নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি [email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

পারলো না বাংলাদেশ সেমিতে উঠতে। আসুন, সেই বেদনা ভুলতে আজ রাতভর গান শুনি :)

০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ৯:৩৯

সেমি ফাইনালের একদম দরজার কাছ থেকে ফিরে এলো বাংলাদেশ। বেশ কয়েকটা 'যদি'র শর্ত পার হয়ে শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছিল - আর মাত্র একটা ম্যাচ, আর মাত্র একটা ম্যাচ জিতলেই বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে সেমি-ফাইনালে। প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান। টসে জিতে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। শুরুটা ভালোই ছিল। কিন্তু ১০ ওভারে যেখানে ৭০/১ ছিল, ১৫ ওভার শেষে আর মাত্র ২৯ রান যোগ করে, কিন্তু হারায় মূল্যবান আরো ৩ উইকেট। স্কোর তখন ৯৯/৪। ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১২৭ রান করে বাংলাদেশ। দুঃখজনক ভাবে শাকিবকে বিতর্কিত একটা সিদ্ধান্তে 'এলবিডব্লিউ' আউট দেয়া হয়। ১২৮ রানের টার্গেটেই পাকিস্তান খুবই শ্লথগতিতে যাত্রা করে, ১০ ওভারে রান করে মাত্র ৫৬/০। ১৫ ওভার শেষে ৯৪/৩। অবশেষে ১১ বল হাতে রেখেই পাকিস্তান পৌঁছে যায় জয়ের লক্ষ্যে, ১২৮/৫। সেমিতে চলে যায় পাকিস্তান, বাংলাদেশ সেমিকে সালাম জানিয়ে ফিরে আসে :)

থাক, আর চোখের পানি না, নাকের পানিও না। সেমি-ফাইনাল খুব বড়ো কিছু না :) বাংলাদেশের সেমিতে খেলে অভ্যাস আছে আগে থেকেই :) ২০১৭ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি, ইংল্যান্ডে সেমিতে খেলেছিল বাংলাদেশ, মনে আছে? কী দুর্দান্ত খেলাটাই খেলেছিল। সো, তাদের সেমিতে খেলে অভ্যাস আছেই তো, তাই না? ভবিষ্যতে আবার খেলবে, প্রয়োজনে ফাইনালেও খেলবে :)

বেদনার মধ্যেও বাংলাদেশের প্রাপ্তি হলো শান্ত ও সৌম্যকে ওপেনিং জুটি হিসাবে পাওয়া। এবারই প্রথম টি২০'র সুপার ১২/১০/৮ পর্বে বাংলাদেশ ২টি জয় পায়। ইন্ডিয়ার সাথে অসাধারণ ফাইট করে মাত্র ৫রানে হারে। আগামীতে ইন শা'ল্লাহ বাংলাদেশ আরো ভালো করবে।

আমি জানি, আপনাদের মন খারাপ। মন খারাপ হলে নাকি দৌড়াইতে হয়, অথবা সাঁতরাইতে হয়, অথবা গলা ফাডাইয়া গান গাইতে হয়। আমি অবশ্য প্রায় দিনভরই গলা ফাডাইয়া গান গাই, কিছুক্ষণ আগেও গাইলাম :) আর হাঁটাহাঁটি তো প্রতিদিন করিই - গড়ে মিনিমাম ৫ কিলো প্রতিদিন হাঁটি। আজও হেঁটে এলুম কিছুক্ষণ আগে।

আচ্ছা, আর গল্প না। আপনারা নিশ্চয়ই গান শোনার জন্য অস্থির হইয়া আছেন, তাই না? :) অনেকদিন ধরে গান দিই না ব্লগে। অনেক গান আপলোড করা হয়েছে ইতিমধ্যে। তা থেকে আজ ৫টা গান দিচ্ছি।

১। এই লিংকে ক্লিক করুন >>> ঘরের মানুষ। ডেডিকেটেড টু অঙ্গলি আপা।

অথবা নীচের লিংকে ক্লিক করুন।




২। প্লিজ এখানে ক্লিক করুন - যে বেদনা দিয়েছিলে





৩। প্লিজ এখানে ক্লিক করুন - ও সুজানা, তুই আমারে তুলে নিয়ে যা




৪। প্লিজ ক্লিক করুন - আমি যে তোমার প্রেমে পড়েছি




৫। প্লিজ ক্লিক করুন - মন তার আকাশের বলাকা





এ পোস্টটি উৎসর্গ করলাম শ্রদ্ধেয় ব্লগার, সর্বকালের সেরা ব্লগারদের একজন, আমাদের সবার প্রিয় খায়রুল আহসান স্যারকে। জানি না, এ পোস্ট স্যারের চোখে পড়বে কিনা, বা এ লাইন স্যার দেখবেন কিনা, তবে স্যারের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা। তার একেকটা কমেন্টে আমি উদ্দীপ্ত হই, জ্বলে উঠি, যেমন অনুপ্রাণিত হোন আপনারাও।

মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:৫৬

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: মন তার আকাশের বলাকা গানটা বেশ মনে ধরেছে । তবে বাজনার লয়ের সাথে গানের লয় মিলছে না । গানের লয় বেশি বাজনার লয়ের চাইতে । কিন্তু গানটা অনবদ্য !!

