নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জ্ঞানী লোকের কাছে প্রতিনিয়ত শিখছি। অজ্ঞের থেকে শেখার কিছু নেই। সম্মান যতটুকু দিবেন ততটুকু ফেরত পাবেন।

এম ডি মুসা

আমি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নই। আমি কোন কবিও নই।কবিতা লেখি, শখের বিষয়। জানি ছন্দ জানি মাত্রা এই নিয়ে আমার পথ যাত্রা।। কুসংস্কার এবং অন্যায় বিরুদ্ধে সোচ্চার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমার বুকের ভেতর মজুদ করা।

এম ডি মুসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

যদি বেঁচে থাকতে বঙ্গবন্ধু

১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০২

যদি আজও বেঁচে থাকতে বঙ্গবন্ধু,
তুমি দেখতে বাংলা কেমন করে চলে,
একাত্তরের কাঙ্ক্ষিত দেশ
যায় নাকি আজ ভেস্তের জলে।

কেমন আছে রক্ত দেওয়া দেশ,
কেমন আছে এই মাটির বুক?
কেমন আছে এই বাঙালি ?
কোথায় গেল আজ মুক্তির সুখ?
মানুষ নাকি পরাধীনের থাকে আকাশ তলে?
যদি আজও বেঁচে থাকতে বঙ্গবন্ধু
তুমি দেখতে বাংলা কেমন করে চলে,
একাত্তরের কাঙ্ক্ষিত দেশ
যায় নাকি আজ ভেস্তের জলে।

তোমার হাতের সেই তর্জনী আজও চোখে ভাসে,
সাতে মার্চের আগুন-ঝরা ভাষণ,
ঐ এবারের সংগ্রাম" আজও কানে বাজে।
জাগিয়ে তোলে এই ঘুমন্ত মন।
তুমি ছিলে বলেই পেয়েছি ।এই আমাদের দেশ,
ছিলে বলেই ,লাল-সবুজের পতাকা আজ উড়ে।
আজ যদিও তুমি দেখতে এই বাংলাকে
দুর্নীতি আর খুন খারাপের নিষ্ঠুরতা চলে,
যদি আজও বেঁচে থাকতে বঙ্গবন্ধু তুমি
দেখতে বাংলা কেমন করে চলে,
একাত্তরের কাঙ্ক্ষিত দেশ
যায় নাকি আজ ভেস্তের জলে।


সেই পনেরোই আগস্ট যেন রাতের আঁধার
আজও জাতির বুকে দগদগে ঘা,
তবু তোমার সত্য দেশের ভালো চাওয়ার
বেঁচে আছ সাধারণ ওই মানুষের মনে।

এই বাংলায় আজো চিনতে নাকি
রক্তের ত্যাগের আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়?
দলে দলে বিভক্ত আজ পরাধীনতার ভাগে জাতির
মুক্তি কেবল ক্ষমতা হাত রক্ত ভুলে যায়।

যদি আজও বেঁচে থাকতে ওহে বঙ্গবন্ধু
দেখতে বুঝি বাংলা কেমন যেন চলে,
একাত্তরের কাঙ্ক্ষিত দেশ
যায় নাকি আজ ভেস্তের জলে।

যদি বেঁচে থাকতে সাত বীরশ্রেষ্ঠ
দেখতে কেমন এই বাংলাদেশ চলে?
যদি বেঁচে থাকতে মুক্তিযোদ্ধা
দেশটা কেন যায় রসাতলে ?
জীবন দিলে ভালোর জন্য ভালো কোথায় তাহলে?

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
...............................................................
লাল-সবুজের পতাকাটা বাতাসে আজো ওড়ে,
কিন্তু স্বাধীন দেশের মানুষ ঘরের কোণে মরে।
ক্ষুধা, তৃষ্ণা, অন্যায়েরই তীব্র হাহাকার,
মুক্তিসেনার স্বপ্ন কি আজ ভাঙবে বারবার?

২| ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর কবিতা।

৩| ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:০৩

বক্সমেইল বলেছেন: ১৯৪৮ সালে কার্জন হলে এক ভাষণে জিন্নাহ বলেছেন - "উর্দু, একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।" সবাই "না, না" করে চিৎকার করে উঠেছিল।

কাটপিস এতোটুকু প্রচার করা হয়। ভাষণের বাকি অংশ গোপন রাখা হয়। বক্তৃতার পরের অংশে জিন্নাহ বলেছেন-

Whether bengali shall be the official language is a matter of the elected representative of the people of this province to decide.

