নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই। ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি-ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুল্গুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুনজির- মুস্তফা.........

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:৩৭

মুনজির- মুস্তফা.........

বাবার কোলে নিচ্ছেন শিশুকে। অনাবিল হাসি একরত্তির মুখে। আর বাবার চোখে মুখে পরিতৃপ্তির ছাপ। মেহমেত আসলানের তোলা এই ছবি সিয়েনা ইন্টারন্যাশানালে সেরা ছবির স্বীকৃতি পেয়েছে। ছবিটি সিরিয়ার সীমান্তে তুরস্কের হাতায় প্রদেশের রেহানলি জেলায় তোলা হয়েছিল।
পোস্টের এই ছবিটা অনেক দিন যাবত সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যপক ভাবে প্রচারিত হচ্ছে, কিন্তু আমরা অনেকেই ছবিটির পূর্বাপর জানিনা।
ছবির শিশুটির নাম মুস্তাফা। জন্ম থেকেই তার হাত-পা নেই। বিরল রোগে আক্রান্ত এই একরত্তির শিশুটি। ওর বাবার নাম মুনজির। সিরিয়ায় ইদলিবের একটি বাজারের মধ্যে দিয়ে হাঁটার সময় বোমা বিস্ফোরণে ডান পা হারান মুনজির। তার পর থেকে তাঁর নিত্যসঙ্গী ক্র্যাচ।

উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার একটি জনপদ। যখন বিস্ফোরণটা হয়, মুনজির বাজারে গিয়েছিল। ডান পা উড়ে যায় ওর।
স্ত্রী জেয়নেব প্রেগনেন্ট তখন। বিষাক্ত নার্ভ গ্যাস ছেয়ে যায় তার রক্তস্রোতে। বেঁচে থাকার জন্যই সে নিতে বাধ্য হয় ওষুধ।
তারপর একদিন মুস্তাফা জন্মায়। দেখা যায় সে টেট্রা- আমেলিয়ার শিকার। গর্ভস্থ ভ্রূণ এ যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীর আলোতো দেখেছে, কিন্তু হাত-পা নেই তার। হিংসার ক্ষত অনেক গভীর, সুদূরপ্রসারী। সুস্থ ভালোবাসাকে সামান্য ওষুধের সাঁকো দিয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া যায় না কিছুতেই।

বাবা- মা- সন্তান পালিয়ে আসে রেহানলিতে। হাতায় প্রদেশ, তুর্কি সীমান্ত। সেখানেই তাদের জীবনের সঙ্গে জীবন জড়িয়ে যায় মেহমত আসলানের। মেহমত ছবি তোলে। এর বেশি পারে না সে।

একদিন মুনজির আর মুস্তাফার জীবন, এক সামান্য মুহূর্ত ধরা পড়ে তার লেন্সে। আপাতত পৃথিবী চেনে ওদের। মেহমতের ছবিটি এ বছরের সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে যে!

এভাবেই বেঁচে আছে মানুষ।
যন্ত্রণায়, সুখে।
যুদ্ধে, সন্তানে।
বর্তমানের অসহায়তায়, ভবিষ্যতের আশাবাদে।
জীবন আসলে মুস্তাফা- মুনজির- জেয়নেপ- মেহমতের।
সমস্ত বিস্ফোরণ, রক্ত, কাঁটাতার আর রাত পেরিয়ে সে আমাদের সুসকাল হোক।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:০০

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: সত্যই আবেগময় জল চলে আসলো দাদা ভাল থাকবেন সব সময়

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫৬

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।

একটা কৌতূহলী প্রশ্নঃ আমি লক্ষ্য করছি আপনি এবং মোঃ মাইদুল সরকার বেশীরভাগ সময়ই কাছাকাছি সময়ে পোস্ট দেন, মন্তব্য করেন- আপনারা দুজনই কি একজন?

শুভ কামনা।

২| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:২৪

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: যুদ্ধ অভিশাপ।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫৬

জুল ভার্ন বলেছেন: যুদ্ধ মানেই ধ্বংশ!

৩| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৩৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: কি ভয়াবহ। আহ! মানবতা!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৫৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

একটা কৌতূহলী প্রশ্নঃ আমি লক্ষ্য করছি আপনি এবং আলমগীর সরকার লিটন বেশীরভাগ সময়ই কাছাকাছি সময়ে পোস্ট দেন, মন্তব্য করেন- আপনারা দুজনই কি একজন?

৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:০৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ছবিটি দেখিছি আগে, কথাটুকু জানা ছিলো না।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:২১

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: প্রিয় জুল ভার্ন দাদা আমি আলমগীর সরকার লিটন প্রায় শুরুথেকেই সামু তে ছিল কিন্তু মাঝে আমার সমস্যাছিল বলে আমার ইডি নস্ট হয়ে যায় পরে আবার নতুন করে করতে হয়েছে------
আসলে দাদা আপনি কি দেশের বাহিরে থাকেন?

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:৩০

জুল ভার্ন বলেছেন: না ভাইয়া, আমি দেশেই থাকি।

৬| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:১২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্ট

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ৯:২৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৩:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভয়ঙ্কর সুন্দর ছবিটি।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ৯:২৫

জুল ভার্ন বলেছেন: "ভয়ঙ্কর সুন্দর"- যথার্থ বলেছেন।

৮| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০০

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো পোষ্ট।

আলমগীর সরকার লিটন সাহেব গত একবছর ধরে প্রতিদিন ঠিক সকাল ১১ থেকে ১২ টার মধ্যে একটা করে কবিতা পোষ্ট করছেন।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ৯:২৬

জুল ভার্ন বলেছেন: আমিও ওনাদের টাইম লাইনে যেয়ে দেখলাম।

৯| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০০

রাজীব নুর বলেছেন: আলমগীর সরকার লিটন আর মাইদুল এক ব্যাক্তি না।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০২১ রাত ৯:২৬

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২১ ভোর ৫:৪৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: তবুও বুঝে না রাজারা । প্রজার অমূল্য জীবন ধ্বংস হয়।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:০৯

জুল ভার্ন বলেছেন: বর্তমান বিশ্বে দুএকটা দেশ ছাড়া রাজসিংহাসন শুধুই ক্ষমতার সেবার নয়!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.