| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমার প্রিয় বিদ্যালয়
নূর সালেহিন চৌধুরী
নামটি আমার নূর সালেহিন...
আজকে আমার জন্ম দিনের আনন্দ ঘন বেলা,
পড়াশোনা নেই,শাসন নেই,শুধু খেলা আর খেলা।
মা রাধছেন কত কিছু আর বাবা ব্যস্ত আয়োজনে,...
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
রাস্তায় নামে বান,
ঢাকার শহর রাস্তাগুলুতে
পানির কলতান।
বললাম দাদু,এইকি তোমার
আষাঢ়ের ভাসা পানি,
নৌকা কোথায়,জাহাজ চলে
দেখাওনা একটু খানি।
দাদু বললেন,বোকা ছেলে
এত রাজধানী,
দেখনা কত দালান কোঠা
ছোঁয় ছোঁয় আকাশ খানি।
তবে যে দাদু পানিতে ভরা
ঢাকার...
আজব শহর ঢাকার শহর
সব দিকেই তো ফাঁকা,
তবু কেন নাম রেখেছ
ঢাকার শহর ঢাকা।
সবাই দেখি নামটি নিয়ে
অনেক কথাই বলে,
আমি বলি অন্য কিছু
বাস্তবে তাই ফলে।
মায়া ঢাকা,স্নেহ ঢাকা
ঢাকা চোঁখের লাজ,
মন ঢাকা্,প্রেম ঢাকা
ঢাকার শহর আজ।
কৌতুক-১
শিক্ষক ছাত্র কথা বলছিল
শিক্ষকঃ বলতো পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী কোনটি ?
ছাত্রঃ একটু ভেবে,,গরু স্যার।
শিক্ষকঃ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।
ছাত্রঃ হ্যা স্যার,জানেন না স্যার,অতি চালাকের...
প্রতি রাতেই দিদির জন্যে
মা যে আমার কাঁদে,
কোথায় পাব দিদিরে আমি...
মা ডাকছে ও রিক্সাওয়ালা যাবে?
কোথায় আপা,পূলিশ স্কুলে?
রাস্তা তো খুবি বাজে ?
অত শত বুঝিনা বাপু
যাবে যদি চল,
না গেলে সেটাও খুব
জলদি করে বল।
যাবনা কেন ম্যাডাম,আপা
এইডাইতো আমার কাম,
চল্লিশ টাহা দিবেন আপা ?
তাইলেই...
একি প্রশ্ন বারবার করলেও এর উত্তরটা বার বার-ই আসবে ভিন্ন ভাবে
প্রশ্ন টা কি ?
কৌতুক-০১
ইংরেজিতে ক্লাস হচ্ছে-
শিক্ষকঃ আমি যা জিজ্ঞেস করব
ঠিক তারই ভাল মত উত্তর দিবে।
...
খালামনি ডাক্তার
অনেক বেশি রাগ তার,
গরীব রোগী কভু বাসায় এলে
রেগে গিয়ে অনেক কথা বলে।
তাই দেখিয়ে আমার মনে
অনেক কষ্ট হয়,
কি বলিব বাসার কেহ
কষ্ট নাহি লয়।
একদিন হঠাত সাহস করে
বললাম খালামনি,
তুমি কেন গরীবের চোঁখে
ঝরাও...
তিন বন্ধুঃ
প্রথম বন্ধুর নামঃ Some Body
দ্বিতীয় বন্ধুর নামঃ No Body
তৃতীয় বন্ধুর নামঃ Mad
বেশ কয়েকদিন হয় প্রথম বন্ধু আর দ্বিতীয় বন্ধুর মাঝে তুমুল ঝগড়া চলছে। ঝগড়া এক পর্যায়ে এমন রুপ নিয়েছে...
দেশ কে ভালবাসি বলেই
দেশের মায়ায় কাঁদি,
অবাক হয়ে কান্না দেখেন
আমার দাদা দাদি।
এত ছোট্ট ছেলে আমি
কিইবা এমন বুঝি
সবার মুখে একি কথা
শুনি আমি রোজই।
হরতাল হলেই গুলির মিছিল
পেপার খুললেই খুন
এ সব দেখে সারাক্ষনি
কাঁদে আমার...
আমার বন্ধু রাজনরবিন
সুখ ছিল তার কি যে,
রোজ-ই বাবা স্কুলে দিতেন
ড্রাইভ করে নিজে।
বিকেল হলেই দাঁড়িয়ে থাকতেন
গাড়িতে হেলান দিয়ে,
ছুটির শেষে প্রতিদিনই
যেতেন তারে নিয়ে।
হঠাত কদিন রাজনরবিন
স্কুলে আসে নাকো,
মাকে বলি ওমা ফোনে
রাজনের খোঁজ খবরটা...
©somewhere in net ltd.