নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

নূর মোহাম্মদ নূরু

দেখি শুনি স্মৃতিতে জমা রাখি আগামী প্রজন্মের জন্য, বিশ্বাস রাখি শুকনো ডালের ঘর্ষণে আগুন জ্বলবেই। ভবিষ্যৎকে জানার জন্য আমাদের অতীত জানা উচিতঃ জন ল্যাক হনঃ ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সামুর পাঠকদের জন্য আমার নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। জন্ম-মৃত্যু, বিশেষ দিন, সাথে বিশ্ব সেরা গুণীজন, এ্ই নিয়ে আমার ক্ষুদ্র আয়োজন

নূর মোহাম্মদ নূরু › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাহে রমজানে ‘সালাতুত তারাবিহ’ বা তারাবি নামাজ পড়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা বা জরুরি সুন্নত

২৬ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪


ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী মুসলমাদের জন্য চলছে পবিত্র রমজান মাস। রমজান মাসের জন্য নির্দিষ্ট তারাবি নামাজ জামাতে পড়া ও সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ একবার খতম করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা রমজানের রোজাগুলো ফরজ করেছেন এবং এর রাতে তারাবি নামাজের জন্য দণ্ডায়মান হওয়াকে অশেষ পুণ্যের কাজ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।’ মাহে রমজানে রাত্রিকালে এশার নামাজের চার রাকাত ফরজ ও দুই রাকাত সুন্নতের পর এবং বিতর নামাজের আগে দুই রাকাত করে ১০ সালামে যে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা হয়, একে ‘তারাবি নামাজ’ বলা হয়। আরবি ‘তারাবিহ’ শব্দটির অর্থ আরাম বা বিশ্রাম করা। তারাবি নামাজ পড়াকালে প্রতি দুই রাকাত বা চার রাকাত পরপর বিশ্রাম করার জন্য একটু বসার নামই ‘তারাবি’। দীর্ঘ নামাজের কঠোর পরিশ্রম লাঘবের জন্য প্রতি দুই রাকাত, বিশেষ করে প্রতি চার রাকাত পর একটু বসে বিশ্রাম করে দোয়া ও তসবিহ পাঠ করতে হয় বলে এ নামাজকে ‘সালাতুত তারাবিহ’ বা তারাবি নামাজ বলা হয়। তারাবি নামাজের জামাতে পবিত্র কোরআন খতম করা হয়, তাই জামাতে তারাবি নামাজ পড়লে সওয়াব বেশি পাওয়া যায়। রমজান মাসে তারাবি নামাজের কিয়াম হলো আল্লাহর রাস্তায় আরামকে হারাম করে কঠোর পরিশ্রম করার শপথ অনুষ্ঠান।
মহানবী (সাঃ) রমজান মাসে তারাবি নামাজ আদায় করার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহ প্রদান করতেন। তারাবি নামাজের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াব প্রাপ্তির আশায় রমজানের রাতে তারাবি নামাজ আদায় করে, তার অতীতকৃত পাপগুলো ক্ষমা করা হয়।’ (বুখারি ও মুসলিম) মাহে রমজানে রোজা, তারাবি নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও অন্যান্য ইবাদতের দরুন আল্লাহ তাআলা রোজাদার ব্যক্তির আগের সব গুনাহ মাফ করে দেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আরও বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ইমান ও আত্মবিশ্লেষণের সঙ্গে পুণ্য লাভের আশায় রোজা রাখেন, তারাবি নামাজ পড়েন এবং কদরের রাতে জাগ্রত থেকে আল্লাহর ইবাদত করেন, তাঁর জীবনের পূর্বের সব গুনাহ মাফ করা হবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)। রমজান মাসে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নিজে তারাবি নামাজ পড়েছেন এবং সাহাবায়ে কিরামকে পড়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন। তারাবি নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ও কোরআন শরিফ খতম করা অধিক সওয়াবের কাজ। তবে ঘরে সূরা-কিরাআতের মাধ্যমে আদায় করলেও সওয়াব পাওয়া যায়। