![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হায় চিল, সোনালি ডানার চিল, এই ভিজে মেঘের দুপুরেতুমি আর কেঁদো নাকো উড়ে উড়ে ধানসিড়ি নদীটির পাশে!
অনেক উঁচু রাজপ্রাসাদের জানালা পাহারা দিচ্ছে দৈত্যাকৃতির মেঘের দল।
রাজকন্যা বন্দিনী কঠিন নিয়মের নিগড়ে।
রাজ্যের বাতাস নীরব নিশ্চল।
বহুপথ পার হয়ে হতদরিদ্র রাজপুত্র এসে দাঁড়াল প্রাসাদের নিচে।
রাজকন্যাকে দেবার জন্য নিজের হৃদয় নিয়ে এসেছে সে।
কিন্তু রাজকন্যার কুচবরণ দিঘল কেশ সিন্দুকে তুলে রেখে দিয়েছেন অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ রাজা।
কেশের জাদুকরী কৌশলে যাতে রাজকন্যার কাছে পৌঁছাতে না পারে হতদরিদ্র রাজপুত্র।
রাজপুত্রের কাছে ছিল অচিন বৃক্ষের বীজ।
দ্রুত সে বৃক্ষবীজ রোপন করল মাটিতে।
কিন্তু জল চাই যে বৃক্ষবীজের অঙ্কুরোদ্গমের জন্য, বেড়ে ওঠার জন্য চাই আকাশস্পর্শী স্পর্ধা।
বৃক্ষ বাড়তে বাড়তে প্রাসাদের উঁচু জানালা স্পর্শ করলে তবেই রাজকন্যা খুঁজে পাবে মুক্তির পথ!
কিন্তু এ কেমন রাজ্য!
কাছাকছি জল নেই যে, নদী নেই, নেই কোনো সরোবর, সমুদ্র!
জল ছাড়া কী করে হবে বীজের অঙ্কুরোদ্গম?
কী করে পরিণত হবে বৃক্ষে?
কী করে সেই বৃক্ষ প্রসারিত হবে প্রাসাদের জানালা পর্যন্ত?
ভীষণ চিন্তায় পড়ল রাজপুত্র!
দূরের আকাশ থেকে নেমে এল একটি তীক্ষ্ণঠোঁট ঈগল। রাজপুত্রকে জিজ্ঞেস করল, কী চিন্তা করছ?
রাজপুত্র বলল তার একান্ত ইচ্ছের কথা।
কিন্তু এ রাজ্য যে বৃক্ষহীন! এ রাজ্যে বৃক্ষ বাঁচে না! ঈগল জবাব দিলো বিষণ্ণ কণ্ঠে।
কেন? রাজপুত্রের অবাক জিজ্ঞাসা।
বুঝতেই পারছ, জল নেই তাই!
নিশ্চিত তুমি জল নেই রাজ্যের কোথাও?
ভালোভাবে জেনেই বলছি আমি রাজপুত্র।
কিন্তু রাজপুত্রের জল না হলে যে চলবেই না!
জল চাই যেকোনো মূল্যে।
রাজপুত্র চিন্তা করল দ্রুত। বলল, আচ্ছা! তুমি কি আমাকে একটু সাহায্য করবে?
বলো কীভাবে সাহায্য করতে পারি আমি? ঈগল জানতে চাইল।
তুমি তোমার তীক্ষ্ণঠোঁটে উপড়ে নাও আমার বামহাতের কনিষ্ঠ আঙুল। রাজপুত্রের দৃঢ়কণ্ঠ।
রাজপুত্রের কথায় ভীষণ অবাক হয় ঈগল। এমন অদ্ভুত কথা সে শোনেনি কোনোদিন! তাই সে বলল, কী বলছ তুমি!
যা বলছি মঙ্গলের জন্য বলছি! বলছি কল্যাণের জন্য! এবং ভালোবাসার জন্য! আমার কথাটা রাখবে না তুমি?
