নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি আমার রাতবন্দিনী। ধূসর স্বপ্নের অমসৃণ সুউচ্চ দেয়াল তুলে তোমাকে আমি বন্দী করেছি আমার প্রিয় কালোর রাজত্বে। ঘুটঘুটে কালোর এই রাজত্বে কোন আলো নেই। তোমার চোখ থেকে বের হওয়া তীব্র আলো, আমার হৃদয়ে প্রতিফলিত হয়ে সৃষ্টি করে এক অপার্থিব জ্যোৎস্না।

জাদিদ

ব্যক্তিগত ব্লগ।

জাদিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

লৌকিক মুনাজাত।

০৬ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১১:৪৬

মসজিদে আজকে শবে কদর উপলক্ষে সম্মিলিত মোনাজাত হলো। হুজুর সাহেব চেয়েছেন সবাইকে নিয়ে একটি আবেগঘণ পরিবেশে সৃষ্টিকর্তার কাছে কিছু প্রার্থনা তুলে ধরতে। কিন্তু আজকের প্রার্থনাটা এত বেশি লৌকিক ছিলো যে তা অন্তরে ধারণ করতে খুব কষ্ট হয়েছে। ফলে সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের কথা বলতে বা চাইতে গিয়ে দ্বিধায় পড়েছি, লজ্জা পেয়েছি।
আমার মনে হয় একাকীত্ব আর নির্জনতায় আপনি সৃষ্টিকর্তাকে কিছুটা হলেও কাছে পাবেন। আপনি যখন তাঁকে কাছে পাবেন বলে উপলব্ধি হবে আর সেটা হৃদয় ধারণ করবেন তখন আপনার বিস্মিত হবেন এই ভেবে যে, সত্যি তিনি কি এতটা কাছে থাকেন? এই অনুভব আপনাকে আবেগী করবে, আপনার বিস্ময় অশ্রুর মাধ্যমে প্রকাশিত হবে। তখন যখন আপনি বলবেন, হে আল্লাহ! তুমি সম্মানিত ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই পছন্দ করো, অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও।
তখন অদ্ভুত এক স্বতঃস্ফূর্তয় আপনি নিজেই বুঝবেন - সৃষ্টিকর্তা আপনার আবেদনে সাড়া দিয়েছে।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১২:০৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: হুজুর যা ভালো মনে করেছেন তিনি সেটা করেছেন। আপনি যা ভালো মনে করবেন সেটা আপনি করবেন। আলাদা মানুষদের আলাদা রুচি থাকতেই পারে। আর রুচির অমিল সেটাও নিতান্ত সাধারণ বিষয়। আর একাকিত্বের বিষয়ে আপনি যা বলেছেন সেটা ঠিক আছে। এখনো রাতের অনেকটা বাকী আছে। কাজেই পাঠকগণ আপনার সাজেশন অনুযায়ী কাজ করলে আশা করা যায় তারা উপকৃত হবেন।

২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১২:১৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ব্যাপারটা আমার মতো করে একটু বলি। বহু মানুষের ভিড় কিংবা একাকিত্ব বা নির্জনতার চাইতেও ব্যক্তির বর্তমান অবস্থা তার মনকে বেশি প্রভাবিত করে। এজন্য দেখা যায়, মোনাজাতের সময় কেউ নীরবে চোখের পানিতে বুক ভাসিয়ে দিচ্ছেন, কেউ শুকনো মুখে দু হাত তুলে বসে আছেন, কেউবা হয়ত বসে বসে মোবাইল টিপছেন। মোনাজাতের একাগ্রতা মনের অবস্থার উপর নির্ভর করে। আমাকে জীবনে ৫ বার ফুল অ্যানেস্থেশিয়ার ভেতর দিয়ে আসতে হয়েছে, বলতে পারেন আমি ৫বার মৃত্যুকে দেখে জীবনে ফিরে এসেছি। কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের পর যদ্দিন আমি পোস্ট-অপারেটিভে ছিলাম, আমার মন এতখানি নরম ও আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভক্তিতে নতজানু হয়ে ওঠে যে, আমি গলা ছেড়ে সুরা পড়তাম, যতক্ষণ পারা যায়। শুয়ে শুয়ে নামাজ পড়তাম এবং নামাজের প্রতিটা সুরাসহ সবগুলো কথা গলা ছেড়ে উচ্চারণ করে পড়তাম। যত পড়তাম আমার তত শান্তি লাগতো। এমনিতে জুম্মা ও তারাবিহ ছাড়া ওয়াক্তের নামাজ পড়ার জন্য কদাচিৎ মসজিদে যাওয়া হয়। কলকাতায় আমি ৪ মাস ছিলাম। শেষের দিকে মসজিদে যেয়ে এক ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য আমার মন উতলা হয়ে উঠলো। রোজার সময়ে আমি কান খাড়া করে থাকতাম, কোথাও আজানের শব্দ শোনা যায় কিনা, যাতে আমি সেই মসজিদে যেতে পারি নামাজের জন্য।

