নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই।ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি- ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুলগুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঢাকা-বরিশাল নৌপথে দিনের বেলা ভ্রমণ ........

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:২৮


ঢাকা - বরিশাল/বরিশাল - ঢাকা নৌপথে দিনের বেলা বিগত বছরগুলোতে শুধু মাত্র গ্রীন লাইন জাহাজ কোম্পানির দুটি জাহাজ চলাচল করতো। যাত্রী সল্পতায় একটা জাহাজ বন্ধ করে, এক জাহাজেই দৈনিক আপ-ডাউন করে চালাতে বাধ্য হয়(বরিশাল - ভোলা রুটেও এই কোম্পানির দুটি জাহাজ চলাচল করে)। মোটামুটি ভালোই চলছিলো। বর্তমানে কর্নফুলী নেভিগেশনও বিশাল আকৃতির একটা জাহাজ দিনের বেলা আপ-ডাউন সার্ভিস চালু করায় এক জাহাজের যাত্রী দুই ভাগ হয়ে ব্যবসায়ীক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হলেও যাত্রীদের কোনো উপকার হচ্ছেনা।
আমি সাধারণত গ্রীন লাইন জাহাজে যাতায়াত করি। গ্রীন লাইন জাহাজে নিচতলায় ৩৮০ সীট, দোতলায় ২২০ সীট। আমি যেদিন বরিশাল যাই- সেদিন যাত্রী পেয়েছে সাকুল্যে ১৯৫ জন!

জাহাজের সুপারভাইজার এর সাথে কথা বলে জানলাম প্রতি ট্রিপে গড় লোকসান ৫০,০০০/-! তবুও জাহাজ চলছে। দুই ঈদের সময় জাহাজের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারে।

একনজরে গ্রীন লাইনঃ ঢাকা থেকে বরিশাল যাত্রার সময় সকাল ৮ টা, বরিশাল পৌঁছে দুপুর ২ টায়। আবার বরিশাল থেকে ছাড়ে বেলা ৩ টায়, ঢাকা পৌঁছে রাত নয়টায়। ঢাকা সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনালের পূর্ব দিকে লালকুঠি লঞ্চ টার্মিনাল থেকে গ্রীন লাইন জাহাজ যাতায়াত করে। ঢাকা বরিশাল নৌপথে দূরত্ব ১৪৯ কিলোমিটার। এই দূরত্ব পৌঁছাতে সময় লাগে ছয় ঘন্টা।
ঢাকা -বরিশাল উভয় পথে ভাড়া নিচ তলায় ৮০০/-, উপর তলায় ১১০০/-।
গোটা জাহাজ কেন্দ্রীয় ভাবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। নিচ তলার সীটগুলো তুলনামূলক ছোট। অন্যদিকে দোতলার সীটগুলো অনেক বেশী প্রশস্ত এবং আরামদায়ক। নিচতলায় ইঞ্জিনের শব্দ আছে৷ দোতলায় ইঞ্জিনের শব্দ নাই।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৩৯

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: বেশ সুন্দর বরিশাল টু ঢাকা টুর শোনালেন
আজও বরিশাল যাওয়া হয়নি আমার
ভাল থাকবেন

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৪৬

জুল ভার্ন বলেছেন: সময় সুযোগ করে সবার আগে নিজ দেশকে ভালোভাবে দেখুন, জানুন। শুভ কামনা।

২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:০৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ইশ কী সু্ন্দর লঞ্চগুলো
কোথাও আর যাওয়া হলো না। সদরঘাটে গিয়ে দেখেছিলাম লঞ্চগুলো

সুন্দর পোস্ট

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৮:১২

জুল ভার্ন বলেছেন: গ্রীন লাইন কোম্পানির লঞ্চগুলো ইউরোপ থেকে আমদানি করা। তুলনামূলক ছোট সাইজের হলেও অত্যন্ত মানসম্পন্ন এবং অধিকতর নিরাপদ।