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৪৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ওয়াও, প্রথমেই আমার কুর্নিশ গ্রহণ করুন দুটো কারণে, (১) 'মন তার আকাশের বলাকা' গানের লিরিকগুলো আমার অন্যসব লিরিকের চাইতে আলাদা ও উন্নত। আমরা যে-ধরনের গান বা সুর শুনে অভ্যস্ত, এ দিক থেকেও এ গানটা আলাদা ও আমার কাছে ক্লাসিক (নিজের জিনিস নিজেই ক্লাসিক বললাম, হাইস্যেন না :) ) এটা সবার ভালো লাগবে, আমি তা আশা করি নি। আপনার ভালো লাগছে দেখে আমি আপ্লুত। (২) গানের তাল লয় সম্পর্কে আপনার জ্ঞান প্রতুল, যা কেবল অঙ্গলি আপার সাথেই তুলনীয়। এটা আমাকে মুগ্ধ করলো।

আগে আমার প্রতিটা পোস্টেই একটা কমন কথা থাকতো - গান গাওয়া নয়, শুধু সুরটাকে ধরে রাখা। এ কথাটা এখন থেকে আবার জুড়ে দিতে থাকবো :) আসলেই, আমি শুধু সুরটাকে ধরে রাখছি। হা করলেই আমি সুর পাই, কিন্তু কলম ধরলেই লিরিক পাই না। তাই, যে-সুরগুলো আমার কাছে সহজেই ধরা দিচ্ছে, আমি সেটাকে সাথে সাথেই মোবাইলবন্দি করছি, অর্থাৎ, আমার রেকর্ডিং স্টুডিয়ো হলো জনাব অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল, যদিও আমার ছেলেদের বেশ আধুনিক যন্ত্রপাতি আছে। ওরা আবার ব্যান্ড করার মিশনে ব্যস্ত তো, তাই ওদের কাছে ধরনা না দিয়ে নিজে যা পারি তাই করি :)

আমি আসলে গায়ক না। আমাকে বলতে পারেন সুরকার আর গীতিকার। আগে শুধু খালি গলায় গাওয়া গানগুলো দিতাম, যেগুলো অনেকের কাছেই, বিশেষ করে অঙ্গলি আপা, পবলি আপার কাছে এখনো অনেক প্রিয় :) পরে মনে হলো, কিছুটা টুংটাং দিলে মন্দ হয় না, তাই দেয়া শুরু করলাম।

অনেক অনুপ্রাণিত আপনার কমেন্টে। ধন্যবাদ নিন। শুভেচ্ছা নিন।

---

মন তার আকাশের বলাকা
দিগন্তে নিজ্‌ঝুম বনানি
বিকেল কী সন্ধ্যায়
রোজকার আড্ডায়
লিখে যায় কত শত কাহিনি

হাতে তার একগোছা বনফুল
চপলাচপল পায়ে হেঁটে যায়
সহসা সে মেলে দিয়ে পাখনা
মিশে যায় পাখিদের মিছিলে
এইভাবে প্রতিদিন ভোর হয়
তারপর কী হয়
আমি তার সন্ধান রাখি নি

চোখ তার পুকুরের কালো জল
নিটোল ঢেউয়ের মতো স্বপ্নীল
রাতের আঁধারে বোনা সুখ তার
তারাদের সাথে হয় মিতালি
এইভাবে রাতগুলো কেটে যায়
তারপর কী হয়
ঘুমহীন কেটে যায় যামিনী


লিরিক রচনা : ৯ নভেম্বর ২০১৩
সুর সৃষ্টি : ১১ অক্টোবর ২০২২

২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:০৩

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: সত্যি বলতে কি জনগণের কোটি কোটি টাকা খরচ করে এই ধরনের খেলাধুলা করার বা করানোর কোন মানে দেখি না। খেলাধুলায় বাংলাদেশের জাতীয় দলগুলোর অর্জন বরাবরই হতাশজনক।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:৫৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পোস্টটা দিয়েছিলাম আমার স্বরচিত স্বকণ্ঠগীত কতিপয় সঙ্গীত শেয়ার করার উদ্দেশ্যে :) কিন্তু প্রথম কমেন্ট ছাড়া বাকি সবাই খেলার দিকেই চলে গেলেন :) অথচ আমি খেলা থেকে আপনাদের মন আমার গানের দিকে ফিরাইতে চাইছিলাম :)


খেলাধুলায় বাংলাদেশের জাতীয় দলগুলোর অর্জন বরাবরই হতাশজনক। শতভাগ সঠিক। বাংলাদেশের প্রাণের খেলা হলো ফুটবল। ফুটবলের দৌড় হলো সাফফুটবলে একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া। গতবার চোখের পানিতে বুক ভাসিয়ে দিয়ে দল ফিরে এলো দেশে। এবার আমাদের মেয়েরা সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে একটা সাফল্য দেখালেন। এর বাইরে ফুটবলে আর কিছু চোখে পড়ে না।

হকিতে বাংলাদেশ উঠি-উঠি করে আবার পড়ে যায়। ৮৫/৮৬ সালের দিকে হকিতে বাংলাদেশ একটু আলোর ঝলক দেখিয়েছিল। তারপর হকির ব্যাপারে আমি নিজেও কোনো খবর রাখি নি, জানি না এখন কী অবস্থা। তবে, টি-স্পোর্টসে দেখলাম, সেলিব্রেটিদের দিয়ে আহবান জানিয়ে হকিতে আবার উন্মাদনা সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফলাফলের খোঁজ রাখি নি।

আন্তর্জাতিক খেলাধুলায় যৎসামান্য যা অর্জন, তা শুধু ক্রিকেট থেকেই বাংলাদেশ পেয়েছে। পৃথিবীর ১৯৩টি দেশের মধ্যে ক্রিকেটে বাংলাদেশের র‍্যাংকিং ১০-এর মধ্যে। ফুটবলে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৬। হকিতে অবশ্য অনেক ভালো - ২৯। কিন্তু, হকির কোনো জনপ্রিয়তা নেই দেশে, আমরাও তেমন খোঁজখবর রাখি না। এখন গুগল ব্রাইজ করে এটা জানলাম।

ক্রিকেটে জয়ের ব্যাপারে আমাদের একটু প্র্যাক্টিক্যাল হতে হবে। বাংলাদেশ সবগুলো ম্যাচে সবগুলো টিমের বিপক্ষেই জিতবে, এতটা আশা করা ঠিক না। আবার হেরে গেলে অতটা বিদ্রুপ বা ভর্ৎসনাও ঠিক না। ২০০০ সালের আগ পর্যন্ত আমাদের বড়ো প্রতিযোগী ছিল কেনিয়া, ইউএই। ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়নশিপ পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, কেনিয়া, ইউএই, বারমুডা, ডেনমার্ক - এসব দল ছিল আমাদের প্রতিযোগী। তাদের বিপক্ষে জেতার জন্য আমাদের দলকে জীবনপ্রাণ যুদ্ধ করতে হতো। দেখুন এই পোস্টটি - বাংলাদেশ ক্রিকেট - আইসিসি ট্রফি ১৯৭৯ থেকে ১৯৯৭, ও বিশ্বকাপ ক্রিকেট ১৯৯৯-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন - পর্ব-১। ওডিআই স্টেটাস পাওয়ার পরও বেশ কয়েক বছর আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে জিম্বাবুয়েকে হারানোর জন্য। সেই জিম্বাবুয়েকে এখন আমরা শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীই মনে করি না। জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আমাদের সাফল্য তাদের চাইতে ভালো। তো, হাঁটি-হাঁটি পা পা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট অনেক এগিয়েছে।