অর্থাৎ, বাংলা ভাষা অফিশিয়াল ভাষা হবে কিনা, তা বাংলার মানুষ এবং বাংলার জনপ্রতিনিধিরা মিলে ঠিক করবে।

এখানে ছাত্রদের পক্ষ থেকে কোন "না, না" বলে চিৎকার প্রতিবাদ আওয়াজ নাই, শুধু হাত তালির আওয়াজ। ইউটিউবে সম্পূর্ণ বক্তৃতা আপলোড করা আছে। Jinnah speech in Dhaka লিখে সার্চ দিলেই সম্পূর্ণ বক্তৃতা পাওয়া যাবে। পুরো ইতিহাস কাটপিস করে টুইস্ট করে ফেলা হয়েছে।

পাকিস্তানীরা নাকি জোর করে বাঙালীদের ওপর উর্দু চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। ওরা নাকি আমাদের মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়।

হাস্যকর অভিযোগ।
পশ্চিম পাকিস্তানে বাস করে পাঞ্জাবী, পশতুন, সিন্ধি, বেলুচি জাতিগোষ্ঠী। তাদের মাতৃভাষা যথাক্রমে পাঞ্জাবী, পশতুন, সিন্ধি, বেলুচি ভাষা। উর্দু তো পশ্চিমের কারও মাতৃভাষা নয়। এমনকি জিন্নাহর নিজের মাতৃভাষাও উর্দু নয়, গুজরাটি। তো যে ভাষা তাদের নিজেদের ভাষা নয়, সেটা কি করে অন্যের ওপর চাপাবে? তারা নিজেরাই তো উর্দুতে কথা বলতে পারে না।

আর মুখের ভাষা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ তো আরও হাস্যকর। ভারতের অফিশিয়াল ভাষা হিন্দি + ইংলিশ। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীরা কি সবাই হিন্দিতে কথা বলতে বাধ্য হয়েছে? পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীদের মুখের ভাষা কি কেড়ে নেওয়া হয়েছে? না, তাদের কোন সমস্যা হয় নি। মধ্যযুগে ৭০০ বছর ধরে, মুসলিম শাসন আমলে, সম্পূর্ণ অখন্ড বাংলার দাপ্তরিক ভাষা ছিল ফারসি। তখন কি বাঙালিদের মুখের ভাষা কেড়ে নেয়া হয়েছিল? বাঙালীরা কি ফারসিতে কথা বলতে বাধ্য হয়েছিল? না, তেমন কিচ্ছু হয় নি। মুখের ভাষা কেউ কারোটা কেড়ে নিতে পারে না৷

১৯৪৮ সালের ৬ এপ্রিল, পূর্ব পাকিস্তানের অফিসিয়াল ভাষা বাংলা হিসেবে আইন পাস করেন খাজা নাজিমুদ্দিন পরিষদ। তখন থেকে পূর্ব পাকিস্তানের প্রত্যেকটা স্কুলের প্রত্যেকটা বিষয় বাংলা ভাষায় লিখা হতো। বাংলা, অংক, ইতিহাস, ভূগোল, পৌরনীতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, ব্যবসা বাণিজ্য, ইসলামিয়াত ইত্যাদি সব বই বাংলা ভাষায় লিখিত ছিলো। কলেজে বাংলা মিডিয়াম ও ইংলিশ মিডিয়াম ছিলো। অফিস আদালতে ইংরেজি ও বাংলা ভাষা চালু ছিলো। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভারতে তখনও বাংলা ভাষাকে caste scheduled language হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি। অর্থাৎ, পৃথিবীর বুকে পাকিস্তান রাষ্ট্রেই সর্বপ্রথম বাংলা ভাষা দাপ্তরিক মর্যাদা পায়। অথচ প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে - ওরা নাকি আমাদের মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়


প্রশ্ন:
স্টেট ল্যাংগুয়েজ উর্দু হবে কেন? উর্দু তো মাত্র 4% লোকের মাতৃভাষা। সংখ্যাগরিষ্ঠ 56% জনগণ বাংলায় কথা বলে। মেজোরিটির ভাষাকে বাদ দিয়ে মাইনোরিটির ভাষাকে স্টেট ল্যাংগুয়েজ করার কারণ কি?


উত্তর:-
পাকিস্তান ছিল ফেডারেল স্টেট। এই ফেডারেশনের স্টেটগুলো নিজ নিজ সংসদে ভোটাভুটির মাধ্যমে পাকিস্তানে যুক্ত হয়। এখন এক প্রদেশের ভাষা আরেক প্রদেশ মেনে নিবে কেন? সুতরাং, স্টেট ল্যাঙ্গুয়েজ এমন হওয়া উচিত, যা কোন স্টেটের ভাষা নয়। উর্দু এবং ইংরেজি ঐ শর্ত পূরণ করে।

