ছে আজ।



আমাদের দেশে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে আদর্শগত কোন পার্থক্য নেই। পার্থক্য যে টুকু তা বুলিতে। তথাপিও এ দুটি দলের মধ্যেও কিছু নেতা আছেন যারা গতানুগতিকের বাইরে কিছুটা হলেও নিজেদের আদর্শকে সমুন্নত রেখে চলার চেষ্টা করেন। সুযোগ থাকা স্বত্বেও দুর্নীতির পঙ্কিল পথ এড়িয়ে চলেন। দল তাদের অসম্মান করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সত্য বলার জন্য আদর্শচ্যুত না হওয়ার অপরাধে যখন আমরাই তাদেরকে দলীয় বিবেচনায় ভোট দানে বিরত থাকি, তাকে অসম্মান করি, অচ্ছুত করে রাখি। তখন সে লজ্জা গোটা জাতিরই। আর আমাদের এই লজ্জাজনক কর্মকাণ্ডের ফলেই কোন দলে মেরুদণ্ড সোজা করে সত্য বলার লোকটিকে আজ পাওয়া যায় না। যে কারণে দলগুলোতে আভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চাও হয়ে ওঠে না।



আমরা আদর্শ নেতা কি করে পাব? যে জনগণের জোরে একজন নেতা সত্যিটা বলবেন, মিথ্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন। সেই জনগণই তো তাকে সমর্থন দিচ্ছে না।



এ দেশে জাতিয় নির্বাচনে আরেকটি বিষয় প্রধান হয়ে উঠেছে। আর তা হল ক্ষমতার পালা বদল হতেই হবে। শাসক দলকে কিছুতেই পুনরায় ক্ষমতায় পাঠানো চলবে না। তাতে তারা কি কাজ করল বা না করল তা বিবেচ্য নয়। ক্ষমতার পালা বদল হতে হবে এটাই শেষ কথা। যেহেতু ক্ষমতায় আরোহণের মত এ দেশে দলই দুটি। কাজেই এদের মধ্যেই পালা বদল হতে হবে। কাজ করার কি দরকার?



এই না মরদের দেশে তারাই একমাত্র মরদ! নয়ত সব কি আর এমন পদলেহনে ব্যস্ত থাকে?



আর এই না মরদ তৈরি করে করে বাংলাদেশ নামক একটি খোয়ার ভরতেই তারা ছাত্রদের বানান সন্ত্রাসী, দুর্নীতির পাগলা ঘোরাকে করে তোলেন আরও বেগবান, অনবরত পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের। এমনকি জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দিতেও বাধে না এতটুকু। ধর্মীয় উন্মাদনা ছড়িয়ে সৃষ্টি করেন নারকীয় পরিবেশ। উদ্দেশ্য একটাই, আজ্ঞাবহ করে রাখা।



নব্বই এর পরে গণতন্ত্রের আলোক ধারায় আমরা এমনই আলোকিত হলাম(!)

যে দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন,

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সাংসদ নির্বাচন নেই,

ছাত্র নেতা নেই আছে টেন্ডার বাজ-সন্ত্রাসী।

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে সৃষ্টি হয় এক একটি ২১ আগস্ট,

জন্ম হয় জজ মিয়া আর লিমনদের। প্রতিকার হীন এই দুর্বিত্তায়নের মাঝেই পার হয় দিন। অতিক্রান্ত হয় স্বেচ্ছাচারিতার নির্ধারিত সময়। নতুন সময় আসে নিয়ে নতুন সর্বনাশ।



প্রতি পাঁচ বছরের ব্যবধানে আমাদের নেতাদের হাত থেকে মুছে যায় রক্তের দাগ, দুর্নীতির গন্ধ মিলিয়ে যায় হাওয়ায়, ধর্ষিতাও বুঝি ভুলে যায় শোক তাপ। নয়ত কি করে সেই শয়তানকেই করে মাল্যদান! কি করে নরকের নিকৃষ্ট কীটটিই হয়ে ওঠে দেব শিশু? হায়রে আমার রাজনীতি সচেতন(!) জনগণ।

বঙ্গবন্ধু যে একটি অযোগ্য জাতীকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। এরপরেও সে বিষয়ে কোন দ্বন্দ্ব থাকতে পারে?



যারা অহর্নীষ রাজনীতিবিদদের ত্রুটি খুঁজে বেড়ান আমি তাদের বলি, তারা যদি ত্রুটিপূর্ণ হয়েও থাকেন তাও আপনাদেরই দোষে। সে দায়টিও নিতান্তই আপনাদের। একজন নেতা একটি পুতি গন্দময় নর্দমাকে তিলোত্তমা করে তুললেও আপনারা বিনা অজুহাতেই তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। আর যাকে জয়মাল্য পড়ালেন তার কাছে মিনতি করেন তিনি যেন পরাজিত প্রার্থীর পথ অনুসরণ করেই এগিয়ে যান!



এমন অভাগা জাতি একটিও কি আছে পৃথিবীতে? যারা নিজের দেয়া সমর্থনের পেছনে কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যাই দাড় করাতে পারেনা!



