নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন

আমি মানুষের কথা বলি। মানবতার কথা বলি। স্বপ্ন দেখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। নিরাপদ একটি ভূখন্ডের।

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারতীয় সিরিয়াল যেন শয়তানের ভাগাড়

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:১১



একটা মানুষ কি পরিমাণ শয়তানী বুদ্ধি রাখতে পারে। অথবা মানুষ কিভাবে নিরন্তর অন্যের ক্ষতি সাধন করতে পারে সেটা যদি শিখতে চান তাহলে আপনাকে কালা যাদু, টোটকা ইত্যাদি শিখতে কামরুক কামাখ্যায় যেতে হবে না। ইন্ডিয়ান সিরিয়ালগুলি দেখতে বসে যান।
এই সিরিয়ালগুলির লেখক নির্মাতারা যে বিশ্বের সবথেকে শয়তানী বুদ্ধি ধারী সেটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। এক কথায় ইতিবাচক কোন কিছুই তাঁরা ভাবতে পারে না। অন্তত সিরিয়ালগুলি দেখে তাই মনে হয়।
এখানে একটা প্রশ্ন আছে কেন তাঁরা দিনের পর দিন একের পর এক এমন সিরিয়াল বানাচ্ছে? তাঁর উত্তরে তাঁরা হামেশাই বলেন মানুষ এগুলিই পছন্দ করে।
হ্যাঁ করে তো। করে বলেই তো অদ্ভুত সব পারিবারিক শয়তানী নির্ভর সিরিয়াল দেখিয়ে এ দেশের দর্শকদের পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন। মানুষের মধ্যের যে অমানুষটা ঘাপটি মেরে থাকে ঐ সিরিয়ালগুলির নির্মাতারা সেই অমানুষটাকেই প্রাধান্য দেন তার পছন্দের গল্পেরই নাট্যরূপ দেন। শয়তান চেনে শয়তান, শুয়োর চেনে কচু! কাজেই তাঁরা সফল হবেন এটাই স্বাভাবিক।
যারা রোজ এ গুলি দেখছেন? দেখছেন বললেও ভুল হবে, বলতে হবে গোগ্রাসে গিলছেন। দিনদিন তারা নেশাগ্রস্থ হয়ে পরছেন। একেকটা অশান্তির ডিপো হয়ে উঠছেন।
ইবলিস কিছুই করতে পারত না যদি মানুষের মধ্যে কু-প্রবৃত্তিগুলি না থাকত। ইবলিস তো কেবল মানুষের মধ্যের কুপ্রবৃত্তিগুলীকেই উস্কে দেয়। ইবলিশের সেই মহান(!) দায়িত্বটি কাঁধে তুলে নিয়েছে স্টার জলসা, জি বাংলা, স্টার প্লাস সহ অন্যান্য ভারতীয় চ্যানেল। আর তাদের হয়ে বাকি কাজটা সম্পাদন করছেন এ দেশের কেবল অপারেটর গন।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:০৭

মৌরি হক দোলা বলেছেন: ভারতীয় সিরিয়ালের মোটো-

জীবন মানেই বিয়ে,
বিয়ে ছাড়া কিছু নাই,
একাধিক বিবাহ করো,
এরে ছাড়ো ওরে ধরো,
অমুকের বউ তমুকের জামাই নিয়ে ভাগো। 8-| 8-|

অসুস্থ বিনোদন।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০৪

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন বলেছেন: অসুস্থ বিনোদন।

২| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:২০

ফুয়াদের বাপ বলেছেন: যথার্থ বলেছেন।
অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। আর এই বিশাল অসল মস্তিষ্ককে ঘিরে রমরমা ব্যাবসা করে যাচ্ছে কথিত বিনোদন চ্যানেলগুলো। সিরিয়ালগুলো এমন ভাবে সাজানো হয় যে দর্শক পরবর্তীতে কী হবে তা দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকে। সিরিয়ালের সাথে মিল রেখে সাজগুঁজ/কথার ধরন/পারিবারিক স্টেটাস মেইনটেইন করতে চান অনেক আসক্ত দর্শক আর তাতে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হয়ে থাকে।অনেক পরিবার বিচ্ছিন্ন হবার পেছনে পরোক্ষভাবে এই চ্যানেলগুলোর বস্তাপঁচা সিরিয়ালগুলোকে দায়ী করেন অনেকে।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০৭

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন বলেছেন: অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। আর এই বিশাল অসল মস্তিষ্ককে ঘিরে রমরমা ব্যাবসা করে যাচ্ছে কথিত বিনোদন চ্যানেলগুলো।

৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:৫৮

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: এসব শয়তানী শিখিয়ে আসলে কিছুই হবে না।
যে যেখানে পড়ে থাকবার সেখানেই থাকবে। বউ থাকবে পায়ের তলে কখনও কখনও শ্বাশুড়িও হবে নির্যাতিত।

শুধু মানুষ যা পারেনা তাই ঐ সিরিয়ালগুলোতে দেখে আহা আমিও যদি ওমন শিক্ষা দিতে পারতাম তো ঠিক হত এই ভেবে শান্তি পায় দিনের পর দিন ঝুঁকে পড়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে ওঠে।

এসব হলো না পারারা দলের অসহায়দের সিরিয়াল।

এইগুলি দেখে সেই শয়তানী করতে গেলে বাড়ি ছাড়া হতে হবে তা তারা ভালোই জানে।

শুধু মনে মনে ফকিরের সাধ ........

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০৮

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন বলেছেন: শেখে তো না প্রভাবিত হয় যা আচরনে প্রভাব ফেলে আর যথারীতি অশান্তি!

৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:১৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অসহ্য লাগে এখন
আগে কিছুদিন দেখতাম
একই কাহিনী ঘুরেফিরে

৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি দেখেন?

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:০৫

মোঃ গালিব মেহেদী খাঁন বলেছেন: নজরে আসা আর দেখা সম্ভবত এক নয়।

৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ৯:২১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: কথা সত্য মনে হয় ,পেপার পড়ি। তবে দেখি না

৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: এই ধরনের টিভি সিরিয়াল যারা দেখে তাঁরা নির্বোধ।

৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ৮:৪৫

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: বেশি দেখে বাংলাদেশের মানুষ।

৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৩৯

বিটপি বলেছেন: বুঝা গেল বাংলাদেশের মানুষ চরম পর্যায়ের অলস। এদের নিয়ে বড় কোন স্বপ্ন দেখাও পাপ।

১০| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ১০:৪৭

পুকু বলেছেন: যারা দেখে তাদের কাছে হয়তো অন্যকোনো বিকল্প নেই তাই এই অখাদ্য পড়ুন গোখাদ্য খায়।শিক্ষিত অশিক্ষিত সবাই।তা আমি বলি এক কাজ করুন না কেন বাড়িতে ওয়েব সিরিজ দেখার বন্দোবস্ত করুন।হারে রে রে করে উঠলেন তো নিশ্চই। একটা কথা মনে রাখবেন সিরিয়াল আপনি বানান বা আমি বানাই তা দেশের আইন কানুন মেনে বানাতে হবে এবং শেষ কথা হলো প্রফিট।যারা সিরিয়াল বানায় তাদের একমাত্র লক্ষ্য প্রফিট কোন দেশসেবা নয়।আজকের দিনে কম্পিটিশনের বাজারে কেবল মাত্র একটি কাজই হতে পারে হয় দেশসেবা নয়তো লাভজনক ব্যবসা।আর যদি আমার সাথে একমত না হন তবে নতুন কিছু করুন না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.