নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পাদক, শিল্প ও সাহিত্য বিষয়ক ত্রৈমাসিক \'মেঘফুল\'। প্রতিষ্ঠাতা স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন \'এক রঙ্গা এক ঘুড়ি\'।

নীলসাধু

আমি খুব সহজ এবং তার চেয়েও বেশী সাধারন একজন মানুষ । আইটি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ করছি। টুকটাক ছাইপাশ কিছু লেখালেখির অভ্যাস আছে। মানুষকে ভালবাসি। বই সঙ্গে থাকলে আমার আর কিছু না হলেও হয়। ভালো লাগে ঘুরে বেড়াতে। ভালবাসি প্রকৃতি; অবারিত সবুজ প্রান্তর। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে দুকুল উপচেপরা নদী আমাকে টানে খুব। ব্যাক্তিগতভাবে বাউল, সাধক, সাধুদের প্রতি আমার দুর্বলতা আছে। তাই নামের শেষে সাধু। এই নামেই আমি লেখালেখি করি। আমার ব্লগে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়। শুভ ব্লগিং। ই-মেইলঃ [email protected]

নীলসাধু › বিস্তারিত পোস্টঃ

সেন্সো-জি টেম্পলে ঘুরাঘুরি :: টোকিও বইমেলা ২০১৯

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২



Sensō-ji 浅草寺 সেন্সো-জি জাপানের টোকিও আসাকুশিয়াতে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির।
এটি ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।
মন্দিরের কাছে রয়েছে প্যাগোডা, শিনটো মঠ, আসাকুসা শরিন, পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী জিনিসপত্রের অনেক দোকান রয়েছে।
দুই সারিতে দোকানে মাঝ দিয়ে রাস্তায় হাটা দুষ্কর, এতো পর্যটক।

কথিত রয়েছে মন্দিরটি বৌদ্ধতত্ত্ব কাননকে নিবেদিত করে তৈরি করা।
কিংবদন্তি অনুসারে সুমিদা নদীতে দুই জেলে একটি মূর্তি পায়। তাদের গ্রামের প্রধান হজিনো নাকামোটো মূর্তিটির পবিত্রতা স্বীকৃত করে এবং আসাকুদের একটি ছোট মন্দিরের মধ্যে নিজের ঘরটি পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে এটি পরিবেষ্টিত করে রাখেন যাতে গ্রামবাসী কাননকে পূজা করতে পারে।

আমরা যেদিন সেখানে গিয়েছিলাম সেদিন সকাল থেকেই টোকিওর আকাশ মেঘলা হয়ে আছে। টিপটিপ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে যাত্রা শুরু হলো। জুয়েল ভাই সহ পুরো টিম হাল্কা খাবার খেয়ে কিছুটা পথ ট্রেনে ও পরে ট্যাক্সিতে করে সেখানে পৌছালাম।

মুল গেটের নিচ থেকে ছবি তোলার ধুম পরে গেলো।
আমাদের প্রিয় দুলাভাই হাজার খানেক ছবি তুলেছেন :D আমরা ৩/৪টি দলে বিভক্ত হয়ে ঘুরাঘুরি করতে লাগলাম।
বেশীরভাগ দোকানই স্যুভেনিরের। রয়েছে খাবারের দোকান।
হাসিমুখে দোকানীরা সকলকেই অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।

দেশ বিদেশে শত পর্যটক ঘুরছে, ফিরছে, ছবি তুলছে।
চারপাশের পরিবেশটাই অন্যরকম। এতো মানুষ কিন্তু হৈচৈ নেই।
স্নিগ্ধ এক পরিবেশ।
বৃষ্টি সেই পরিবেশকে আরো মাতাল করে রেখেছে যেন।

আইভি আপা জাপানের ঐতিহ্যবাহী ড্রেস কিনলেন আর আমরা বাকীরা হাবিজাবি কিনেছি খেয়েছি।
সবশেষে সামি ভাই মুনির ভাই কফি দিয়ে আপ্যায়িত করলেন সবাইকে।

//
বাকী কথা জানতে অপেক্ষা করতে হবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০ পর্যন্ত!
প্রকাশিত হবে কবি নীলসাধুর জাপান ভ্রমণB-)

জাপান ভ্রমণ নিয়ে আরো পোষ্ট
টোকিও বইমেলা ২০১৯
বইয়ের দোকানে ঘুরাঘুরি :: টোকিও বইমেলা ২০১৯
ওদায়বা শহরে ঘুরাঘুরি :: টোকিও বইমেলা ২০১৯


























মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৪

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: সুন্দর পোস্ট ছবিও কথায় অপূর্ব। ভ্রমনে সাথে রাখার জন্য ধন্যবাদ ভাই।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ জানবেন মাহমুদুর রহমান সুজন।
সকল শুভকামনা।

২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: দারুন ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

নীলসাধু বলেছেন: থ্যাংকু :)

৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ছবি এবং অভিজ্ঞতা দুটোই দারুণ, আপনার বইয়ের অপেক্ষায় রইলাম।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

নীলসাধু বলেছেন: ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা রইলো।

৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:০৭

গড়ল বলেছেন: শুধু টোকিও না, জাপানের আনাচে কানাচে এরকম বোরিং টেম্পল এ ভরপুর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.