| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অতন্দ্র সাখাওয়াত
তন্দ্রাকুমারী একটি কাল্পনিক চরিত্র যার সন্ধানে আছি নিশিদিন!!
তরমুজ জেগে উঠছে,
তার বোঁটায় চৈত্রের দহন।
ভেতরে ফোঁটায় ফোঁটায় মধুর বিস্ফোরণ,
বাহিরে শুষ্ক ত্বকে ঝরে পড়ছে অকাল শ্রাবণ।
হৃদয়ে তার ছন্দের দ্বন্দ্ব ফুটছে,
দ্বন্দ্বের মাঝে মহাকালের অসীম স্পন্দন।
এক মহাকাশ থেকে অন্য মহাকাশে ছুটছে
উন্নত শিরে তার চিত্তের গর্জন।
যেন দুই দিকে যেতে চায় দুটি মন।
পাহাড় থেকে বয়ে যাবে মিষ্টি নদীর প্রস্রবণ,
সেই নদীতে এক সাঁকো ছিল —
চঞ্চল, কম্পমান এক সাঁকো।
সাদা বক সাঁকোর উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল,
নড়বড়ে তার দুই পাড়ে দূর্বা ঘাসের আস্তরণ।
কে যেন সেই ঘাসে আঙুল বুলাচ্ছিল,
যে ঘাসের যত্ন নিতেই আমাদের সাধের জীবন।
ঘাসের মাঠ পেরিয়ে কাশফুলগুলো উড়ছিল,
উড়ে যেতে চায় ওরা বকের মতো।
তরমুজ জেগে উঠছে
তার বিপুল রাজত্বের অহংকারে।
হঠাৎ শুনি মেঘেদের চিৎকারে —
মহাবিশ্ব পুড়ে ছারখার।
কেউ দেখে না সে মহাবিশ্বের ক্ষত,
উন্মাদনার বিপুল অতীত থতমত তার।
আমাদের রক্তস্রোতে শীতের আবির্ভাব,
বিস্মৃতির অতলে হারায় বিস্মিত খোয়াব,
যেখানে মিলিত হয় জগতের সব অভিশাপ।
তরমুজ জেগে উঠছে,
তার কণ্ঠে বাজে যুদ্ধের উত্তাপ।
শুদ্ধতার বিনম্র প্রহসন,
মৃত গোলাপের গল্পে বোধের উচ্চারণ।
থেমে থেমে চলে গেছে যেসব আয়োজন
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে —
সেই এক ব্যথা সকলের ধমনীতে,
সেই এক গান সকলের রুহের নদীতে।
পরাজয়ের গ্লানিমাখা বিদগ্ধ রোদ
ফিরে আসে ক্রোধের অবগুণ্ঠিত বেদীতে।
রথের ছুটে চলায় সেই এক প্রতিশোধ,
যেদিকে চলে যায় পৃথিবীর সব ধাতব উল্লাস।
শেষ হয় যেখানে বসন্তবিলাস —
চক্রবৃদ্ধির ভীষণ উচ্চতায় ঝরে
ঘাসের বুকে ঘাস!
[link|https://www.facebook.com/share/17mBW4g3nK/|আমার ফেসবুক পেইজটি ফলো দিয়ে রাখতে পারেন!
©somewhere in net ltd.