নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনটা যদি তুষারের মতো...

আখেনাটেন

আমি আমাকে চিনব বলে বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি একা একা, পাই নি একটুও কূল-কিনারা কিংবা তার কেশমাত্র দেখা। এভাবেই না চিনতে চিনতেই কি মহাকালের পথে আঁচড় কাটবে শেষ রেখা?

আখেনাটেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

নভোনীল-৫

২৫ শে জুন, ২০২০ ভোর ৪:২৬



মৃন্ময়ীর কাছ থেকে ‘অমিতের জন্য অপেক্ষা করছিলাম’ কথা শুনে নভো ভেতর ভেতরে চমকে উঠে। তবে তা সে প্রকাশ না করে মৃনের পাশাপাশি টিএসসি থেকে বাংলা একাডেমির ফুটপাত ধরে হাঁটতে শুরু করে। পাশাপাশি হাঁটলেও দুজনেই এ মুহূর্তে চুপ রয়েছে।

হঠাৎ নভো নিরবতা ভেঙে বেশ নিচু স্বরে মৃনের দিকে না তাকিয়ে আড়ষ্ট ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করে, ‘তা অমিতের জন্য কে অপেক্ষা করছিল? লাবণ্য নাকি কেটি’।

চকিতে মৃন নভোর মুখের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বোঝার চেষ্টা করে। এরপর উত্তর দিতে গিয়েও কি মনে করে যেন থেমে যায়। যেন ছলকে উঠা দুধের হাড়ি থেকে গরম দুধ উছলে পড়তে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আর পড়ে না। মৃন বোঝার চেষ্টা করে নভো কেন এভাবে বলল। লাবণ্য না কেটি। লাবণ্য না কেটি। ‘শেষের কবিতা’ কলেজে থাকতে মৃন ভালোভাবেই পড়েছে। মনে মনে বেশ কয়বার নাম দুটো আউড়িয়ে চলে নিজের অজান্তেই। লাবণ্য-যে পানিতে মনের সুখে সাঁতার কাটা যায়, কিন্তু পানি পান করা যায় না। কেটি-যে পানিতে সাঁতার কাটা যায় না, তবে যখন ইচ্ছা তখন পান করা যায়। মৃন নভোর কথার অর্থ বুঝতে পেরে ভেতরে ভেতরে ঘামতে শুরু করে। কী উত্তর দিবে ভেবে কূল-কিনারা পায় না?

মৃনের চুপ থাকা দেখে এবার নভো আবার সরাসরি না তাকিয়ে মুচকি হেসে নিজেই উত্তর দেয়, ‘লাবণ্য-কেটিতে কাজ নেই। তুমি বরং মৃন্ময়ী হয়েই থাক। আর অমিতের বদলে সেখানে অপুকে বসিয়ে দিয়ে অপেক্ষা...’।

মৃন সাথে সাথে তীব্র প্রতিবাদ করে, ‘আমার বয়েই গেছে অপুর জন্য অপেক্ষা করতে। বরং অপু-তপুরাই আমার জন্য পথ চেয়ে থাকুক’।

নভো মৃনের এই ভঙ্গিমা দেখে স্বভাব বিরুদ্ধ হো হো করে হেসে উঠে। এরপর সরাসরি মৃনের মুখের দিকে তাকিয়ে, ‘এটা কিন্তু তুমি ভুল বললে। ‘সমাপ্তি’তে দেখ নি, শেষে অপুর জন্য মৃন্ময়ীর সে কী অপেক্ষার যাতনা। শেষ ঘটনাটার কথাও নিশ্চয় মনে আছে’।--বলেই নভো এবার অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল।

মৃনের চোখ-মুখ লাল হয়ে গেছে। সে ভালোভাবেই বুঝতে পারছে নভো কোন ঘটনার কথা বলছে।

নভো এবার অন্য প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলে-

- তুমি উত্তরায় থাক বুঝি।
-হুম।
-এতদূর থেকে আসো। কষ্ট হয় না।
-না না, আজকে ড্রাইভার সমস্যায় পড়াতে বাসে আসতে হল। উবারে আসতে চাইলাম কিন্তু ক্যাম্পাসের বাস দেখে উঠে পড়লাম।
-ও, তোমার বাসায় কে কে আছে?

নভো একটু চিন্তা করে ,’আচ্ছা, আমি আবার তোমাকে বেশি বেশি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছি না তো’।

-নাহহ, তুমি-আমি একই বিভাগে একই শ্রেণিতে পড়ি। এত ফরমাল হলে চলে। তবে, বাব্বা, তুমি যে ভাব নিয়ে ক্লাসে থাক। ক্লাসের কাউকে পাত্তা দেও না।

-আরে নাহ, আমি সবার সাথে ফ্রি না। সমমনা না হলে কেন যেন জমে না। এই যেমন তোমার সাথে এখন কথা বলছি। বললে না তোমার বাসায়...।
-ও হ্যাঁ, বাবা-মা, দিদা ও আমি। এই নিয়ে আমাদের পরিবার।
-মানে, তোমার কোনো ভাই-বোন নেই।
-না
-শুনেছি, একমাত্র সন্তান হলে খুব জিদ্দি হয়।
-ঠিক শুনেছ। তবে সবাই হয় কিনা জানি না। তবে আমার খুব রাগ ও জেদ। ভুলেও আমার সাথে এমন কিছু কর না যাতে তোমাকে আমার রাগ-জেদ দেখাতে হয়। বলেই মৃন একটু থেমে নিরব হয়ে গেল।

নভো মৃনের শেষ কথাটা বোঝার চেষ্টা করে। তার চিন্তার ফাঁকেই মৃন এবার বলল উঠে

- আচ্ছা, তুমিও তো উত্তরা থেকেই আসছ। তোমার বাসাও কি উত্তরায়।
-নাহ, ওখানে আমার এক আত্মীয়ের বাসায় কয়দিনের জন্য রয়েছি। ক্যাম্পাসের আশেপাশেই থাকার যায়গা খুঁজছি।
-কেন, হল-এ তো থাকতে পার?
-হল-এ সিটের আবেদন করেছি। তুমি তো বোঝই প্রথম বর্ষে হল-এ সিট পাওয়া অসম্ভব। আর আমার তেমন ইচ্ছেও নেই এই মূহুর্তে। মাঝে কয়েকদিন হলের গণরুমে ছিলাম। কদাচিৎ ফরজ নামাজ পড়া এই আমি দু-রাকাত নফল নামাজ পড়ে, ডোঙ্গা পীরের দরবারে ১০০ টাকা দেওয়ার মনস্থ করে গণরূম ছেড়ে এসেছি। আপাতত তাই হলমুখো হওয়ার চান্স নেই।

নভোর এই অদ্ভুত ভঙ্গিমায় কথা বলা দেখে মৃন খলখল করে হেসে উঠে। ভাবে, এত মজা করে কেউ কথা বলতে পারে। গোমড়ামুখোর দেখছি রস-কসও রয়েছে। কিন্তু মুচকি হেসে মুখে বলে-
-এভাবে কেন পালালে?
-আরে বল না, একরূমে এতগুলো সিপাইসালার নওজোয়ান। কেউ ডিংডং গান শুনছে, কেউ তাস খেলছে, কেউ গল্পের বই পড়ছে, কেউ রাজা-উজির মারছে, কেউ মুঠোফোনে ফিসফাস করে চুমম...বলেই জিভ কেটে নভো থেমে গিয়ে মৃনের দিকে বোকাবোকাভাবে তাকিয়ে বলে, এত এত কাজবার। গণরূমে না থাকলে তুমি বুঝবে না। তবে আমি সে কারণে পালায় নি। তার অন্য কারণ ছিল।

মৃন ফুটপাতের দিকে তাকিয়ে বলে
-মুঠোফোনে ফিসফাস করে চুমম.........কি যেন বলতে গিয়ে থেমে গেলে। তুমিও কি...?