৩| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:০৬

সাখাওয়াত হোসেন বাবন বলেছেন: এবার এটি সুযোগ হয়েছিলো যাবার । কিন্তু শেষ মুর্হুতে করোনার যাত্রা ক্যানসেল করলাম । শুভ ব্লগিং

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৮:১৪

জুল ভার্ন বলেছেন: করোনার কারণে জীবনযাত্রার অনেক কিছুই বদলে গিয়েছে।

৪| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১১:৫৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: এখনো এই জাহাজে যাওয়া হয়নি। হবেওনা সম্ভবতো। তবে শুনেছি চাঁদপুর লাইনেই একটি চলাচল শুরু করেছে। সময় সুযোগ হলে সেটিতে হয়তো চড়বো।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৮:১৬

জুল ভার্ন বলেছেন: চাঁদপুর লাইনে গ্রীন লাইন কোম্পানির কোনো জাহাজ চলাচল করে না। তবে বরিশাল ভোলা রুটে দুটো জাহাজ চলাচল করে।

৫| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: এম ভি টাইপ লঞ্চ ছাড়া এরকম ছোট লঞ্চে উঠতে ভয় করে।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৮:১৮

জুল ভার্ন বলেছেন: অথচ স্বাধীনতার আগে দেশে এমভি লঞ্চ ছিলো না। তবে তখন ষ্টীমার / রকেট সার্ভিস অত্যন্ত বিলাসবহুল নৌযান ছিলো।

৬| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই ভ্রমনের অভিজ্ঞতা অর্জন করা দরকার। দিনের বেলা নদী এবং নদীর পাড়ের দৃশ্য অনেক সুন্দর দেখায়।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৮:১৯

জুল ভার্ন বলেছেন: আমি অনেক ছবি তুলেছি যা ফেসবুকে শেয়ার করেছি।

৭| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১০:০৪

সোবুজ বলেছেন: এক সময় বরিশাল ছিলাম তিন চার বছর, কত বার যে গেছি তার ইয়াত্তা নাই।সময়টা ছিল ৭১,৭২,৭৩,৭৪ এর কয়েক মাস।সোনালী সিনেমা হলের উল্টো দিকে থাকতাম।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:২৮

জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি বোধহয় মল্লিক রডে থাকতেন। একদা বরিশালে চারটা সিনেমা হল ছিলো। জগদীশ(কাকলী), দিপালী(অভিরুচী), সোনালী এবং বিউটি। এখন জড়াজীর্ণ অভিরুচী কোনো রকম টিকে আছে।

৮| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ৩:১১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আমি এখনো বরিশাল যাই কখনো।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:২৯

জুল ভার্ন বলেছেন: সময় সুযোগ পেলে যাবেন-ভালো লাগবে।

৯| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২২ দুপুর ১:০৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ভাই এখন কেমন আছেন? জ্বরের পোস্ট সরিয়ে দিলেন দেখলাম।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৩৪

জুল ভার্ন বলেছেন: পুরোপুরি করোনাক্রান্ত হয়ে স্বজ্জাশায়ী! কিছুটা জটিলতাও দেখা দিয়েছিলো। আজ কিছুটা ভালো বোধ করছি।

জ্বরের পোস্ট অন্য একজনের সৌজন্যে যা সেল ফোন থেকে এডিট করতে গিয়ে ডিলিট হয়ে গিয়েছে।

আজ ব্লগে ঢুকে খুবই আশাহত হয়েছি- মাল্টিবাজদের মাল্টিবাজী, পল্টিবাজী দেখে! হয়তো আবারও লম্বা সময়ের জন্য ব্লগ ছাড়তে হবে।

১০| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২২ রাত ১:৫৪

জটিল ভাই বলেছেন:
বরিশাল যেতে ভয় হয়।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ১০:৩৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ভয়ের কিছু নাই- আমি ঢাকায় আছিনা! B-)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.