নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

উগ্র প্রেমিক

পাশে কেউ নাই্‌ , ,

নাহিদ নাজমুস

প্রতিদিনই মিথ্যে বলি কখনো প্রয়োজন,কখনো ভাল থাকতে আবার কখনো কষ্ট দিতে

নাহিদ নাজমুস › বিস্তারিত পোস্টঃ

একজন ছাত্রীর আত্মচিৎকার এবং দোষীর শাস্তি চেয়ে সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ

১৬ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ২:১৩

লোক প্রশাসনের দ্বিতীয় বর্ষের এ ছাত্রীটির নাম নাহিদ নিগার মেঘনা। যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্বামী তার হাত-পা ভেঙে দিয়েছে। তিনি এখন হাসপাতালের বেডে শুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন।বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) পড়াশোনা করেন তিনি।
আমাকে একদিন দেখতে না পারলে সে পাগলের মতো হয়ে যেত। সে আমাকে খুবই ভালোবাসতো। আমার প্রতিটা মুহূর্তের খবর নিতো। তাই তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। কিন্তু সে আমার জীবনটাই শেষ করে দিল। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় শেষ পর্যন্ত সে আমাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে পা ভেঙে দিয়েছে। আজ নিজের জীবনের কোনো মায়া নেই। ভালোবেসে বিয়ে করে ভুল করেছি। যৌতুকের কাছে ভালবাসা আজ পরাজিত।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কলেজ জীবন থেকেই একই উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের নুরল ইসলামের ছেলে রেজাউল আলম সুজনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মেঘনার। এভাবে কাটে তিন বছর। সুজন একসময় বিয়ে করার জন্য পাগল হয়ে উঠে। বিয়েতে রাজি না হলে সে আত্মহত্যা করবে বলে চাপ দেয়।
সবার অজান্তে ২০১৩ সালে জানুয়ারিতে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে রংপুর নোটারি পাবলিক ক্লাবে গিয়ে বিয়ে করেন তারা। একই বছরের শেষের দিকে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আওতায় হাতীবান্ধা পাটিকাপাড়া ইউনিয়নে পরিদর্শকের সরকারি চাকরি পান রেজাউল আলম সুজন। চাকরির পর রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেঘনাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। পরে পরিবারের চাপে প্রথম বিয়েটা ডিভোর্স করিয়ে নতুন করে দুই লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে আবার বিয়ে পড়ানো হয় তাদের।

বিয়ের পাঁচদিন না যেতেই মেঘনার উপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। নির্যাতনের পাশাপাশি মেঘনাকে তার বাবার কাছ থেকে যৌতুকের জন্য একটি পালসার মোটরসাইকেল ও ১০ লাখ টাকা আনার জন্য চাপ দিতে থাকেন সুজন।

গত মঙ্গলবার সকালে সুজন ও মেঘনার মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সুজন লাঠি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে ডান পা ভেঙে দেন মেঘনার। পরে তাকে পরিবারের লোকজন মঙ্গলবার বিকেলে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন।

হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা ডা. রমজান আলী জানান, মেঘনার ডান পায়ের হাড়ে ফাঁটল দেখা যাওয়ায় তা প্লাস্টার করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিত্যদিনের হাজারো ঘটনার মাঝে মর্মাহত হবার মতো এই পিচাশিক নির্যাতনের ঘটনা যেন ছাঁইচাপা পড়ে না।
সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।
তথ্যসুত্রঃ ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম
(Click This Link)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.