নভো তাড়াতাড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোল করে
-আরে, নাহহ...আমি ওরকম নাকি!
-তা তুমি কী রকম?-মৃন শয়তানী মালেকা হামেরিয়া হাসিতে জিজ্ঞেস করে। ব্যাপারটা এমন যেন, আজকে চান্দু চিপায় পাইছি। ক্লাসের মধ্যে বিরাট সাধু সেজে থাক। ঠোঙ্গা কুড়াও।
-আমি আমিই। আমি আবার কী রকম? যেমন দেখ তেমন...। তবে আমি ওরকম না...। আমি বাবা-মাকে ফোন দেই। নভোর সহজ স্বীকারোক্তি।

নভোর দিলখোলা কথা ও সারল্যে মৃন বেশ মজা পাচ্ছে। মৃন হাসতে হাসতে বলে, ‘এবার বল কী কারণে হল ছেড়ে পালালে’।

নভো ক্রিকেটের বল থ্রো করার মতো একটি ভঙ্গি করে থেমে কপট গাম্ভীর্যে বলে চলে
-ব্যাপারটা যদিও হাস্যকর। প্রথম যে দিন গণরূমে ঘুমালাম সে দিনই টের পেলাম যে আমি একা না আমার অনেক ভাই-বেরাদরও আমার সাথে সাথে লেপ্টে রয়েছে। প্রথমে টের পাই নি। রাত তিনটায় অজানা কারণে ঘুম ভেঙে দেখি, পাশের জনও উঠে মোবাইলের আলো জ্বেলে কি যেন খুঁজছে। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘দোস্ত, এত রাতে এভাবে কি খুঁজছ’। সাথে সাথে ওর উত্তর ছিল, ‘হালার পো’রা এতটায় হারামী, খালি পিছলে যায়। সব কয়টার কলজা যদি না টেনে ছিঁড়ছি তো আমিও কুদ্দুসের পোলা নয়।’ আমার উদ্দেশ্যে এবার বলে, ’তুমিও খোঁজ। তোমার দিক থেকেও জঙ্গী স্টাইলে আক্রমণ আসছে মনে হচ্ছে। একযোগে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতারা বিশাল বাহিনি নিয়ে অ্যাটাক করে রাতের আধাঁরে’। তাৎক্ষণিক আমি বুঝে যাই কুদ্দুসের পোলা কিসের কথা বলছে। এরপর শুরু হয় আমাদের যৌথ বাহিনির পাল্টা সাঁড়াশি আক্রমণ। আমাদের মতো অনেকেই মোবাইলের আলোয় মাঝে মাঝেই গোপন শত্রু খোঁজায় ব্যস্ত। তিন দিনে আমি একাই শ-খানেক শত্রু নাশ করলাম। কিন্তু মোটা-পাতলু-কচি-ভুতি নানা আকৃতির খতরনক শত্রুর আক্রমণে বিধ্বস্ত হয়ে চতুর্থ দিনে পরাজয় স্বীকার করে তল্পিতল্পা নিয়ে উত্তরায় ঐ আত্মীয়ের বাসায়।

নভোর কথা বলার ঢঙে মৃনের উচ্ছল হাসি আর থামতেই চায় না। মৃনের নিটোল সে হাসি নভো ভালোভাবেই লক্ষ করে। বুকে আফ্রিকান জংলিরা ড্রাম বাজালেও বাপ-দাদা থেকে পাওয়া স্বভাবটার কারণে মুখে খুব বেশি প্রকাশ করে না। নভোকে কে যেন বলে, নভো বেটা, এত দ্রুত নীলনভো গগন নাকি মৃনে বিলীন হলে হবে না। আকাশটা আগে ভালো করে চক্কর দাও, পেঁজা মেঘের ভেলায় কিছুদিন ভেসে থাক, এরপর কোনো এক কালবৈশাখের বজ্রপাতে হাজার ভোল্টের সেই কাঙ্ক্ষিত বাত্তি গুড়ুম করে জ্বালিয়ে দাও।

এদিকে মৃন ভেবে পায় না, এই সেই ছেলে যে কিনা ক্লাসে ঋষি-মুণির মত ধ্যান করে আর ক্লাস শেষে বাইরে গিয়ে গম্ভীরমুখে ঠোঙ্গা কুড়িয়ে পরিবেশ উদ্ধার করে। মনে মনে বলে, কদবেল। হঠাৎ ঠোঙ্গার কথা মনে হতেই মৃন জিজ্ঞেস করে—

-প্রতিদিন দেখি ঠোঙ্গা কুড়াও। এই অভ্যাস কীভাবে তৈরি হল?
-বাবা। উনি রাজশাহী কলেজের শিক্ষক। উনাকে ছোট থেকে দেখতাম চারপাশের এইসব ছোটখাট কাজগুলো করতেন এবং আমাকেও উদ্বুদ্ধ করতেন। ছোটবেলা এ জন্য উনি আমাকে পুরষ্কারও দিতেন। একবার নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে গিয়ে অনেক কাগজের প্যাকেট পড়ে থাকতে দেখে বাবার মন খুব খারাপ হয়ে যায়। শেষে উনি নিজেই তা কুড়াতে শুরু করেন। আমাকে বলেন, প্রতিটির জন্য ১ টাকা পাবি। আমার উৎসাহ দেখে কে? সেই যে শুরু হয়েছে।

-ইম্প্রেসিভ। নিশ্চয় সাহসটুকুও বাবা থেকে পেয়েছ। তখন ফার্মগেটে যেভাবে পরিস্থিতি সামলালে...।
মৃনের কথা শুনে নভো ওর দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে হাসি দেয়।

ইতোমধ্যে তারা দোয়েল চত্তরে এসে পড়েছে। নভো রাজহাঁসের সূর্য দেখার মতো করে হাতের কবজিটা ঘুরিয়ে হাতঘড়িতে সময়টা দেখে, ‘এই সেরেছে। একটু পরেই হাসিনা ম্যাডামের ক্লাস। দ্রুত চল। এমনিতে প্রথম কয়েকটা ক্লাস মিস করেছি’। বলেই দ্রুত লম্বা লম্বা পদক্ষেপে রাস্তা পার হতে থাকে।

নভো সামনে, মৃন পেছনে। হঠাৎ মৃন লক্ষ করে ঢাকা মেডিকেলের দিক থেকে একটি প্রাইভেট কার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ছুটে আসছে। গাড়িটিকে অস্বাভাবিক গতিতে কাছাকাছি আসতে দেখেই মৃন আতঙ্কে চিৎকার করে ডেকে উঠে নননভো...কিন্তু...? (অসমাপ্ত)

আগের পর্বগুলো-
নভোনীল-পর্ব-০১ লিখেছেন ব্লগার রিম সাবরিনা জাহান সরকার
নভোনীল-পর্ব-০২ লিখেছেন ব্লগার পদ্মপুকুর
নভোনীল-পর্ব-০৩ লিখেছেন ব্লগার মেঘশুভ্রনীল
নভোনীল-পর্ব-০৪ লিখেছেন ব্লগার খায়রুল আহসান

ছবিঃ লেখক।
*********************************************************************************************
আখেনাটেন-জুন/২০২০


মন্তব্য ৭৩ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৭৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে জুন, ২০২০ ভোর ৫:৩৭

সোহানী বলেছেন: অসাধারন। আগের পর্বগুলো যাই পড়ে আসি........

