নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবন একটি সৌভাগ্য, প্রতিটি মুহূর্তেই এই সৌভাগ্য অস্পৃয়মান তাই বর্তমান নিয়েই মগ্ন থাকতে চাই।

পুলক ঢালী

জীবন বয়ে চলে অজানা পথে

পুলক ঢালী › বিস্তারিত পোস্টঃ

উয়ারি বটেশ্বরে (বেলাবো,শিবপুর,রায়পুরা,নরসিংদী) একটি ঐতিহ্যবাহী ২৫০০ বৎসর পূর্বের হারানো জনপদে একদিন ।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৫৯



উয়ারি-বটেশ্বরের নাম শুনেছিলাম তবে যাবো যাবো করেও যাওয়া হয়ে উঠছিল না। একদিন তিনজন মিলে তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে রওনা হলাম।
ঢাকা পূর্বাচলের ৩০০ ফুট চওড়া রাস্তা দিয়ে মসৃন গতিতে ফুরফুরে মন নিয়ে ছুটে চলছিলাম। কাঞ্চন ব্রীজে টোল দিয়ে ঢাকা বাইপাস রোড দিয়ে ভূলতার দিকে চলতে গিয়ে বারবার হোচট খেয়ে দমে যাচ্ছিলাম। ঢাকা বাইপাস সড়কটি চার লেন হওয়া দরকার ছিল। ব্যপারটা এমন ধরুন দুই নদীকে সংযোগ দিতে গিয়ে বাচ্চার হিসু করার মত পানি যাওয়ার নালা (রাস্তা) তৈরী করলে যে অবস্থা দাড়াবে সেরকম। :D
ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেনের গাড়ী গুলি দুই লেনের সরু বাইপাস রাস্তা দিয়ে গিয়ে আবার ঢাকা-উত্তরবঙ্গ, ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডে পৌঁছাতে গেলে যে দুরবস্থায় পড়তে হয় সেখানে গিয়ে পড়লাম। আমাদের সামনে পিছনে বামে বিরাট বিরাট ১৮ চাকার ট্রেলার ১০ চাকার কভার্ড ভ্যান, ট্রাক এবং গোদের উপর বিষফোড়াঁর মত আর্টিকুলেটেড বিআরটিসি বাস(ডেমো ট্রেনের মত এগুলোও কিনেছিলো পকেট ভারী করার নায়কেরা এত লম্বা বাস টার্ন নেওয়ার মত যানজটের শহর ঢাকায় রাস্তা নেই)। এত গাড়ীর ভীড়ে আমরা হারিয়ে গিয়ে ভাবছি এত উঁচু উঁচু অবস্থান থেকে মহামান্য এবং শ্রদ্ধেয় ড্রাইভারগন আমাদের দেখতে পাচ্ছেন তো ?? দেখতে না পেলে তো ওনাদের চালিত দানবের নীচে আমরা পিঁপড়ের মত পিষে গেলেও ওনারা টের পেতে পেতে দেখা যাবে আমরা সৃষ্টি কর্তার দরবারে বেহেস্তে যাবার আবেদনপত্র নিয়ে লাইনে দাড়িয়ে আছি। :D
এই বাইপাসে জ্যামের আরেকটা বড় কারন হলো যাওয়া আসার গাড়ীগুলির টোল অফিস সড়কের দুই প্রান্তে না বসিয়ে একই প্রান্তে বসানো হয়েছে।
শেষ পর্যন্ত উপরওয়ালার অসীম করুনায় আমরা ঢাকা-সিলেট রোডে পৌছে বামে মোড় নিয়ে সিলেটের দিকে রওনা দিলাম। মরজাল পৌঁছে বামে মোড় নিয়ে চললাম উয়ারি-বটেশ্বরের দিকে। পথে কিছুদুর গিয়েই পেলাম ছায়াবিথী সরনী । এত ঘন গাছপালা যে প্রখর রোদও পত্র-পল্লব ভেদ করে মা ধরনীকে স্পর্শ করতে পারছিলো না। ছায়ার মধ্যেই দেখলাম লটকনের অসংখ্য বাগান। এছাড়াও রাস্তার দুপাশে অনেক কলা-বাগান (ঢাকার কলাবাগান নয়) পেঁপে বাগান।
নরসিংদী বাংলাদেশের সব্জী উৎপাদনে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে কৃষিতে জিডিপিতে খুব ভাল অবদান রাখছে।
মাঝে মাঝে রৌদ্রকরোজ্জ্বল পথ পাড়ি দেওয়ার সময় দুপাশে সবুজ ধান ক্ষেতের বিস্তৃতি দেখে চক্ষু জুড়িয়ে যাচ্ছিলো।

এখানকার মাটি মাঝে মাঝে মনে হচ্ছিলো লাল। মাটি সম্ভবত এঁটেল কারন যখন লোকালয় পাড়ি দিচ্ছিলাম তখন রাস্তার দু-পাশে প্রচুর মাটির ঘর দৃষ্টিগোচর হচ্ছিলো। একসময় পৌছে গেলাম উয়ারি-বটেশ্বরের পুরাকীর্তি স্থলে।

ফেরার সময়টা আর তেমন ঘটনাবহুল ছিলনা । ওখানে একটা ডাক-বাঙ্গলো ছিল কিন্তু আগে থেকে যোগাযোগ না করলে লাঞ্চ করার সুযোগ হয় না। ডাক-বাঙ্গলোর কেয়ারটেকার বললেন, "ফেরার পথে নরসিংদীর জেলখানার মোড়ে একটা হোটেল আছে বেশ ভাল।" আমরা গিয়ে আবিস্কার করলাম হোটেল মেজবান। বেশ ভালই মনে হলো, করলা ভাজি, ডাল, সব্জী, সহযোগে উদরপূর্তীতে বিপুল বিক্রমে ঝাপিয়ে পড়লাম ;) । ওখানকার বাতাসী মাছের ঝোলের চমৎকার স্বাদ এখনও জীভে লেগে আছে। :D
আবার ও পথে গেলে নির্ঘাৎ হানা দেবো কুনু সন্দো নাইক্যা :)

উয়ারি-বটেশ্বর:

২০০৬ সালে শস্যক্ষেতের নালা কাটার সময় হঠাৎ স্থাপত্যটির ইট বেরিয়ে আসে। পরবর্তিতে ২০০৭,২০০৮,২০০৯ সালের প্রত্নতাত্ত্বিক খননে ৩২ফুট বাই ১৮ ফুট আয়তনের ইটের তৈরী স্থাপনাটির ভিতরের অংশ উন্মোচিত হয়। এটা ভুমিকম্পে ডেবে যাওয়া কোন নগরী নয় । মাটির নীচেই এই নগরী তৈরী হয়েছিল। অদ্ভুদ ব্যাপার হচ্ছে এই স্থাপনায় কোন দরজা জানালা নেই । মেঝে ২৮৮০ কিউবিক সেন্টিমিটার সাইজের ইট দিয়ে তৈরী। স্থাপত্যটি ধাপে ধাপে নীচের দিকে নেমে উল্টো পিরামিডের আকৃতি ধারন করেছে। কেন এবং কোন কৌশলে কাজটি করা হয়েছিল তা জানতে আরো খননের প্রয়োজন রয়েছে।

