নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পরিচয়হীন

খুব সামান্য একটা মানুষ

রাহাত লতিফ তৌসিফ

এলোমেলো সপ্নের আড়ালে লুকনো ইচ্ছাগুলি

রাহাত লতিফ তৌসিফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পৃথিবীর বৃহত্তম রেডিও টেলিস্কোপ

২৭ শে মে, ২০১৪ বিকাল ৫:৫১

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ একক ডিশের রেডিও টেলিস্কোপ হচ্ছে ১৯৬৩ সালে পুয়ের্তো রিকোতে স্থাপিত "অ্যারেসিব" টেলিস্কোপ। এর ডিশের ব্যাস ৩০০ মিটার। এটি একটি প্রাকৃতিক উপত্যকায় স্থাপন করা হয়েছে। এর ভিত্তি স্থির তাই আকাশ পর্যবেক্ষণের ক্ষমতাও সীমিত (সুবিন্দুর ২০' এর মধ্যে) । বড় আকারের হয়েও বিশ্লেষণ ক্ষমতা কম।



এই সমস্যার মোকাবেলায় নতুন প্রযুক্তি রেডিও ইন্টারফেরোমেট্রি । ব্যাতিচার ধর্মকে কাজে লাগিয়ে অনেক গুলো ছোট আকারের রেডিও টেলিস্কোপ নির্দিষ্ট দূরত্বে স্থাপন করা হয়। এতে বিশাল বড় টেলিস্কোপের কাজ হয়। নিখুত তথ্য পাওয়া যায়। বর্তমানে এরকম সর্ববৃহৎ রেডিও ইন্টারফেরোমেট্রি এর উদাহরণ হল very large array । এটি নিউ মেক্সিকোর সকরতে অবস্থিত। এতে Y আকারে সাজানো আছে ২৭ টা টেলিস্কোপ যার প্রতি বাহু ২০ কিমি লম্বা । ফলে এটা প্রায় ৩৫ কিলোমিটার ব্যাস বিশিষ্ট রেডিও টেলিস্কোপের কাজ করে।



মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৭

আর্জেন্টিনা বলেছেন: কাম টা কি সহজ বাংলায় বুঝানো যায়!!

২৭ শে মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২৭

রাহাত লতিফ তৌসিফ বলেছেন: হ্যা ভাইয়া এর কাজ অবশ্যই বলা যায় ।

রেডিও এস্ট্রোনমিতে বৃহত্তম টেলিস্কোপের প্রয়োজনীয়তা এই জন্যই বেশী যে এটা আমাদের অদৃশ্য জগত সম্পর্কে আইডিয়া দিচ্ছে এবং এর সংগৃহীত তথ্য গুলোর নির্ভরতাওও অনেক বেশী। আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্র এর সাহায্যে বের করা হয়েছে। কোয়াসার , পালসার , ব্ল্যাক হোল এই সবের অস্তিত্বও বুঝা যায়।

যে টেলিস্কোপ যত বড় তার বিশ্লেষণী ক্ষমতা মানে ছোট ছোট উৎসের সচ্ছ ও পৃথক ছবি তোলার ক্ষমতাও বেশী। এটা অবশ্য কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বিকিরণ দেখা যাচ্ছে তার উপরেও নির্ভর করে।

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.