নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লেখালেখি

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (পর্ব-২)

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০১



আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (পর্ব-১)
তোমারে কহিব লজ্জাকাহিনী, লজ্জা নাহিকো তায়-
তোমার আভায় মলিন লজ্জা পলকে মিলায়ে যায়।

পরদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে আমি একা একা দাদার বাড়ির চারপাশটা দেখতে বেরোলাম। লোকে বলে সরকার বাড়ি মধুপুর গ্রামের সবচেয়ে বড় বাড়ি। কথাটা ভুল মনে হলো না। বাড়ির সম্মুখে চারচালা বিশাল বৈঠকঘর। পাশে টিনের চালা আর বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা টিউবওয়েল। প্রতিবেশি প্রায় সবাই এই টিউবওয়েল থেকে খাবার পানি নেয়। বৈঠকঘরের সামনে পায়ে হাঁটা রাস্তার দক্ষিণ দিকে লিচু গাছের নিচে একটা বড় সড় পুকুর। এটি ছাড়াও গ্রামের উত্তর পাড়ায় দাদাজানের আরো একটি পুকুর আছে, যার নাম পদ্মপুকুর। এই পুকুরের টলটলে স্বচ্ছ পানির কথা আমরা মায়ের কাছে বহুবার শুনেছি। বাড়ির পশ্চিম দিকে লম্বা টানা গোয়ালঘর। হাল টানা তিন জোড়া বলদ, ষাঁড়, দুধেল গাই, বকনা বাছুর ছাড়াও দুটো মোষ রয়েছে সেখানে। পাশে বিরাট বিরাট আউড়ের পালা। বাড়ির পূর্বদিকে কলার বাগান এবং লাউ কুমড়ার জাংলা পার হয়ে সামান্য হেঁটে গেলে উঁচু ভিটার ওপর সারি সারি অনেকগুলো পানের বরজ। বাড়ির উত্তর দিকেও দাদাজানের পানের বরজ। লোকে বলে মধুপুরের লোক পান বেঁচে ধান কেনে। পানের পাতায় পাতায় টাকা। এ অঞ্চলে যার যত পানের বরজ, সে তত ধনী। মাটির গুনে এই এলাকায় পানের আবাদ খুব ভালো হয়।

দাদাজানকে অবশ্য পান বেঁচে ধান কিনতে হয়না। তাঁর আলাদা ধানী জমি রয়েছে। সেই জমিতে যে ধান হয়, তাতে কামলা কিষাণ চাকর বাকর নিয়ে সরকার বাড়ির সদস্যদের সারা বছর চলে যায়। এই গাঁয়ে দাদাজানের অনেকগুলো পানের বরজ। সেসব বরজের পান বিক্রির উপযুক্ত হলে কামলারা পান ভেঙ্গে এনে বাড়ির বিশাল বৈঠকখানায় স্তূপ করে। তারপর তারা দক্ষ হাতে পান গুছিয়ে টুকরি বোঝাই করে সেগুলো মাথায় নিয়ে চাচাদের সাথে হাটে চলে যায়। এভাবে সপ্তাহে তিনদিন তিন হাটে পান বিক্রি করা হয়।

আমি ঘুরে ফিরে এসব দেখে এসে বাড়ির বাইরে একটা বাঁশের বেঞ্চে বসে ভাবছি, দাদাজানই কী এই গ্রামে সবচেয়ে ধনী লোক? হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। এই গ্রামে দবিরউদ্দিন পরামানিক নামে আরো একজন বিত্তশালী গৃহস্থের কথা আমরা শুনেছি। তবে গ্রামের অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র। বিষয় সম্পত্তির দিক থেকে এ গাঁয়ে দাদাজানের অবস্থান সম্পর্কে আমরা বাবা মার কাছ থেকে কোনদিন কিছু শুনিনি। গ্রাম সম্পর্কে আগ্রহ না থাকায় আমরা ভাই বোনরাও শুনতে চাইনি কখনো। তবে এবার গ্রামে আসার পর এই অল্প সময়ের মধ্যে অন্তত এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে মধুপুরে সরকার বাড়ির একটা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান আছে।