জীবনে প্রথম বারের মতো, স্রেফ হোস্ট হবার সুবাদের কাতার এবার বিশ্বকাপ খেলছে। তারা অবশ্যই প্রতিটা ম্যাচেই জেতার জন্যই খেলতে নামবে। কিন্তু যদি না জিততে পারে, তাহলে তাদেরকে ব্যান করে দেয়ার কথা বলা, কেন বিশ্বকাপ খেললো কাতার, এসব বলা খুব যৌক্তিক হবে না। নিজেদের অবস্থান ও শক্তিমত্তার কথা বিবেচনায় আনতে হবে।

জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, কেনিয়া, ইউএই, নেদারল্যান্ডস, হংকং, বারমুডা, নামিবিয়া - এসব দলের সাথে ১০টা ম্যাচ খেললে বাংলাদেশ ৭-৮টা ম্যাচ জিতবে বলেই আমরা আশা করবো। এর উলটো ফলাফল ঘটলে তখন আমাদের ক্ষোভের কারণ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু ওরকম আজও হয় নি। আমরা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবচাইতে বেশি সিরিজি জিতেছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলংকা, এদের সাথে ১০টা ম্যাচ খেললে আমরা হয়ত ৩-৪টা ম্যাচ জিতবো। বাকি দলগুলোর সাথে ১০টা ম্যাচ খেললে আমরা হয়ত ২-৩টা জিতবো। এখন, আমরা যদি সব দলের সাথেই শতভাগ জয়ের আশা করি, তাহলে সেই আশা আমাদের কোনোদিনই পূরণ হবে না। এজন্য বলছি, আমাদেরকে প্রত্যাশায় বাস্তববাদী হতে হবে।

খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, ইত্যাদিতে সবসময়ই খরচ হবে, তা রাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে। এগুলো সরকারের কোনো উৎপাদনশীল খাত নয়। ক্রিকেট বাংলাদেশে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে বলে তাদের জয়-পরাজয় সম্পর্কে আমরা জানি। অ্যাথলেটিক্সসহ আরো অনেক খেলাধুলার উপর অনেক খরচ করতে হয়। সেখানে আমাদের সাফল্য বা অর্জন কী?

ক্রিকেটারদের পেছনে অনেক টাকা খরচ হয়, তা ঠিক। আপনার কি জানা আছে, বিসিবির আয়ের উৎস কী? আইসিসির বাৎসরিক উপার্জন থেকে বাংলাদেশকেও একটা অংশ দেয়া হয়, যা বিসিবির বার্ষিক রেভিনিউর একটা বড়ো অংশ। এটা একটা ফরেইন রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ যদি ক্রিকেট না খেলতো, এ ফরেইন রেমিট্যান্স তারা পেত না। দেশে ক্রিকেটের যেসব আসরের আয়োজন করা হয়, টিকিট বিক্রি থেকে শুরু করে টিভি স্বত্ব বিক্রয়, স্পন্সরশিপ, ইত্যাদি থেকেও বিসিবির অনেক উপার্জন হয়। ক্রিকেট খেলা না হলে বিসিবির এই উপার্জনও হতো না।


বড়ো দলগুলোর বিপক্ষে খেলতে নামলে অনেক সময়ই ফলাফল আমাদের আশানুরূপ হবে না। প্রতিটা ম্যাচেই আমরা বাংলাদেশের জয় কামনা করি মনেপ্রাণে। কিন্তু হেরে গেলে অতটা যুদ্ধংদেহী না হয়ে ভুল শুধরে ইম্প্রুভ করার চেষ্টা করতে হবে। বড়ো দলগুলোর সাথে আমাদের খেলা বন্ধও করা যাবে না, নিজেদের উন্নতির জন্য বড়ো দলগুলোর বিপক্ষে যত বেশি ম্যাচ খেলা হবে, বাংলাদেশের ম্যাচিউরিটি ও স্কিল তত বাড়বে।

এই বাংলাদেশই তো গতবছর জিম্বাবুয়েতে যেয়ে টেস্ট, ওডিআই, টি২০ তিন ফরম্যাটেই সিরিজ জিতে এলো। বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ায়, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলংকা এলো - বাংলাদেশ কত ভালো খেললো। বাংলাদেশ যখন খারাপ খেলে, তখন তার ভালো খেলার কথাগুলোও স্মরণ করতে হবে।

এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স আগের সকল টি২০-র চাইতে ভালো। ২টি জয়, ইন্ডিয়ার সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তারপর এমন এক অবস্থানে পৌঁছলো যে, আর মাত্র একটা ম্যাচ জিতলেই সেমি-ফাইনাল। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ জেতে নি, কিন্তু তাদের পারফরম্যান্স খুব খারাপ ছিল না। ১২৮ রানের টার্গেট ছুঁতে পাকিস্তানকে ৫ উইকেট খোয়াতে হয়েছে। শাকিবের ঐ বিতর্কিত আউটটি না হলে হয়ত বাংলাদেশের রেজাল্ট আরো ভালো হতো। আমরা ভাবছিলাম, এমনকি কমেন্টেটরও বলছিলেন, ১৫০ রান হলে সেটা চ্যালেঞ্জিং হবে। হলো না। কিন্তু এ পরাজয় মোটেও লজ্জাকর পরাজয় ছিল না।

ক্রিকেটই বাংলাদেশকে খেলাধুলার বিশ্বে পরিচিতি ও মর্যাদা এনে দিয়েছে। ইন শা' আল্লাহ, আগামীতে এ মর্যাদা আরো বাড়বে, ভবিষ্যতে আরো অনেক ভালো করবে বাংলাদেশ।

