নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই।ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি- ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুলগুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

তুমি হারবে, তারপরেও তুমি বেঁচে থাকবে.........

২০ শে মে, ২০২২ সকাল ৯:৩৯

"তুমি হারবে, তারপরেও তুমি বেঁচে থাকবে".....

কেউ যখন আমাকে বলে, "তুমিও জিতবে"- তাতে আমি ভরসা করিনা। বরং কেউ যখন আমাকে বলে, "তুমি হারবে, তারপরেও তুমি বেঁচে থাকবে"- তখন সত্যিই আমি ভরসা করি, সাহস পাই।

আমি মনে করি, জিতে যাওয়া মানেই জীবন না, হেরে যাওয়ার মধ্যেও থাকে বেঁচে থাকার আনন্দ।

এই পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ একটা স্বপ্ন ডিজার্ভ করে, একটুখানি এমপ্যাথি ডিজার্ভ করে। এই পৃথিবীর আলো বাতাস, পানি বা জোছনায় সবার সমান অধিকার আছে। জিতে যাওয়া মানুষটার যেমন দোয়েলের শিষ শোনার অধিকার আছে, হেরে যাওয়া মানুষটারও তেমন এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি পাওয়ার অধিকার আছে।

জয়ের মালা বিজয়ীরই থাকুক, ওটার ভাগ আমি চাইনা। তাই বলে হেরে যাওয়া মানুষের উপর থেকে এক টুকরো মেঘের ছায়া কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারো নাই।

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:৫১

জুন বলেছেন: সুন্দর আর আন্তরিক লেখায় মনখারাপ করা স্পর্শের ছায়া জুলভার্ন।
+

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ৯:৫০

জুল ভার্ন বলেছেন: কেউ বুঝবে না কি যে মনের ব্যথা।
কেউ খুঁজবে না মনের গভীরতা।
অন্ধ খনি অন্তরে থাকে সোনা, সবাই জানে তার কথা।
মুছবে না, কেউ মুছবে না ভিজে চোখের পাতা।

আপনাকে অনেক দিন অনেকবার কল করেছি.....

২| ২০ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:০০

শেরজা তপন বলেছেন: কেন ভাই আবার কি হোল?
কথাগুলো চমৎকার উপলব্ধির!

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ৯:৫৩

জুল ভার্ন বলেছেন: তপন ভাই, একবার 'হওয়া' শুরু করলে- হতেই থাকে, হয়তো আমরণ হতেই থাকবে!

৩| ২০ শে মে, ২০২২ সকাল ১১:২১

নজসু বলেছেন:


সুন্দর।

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ৯:৫৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ২০ শে মে, ২০২২ দুপুর ২:০৮

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: বিজয়ীর গুণকীর্তন করে সবাই। হেরে যাওয়া লোকের সাথে কেউ নেই।

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ৯:৫৯

জুল ভার্ন বলেছেন: পাওলো কোয়েলহো'র ”দ্য আলকেমিস্ট” বইয়ের বাণীগুলো মনে পরে ...

৫| ২০ শে মে, ২০২২ বিকাল ৩:৪৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ক্লাস নাইনে শহিদুল্লাহ কায়সারের 'সংশপ্তক' উপন্যাসটা পড়ি। বইটার শুরুতে সংশপ্তকের একটা অর্থ দেয়া ছিল। সম্ভবত এরকম ছিল অর্থটা ‘পরাজয় নিশ্চিত জেনেও যে বীর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লড়ে যায়’। এই কথাটা তখনই ভালো লেগেছিল।

দৌড় প্রতিযোগিতায় সবাই তো জেতে না। অনেকে হারে। এই হারাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়া আমাদের শিখতে হবে। আমাদের অনেক দুঃখ, কষ্টের এটা একটা বড় কারণ। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত ভাস্কর ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণীর আত্মজীবনী মুলক বই 'নিন্দিত নন্দন' ( নেটে পাওয়া যায়) বইটা পড়লে দেখা যায় যে উনি হেরে গিয়েও আখেরে বিজয়ী হয়েছেন।

এই বইটা সবার পড়া উচিত।

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:০৭

জুল ভার্ন বলেছেন: 'নিন্দিত নন্দন'- আমি পড়েছি।
তবে আমি মুগ্ধ হয়েছি, উজ্জিবীত হয়েছি- পাওলো কোয়েলহো'র ”দ্য আলকেমিস্ট” পড়ে। নিশ্চয়ই আপনিও পড়ে থাকবেন। তারপরও মনে করছি-