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

আখেনাটেন বলেছেন: সোহানীপা, বহুদিন পর। :D

করোনাকালে কেউ বেশ কিছুদিন অফ থাকলে মনে শঙ্কা দেখা দেয়। :((

আপনি পড়েছেন দেখে ভালো লাগল।

২| ২৫ শে জুন, ২০২০ ভোর ৬:০৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অত্যন্ত চমৎকার লেখনী ।

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

আখেনাটেন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ২৫ শে জুন, ২০২০ ভোর ৬:০৪

মা.হাসান বলেছেন: গত পর্বের শেষে আপনার মন্তব্যের পর অপেক্ষায় ছিলাম কখন পঞ্চম পর্ব আসে, বেশিক্ষণ অপেক্ষায় না রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আমরা দশ বছরে যা করতে পারি নি নভো-মৃন তো আধা ঘন্টায় তার বেশি করে ফেললো!
টেনশনে থাকলাম ৬ নম্বর পর্বে কি হয় তা নিয়ে।
অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে কন্টিনিউ করার জন্য, সুন্দর, জমজমাট একটা পর্ব উপহার দেয়ার জন্য।

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:০৬

আখেনাটেন বলেছেন: মা.হাসান বলেছেন: গত পর্বের শেষে আপনার মন্তব্যের পর অপেক্ষায় ছিলাম কখন পঞ্চম পর্ব আসে, বেশিক্ষণ অপেক্ষায় না রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ---- ধর ত্ক্তা মার পেরেক এর মতো করে লিখে ফেললাম আর কি! পাঠকেরা এখন বাঁশ নিয়ে দাবড়ানি না দিলেই হয়। :P

আমরা দশ বছরে যা করতে পারি নি নভো-মৃন তো আধা ঘন্টায় তার বেশি করে ফেললো! --- বুঝতে হবে এখন 'জি'র যুগ। আগের সারারাত কথা বলে পরের রাতে না চিনতে পারার মতোও নাকি ঘটনা ঘটছে এখন...। মনোজাগতিক বিবর্তনের হার অত্যন্ত বেশি মনে কয়। :-P

টেনশনে থাকলাম ৬ নম্বর পর্বে কি হয় তা নিয়ে। --- আমিও টেনশনে থাকলাম। যে বেদনার ফসল এটা, সেই ব্যথাকে নতুন গুণীজনেরা কীভাবে প্রশমিত করে তা দেখার তর সইছে না। বিশেষ করে, শেষ দৃশ্যটাকে কীভাবে ট্যাকল করে সেটা ভাবতেই মজা লাগছে...।

আপনাকেও ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য ব্লগার মা.হাসান। রিলে রেসে কোনো একটায় নিজেকে জড়ালে আপ্লুত হতুম। :D

৪| ২৫ শে জুন, ২০২০ ভোর ৬:১০

সোহানী বলেছেন: সবগুলো পর্ব পড়তে পড়তে মনে মনে নতুন একটা প্লট সাজাচ্ছিলাম নভো আর মৃন্ময় কে নিয়ে। তারপর আবার আপনার পর্বটা পড়ে মনে হলো আমি যদি রাত দিন কাগজ কলম নিয়ে ঘষাঘষি ও করি এর একটারও ধারে কাছে যাইতে পারুম না :(( :(( :(( :((। তাই খুশি মনে অফিসের কামে মন দিলাম..... B:-/

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:১২

আখেনাটেন বলেছেন: সোহানী বলেছেন: সবগুলো পর্ব পড়তে পড়তে মনে মনে নতুন একটা প্লট সাজাচ্ছিলাম নভো আর মৃন্ময় কে নিয়ে। -- হা হা হা। এটা মনে হয় সবার ক্ষেত্রেই ঘটবে সোহানীপা। একটি পর্ব পড়ে সেই অনুসারে মাথায় প্লট জট বাধে। পরের পর্ব পড়ে আবার নতুন... হা হা হা।

তারপর আবার আপনার পর্বটা পড়ে মনে হলো আমি যদি রাত দিন কাগজ কলম নিয়ে ঘষাঘষি ও করি এর একটারও ধারে কাছে যাইতে পারুম না --- প্রশংসা করলেন নাকি আলপিনের গুঁতো দিলেন... :P

অনেক শুভকামনা আপনার জন্য।

৫| ২৫ শে জুন, ২০২০ সকাল ৮:১১

আনমোনা বলেছেন: দেখতে দেখতে পাঁচ পর্ব হয়ে গেলো, দারুন লাগছে।

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:১৪

আখেনাটেন বলেছেন: আনমোনাদি.......হঠাৎ হঠাৎ আপনার উদয় হয়......আবার হারিয়ে যান.......আপনাকে অনেকদিন থেকে লিখতেও দেখি না...


আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলুম। :D

৬| ২৫ শে জুন, ২০২০ সকাল ৮:৩১

নিয়াজ সুমন বলেছেন: ওমা এর মধ্যে চার পর্ব শেষ !
বাকি গুলো পড়তে হবে--
তবে লেখকের পাঁচ মিশালী রহস্যটা যদি একটু খোলাসা করতেন?
আগামী পর্ব কি নতুন কেউ??

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:২২

আখেনাটেন বলেছেন: নিয়াজ সুমন বলেছেন: ওমা এর মধ্যে চার পর্ব শেষ ! --- সুমন ভাই, এটা মনে হয় পাঁচ পর্ব...। B-)

তবে লেখকের পাঁচ মিশালী রহস্যটা যদি একটু খোলাসা করতেন? --- ব্লগার কাছের মানুষের ভাষায় এটি একটি 'রিলে রেস' বা ব্লগার রিমের ভাষায় 'পিলো পাসিং'। এখানে প্রতিটি পর্বে স্বতন্ত্র রেসার বা লেখক। আগের পর্বকে বেইস ধরে নিজের ইচ্ছেমত 'খামির' তৈরি করে সেটার দলাই-মালাই ও এন্ড প্রডাক্ট। :D

আগামী পর্ব কি নতুন কেউ?? --- হুম; আপনি নিজেও মাঠে নেমে পড়তে পারেন। আমরা আগেই নেমে পড়েছি আর কি!

মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। ভালো থাকুন ভ্রমণ গুরু।

৭| ২৫ শে জুন, ২০২০ সকাল ১০:০৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: একটা কথাই বলতে পারি, অসাধারণ। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সুন্দরভাবে ঘুড়িটা উড়িয়েছেন আপনি। খেলাটা জমে যাচ্ছে। কি বলে যে ধন্যবাদ দেব...
রিম সাবরিনা বা আমি এখন হয়ে গেছি ডেস্টিনির এমএলএম সিস্টেমের উপরের দিকের বস, নিচে যত লেখা আসছে আমাদের খুশীর পরিমাণ ততই বাড়ছে... কি যে ভালো লাগে-এ-এ-এ....

সত্যিকারার্থেই আপনার পর্বে গল্পের বিস্তার ঘটেছে। রবীন্দ্রনাথ, শরতের ঈশান কোণে প্রেমের আনাগোনা, ফার্স্ট ইয়ারের যন্ত্রণা, গণরুমের ছারপোকা, বাবার কাছ থেকে পাওয়া নৈতিকতা, গাম্ভীর্যের আড়ালে থাকা তারুণ্য.... সব কিছুই। অসাধারণ।

চামে আমরা জেনে গেছি যে আপনার বাড়ি রাজশাহীতে......

ও হ্যাঁ, আমি নভোকে উত্তরায় থাকা ধনী বাবার আদর্শবাদি ছেলে হিসেবে দেখাতেই ওকে উত্তরায় নিয়ে ফেলেছিলাম। যে বাবার ধন সম্পত্তির রোশনাই পছন্দ করে না.... তো আপনি যেহেতু অন্য ডাইমেনশনে এনে ফেললেন, এখন দেখি পরবর্তেতে কি হয়....
যে ঘুড়ির নাটাই ধরবে, সম্পূর্ণ স্বাধীনতা তার।

এই আপনিই যখন বিনয়ে গলে গিয়ে বলেন- ডাস্টবিনে যদি না ফেলেন..... তখন আমরা কিন্তু উৎসাহ হারিয়ে ফেলি, সুতরাং সাধু সাবধান।

প্রিয়তে থাকলো অবশ্যই। একদিন এই সিরিজের সবাইকে নিয়ে একদিন গেট টুগেদার করবো...

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৩৮

আখেনাটেন বলেছেন: আপনাদের অনুরোধে (নাকি আকবরীয় হুকুম/আদেশ) ঢেঁকি গিলে ভয়ে ভয়েই ছিলুম। শেষে আমার মতো নাদানের পক্ষে হজম করা সহজ হবে তো...শেষে এইটি পয়দা হল। ভালো লেগেছে জেনে আপ্লুত হলুম। :D

সত্যিকারার্থেই আপনার পর্বে গল্পের বিস্তার ঘটেছে। রবীন্দ্রনাথ, শরতের ঈশান কোণে প্রেমের আনাগোনা, ফার্স্ট ইয়ারের যন্ত্রণা, গণরুমের ছারপোকা, বাবার কাছ থেকে পাওয়া নৈতিকতা, গাম্ভীর্যের আড়ালে থাকা তারুণ্য........সব কিছুই। -- কেঁদে দিলুম। :((

ও হ্যাঁ, আমি নভোকে উত্তরায় থাকা ধনী বাবার আদর্শবাদি ছেলে হিসেবে দেখাতেই ওকে উত্তরায় নিয়ে ফেলেছিলাম। যে বাবার ধন সম্পত্তির রোশনাই পছন্দ করে না.... ---- আমিও এ দিকটি নিয়ে ভেবেছিলুম। অনেক ভেবে শেষে চিন্তা করলুম, ধনী আবার আদর্শবাদি এটি কেমন যেন যায় না। আবার পড়ে দেখি...যেহেতু নভোর পারিবারিক ইতিহাস আলোকপাত করা হয় নি আগের পর্বে, তাই সুযোগটা লুফে নিলুম। বাসে যাতায়াত, ঠোঙ্গা কুড়ানো, বিপদ সামলানো এগুলো সাধারণত মধ্যবিত্তের আদর্শবাদি পোলার কাজ...দুইয়ে দুইয়ে চার.....আবার হল-এর সাথেও একটি কানেকশন তৈরি করা যাবে মানে পরবর্তী লেখকেরা ক্যাম্পাসভিত্তিক গল্পটাকে ইচ্ছে করলে টানতে পারবেন। এই ভেবেই......... B:-)

যে ঘুড়ির নাটাই ধরবে, সম্পূর্ণ স্বাধীনতা তার। -- এটাই মনে এই গল্পের মজা....হা হা

একদিন এই সিরিজের সবাইকে নিয়ে একদিন গেট টুগেদার করবো... -- দুর্দান্ত ব্যাপার হপে সেটা....। সেক্ষেত্রে কিউট তাফসু মিয়ার মাকে রাজি করানোর দ্বায়িত্বও আপনার......। B-)

চমৎকার মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা ব্লগার পদ্ম পুকুর। এখন আমিও রেসের একজন.....। হা হা হা। দেখি বাজির ঘোড়া কদ্দুর দৌড়াই নাকি কারের চাকার নিচেই...... :((

৮| ২৫ শে জুন, ২০২০ সকাল ১০:০৭

পদ্ম পুকুর বলেছেন: @ নিয়াজ সুমন, আপনি ২য় পর্বের নিচে দেয়া ডিসক্লেইমারটা পড়লেই বুঝতে পারবেন। এবং আপনাকেও আমন্ত্রণ পরবর্তী পর্ব লেখার জন্য।

৯| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: নভো আর মৃনের প্রকাশগুলো খুব রোমান্টিক ছিল, নভোর ঈর্ষাটুকুও উপভোগ্য। এমন রোমান্টিসিজম তো জীবনে পাই নাই, তাই ডুবে গেছিলাম :(

মোবাইলে খোঁজাখুঁজির ব্যাপারটা আমি ধরতে পারলাম না :( যা ভাবছিলাম, তা মিলছে না :(

সুন্দর লেখা।

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: নভো আর মৃনের প্রকাশগুলো খুব রোমান্টিক ছিল, নভোর ঈর্ষাটুকুও উপভোগ্য। এমন রোমান্টিসিজম তো জীবনে পাই নাই, তাই ডুবে গেছিলাম -- হা হা হা। মিয়া ভাই, এ কি কন! ঝেঁড়ে কাশুন দেখি! কিছু তো গোপুন করচেন না। :P

মোবাইলে খোঁজাখুঁজির ব্যাপারটা আমি ধরতে পারলাম না... যা ভাবছিলাম, তা মিলছে না --- গণরূমের গণশত্রু ছারপোকা।হা হা হা।

অনেক ভালো লাগল আপনার মতো গুণীজনকে মন্তব্যের ঘরে দেখে। ভালো থাকুন নিরন্তর।

১০| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ওহ্‌, বলতে ভুলে গেলাম। শেষমেষ অ্যাক্সিডেন্ট করানোর দরকার ছিল কি?