---

এ রিপ্লাইটা শুধু আপনার কমেন্টের উত্তর না। ক্রিকেট সংক্রান্ত আমার আরো কিছু মতামত ও তথ্য যোগ করলাম অন্যান্য পাঠকের জন্যও।

--

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পোস্ট পড়া ও কমেন্টের জন্য। শুভেচ্ছা।

৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৩১

রানার ব্লগ বলেছেন: খেলা যখন রাজনৈতিক ইশারায় চলে তখন আর ওটা খেলা থাকে না।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৩৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: :)

আমরা আইসিসির ভূমিকা নিয়েও কিছু প্রশ্ন রাখতে পারি। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের সাথে আইসিসি আচরণ, গতকাল শাকিবকে বিতর্কিতভাবে আউট ঘোষণা করা, আরো কয়েকটা খেলায় আম্পায়ারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। এগুলোও খেলাকে কলুষিত করে।

ঠিক এই মুহূর্তে চ্যানেল আইতে ঠিক এই বিষয়টিই আলোচনায় উঠে এলো :(

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ রানা ভাই।

৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১:৩২

অপু তানভীর বলেছেন: বাংলাদেশের খেলা দেখি না অনেক দিন । আজকে কি মনে হল দেখলাম । খেলা দেখতে গিয়ে এক সময় মনে হল যে এরা খেলা হারার আগেই মানসিক ভাবে হেরে বসে আছে ।

এরা হারুক । এদের হারাই ভাল । /:)

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:২১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বাংলাদেশ প্রথম ১০ ওভার খুব ভালোভাবেই খেলছিল। কিন্তু এরপর উইকেটগুলো পড়ে যায় খুব দ্রুত। শাকিবের বিতর্কিত আউটটা দলের ভাঙনের জন্য অনেক ভূমিকা রেখেছে বলে আমার মনে হয়েছে। ১২৭-এর সাথে আর অন্তত ১৫-২০ রান যোগ হওয়া প্রয়োজন ছিল। তারপর পাকিস্তানও যে খুব সহজেই ১২৮ রান অতিক্রম করেছে, তাও না। জিমাবুয়ের কাছে এই পাকিস্তানই ১৩১ রানের টার্গেট ছুঁতে না পেরেই হেরেছিল। সেজন্যই, বাংলাদেশ ১২৭ রান করেও আশা ছেড়ে দেয় নি। এজন্য দেখা যায়, পাকিস্তান ১২৮ রান করতে যেয়ে ৫ উইকেট খুইয়ে ফেলে। বাংলাদেশ ১৫ ওভার পর্যন্ত ম্যাচ রেখেছিল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে; প্রথম ১০ ওভারে বাংলাদেশ করেছিল ৭০/১, আর প্রথম ১০ ওভার শেষে পাকিস্তান করে ৫৬/০, এরপর ১৫ ওভার শেষ বাংলাদেশ করেছিল ৯৯/৪, আর পাকিস্তান করে ৯৪/৩। অর্থাৎ, ১৫ ওভার পর্যন্তও ম্যাচ ছিল বাংলাদেশের অনুকূলেই, অর্থাৎ, বাংলাদেশ তখনও এগিয়েইছিল। এরপর আর পারা যায় নি, ৫ উইকেটের বিনিময়ে পাকিস্তান ১২৮ রান তুলে সেমি ফাইনাল নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশ হেরেছে, কিন্তু শোচনীয়ভাবে হারে নি, এবং বাংলাদেশের চাইতে দুর্বল, এমন কোনো দলের কাছেও হারে নি। জেতাটা আমাদের খুবই প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু গতকালের হারে আমার কাছে লজ্জার কোনো কিছু আছে বলে মনে হয় নি। সেমি-ফাইনালে যাওয়ার মতো একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে তো তাদের পারফরম্যান্স দিয়াই, তাই না?

কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ তানভীর ভাই। শুভেচ্ছা।

৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ ভোর ৫:২৭

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আপনার বাসায় যদি আপনি কাজের লোক বেতন দিয়ে রাখেন, আর সে কাজ না করে, তাহলে কি আপনি তাকে কাজ থেকে বের করে দিবেন? নাকি আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্না করবেন? নাকি রাতভর গান শুনবেন সেই কষ্ট দূর করবার জন্য?

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এ পোস্টের গান শুনেছেন নাকি দু-একটা? :) পোস্টটা দিলাম গান নিয়া, আপনারা কোনো গান না শুনলে কি হবে? :)

যাই হোক, প্লিজ ২ নাম্বার কমেন্টের উত্তরটা পড়বেন। বেতন-টেতনের ব্যাপারটা ওখান থেকে বোঝা যায়। সেই সাথে ৪ নাম্বার কমেন্টের উত্তরটাও দেখুন প্লিজ।

বাংলাদেশ ২০২৪ সালের টি২০ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে। এ সরাসরি খেলার যোগ্যতা এমনি এমনি হয় না, পারফরম্যান্সের দ্বারা হয়। এ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ২টি জয় আছে, ইন্ডিয়ার সাথে ক্লোজ ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই আছে, পাকিস্তানের সাথে ছোটো রান করেও বেশ ভালো ফাইট দিয়েছে।

২০২৩ সালের ওডিআই বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ সরাসরি খেলতে পারবে বলে মনে হচ্ছে। এই লিংকে যেয়ে দেখুন, বাংলাদেশ বর্তমানে ১৮ খেলায় ১২ জয় নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সমান ১২০ পয়েন্ট নিয়ে র‍্যাংকিঙে ৪ নম্বরে আছে। এটা হলো বর্তমানে চলমান ICC Men's Cricket World Cup Super League 2020-2022/23-এর চলমান ফলাফল। আগামী ওডিআই বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে বাংলাদেশকে ৮-এর মধ্যে থাকতে হবে, যা খুবই সম্ভব বলে মনে হচ্ছে। বাংলাদেশ যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়েকে ফাডাইয়া দিয়া সিরিজ জেতে, সেগুলোও আমাদের মনে রাখতে হবে কিন্তু :)

