নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পাদক, শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক ত্রৈমাসিক \'মেঘফুল\'। প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন \'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি\'।

নীলসাধু

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়। ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে দুকুল উপচেপরা নদী আমাকে টানে খুব। ব্যাক্তিগতভাবে বাউল, সাধক, সাধুদের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই নামের শেষে সাধু। এই নামেই আমি লেখালেখি করি। আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়। শুভ ব্লগিং। ই-মেইলঃ [email protected]

নীলসাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের পরাজয়ে আমি ক্ষুব্ধ। লজ্জিত।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৬



বাংলাদেশের পরাজয়ে আমি ক্ষুব্ধ।
লজ্জিত।

খেলায় জয় পরাজয় থাকবে; তাই বলে এ ভাবে? নবীন আফগানিস্তানের কাছে এমন অসহায় আত্মসমর্পণ?
টেস্টে?

এর কি মানে?
এতোদিনের অভিজ্ঞতার কি দাম রইলো?
আমাদের সামর্থ্যের অভাব? আত্মবিশ্বাসের অভাব? গলদ কোথায়?

ক্রিকেটারদের সকল রকম সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার পরেও কি কারণে তারা ব্যার্থ হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হোক।

দলের পঞ্চ রত্নের উপর নির্ভরশীলতা কমানো হোক। বয়স ভিত্তিক দলগুলোকে পরিচর্যা করা দরকার। পাইপলাইনে নতুন খেলোয়াড় আসুক।

'ভাব সাব' কমিয়ে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও সুশৃঙ্খল জীবন যাপনের মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করা যায়। নিজের মূল কাজ যে দেশের জন্য খেলা এবং তার সাথে যে আমাদের দেশের মান সম্মান জড়িত তা কিছু দিন পর পর মনে করিয়ে দেয়া উচিত। এ বিষয়ে তাদের খেলার আগেই আলাদা একটা সেশন করানো যায়।
জিতলে ফ্ল্যাট গাড়ী বাড়ি পান তারা অথচ হারলে যে কেউ কিছু ফেরত চায় না তাদের কাছে এসব স্মরণ করিয়ে দেয়া দরকার।

একবার একা ইনজামাম উল হককে আউট করতে পারিনি বলে আমরা মুলতানের সেই টেস্ট জিততে পারিনি। সারাদিনেও তাকে আউট করা যায়নি। সে একা দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলো অথচ আজ আফগানিস্তানের মতোন দলের বিরুদ্ধে আমরা ৩/৪ উইকেট হাতে রেখে ১০টা ওভার খেলতে পারি না!!!
তাইলে আমরা কি শিখলাম?
আর কবে কি পারবো?

টেস্ট ক্রিকেট সেশন বাই সেশনের খেলা। প্রতিটা সেশন আলাদা পরিকল্পনা করে খেলতে হয়। সময়ের হিসাব করে শট খেলতে হয়। এই হিসাব সেই হিসাব মাথায় রাখতে হয়। আরো কত কি! সেই টেস্ট আমরা ১০ বছর আগে যেভাবে খেলতাম এখনো এই একইভাবে খেলি!
তাহলে উন্নতি কোথায়?

আমরা টিটুয়েন্টিতে শ্লগ ওভারে রান নিতে পারি না, টেস্টে ব্যাটিং পারি না, বোলিং এ এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ বল ফেলতে পারি না, ওয়ানডেতে ফিনিশিং ভালো না-
তাইলে পারলাম কি?

ছবি/ক্রিকইনফো

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২৫

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: আমাদের পিলিয়ারদের চর্বি আর ভাব দুটোই কমানো দরকার

২| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৪

রাকিব আর পি এম সি বলেছেন: এদের যা অবস্থা, তাতে ত্রিদেশীয় সিরিজেও নিশ্চিত হারবে!

৩| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: ক্রিকেটকে বলা হয় মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
যখন ক্রিকেটারদের মধ্যে একটা বাড়তি চাপ ও ভয় কাজ করবে, তখন ভালোর চেয়ে খারাপ করার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়। তবে, হারার একটা ধরণ আছে, এরা ধরণ ছাড়া হারে।

কাউকে কাউকে হুট করে চান্স দেওয়া হচ্ছে, কাউকে কাউকে দিনের পর দিন বসিয়ে রাখা হচ্ছে। ফলাফল, সবাই গোল্লায় যাচ্ছে!
বিসিবি'র কর্তা ব্যক্তিরা অনভিজ্ঞ লোকদের মতোন বিভিন্ন প্ল্যান সাজায়। বিসিবি বিশ্বের চতুর্থ ধনী ক্রিকেট বোর্ড অথচ এদের মধ্যে কোন দায়বদ্ধতা কাজ করে না। আমাদের দেশের প্রধান সমস্যা, বড় বড় পদে অযোগ্য লোক থাকে। তাই সাফল্য আসে না।

৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমিও...

৫| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার কুহককে উপর স্মরণসভা কেমন হলো?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.