তবে, একটা উপযুক্ত আবহ তৈরির জন্য নিজের মন ছাড়াও বক্তার ব্যক্তিত্ব, ভাষণের গাম্ভীর্যও অনেক গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সর্বোপরি, আমার মন কখন বিগলিত হয়ে স্রষ্টার সমীপে সমর্পিত হবে, তা শুধু মনই জানে।

৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১২:২৪

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: চট্টগ্রামের অধিকাংশ মসজিদে কদরের নামাজ জামাতে পড়াচ্ছে। যেটা স্পষ্ট বেদাত।

৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১২:৩৮

ডার্ক ম্যান বলেছেন: একসময় বায়তুশ শরীফে যেতাম। এখন তেমন কোথাও যায় না।
যখন যেতাম, তখন নানান কিসিমে’র মোনাজাতকারীকে দেখে হাসি পাইতো।
এখন অবশ্য নামাজও তেমন একটা পড়া হয় না।

৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১২:৩৯

ফ্রেটবোর্ড বলেছেন: হুজুররা যখন মোনাজাত ধরেন, তখন কেঁদে অস্থির এবং মোনাজাত শেষ হলেই একেবারে স্বাভাবিক তাহলে এটাতো পুরোটাই অভিনয়। যিনি অন্তর্যামী তাঁর সাথে অভিনয় করার দরকার কী। বর্তমানে যেই হুজুর ঘন্টা ধরে কেঁদে মোনাজাত করতে পারেন তিনিই বাহবা পান।

৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:৪৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: শবে কদরের রাত নির্দিষ্ট করা নেই জানার পরও হুজুরেরা ২৭-এর রাতেই আলোচনা করবে, উৎসাহ দিবে। নামাজে দলীয় মোনাজাত নেই জানার পরও তেনারা দলীয় ভাবেই মোনাজাত করাবে। এনাদের বলে লাভ নেই। এনারা আবার দলীয় মোনাজাত বন্ধ করলে মুসুল্লী ও কমিটির লোকেরা রাগ করবে।
ইসলাম আর অন্য ধর্মের মধ্যে পার্থক্য হল ইসলামে স্রষ্টার সাথে কথা বলার জন্য কোন পন্ডিত, পুরোহিত, ফাদার লাগে না, নিজেই চাওয়া যায়...

৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১০:০৩

রানার ব্লগ বলেছেন: আমি মনে করি প্রার্থনা একা নিভৃতে হওয়া উচিৎ । আল্লাহের সাথে মানুষের কন্ট্যাক ম্যান টু ম্যান । তাই প্রার্থনা ও ম্যান টু ম্যান হওয়া উচিৎ । আর আমার প্রার্থনা অন্য কেউ করে দিলে তা আমার মন মতন হবে না এটাই স্বাভাবিক ।

৮| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১০:৩২

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাদিদ,




রানার ব্লগ এর সাথে একমত।
স্রষ্ঠার সান্নিধ্যে আসতে হবে মনপ্রান ঢেলে দিয়ে একা নিভৃতে যাতে স্রষ্ঠার নৈকট্য অনুভূত হয়।

৯| ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১০:৫১

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


পরে আপনি আপনার নিজের মুনাজাত আলাদাভাবে করেছেন?

১০| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:২৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:




মোনাজাত করার পর আজ পর্যন্ত তার কোন ফলাফল পেয়েছেন কি?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.