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তারাবি নামাজের জন্য রাতের কোনো বিশেষ সময়কে নির্দিষ্ট করে দেননি। তবে তারাবি নামাজ অবশ্যই এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে আদায় করতে হবে। মাহে রমজান মাসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিবরীলের সাথে কুরআন পাঠ করতেন। তাঁর সীরাত অনুসরণ করে প্রত্যেক মু’মিনের উচিত এ মাসে বেশী বেশী কুরআন তেলাওয়াত করা, বুঝা এবং আমল করা। ইবনু আববাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন-“জিবরীল রামাদানের প্রতি রাতে এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাকে নিয়ে কুরআন পাঠ করতেন”। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩০৪৮)
তারাবীর বিষয়টি নিয়ে মানুষ এখনও ফিতনায় পতিত আছে। এক পক্ষ বলে ৮ রাকআত তারাবী পড়তে হবে অপর পক্ষ বলে ২০ রাকআত পড়তে হবে। নবী করিম (সাঃ) বেশির ভাগ সময় রাতের শেষাংশে তারাবি আদায় করতেন এবং প্রথমাংশে বিশ্রাম নিতেন। তিনি কখনো আট রাকাত, কখনো ১৬ রাকাত, আবার কখনো ২০ রাকাত তারাবি নামাজ আদায় করেছেন। কিন্তু বিশেষ কারণবশত নিয়মিত ২০ রাকাত পড়তেন না। কেননা, তিনি কোনো কাজ নিয়মিত করলে তা উম্মতের জন্য ওয়াজিব তথা অত্যাবশ্যকীয় হয়ে যায়। এ করুণা দৃষ্টির কারণে তিনি তাঁর আমলে প্রতিনিয়ত ২০ রাকাত পূর্ণ তারাবি জামাত হতে দেননি। যার দরুন সালাতুত তারাবিহ সুন্নত, ওয়াজিব নয়; তবে সুন্নতে মুয়াক্কাদা বা জরুরি সুন্নত। ২০ রাকাত তারাবি নামাজ হওয়ার সপক্ষে দলিল সহিহ হাদিসে হজরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, ‘নবী করিম (সাঃ) রমজান মাসে বিনা জামাতে (একাকী) ২০ রাকাত তারাবি নামাজ আদায় করতেন, অতঃপর বিতর নামাজ পড়তেন।’ (বায়হাকি)। তাই তারাবীর সলাতকে ৮ বা ২০ রাকআতে সীমাবদ্ধ করা যাবে না। কেউ চাইলে জামাতের পর আরও অধিক রাকআত পরতে পারেন।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সর্বদা তারাবি নামাজ আদায় করতেন। তবে তিনি মাত্র চার রাত তারাবি নামাজ জামাতে পড়েছিলেন; কারণ যদি তিনি সর্বদা জামাতে তারাবি নামাজ আদায় করেন, তাহলে তাঁর উম্মতেরা ভাববেন যে হয়তো এ তারাবি নামাজ ফরজ। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সাঃ) দুই রাতে ২০ রাকাত করে তারাবি নামাজ পড়িয়েছেন। তৃতীয় রাতে লোকজন জমা হলেও রাসুলুল্লাহ (সাঃ) উপস্থিত হননি। পরদিন সকালে তিনি ইরশাদ করলেন,আমি তোমাদের ওপর তারাবি নামাজ ফরজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেছি। তখন তো তা তোমাদের জন্য কষ্টকর হবে।তাই দৈহিক বা মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে ২০ রাকাত অথবা কমপক্ষে আট রাকাত তারাবির সুন্নত নামাজ পড়ার সুযোগ আছে।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর ওফাতের পর তারাবি নামাজ ওয়াজিব হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আর থাকেনি। তাই তারাবির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব হজরত ওমর (রাঃ)-এর আমলে কার্যকর হয়। ইসলামের প্রথম খলিফা হজরত আবুবকর (রাঃ) ও দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রাঃ)-এর খিলাফতকালেও তারাবি নামাজ ২০ রাকাত পড়া হতো। হজরত ওমর (রাঃ) মসজিদে নববিতে সাহাবিদের খণ্ড খণ্ড জামাতে ও একাকী তারাবির নামাজ পড়তে দেখে সবাই মিলে এক জামাতে তারাবি পড়ার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। হজরত ওমর (রাঃ)-এর খিলাফতকালে সাহাবিদের ইজমা দ্বারা মূলত রমজান মাসের মধ্যে ২০ রাকাত তারাবি নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করার রীতির প্রচলন হয়। সুতরাং সাধ্যমতো সকলের রমজানে তারাবি নামাজের প্রতিটি মুহূর্ত পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত শ্রবণ ও আল্লাহকে স্মরণ ও জীবনে সফলকাম হওয়ার জন্য স্রষ্টার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে পবিত্র রমজান মাসের সকল ফজিলত ও বরকত দান করুন। আমিন-