রাজপুত্রের সকরুণ আর্তি উপেক্ষায় অসমর্থ ঈগল তা-ই করল অবশেষে।
ধারালো ঠোঁটের একটানে উপড়ে নিল রাজপুত্রের বামহাতের কনিষ্ঠ আঙুল।
রাজপুত্র ব্যাথায় চিৎকার করে উঠল।
প্রচণ্ড ব্যাথায় চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় নামল জল।
সেই জলে দরিদ্র রাজপুত্র সিঞ্চিত করল বৃক্ষবীজ।
অঙ্কুরোদ্গম সম্পন্ন হলো অচিন বৃক্ষের।
এরপর দরিদ্র রাজপুত্র মধ্যম আঙুল উপড়ে নেবার অনুরোধ করল ঈগলকে।
হতবাক ঈগল তা-ই করল।
রাজপুত্রের চোখের জলে বৃক্ষ বেড়ে উঠল অনেকটা।
একে একে সমস্ত আঙুল হারাল রাজপুত্র।
হারাল হাত পা শরীরের প্রায় সব অঙ্গ।
গাছ প্রায় উঠে এসেছে অবরুদ্ধ রাজকন্যার জানালার কাছাকাছি।
এবার?
রাজপুত্রের কাছে অবশিষ্ট শুধু চোখ আর হৃদয়!
কী উৎসর্গ করবে রাজপুত্র এবার?
চোখ?
চোখ উৎসর্গ করলে হৃদয় পড়ে থাকবে!
কিন্তু চোখের জল পাওয়া যাবে না। বৃক্ষ বাড়বে না। পৌঁছবে না বৃক্ষ রাজকন্যার জানালা অবধি। মুক্ত হতে পারবে না রাজকন্যা। আর হৃদয় বিসর্জন দিলে রাজপুত্রের কাছে অবশিষ্ট থাকবে না রাজকন্যাকে দেবার মতো কিছু।
রাজপুত্রের কাছে রাজকন্যার মুক্ত জীবন অতীব কাঙ্ক্ষিত।
রাজপুত্র হৃদয় বিসর্জন দেবার সিদ্ধান্ত নিল।
রাজপুত্রের কথা মান্য করে ঈগল ছিন্নভিন্ন করল তার হৃদয়। রক্তাক্ত করল, ব্যথিত অন্তর নিয়ে আঘাতে আঘাতে জর্জরিত করল দরিদ্র রাজপুত্রের হৃদয়কে।
রাজপুত্রের চোখের জলের বন্যায় বৃক্ষ বাড়ল তীব্রবেগে। পরম আবেগে উঠে এল বৃক্ষ রাজকন্যার জানালা অবধি।
রাজকন্যা চন্দ্রাবতী নেমে এলো নিচে।
পরম মমতায় কুড়িয়ে নিল দরিদ্র রাজপুত্রের ভুলুণ্ঠিত সিক্ত চোখ দুটো।
চোখ আলোকিত হলো চোখের আলোয়।
তারপর অক্লেশে আকাশে মিলিয়ে গেল তারা।
বহুদিন পর চাঁদ জন্ম নিল।
জন্ম নিল শুকতারা আর সন্ধ্যাতারা।
কেউ কেউ ঠিক টের পেলো, চাঁদ আর কেউ নয়, তাদের রাজকন্যা চন্দ্রাবতী।
আর শুকতারা-সন্ধ্যাতারা হতদরিদ্র রাজপুত্রের দুই আলোকিত চোখ।
ছবি: সংগৃহীত
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৪৬
দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
কৃতজ্ঞতা থাকছে।
শুভকামনা অনিঃশেষ।
ভালো থাকবেন। অনেক। সবসময়।
২| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১০:১২
জেন রসি বলেছেন: পড়তে গিয়ে কেমন যেন রুপকথার জগতে হারিয়ে গেলাম। চোখ অথবা হৃদয়! চমৎকার ডিলেমা।
+++
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৪৭
দীপংকর চন্দ বলেছেন: শুভকামনা অনিঃশেষ সুলেখক।
ধন্যবাদ অনেক।
কৃতজ্ঞতাও।
অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়।
৩| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:১৫
কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: কাহিনীর বোতলে কবিতা আমার খুব ভাল লাগে । খুব ভাল লেগেছে ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৫০
দীপংকর চন্দ বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন। অনেক।
উপস্থিতিতে কৃতজ্ঞতা ভাই।
আমার শুভকামনা জানবেন। অনিঃশেষ।
ভালো থাকবেন। অনেক ভালো। সবসময়।
৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:২৫
শায়মা বলেছেন: রাজকন্যা চন্দ্রাবতী নেমে এলো নিচে।
পরম মমতায় কুড়িয়ে নিল দরিদ্র রাজপুত্রের ভুলুণ্ঠিত সিক্ত চোখ দুটো।
চোখ আলোকিত হলো চোখের আলোয়।
তারপর অক্লেশে আকাশে মিলিয়ে গেল তারা।
কি সাংঘাতিক!