উপন্যাসের নায়ক এক কিশোর। স্পেনের আন্দালুসিয়ায় তার বাস। একটু বড় হবার পর সে চাইল ভ্রমণে বের হবে। তার বাবা বলল, ঘুরে বেড়ানোর জন্য মেষপালক হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কিছু ভেড়া কিনে সে হয়ে গেল মেষপালক। তার ভেড়ার পাল নিয়ে সে ঘুরে বেড়াতে লাগল এখান থেকে সেখানে। ভেড়ার সাথে থাকতে থাকতে একসময় সে তাদের ভাষা বুঝতে পারে- তাদের চাহিদা, অভাব, অভিযোগ সে উপলদ্ধি করে। বিনিময়ে সে পায় ধৈর্য্যের শিক্ষা। তার সময় কাটে কিছুদিন আগেই পরিচয় হওয়া ব্যবসায়ীর কন্যাকে নতুন কি গল্প শোনাবে তার চিন্তার আর স্বপ্নিল চোখে সমুদ্রের অপর পাড়ের মূর দেশের দিকে চেয়ে।

হঠাৎ করে একদিন সে স্বপ্ন দেখে গুপ্তধনের। এরপর থেকে তার ছুটে চলা সেই গুপ্তধনের রহস্যের সন্ধানে। সমুদ্র পাড়ি দিয়ে কিশোর যায় অচেনা মূর দেশে। স্পেনে আরব মুসলমানদের মূর নামেই ডাকা হয়। এক সময়কার স্পেন বিজয়ী মুসলমানরা এসেছিল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে আরব দেশ হতে। সেখান থেকে সমুদ্রের উপর দিয়ে যে বাতাস আসে তাকে তারা বলে ল্যাভানটার। সে আরেক গল্প।

অ্যালকেমিস্ট হলো এক রহস্যময় ব্যক্তি যে লোহাকে স্বর্ণে রূপান্তর করতে পারে। যে জানে মহাবিশ্বের ভাষা। ইংলিশম্যান তার সন্ধানে বছরের পর বছর ঘুরে ফেরে। লোকে বলে তার বয়স নাকি দু’শো বছর। কিশোর নায়কের লক্ষ্যের প্রতি দৃঢ় মনোবল, প্রতিজ্ঞা অ্যালকেমিস্টকে মুগ্ধ করে। কিশোরকে পথ দেখিয়ে সে পৌঁছে দেয় পিরামিডের কাছে।

৬| ২০ শে মে, ২০২২ বিকাল ৪:১৪

ভার্চুয়াল তাসনিম বলেছেন: জুন বলেছেন: সুন্দর আর আন্তরিক লেখায় মনখারাপ করা স্পর্শের ছায়া জুলভার্ন।
+

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:০৯

জুল ভার্ন বলেছেন: জুন ম্যাম যা-ই বলুন, আপনি আপনার কথা বলুন =p~

৭| ২০ শে মে, ২০২২ রাত ৮:০৪

শার্দূল ২২ বলেছেন: অল্প কথায় অনেক গভীরতা ছিলো আপনার লেখাটায়, মনে হচ্ছে কিছুটা ধরতে পেরেছি। ভালো বলেছেন যা আপনি বেশির ভাগ সময় এখানে বলে থাকেন।

ধন্যবাদ

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:০৯

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮| ২১ শে মে, ২০২২ রাত ১:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: হিন্দিতে একটা ডায়লগ আছে- কুচ কুচ জিতনে কে লিয়ে, কুচ কুচ হারনা ভি পরতা হে। অর হারকে জিনতে আলেকো বাজিগার কেহেতাহা।

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: জীবনে হার-জিত থাকবেই। কখনো আমরা জিতি, আবার
কখনো হারের মোড়কে নতুন কিছু শিখি। কিন্তু কখনো
কখনো মনে হয় হারের পরিমাণ টা মনে হয় একটু বেশি-ই
হয়ে গেছে!

৯| ২১ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:১১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: দারুন উপলব্ধির কথা। ইতিহাস বিজীতের কথা লিখে পরাজিতের কথা মনে রাখে না।

২১ শে মে, ২০২২ সকাল ১০:৩৫

জুল ভার্ন বলেছেন: এটাই বাস্তবতা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.