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

আখেনাটেন বলেছেন: শেষমেষ অ্যাক্সিডেন্ট করানোর দরকার ছিল কি? --- কাছের মানুষ লিখেছেন, 'শেষে সাসপেন্সে শেষ হল'। আমিও তাই ভেবেই লিখেছি। এখন পরবর্তী লেখকের ঘাড়ে বোঝা...উনি অ্যাক্সিডেন্ট করাবেন নাকি করাবেন না, হাসপাতালে নিবেন নাকি নিবেন না, মেরে ফেলবেন নাকি ফেলবেন না, গাড়িটিকে শেষ মুহূর্তে....কিছু একটা করবেন নাকি করবেন না.....নানামুখি 'কিন্তু'...নিয়ে ভাবুক পরের জন....... :((

কৃতজ্ঞতা ...ছাই ভাই। ভালো থাকুন নিরন্তর।

১১| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৩৬

কাছের-মানুষ বলেছেন: চমৎকার হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলছে কাহিনী।

নভো আর মৃনের সম্পর্ক জমে উঠেছে। শেষে সাসপেন্সে শেষ হল।

+++

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫০

আখেনাটেন বলেছেন: কাছের-মানুষ বলেছেন: চমৎকার হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলছে কাহিনী। -- অশেষ ধন্যবাদ ব্লগের কল্প কাহিনির গুরু। :D

নভো আর মৃনের সম্পর্ক জমে উঠেছে। --- B-) দেখা যাক, পরের জন কীভাবে 'এ ইশক কি রাস্তা' পগার পার করে।

ভালো থাকুন।

১২| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৪৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: নভো আর মৃনের প্রকাশগুলো খুব রোমান্টিক ছিল, নভোর ঈর্ষাটুকুও উপভোগ্য। এমন রোমান্টিসিজম তো জীবনে পাই নাই, তাই ডুবে গেছিলাম :( মোবাইলে খোঁজাখুঁজির ব্যাপারটা আমি ধরতে পারলাম না :( যা ভাবছিলাম, তা মিলছে না :(

হা হা হা, একটু আগেই তো দেখে আসলাম রামালা 'সোনারু' বলে ডেকে বুকে টেনে নিচ্ছে.... ও্গুলো কি তাহলে পিটি প্যারেডের অংশ ছিলো? :-P
আর মোবাইলে খোঁজাখুঁজির ব্যাপারটা বোধহয় গণরুমের গণশত্রু ছারপোকা হবে, যদি আমি ভুল না করে থাকি!

আমার খুব ইচ্ছে, আপনি একটা পর্বের নাটাই ধরেন।

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫১

আখেনাটেন বলেছেন: আমার খুব ইচ্ছে, আপনি একটা পর্বের নাটাই ধরেন। --- আমিও সহমত পোষণ করলুম। দুর্দান্ত ব্যাপার হবে। :D

১৩| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আর মৃণকে গাড়িচাপা থেকে বাঁচাতে পারেন আপনিই @ সোনারু...

আমরা যখন ক্যাম্পাসে ছিলাম, ২০০৪ এর দিকে আমাদের পরিচিত বিএনসিসি'র ক্যাডেট একটা মেয়ে শাহবাগে বাসের চাপায় মারা গিয়েছিলো। ওই সময় তার ছেলেবন্ধুও তারই সাথে চাপা পড়ে কিন্তু সৌভাগ্যবশত বাসের দুই চাকা ছেলেটার দুই পাশ দিয়ে চলে যাওয়াতে সে বেচে যায়। কিন্তু মেয়েটার মাথার উপর দিয়ে বাসের চাকা চলে যায়।..

পরবর্তী পর্ব যিনি লিখবেন, তার কাছে অনুরোধ, দয়া করে সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনবেন না।

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫৬

আখেনাটেন বলেছেন: পদ্ম পুকুর বলেছেন: আর মৃণকে গাড়িচাপা থেকে বাঁচাতে পারেন আপনিই @ সোনারু... --- ব্যাটনটা তুলে নিলে অবশ্যই আমরা খুশি হতুম।

হুম, ঘটনাটা জানি। ক্যাম্পাসের আরো অনেক দুর্ঘটনার কথা মাথায় রেখেই শেষের ঐ সাসপেন্স।

পরবর্তী পর্ব যিনি লিখবেন, তার কাছে অনুরোধ, দয়া করে সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনবেন না। --- আশা করি, উনারা সদ্য উড়তে শেখা লাভ-বার্ড মৃনভো'কে এই অবস্থা থেকে বের করে আনবেন সুচারুভাবেই।

১৪| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: কি সুন্দর লিখেন আপনি!

আফসোস হয় খুব আমি যে কেন ভালো লিখতে পারি না।

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: রাজীবদা কি প্রশংসা করলেন নাকি কাড়াওয়ালা বাঁশ দেখালেন। :((


ভালো থাকুন পরীকে নিয়ে...........

১৫| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আজকে চান্দু চিপায় পাইছি। ক্লাসের মধ্যে বিরাট সাধু সেজে থাকো। ঠোঙ্গা কুড়াও" - কঠিন ডায়ালগ! :D
রাজহাঁসের সূর্য দেখার মত করে হাতের কব্জি ঘুরিয়ে হাতঘড়িতে নভোর সময় দেখার ভঙ্গিমার বর্ণনাটা একেবারে লা-জবাব হয়েছে! ম্যাডাম এর নামটাও জব্বর! :)
ঠোঙ্গার প্রসঙ্গটাকে ফিরিয়ে আনাতে প্রীত হ'লাম। আশাকরি, এতে পুলক ঢালীও প্রীত হবেন।
শেষের টুইস্টটা মারাত্মক হয়েছে।
নাটাই হাতে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ। গল্প লেখার স্টাইলে মুন্সীয়ানা প্রস্ফূটিত, তাই ভাল লাগা রেখে গেলাম।+ +

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:১০

আখেনাটেন বলেছেন: ম্যাডাম এর নামটাও জব্বর! -- ঐ নামে কিন্তু ... বিভাগে একজন নামকরা ম্যাডাম রয়েছেন। :D


ঠোঙ্গার প্রসঙ্গটাকে ফিরিয়ে আনাতে প্রীত হ'লাম। আশাকরি, এতে পুলক ঢালীও প্রীত হবেন। -- ঠোঙ্গার ব্যাপাারটার একটি সুরতহাল হওয়ার দরকার ছিল বলে আমার মনে হয়েছে। জানি না সেটা কতটা কার্যকর উপায়ে করতে পেরেছি। হয়ত দেখা গেল লেখিকা যা বুঝাতে চেয়েছেন আমি তার ১৮০ ডিগ্রি বিপরীতে অবস্থান নিয়েছি। হা হা হা। এই গল্প লেখা শেষ হলে লেখিকা 'ঠোঙ্গা' ইতিহাস খোলাসা করলে আমরাও আপ্লুত হতুম। :D

শেষের টুইস্টটা মারাত্মক হয়েছে। -- আমিও অপেক্ষা করব.....পরের জন কীভাবে এই জাল ছিঁড়ে বের হয়ে মৃনভো'কে নয়া গন্তব্যের দিশা দেখায়। :)

আপনার কোট করা মন্তব্যে ও ভালো লাগায় ভীষণ প্রীত হলুম প্রিয় ব্লগার।

১৬| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:

হা হা হা, একটু আগেই তো দেখে আসলাম রামালা 'সোনারু' বলে ডেকে বুকে টেনে নিচ্ছে.... ও্গুলো কি তাহলে পিটি প্যারেডের অংশ ছিলো? ;)

এমন একটা কথা উঠে আসতে পারে, আমার আশঙ্কা সত্যি হলো

রাজা কৃষ্ণচন্দ্র গোপালকে বললেন, এক হাতে বুদ্ধি, আরেক হাতে টাকা, তুমি কোনটা নিবা? গোপাল তৎক্ষণাৎ উত্তর দেয়- টাকা। ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়া রাজা দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে বলেন, আমি হলে বুদ্ধি নিতাম। গোপালও সাথে সাথে বলে- যার যেটার অভাব সে-তো সেটাই নিবে :) জানা গল্পটা আবার বললাম

তো, কথা এখানেই :) যার যেখানে শূন্যতা বা অপূর্ণতা আছে, সে ব্লগে লিখে সেটা দিয়ে ঘোলের স্বাদ দুধে মিটায়

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: যার যেখানে শূন্যতা বা অপূর্ণতা আছে, সে ব্লগে লিখে সেটা দিয়ে ঘোলের স্বাদ দুধে মিটায় --- হা হা হা; এটা কিন্তু বড়দা একটি দুর্দান্ত কথা কইছেন। কথা পছন্দইছে। :P

তাহলে যারা প্রেমের গল্প-কবিতা লেখে তারাও কি তাইলে....... :((

প্রেম-সাহিত্য রচিয়তারা...তোমরা কোনঠে বাহে.....ছাই ভাই ইহা কি কয়....... ;)

১৭| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এই পোস্টে মন্তব্য বাড়লে আমার ভাললাগে ক্যান ঠিক বুঝতে পারছি না...

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:২৬

আখেনাটেন বলেছেন: :-P আপনিও মৃনভোর রসে মজেছেন মনে কয়।

১৮| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:২৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সোনারু ভাই,
উত্তরটা জব্বর হইছে। আপ্নের যোগ্যই। @ সোনারু... (নামটা পছন্দ হইছে)

আমি অবশ্য গল্পটা জানতাম এভাবে:
ধর্ম ক্লাশে টিচার জিজ্ঞাসা করলেন- বাবু, যদি তোমার এক হাতে জ্ঞান আর অন্য হাতে টাকা দেয়া হয়, তুমি কোনটা নিবা? বাবু কোনো কিছু না ভেবেই বলল- টাকা স্যার!
স্যারের একটু মন খারাপ হলো। এতদিন এই তাহলে নৈতিকতা শিখালাম!! মন খারাপ করে অবসন্ন কন্ঠে তিনি বললেন- বাবু, আমি হলে কিন্তু জ্ঞানটাই নিতাম...
বাবু আগের চেয়েও দ্রুততার সাথে বলল- ঠিকই তো আছে স্যার, যার যেটার অভাব....

১৯| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
তাহলে যারা প্রেমের গল্প-কবিতা লেখে তারাও কি তাইলে....... :( প্রশ্ন কইরা তো বিপদে ফেলে দিলেন :)

সোনারু... (নামটা পছন্দ হইছে) ব্যাপারটা ভালো লাগলো তবে :) কে, কী বলে বসে চিন্তায় আছিলাম বটে :)

আমি অবশ্য গল্পটা জানতাম এভাবে :
একই গল্পের নানা সংস্করণ দেখা যায় বাজারে। অনেক কৌতুক গোপাল ভাঁড়, নাসিরউদ্দিন হোজ্জা এবং আরেকজন রাশান ব্যক্তির (সম্ভবত) নামে চালু দেখা যায়। এ নিয়ে ব্লগেই বোধহয় একবার একটা পোস্ট পড়েছিলাম। তবে, আপনার বলাটাই সেরা মনে হচ্ছে। নীতিশিক্ষার গল্প যেহেতু, তাই ধর্মের ক্লাসেই মানায় :)

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪০

আখেনাটেন বলেছেন: প্রশ্ন কইরা তো বিপদে ফেলে দিলেন- ---- হা হা হা; আমি বিপদে ফেলাই নি ...ছাই ভাই। সত্যিকারের বিপদ আপনার তখনই হবে যখন কোনো পোড় খাওয়া প্রেমকাব্য রচনাকারী আপনাকে শুলে চড়াবে...... হা হা হা হা.হা হা হা হা হা হা। আমি তার অপেক্ষায় থাকলুম। :P

২০| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৬

মেঘশুভ্রনীল বলেছেন: অসাধারন! একটানে ক্যাম্পাস লাইফে চলে গেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে। মনে হচ্ছে আপনারও গনরুমের অভিজ্ঞতা আছে।

নভো আর মৃন একটু একটু করে পূর্ণতার দিকে যাচ্ছিল, আশা করি আপনার টুইস্টের পর ওরা এখনি হারিয়ে যাবে না। নাটাই এখন ষষ্ঠ জনের হাতে।

২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪৫

আখেনাটেন বলেছেন: :D B-)

আপনি এসেছেন দেখে ভালো লাগল।


নভো আর মৃন একটু একটু করে পূর্ণতার দিকে যাচ্ছিল, আশা করি আপনার টুইস্টের পর ওরা এখনি হারিয়ে যাবে না। --- দেখি, পরের জন কীভাবে মৃনভোকে উদ্ধার করে এই বিপদ থেকে, নাকি এখানেই সলিল সমাধি। :(

যে নাটাই আপনারা উড়িয়েছেন, তা উড়তে থাকুক নীলনভোকাশে....

মন্তব্যে প্রীত হলুম। ভালো থাকুন।


২১| ২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪০

লাবনী আক্তার বলেছেন: ঘুম থেকে উঠেই লেখাটা পড়েছিলাম। কিন্তু কমেন্ট করা হয়নি।

ওগো তুমি নিরুপম
হে ঐশ্বর্য বান
তোমারে যা দিয়েছিনু
সে তোমারি দান,
গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়
হে বন্ধু বিদায়!
শেষের কবিতা বড্ড প্রিয় আমার।


গল্পটা ভালো লেগেছে। আগের পর্বগুলো পড়া হয়নি। সময় করে পড়ে নিব।


২৫ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: ওগো তুমি নিরুপম
হে ঐশ্বর্য বান
তোমারে যা দিয়েছিনু
সে তোমারি দান,
গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়
হে বন্ধু বিদায়! শেষের কবিতা বড্ড প্রিয় আমার।
----------রবিবাবুর ঐ অমর সৃষ্টি অনেকেরই প্রিয়। অমিত-লাবণ্যকে না ভালোবেসে কি পারা যায়?