আপনার সন্তানকে বিনামূল্যে টিকা খাওয়ান বলে বলে প্রতিবছর যে রাষ্ট্র যন্ত্রকে হয়রান হতে হয়। তবু যে দেশে সব শিশু বিনামূল্যে দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার পরেও টিকা পায় না। যে দেশে হাত জোড় করে বলতে হয় গাছ লাগান-পরিবেশ বাঁচান, দয়া করে আইন মেনে রাস্তা পার হন নয়ত বেঘোরে মারা পড়বেন। সে দেশের জনগণ ভোট দিয়ে সঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচিত করতে সক্ষম হবেন। এ তত্ত্ব রাষ্ট্র বিজ্ঞানীর মগজে ঢুকতে পারে। আমার মত মাথা মোটা মানুষের কাছে মনে হয়, এ অসুস্থ মস্তিষ্ক প্রসূত প্রলাপ বৈ আর কিছু নয়।



এক কাপ চায়ে যারা বিক্রি হয়ে যান। যারা পাঁচ বছর অপেক্ষা করেন এক সপ্তাহ ফ্রি চা-পান-বিড়ির আশায়, যারা এক ওয়াক্ত নামাজ পড়ে না-এক আয়াত কোরআনের তাফসির পড়েনা অথচ কথিত ইসলাম অবমাননার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করে তাদের কাছে আশা করেন সঠিক সমর্থন?



এই মুহূর্তে আমাদের দেশে এমন বেশ কজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আছেন যারা শিক্ষা-সততায়, নীতি-নৈতিকতায়, জ্ঞানে-প্রজ্ঞায় নিজেদের এমন একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে তার ধারে কাছেও খুব একটা কাউকে দেখা যায় না। অথচ এরাই যখন কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন তখন তাদের জামানত পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত হয়। এই একটি বিষয়ই কি আমাদের সমর্থন দানের যোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট নয়?



আমাদের এই রাজনীতি সচেতন(!) মানুষগুলোকে কেন, অসৎ লোককে ভোট দিবেন না বলে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করা হয়না তা এক মহান সৃষ্টিকর্তাই ভাল জানেন। যে মানুষ তার প্রিয় সন্তানটির ভাল মন্দই বুঝতে অক্ষম। যারা ব্যাংকে টাকা গচ্ছিত না রেখে ব্যাংকের দ্বিগুণ লাভের আশায় যেখানে সেখানে টাকা গচ্ছিত রেখে পরে সব খুইয়ে মাথা চাপড়ায়। আবার কদিন পরে সব শোক ভুলে পুনরায় একই ভুল করে ভাগ্যকে অভিশাপ দেয়। তারাই যে ভোটের সময় কতটা সচেতন হয়ে উঠতে পারে তা গ্রাম্য হাটের বা মফস্বলের ফুটপাতে বসা চায়ের দোকানের আড্ডাতেই স্পষ্ট হয়ে উঠে।



যে বখাটের ভয়ে মেয়েকে স্কুলে পাঠানো বন্ধ করতে হয় সেই বখাটেই যখন প্রিয় দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইতে দুয়ারে এসে দাঁড়ায় তখনো ঘৃণায় কুঞ্চিত হয় না বাবার মুখ। এই না অন্ধ ভক্তের নমুনা! ধিক শতধিক আপনাকে। আপনার মেয়ে কি করে আপনাকে বাবা বলে ডাকে, বলুন তো?



আপনার ভোট আপনি দিবেন কিন্তু যাকে খুশি তাকে নয়। যাকে ভোট দিলে দেশ উপকৃত হবে অন্তত ক্ষতির স্বীকার না হয় আসুন তাকেই সমর্থন করি। নয়ত আমানতের খেয়ানত করা হবে। বেঈমানি করা হবে দেশ মাতৃকার সাথে। যতক্ষণ বিচারকের আসনে বসি ততক্ষণ অন্তত নিজেকে আত্মসম্মান বোধে বলিয়ান একজন মানুষ হিসেবে ভাবতে শিখি।



[email protected]

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:০৮

এন ইউ এমিল বলেছেন: পোষ্ট পড়িনাই, তারপরও হেড লাইনের প্রশ্নের উত্তর দিতে ইচ্ছা হইলো

১. কাকে ভোট দিলেন?
- পকেটে যে সবচেয়ে বড় নোটটা গুজে দিয়েছে তাকেই দিয়েছি.
২. কেন দিয়েছেন?
- টাকা দিয়েছে তাই দিয়েছি.

উত্তরের জন্য নাম্বার পামু?

০৯ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৫৪

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন বলেছেন: সত্য বলার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

২| ০৯ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:০৫

আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন: আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে

ব্লগারদের কতজন ভোটার?

ভোটারদের কতজন ব্লগারদের লেখা পড়ে?

ভোটারদের কতজন ব্লগারদের লেখা পাত্তা দেয়?

ভোটারদের কতজন ব্লগারদের লেখা পড়ে মনে মনে ছাগু বলে?

০৯ ই জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:৫২

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন বলেছেন: এই প্রশ্নগুলির উত্তরের মাঝেই নিহিত এই নিবন্ধের মর্ম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.