জীবনে কিছু হিউমারের প্রয়োজন আছে, কী বলেন? এজন্য গান নিয়া এলাম, কান্নাকাটির পর :) অবশ্য বাঙালিরা সহজে হিউমার ধরতে পারেন না বলে অনেক অভিযোগ আছে :)

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।

৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৫১

আরইউ বলেছেন:



মিডল অর্ডার যদি আরেকটু দায়িত্ব নিয়ে খেলতো! এই পিচে ১৫০ বেশ ভালো ফাইটিং স্কোর ছিল।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এই পিচে ১৫০ বেশ ভালো ফাইটিং স্কোর ছিল। আমার কাছেও তাই মনে হয়েছে।

আমাদের মিডল অর্ডার মোটামুটি ব্যর্থ ছিল গতকাল। যেভাবে শুরু করেছিল বাংলাদেশ, ভেবেছিলাম ১৭০+ হবে। কিন্তু ১০ ওভারের পর যেভাবে উইকেট পড়া শুরু হলো, ইনিংস তো ১০০-র মধ্যেই গুটিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল একসময় :(

৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশের ক্রিকেট খেলা নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়াই আমার আগ্রহ ও উত্তেজনা বেশি। রাজীব ভাই, উপরের কমেন্টগুলোর উত্তর পড়বেন প্লিজ। একটা-দুইটা ম্যাচ হারলে, বা একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় এভাবে ভেঙে পড়লে চলবে না। ক্রিকেটে বাংলাদেশের সাফল্য প্রচুর, যার সমতুল্য অন্য কোনো খেলা নেই। উপরের উত্তরগুলোতে লিংক ও তথ্য-উপাত্ত দিয়েছি। ওগুলো পড়লে বুঝবেন।

আমি সব ম্যাচ দেখি, বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া। এজন্য আমি আশাহত না হয়ে ইভালুয়েট করি।

শুভেচ্ছা।

৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:৫৯

মিরোরডডল বলেছেন:




অঙ্গলি ????

কি উদ্ভট একটা নাম......


০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৪৬

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: উদ্ভট নাম হবে কেন?

বাংলাদেশের এক বিখ্যাত নায়িকার নাম অঞ্জনা। আমাদের এক কলিগের স্ত্রীর নাম অঞ্জন। অঞ্জলি শব্দের অর্থ হাতের আঁজল অঞ্জলি খুব সুন্দর শব্দ। অঙ্গন শব্দটাও আমার খুব প্রিয়, যার অর্থ উঠোন। তো, এসব নামকে সংক্ষিপ্ত করে আদর করে অঙ্গলি বলেছি, যার মধ্যে আগের সবগুলো অন্তর্ভুক্ত।

৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৫০

মিরোরডডল বলেছেন:




খেলা বুঝি কম, তাই খেলা নিয়ে কিছু বলবো না কিন্তু একটা কথা না বললেই না ।
মানুষের নিজস্ব পছন্দের টিম থাকতেই পারে কিন্তু নিজের দেশ খেলার সময়ও দেশকে সাপোর্ট না করে অন্যদেশকে সাপোর্ট করা খুবই বাজে লাগে । আমার কাছে মনে হয় অকৃতজ্ঞ । আমাদের এই বাংলাদেশের নাম অনেকে চেনে অনলি বিকজ আমাদের ক্রিকেট টিম। খেলায় হারজিৎ থাকবে, পারফর্মেন্স কখনও ভালো বা খারাপ হবে কিন্তু উৎসাহ দিয়ে যেতে হবে ।


০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:০১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: খুব ভালো বলেছেন। বাংলাদেশের খেলায় রাজাকার, বাংলাদেশ বিরোধীরা ছাড়া সবাই বাংলাদেশের জয় কামনা করবে। যে-কোনো দেশের খেলায় সে-দেশের নাগরিকরা তাদের দেশের জয়ই কামনা করবে।

খেলায় তো হারজিৎ থাকবেই। বাংলাদেশ যদি ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার সাথে ফুটবল খেলতে নামে, আমরা কি চাইব, বাংলাদেশ হেরে যাক, মেসি বা নেইমার বাংলাদেশের জালে একহালি গোল দিক? বিপক্ষ শক্তি যত বড়োই হোক না কেন, সবাই সর্বদা নিজ দেশের জয়ই কামনা করবে। খেলার রেজাল্ট কী হলো, সেটা ভিন্ন ব্যাপার। জিততে পারলে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হবো, হেরে গেলে মেনে নিতে হবে।

১০| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৫২

মিরোরডডল বলেছেন:




ধুলো X(

অঞ্জলি, অঙ্গন এগুলো আমারও প্রিয় ।
তাই বলে অঙ্গলি !!!!



০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:২১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:







অঞ্জনা থেকে অ
অঙ্গন থেকে ঙ্গ
ডলি থেকে লি

হইয়া গেল অঙ্গলি

১১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৫৭

মিরোরডডল বলেছেন:


সংক্ষিপ্ত করে আদর করে অঙ্গলি বলেছি

আহা কি যে আদর ! সেটা ১১ আগস্ট থেকে জানা হয়ে গেছে ।

বাই দ্যা ওয়ে, ঘরের মানুষ গানটা ডেডিকেটের জন্য থ্যাংক ইউ ।
এটা আমার অনেক প্রিয় গান ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৩৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হ্যাঁ, 'ঘরের মানুষ' আর মাটির দেহ গানদুটোর অনেক প্রশংসা করেছেন আপনি। আমার আর কোনো গানই আপনার কাছে ঐ স্ট্যান্ডার্ডে আসতে পারে নি। তাই 'ঘরের মানুষ' নতুন করে বানানোর পর আপনার কথাই বার বার মনে এসেছে।

আপনি কি খেয়াল করেছেন, আগে গানটিতে ছিল ১ অন্তরা, নতুন করে গাওয়ার সময় ২য় অন্তরা যোগ করা হয়েছে?