‘কী দেখছেন মেজভাই?’
পেছন ফিরে দেখি, আলেয়া কয়লার গুঁড়ো দিয়ে দাঁত মাজছে। আমি বললাম, ‘ছিঃ, তোকে কী জঘন্য দেখাচ্ছে! যা ভাগ, তাড়াতাড়ি মুখ ধুয়ে এসে তারপর আমার সাথে কথা বলবি।’
আলেয়া ছুটে পালিয়ে গেল। তবে কিছুক্ষণ পরে আবার ফিরে এল সে। এবার ওকে দেখে আমি অবাক। হাতমুখ ধুয়ে চোখে কাজল পরেছে। লালচে ফর্সা গালে হাল্কা পাউডারের প্রলেপ মেয়েটাকে যেন দুধে আলতায় রাঙিয়ে দিয়েছে। সুগন্ধী তেল মেখে আঁচড়ানো পুরু গোছার কালো কুচকুচে চুল পায়ের হাঁটু পর্যন্ত ছড়ানো। এই এতটুকু মেয়ের এত চুল! আমি হতবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম ওর দিকে। মায়ের কাছে শুনেছি আলেয়ার মায়েরও নাকি এমন চুল ছিল। নতুন বিয়ে হয়ে আসার পর গাঁয়ের বউ ঝি’রা নাকি বড় চাচীমার চুল দেখার জন্য সরকার বাড়িতে এসে ভিড় জমাতো।
আমি চোখের পলক না ফেলে ওকে দেখছি দেখে লজ্জা পেল আলেয়া। মাথা নিচু করে বললো, ‘আপনাকে নাস্তা খেতে ডাকছে।’

বাড়ির ভেতরে এসে দেখি আমি ছাড়া আর সবার নাস্তা খাওয়া হয়ে গেছে। বড় চাচীমা তাঁর ঘরে মাদুর বিছিয়ে আমাকে খেতে দিয়ে সামনে বসে নিঃশব্দে কাঁদতে লাগলেন। আলেয়া পাশে বসে হাতপাখা দিয়ে আমাকে বাতাস করছিল। আমার জিজ্ঞাসু দৃষ্টি দেখে সে বললো, ‘মা আপনার জন্যে কাঁদছে।’
আমি বললাম, ‘কেন, আমার কী হয়েছে?’
বড় চাচীমা মুখে আঁচল চাপা দিয়ে উঠে চলে গেলেন। আলেয়া বললো, ‘না, আপনার কিছু হয়নি। আপনার জন্মের পর বড়মা খুব অসুস্থ ছিলেন। সেই সময় মা আপনাকে তিন মাস কোলে পিঠে করে মানুষ করেছে তো। তাই আপনাকে দেখে কাঁদছে।’
এরকম একটা কথা আমি শুনেছিলাম। আমার জন্মের পর মা মরণাপন্ন অবস্থায় তিন মাস শয্যাশায়ী ছিলেন। সে সময় বড় চাচীমাই আমার দেখাশোনা করেছেন। কিন্তু এত বছর পরেও বড় চাচীমা সে কথা মনে করে কাঁদছেন? আশ্চর্য! এ জগতে মাতৃস্নেহ সত্যিই এক বিরল অনুভূতি। কোন কিছুর সাথেই এর তুলনা চলে না।

নাস্তা খেয়ে আমি আলেয়ার সাথে উত্তর পাড়ার পদ্মপুকুর দেখতে গেলাম। পথে ওর বয়সী একটি মেয়ে জিজ্ঞেস করলো, ‘আলেয়া, কে রে?’
আলেয়া বেশ মুড নিয়ে বললো, ‘আমার মেজভাই। রাজশাহী থেকে এসেছে। তোদের মতো মূর্খ নয়। কলেজে পড়ে।’
মেয়েটি আমাকে সালাম দিয়ে আলেয়াকে বললো, ‘তুই যে দু’বার ফেল করে এখনো ক্লাস সিক্সে আছিস, লজ্জা করেনা?’
মেয়েটি চলে গেলে আমি আলেয়াকে উদ্দেশ্য করে বললাম, ‘কী রে আলেয়া, মেয়েটা কী বলে গেল? তুই নাকি দু’বার ফেল করেছিস। সত্যি?’
‘ধুর, ধুর! এদের কথা বিশ্বাস করবেন না মেজভাই। এরা খুব মিথ্যে কথা বলে।’
‘তাহলে তুই ফেল করিসনি বলছিস?’
আলেয়া হাঁটতে হাঁটতে মাথা নিচু করে বললো, ‘একবার জ্বরের জন্য একটা পরীক্ষা দিয়ে আর দিতে পারিনি। পরের বার নানীর বাড়ি বেড়াতে গিয়ে পরীক্ষার কথা মনে ছিল না। একে কী ফেল করা বলে, আপনিই বলেন?’
‘ও, আচ্ছা!’ বলে আমি এমন একটা ভাব দেখালাম যে ঠিকই তো, এটাকে ফেল করা বলা ঠিক না। যেখানে পরীক্ষাই দেওয়া হয়নি, সেখানে আবার পাশ ফেল কিসের?
আলেয়া বিজয়ের হাসি হেসে বললো, ‘এখন বুঝতে পারছেন তো মেজভাই, এরা কেমন মিথ্যুক?’
‘হাঁ, বুঝতে পারছি।’ আমি বহু কষ্টে হাসি চেপে রেখে বললাম, ‘তা’ এই মেয়েটা কে? তোর স্কুলে পড়ে নাকি?’
‘আরে না, এরা করবে পড়াশুনা? গণ্ডমূর্খের গুষ্টি। এই গ্রামেই থাকে, আমার সই। কিন্তু আজ থেকে ওর সাথে আমার সইয়ের সম্পর্ক শেষ।’