ধরায় যখন দাও না ধরা
হৃদয় তখন তোমায় ভরা
এখন আমার আপন আলোয়
তোমায় চাহিরে !!!!!!
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৫৫
দীপংকর চন্দ বলেছেন: শিরোনামটাই আসল।
রবিঠাকুর আসলেই সাংঘাতিক!!!
'চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে"
সত্যিই তো!! সাংঘাতিক!!
হা হা হা হা
শুভকামনা জানবেন। অনেক।
অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়।
৫| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৩৬
সাহসী সন্তান বলেছেন: কাব্য ধর্মী পোস্ট! অনেক ভাল লাগলো! আসলে পড়তে পড়তে যেন রুপকথার কোন এক রঙিন দেশে চলে যাচ্ছিলাম!
শুভ কামনা জানবেন!
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৫৭
দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
আপনাদের আন্তরিকতা আপ্লুত করে আমাকে। ভীষণ।
কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভকামনা। অনিঃশেষ।
ভালো থাকবেন। অনেক। সবসময়।
৬| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৫১
কলমের কালি শেষ বলেছেন: রূপকথার গল্প যেন কবিতার মোড়কে । অসাধারণ লেগেছে ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৫৯
দীপংকর চন্দ বলেছেন: সুলেখকের জন্য শুভকামনা। অনেক।
কৃতজ্ঞতা উপস্থিতিতে।
ভালো থাকবেন। অনেক ভালো। সবসময়।
৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ২:০৭
কিরমানী লিটন বলেছেন: কাব্যের অবগাহনে কল্পনার আঁচর-অনবদ্য ভালোলাগা,নান্দনিক...
অনন্ত শুভাশিস হে সুন্দর...
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:০৭
দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
কৃতজ্ঞতার কথা বারবার বলি।
শুভকামনার কথাও।
অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়। অনেক।
৮| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৭:৪৫
রুদ্র জাহেদ বলেছেন: দারুণ।খুব ভালো লাগল।চমৎকার কাহিনী কাব্য
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:০৯
দীপংকর চন্দ বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন ভাই। অনেক।
এবং কৃতজ্ঞতা।
এবং শুভকামনা। অনিঃশেষ।
সবসময় ভালো থাকবেন। অনেক ভালো। অনেক।
৯| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৮:২৯
দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: ভাল লাগা রইল ।শুভ সকাল ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:১১
দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনিঃশেষ শুভকামনা জানবেন।
ভালো থাকবেন। অনেক।
কৃতজ্ঞতা থাকছে উপস্থিতিতে।
শুভকামনা পুনরায়।
১০| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১০:২৫
শামছুল ইসলাম বলেছেন: চমৎকার, অতি চমৎকার - কল্পনা।
//এবার?
রাজপুত্রের কাছে অবশিষ্ট শুধু চোখ আর হৃদয়!
কী উৎসর্গ করবে রাজপুত্র এবার?//
মন ছুঁয়ে গেছে।
ভাল থাকুন। সবসময়।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:১৪
দীপংকর চন্দ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। অনেক।
আন্তরিক শুভকামনা আপনার জন্য।
এবং কৃতজ্ঞতা।
অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়। অনেক ভালো।
১১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৪
আলোরিকা বলেছেন: ......অন্তরে আজ দেখব যখন আলোক নাহিরে ' ..... অসাধারণ +++
বহুদিন পর চাঁদ জন্ম নিল।
জন্ম নিল শুকতারা আর সন্ধ্যাতারা।
কেউ কেউ ঠিক টের পেলো, চাঁদ আর কেউ নয়, তাদের রাজকন্যা চন্দ্রাবতী।
আর শুকতারা-সন্ধ্যাতারা হতদরিদ্র রাজপুত্রের দুই আলোকিত চোখ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:১৬
দীপংকর চন্দ বলেছেন: "...ধরায় যখন দাও না ধরা হৃদয় তখন তোমায় ভরা,. এখন তোমার আপন আলোয় তোমায় চাহি রে॥..."
