| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমার এক বন্ধু অনুরোধেই এ ব্লগ লিখা। অনেক ব্লগার ভাই অষ্ট্রেলিয়াতে আছেন বলেই একটি জিজ্ঞাসার জন্যই এ ব্লগ। আমার বন্ধু সাবক্লাশ ১৭৫ এ ইন্ডিপেনডেন্ট স্কিল ক্যাটাগরীতে অষ্ট্রেলিয়ায় ফ্যমেলি মাইগ্রেশন এর জন্য অনলাইনে আবেদন করে ২০০৮ এর জুলাইতে। ইতিমধ্যে তাঁর মেডিকেলও হয়ে গেছে। অনলাইনে Case officer কর্তৃক সকল requirement meet দেখাচ্ছে গত ১১ই ডিসেম্বর হতে। তবে তাঁর কর্মক্ষেত্রে ইনকোয়েরী হয়নি বলে জানিয়েছে। এখন কি কি প্রসেস বাকী রয়েছে কিংবা আর কতদিন সময় লাগবে বলে অভিজ্ঞ ব্লগার ভাইয়েরা বিস্তারিত জানালে আমি বন্ধুর কাছে জ্ঞান বিলাতে পারতাম। অভিজ্ঞরা লিখুন।
২|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৩
জাহাঙ্গীর হাবিব বলেছেন: বিডি আইডল ভাই, আপনার মন্তব্য পেয়ে তাকে জানোনোয় সে জানাল যে, তার এজন্সেী তাকে জানিয়েছে যে কর্মক্ষেত্রে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে। ইনকোয়েরী হবে। সে এও জানাল- এক দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য ট্রেড রিকগনাইসড অস্ট্রেলিয়া হতে তার এসেসমেন্ট হয়েছে।
৩|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৭
বিষন্ন পথিক বলেছেন: কাজের যায়গায় ফোন করবে। আমি ইউ.কে থেকে অ্যাপ্লিকেশান করেছিলাম। আমার কম্পানীতে লন্ডন কনসুলেট থেকে ফোন করেছিলো। আজ পর্যন্ত সব বন্ধু যারা আমার আগে ও পরে এসেছে,সবাইকে ওরা ভেরিফাই করে। আমার পরিচিত একজনের ডেজিগনেশান অন্য দিয়েছিলো, ভেরিফিকাশানে ধরা পড়ে, সে আর কোনোদিন অ্যাপ্লাই করতে পারবে না।
প্রুফ অফ এমপ্লয়েন্টন্ট দিলে ক্রাইটেরিয়া ওয়েবে মেট দেখায়, পরে
ভেরিফাই করবে।
ওদের টাইম অবশ্যই আছে, তা না হলে প্রুফ অফ ইমপ্লয়েন্টমেন্ট মানুষ ঘরে বসে কাগজ বানিয়ে স্ক্যান কপি আপলোড করে ভিসা পেয়ে যেতো।
৪|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪২
জাহাঙ্গীর হাবিব বলেছেন: চমৎকার কথা বলেছেন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য সাধুবাদ বিষন্ন পথিক।
৫|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৪৫
বিডি আইডল বলেছেন: @বিষন্ন পথিক, কাইন্ডলি ইউকে এবং অস্ট্রেলিয়ার মাইগ্রেশন প্রসেসের কোথায় বলা আছে যে জব ভেরিফেকেশন হবে দেখাতে পারবেন?
৬|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:০৬
বিষন্ন পথিক বলেছেন: @ বিডি
মাইগ্রেশান রুলে সেটা বলা নাই। কিন্তু অস্ট্রেলিয়াতে জব ভেরিফিকেশন করে। নিজের এবং পরিচিত যত মানুষ গেছে সবার করেছে। আমাদের দেশের একটা স্ক্যান কপি আর পশ্চিম বিশ্বের স্ক্যান কপিতে ওরা যদি সন্তুষ্ট না হয়ে ভেরিফাই করে তাহলে সেটা আমাদের সবুজ পাসপোর্টের সন্মান মুল্য।
যতদুর জানি আপনি কানাডার ইমিগ্রান্ট। আপনি কি অস্ট্রেলিয়া অ্যাপ্লাই করেছিলেন অথবা পরিচিত কেউ। তাহলে তাদের কাছ থেকে জেনে নেবেন ভ্যারিফাই করে কি করেনা।
একটা তথ্য সাহায্যের পোষ্টে আপনি যদি সঠিক না জেনে মন্তব্য করেন তাহলে তার ক্ষতি হতে পারে। আপনি কানাডা বিষয়ক জানেন কারন আপনার নিজের ও পরিচিত মানুষের এক্সপেরিএন্স। আমি আপনি কেউ ভিসা সাপোর্ট এজেন্সি খুলে বসিনি, যতটুকু জানি, নিজের থেকে। অস্ট্রেলিয়াতে জব ভেরিফিকেশন হয়, সেটা অ্যাম্বাসী থেকে করে, সেটা যদি আপনার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, সেটা আপানার নিজের ব্যাপার। ধন্যবাদ।
৭|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৩১
জাহাঙ্গীর হাবিব বলেছেন: বিষন্ন পথিক, আপনার ই মেইল এড্রেসটা দিলে খুশি হব।
৮|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৪৪
বিডি আইডল বলেছেন: @বিষন্ন পথিক আপনি বলছেন প্র্যাকটিসের কথা, আমি বলছি নিয়মের কথা। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা অস্ট্রেলিয়া যাচাই করে কি করে? শিক্ষাবোর্ড এবং ভার্সিটিতে ফোন করে নিশ্চয়ই? ইমিগ্রেশনের বহু নিয়ম নিয়েই বাংলাদেশীদের ভুল ধারণা আছে। আমি সেইসবের বিরুদ্ধে।
আপনি বলছেন অফিসে ফোন করেই জব ভেরিফেকেশন করা যায়। ঠিক আছে আমি আপনাকে একটা জব লেটার দিচ্ছি একটা ভুয়াঁ কোম্পানীর। ফোন এলে আমি ধরবো। যা লিখে দিয়েছি সব সঠিক ভেরিফাই করে দেব। কি হতে এতে??