পদ্মপুকুরের আশেপাশে তেমন বাড়িঘর নাই। পুকুর থেকে একটু দূরে দু’একটা কুঁড়েঘর দেখা যায়। সরকারদের জমির ওপর এই কুঁড়েঘরগুলিতে সরকার বাড়ির কামলা কিষাণরাই থাকে। পুকুরের চার পাশ ঘিরে খেজুর গাছ। পুকুরের পূর্ব পশ্চিম দু’দিকেই পানের বরজ। দক্ষিণে বাঁশের ঝাড়। উত্তরে শান বাঁধানো ঘাট। আমি আর আলেয়া সেই ঘাটের ওপর বসে গল্প করছি। গল্পের কোন মাথা মুণ্ডু নাই।
‘মেজভাই, আপনি সাঁতার জানেন?’
‘উঁ হুঁ’
‘শহরের ছেলেমেয়েরা সাঁতার জানবে কী করে? ওখানে পুকুর কোথায়? ওখানে তো শুনেছি বাড়ির পাশে পুকুরের বদলে পচা ড্রেন থাকে, তাই না মেজভাই?’
আমি হাসবো না কাঁদবো! বললাম, ‘তুই সব জানিস, না? শহরে গেছিস কখনো?’
‘হাঁ, গেছি তো! ছোটবেলায় আব্বার সাথে আপনাদের বাড়ি গেছি। তখন আপনি খুব ফর্সা ছিলেন। এখন কালো হয়ে গেছেন।’
আমি বললাম, ‘ঠিক বলেছিস। আমারও মনে আছে, তখন তুই খুব কালো ছিলি। এখন ফর্সা হয়ে গেছিস।’
‘যান! আপনিও মর্জ্জিনার মতো খুব মিথ্যে কথা বলতে পারেন।’
‘মর্জ্জিনাটা কে?’
আলেয়া তাচ্ছিল্যের সুরে বললো, ‘ওই যে বললো না, আমি নাকি দু’বার ফেল করেছি। রাতকানা আবাগীর বেটি! ওর মা এমনই রাতকানা যে রাতের বেলা মর্জ্জিনার বাবাকে নিজের বাবা মনে করে ভাত খেতে ডাকে। কী লজ্জার কথা, বলেন!’
আমি সায় দিয়ে বললাম, ‘ঠিকই তো। ভীষণ লজ্জার কথা। তবে তোর ভাষাটা......।’

বড়ভাই প্রায় সমবয়সী দুই চাচার সাথে সারাদিন বৈঠকঘরে বসে তাস খেলেন। বড় চাচা জমি জমা, পানের বরজ, কামলা-কিষাণ আর হাট বাজার নিয়ে ব্যস্ত। আব্বা ঘরে বসে সারাদিন কানের কাছে রেডিও ধরে দেশের খবর শোনেন। চাচীমারা বাড়ির হাজারটা কাজ নিয়ে ব্যস্ত। মা মনের আনন্দে গাঁয়ের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মিলিটারিদের অত্যাচারের গল্প শোনান। তাঁর শ্রোতার অভাব নাই। মহিলারা হাঁ করে মায়ের গল্প শোনে। আর আমি আলেয়ার সাথে ঘুরে ঘুরে গাঁয়ে দেখার যোগ্য অযোগ্য সবই অবাক হবার ভান করে দেখে বেড়াই। আমরা ঘুরে বেড়াই পানের বরজে, ধানের ক্ষেতে, আম বাগানে, খাল বিলের পাড়ে, আখ আর পাটের ক্ষেতে। গাছ থেকে পেয়ারা বা বরই পেড়ে খেতে খেতে আমরা দু’জন ধান ক্ষেতের সরু আইল ধরে হেঁটে বেড়াই। তখনকার দিনে আলেয়ার বয়সী গ্রামের মেয়েরা রীতিমতো বিয়ের উপযুক্ত। তার ওপর সে অসামান্যা সুন্দরী। এমন একটা মেয়ে যখন খুশি যেখানে ইচ্ছা ঘুরে বেড়ায়। তার এই চঞ্চল স্বভাব আমরা আসার আগে থেকেই ছিল। এ নিয়ে তখনকার রক্ষণশীল গ্রাম্য সমাজে আড়ালে আবডালে যে কথা হতো না তা’ বলা যাবে না। কিন্তু সরকারের নাতনি বলে কথা। সামনা সামনি কেউ কিছু বলতে সাহস পেত না।

