| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শেষ হতে চললো ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। শেষ হবার আগে মেলায় অংশগ্রহনকারী হিসেবে মনে কষ্ট নিয়ে যে রেশ টুকু বয়ে নিয়ে যাব তাই আপনাদের শেয়ার করে গেলাম-
ঘটনা ১ : মেলায় অংশগ্রহনের আহবান জানায় ইপিবি (এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো) । অংশ নেয়ার পর অংশগ্রহকারীদের তুলে দেয় কিছু রাজনৈতিক পান্ডাদের হাতে (গেট ইজারাদার)।
ঘটনা ২ : মেলায় প্রবেশের জন্য অংশগ্রহনকারীদের জন্য ইপিবি গেট পাশ দেয় বটে কিন্তু হাতে কোন পণ্য থাকলেই তার জন্য গেট ইজারাদারদের পান্ডারা টিকিট কিনতে বাধ্য করে। (আমার লান্ঞ বক্স এর জন্য প্রতিদিন একটা টিকিট (২০টাকা) কাটতে হত।)। একজন শুভাকাঙ্খীর দেয়া ৫টি ক্যলেন্ডার নিয়ে মেলায় প্রবেশ করার সময় পান্ডারা আমাকে ৩টি টিকিট নিতে বাধ্য করেছে।
ঘটনা ৩ : প্রতিটি প্যভেলিয়নের সামনের বৈদ্যুতিক খুটিতে অপরিকল্পিতভাবে লাগানো হয়েছে ৪টি করে লাইট বক্স। যা ঢেকে দিয়েছে প্যাভেলিয়নের আঙ্গিক সৌন্দর্যকে।
ঘটনা ৪ : বাধ্য করা হয়েছে একজন সরবরাহকারী হতে খাবার পানি সংগ্রহ করতে।
ঘটনা ৫ : পান্ডারা অংশগ্রহনকারীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের অন্তরালে কোন প্রকার সমস্যার বিষয়ে মিডিয়ায় কথা বলা হতে বিরত থাকতে হুমকি দিয়ে যেতেন। মিডিয়ায় পান্ডাদের বিরূদ্ধে তাদের কর্মের কিছুটা প্রকাশ পেলে প্রচারপত্র ছাপিয়ে তারা নিজেদের সাধু বানানোর চেষ্ষ্টা করে চলেছে।
ঘটনা ৬ : এবার মেলায় যারা গিয়েছেন, তারা দেখেছেন কি পরিমান টোকাই এবার মেলায় প্রবেশ করেছে। সবখানে ছিল ভ্রাম্যমান হকার। তারা পান্ডা মামাদেরই আর্শীবাদে মেলায় প্রবেশ করেছে বলে জানান।
সারকথা হচ্ছে মেলায় আর জৌলশ নেই। প্রতিনিয়ত অংশগ্রহন ফি বেড়েই চলেছে। সে তুলনায় অংশগ্রহনকারী কিংবা দর্শনার্থীদের জন্য কোন সুযোগ সুবিধাই বাড়েনি (আগে বসার জায়গা, খাবার পানির ব্যবস্থা ছিল।) বরং পুরো মেলা যেন প্রতিনিয়ত পরিনত হচ্ছে এক বড়সড় মফস্বল বাজার। নামে আন্তর্জাতিক তকমা। আঢালে দেশী পণ্যের বাজারে শেষ পেরেকটুকু ঠুকতেই বিদেশ হতে আমাদানী করা বাহারী ও নিম্ন মানের পণ্যের বাজারজাত। প্রতিনিয়ত অংশগ্রহন ফি বৃদ্ধির কারনে দেশের ক্ষুদ্র ও কুঠিরশিল্প প্রতিষ্ঠান সমুহ অংশই নিতে পারছেনা। ফলে নিম্নমানের বিদেশী পণ্যে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে পুরো মেলা। অথচ কিছু দেশীয় পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্যভেলিয়নে উপছেপড়া ভিড় ও বিক্রয় দেখে বোঝা যায়, মানুষ হাতের নাগালে পেলে দেশের পন্যটি কিনতেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। কিন্তু মেলায় কয়টিইবা দেশী প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারে? সময় ফুরাইনি, ইপিবি চাইলে এখোনো মেলায় আঙ্গিক রূপ আন্তর্জাতিক মানের দিতে পারে। তাই বলে দেশীয় উদ্যোক্তাদের ডেকে নিয়ে টাকা নিয়ে অংশগ্রহন করিয়েই রাজনৈতিক পান্ডাদের হাতে তুলে দিলে হবেনা। পুরো মেলার সময়জুড়ে খেয়াল রাখতে হবে প্রত্যেক অংশগ্রহনকারীদের, যারা আপনাদের আহবানে সাড়া দিয়ে আপনাদেরই ইজ্জতটুকু রক্ষা করে। সামান্য