যতদূর ধারনা করা যায় প্রাগৈতিহাসিক সময়ে উয়ারি বটেশ্বর অঞ্চলে প্রথম মানব-বসতি আরম্ভ হয়েছিল।
এখানে তামা-প্রস্তর যুগের নিদর্শন হিসাবে গর্ত-বসতিও আবিস্কৃত হয়েছে। কার্বন-১৪ ডেটিং (রেডিওএক্টিভ কার্বন আইসোটপ পদ্ধতিতে) ফলাফলের ভিত্তিতে ধারনা পাওয়া যায় যে খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ বৎসর আগে এই অঞ্চলে কোন মহা জনপদ গড়ে উঠেছিল এবং ৫০০ বৎসর আগে নগরায়ন হয়েছিল। এ অঞ্চল মৌর্য সাম্রাজ্যের অধীনেও ছিল। এখানে শুঙ্গ যুগের পোড়ামাটির যক্ষ পাওয়া গিয়েছে। বিষয়গুলো প্রাচীনত্বের নির্দেশক।

এ অঞ্চল সমতট বিধায় গুপ্ত শাসনের প্রভাব পড়েছিল কারন সমতট গুপ্তদের করদ রাজ্য ছিল।
গুপ্ত শাসকদের পরে এই অঞ্চল বিশেষ করে বাংলার পূর্ব-দক্ষিন দিকে স্বাধীন রাজ্য স্থাপিত হয়েছিল । এসময় রাঢ়,খড়গ,দেব,এবং চন্দ্রবংশের শাসনের প্রমান পাওয়া যায়। নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার আশ্রাফপুর থেকে ৮০০ খ্রিষ্টাব্দের খড়গবংশীয় শাসক দেবখড়গ-এর তাম্র-শাসনের (তামার পাতে খোদাই করা রাজা-আজ্ঞা) নমুনা পাওয়া গেছে। এই আজ্ঞানুসারে রাজা দেবখড়গ চারটি বিহারের জন্য ভূমি দান করেছিলেন।
সাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক খননে জানখারটেকে ২৪মিটার বাই ২৪ মিঃ একটি বৌদ্ধ বিহার আবিস্কৃত হয়েছে।
ধুপিরটেকে ১১মিঃ বাই ১১মিঃ ইটের তৈরী বৌদ্ধমন্দির পাওয়া গেছে। চাকবাড়ি আশ্রাফপুরে একটা ইট নির্মিত স্থাপনার আংশিক খনন করা হয়েছে ধারনা করা হচ্ছে এটাও রাজা দেবখড়গের তাম্রশাসনের একটি অংশ (বৌদ্ধ বিহার)। টঙ্গীরটেকেও চলমান প্রত্নতাত্ত্বিক খননে একটি অসাধারন বৌদ্ধ পদ্ম মন্দির আবিস্কৃত হয়েছে। (এই মন্দিরটি সংরক্ষনের মাধ্যমে বৌদ্ধ পদ্ম-মন্দির প্রত্নস্থান যাদুঘর তৈরী করা হয়েছে, এই ধরনের উন্মুক্ত যাদুঘর বাংলাদেশে এই প্রথম।) কার্বন ডেটিং অনুসারে এগুলো ৭৩০-৭৪০ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত।
উয়ারী বটেশ্বর ও সংলগ্ন ৫০টি প্রত্নপীঠ থেকে উপমহাদেশের প্রাচীনতম মুদ্রা ‘ছাপাঙ্কিত রূপারমুদ্রা’ ছাড়াও উত্তরাঞ্চলীয় কালো মসৃন মাটির পাত্র, রোলেটেড মৃতপাত্র (ঘূর্নায়মান পদ্ধতিতে তৈরী মাটির পাত্র) ধাতব নিদর্শন, স্বল্প মূল্যের পাথর, কাঁচের পুতি, পোড়ামাটি ও পাথরের শিল্পবস্তু এব বাটখারা ইত্যাদি আবিস্কৃত হয়েছে। (কিছু শিল্পকর্ম বেশ তাৎপর্যপূর্ন যেমন কুঠার দ্বারা শত্রু বিনাশ, কচ্ছপ দ্বারা দীর্ঘজীবন, এবং হাতী দ্বারা সার্বভৌমত্ব বুঝানো হয়েছে।)
নগরীতে পাকা রাস্তা পার্শ্বরাস্তা এবং ইট নির্মিত স্থাপনা একটি উন্নত নগর পরিকল্পনার পরিচয় বহন করে।
ধারনা করা হয় উয়ারী-বটেশ্বর একটি প্রাচীন জনপদের রাজধানী এবং একে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে একটি নগর সভ্যতা। বলা হচ্ছে উয়ারী-বটেশ্বরের সঙ্গে দক্ষিন-পূর্ব এশিয়া ও ভূমধ্যসাগর অঞ্চলের বানিজ্যিক সম্পর্ক ছিল।
মনেকরা হয় এই এলাকাটি টলেমি বর্ণিত বানিজ্যিক কেন্দ্র সৌনাগড়া। ধারনা করা হয় গ্রিক সম্রাট আলেকজান্ডার গঙ্গা নদীর পূর্বতীরে যে পরাক্রমশালী গঙ্গাঝদ্ধ জাতির কথা শুনেছিলেন তা আজকের এই উয়ারী-বটেশ্বর।
২৩০০ বৎসরের প্রাচীন ৪০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিশ্ববিখ্যাত সিল্ক রুটের সঙ্গেও উয়ারী-বটেশ্বর যে সংযুক্ত ছিল নানা নিদর্শনগত প্রমানে তা উজ্জ্বল হয়ে উঠতে শুরু করেছে।
