বাড়িতে আমার সব কাজ আলেয়ার। গোসলের জন্য চাপকল থেকে পানি তুলে বালতি ভরে রাখা, গামছা লুঙ্গি কাচা, খেতে বসলে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করা, বিছানার চাদর পাল্টানো, কাপড় চোপড় আলনায় গুছিয়ে রাখা আর সন্ধ্যের পর বারান্দায় বসে ‘আমি যা দেখি, আপনি তা দেখেন’ এই জাতীয় গেঁয়ো ধাঁধাঁ বলে আমার মাথা গুলিয়ে দেওয়া। কোন জিনিসের দিক থেকে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে রেখে জিনিসটি আমি দেখতে পাচ্ছি কী না সেটা জানতে চাওয়াই হলো এই ধাঁধাঁর মাজেজা। আমি বলতে পারলে আলেয়া চুপ, না পারলে ওর সে কী হাসি আর হাত তালি! বড় চাচীমা সস্নেহে সব দেখেন আর আমার কিছু দরকার হলেই ডাক দেন, ‘আলেয়া’। এ বাড়িতে আসার পর কিভাবে কিভাবে যেন আমার সবরকম দেখভাল গিয়ে পড়লো আলেয়ার হাতে। আর সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, বাড়ির কারো এ ব্যাপারে কোন প্রতিক্রিয়া নাই। যেন আমার দেখভাল তো আলেয়াই করবে-এমন একটা ব্যাপার। প্রথম প্রথম আমি একটু অস্বস্তি বোধ করলেও পরের দিকে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম।
************************************************








মন্তব্য ৩৯ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৩

বলেছেন: দুটি পর্ব শেষ করলাম
ধান বেচে পান কেনা --
ছাই দিয়ে দাঁত মাজা..

ফেলে আসা দিনের কথা।।
মনে হচ্ছে চোখের সামনে ভাসছে ঘটনাগুলো।।

ভালোলাগা
সাথে আছি ++++

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ ভাই ল।

২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৪৬

এস সুলতানা বলেছেন: খুব সুন্দর লেখনি। হৈমন্তি শিশিরে ভেজা একরাশ শুভ্র শুভেচ্ছা ।
সময় করে আমার পাতাঊ বেড়াতে আসবেন।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:২৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ এস সুলতানা।

৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২১

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার দাদাজান কি গ্রামের দরিদ্র মানুষদের সাহায্য করতেন না??
আলেয়া চরিত্রটি সুন্দর।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: করতেন। উপন্যাস হবার কারণে সব ঘটনা স্বল্প পরিসরে বলা যায় না। পড়তে থাকুন। ধীরে ধীরে সবই জানতে পারবেন।


ধন্যবাদ ভাই রাজীব নুর।

৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৯

শুভ_ঢাকা বলেছেন: লেখার শেষে Click This Link বাক্যটিকে রিনেম করে আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (পর্ব-১) করে দিলে আরও appropriate ও দৃষ্টি নন্দন হয় বলে আমার মনে হয়। এইভাবে পরবর্তীতে আগত সমস্ত লিংকগুলো ক্রমানুসারে ১,২,৩ হিসাবে সন্নিবেশিত করা যেতে পারে। ব্লগে অন্যান্য লেখক/লেখিকাদের পর্বের শেষে সাধারণত এই রকম করতে দেখেছি।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: প্রিয় শুভ_ঢাকা, আপনি তো জানেনই যে তথ্য প্রযুক্তিতে আমি বকলম। লিংক কিভাবে দিতে হয় সেটাই তো জানি না। আমার ভাড়াটিয়া এক ভদ্রলোকের ছেলেকে দিয়ে এই দুই পর্বের লিংক দিয়ে নিয়েছি। এখন হয়তো নিজেই পারবো। আপনি আবার বলছেন রিনেম করে নিতে। আমার মাথা ঘুরায়। ক্ষ্যামা দেন ভাই।

৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৫

মা.হাসান বলেছেন: রাজশাহীর পানের অনেক সুনাম। ওখানকার পানের বরজ দেখা হয় নি, তবে ঝিনেদার বরজ দেখেছি। আমার কাছে অনেক পরিশ্রমের কাজ মনে হয়েছে। যুদ্ধের সময়ে পরিবহন সমস্যার কারনে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্থ হবার কথা।
ভালোবাসার ডালে কিশলয়ের উম্মেষের সার্থক বর্ননা, প্রথম প্রেমের অভিনন্দন জানুন। পরের কথা গুলো জানার জন্য মন আকুলি বিকুলি করছে, অপেক্ষায় থাকলাম।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: যুদ্ধের সময় পান চাষিরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। চাচাদের কাছে শুনেছি সে সময় স্বাভাবিক দামের চেয়ে প্রায় অর্ধেক দামে পান বিক্রি করতে হয়েছে। তবু পান এত বেশি লাভজনক ফসল ছিল যে অর্ধেক দামে বিক্রি করেও চাচাদের মুনাফা হয়েছে।

পরের পর্ব আগামীকালই পাবেন ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদ ভাই মা, হাসান।

৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৩

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন:
বাস্তব গ্রাম চিত্রের পরিবেশের সাথে স্মৃতিচারণের সুন্দর গল্প +++
হতে পারে :P , আলিয়ার সাথে আপনার প্রথম ভালবাসা হবে :)

এটা ধারণা নিশ্চিত না ।যদিও সে চাচাত বোন হয় তবে সেখানে একটা কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে ।

পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা ------

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: হাঁ, আমার এই কাজিনের সাথেই আমার সম্পর্ক হয়েছিল। পরবর্তী পর্ব পড়লেই সব জানতে পারবেন।


ধন্যবাদ ভাই মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: হুম্ম! যা অনুমান করেছিলাম!
সেকালে পাট ক্ষেতের কেমিস্ট্রি ভিন্ন ছিল যদিও এই গল্পে তা অনুপস্থিত।
আমাদের বাড়ি এলাকার বিখ্যাত ভুঁইয়া বাড়ি, আমাদের বাড়ির দরজায়ও একটা বিশাল বৈঠকখানা ছিল। ছিল মানে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছিল। এলাকার সকলে বলতো কাচারি ঘর।
আর সেকালে মেয়েদের বিয়ের বয়স ক্লাস ফোর ফাইভ ছিল পারফেক্ট । আমার এক বান্ধবীর বিয়ে হয়েছিল ফোরের বছর। বাকিদের ফাইভে।
''আমি যা দেখি তুমি তা দেখনি?" এই খেলা আমাদের এলাকায়ও ছিল।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: বাংলাদেশের প্রায় সব গ্রামের বৈশিষ্ট্যই কমবেশি একরকম। ভিন্নতা শুধু সময়ের পার্থক্যের কারণে সৃষ্ট। আজ থেকে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগের গ্রাম্য সংস্কৃতির সাথে আজকের গ্রাম্য সংস্কৃতি মেলানো যাবে না।

আপনাকে ধন্যবাদ লিটন ভাই।

৮| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৬

শুভ_ঢাকা বলেছেন: আমার মাথা ঘুরায়। ক্ষ্যামা দেন ভাই।



খুব সহজ হেনা ভাই। প্রথম চিত্রে দেখানো হয়েছে লিংক সংযুক্ত করার জন্য কোথায় ক্লিক করতে হিবে।



দ্বিতীয় চিত্রে দেখানো হয়েছে। প্রথম চিত্রের লাল রঙয়ের বাটনে ক্লিক করলে দ্বিতীয় বক্সটি আসবে। চিত্রের ইউআরএল টেক্সট বক্সে আপনি আপনার প্রথম/দ্বিতীয়/তৃতীয় যে পর্বের লিংক দরকার তা কপি করে পেস্ট করবেন। আর টাইটেল বক্সে desirable পর্বের হেডলাইন কপি করে পেস্ট করে দিবেন। তারপর লিংক যুক্ত করুন বাটনে ক্লিক করলেই কাজ শেষ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আজ যে পর্বটি (পর্ব-৩) প্রকাশ করতে যাচ্ছি, সেটাতে আপাতত আগের মতোই লিংক দিচ্ছি। আপনার দেখিয়ে দেওয়া পদ্ধতিটি ভালো করে বুঝে নিয়ে পরবর্তী পর্ব থেকে লিংক দেওয়ার চেষ্টা করবো।

কষ্ট করে ছবিসহ লিংক দেওয়ার পদ্ধতি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ ভাই শুভ_ঢাকা।

৯| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪২

করুণাধারা বলেছেন: দেখি এরপর কি ঘটে!!

