নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

নূর মোহাম্মদ নূরু

দেখি শুনি স্মৃতিতে জমা রাখি আগামী প্রজন্মের জন্য, বিশ্বাস রাখি শুকনো ডালের ঘর্ষণে আগুন জ্বলবেই। ভবিষ্যৎকে জানার জন্য আমাদের অতীত জানা উচিতঃ জন ল্যাক হনঃ ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সামুর পাঠকদের জন্য আমার নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। জন্ম-মৃত্যু, বিশেষ দিন, সাথে বিশ্ব সেরা গুণীজন, এ্ই নিয়ে আমার ক্ষুদ্র আয়োজন

নূর মোহাম্মদ নূরু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফুলের কানে ভ্রমর এসে.....

২৪ শে জুন, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৪৪


ফুলের কানে ভ্রমর এসে চুপি চুপি বলে যায়
তোমায় আমার সারাটি হৃদয় নীরবে জড়াতে চায়।
গানের কথাঃ কেজি মুস্তাফা, শিল্পীঃ শাহনাজ রহমতুল্লাহ, সুরকারঃ রবিন ঘোষ।

ফুলের কানে ভ্রমর গুনগুন করে স্বপ্নভরা সম্ভাষণ জানিয়ে নিমন্ত্রণ জানায় বসন্তের। কোটি কোটি বছর ধরে ভ্রমর ও ফুলের মধ্যে পরস্পরের জন্য লাভজনক এক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ভ্রমর বা মৌমাছি মধু বা নেকটার সংগ্রহের জন্য যখন ফুলের ওপর বসে তখন তাদের শরীরে ফুলের পরাগ লেগে যায়। পরবর্তীতে সেই মৌমাছি বা ভ্রমর যখন অন্য কোনো ফুলের ওপর বসে তখন পরাগায়ন ঘটে। তবে এটি এমনি এমনি ঘটে না। এর জন্য ফুল ও ভ্রমরের মধ্যে এক ধরনের বিশেষ আকর্ষণ ও কথোপকথন চলে। মৌমাছি ও ভ্রমর জাতীয় পোকা ফুলের কাছ থেকে মুধু (Nectar) ও পরাগ পায়। তার বদলে পোকাগুলি পরাগায়নের দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু ভ্রমর যদি বসার পর কোনো ফুল থেকে মধু না পায়, তাহলে সে আর সেই ফুলে বসবে না। এতে ওই ফুলের পরাগায়নও আর হবে না। তাই রাগবহনকারীদের নিরাশ করার সাধ্য ফুলের নেই। সেটাই বাস্তব ঘটনা। অনেক শক্তি ক্ষয় করে ভ্রমরকে ফুলের উপর ওঠানামা করতে হয়, নেকটার খুঁজতে হয়। আপাতদৃষ্টিতে ফুল মুখের উপর বলে দিতে পারে না, ‘দেখো তোমার জন্য আমার কোনো নেকটার নেই! তাহলে সেগুলি আর ফিরে আসবে না। ফুলের কুঁড়ির উপর ভ্রমর যে পরাগায়ন প্রক্রিয়া চালায়, সেটা নতুন বিষয় নয়। এবার বিজ্ঞানীরা ফুল ও ভ্রমরের মধ্যে ‘কথোপকথন’-এর রহস্য ভেদ করেছেন। ভ্রমর ও ফুলের মধ্যে নানা কথার আদানপ্রদান চলে।

ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফেসর ডানিয়েল রোব্যার্ট
ফুল ও পরাগবহনকারীদের মধ্যে এই ‘জাদুময় সংযোগ’ পরীক্ষা করছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘বেশ কিছুক্ষণ ধরে ফুলগাছগুলির দিকে তাকিয়ে থাকলে বোঝা যায় যে ভ্রমর মোটেই যে কোনো ফুলের উপর বসে না; বরং যে ফুলে সবে অন্য পোকা বসেছিল, সেটি এড়িয়ে চলে। অনেক সময় ধরে যে সব ফুলে কোনো অতিথি আসে নি, ভ্রমর সেগুলির খোঁজ করে। সে সব ফুল নেকটার বা মিষ্টি রসের আধার ভরার যথেষ্ট সময় পেয়েছে। আমার মনে হয়, ভ্রমর সেটা টের পায়।’’ তিনি আরো বলেন, এখন কথা হলো- একটি ফুলে মধু আছে কি নেই সেটি সে ভ্রমরকে বসার আগে কীভাবে জানায়। কারণ ফুল দ্রুত নিজের রং, গন্ধ বা আকার পরিবর্তন করতে পারে না, যে এসবের মাধ্যমে সে ভ্রমরকে সংকেত পাঠাবে। তাই তারা গবেষণা করে দেখেছেন ফুল তার নিজস্ব ইলেক্ট্রো-স্ট্যাটিক সম্ভাবনা দ্রুত বদলাতে পারে পারে। তাই তারা ধারণা করেন, এর মাধ্যমেই ফুল ভ্রমর বা পরাগবাহীদের সংকেত দিয়ে থাকে।
ভ্রমর যে ইলেক্ট্রো স্ট্যাটিক ক্ষেত্র টের পায়, প্রোফেসর রবার্ট গবেষণাগারে তা প্রমাণ করতে পেরেছেন৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভ্রমরের কলোনিকে সেই পরীক্ষায় শামিল করা হয়েছিল। গবেষকরা অতি ক্ষুদ্র নেগেটিভ চার্জ তৈরি করে নেকটার-ভরা ফুলের নকল করেছিলেন৷ ভ্রমর এত সূক্ষ্ম তারতম্য সত্ত্বেও প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। নিউরো বায়োলজিস্টরা এমনকি ফুল ও ভ্রমরের মধ্যে ‘কথোপকথন’ শ্রবণযোগ্য করে তুলতে পারেন।
সূত্রঃ ভ্রমর ও ফুলের মধ্যে সংলাপ

সম্পাদনাঃ নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জুন, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৫৫

সোনাগাজী বলেছেন:



সবকিছুর পেছনে লজিক আছে, কারণ আছে।

২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ১০:০৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
হ্যাঁ, অবশ্যই আছে।
কারণ ছড়া কায' সম্পাদন
হয়না।

২| ২৪ শে জুন, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪২

জুন বলেছেন: এ বিষয়টি কখনো ভাবিনি তাই জানা হয় নি। আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানা হলো নুরু ভাই। ভালো লাগলো অনেক বিষয়টি। গানটি আমার খুব প্রিয়।
+

২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ১০:১১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জুন আপু,
মন্তব্য প্রদানের জন্য। ভালো থাকবেন।

৩| ২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ৮:১৩

আরইউ বলেছেন:



নূরু সাহেব,
আপনার এই লেখাটার সিংহভাগ বিভিন্ন অনলাইন সোর্স থেকে টুকলিফাই করা। আপনি চাইলে আমি লাইন বাই লািন প্রমান করে দেখাতে পারবো!
আপনি যে তথ্যসূত্র দিয়েছেন তা ইংরেজীতে। এমন নয় যে আপনি ইংরেজী থেকে নিজে বাংলায় অনুবাদ করেছেন। সামহোয়ারইনে যেখানে কপি-পেস্টের সংখ্যা এখন প্রায় শুন্যের কাছাকাছি তখন দয়াকরে আপনি আবার কপি-পেস্ট শুরু করবেননা।

২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ১০:৩৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
লেখার সিংহভাগ টুকলিফাই
ঠিক আছে আপনার কথা
না হয় মেনে নিলাম!
লেখার গর্দভ ভাগতো
আমার!
আমি গর্দভ নিয়েই
আছি।

৪| ২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ৮:২৯

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: পোস্ট ভালো লাগলো। ++

২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ১০:১৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ গোফরান ভাই,
ভালো থাকবেন।

৫| ২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ১০:১৬

জগতারন বলেছেন:
নিন্দিত অথবা নন্দদিত ব্লগার আরইউ,
যারা পি-এইচ'ডি ডিগ্রী করে তারা কোন একটি বিষয় সর্বোচ্চ পড়াশোনা করেই সেই ডিগ্রী পায়।
তার প্রমান ঐ ছাত্রা বা ছাত্রী'কে ঐ নিদৃষ্ট বিষয়ে নতুন কিছু দিক নির্দেশন তার চুরান্ত গবেষণা্র মাধ্যমে
(বা গবেষনা পত্রে লিখে দেখাতে হয়।
তবেই সে পি-এইচ'ডি ডিগ্রী পায়।