৯|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৪:৪৫
বিডি আইডল বলেছেন: বিদেশী ছাত্র বৃত্তির জন্য এপ্লাই করলে এইরকম বহুল প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো এম্বেসী থেকে ব্যাংকে ফোন করে একাউন্টের খোজ খবর নেয়। আপনার একাউন্ট এর খোজ নেয়ার ক্ষমতা স্বয়ং রেভিনিউ বোর্ডেরও নেই, বিশেষ কোন মামলা/আদালতের অনুমতি ছাড়া।
১০|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:৩২
বিষন্ন পথিক বলেছেন: @ আইডল
ফোনে ভেরিফাই করেনা, সরাসরি অ্যাম্বাসির কোনো লোক যায়। আমি লন্ডনের আমার ফিল্ডে রেপুটেড একটা কম্পানীতে কাজ করতাম। আমার মনে হয় লন্ডন বলে ফোনে ভেরিফাই করেছে। বাংলাদেশ থেকে আমার পরিচিত যত মানুষ স্কিল্ড মাইগ্রেশান নিয়ে এসেছে সবার পারসোনাল ভেরিফিকেশান হয়েছে। কোনো রকম ডিসক্রিপেন্সি পেলে সরাসরি বাদ। আর ভেরিফাই করে জব রেফারেসন্সের মত। কি কাজ করে, ফিল্ড রিলেটেড কিনা, এসব। অস্ট্রেলিয়াতে স্কিল্ড ভিসায় খুব ভালোভাবে ছেকে ভেরিফাই করে। আমি নিজে ইমিগ্রেশান নিয়ে মোটামুটি ডিল করেছি, নিজের জন্য। যাক সে কথা।
ধরেন কানাডার একটা ব্যাংকের স্টেটমেন্ট, আর বাংলাদেশের একটা ব্যাংকের স্টেটমেন্ট এক না। বাংলাদেশের টা ভেরিফাই করবে। কিভাবে ভেরিফাই করবে এটা তাদের বিষয়। এটা কোনো রুল না, এটা প্র্যাকটিস। হয়ত আমরা সিস্টেমের কিছু অ্যাবিউজ করেছি, তার জন্য এগুলো করে। আপনি খুব সহজেই স্যু করতে পারেন বিদেশে রুলের বাইরে কিছু করলে, এটা বাংলাদেশে সম্ভব না।
@ লেখক
[email protected]
১১|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:৫২
বিডি আইডল বলেছেন: আমি বাংলাদেশের কথাই বলেছি। বাংলাদেশে এটা বহুল প্রচলিত একটা ভুল ধারণা যে আ্যপ্লিকান্টের ব্যাংক একাউন্ট ভেরিফাই করে ব্যাংক থেকে।
জবের ব্যাপারে ইন্ডিয়া-বাংলাদেশের বাইরে আর কোন দেশ থেকে এভাবে লোক পাঠিয়ে ভেরিফাই করে কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কানাডার ইমিগ্রেশনের ব্যাপারে আমি যথেষ্ট ডিল করেছি...এইরকম আজগুবি কিছু শুনিনি।
১২|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:২৭
জাহাঙ্গীর হাবিব বলেছেন: বিডি আইডল ও বিষন্ন পথিক সাধুবাদ আপনাদের। যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আপনাদের। অনেক তথ্য পেলাম। আপনারা দুজন দু দেশে থেকেও যে অভিজ্ঞতার কথা জানালেন, তার জন্য আবারও সাধুবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০৪
বিডি আইডল বলেছেন: কর্মক্ষেত্রে কে ইনকোয়ারী করবে?? এত টাইম কার আছে??
উনাকে ইমিগ্রেশন অফিসে সরাসরি ই-মেইল করতে বলেন। উনার ফাইল ফাইনাইজ হয়ে যাবার কথা।