উয়ারী-বটেশ্বরে তাম্র-প্রস্তর সংস্কৃতির গর্ত-বসতিও আবিস্কৃত হয়েছে। মাটিতে গর্ত করে বসবাসের উপযোগী ঘরের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।
গর্ত বসতির দৈর্ঘ ২.৬০ মিটার প্রস্থ ২.২০ মিটার এবং গভীরতা ০.৫২ মিটার।
আদি লালমাটির (এই এলাকার মাটি লাল) উপর পুকুর বা বিলের নীচ থেকে সংগ্রহ করা সাদা বেলে দোআঁশ মাটি দিয়ে মেঝে লেপা হয়েছে।
মূল গর্তের ভিতর আরেকটি ২৭২ সেঃমিঃ পরিধির ৭৪ সেঃমি গর্ত পাওয়া গিয়েছে যার মেঝে চুন-সুরকি দিয়ে গঠিত । ধারনা করা হচ্ছে এটা একটা শস্যাগার।
গর্ত বসতির পাশে পাওয়া গেছে এটি কূপ নির্মানশৈলী অনুসারে এটি একটি ধাপ কূপ (Stepped well) ধাপ অংশে একটি খুটি পোতার গর্ত রয়েছে যেখানে একটা নারকেলের অংশ পাওয়া গেছে।
গর্ত বসতির পশ্চিম পার্শ্বে একটি ছাই ভর্তি চুলা পাওয়া গেছে যেটার মেঝেতে একটি পাথর রাখা ছিল সম্ভবত অতিরিক্ত তাপপাওয়ার জন্যই এই ব্যবস্থা।
ভারতের মহারাষ্ট্রের ইমামগাঁও-এ প্রত্নতাত্ত্বিক খননে অসংখ্য গোলাকার,আয়তাকার,বর্গাকার গর্ত বসতির চিহ্ন আবিস্কৃত হয়েছে। গর্ত বসতির দেয়াল চুনকাম করা এবং নামার জন্য সিড়ি রয়েছে।
জাতিতাত্বিক গবেষনায় দেখা গেছে ইমামগাঁও-এ এখনো গর্ত-বসতির সংস্কৃতি রয়েছে।
ইমামগাঁও এর গর্ত-বসতির সময় কাল যীশুখ্রীষ্ট জন্মের ১৬০০-৭০০ ।
উয়ারী বটেশ্বরের Absolute Time নির্ধারন করা না গেলেও সংস্কৃতিক নিদর্শনানুসারে আপেক্ষিক সময় বিচারে এটা তাম্র-প্রস্তর যুগের সমসাময়িক। পশ্চিম বঙ্গের তাম্র-প্রস্তর যুগও ইমামগাঁওয়ের সমসাময়িক।
ইমামগাঁও-এ শুষ্ক ও উত্তপ্ত আবহাওয়ায় গর্ত-বসতির যৌক্তিকতা পাওয়া গেলেও উয়ারী-বটেশ্বরের মত বৃষ্টিবহুল ভাটি অঞ্চলে গর্ত-বসতি সংস্কৃতি বিরাট প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে কারন বৃষ্টি বা বন্যায় গর্ত-বসতি তলিয়ে যাওয়ার কথা বা পানি চুইয়ে ভেসে যাওয়ার কথা।
এ বিষয়ে যথাযথ গবেষণা হলে সেই সময়ের আবহাওয়ার প্রেক্ষিত উন্মোচিত হলে সঠিক কারন জানা যাবে।
নিকট অতীতের পরিবেশ বিষয়ে আমাদের জ্ঞান সীমিত হলেও একটি গবেষণায় দেখা গেছে খ্রীষ্টপূর্ব ১৫০০ শতকে বা তার কিছু আগে থেকে প্রায় ১০০০ শতক পর্যন্ত এই উপমহাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক ছিল এবং ইউরোপের ক্ষেত্রেও তাই ছিল।









১৯৩০ এর দশকে স্থানীয় স্কুল শিক্ষক হানীফ পাঠান প্রথম এই প্রত্নপীঠটি সুধী-সমাজের দৃষ্টি গোচরে আনেন। পরবর্তিকালে ওনার পুত্র জনাব হাবিবুল্লা পাঠান জায়গাটির গুরুত্ব তুলে ধরে গবেষনা ও লেখালেখি অব্যাহত রাখেন।
২০০০ সাল থেকে সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে “ঐতিহ্য অন্বেষণ” এর ব্যবস্থাপনায় প্রত্নতাত্ত্বিক খনন চলমান রয়েছে।



হানিফ পাঠানের পুত্র জনাব হাবিবুল্লাহ পাঠান

























কিছু টাইলসের ছবি সময়াভাবে এগুলোর উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।




















গবেষক ঐতিহ্য অন্বেষণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষনায় অংশগ্রহন করছে।
সহৃদয় ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ সরকারের সীমিত আর্থিক সহায়তা এবং স্থানীয় জনগনের সহযোগীতায় খনন ও গবেষনার কাজ এগিয়ে চলছে।
(আমি মনে করি, অনেক ধারনা, অনেক মনেকরা হয়, কে অনুসন্ধান ও গবেষনার মাধ্যমে সত্য প্রতিষ্ঠা করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে, ছাত্র ছাত্রীদের জ্ঞান অর্জনের সুযোগও রয়েছে তবে এক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দ,অর্থ সংকটই প্রধান প্রতিবন্ধক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে )

একটি তথ্যঃ নরসিংদীর পাঁচদোনায় অবস্থিত পবিত্র কোরান শরিফের বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশচন্দ্র সেনের বাড়ীটি প্রত্নতাত্ত্বিক সংরক্ষনের মাধ্যমে ভাই গিরিশচন্দ্র সেন যাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ ঐতিহ্য অন্বেষণ এবং বাংলাদেশ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়। কিছু তথ্য গুগল থেকে সংগৃহীত।



মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:২৩

আনমোনা বলেছেন: বাংলার প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের জনবসতির গল্প জানলাম। ভালো লাগলো।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৩

পুলক ঢালী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রীয় আনমোনা ম্যাডাম। ভ্রমন পোষ্টে ভ্রমন বৃত্তান্ত না থাকলে হয় ?????
ওয়ার্ড নিয়ে সমস্যার কারনে সেভ করতে না পেরে নুতন করে ভ্রমন বৃত্তান্ত যোগ করলাম (সমস্যার কথা আড্ডায় দিয়েছি।) আপনি পড়ে মোজা পেলে খুশী হবো। প্রথম মন্তব্যকারী এবং লাইক দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
ডিসিতে গেলে আপনার কাছে চা পাওনা থাকবে। ;) :D হা হা হা।

২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৫২

ঢাকার লোক বলেছেন: অনেক কিছু জানা গেলো। ধন্যবাদ !
শিরোনামে এলাকার নামে রায়পুর না হয়ে হবে রায়পুরা ।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৬

পুলক ঢালী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ঢাকার লোক। রায়পুরা মনেহয় কথ্য ভাষা। যাই হোক ঢাকার লোক হিসাবে আপনি নিশ্চয়ই অনেক জানেন দিলাম রায়পুরা করে :)

৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১:০১

মা.হাসান বলেছেন: এরকম একটা বিষয় নিয়ে দেখায় আপনাকে প্রথমেই অনেক ধন্যবাদ জানাই। অনুমান করছি ছবিগুলো প্রফেশনালদের তোলা, আপনার তোলা সম্ভবত না, আমার অনুমান ভুল হয়ে থাকলে তার জন্য আগাম ক্ষমাপ্রার্থী। কিছু কিছু ছবি সম্ভবত উয়ারী-বটেশ্বরের না এবং কিছু কিছু ছবির সাবজেক্টের বয়স অনেক কম । ২০১৬ বা ২০১৭ সালে ওখানে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল একবার । বিপুল পরিমাণ এলাকায় মাটি খুললেই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বের হচ্ছে। মাটি খুঁড়ে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বের করে আনা সরকারের কাছে উন্নয়নের সঙজ্ঞায় পড়েনা বলে এখানে বাজেট বরাদ্দ অত্যন্ত কম । ছবির ভদ্রলোক হাবিবুল্লাহ পাঠানের পিতা হানিফ পাঠান সম্পর্কে জনশ্রুতি আছে যে তিনি এক ঘোড়া মোহর পেয়েছিলেন যেগুলো খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ সালের বা আরো পুরাতন । ঐতিহাসিক ভাবে এই জায়গাটার বিরাট গুরুত্ব রয়েছে । এই জায়গা থেকে জানা যায়, আমরা বাংলাদেশে আরবানাইজেশন এর যে সময়কাল ধরেছি মূলত তার অনেক আগেই এই অঞ্চলে আরবানাইজেশন শুরু হয়েছে । কিছু কিছু নিদর্শন থেকে অনুমান করা হয় যে রোমানদের সঙ্গে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ছিল(!)। মোস্তাফিজুর রহমান স্যারের সাথে আমার অল্প স্বল্প আলাপ আছে। ওনার অনুমান, টলেমির বইয়ের সোনার শহর বলে যে শহরের কথা আছে সেটা এই অঞ্চল। এখানকার সভ্যতা সম্ভবত বৌদ্ধধর্ম কেন্দ্রীক ছিল। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এসমস্ত নিদর্শন খোলা আকাশের নিচে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত কঠিন। বেশ কয়েক জায়গায় দেখেছি নিদর্শনগুলো খুঁড়ে বের করার পর আবার পুনরায় মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে -সংরক্ষণের জন্য ।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৬