এখন কথা হলো,
পি-এইচ'ডি ডিগ্রী প্রার্থী তো এর আগে এ পর্যন্ত যত শিক্ষার্থী ঐ নি নিদ্দৃষ্ট বিষয়ে গবেষনা করে, এবং যুক্তি তর্কের মাধ্যমে যত জ্ঞান আহোরন হয়েছে তা পড়াশোণা করেই জ্ঞানার্যন করতে হয়। এর জন্য ঐ পি-এইচ'ডি ডিগ্রী প্রার্থী'কে কেহ টুকলিফাই করে লিখেছে বা কপি-পেস্টের কপি করেছে যে বলে তাকে একটি অপদার্থ ছাড়া কি বলা যায় (!)
এভাবে আপনি একটি অপদার্থ অথবা হিংসুক ব্লগার ছাড়া আর কিচ্ছু না।

ব্লগার নূর মোহাম্মদ নূরু যদি বিভিন্ন লিখা প্রবন্ধ বা বিভিন্ন জনেত প্রবাশিত ধারনা পড়াশোনা করে নতুন একটা কিছু লিখে তাকে নকল'বাজ বআ টুকলিফাই করা হয়েছে বলা যায় না।

২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ১০:৩২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
জাগতারন দাদা বাদ দিন।
যার বিদ্যা যেমন তার
প্রকাশও তেমনই হয়!
ময়ূর পুচ্ছ পড়লে কি
কাক ময়ূর হয়?
তেতুল গাছে আমের
আশা করা বৃথা!

৬| ২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ১০:৩৭

আরইউ বলেছেন:



@জগতারন,
কোন এক বা একাধিক লেখা থেকে হুহহু কপি করাকে “লেখা চুরি“ বলে, পিএইচডি করা নয়। নূরু সাহেবকে এই দোষে শাস্তিও দেয়া হয়েছে এর আগে। এখন যদি নূরু সাহেব মনে করেন আন্দোলন শেষ আর উনি আবার সদম্ভে টুকলিফাইং চালিয়ে যেতে পারবেন আর লোকে কিছু বলবেনা তাহলে উনি ভুল ভাবছেন।

ওনাকে ভদ্রভাষায় এই পোস্টে ওয়ার্নিং দেয়া হয়েছে। উনি কপিপেস্ট পোস্ট এরপরও বন্ধ না করলে প্রমান সহ কতৃপক্ষকে জানানো হব্ব।

২৫ শে জুন, ২০২২ রাত ২:০৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ভদ্রলোকেরা সঠিক পন্থায়
ব্লগের নীতি মেনে তাই করে!
ক্যাচালে জড়ায় না।
আমি বুঝে পাচ্ছিনা আপনি
ওয়ার্নিং দেবার কে?
হু আর ইউ?

৭| ২৪ শে জুন, ২০২২ রাত ১১:৫৬

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: লেখায় কোনো প্যারা নাই কেন ভাইজান?

২৫ শে জুন, ২০২২ রাত ১:৫৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
দস্যুভাই এমনিতেই বহুত প্যারায় আছি!
আর প্যারা দিতে কইয়েন না। প্যারা
আলাদের যন্ত্রণায় আশ্রমে গিয়ে
ঠিকানা গাড়তে হবে!

৮| ২৫ শে জুন, ২০২২ রাত ১২:১০

অর্ক বলেছেন: নূরু ভাই, ৩ নং মন্তব্যকারী নেক খেয়ালের এই সাধু ব্যক্তি এখনও এ সাইটে পড়ে আছে কেন ঠিক বুঝলাম না! ছয় সাত বছর আগেও ভদ্রলোককে দেখেছিলাম, ব্লগের এটাসেটা নিয়ে এরকম অভিযোগ করতে, পোস্ট দিতে। কপিপেস্ট লেখাচুরি এটাসেটা এর বিরুদ্ধে ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ। এতোদিন পরেও ভদ্রলোক এসব নিয়ে পড়ে আছে। এখনও তেমনি কপিপেস্ট লেখাচুরি এটাসেটা এর বিরুদ্ধে ওর বিরুদ্ধে অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে দেখছে যে, এসব সমস্যা নিয়ে লিখে সেভাবে কোনও কাজ হচ্ছে না, তারপরও এই সাইটে ভদ্রলোকের এভাবে একেবারে মাটি কামড়ে পড়ে থাকার কারণ সত্যি রহস্যময়। নিজে লিখলেও না হয় একটা কথা ছিলো। যেমন আমার লেখা ইস্সট্যান্ট পোস্ট করার এটা ও এরকম দুয়েকটি সাইট ছাড়া আর তেমন কোনও জায়গা নেই। তাই লেখা প্রকাশের জন্য এখানে বারবার আসতেই হয়। যতো যাই হোক লেখালেখিতে থাকলে এখানে আসতে হবেও।