এরকম ১ অন্তরার গান ছিল কয়েকটা। ওগুলোর ২য় অন্তরা শেষ করে নতুন করে বানিয়েছি বেশ কয়েকটা। আর কোনো ১ অন্তরার গান আছে বলে মনে পড়ে না।

'মন তার আকাশের বলাকা' আমার শখের গান। এটা বাচ্চাদের ডান্স সিকোয়েন্সের কথা চিন্তা করে সুর বানানো হয়েছে। অনেক আগে লেখা, সুর অনেকবার চেঞ্জ করে ফাইনালি এ পর্যায়ে এসেছে।

যে-কোনো গানই নতুন করে গাওয়ার সময় লিরিক ও সুর দুটোই রিফাইন করার চেষ্টা করি। 'ঘরের মানুষ'-এর সুরও চেঞ্জ করা হয়েছে কোনো কোনো জায়গায়।

১২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৩৮

মিরোরডডল বলেছেন:




অঞ্জনা থেকে অ
অঙ্গন থেকে ঙ্গ
ডলি থেকে লি

হইয়া গেল অঙ্গলি


হা হা হা………
আজব !!!!!!
মাথায় সারাক্ষন গিজগিজ করে কুবুদ্ধি :)


০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৫৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমার মাথায় কুবুদ্ধি!! জীবনে আর কেউ কোনোদিন এ কথা বলেছে কিনা, তা বাল্যকাল পর্যন্ত স্ক্যান করে এলুম। কোনো টিচার, কোনো বন্ধু, এমনকি আমার গৃহবান্ধবীও বলেছেন কিনা, মনে পড়লো না। যেহেতু আর কেউ বলেন নাই, তাই আপনার কথা প্রমাণিত হলো বলে মেনে নেয়ার কোনো কারণ আছে বলে আমার মনে হচ্ছে না ঠিক এই মুহূর্তে

১৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:৪৫

মিরোরডডল বলেছেন:




আপনি কি খেয়াল করেছেন, আগে গানটিতে ছিল ১ অন্তরা, নতুন করে গাওয়ার সময় ২য় অন্তরা যোগ করা হয়েছে?

হুম প্রথমে শুনেই খেয়াল করেছি ।

ধুলোর সম্প্রতি গানগুলোতে যে ইনস্ট্রুমেন্ট ব্যবহার করে, ফর সাম রিজন গানের সাথে যায়না ।
এরচেয়ে মিউজিক ছাড়া ভালো কিন্তু এই অতি মিউজিক তাও আবার ম্যাচ করেনা বলে, মিউজিক গানটাকে ডমিনেট করে ফেলে।
গান তখন সুরের মাধুর্য হারায় ।
:(

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:০৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: মিউজিকের ব্যাপারে ১ নম্বর কমেন্টের উত্তরে নিবর্হণ নির্ঘোষের সাথে তো কিছু আলাপ হলো। আপাতত আমার অন্য গতি, অর্থাৎ গত্যন্তর নাই।

তবে, আমি ইদানীং কিছু গানে কম সংখ্যক ইফেক্ট, ভলিয়্যুমও লো করে রেকর্ড করছি।






আরেকটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন। আপনি যে ডিভাইসে গানগুলো শোনেন, একই গান অন্য মডেলের আরেকটি ডিভাইসে হয়ত একরকম আসবে না। আমি বাসায় একই পিসিতে বিভিন্ন প্লেয়ারে সাউন্ড ও ইফেক্ট বিভিন্ন রকম পাই। আবার টিভিতে অন্যরকম পাই।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:১৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: উপরের ১ নম্বরটার চাইতে এটাতে মিউজিক আরো অনেক কম।

১৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৩৮

মিরোরডডল বলেছেন:




ডেফিনিটলি মিউজিক কম হওয়াতে ভালো হয়েছে ।

ধুলোর ভালো লাগবে না শুনতে কিন্তু আমি যেটা বলতে চেয়েছি, গান মানেই মিউজিক থাকে, অনেকসময় বেশি মিউজিকও থাকে কিন্তু সেটা হয়তো খারাপ লাগেনা কারন গানের সাথে সেই মিউজিকটা যায় ।

ধুলোর অনেকগুলো গানে শুনেছি এমন মিউজিক থাকে যেটা একদমই যায়না গানের সাথে, উল্টো সেই মিউজিকটা ডিস্টার্বেন্স শোনায় । মনে হয় খালি গলায়ও ভালো রাদার দিজ কাইন্ড অভ মিউজিক ।

গানের সুন্দর লিরিক হয়েছে সুর হয়েছে, শুধুমাত্র মিউজিকের কারনে গানটা শুনতে ভালো লাগেনি , এরকম অনেকগুলো হয়েছে ।
ইটস ইউর কল, আমি শুধু আমার মতামত জানালাম উপযাচক হয়ে :(

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৪৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: নাআআআআআআ
আমি মিউজিক দিবই
আপনিও মিউজিকসহই শুনবেন


কারণটা হলো, আমার মিউজিকগুলো হলো সফটওয়্যার বেজ্‌ড। একটা সুন্দর মিউজিক করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। আমি সেই সময় দিই না। সেই সময়ে আমি গোটা দশেক গান বানিয়ে ফেলি। প্রোডাক্ট বেশি হলে কোয়ালিটি লস হবেই :) আর এগুলো তো ঠিক গান হিসাবেই আপলোড করছি না, সুরগুলো ধরে রাখাই হলো মূল লক্ষ্য।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:৪৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: একটা গানের লিংক দিব, লিরিক লেখার জন্য। ওয়েট করুন ১ ঘণ্টার মতো। বানাচ্ছি ওটা :)

১৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০৪

মিরোরডডল বলেছেন:




লেখক বলেছেন: বানাচ্ছি ওটা :)

মনে হচ্ছে চা বানানো হচ্ছে ।
আমাকে এক কাপ চায়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ।
চা এখন চুলায় আছে ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এ সুরটা আমার মনের মতো। কিন্তু লিরিক লিখতে পারছি না। এটা হিউমার সং করার প্ল্যান ছিল। পরে মনে হলো, এ সুরে ব্লগের জন্যও একটা গান লেখা যেতে পারে, লেখা শুরুও করেছিলাম -