পুলক ঢালী বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ডিয়ার মা.হাসান। লেখায় ভ্রমন বৃত্তান্ত যোগ করলাম ওটা ছাড়া ভ্রমন পোষ্ট অসম্পূর্ন থাকে বলে মনে হয়।
আমি ওনার বাসায় গিয়ে ওনাদের সংগৃহীত আর্টিফ্যাক্টগুলির ছবি তুলেছি। হাবিবুল্লা পাঠান এক ঘড়া মোহর বিষয়ে কিছুই জানাননি। সত্যি সত্যি পেয়ে থাকলে অবশ্য জানাবার কথাও নয় তবে ঘর দোরের অবস্থা মোহর না পাবার পক্ষেই স্বাক্ষী দেয়। পুরাকীর্তির প্রতি যে ভালবাসা ওনাদের পরিবারের তাতে এটা বদলোকের ছড়ানো রিউমার বলেই মনে হয়।
ছবিগুলির মধ্যে প্রথম ১৬টি ছবি সংগৃহীত, তবে ওগুলোর প্রত্যেকটিই আমি এডিট করেছি এবং ভিতরে লিখেছি। গর্ত-বসতির মানুষ মডেলের ছবি এডিট করলেও লিখিনি।
বাকী সব ছবি আমার তোলা।

জায়গাটি দেখে আমি নুতন ভাবনায় পড়েছি। বাংলা হলো নদী বিধৌত পলি দিয়ে গড়া বদ্বীপ। এত পুরনো স্থাপনার অস্তিত্ব প্রমান করে আমাদের সভ্যতা অনেক পুরনো তাহলে এই বদ্বীপ কত পুরনো ?? :)
ভাল থাকুন।

৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১:০৭

নতুন বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

পুলক ঢালী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় নতুন। এটি একটি নগরী, যার বহু স্থাপনাই বিরাট এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে আছে। ভবিষ্যতে আমাদের জানার জন্য হয়তো আরো অনেক কিছুই আবিস্কৃত হবে আপনাকে জানাবার জন্য সেই অপেক্ষায় থাকলাম। :D

৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলার আদি ইতিহাস সম্পর্কে কিছু ধারণা দিয়েছেন, ভালো

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩২

পুলক ঢালী বলেছেন: ধন্যবাদ চাঁদগাজী ভাই। বাংলার আদি ইতিহাস সম্পর্কে কিছু ধারণা নিয়েই আপাতত সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। মাটি খুড়ে ইতিহাস উন্মোচন অনেক ব্যয়বহুল। তবে লুটেপুটে খাওয়া পার্টিদের সম্পদ এই কাজে ব্যয় করতে পারলে আমাদের ছেলে মেয়েদের বৃত্তি সহযোগে পিএইচডি করার সুযোগ তৈরী হতো।
ভাল থাকুন।

পুনশ্চঃ ভ্রমন বৃত্তান্ত বিহীন ভ্রমন পোষ্ট রসকষহীন কাঠকোট্টা হয়, তাই একটু বৃত্তান্ত যোগ করলাম। ভ্রমন পথের ছবি তুলিনি তাতে মূল উদ্দেশ্য বিচ্যুৎ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। :D

৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১:৪৭

এপোলো বলেছেন: তথ্যবহুল রচনা।
এত আগে থেকে বাংলাতে ষোলগুটির খেলা চলত দেখে খুব ভাল লাগল।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৩

পুলক ঢালী বলেছেন: এত আগে থেকে বাংলাতে ষোলগুটির খেলা চলত দেখে খুব ভাল লাগল।
এই বিষয়টি নিয়ে আমিও ভেবেচি। এই ছকটা পাথর কেটে মসৃন করে তার উপর বানানো। নির্ভুল দাগ কেঁটে বানানো একটা ঘরও ছোট বড় নয়। রীতিমত ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা প্রয়োগ করে বানানো হয়েছে যা দেখে আমার সন্দেহ হয়েছে এটা পুরাকীর্তি কিনা। এরকম বিভিন্ন ছক কাটা আরও বেশ কিছু পাথর ছিল।

ধন্যবাদ ভাই এপোলো চাঁদ থেকে এত কষ্ট করে এসে একটা সঠিক মন্তব্য করার জন্য। :D
ভাল থাকুন।

৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:৪৪

ইসিয়াক বলেছেন: আগে কিছু জানা ছিলো । এখন আরো বিস্তারিত জানলাম ।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো ।
সুপ্রভাত

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

পুলক ঢালী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ইসিয়াক । আনন্দিত হলাম আপনাকে কিছু জানাতে পেরে।
এত ভোরে মন্তব্য করেছেন আপনি কি রাত জাগা ভোরের পাখী নাকি সন্ধ্যায় কুলায় ফিরে যাওয়া ক্লান্ত শ্রান্ত পাখী(প্রবাসী ??) :D
ভাল থাকুন।

৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মুল্যবান তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট । প্রিয়তে নিয়ে গেলাম ।
অসুস্থতার জন্য এখন সময় বেশি দিতে পারিনি ।
কিছুটা সুস্থ বোধ করলে পরে একসময় ভাল করে
দেখে মন্তব্যের ঘরে আবার আসব বলে আশা রাখছি ।
পুরাকির্তির সাথে প্রাচীর বাংলার ঐতিহ্যময় ইতিহাস
অধ্যায়টি সম্পর্কে আরো বেশী পরিমানে সরকারী
পৃষ্ঠ পোষকতা ও অর্থ বরাদ্ধ থাকা প্রয়োজন বলে
মনে করি । শুধু রায়পুরা কেন নরসিংদী ও গাজীপুরের
লালমাটি এলাকায় মাটির নীচে এখনো বিভিন্ন স্থানে
অনেক পুরাকিতির নিদর্শন পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলি নিয়েও
গবেষনার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি ।

শুভেচ্ছা রইল

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৮

পুলক ঢালী বলেছেন: অসুস্থ্যতার মাঝেও কত সুন্দর আন্তরিক মন্তব্য করেছেন সে জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জনাব ডঃ এম এ আলী ।
আপনা সুস্থতার জন্য দোয়া করি যাতে আপনি সুস্থ হয় আরো দীর্ঘ আয়ু অর্জন করে আমাদের গবেষণা মূলক জ্ঞানী পোষ্ট দিয়ে ঝদ্ধ করেন।
ভাল থাকুন ।

৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:০৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ইতিহাস কথা কয়। অনেক কিছু জানা হলো। ওয়ারী-বটেশ্বর সম্পর্কে সম্ভবত কামাল ভাইয়ের একটা পোস্ট পড়েছিলাম আগে। উনি তো নরসিংদীরই মানুষ। উনার জানার সুযোগ বেশি। তবে উনার পোস্টের চেয়ে আপনার পোস্টে ছবির সংখ্যা বেশি মনে হচ্ছে।

ধন্যবাদ ভাই পুলক ঢালী।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:০৮

পুলক ঢালী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় হেনাভাই। যত দিন যাবে ততই মনে হয় ছবির সংখ্যা বাড়বে। সামমা ভাইয়ের পোষ্ট আমি দেখিনি। আজকাল ওনাকে ব্লগেই দেখা যায়না। ওনার ভ্রমন পোষ্ট মিস করছি।

ইতিহাস কথা কয়। অনেক কিছু জানা হলো।
তাড়াতাড়ি কিছু ছাড়েন মাগনা জ্ঞিয়ান এসথায়িত্য লাভ করেনা । ;) :D
হা হা হা।
মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ হেনাভাই, ভাল থাকুন সুস্থ্য থাকুন এই কামনা রইলো ।
ওওও! আমাদের নয়নতারা আর তাইজাকে আমার প্রেম প্রীতি ভালবাসা জানাইবেন। পিচ্চীগুলি সুস্থ্য থাকুক এই কামনা রইলো।

১০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমাদের প্রকৃত ইতিহাস কত গভীর প্রাচীন এবং ঐতিহ্যমন্ডিত।
বাঙালীর বাংগালী হতে হলে ইতিহাসে শেকড়ে ফিরতে হবে!

আমাদের বাড়ীর কাছে ছৌটকালে বিস্মিত হেয় দেখতাম এমন টেকে মোগলদের ষ্টাইলে কবর!
অবাক হতাম। পরে জানলাম মানসিংহ ঈশাখার যুদ্ধ হয়েছিল সেখানে এবং তাদের সমাধি।

ইতিহাসের তখন নদী ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থ গুরুত্বপূর্ন থাকায় নদীর কেন্দ্র ঘীরে এমন বহু নিদর্শন এখণো অবহেলায় পড়ে ধ্বংসের পথে। যেমন্‌- ঐতিহাসিক একডালা দূর্গ!। কালীগঞ্জ থানার অদুরেই তা অবস্থিত।

আপনার পোষ্ট + ছবিতে ভাললাগা


+++++++

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:২৭

পুলক ঢালী বলেছেন: আমাদের প্রকৃত ইতিহাস কত গভীর প্রাচীন এবং ঐতিহ্যমন্ডিত।
বাঙালীর বাংগালী হতে হলে ইতিহাসে শেকড়ে ফিরতে হবে!

একদম সত্য, চরম সত্য কথা বলেছেন প্রিয় জ্ঞানী কবিভাই। বহুবিধ কারনে আমরা ঐতিহ্যকে নির্বাসনে পাঠাচ্ছি এর সাথে যেমন অজ্ঞানতা আছে, ধর্মচর্চার সংস্কৃতিও আছে। ধর্ম বিশ্বাসের সাথে ধর্মীয় বিধিবিধান ও কালচার বাঙ্গালী সংস্কৃতি চর্চার সাথে দ্বন্দ স্বরূপ। ধর্ম নিয়ে কথা বলা বিপদজনক তাই বক্তব্যের এখানেই ইতি ।

ইতিহাসের তখন নদী ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থ গুরুত্বপূর্ন থাকায় নদীর কেন্দ্র ঘীরে এমন বহু নিদর্শন এখণো অবহেলায় পড়ে ধ্বংসের পথে। যেমন্‌- ঐতিহাসিক একডালা দূর্গ!।
সহমত।
সম্ভব হলে একডালা দূর্গ নিয়ে কিছু লিখুন। যদিও কালীগঞ্জ বেশী দুরে নয় কিন্তু এই দুর্গের কথা শুনিনি।
আমার ধারনা পুরো গাজীপুর, নরদিংদী ভৈরব এলাকা জুড়ে আবিস্কারের অপেক্ষায় অনেক প্রত্নতত্ব স্থাপনা রয়েছে।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন ভৃগুভাই।

১১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলো কি নেট থেকে নিয়েছেন?

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৯

পুলক ঢালী বলেছেন: ছবি গুলো কি নেট থেকে নিয়েছেন?
তার আগে বলুন আপনি এত দেরী করে এসেছেন কেন খুব ব্যস্ত ? :D
টপিকের ব্যাপারে কোন মন্তব্য নেই!?? :D
আপনি জানেন ? আমরা কত পুরনো সভ্যতার অধিকারী হয়েও কেমন চরম অসভ্য হয়ে গেছি ? নিজের সন্তানের পুরুষাঙ্গ কেটে, কান কেটে, পেটে চাকু ঢুকিয়ে দিতে আমাদের বিন্দুমাত্র হাত কাঁপেনা ? এটা অবশ্য বীরত্বেরও লক্ষন। যুদ্ধে এবং প্রেমে নীতি বলে কিছু নেই। এখানে সম্পদের লড়াই ছিল। বেশ বেশ বেশ বীর পুঙ্গব !
ওহো! বুঝেছি আপনি ভাই ফটো জার্নালিস্ট! ছবি ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে মাথা ঘামানো আপনার সাজে না। আচ্ছা ভাই ঠিক আছে ! উপরের কথাগুলি প্রত্যাহার করলাম। :)

পরীমনি কি অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাবে নাকি আসবে ?

হুম! ছবির কথায় আসি মা.হাসান ভাইকে দেওয়া রিপ্লাইটা কষ্ট করে দেখে নিন।
ভাল থাকুন রাজীব নুর ভাই।

১২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

রাজীব নুর বলেছেন:
১। ম হাসান ভাইয়ের মন্তব্য এবং আপনার উত্তর দেখলাম। (আসলে আমি প্রথমে পোষ্ট পড়ি।) পরে আবার পোষ্ট আসি মন্তব্য পড়তে।
২। পরী এই মাসের শেষে ঢাকা চলে আসবে।
৩। চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। অনেক পরিশ্রম করেছেন। পোষ্ট পড়ে আমি মুগ্ধ!
৪। ছবি তোলা ছেড়ে দিয়েছি। মিডিয়াতে চাকরি করার স্বাদ আমার মিটে গেছে।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

পুলক ঢালী বলেছেন: ফিরে এসে আবার মন্তব্য করে তথ্য শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ রাজীব নুর ভাই। ভাল থাকুন।

১৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:০৫

রাকু হাসান বলেছেন:


বেড়াতে চাইলে হুটহাট সিদ্ধান্তগুলোই কাজে দেয় ।। সুন্দর পোস্ট । কেমন আছেন ?

