![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রত্যেকটা মানুষের জীবনের গল্প তার আঙ্গুলের ছাপের মতই ভিন্ন। দূর থেকে এক মনে হলেও যতই তার গভীরে যাবে কেউ ততই বৈচিত্রময় বিভিন্নতা পাবে। নিজের জীবনের গল্পে চরে বেড়ানো মানুষগুলো সবাই’ই যার যার জগতে বন্ধী। সহস্র বছর বাঁচতে পারলে পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষের জীবনের গল্প আমি শুনতাম।নিজের দেখা জগৎ দেখা আদেখা মানুষদের জগতের সাথে গেঁথে নিতেই লিখি এবং আন্যের লিখা পড়ি। কেউ যদি মিথ্যুক বা ভন্ড না হয় তাহলে তার যে কোন ভিন্ন মতের কারন তার চার পাশের ভিন্ন জগৎ, ভিন্ন পরিবেশ, ভিন্ন শিক্ষা। তাই মানুষকে বুজতে হলে তার জগৎটাকে জানতে হবে, তার গল্পগুলো শুনতে হবে।আফনান আব্দুল্লাহ্
"মা গর্ভে আর বাবা মস্তিষ্কে ধারণ করেন সেই সন্তান" এই বহুল প্রচারিত বাণী পুরোপুরি ঠিক না। বাচ্চাকাচ্চার যে সব বিষয় বাবা চিন্তা করেন, যেমন খরচাপাতি, তার পড়াশোনা, ক্যারিয়ার, নিরাপত্তা সবই মাও চিন্তা করতে পারেন এবং করেন। সাথে গর্ভধারণের কাজটা তিনি এডিশানালি করেন।
.
মায়েরাও যে মস্তিষ্কে সন্তান ধারণ করেন এটা উহ্য থাকার কারণ বাবাদের তুলনায় মায়েদের বেশিরভাগ সময়েই কম শিক্ষিত হওয়া। অফিস বা পেশাগত জীবনে জড়িত না থাকা, বাইরের সামাজিক দর কষাকষিতে তাদের সুযোগ কম থাকা ইত্যাদি। এখনকার তথ্য বিস্ফোরনের যুগে এসব আর বাধা না। মায়েরাও জানে কোন স্কুল ভালো, আর কোন প্রফেশানে ভবিষ্যৎ আছে।
.
বাবা, মা আর সন্তানের জন্যে বড় সাপোর্ট। কিন্তু মা একাই একটা কম্বো প্যাকেজ হতে পারেন।
.
#Afnan_Abdullah
২১ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:০৫
আফনান আব্দুল্লাহ্ বলেছেন: ধন্যবাদ।
২| ২২ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বাবাদের ধারন করার সুযোগ কম দেখা যাচ্ছে।
২৪ শে জুন, ২০২০ সকাল ১০:৫৪
আফনান আব্দুল্লাহ্ বলেছেন: হা হা হা। যাই করুক বাবারা সেটা মায়েদের সাথে কোন তুলনা হবে না। দুজন যার যার জায়গায় অনন্য।
৩| ২৪ শে জুন, ২০২০ সকাল ১১:১৬
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা উদ্ধৃত করলামঃ ১) আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করল, ‘হে আল্লাহর রাসুল! কে আমার উত্তম আচরণ পাওয়ার বেশি হকদার?’ তিনি বললেন ‘তোমার মা’; সে বলল, ‘তারপর কে?’ তিনি বললেন, ‘তোমার মা’; সে আবারও বলল, ‘তারপর কে?’ তিনি বললেন, ‘তোমার মা’। সে পুনরায় বলল, ‘এরপর কে?’ তিনি বললেন, ‘তোমার পিতা’। (বুখারি শরিফ ও মুসলিম শরিফ)। ২) প্রিয় নবী (সা.) আরও এরশাদ করেন, ‘জান্নাত মায়ের পদতলে’। (মুসলিম) ৩) হজরত ঈসা (আ.) বলেন, ‘আর আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আমি যেন আমার মায়ের প্রতি সদ্ব্যবহার করি (অনুগত ও বাধ্য থাকি); আমাকে করা হয়নি উদ্ধত অবাধ্য ও দুর্ভাগা হতভাগ্য।’ (সুরা-১৯ মারিয়াম, আয়াত: ৩০-৩২)। ৪) একবার ওয়াইস করনি (রা.) প্রিয় নবীজির কাছে এই মর্মে খবর পাঠালেন, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা.), আপনার সঙ্গে আমার দেখা করতে মন চায়; কিন্তু আমার মা অসুস্থ। এখন আমি কী করতে পারি?’ নবীজি (সা.) উত্তর পাঠালেন, ‘আমার কাছে আসতে হবে না। আমার সাক্ষাতের চেয়ে তোমার মায়ের খেদমত করা বেশি জরুরি ও বেশি ফজিলতের কাজ।’