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সুন্দর ভাবে পুরোটা লিখেছেন। তবে তারাবীহ নিয়ে কেউ ফিতনায় লিপ্ত আছে বলাটা ঠিক নয়। বরং উগ্রপন্থা কাম্য নয়। সব পক্ষই সঠিক। ৮ হোক বা ২০ হোক বা আরো বেশী হোক...

২৬ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার মন্তব্যের জন্য।
আমার উপরের প্রবন্ধে বলা হয়েছে তারাবীহর নামাজে
ধরা বাধা কোন রাকাত নির্ধরণ করা হয় নাই কারন
তা হলে তা ফরজ বা ওয়াজিব হবার সম্ভবনা থাকতো।
তাই নবীজি যখন একা নামাজ পড়তেন তখন কিন্তু ২০ রাকাত
তারাবীহর নামাজ আদায় করতেন। সুতরাং এ নিয়ে কি এখনো
বিরোধ নাই? এক শ্রেণি ৮ রাকাতের বেশী কখনোই আদায় করছে না
এবং তারা এই আট রাকাত আদায়ের পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে দৈহিক ভাবে
সামর্থ হলে ২০ রাকাত আর অসমর্থ হলে ৮ রাকাত আদায় করতে বাধা নাই।
কারণ তারাবীহর নামাজ ফরজ কিংবা ওয়াজিব নয়। আমরা যদি রসুল (সঃ)কে
মহব্বত করি তা হলে ২০ রাকাত পড়তে দোষ কি? ধন্যবাদ

২| ২৬ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০১

পবন সরকার বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট।

২৬ শে মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ পবন ভাই
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
আল্লাহ আমাদে সহি শুদ্ধভাবে
তারাবীহ পরার তৌফিক দান করুন।
আমিন

৩| ২৬ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:৩৯

অনুতপ্ত হৃদয় বলেছেন: তারাবিহ সালাত নিয়ে বিরোধ তৈরি করে মুলত আমরা, মুসলমান দের ফরজ ঐক্যকে ভুলতে বসেছি।
তারাবিহ নিয়ে অনেক লেখায় পোস্ট করতাম ফেসবুকে।

ধন্যবাদ সুন্দর করে গুছিয়ে বলার জন্য।
ব্লগে নতুন এসেছি পরিচিত হতে।

২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:১৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ অনুতপ্ত হৃদয়
আমার ব্লগে আগমনের জন্য।
ভালো লাগলো আপনার সু-চিন্তিত
মতামত। সাথে থাকবেন।

৪| ২৬ শে মে, ২০১৮ রাত ৮:৪৯

আলআমিন১২৩ বলেছেন: যত রাকাতই পড়া হোক তা যেন শুদ্ধ উচ্চারনে পড়া হয় তা হাফেজ সাহেবগনকে নিশ্চিত করতে হবে। খতম করার জন্য তাড়াহূড়ায় উচ্চারন ভূল হলে শব্দের অর্থ বিকর্িত হয়ে যায়।

২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:২২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ আলআমিন,
সম্মানীয় হাফেজসাহেবরা
তাদের জীবন কোরআন শিক্ষার
জন্য উৎসর্গ করেছেন। তারা
শুদ্ধভাবে পড়ান এটাই আমাদের বিশ্বাস।
তা ছাড়া তারাবী নামাজ পড়ার সময়
সহযোগী অন্যান্য হাফেজগনও উপস্থিত
থাকেন। কোথাও ভুল পড়ালে তারা শুদ্ধ করে দেন।
সুতরাং চিন্তিত হবার কোন কারন নাই।
ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।

৫| ২৬ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:০৭

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: ইসলামে ঐক্য বজায় রাখতে আপনার লেখাটির জুড়ি নেই। আমরা ভেদাভেদ চাই না, অহেতুক ঝগড়া চাইনা। ধন্যবাদ খালু।