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৫০

পুলক ঢালী বলেছেন: রাকুভাই বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ। ভাল আছি ভাই। ব্লগের এই দুর্দিনে পাঠক সঙ্কটের মধ্যেও আপনাদের বিচরনে মুগ্ধ। আপনার খবর কি কেমন আছেন খুব ব্যস্ত ? পাগলামী সেরে যাওয়া ভাল লক্ষন নয় আশাকরি আসল জায়গায় নিয়মিত হাজিরা দেবেন। ভাল থাকুন। :D

১৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: পুলক ঢালী,




আমার দেখা উয়ারী বটেশ্বরের মতো হয়েছে আগের মন্তব্যটিতে ছবি যোগ করতে গিয়ে। :((
এমন অবস্থার কারন মনে হয় - ৩টি ছবি যোগ করেছি আর প্রতিটি ছবি যোগের সাথেই পুরো মন্তব্য যোগ হয়ে গেছে।
কি করি ?




১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

পুলক ঢালী বলেছেন: হা হা হা, জী এস ভাই।
বিষয়টি আমার জানা আছে তাই মন্তব্যে ছবি যোগ করার পর চেক করে ডবল বা ট্রিপল রিপিটেড মন্তব্য মুছে তারপর প্রকাশ করি।
আপনার মন্তব্য যদি এডিট করতে পারতাম তাহলে আপনার অনুমতি নিয়ে এডিট করতাম।
ব্লগে একবার মন্তব্য দিয়ে ফেললে আর এডিট করা যায়না এটা একটা বিরাট দুর্বলতা।
এখন এই দুর্দিনে খরচ বৃদ্ধি পায় এমন কোন আব্দার মডু বা জানা ম্যাডামের কাছে করতে পারছিনা।
অমানিশার মেঘ কেঁটে যাওয়ার অপেক্ষায় আছি।

১৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: পুলক ঢালী,



সকালেই দেখেছি এই লেখাটি। কিন্তু উয়ারি বটেশ্বর নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ( না কি আহাম্মকি) বলবো বলে সময় নিয়ে এলুম।
খুব আশা নিয়ে উয়ারি বটেশ্বর দেখতে গিয়েছিলুম গত বছর। একা একা, সাথে ড্রাইভার শুধু। পথ দেখানোর ভরসা গুগল ম্যাপ (জিপিএস)। দেখছি আর এগুচ্ছি। গুগল ম্যাপ অনুযায়ী শেষতক মিললো হাবিবুল্লাহ পাঠানের বাড়ী। হতাশ হলুম- এটাতো সংগ্রহশালা। উয়ারি বটেশ্বরের খননকৃত জায়গাটি কই? বাজারে ( নামটি মনে নেই ) এসে যাকেই জিজ্ঞেস করি দেখি সে-ই উয়ারি বটেশ্বর কোথায় জানেনা । ভাব দেখে মনে হলো হাবিবুল্লাহ পাঠানের বাড়ীর সংগ্রহশালা ছাড়া তারা উয়ারি বটেশ্বরের নামই শোনেনি। শেষমেশ একজনকে পাওয়া গেল যে রাস্তা বলে দিলো, পাঠান সাহেবের বাড়ী ছাড়িয়ে কতোদূর গেলেই একটা ক্লাব আছে সেখানের লোকজনকে বললেই উয়ারি বটেশ্বর কোথায় দেখিয়ে দেবে। সাথে করে নেয়া দুটো কিশোর ছেলের দেখানো পথ ধরে শেষ পর্যন্ত খুঁজে পেলুম কাঙ্খিত উয়ারি বটেশ্বর। ইতিহাসের কোনও এক অতীত সময়ের স্বাক্ষী হবার উত্তেজনা তখন তুঙ্গে। কিন্তু ধন্ধ যাচ্ছেনা- জেনে এসেছি ওখানে খনন কাজ চলছে। আর পথঘাটগুলোকেও কেমন যেন নিরব সুনসান মনে হলো। একটা হাযার বছরের ইতিহাস মাটি খুঁড়ে যেখান লোকচক্ষুর সামনে আনা হচ্ছে সেখানে তো মানুষজনের ভীড়বাট্টা থাকার কথা। হঠাৎ সাইনবোর্ড পাওয়া গেল। স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়লো। প্রাঙ্গনে ঢুকলুম। কিন্তু এ যে দেখি সব রেপ্লিকা, আসল জিনিষ কই? জাদুঘরে কোনও লোককে খুঁজে পেলুম না। আশে পাশের বাড়ীগুলোর লোকজনকে জিজ্ঞেস করতে জানা গেলো, এই জায়গাটিই উয়ারি বটেশ্বর, খনন কাজ শেষ করে লোকজন আবার তা মাটি চাপা দিয়ে রেখেছে। আহাম্মক হয়ে গেলুম। মাটি দিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক একটা মহার্ঘ্য আবিষ্কার আবার মাটি চাপা দিয়েছে! মন মানছেনা। বারবার গুগল ম্যাপ দেখছি। ঠিক জায়গাতেই আছি আমি। কি করি! সেই বাজারেই ফিরে আসতে হলো আবার। আবার সেই জিজ্ঞাসা, যেখানে খনন কাজ চলছে সেই জায়গাটা কই ? তাদের চেহারা দেখে মনে হলো বটেশ্বরের অস্তিত্বই যেন নেই। বাধ্য হয়ে বুড়ো এক চা দোকানদারকে জিজ্ঞেস করে জানা গেলো পাঠানের জাদুঘর ছাড়া এখানে আর কিছু নেই, সব মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়া হয়েছে। :(( :((
ছবি দিচ্ছি। আমার দুঃখের কাহিনীর স্বাক্ষী হিসেবে-

হাবিব পাঠানের বাড়ীর প্রবেশ পথ।

খুশিতে বাগবাগ সাইনবোর্ড দেখে । একা একা এতো কষ্ট করে আসা সার্থক B-) :D

এই রেপ্লিকা দেখে ছবির ভদ্রমহিলার মতো মাটিতে বসে পড়া ছাড়া আর করার কিছু ছিলোনা। আমার মতো আহাম্মক আরো দু'তিনটে ফ্যামিলি এখানে ঘুরছে। তাদেরকে জিজ্ঞেস করেও একই উত্তর - এইগুলার নীচে সব মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে যাতে কিছু চুরি না হয়.... :|| :| :(

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

পুলক ঢালী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ব্লগার আহমেদ জী এস ভাই। আপনি মোটেও ভুল করেন নি। আসলে এক বেলায় একটা স্পটেই যাওয়া সম্ভব।
খনন এড়িয়া থেকে সরানো যায় এমন আর্টিফ্যাক্ট ট্রাক ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যাদুঘর করার জন্য জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না ফলে সমস্যা হয়েছে। এখন জায়গা পাওয়া গিয়েছে। একটা ক্লাব ঘরের মত ঘর বানানো হয়েছে মাত্র, সাথে একটা ওয়াশরুম। এখন শুনলাম ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে যাদুঘরের জন্য।