ভদ্রলোক শুধুমাত্র পড়ার জন্য এখনও এখানে পড়ে আছে দেখে সত্যি অবাক হচ্ছি। হাজারও সাইট আছে। যেখানে সম্পাদক আছে। লেখা বিবেচনা করে প্রকাশ করা হয়। সেখানে গিয়ে পড়লেই তো হয়। রাজ্যের বিষয়ের লক্ষ্য লক্ষ্য লেখা পড়ে আছে। প্রতিদিন হাজারো নতুন লেখা প্রকাশ হচ্ছে। শুধুমাত্র পড়ার জন্য তার এই ধারাবাহিক অভিযোগের বিভিন্ন সমস্যায় ভরা এ সাইটে এভাবে মাটি কামড়ে পড়ে থেকে সময় বরবাদ করা কেন! যেখানে কোনওটারই সেভাবে কোনও সমাধান হচ্ছে না! ভদ্রলোকের উচিত যেখানে সম্পাদক আছে, লেখা বিবেচনা করে প্রকাশ করা হয়, ওরকম সাইটে সময় দেয়া। এসব উন্মুক্ত সাইটে এরকম টুকটাক সমস্যা থাকবেই। এখানে সবকিছু অতো পারফেক্ট আশা করা আসলে নেহাতি হাস্যকর। কতো কিছু দেখলাম। ফাও পুলিশিং করার রুচি কোনওদিনও হয়নি, হবেও না। না পোষালে ছেড়ো দেবো। বছরের পর বছর এভাবে অভিযোগ করে করে মাটি কামড়ে পড়ে থাকবো না।

[আগের মন্তব্য ডিলিট করে দিন]

২৫ শে জুন, ২০২২ রাত ২:০২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ভাই "ঢেকি যদি সগে'ও যায়
সেখানে বাড়া বানে" যাদের
একমাত্র কাজ পরের ছিদ্র খুঁজে
খোঁজা তারা নিজের ছিদ্র খুঁজেনা!
ওনার জন্য বেটার হবে লাল শালুর
মাজার খুলে সাগরেদদের নিয়ে
কুপি পেষ্ট জিকির করা!
এদের জন্যই মাঝে মাঝে
কবিতায় ঝাড়ফুক করি,
অখন কিছুদিন ঠান্ডা
থাকে!

৯| ২৫ শে জুন, ২০২২ রাত ১২:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট।
এই পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২৫ শে জুন, ২০২২ রাত ২:০৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকেই ধন্যবাদ!
ভালো থাকবেন।

১০| ২৫ শে জুন, ২০২২ সকাল ৭:০২

কামাল৮০ বলেছেন: কিছু অজানা তথ্য জানা হলো।

২৫ শে জুন, ২০২২ সকাল ১০:০৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ।
সাথে থাকুন, জানুন।

১১| ২৫ শে জুন, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: নূর মোহাম্মদ নূরু,




ভ্রমরের মতোই গুনগুনিয়ে এমন কথা বলে গেলেন যা আগে জানতুম না।
ধন্যবাদ জানানোর জন্যে।

এটা ঠিক যে , ভ্রমর সব ফুলেই বসেনা। ফুলে ফুলে উড়ে উড়ে ঘুরে বেড়ায় আর হঠাৎই একটি ফুলে সুড়ুৎ করে ঢুকে পরে। নিশ্চয়ই কারনটা অধ্যাপক ড্যানিয়েল যেমনটা বলেছেন তার স্বপক্ষেই যায়।

২৫ শে জুন, ২০২২ রাত ৮:৪৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ আহ্মদ জি এস ভাই,
নানান ব্যস্ততার মাঝে হাজারো নতুন তথ্য
আমাদের সবার পক্ষে। জানা সম্ভব হয়না।
তাই নতুন তথ্য যার যেটা সামনে আসে তা
শেয়ার করা দোষের নয় যদি তার সূত্রের
উল্লেখ থাকে। কিন্তু কিছু অপরিপক্ক
মানুষের কারণে সব গুবলেট হয়ে
যায়!
তারা জানবেনা, জানাবে না,
জান্তেও দিবেনা।
নিজেকে মহা পণ্ডিত মনে
করা এসব মানুষের কারণে
নেতিবাচক প্রভাব পড়ে
নতুনকে জানতে আর
খুঁজতে!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.