হিসেব করে দেখুন-কোন স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বিপুল পরিমান টাকা খরচ করে মেলায় শুধুমাত্র পণ্যের প্রসার ঘটাতে পারে, মেলার পুরো খরচটুকুও উঠাতে পারেনা। অথছ দেশেরই কিছু বিহারী বা হিন্দিভাষী মেলায় তারা ইন্ডিয়া বা পাকিস্থান হতে এসেছে বলে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করে নিম্ন মানের কিছু পণ্য ঘছিয়ে দিয়ে যাচ্ছে । এসবও ইপিবিকেই দেখতে হবে, নতুবা সেদিনও বেশি দুরে নয় যেদিন এ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার তকমা মুছে ফেলে পরিনত হবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠেয় মেলার রূপে।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৪
জাহাঙ্গীর হাবিব বলেছেন: দেশি পণ্যের মেলা নয়, নিম্ন মানের বিদেশী পণ্যের মেলা
২|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪১
টেকনিসিয়ান বলেছেন: ঢাকা মোহাম্মদপুর বিহারীদের থেকে কিছু জরি, কারচুপির কাজ করা কাপড়, চোপড়, জুতা এনে বানানো হয় পাকিস্তান প্যাভেলিয়ন, আর প্রতি বছর থাই প্যাভেলিয়নে দেখা যায় নিম্নমানের একটি সস্ এর সাথে আরেকটি কিন্তু বাজার দরে দাম নির্ণয় করলে দেখা যায় ক্রেতারা ধরা খাচ্ছে (যারা এসব হিসাব করে না) এবং নিম্নমানের (বেশীরভাগই এক্সপেয়ার ডেট ছাড়া)।
এসব ছাগু পান্ডাদের হাত থেকে মেলাকে আর্ন্তজাতিক রূপ দেয়ার জন্য মালটি ন্যাশনাল কোম্পানীগুলো একত্রিত হয়ে প্রথমে ইপিবি হুমকি দিয়ে কাজ না হলে সম্মিলিতভাবে ১মবছর অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৫
জাহাঙ্গীর হাবিব বলেছেন: দেশের কোম্পানীগুলো এক হবেনা ভাই। সবাই ছাগু পান্ডাদের ভয় পায়।
৩|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৯
শামীম অহাম্মদ মজুমদার বলেছেন: মেলা না ছাই তার থেকে ভাল জিনিস নিউ মার্কেট আর মতিঝিলের ফুটপাতে পাওয়া যায়। মেলাই গেলেই মিজাজ পুরাটাই বিলা হইয়া যায়। আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলা আথচ সারা মেলা খুইজা কোন ফরেন স্টল পাইলাম না। সব খানেই দেশি না হ্য় বিহারি আর না হয় দেশিগো বিদেশী সাজনের চেষ্টা।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৬
জাহাঙ্গীর হাবিব বলেছেন: জব্বর অভিজ্ঞতা।
৪|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৯
শামীম অহাম্মদ মজুমদার বলেছেন: মেলা না ছাই তার থেকে ভাল জিনিস নিউ মার্কেট আর মতিঝিলের ফুটপাতে পাওয়া যায়। মেলাই গেলেই মিজাজ পুরাটাই বিলা হইয়া যায়। আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য মেলা আথচ সারা মেলা খুইজা কোন ফরেন স্টল পাইলাম না। সব খানেই দেশি না হ্য় বিহারি আর না হয় দেশিগো বিদেশী সাজনের চেষ্টা।
৫|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৮
তারেক বলেছেন: আর এই মেলায় দেখার জন্য বলদ পাবলিক গুলো প্রতিদিন ভিড় করছে আর রোকেয়া সরনি রাস্তাটিতে জ্যাম সৃষ্টি করে মিরপুরের পাবলিকদেরকে কষ্ট দিচ্ছে
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:২৬
মোঃ ওমর শরীফ বলেছেন: এইটা নামেই বানিজ্য মেলা।আর কাজে হলো দেশি পন্যের মেলা, যেখানে পন্যের চেয়ে দূর্নিতির ও প্রতারনার মাত্রা বেশি।