এধরনের বিরাট এলাকা জুড়ে প্রত্ন-স্থাপত্য উন্মোচন ও সংরক্ষন আমাদের দেশের মত অনভিজ্ঞ মানুষের জন্য খুবই কঠিন।
মাটির নীচের বড় বড় মন্দির তুলে এনে যাদুঘরে ঢোকানো সম্ভব নয়। আবার উন্মুক্ত রাখলে আর্টিফ্যাক্ট চোর ও বৃষ্টি বা বন্যায় নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাই মাটি চাপা দিয়ে সংরক্ষন করা হচ্ছে।
উন্মুক্ত যাদুঘর হিসাবে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার পরিক্ল্পনা রয়েছে এবং এ ধরনের যাদুঘর আমাদের দেশে এই প্রথম। মাটির উপরের স্থাপনা প্রদর্শন খুবই সহজ যেমন পিরামিড।

আমি মনে করি প্রথমে পুরো নগরী প্রাচীর দিয়ে ঘিরে আর্মড চৌকি বসাতে হবে তারপর খনন করে করে কভার সহ আর্টিফ্যাক্ট স্থাপনাগুলি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে। এখন ভেবে দেখুন কেমন খরচ হবে। বিদেশের মাটিতে হলে এটা রীতিমত বিরাট একটা পর্যটন নগরীতে পরিনত হতো এবং প্রতি বৎসর বিলিয়ন ডলার আয় হতো।

আমি একটা স্থাপনা দেখেই সময় পার করে দিয়েছি। ডাকবাঙ্গলোয় একরাত থেকে অফরোড গাড়ী নিয়ে দুরের স্থাপনার আংশিক দেখা সম্ভব বলে জেনেছি।
এখন উয়ারী-বটেশ্বর গত বৎসরের তুলনায় অনেক বেশী পরিচিতি পেয়েছে, তাই বাজার,গ্রাম, মুদি দোকানদার, অটো-ড্রাইভার, আশে পাশের পাড়া প্রতিবেশী সবাই জায়গাটি চেনেন।
সূফি মোস্তাফিজুর রহমানের(আর্কিওলজিষ্ট জাঃবিঃ) বাড়ীর আঙ্গিনায় গর্তে বসতির স্থাপনাটি রয়েছে। বেশ কিছু শিলাও রয়েছে।

ওখানে বেড়াতে গেলে আমার মনে হচ্ছে আরো ৩/৪ বৎসর পরে যেতে হবে কারন রাস্তারও উন্নয়ন কাজ শুরু হবে, তখন ওদিকে যাওয়া যাবেনা। অতএব ধৈর্য্য ধরা ছাড়া উপায় নেই। আমি তথ্যগুলো পেয়েছি ব্যানার পোষ্টার থেকে তারপর অনুলেখন করে পোষ্ট দিলাম।

ভাল থাকুন জী এস ভাই অনেক শুভ কামনা রইলো।

১৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:০৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: পুলক ঢালী,




মন্তব্যের কথাতে মুগ্ধ।
কিন্তু আমার দুঃখটা ওখানেই , এমন একটি পুরাকীর্তির কাছে যাবার পথ এতো দূরূহ হবে কেন ?
আপনি বলেছেন - "ডাকবাঙ্গলোয় একরাত থেকে অফরোড গাড়ী নিয়ে দুরের স্থাপনার আংশিক দেখা সম্ভব বলে জেনেছি।" এটাই বা কেন হবে? আমি যখন ফিরে আসি তখন হাইওয়েতে ওঠার চৌরাস্তায় এসে আবার জিজ্ঞেস করে করে জানতে পেরেছি ঐ অফরোডের কথা । বলেছে - অনেক ঘুর পথে মূল খনন প্রকল্পে যেতে হবে , আর রাস্তাও খারাপ। কিছুটা ভালো রাস্তা পেতে হলে আমি যেখানে আছি ওখান থেকে সামনে আরো ২০/৩০ কিলোমিটার গেলে পরে বাম দিকে মাটির রাস্তা পাওয়া যাবে। ঘুরতে ঘুরতে তখন দুপুর প্রায় শেষ তাই আর সাহস করিনি ।
উয়ারী বটেশ্বর তো আমাদের হেরিটেজ! এমন একটি ঐতিহাসিক জায়গায় (হেরিটেজ সাইট) মানুষ যাতে সহজেই যেতে পারে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর তেমন কোনও আয়োজনের " অ " ও রাখেননি কেন, অবাক হয়েছি ।

উয়ারী বটেশ্বর নিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের অনলাইন সাইটটিও আপ-টু-ডেট নয়। এতে তো উৎসুক বিদেশী পর্যটকেরা ভুলেও পা বাড়াবেন না ওখানে।
দেখা যাক ভবিষ্যৎ কি কথা বলে!

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৪২

পুলক ঢালী বলেছেন: এমন একটি পুরাকীর্তির কাছে যাবার পথ এতো দূরূহ হবে কেন ?
আপনার সাথে একমত।
ঘুরতে ঘুরতে দুপুর হয়ে যাওয়াতে আর সাহস করে না আগানোটা বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত।
আমি যাওয়ার সময় সামনের রাস্তা অজ্ঞাত থাকার জন্য টেনশনে ছিলাম কোথাও যদি ফেঁসে যাই এই অজপাড়াগাঁ থেকে উদ্ধার পাবো কি করে ? প্রত্যন্ত গ্রামে গুগল ম্যাপও আমাদের সাথে মশকরা শুরু করেছিল মাঝে মাঝে দেখাচ্ছিল আমরা কোন রাস্তায় নেই ধানক্ষেত মাঠ জঙ্গল ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। মামু মনে হয় ভাবছিল আমরা হুভারক্র্যাফ্ট নিয়ে প্লেজার রাইডে বের হয়েছি :D ওনার ভাবনার ঠেলায় এদিকে আমাদের প্রান ওষ্ঠাগত। তারপরও দেখা যাক কি হয় বলে ঝাপ দিয়েছি।

হেরিটেজ সাইটে যাওয়ার পথ নিশ্চয়ই তৈরী হবে বলে আশা করছি, তবে সরকার মনে হয় সাইট থেকে সংগৃহীত আর্টিফ্যাক্ট সমুহ প্রদর্শনের জন্য যাদুঘরকেই বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে। বিরাট এলাকা এক্যুইজিশন করলে মূল্য পরিশোধ ছাড়াও পূনর্বাসনের ব্যয় সরকারের জন্য মাথা ব্যথার কারন হয়ে উঠতে পারে। সেক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন সাইট গুলি বিচ্ছিন্নভাবে ক্ষুদ্র পরিসরে উদ্ধার করে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। রাস্তা শুধু সাইটের জন্য না করে ঐ এলাকার মানুষের জন্যও পরিকল্পিত ভাবে করলে যে উন্নয়ন হবে সেটা জিডিপিতে ভুমিকা রাখতে পারে।

ফিরতি মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ জী এস ভাই। ভাল থাকুন।

১৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪২

বলেছেন: দারুণ কিছু তথ্য জানলুম...

আহমেদ জি এস ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়ে গেলুম...


