| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অতন্দ্র সাখাওয়াত
তন্দ্রাকুমারী একটি কাল্পনিক চরিত্র যার সন্ধানে আছি নিশিদিন!!
দিন আসে, দিন যায় নিরবে নিভৃতে,
চোখের সামনে সবকিছু ভেঙে পড়ে।
কী আছে করার এই হিমেল শতাব্দীতে?
রাতে ঘুমের ঘোরে — ভাঙনের শব্দ শুনি
পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ স্থান থেকে,
যেখানে বস্তুহীন অন্তরীণ বেদনা
একাকীত্বের প্রেমে মগ্ন হয়ে আছে।
সবকিছু অসমাপ্ত রেখে ঘুমিয়ে পড়ি
এই নিষ্ঠুর এপ্রিলের পঁচিশ তারিখে।
আমি অনুভব করছি ভেতরের শূন্যতা —
অস্তিত্ব নেই, কিন্তু তার ছায়া দীর্ঘতর হয়।
স্মৃতির ছায়ারা কাঁপছে রাত্রির অন্তরে,
নিজের গান শুনে স্বপ্নের ভিতরে জাগি।
গানের ভেতরে শত সত্ত্বার বিলুপ্ত কান্না,
কিন্তু অস্তিত্বের প্রশ্নে তারা একজন।
একটি বালুর কণায় দেখি কত মহাবিশ্ব!
কী করে সৃষ্টি হয়েছে এই বালুর কণা?
দেখি সেই কণার মাঝে শিল্পের অন্ধকার,
বাঁশির সুর থেমে গেছে এইখানে বাতাসে।
আগুনে জ্বলছে মহাবিশ্বের সব বাঁশির সুর,
আগুনে জ্বলছে মহাবিশ্বের সব জ্ঞান —
এই বুঝি ছিল নিয়তির লিখন,
মদ, প্রেম আর মাটির তৈরি মহাবিশ্বের।
দিন আসে, দিন যায় নিরবে নিভৃতে,
কাল যা ছিল, আজ আর নেই তার কিছু।
মাটির দেহ মিশে যাবে সেই একই মাটিতে,
গুরুর সাথে মিশে যাবে শিষ্যের স্বকীয়তা।
ভাষার বিরুদ্ধে জয়ী হবে আরেক ভাষা,
শুকিয়ে যাবে জীবনের সব ভালোবাসা।
২৫/০৪/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,ট্রান্সপোর্ট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
©somewhere in net ltd.