৭১ সালের ঘটনা কতদিন পর লিখেছেন জানিনা, তবে এমন খুঁটিনাটি বর্ণনা করেছেন, যে পড়ে মনে হয় যেন আপনি সব চোখের সামনে দেখছেন, আর আমরাও দেখতে পাচ্ছি...

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: উপন্যাসটি ২০১১ সালে লিখে বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই হিসাবে ঘটনার ৪০ বছর পর লেখা হয়েছিল। এখন তো ৪৮ বছর পার হয়ে গেছে।

ধন্যবাদ করুণাধারা।

১০| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০৪

কাতিআশা বলেছেন: খুব সুন্দর...সাথে আছি!

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ কাতিআশা।

১১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৩

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: গল্পটি পড়ার লোভ শতব্যাস্ততার মাঝেও সামলাতে পারিনি গুরুজী। কাজের শেষটায় বসে পড়ে নিলাম। এমনিতে আমার কাছে আছে পর্ব করে পড়ার মজা নিতে ব্লগে পড়লাম। সবাই কি বলে সবকয়টা মন্তব্য পড়ছি। সবাই যথাযথ প্রশংসাই করছেন। আরো ভিতরে যখন যাবে গল্পের ট্রার্ণ নজরে পড়বে। পড়ে জেনে যাউক এই উপন্যাসে কি রয়েছে।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: হাঁ, আপনি তো উপন্যাসটি আগেই পড়েছেন। তারপরেও ব্লগে আবার পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ সুজন ভাই।

১২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৮

শুভ_ঢাকা বলেছেন: গুরুজী, মধুপুরে এখন কি পানের চাষ বা বরজ আগের মত রমরমা আছে।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: না, অতটা নাই। তবে এখনো পানই ওই অঞ্চলের প্রধান ফসল।


ধন্যবাদ ভাই শুভ_ঢাকা।

১৩| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৮

ধ্যত্তেরিকাষতড়এএতধ্যত্তেরিকা বলেছেন: আপনার শরীর ভালো এখন?

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: মোটামুটি। ধন্যবাদ ভাই ধ্যত্তেরিকাষতড়এএতধ্যত্তেরিকা।

১৪| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
গল্প সাবলীলভাবে আগাচ্ছে।
আগের পর্ব পড়ার পর ব্যাস্ততার কারণে কমেন্ট করা হয়নি।
৭১ সালের ঘটনা গল্প আমাকে খুব আকর্ষণ করে।
ভাল থাকবেন।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই হাসান কালবৈশাখী।

১৫| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: গ্রামের পরিচিত পরিবেশের ছবি দেখতে পেলাম, খুব ভাল লাগছে কাহিনী।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: পরের পর্বগুলিও পড়বেন আশা করি।


ধন্যবাদ ভাই তারেক_মাহমুদ।

১৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৩

অন্তরন্তর বলেছেন: চলুক হেনা ভাই। খুব আকর্ষণ করছে আপনার উপন্যাসটা। মনে হচ্ছে একেবারে পুরোটা পড়ে শেষ করতে। লিখাতে যে আকর্ষণ তার কৃতিত্ব আপনার। শুভ কামনা।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: শুভ কামনা আপনার জন্যেও।


ধন্যবাদ ভাই অন্তরন্তর।

১৭| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪৭

সোহানী বলেছেন: এবারেরটা একটু সর্ট কিন্তু আলেয়ার সাথে সম্পর্ক তৈরীর জন্য গুড়ুত্বপূর্ণ পর্ব ;)

চলুক.