বর্তমান পাকিস্তানের মেজোরিটি মানুষের মাতৃভাষা পাঞ্জাবি। পাঞ্জাবিকে বাদ দিয়ে উর্দু ভাষা কেন স্টেট ল্যাংগুয়েজ হল? কারণ রাষ্ট্রভাষা নির্ধারণ কেবলমাত্র শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে হয় না। এটি নির্ধারণে আরো কিছু প্যারামিটার বিবেচিত হয়। যেমন জাতিসমূহের মাঝে সহজে যোগাযোগ করার ক্ষমতা, ঐতিহাসিক ভিত্তি ইত্যাদি। ঠিক এই কারণে পৃথিবীর লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বা সংযোগকারী ভাষা হচ্ছে ইংলিশ, যদিও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষ চাইনিজ মান্দারিন ভাষায় কথা বলে।

পাকিস্তানে সেসময় ৫ টি প্রদেশ ছিল। সিন্ধু, পাঞ্জাব, খাইবার পাখতুনখাওয়া, বেলুচিস্তান আর বাংলা। সিন্ধিরা বেলুচ ভাষা বোঝে না। বেলুচিরা বাংলা বোঝে না। বাংগালীরা পাঞ্জাবী বোঝে না। পাঞ্জাবিরা সিন্ধি বোঝে না। এক জাতির ভাষা অন্য জাতির কাছে দুর্বোধ্য। বাংলাকে স্টেট ল্যাংগুয়েজ বানালে পাকিস্তানের বাকি অর্ধেক জনগোষ্ঠী কাজকর্ম করতে পারতো না। পুরো পাকিস্তানকে একটা কমন ভাষার আন্ডারে ইউনাইটেড রাখার প্রয়োজন ছিল। জিন্নাহর চোখে সেই কানেক্টিং ল্যাংগুয়েজ ছিল উর্দু।

ভারতেও একই অবস্থা। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালী তামিলনাড়ুতে গিয়ে বাংলায় কথা বললে কেউ বুঝবে না। আবার, তামিলনাড়ুর লোক বাংলায় এসে তামিল ভাষায় কথা বললে কেউ কিছু বুঝবে না। কিন্তু তারা উভয়েই হিন্দি বোঝে অল্প অল্প। এই কারণে ভারতে হিন্দিকে দাপ্তরিক ভাষা বানানো হয়েছে। এটা আফগানিস্তান থেকে আরাকান পর্যন্ত বসবাসকারী ভারতবর্ষের সকল মানুষকে কানেক্ট করতে পারে।

কাজী নজরুল ইসলাম, শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান সবাই উর্দুতে ভিন্ন ভাষাভাষী জাতির লোকদের সাথে যোগাযোগ করতেন। বর্তমানেও মিডল ইস্ট আরবে অবস্থানরত লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশী শ্রমিক হিন্দি/উর্দুতে কথা বলে তাদের সহকর্মী ভারতীয়/ পাকিস্তানী সহকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন। এমন কৃত্রিম ভাষার উদাহরণ পৃথিবীতে বিরল। এজন্য ১৮৩৭ সালে বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উর্দুকে "এডমিনিস্ট্রেটিভ লিঙ্গুয়া ফ্রাংকা" হিসেবে ঘোষণা করে। জিন্নাহ এসে তো নতুন কোন ভাষা চাপিয়ে দেন নি।

জিন্নাহ কোন প্রাদেশিক নেতা নন। তৎকালীন পাকিস্তানে বসবাসকারী সব জাতির সুবিধা অসুবিধা মাথায় রেখে তিনি উর্দুর পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। কারণ এটা বৃটিশ আমলে ভারতীয় মুসলমানদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা ছিল। হাদিস, ফিকহ, ইসলামী সাহিত্য এবং কবিতার একটি বড় অংশ উর্দুতে রচিত হয়েছে। জিন্নাহ তাই উর্দুকে শুধু ভাষা নয়, মুসলিম পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে দেখেছিলেন। তার ভাবনা ছিল এই ভাষার আরবি বর্ণমালা মুসলিম উম্মাহকে ইউনাইটেড করবে। স্পষ্টতই, তার এই সিদ্ধান্তের পিছনে কোন ব্যক্তি স্বার্থ ছিল না। কোন একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে বিশেষ সুবিধা দেয়ার কু-মতলব ছিল না। কিন্তু বাঙালী জাতীয়তাবাদীরা তাঁর কাটপিস বক্তব্যকে বিকৃত করে প্রোপাগান্ডা চালায়।

২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪

এম ডি মুসা বলেছেন: অন্য ভাষা কেন বাঙালির ভাষা। উর্দু আন্তর্জাতিক ভাষা নয়। আমি বাঙালি। পাকিস্তান কেন বাঙালির শাসন করবে? বাঙালির বাংলা ভুল? ১৯৫৫ সালের আগে এই দেশের নাম ছিল পূর্ব বাংলা। সেটা পূর্ব পাকিস্তান হলো কেন? বাঙালির নাম কেন বাতিল?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.