আয় বেবিরা ব্লগিং করি
আয় বন্ধুরা ব্লগিং করি
পড় ঝাঁপাইয়া পড়
ঘরে ঘরে পাড়ায় পাড়ায়
থানায় থানায় জেলায় জেলায়
ডাক সবাইরে
ডাক সবাইরে
ব্লগিং করতে
দে খবর দে, দে
সবাইরে খবর

---

অথবা পিওর হিউমার সংও হতে পারে।

কিংবা লাভ সংও হতে পারে।

চেষ্টা করে দেখেন, এ সুরে কোনো লিরিক লিখতে পারেন কিনা। কথাগুলো যেভাবে পারেন, সাজান, কিছু উপমাসহ। বাকিটা আমি দেখবো নে :)

১৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৪৩

মিরোরডডল বলেছেন:




মাফ চাই, ক্ষমা চাই, আর কি কি চাইতে হবে???
কান ধরি?
প্লীজ আমি কিছু লিখবো না ।
নো মোর অনুরোধে ঢেকি গেলা ।
শুধু শুধু মানুষকে কেনো প্যারা দিবো ?
যার কাজ সে করতে হয় ।
লিরিক লেখা আমার কাজ না ।



০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কথাটা হলো - মাফ চাই, দোয়াও চাই :)

তো, ঠিক আছে। মাফ করে দিলাম।

একই সাথে দোয়াও করলাম, যেন সুন্দর একটা লিরিক লিখে ফেলেন।

১৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৪৯

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আমার কাছে গানটা শুনে মনে হয়েছিল সলিল চৌধুরির সুর করা কোন গান শুনছি আবার আপনার এই গানটা আমাকে দ্বিজেন মুখার্জির শ্যামল বরণী ওগো কন্যা গানটার াবহের কথঅ মনে করিয়ে দিল । আহা এক গান যে গানের প্রেমে পড়ে প্রেম মুগ্ধ হয়েছিলাম কোন শ্যামল বরণী কন্যার ।

যাকগে, আপনার করা এই সুরের জন্য আমি স্থবির হয়ে কিছুক্ষণ শুনছিলাম । একটা মোহ আছে এই সুরে ।

আমার তাল লয়ের জ্ঞান অনেক কম ভাই , ঐ কানে ভালো লাগলে দুম করে ঢিল মারি তাতেই লেগে যায় আরকি ভাই । আর আপনার ছেলের ব্যান্ড করার কথা জেনে নিজের ব্যান্ড নিয়ে পাগলামির কথঅ মনে পড়ে গেল । আমার পক্ষ থেকে তার প্রতি শুভ কামনা রইল !

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সলিল চৌধুরী আমার অনেক প্রিয় সুরকার। দ্বিজেন মুখার্জির খুব বেশি গান আমার কাছে নেই, শ্যামল বরণী ইউটিউব দেখে শুনবো অতি শীঘ্রই।

এ গানটার প্রশংসায় আমি আবারও আপ্লুত হলাম। অবাক হবেন হয়ত, গানটা আমি আবার শুনে নিলাম একবার :)

আপনার তাল লয়ের জ্ঞান কম বললে আমার বিশ্বাস হবে না :) আর যদি কম হয়ও, সেই কমের পরিমাণও আমার চাইতে অনেক অনেক গুণ বেশি, এটা আমি বুঝে নিয়েছি :) আর নিজেই যেহেতু ব্যান্ডে আছেন, তাল লয় কম হওয়ার প্রশ্ন নেই :)

ছেলেদের একটা গান একবার আমি রাফ রেকর্ডিং করেছিলাম। ওটা আমার চ্যানেলে আপলোড করার অনুমতির আবেদন চেয়েছি ছেলের কাছে। আরো বলেছি, ভালো রেকর্ডিং করে দিতে। সেটা পেলে আমার চ্যানেলে আপলোড করবো, ব্লগে পোস্টও দিব।

আবার আসার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৫৪

মিরোরডডল বলেছেন:
প্রতিবারের মতো এবারো আলটিমেইটলি ধুলোই লিরিক লিখবে :)
এনিওয়ে, মিকি-মাউস কিউট হয়েছে।

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:০৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এটা আমার অনেক ফেভারিট টিউন। মেলোডিয়াস, ওঠানামা প্রচুর, কিন্তু গলার জোরের প্রয়োজন অনেক বেশি। এই সুর তো আমি ফেলে রাখবো না। কাজেই ভালো লিরিক না পাওয়া গেলে আলটিমেটলি আমার গুরুই লিরিক লিখবেন, আপনি ঠিক বলেছেন।

হিউমার সং হিসাবে এটার কন্টেন্ট জোগাড় করতে আপনি অনেক বেশি পারদর্শী হবেন বলে আমি এখনো বিশ্বাস করি। আপনি কন্টেন্ট ক্রিয়েট করতে থাকুন। আমি লিরিক লিখে ফেললেও আপনার লিরিকেও গাওয়া হবে।

১৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৬

নিবর্হণ নির্ঘোষ বলেছেন: আমি ব্যান্ডে ছিলাম না । আমাদের ব্যান্ড করবার ইচ্ছে ছিল । বলে রাখি মেটালে আমাদের আসক্তি ছিল , আমার আছে এখনও । গান লিখেছিলাম এক সময় তখন ভালো লাগত তাই লিখতাম এক সময় দেখলাম আমার গান মানুষের পছন্দ নয় তাই নিজেকে গুটিয়ে নিলাম । আমার গান আমি আগে ফেসবুকে প্রকাশ করেছি এখন আর করি না ফেসবুকেও থাকি না ।

যাইহোক , সব ঠিক থাকলে গানের লিংক দেবেন শুনে নেব !!