কৃতজ্ঞতা।
আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।
অনেক ভালো থাকবেন। অনেক। অনেক ভালো।
১২| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১০:৫৫
জুন বলেছেন: অনেক অনেক আগে পড়া আরব্য উপন্যাস কিম্বা রাপুঞ্জেল এর রুপকথার গল্প। তবে আপনার বলা গল্পটি ভীষন মর্মান্তিক।
কিন্ত ভাই দীপংকর চাঁদ হলো আমাদের উপগ্রহ আর শুকতারা সন্ধ্যাতারা একই গ্রহ ভেনাস বাংলায় শুক্র। সে কি করে দুটি চখ হলো
কিছু মনে করবেন না ভাই। রুপকথায় তো কত কিছুই ঘটে তাই না! একটু মজা করলাম আপনার সাথে ।
অনেক অনেক ভালোলাগা।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:২৪
দীপংকর চন্দ বলেছেন: //শুকতারা সন্ধ্যাতারা একই গ্রহ ভেনাস বাংলায় শুক্র। সে কি করে দুটি চোখ হলো//
হা হা হা হা
চোখের আলোয় যখন দেখেছিলেম তখন মনে হলো একটা চোখ, সেটাকেই আবার আরেকটা চোখ মনে হলো যখন দেখলাম চোখের বাহিরে- এই হলো কারণ একই গ্রহ দুই চোখ হবার নেপথ্যে!!!
হা হা হা হা
অনেক অনেক ভালো থাকবেন রূপকথার জগতের অধিবাসী।
শুভকামনা জানবেন। অনিঃশেষ।
১৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: পড়ার পর অনেকক্ষণ ধরে এর বিষাদী প্রভাবটা ছুঁয়ে থাকবে। চমৎকার এক রূপকথাকাব্য।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:২৮
দীপংকর চন্দ বলেছেন: একটা সুন্দর মন্তব্য বিষাদী মন ভালো করে দেবার ক্ষমতা রাখে!! ভুলিয়ে দেবার ক্ষমতা রাখে ক্লান্তি!!
কৃতজ্ঞতা প্রিয় কথাসাহিত্যিক।
আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।
অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়। অনেক।
১৪| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:১৬
আহমেদ জী এস বলেছেন: দীপংকর চন্দ ,
রুপকথার চাদরে ঢেকে একটি মেসেজ দিতে চেয়েছেন হয়তো । মুক্তির ।
কিন্তু এই বৈরী সময়ে যেখানে মানসিকতার ভূমিতে জলের ছিটেফোঁটাও নেই , সেখানে আমাদের এই নিগূঢ় বন্দী জীবন থেকে মুক্তির চারাগাছটি জন্ম নেবে কি করে ? বক্ষ বিদারী সোনার জীয়নকাঠি এনে কে দেবে আমাদের নতুন জীবন ?
নেই ------ কেউ নেই ।
আবার হতে পারে কাহিনী-কাব্যটি নিছক রূপকথা নির্ভর একটি কবিতা-ই !
যেটাই হোক , পাঠকের ভালোলাগার জানালা অবধি তা তরতর করে উঠে গেছে ।
ভালো থাকুন আর লেখায় থাকুন ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:৪৫
দীপংকর চন্দ বলেছেন: আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি লেখকের প্রতিটি লেখাই অবগুণ্ঠনে আবৃত সুনির্দিষ্ট বক্তব্য ধারণ করে!!
হয়তো কখনও তা স্পষ্ট, স্বচ্ছ; কখনও প্রচ্ছন্ন, পরোক্ষ!!
নিগড় যতো শক্ত হয়, ততোই সেটা ধাবিত হয় ক্ষয়ের দিকে! রাত যতো গভীর হয়, ততোই তা ছুটে যায় আলোয় ভরা ভোরের দিকে!!
আশাতেই মানুষের বসবাস। "বলিতে গেলে আশাতেই সংসার।"
যে কোন আঙ্গিকে বক্তব্য লিখিত হবার পর তার প্রকৃতি নির্ধারণের সর্বময় ক্ষমতা পাঠকের।
আপনার সুলিখিত, সুচিন্তিত মন্তব্যের যথাযোগ্য সম্মান না দিতে পারার অযোগ্যতা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।
অনেক ভালো থাকবেন শ্রদ্ধেয়। অনেক ভালো। সবসময়।
১৫| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১০:৪৮
আরণ্যক রাখাল বলেছেন: দারুন| কাব্যিক| সুখপাঠ্য| জ্বালাধরানিয়া| সুন্দর
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১২:৪৮
দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
চরম উদাসের মতো চমৎকার সব লেখায় ভরিয়ে তুলুন আমাদের ভুবন!
কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভকামনাও। অনিঃশেষ।
অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়। অনেক ভালো।
১৬| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:৪৪
রিকি বলেছেন: অনেক আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ডাকঘর পড়েছিলাম---সেখানে একটা ভগ্নস্বাস্থ্যের ছোট্ট ছেলের দৃষ্টিকোণ দিয়ে লেখক অনেক কিছুই ব্যাখ্যা করেছেন, রবীন্দ্রনাথের অনেক রূপকধর্মী লেখার মত সেটাও একটা। রবীন্দ্রনাথের রূপক লেখনীর বৈশিষ্ট্য কোন পাঠক সেটাকে নিজস্ব perspective এ দেখবে, কেউ ঝর্ণার জল দেখবে, কেউ ঝর্ণার গভীরতা। আপনার এই রূপকথা কাব্য ওরকমই লাগলো, রূপকগুলো জীবন্ত, রূপকথার আড়ালে কি যেন একটা হাতছানি দেয়।
পোস্টে অনেক অনেক ভালোলাগা রইল।
চোখের আলোয় দেখেছিলেম..... চোখের বাহিরে।
২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:১১
দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনেক অনেক সুন্দর মন্তব্যে ভালো লাগা অনেক।
"আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ,
চুনি উঠল রাঙা হয়ে।
আমি চোখ মেললুম আকাশে,
জ্বলে উঠল আলো
পুবে পশ্চিমে।
গোলাপের দিকে চেয়ে বললুম "সুন্দর',
সুন্দর হল সে।"
শ্রদ্ধা থাকছে। অনেক।
এবং কৃতজ্ঞতা।
অামার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।
উত্তরের দীর্ঘ বিলম্ব ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ভালো থাকবেন। অনেক। অনেক ভালো।
১৭| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৪২
তামান্না তাবাসসুম বলেছেন: বাহ্!
২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:১৩
দীপংকর চন্দ বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক। অনেক।
কৃতজ্ঞতা।
এবং শুভকামনা। অনিঃশেষ।
উত্তরের বিলম্বের জন্য ক্ষমাপ্রার্থণা।
অনেক ভালো থাকবেন। সবসময়।
১৮| ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৫
রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: অপূর্ব!!! ৮ম ভালোলাগা ও নিযুত শুভকামনা।
২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:১৭
দীপংকর চন্দ বলেছেন: //নিযুত শুভকামনা//
মুগ্ধতা শব্দবন্ধে!!!
আমার শুভকামনা জানবেন সুলেখক।
ক্ষমাপ্রার্থণা উত্তরের বিলম্বের জন্য।
সবসময় ভালো থাকবেন। অনেক। অনেক ভালো।
১৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২২
এহসান সাবির বলেছেন: বহুদিন পর চাঁদ জন্ম নিল।
জন্ম নিল শুকতারা আর সন্ধ্যাতারা।
কেউ কেউ ঠিক টের পেলো, চাঁদ আর কেউ নয়, তাদের রাজকন্যা চন্দ্রাবতী।
আর শুকতারা-সন্ধ্যাতারা হতদরিদ্র রাজপুত্রের দুই আলোকিত চোখ
খুব সুন্দর।
+++++++
২৬ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:২২
দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনেক অনেক ভালো লাগা আপনার আন্তরিক উপস্থিতিতে।
আমার শুভকামনা জানবেন। অনিঃশেষ।
ক্ষমাপ্রার্থণা এবং ক্ষমাপ্রার্থণা- উত্তরের দীর্ঘ বিলম্বের জন্য।
অনেক ভালো থাকবেন ভাই। অনেক ভালো। সবসময়।
২০| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৫
বনলতা-সেন বলেছেন: অসাধারন উপমা ব্যবহার করেছেন
গল্পটাও অনেক সুন্দর কল্পনাশক্তির বহিঃপ্রকাশ।
অনেক ভালো লাগলো। কষ্ট-ও লাগলো
২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫২
দীপংকর চন্দ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ জানবেন।
অনেক কৃতজ্ঞতা। এবং যাঁর বিশ্বাস "সবার ওপরে মনুষ্যত্বের ধর্ম"- অনেক শ্রদ্ধা তাঁর প্রতি।
আমার শুভকামনা অনিঃশেষ জানবেন।
ভালো থাকবেন। সবসময়। অনেক ভালো।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৯:৫১
গেম চেঞ্জার বলেছেন: রাজকন্যা চন্দ্রাবতী নেমে এলো নিচে।
পরম মমতায় কুড়িয়ে নিল দরিদ্র রাজপুত্রের ভুলুণ্ঠিত সিক্ত চোখ দুটো।
চোখ আলোকিত হলো চোখের আলোয়।
তারপর অক্লেশে আকাশে মিলিয়ে গেল তারা।
অসাধারণ ভাললাগা