আগের পর্বগুলোও পড়বেন নিশ্চয়। ভালো লাগবে বলায় যায়। ভিন্ন ভিন্ন লেখকের লেখা অবশ্যই মজার। :D

২২| ২৫ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: দারুণ !! দারুণ !! দারুণ !!
নিঃসন্দেহে চমৎকার এগুচ্ছে .........।

অনেক অনেক ভালোলাগা +++

২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:৩৭

আখেনাটেন বলেছেন: অনেক অনেক শুভেচ্ছা মনিরাপা মন্তব্যের জন্য। আপনাকে ব্লগে ইদানিং খুবই কম দেখি।


ভালো থাকুন।

২৩| ২৫ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:

গল্পটা জমে উঠেছে। জমে উঠেছে সিরিজও। পোস্টে অষ্টম লাইক।
তবে এই পর্বের লেখক মহোদয় যেহেতু মিশরের ফারাও। বিভিন্ন লেখনীতে উনি ওনার রাজকীয় আভিজাত্যের ছোঁয়া রাখেন। কিন্তু আজ ওনার লেখাটা আমার মতো প্রজা সুলভ হয়ে গেছে। ধৃষ্টতা মাপ করবেন জাঁহাপনা।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:০৪

আখেনাটেন বলেছেন: :D

আপনার আগমনে খুশি হলুম পদাতিক দা।

কিন্তু আজ ওনার লেখাটা আমার মতো প্রজা সুলভ হয়ে গেছে। ধৃষ্টতা মাপ করবেন জাঁহাপনা। -- হা হা; রাজা-প্রজা নিয়েই তো জীবন। মোগলাই পরাটার সাথে মাঝে মাঝে না হয় দেশি ছোলা-বাটুরেও ভক্ষণ করলেন। B-)

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

২৪| ২৫ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৫

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: সুন্দর পোস্টে ভালো লাগা।

২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য ব্লগার মোহাম্মদ গোফরান।


ভালো থাকুন।

২৫| ২৫ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আরেব্বাস এসব কবেত্থন চলছে, আগেরগুলান পড়তে হবে

২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:১০

আখেনাটেন বলেছেন: কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আরেব্বাস এসব কবেত্থন চলছে, আগেরগুলান পড়তে হবে -- :D পড়ে ফেলুন। সময় থাকলে এক পর্ব লিখেও ফেলুন মৃনভো কাহানি।

ভালো থাকুন ছবিপা।

২৬| ২৫ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৯

এম ইসলাম বলেছেন: দুর্দান্ত আকর্ষণীয় সিরিজ তো ! পর্যায়ক্রমে গল্প বলার আসর !! যে কেউ কি লিখতে পারে পরবর্তী পর্ব ? নাকি শুধু আপনাদের নির্বাচিত জন-ই লেখার আনুমতি পান ??

২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:১২

আখেনাটেন বলেছেন: নিচের ৩০নং মন্তব্যে ব্লগার পদ্মপুকুর বলে দিয়েছেন খোলাসা করে। আপনিও লিখতে পারেন। :D

লেখা ভালো লাগায় ধন্যবাদ ব্লগার এম ইসলাম। ভালো থাকুন।

২৭| ২৫ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০১

মিরোরডডল বলেছেন: আনা, প্রথম টুইস্ট হচ্ছে নভোর ট্রান্সফরমেশন । গত চার পর্বে যে নভোকে দেখেছি, এখানে ইমেজটা অন্যরকম । তাদের কথোপকথন ভালো লেগেছে । প্রেমের পূর্বাভাষ । লাস্টে একটা সাসপেন্স থাকলেও আমার মনে হয়না নভো মারা যাবে, তাহলেতো গল্প ওখানেই শেষ । এটা হবে গল্পের শুরু । রোম্যান্টিক প্লট শুরু হতে যাচ্ছে :)

২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:২২

আখেনাটেন বলেছেন: মিরোরডডল বলেছেন: আনা, প্রথম টুইস্ট হচ্ছে নভোর ট্রান্সফরমেশন । --- ঠিক ধরেছেন মিড। যেহেতু প্রোটাগনিষ্টের নামেই গল্প, সেহেতু মি: নভো যদি কথা-বার্তা বন্ধ রাখে তাহলে তো...সে জন্য বেচারাকে দিয়ে ইচ্ছেমত কথা বলিয়েছি। অর্থাৎ কথা কম বলি ঠিক আছে, তবে যারে ভালো লাগে তারে পাইলে........ :P

লাস্টে একটা সাসপেন্স থাকলেও আমার মনে হয়না নভো মারা যাবে, তাহলেতো গল্প ওখানেই শেষ । -- এরের পরের পর্ব যিনি লিখবেন তিনি নিশ্চয় মৃনভোর প্রেমের অবগাহনের শুরুতেই সলিল সমাধি ঘটাবেন না। :((

রোম্যান্টিক প্লট শুরু হতে যাচ্ছে -- উড়ুক পাখি নীলকাশে.......। :D

চমৎকার মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ব্লগার মিড। ভালো থাকুন।

২৮| ২৫ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনি নাভোনীলের পঞ্চম লেখক?? এ বিষয়টি ব্যতিক্রমী মনে হলো । পরের পর্ব কে লেখবে? বেশ জমে ওঠেছেতো । চমৎকার।

২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:২৪

আখেনাটেন বলেছেন: সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনি নাভোনীলের পঞ্চম লেখক?? এ বিষয়টি ব্যতিক্রমী মনে হলো । পরের পর্ব কে লেখবে? বেশ জমে ওঠেছেতো == হা হা। মজার বটে। সেলিম ভাই আপনিও হাত লাগাতে পারেন কোনো এক পর্বে...... :D

শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন।

২৯| ২৫ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমি কাউকে বাশ দেই না। কোনো দিন দিবোও না।

আছা, পোষ্টে যে ছবিটা দিয়েছেন। ফুল গুলোর নাম কি? আমি নামটা জানতাম। এখন কিছুতেই মনে করতে পারছি না।

২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:২৫

আখেনাটেন বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: আমি কাউকে বাশ দেই না। কোনো দিন দিবোও না। -- ব্লগার নুরু ভাই রাজি হলে আমিও রাজি। :P

আছা, পোষ্টে যে ছবিটা দিয়েছেন। ফুল গুলোর নাম কি? আমি নামটা জানতাম। এখন কিছুতেই মনে করতে পারছি না। ===এই রে সারছে........কেউ এসে আমাকে উদ্ধার করুন প্লিজ....... :(

৩০| ২৫ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:৪২

পদ্ম পুকুর বলেছেন: @ এম ইসলাম এবং সেলিম স্যার, পরের পর্ব যে কেউ লিখতে পারবেন, কোনো চয়েস নেই। এটা একটা খেলাচ্ছলে লেখাচ্ছল (লেখা+উচ্ছল)। তবে কেউ একজন পর্ব ৬ দিয়ে দিলে অন্য কেউ একই পর্ব না দেয়াটাই শ্রেয়। প্লিজ ট্রাই করে দেখুন না।

৩১| ২৬ শে জুন, ২০২০ রাত ১২:৩০

জেন রসি বলেছেন: পড়া শুরু করছিলাম। তারপর মনে হলো আগের পর্ব গুলো পড়ে ফেলা দরকার। প্রথম থেকে পড়ে আবার আসতেছি :)

৩২| ২৬ শে জুন, ২০২০ রাত ১:২২

জেন রসি বলেছেন: খায়রুল ভাই শেষের কবিতা ধরিয়ে দিয়েছিলেন। আমি ভাবছিলাম আপনি আবার রবি ঠাকুরের সাথেই না তর্কে জড়িয়ে যান :P