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৪৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: কাহিনী অনুসারে উপন্যাসের পর্বগুলো ছোট বড় হয়।

ধন্যবাদ বোন সোহানী।

১৮| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কোমড়ের ব্যথার কারণে শুয়ে বসে চিত কাত হয়ে বিবিধ প্রকারের উপবেশনে লেখা কর্ম চালাতে হচ্ছে । কোমড়ের কাছে হট ওয়টার ব্যগ রেখে আরাম কেদারায় চিত হয়ে বসে উপন্যাসের এই পর্ব পাঠ করতে বসেছি । লেখাটিপাঠে সামনে যত আগাই তার থেকে বেশী পিছনে যাই । লেখায় থাকা প্রতিটা শব্দ বা বাক্য নিয়ে যায় স্মৃতির গহীনে । মনে হয় যেন এটা নীজেরই জীবনের আলেখ্য, কাল ঠিকই আছে শুধু স্থান ও পাত্রটি কিছুটা ভিন্ন ।

যাহোক , বিষয়বস্ত্ত ও শিল্পচেতনার নীরিখে উপন্যাসটি আত্মজীবনীমুলকতার মাত্রাকে ছাপিয়ে ঐতিহাসিক ও সামাজিক বৈশিষ্টের অধিকারী হয়ে উঠেছে বলে মনে হচ্ছে । মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এর ঐতিহাসিক স্বরূপ প্রকট , মুক্তিযুগ্ধকালীন সময়ের সামাজিক ও গার্হস্থ্যজীবনের অবস্থা সম্পর্কে রয়েছে মুল্যবান কথামালা । সমাজের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক অনেক বিষয় এতে প্রধান হয়ে ওঠেছে , আবার উপন্যাসের কাহিনী ও চরিত্রগুলি একটি বিশেষ অঞ্চলের পটভূমিতে নির্মিত হলেও আঞ্চলিকতাকে অতিক্রম করে সর্বজনীন সাহিত্যকর্ম হয়ে ওঠেছে বলে মনে হচ্ছে , তবে সবকিছু ছাপিয়ে শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্তের মত লেখকের ব্যক্তিজীবনের প্রতিফলনতো দারুনভাবে ঘটছেই। আলেয়া চরিত্রটি যে বিশেষ কিছু একটা সে কি আর বলতে ।

উল্লেখ্য একটি উপন্যাসে থাকা সে সময়ের বিশেষ কোন অর্থনৈতিক বিষয় আমার সবিশেষ মনযোগ আকর্ষন করে । একই কারণে এই পর্বে থাকা আপনার গ্রামের পানের বরজের বিষয়টি আমার বিশেষ মনযোগ আর্ষন করেছে । গ্রাম বাংলার এই অর্থনৈতিক কর্মকান্ডটি শুধু সে সময় কেন, এখনো বাংলাদেশের অঞ্চল বিশেষে পারিবারিক সামাজিক এমনকি জাতীয় পর্যায়ে ঐতিহ্য ও অর্থকরী গুরুত্ব বহন করে চলেছে সমানতালে।

যতদুর জানি আর্য এবং আরবগণ পানকে তাম্বুল নামে অভিহিত করত। নিশ্বাসকে সুরভিত করা এবং ঠোঁট ও জিহবাকে লাল করার জন্য মানুষ পান খেতো এখনো খায়, পান নিয়ে গানও গায় , – সুন্দর একটি মুখ পাইলে সদরঘাটের পানের খিলি তোরে খাওয়াইতাম । জানিনা আলেয়া জানি কত পানের খিলি খাওয়াইছে ! যাহোক বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে সামাজিক রীতি, ভদ্রতা এবং আচার-আচরণের অংশ হিসেবেই পানের ব্যবহার চলে আসছে। প্রাচীনকাল হতেই অভিজাত জনগোষ্ঠীর মাঝে পান তৈরি এবং তা সুন্দরভাবে পানদানিতে সাজানো লোকজ শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি পেত। আপনার বনেদি দাদী বাড়ীতে নিশ্চয়ই সুন্দরভাবে পানদানিতে সাজানো পান খাওয়া হতো ।