২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:২৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ঝগড়া ফেসাদ ইসলামের শিক্ষা নয়,
ঝগড়া বিবাদ এড়িয়ে সত্য ও ন্যায়
পথে চলার শিক্ষা দেয় ইসলাম।
আমারা ইসলামের নির্দেশিত পথে
চলার চেষ্টা করি। আমিন

৬| ২৬ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:১৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ইদানিং ফিতনা শব্দটা খুব ব্যবহ্রত হচ্ছে যা আগে কোনদিনই শুনি নাই।

২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:২৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ফিতনা এখন যেমন আছে, আগেও ছিলো
ভবিষ্যতে আরো বেশী হবে শুনেছি।
ফিতনা ফেসাদ এড়িয়ে সত্য পথে
চলার জন্য আল্লাহর কাছে
প্রার্থনা করতে হবে।
ধন্যবাদ ঢাবিয়ান।
ভালো থাকবেন।

৭| ২৬ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:৩০

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: নুরু ভাইয়ের পোষ্টে অনেক কিছু জানার আছে।
ধন্যবাদ।

২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৩৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ বরকতউল্লাহ ভাই,
আসলে জানতে চাইলে জানা যায়
যে কোন সোর্স থেকে। জানার আগ্রহ
থাকতে হবে।

৮| ২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ১২:০৩

হবা পাগলা বলেছেন: সুন্দর পোস্টের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ব্লগে আমি নতুন। আমার ব্লগটা একটু ঘুরে আসার নিমন্ত্রণ রইলো।

২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৩৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ হবা পাগলা,
আমার ব্লগে স্বাগতম। আপনার
ব্লগে অবশ্যই দেখা হবে।

অফটপিকঃ ব্লগে অনেক পাগলের আনাগোনা
যেমন, জগা পাগলা, সামু পাগলা ইত্যাদি,
কোনটা আসল আর কোনটা নকল
বুঝবো কি করে?

৯| ২৭ শে মে, ২০১৮ রাত ১২:৪৮

শহীদ আম্মার বলেছেন: চমৎকার লেখাটির জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা। এই ধরণের দৃষ্টিভঙ্গির উপরই আমাদের সালফে সালেহীনরা তথা সাহাবায়ে কিরাম, তাবেয়ী, তাবে-তাবয়েীগণ এবং যুগশ্রেষ্ঠ ইমামগণ ছিলেন। ধন্যবাদ।

২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৪৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে শহীদ আম্মার।
আমরা ইসলামের নির্দেশিত পথে
আমাদের জীবন পরিচালিত করার
শিক্ষা গ্রহণ করে পরকালের পাথেয়
সঞ্চয় করতে যত্নবান হই। আমিন

১০| ২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১০:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: ভেরি গুড পোষ্ট।

২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৪৮

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ইফ উই ওবে এ্যাণ্ড ফলো,
অদারওয়াইজ নট !!

১১| ২৭ শে মে, ২০১৮ সকাল ১১:৪৮

হবা পাগলা বলেছেন: অফটপিকঃ ব্লগে অনেক পাগলের আনাগোনা
যেমন, জগা পাগলা, সামু পাগলা ইত্যাদি,
কোনটা আসল আর কোনটা নকল
বুঝবো কি করে?

বুঝা বড়ই কঠিন কাজ। তবে হবা পাগলের সৃষ্টিশীল কাজ গুলির উদ্দেশ্য আত্মিক মুক্তি, এর কারনে অনেক সময় অর্থনৈতিক অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হয়।

১২| ২৭ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১২:০৩

আহলান বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট .. ! মোদ্দা কথা হলো হযরত ওমর, ওসমান বা আলী (রাঃ) এঁর আমলে যখন তারাবি বিশ রাকাত আদায় করা হয়েছে, সেখানে এই সময়ে এসে আমাদের ৮ রাকাত পড়ার সুযোগ কোথায়? আমরা কি তাঁদের থেকেও বেশী জ্ঞ্যান রাখি? তাঁরা ২০ রাকাত আদায় করেছেন যখন, তখন অবশ্যই সুদৃঢ় কোন দলিলের ভিত্তিতেই আদায় করেছেন ... সুতরাং সাড়ে চৌদশত বছর পরে এসে কেউ যদি এসব হাদিস কোরআন নিয়ে নতুন করে ব্যাখ্যা বিশ্লেষন করে আমরা তার কথা মানতে যাব কেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.