বেশত খুনসুটি উপভোগ করছিল পাঠক। এখনত দুরু দুরু বুকে অপেক্ষা করতে থাকবে।

ভালো লিখেছেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার এখন পর্যন্ত ৫ জন মিলে গল্পটি লিখেছে। কিন্তু কোথাও ছন্দপতন হয়নি। :)

৩৩| ২৬ শে জুন, ২০২০ রাত ২:০৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: আগের পর্বগুলো পড়া হয়নি। শেষে এসে জানলাম কজন মিলে লিখছেন। হলে এমন প্রতিযোগিতা হতো একজনের শেষের অংশ থেকে আরেক জনের গল্প বলা। কোন থিমে শুরু আর কোন থিমে শেষ অনেক সময় মাথামুন্ডু এলোমেলো হয়ে যেত। আবার অনেক সময় দারুণ গল্প তৈরি হতো।
মন্তব্য পড়ে মনে হলো এই গল্প একটা ধারায় এগুচ্ছে। বাকীগুলো পড়ে নেবো।
ঠোঙ্গা পরিস্কারের ব্যাপারটা দারুণ লাগল। সবাই যদি এই ধারনাটা মনে রাখত নোভর বাবার মতন।
হল জীবনে সিট না পাওয়া। ক্যাম্পাস, ক্লাস বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস, পরিচিতি, আকর্ষণ, আবেগ এবং শেষের ঘটনাটাও পরিচিত স্মৃতি তাড়িত হলাম সুন্দুর হয়েছে। এখন কে লিখবে দেখা যাক কই যায় কার হাতে গল্পের তরণী কেমন ভাসে।

৩৪| ২৬ শে জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৬

করুণাধারা বলেছেন: সময় নিয়ে পড়তে হবে। নির্বাচিত পাতায় আপনার পোস্ট!!! দেখামাত্র লাইক!

৩৫| ২৬ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫৪

পুলক ঢালী বলেছেন: দারুন লিখেছেন খুব সুন্দর কমেডি যোগ করে এক রাত্রেই যেভাবে কাছাকাছি এনে বোবা ছেলেটাকে মুখরা বানিয়ে দিয়েছেন ভাবছি আপনার পিছে পিছে এসে ওদের বিয়ে পড়িয়ে দেবো কিনা !! ;) :D =p~
ভাল থাকুন মিশরীয় ভাই।

৩৬| ২৬ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনাকে পুলক ঢালী স্যার বেশিক্ষণ অপেক্ষা করাতে রাজী নন। এই যে দেখেন পর্ব ৬

৩৭| ২৬ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:১৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,



চলছিলো ভালোই কিন্তু শেষটা ঢাকাইয়া ছবির দৃশ্যের মতো হয়ে গেলনা ? ধনী পিতার আদর্শবান ছেলে যেমন যায়না বলে ভেবেছিলেন তেমনি এখানটাও ভাবতে পারতেন। :(

তবে লাবণ্য আর কেটি'র প্রসঙ্গ টেনে মৃন্ময়ীর থমকে যাবার দৃশ্যটি চমৎকার ।

৩৮| ২৭ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১০

ঢুকিচেপা বলেছেন: লেখাটা যেভাবে হাত বদল করে চলছে তাতে চমৎকার একটি সমাপ্ত টেনেছেন।
আর যেটা বলতে হচ্ছে, এই অংশে লেখাটা প্রাণ পেয়েছে।
আশা করছি সামনের বই মেলায় এটা ছাপার অক্ষরে দেখতে পাব।

(দেখলাম অনুসরণ করছেন, মানে হলো আমি সামনে আর আপনে পিছনে। এখন আমিও আপনাকে অনুসরণ করছি, মানে হলো কোন আগে-পিছে নাই=রাউন্ড সেপ) আমি অভিভূত।

৩৯| ৩০ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৪০

নিয়াজ সুমন বলেছেন: পর্ব – ৭ নভোনীল

পড়ার আমন্ত্রন।
ধন্যবাদ নভোনীল পুর্বের সব লেখকদের যাদের অনুপ্রেরণায় আমার পদচারনা এই প্লটে ।

৪০| ৩০ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

শুভ্রনীল শুভ্রা বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: আছা, পোষ্টে যে ছবিটা দিয়েছেন। ফুল গুলোর নাম কি?

লেখক বলেছেন: ===এই রে সারছে........কেউ এসে আমাকে উদ্ধার করুন প্লিজ.......

উত্তরঃ ফুলের নাম 'পেটুনিয়া।'

৪১| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ১২:৫৭

রাকু হাসান বলেছেন:


হাহাহাহা :D নভোর যুদ্ধাভিযান বর্ণনা দারুণ লাগলো। নভো মাঝে মাঝে দিলখোলা হয়ে যায় ,মৃনকে প্রায়ই লক্ষ্য করলাম । দুইজনই সরলমনা ।নভোর বাবার ঠোঙ্গা কুঁড়ানোর বিষয়টি ভাল লাগলো। নতুন কিছু যোগ হলো মনে হচ্ছে যদি ভুল না করি ।
গল্পে আপনার নিজের একটা ছাপ রেখে গেছেন ।তবে এমন জায়গায় কেউ শেষ করে। :(

৪২| ২০ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: এই পর্ব পড়ে বুঝা গেলো। পূর্বের সকল লেখকদের মাঝে ইনিই বেশ নভো এর উল্টা টাইপ কেউ একজন। তাই নভোএর মাঝেও ঢুকিয়ে দিসেন নিজেকেই হয়ত। তাই লেখায় একটা নতুন ভাব এসেছে। আমি তো ভাবছিলাম মৃনকেও ঠোঙ্গা কুরাতে লাগিয়ে দেবেন নাকি? তারপর বেশ হবে। একজোড়া দেব দেবী সারা স্বর্গদ্যানে ঠোঙ্গা কুড়াচ্ছে। বাহ স্বর্গীয় দৃশ্যও হবে। ফানও হবে বেশ।

৪৩| ২২ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৩:০৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: নভোনীল পর্ব -৮

প্রথম পাতায় এক্সেস না থাকায় লিঙ্ক দিয়ে গেলাম।

৪৪| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আপনার হাতে গল্পটা অন্যমাত্রায় পৌঁছে গেল।

চমৎকার।++++

৪৫| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৭:২২

বিলুনী বলেছেন:



নভোনীলের ধারাবাহিকতায় একটি পুর্নাঙ্গ ও প্রাসংগিক কথা সমৃদ্ধ স্বার্থক গল্প উপহার দিয়েছেন। গল্পটি পাঠেমুগ্ধ ও তৃপ্ত,
সামুর সেরা গল্পগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো গল্পটির প্রকাশ সময় পর্যন্ত সামুতে থাকা
শুধুমাত্র প্রাসংগিক পর্বগুলির লিংক দিয়েছেন, পরে এডিট করে পরবর্তী পর্ব লিংক পোষ্টে টেনে আনেননি দেখে ভাল লাগল।

৪৬| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩২

নীল আকাশ বলেছেন: আগে পিছে কিছু না পড়ে আপনার লেখা পড়ে গেলাম।
লাস্টে বাংলা সিনেমার ফিনিস ট্যুইস্ট? পরের জনকে তো প্যাঁচে ফেলে দিয়ে গেলেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.