আমার দাদা দাদির কাছে শুনেছি দেশের উত্তাঞ্চলের কোথায় নাকি কর্পূরের গন্ধবিশিষ্ট কাফুরি নামের একপ্রকার অতি উন্নতমানের পান উৎপাদিত হতো , এখন মনে হয় সেটা নির্ঘাত রাজশাহী এলাকাই হবে । আরো শুনেছি সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভোগ্যপণ্য পানের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ওপর ভিত্তি করে বারুই নামে একটি পেশাজীবী গোষ্ঠীর উদ্ভব ঘটেছিল সেই অতীতকালেই, আর পান উৎপাদনের জন্য যারা বরজ তৈরি করে তারা কালক্রমে বারুই নামের একটি পেশাজীবী শ্রেণির সৃষ্টি করেছে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে অনেক বারুই জমিদারি ও তালুকদারির মালিক হয়। মুসলমান শাসনামলে কৃষকদের মাঝে বারুই শ্রেণী ছিল সবচেয়ে বেশি ধনী। একসময় পানের বরজ থেকে আয় এতই গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতো যে, বাংলার সুবাদার আজিম-উস-শান পানচাষকে ‘সাউদিয়া খাস’ নামে একচেটিয়া রাজকীয় ব্যবসায় পরিণত করেন। রবার্ট ক্লাইভও দেওয়ানি লাভের পর পান চাষকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একচেটিয়া ব্যবসায়ে পরিণত করে। তবে বর্তমানে পানচাষের জমির পরিমাণ দ্রুতই হ্রাস পাচ্ছে , কামনা করি আপনার দাদাবাড়ী মধুপুরের মত দেশের সকল জায়গায় এর চাষ বৃদ্ধি পাক ব্যপকভাবে , বর্তমানে এর চাহিদা বিশ্বব্যপী ।

তয় পর্বটি এখনো দেখা হয়ে উঠেনি সময় অভাবে । এর মাঝে চতুর্থ পর্ব প্রকাশ হয়েছে দেখতে পাচ্ছি । সেখানে থাকা আপনার ৩য় পর্বের লিংকটি কাজ করছেনা , দয়া করে একটু পরখ করে দেখতে পারেন ।
পোষ্টটি প্রিয়তে গেল ।

শুভেচ্ছা রইল

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:১৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: আপনি নিজে একজন সুলেখক ও গুনী ব্লগার। তারপরেও অন্যের লেখার প্রশংসা করতে মোটেও কার্পণ্য করেন না। এটাই হলো সত্যিকারের মহৎ ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য। গাছ যত বড় হয়, তার ডালপালা তত নুয়ে পড়ে। বড় মাপের মানুষরা সব সময় বিনয়ী হন।

আপনি পান সম্পর্কে যত তথ্য দিলেন, আমি পানের দেশের মানুষ হয়েও তা' জানতাম না। কাফুরি নামের যে পানের কথা বলেছেন, সেটা মধুপুর বা আশে পাশের গাঁয়ে চাষ হতো কী না আমি জানি না। তবে ছাঁচি নামের খুব সুগন্ধী ও সুস্বাদু এক প্রজাতির পান চাষ হতো। এই পান দেশের ভেতরে বিক্রি হলেও এর বেশির ভাগ চলে যেত ততকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে।

যাই হোক, আপনার শারীরিক অবস্থার খবর পড়ে খুব কষ্ট পেলাম। আল্লাহ আপনাকে সুস্থ করে দিন, এই দোয়া করি।

ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী।

১৯| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:২২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ৩য় পর্বের লিংকটি ঠিকমতোই কাজ করছে আলী ভাই। এক্ষুনি চেক করে এলাম।

২০| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ ।
দেখে অসলাম । এখনো কাজ করছেনা । লিংকে ক্লিক করলে নীচের মত লেখা আসে ।
একটি ভুল পাওয়া গেছে
দুঃখিত, টেকনিক্যাল সমস্যার কারনে অনুগ্রহ করে আবার লগ আউট করে লগ ইন করুন। এরপরও যদি আপনি পোস্ট করতে না পারেন, তাহলে আপনার পোস্টের কন্টেন্ট ও শিরোনাম আমাদেরকে মেইল করে পাঠিয়ে দিন।

ইনস্ট্রাকশন ফলো করার পরেও একই মেসেজ অআসে ।
তবে অন্য পর্বের লিংকগুলি কাজ করছে ।
হয়তবা আমার কম্পিউটারের প্লবলেম হতে পারে ।
যাহোক এ নিয়ে আর না ভাবলেও চলবে ।
এর মধ্যে দেখলাম ৫ম পর্ব চলে এসেছে ।
সময় করে দেখে নিব ।
শুভেচ্ছা রইল ।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: লিংক ঠিক আছে আলী ভাই। অন্য কোন ব্লগার অভিযোগ করেননি। বরং সামুই বলছে টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। এটা হতে পারে এই কারণে যে সামুর কিছু টেকনিক্যাল ইমপ্রুভমেন্টের কাজ চলছে বলে জানতে পেরেছি।

আপনি তো বোধহয় ৩য় পর্বটি পড়েছেন , তাই না?

ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.