০৭ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:১০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ছেলেদের গানটা শেয়ার করবো। ছেলে ওর বন্ধুদের সাথে কথা বলে ক্লিয়ারেন্স দিবে।

আপনার গান শেয়ার করুন আমাদের সাথে। আমাদের ভালো লাগবে অবশ্যই।

২০| ০৯ ই নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:০২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ক্রিকেট নিয়ে আপনার বিশ্লেষণগুলো ভালো লাগে। বিশেষ করে বাংলাদেশ দলকে নিয়ে। আপনি বুঝে শুনে বাংলাদেশ দলের একজন একনিষ্ঠ (ডাই-হার্ড) সমর্থক, অন্ধভক্ত নন। এটা দেখেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দলের দুঃখজনক ফলাফলের বিষণ্ণতার মাঝেও উজ্জীবিত হই।

আশাকরি, আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ নিয়েও আপনি বিশ্লেষণী মন্তব্য লিখতে থাকবেন।

পোস্টে এবং মন্তব্যের ঘরে অনেক অনেক গান সংযোজন করেছেন। সেগুলো সবগুলোই শুনবো, এবং শোনার পর হয়তো পুনরায় আসবো।

পরিশেষে, এ পোস্টটি আমার মত একজন সাধারণ ব্লগারকে উৎসর্গ করে আমাকে যে সম্মান দেখালেন, তার জন্য কতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই। জাস্ট এটুকুই বলবো, থ্যাঙ্ক ইউ!

সাহিত্য সংস্কৃতির বিভিন্ন অঙ্গণে (গান, কবিতা, ছড়া, কথিকা, ক্রীড়া প্রতিবেদন, গল্প, উপন্যাস ইত্যাদি) আপনি নিরন্তর যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ঝর্নার সৃষ্টি করে চলেছেন পরমানন্দে, সেগুলো একেকটা বড় বড় নদী হয়ে সাগরে মিলিয়ে যাক আপন কলতানে, আর আপনার এ সৃষ্টির আনন্দ অটুট থাকুক জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত, এ আন্তরিক শুভকামনাটি রেখে আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

১০ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৪৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: যাক, পোস্টটা আপনার নজরে পড়েছে দেখে বেশ স্বস্তি ও শান্তি পাচ্ছি স্যার। আপনার দীর্ঘ, উৎসাহজাগানিয়া কমেন্টে বরাবরের মতোই খুবই অনুপ্রাণিত হলাম।

খেলাধুলা আমার নেশার মতো, যেমন নেশা লেখালেখি, ব্লগিং, গান, ইত্যাদি। নিজে বিশেষ কোনো খেলায় দক্ষ না হলেও খেলাধুলা দেখি বলে এর উপর কিছুটা অ্যাসেসমেন্টও করতে পারি।

৯৩'র পর থেকে বাংলাদেশের খুব কম ম্যাচই আমি মিস করেছি - আইসিসি চ্যাম্পিয়শিপ ট্রফিসহ। বাংলাদেশ কীভাবে ধীরে ধীরে এ পর্যন্ত এলো, তা আমার নখদর্পণে। বাংলাদেশের ক্রিকেটযাত্রা যেমন স্বচক্ষে দেখা, অন্যান্য দেশের ইতিহাস, বা ছোটোদলগুলোর খবরও কিছুটা রাখি।

বাংলাদেশের মানুষ খেলাধুলার দর্শক বা সমর্থক হিসাবে খুব উন্নত মানের না। স্যার কিছু মনে করবেন না। এর প্রকৃত চিত্র ও প্রমাণ পাওয়া যায় বিশ্বকাপ ফুটবলের সময়। কোনো আর্জেন্টিনাদলের সমর্থক যদি জানতে পারেন, আমি ব্রাজিলের সমর্থক, অমনি তার মুখ কালো হয়ে যাবে এবং ভাইসভার্সা। আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থক গোষ্ঠির মধ্যে ঝগড়া, খুনাখুনি কেবল বাংলাদেশেই হয়। বিশ্বকাপের সময় এ দেশে যত আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের পতাকা উড়বে, খোদ আর্জেন্টিনা ব্রাজিলেও এত পতাকা উড়বে বলে মনে হয় না।

বাংলাদেশের মানুষ খেলাধুলা তেমন বোঝে বলেও মনে হয় না। আমরা মূলত হুজুগে গোষ্ঠি। ক্রিকেট খেলা শুরু হলে আমরা চাই বাংলাদেশ প্রতিটা ম্যাচেই জিতবে। প্রতিটা দলকেই হারাবে। আমাদের আশা এত বেশি ও এত বড়ো যে, বাংলাদেশ হেরে গেলে ক্রিকেট টিমকে তখন একহাত দেখে নিতে উঠে পড়ে লাগি।

আমাদের কিছু কিছু দর্শক আছেন, তারা শুধু বাংলাদেশ যখন কোনো খেলায় হারতে থাকে, বেছে বেছে শুধু সেই খেলাগুলো দেখেন। কিছু কিছু দর্শক আছেন, বাংলাদেশ হেরে গেলে তারা খুশি হোন, তখন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রল করার এলিমেন্ট পান অনেক। হেরে যাওয়া ম্যাচেও যে পজিটিভ কিছু থাকতে পারে, তা আমরা কখনো বিবেচনা করি না। এই গতবছরই অস্ট্রলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়েকে গুঁড়া করে দিল বাংলাদেশ। আমরা সেগুলো মনে রাখি নাই। আগামী ওডিআই বিশ্বকাপে সরাসরি খেলাত দৌড়ে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে আছে, সুপার লিগের রেজাল্ট দেখুন এই লিংকে। Click This Link

কমেন্ট অনেক বড়ো হয়ে গেল স্যার।

আপনি ব্লগার হিসাবে, নিজের লেখালেখি, কমেন্ট, অসম্ভব সদাচরণ দিয়ে নিজের উন্নত মেধা, বুদ্ধিমত্তার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছেন, ব্লগারদের কাছে আপনি একজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি, একটা আইকন, যা আপনার অর্জন, যা আপনাকে সর্বকালের অল্প কয়েকজন সেরা ব্লগারের সারিতে সমাসীন করছে। এটা আমাকেও আপ্লুত এবং গর্বিত করে।

আপনার জন্য অনেক অনেক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা রইল স্যার।

২১| ১০ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৪৮

অঙ্গনা বলেছেন: গান শুনা ফিনিশ হইলে আবার আসব পোষ্টে।
আমি বেদনা পাই নাই , অনেক অনেক রাগ হইছে খেলা দেখে।

১০ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৫৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: রাগ কমান। বেশি রাগ ভালো না তো!

২২| ১১ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:১৪

অঙ্গনা বলেছেন: দেখি গানশুনে রাগ জল হয় কিনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.