ইসলামে বাবাদের সম্পর্কেও বলা হয়েছে। আপনি যেহেতু পোস্টে মাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন তাই মায়েদের নিয়ে বললাম।
২৪ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
আফনান আব্দুল্লাহ্ বলেছেন: বাবাদেরটাও বলে দিন। এক সাথে থাকুক।
৪| ২৪ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:২৯
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বাবাদের মর্যাদা যেভাবে ইসলামে বলা আছেঃ
১। ইসলাম জন্ম পরিচয়ের সূত্র প্রকাশের সময় আপন পিতা ছাড়া অন্যের দিকে নিজের পরিচয়কে সম্পর্কযুক্ত করতে কঠিনভাবে নিষেধ করেছে। এমনকি ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়,ভক্তি-শ্রদ্ধা, সম্মান প্রদর্শনসহ অন্য যে কোনো কারণ দেখিয়েই হোক না কেন,জন্মদাতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে ডাকতে বা পরিচয় দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
২। দোয়া কবুলের কিছু বিশেষ সময় ও সুযোগ আলাহ দিয়েছেন তার মধ্যে একটা হোল সন্তানের জন্য পিতার দোয়া। তার মানে এটা নয় যে মায়ের দোয়া কবুল হবে না। বরং বলার উদ্দেশ্য হোল পিতার দোয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহ্ কবুলের কথা বিশেষভাবে বলেছেন।
৩। অন্যদিকে পরিবারের ভরণ-পোষণ খরচ বহনের বিষয়টিও জাগতিক বিষয় মনে হলেও এটি একটি মহান দ্বীনি দায়িত্ব ও কর্তব্য। এর বিনিময়ে আল্লাহ আখেরাতে পুরস্কৃত করবেন। একটি হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কোনো ব্যক্তি তার পরিবারে যে খরচ করে তা-ও সদকাস্বরূপ, অর্থাৎ এতেও সে সদকার সওয়াব পাবে।’ (বুখারি : হাদিস নং: ৪০০৬) উল্লেখ্য, সদকা অর্থ দান ও বদান্যতা; যার বিনিময়ে আল্লাহ আখেরাতে পুরস্কৃত করবেন।
ইসলামের এই অব্স্থান থেকেই বুঝে আছে, বাবার প্রতি ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৮
আফনান আব্দুল্লাহ্ বলেছেন: ধন্যাবাদ। অনেক ধন্যবাদ।
৫| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৪
নতুন বলেছেন: মা ক্লোনিং পদ্বতীতে নিজের শরীরের কোষ থেকে ক্লোন গর্ভে ধারন করে জন্ম দিয়ে নিজে আয় করে সন্তান বড় করতে পারেন।
বাবা পারেন না।
নারীরাই পৃথিবিতে মানুষ জাতীকে জন্ম দিয়ে যাচ্ছে। নারীরা আসল পুরুষ থেকে অনেক বেশি ক্ষমতাবান।
প্রকৃতিতে পুরুষ প্রানীই বেশি সুন্দর তারা নারীর মন জয় করতে চেস্টা করে।
মানুষেরাই নারীদের পেশি শক্তির বলে কাবু করে অধিপত্তবিস্তার করে। নারীদের ব্যবহার করে।
যদি আগামী কাল থেকে নারীরা পুরুষের সম্পর্ক না রাখে তবে শত বছর পরে পৃথিবিতে পুরুষ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কিন্তু বর্তমানের ক্লনিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারী তাদের গর্ভে কন্যা শিশু জন্ম দিয়ে নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৫৪
রাজীব নুর বলেছেন: সহমত।