এমন বিরল ঐতিহ্য ও দূর্লভ হেরিটেজ ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত করে ব্যাপক প্রচার ও প্রসার করা দরকারী।।


সমৃদ্ধ পোস্টে কৃতজ্ঞতা।।। দারুণ কাজ করেছেন।।।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৮

পুলক ঢালী বলেছেন: দারুন সুন্দর একটা মন্তব্য করেছেন লতিফ ভাই।
এমন বিরল ঐতিহ্য ও দূর্লভ হেরিটেজ ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত করে ব্যাপক প্রচার ও প্রসার করা দরকারী।
আপনার সাথে ১০০% সহমত। হয়তো বা ভবিষ্যত আমাদের সেই দিকেই নিয়ে যাবে।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। শুভ কামনা রইলো।

১৮| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৩:৫৩

ঢাকার লোক বলেছেন: নরসিংদির উপজেলার সরকারী নামই রায়পুরা, অপর দিকে সম্ভবত নোয়াখালিতে একটা উপজেলা আছে রায়পুর নামে।
ধন্যবাদ ভাই, ঠিক করে দেয়ার জন্য।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:০০

পুলক ঢালী বলেছেন: তথ্য পরিবেশন ও ফিরতি মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাই ঢাকার লোক।
আপনি ঠিকই বলেছেন নোয়াখালির ওদিকে একটা রায়পুর আছে। যতদুর মনে পড়ে আমরা চৌমুহনীর সার্কেল পেরিয়ে হরিনাঘাট ফেরি পারাপারের জন্য লক্ষীপুর রায়পুর হয়ে গিয়েছিলাম।

হা হা হা আপনি বলেছেন আর ঠিক করবোনা তা কি হয় ????
ভাল থাকুন ভাই ঢাকার লোক।

১৯| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৮

জুন বলেছেন: বছর চারেক আগে আমরা দুজনও গিয়েছিলাম উয়ারী বটেশ্বরের সন্ধানে । শেষ পর্যন্ত ব্লগার আহমেদ জীএ এসের মতই আমাদের ফিরে আসতে হয় । আপনার পরামর্শ মত আবার যাবো তাহলে খুব তাড়াতাড়ি ।
এখানে একটা লিংক দিলাম আমার স্বচক্ষে দেখা ও তোলা ছবি ব্লগের । চীনের শিয়ান এ টেরাকোটা সোলজার দেখতে । কি সুন্দর করে প্লেনের হ্যাঙ্গারের মত আচ্ছাদন তৈরী করে সেগুলোকে প্রদর্শন করছে তারা ।
টেরাকোটা সৈন্যের দেশে (ছবি ব্লগ )

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৭

পুলক ঢালী বলেছেন: জুন ম্যাডাম প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি পাঠ করে মন্তব্য করার জন্য।

আপনার রেফারেন্সে গিয়ে দারুন একটা আইডিয়া পেলাম। হ্যাঙ্গারের মত করে ঘেরা দিয়ে স্বল্প ব্যয়ে আমাদের প্রত্নশীল্প যেমন সংরক্ষন করা সম্ভব তেমনি প্রদর্শন করাও সম্ভব।
আপনার বিশেষ দিনের পোষ্টে একটা মন্তব্য রেখে এসেছি। :D
ভাল থাকুন।

২০| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:১৭

কাতিআশা বলেছেন: খুব সুন্দর, তথ্যবহুল পোস্ট!..বেশ ভালো লাগলো!

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬

পুলক ঢালী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ম্যডাম কাতিআশা । এমন কাটখোট্টা পোষ্ট আপনার ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো ।
ভাল থাকুন।

২১| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:০২

উম্মে সায়মা বলেছেন: বাহ্। এমন ঐতিহাসিক জায়গাগুলো দেখতে খুব ভালো লাগে। যদিও আমার দেখার সৌভাগ্য হয়েছে খুব কম। উয়ারী বটেশ্বর তো না-ই। যাক তবু আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানা এবং দেখা হল। ধন্যবাদ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৩

পুলক ঢালী বলেছেন: ধন্যবাদ জনাবা উম্মে সায়মা ।
আপনাকে পোষ্টে পেয়ে ভাল লাগলো। ইংরেজীর সাথে আপনার ইতিহাস প্রীতিও রয়েছে জেনে চমৎকৃত হলাম। এখানে এখনও বেড়াতে যাওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরী হয়নি বছর দশেক পর যখন দেশে বেড়াতে আসবেন তখন একবার ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন ।
মন্তব্যে ভাললাগা রইলো ভাল থাকুন।

২২| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৩০

আখেনাটেন বলেছেন: অনেক কিছু খুঁটিনাটি তুলে ধরেছেন। কিছু মন্তব্যে আরো বিস্তারিত জানা গেল।

আমি অনেক দিন থেকে সেখানে যাব যাব করে এখনও যেতে পারি নি। জী এস ভাইয়ের মন্তব্য দেখে... :(

অসাধারণ পোস্টের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

২৫ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০০

পুলক ঢালী বলেছেন: মন্তব্যে খুব খুশী হলাম ভাই আখেনাটেন । আসলেই এখনও যাওয়ার মত অবস্থা তৈরী হয়নি। সব মাটিচাপা দিয়ে রাখা আছে। চৈনিক পদ্ধতি অনুসরন করে যদি প্রদর্শন ও সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা যায় তাহলে আসলেই ভ্রমন এবং জ্ঞান আহরন উভয় শ্রেনীর মানুষের জন্যই একটা পীঠস্থানে পরিনত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
পাঠ ও মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা।
ভাল থাকুন।

২৩| ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আমার এলাকায় এলেন, আমায় ডাকলেন না ক্যান ভাই?

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

পুলক ঢালী বলেছেন: স্বাগতম সামমা ভাই। বলেইছিতো হঠাৎ সিদ্ধান্তে দৌড় লাগিয়েছিলাম :D
আপনাকে ডাকলে দশটা গরু জবাই দিয়ে আমাদের যে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতেন তা সামাল দেওয়া আমাদের ৩ জনের পক্ষে সম্ভব ছিলোনা।
তাই ভাবছি পরবর্তী অভিযানে দশটা বাস নিয়ে যাবো তার আগে সারম্ভরে আপনাকে জানান দেবো ।
হুম! আমাদের সাথে হেনাভাই দুই কাঁধে দুই পরী নিয়ে সামিল হবেন অতএব পরীদের জন্য স্পেশাল আয়োজন রাখতে হবে। ;) :D =p~

২৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:০৬

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: হে হে হে, আপনারা যদি একান্তই খাবার দাবার নিয়ে আসতে চান আমার তো কিছুই বলার নাই ;)

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২২

পুলক ঢালী বলেছেন: হে হে হে, আপনারা যদি একান্তই খাবার দাবার নিয়ে আসতে চান আমার তো কিছুই বলার নাই ;)

হা হা হা কামাল ভাই আপনি নিশ্চিন্তে থাকেন আমরা একান্তই খেতেই আসবো।
আপনি এতো কষ্ট করে আয়োজন করবেন আমরা না খেলে নিষ্ঠুরতা হয়ে যায় আমরা কি নিষ্ঠুর হতে পারি ??
হেনা ভাই ভাল মেন্যু তৈরী করতে পারেন দায়িত্বটা উনিই পালন করবেন । ;) :D =p~

২৫| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:২১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
বাংলার চাপা পড়া ইতিহাস।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২৭

পুলক ঢালী বলেছেন: জ্বী, মোঃ মাইদুল ভাই ঠিক বলেছেন। তবে আমাদের এদেশে এত পুরনো সভ্যতা ছিল ভেবে অবাক হয়ে যাই।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.