![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গড়তে ক্ষুধা মুক্ত পৃথিবী হবে আমার সঙ্গি!
বন বেগুন, বন টমেটো, তিতবেগুন বা রাম বেগুন। আমাদের চারপাশে জন্মানো একটি অতিপরিচিত উদ্ভিদ। পথে-ঘাটে, মাঠে অহরহ জন্মাতে দেখা যায় এ উদ্ভিদটিকে। সারা শরীরে কাঁটা যুক্ত গাঢ় সবুজ পাতার এ উদ্ভিদটিতে সাদা শুভ্র ফুল আসে বর্ষায়। সাদা ফুলের পাঁপড়ির মাঝে থাকে হলুদ পুং ও স্ত্রী কেশর। টমেটো গাছের মত দেখতে এ উদ্ভিদ অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন নামে পরিচিত। Solanacea পরিবার ভূক্ত এই উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম Solanum SP. এই উদ্ভিদটির অন্তত ২৬ টি প্রজাতি সারা পৃথিবীতে জন্মায় বলে জানাগেছে। ভারতীয় উপ-মহাদেশে এর বেশ কয়েকটি প্রজাতি জন্মে থাকে। বাংলাদেশে জন্মানো প্রজাতির ফলের রঙ হয়ে থাকে গাঢ় লাল রঙের। গাছটি দেখতে অনেকটা টমেটোর মত তাই এর পরিচয় বন টমেটো নামেও। এছাড়াও একই গোত্রের অন্তর্ভূক্ত বেগুন গাছের সাদৃশ্য আরেকটি প্রজাতির দেখা মেলে। গাছটির ফলে রয়েছে মেডিসিনাল ভ্যালু। ঔষধীগুণ থাকায় অ্যালার্জি সমস্যা, কাঁশি ও হাপানি সমস্যা, রক্ত পরিষ্কার করতে, পিত্ত ঠাণ্ডা রাখতে, হজম শক্তি বৃদ্ধিতে, গ্যাসট্রিক সমস্যায়, গুড়ো ক্রিমি দুুুুর করতে উদ্ভিদের ফল ব্যবহৃত হয়। সবজি হিসেবেও বিভিন্ন অঞ্চলে রান্না করে খেতেও দেখা যায়।
লিখেছেনঃ উদ্ভিদবিদ মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন
সহকারী শিক্ষক, সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর।
ই-মেইলঃ [email protected]
বন বেগুন, বন টমেটো, তিতবেগুন বা রাম বেগুন। আমাদের চারপাশে জন্মানো একটি অতিপরিচিত উদ্ভিদ। পথে-ঘাটে, মাঠে অহরহ জন্মাতে দেখা যায় এ উদ্ভিদটিকে। সারা শরীরে কাঁটা যুক্ত গাঢ় সবুজ পাতার এ উদ্ভিদটিতে সাদা শুভ্র ফুল আসে বর্ষায়। সাদা ফুলের পাঁপড়ির মাঝে থাকে হলুদ পুং ও স্ত্রী কেশর। টমেটো গাছের মত দেখতে এ উদ্ভিদ অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন নামে পরিচিত। Solanacea পরিবার ভূক্ত এই উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম Solanum SP. এই উদ্ভিদটির অন্তত ২৬ টি প্রজাতি সারা পৃথিবীতে জন্মায় বলে জানাগেছে। ভারতীয় উপ-মহাদেশে এর বেশ কয়েকটি প্রজাতি জন্মে থাকে। বাংলাদেশে জন্মানো প্রজাতির ফলের রঙ হয়ে থাকে গাঢ় লাল রঙের। গাছটি দেখতে অনেকটা টমেটোর মত তাই এর পরিচয় বন টমেটো নামেও। এছাড়াও একই গোত্রের অন্তর্ভূক্ত বেগুন গাছের সাদৃশ্য আরেকটি প্রজাতির দেখা মেলে। গাছটির ফলে রয়েছে মেডিসিনাল ভ্যালু। ঔষধীগুণ থাকায় অ্যালার্জি সমস্যা, কাঁশি ও হাপানি সমস্যা, রক্ত পরিষ্কার করতে, পিত্ত ঠাণ্ডা রাখতে, হজম শক্তি বৃদ্ধিতে, গ্যাসট্রিক সমস্যায়, গুড়ো ক্রিমি দুুুুর করতে উদ্ভিদের ফল ব্যবহৃত হয়। সবজি হিসেবেও বিভিন্ন অঞ্চলে রান্না করে খেতেও দেখা যায়।
লিখেছেনঃ উদ্ভিদবিদ মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন
সহকারী শিক্ষক, সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দিনাজপুর।
ই-মেইলঃ [email protected]
২| ২২ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:১০
কবিতা ক্থ্য বলেছেন: আমি প্রথমে ভাসিলাম এইটা মরুভূমির জলদস্যু - ভাইয়ে পোস্ট।
আপনার তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জুলাই, ২০২১ রাত ১০:২৯
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: স্যার আমি যতদূর জানি এটির নাম শ্বেত কন্টকরী
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : কন্টকরী, কংটকরী, কন্টকারী কন্টিকারী, কাঁটাবেগুন, শ্বেতরাঙানি, বিষফল, শ্বেতকণ্টকারি, কণ্টালিকা, কণ্টকিনী, নিদিন্ধিক, দুঃস্পর্শ, ধাবনী, ক্ষুদ্রা, ব্যান্ত্রী, দুষ্পধর্ষিণী, সিতা, ক্ষুদ্রা, চজহাস, লক্ষ্ণণা, ও স্বেদদূষিকা, ক্ষেত্রদুতিকা, কণ্টেলি, লঘু বাটাই, রিঙ্গনী, ভটকটীয়া, কণ্টমারিষ, রিঙ্গণী, ভটকটৈয়া, ললুরিঙ্গণী, বেঠীভোরিঙ্গণী।
Scientific Name : Solanum sisymbriifolium