নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেশভাগ আমাদের ক্ষতি\'ই করেছে

২৪ শে মে, ২০২১ রাত ১:৩৯

ছবি; আমার তোলা।

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি ক্ষুদ্রায়তন এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশ প্রাচীন ইতিহাসের কোন পর্যায়েই সম্পূর্ণ স্বাধীন ও একতাবদ্ধ ভাবে আপন রাষ্ট্র গড়ে তোলার সুযোগ পায়নি। আমাদের দেশটির তিনদিক বর্তমানে ভারত দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। প্রাগৈতিহাসিক কালে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলই এই বঙ্গোপসাগরের নিচে চাপা পড়ে ছিল। বাংলাদেশের মূল অংশ সাগরের কোল থেকেই জেগে উঠেছে। পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন অনুযায়ী বাংলাদেশ অঞ্চলে জনবসতি গড়ে উঠেছিলো প্রায় ৪ হাজার বছর আগে। মাঝে মাঝে মনে হয়, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ আমাদের কী সুফল দিয়েছে, আর কী সর্বনাশ ডেকেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯৪৭:
'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে? বাংলা নাকি উর্দু? নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে যেখানে সর্বপ্রথম বাংলাকে পাকিস্তানের একটি রাষ্ট্রভাষা হিসাবে ঘোষণা করার দাবী করা হয়। সেই সময়ে সরকারী কাজকর্ম ছাড়াও সকল ডাকটিকেট, পোষ্টকার্ড, ট্রেন টিকেটে কেবলমাত্র উর্দু এবং ইংরেজীতে লেখা থাকতো। ১৯৪৭ সালের ২৬ এপ্রিল জিন্নাহর সাথে এক আলাপ-আলোচনায় লর্ড মাউন্ট বেটেন তাকে জানান, সোহরাওয়ার্দী 'মনে করেন যে তার পক্ষে যুক্ত বাংলাকে ধরে রাখতে সম্ভব হবে, যদি এটি পাকিস্তান অথবা হিন্দুস্তান কোনোটাতেই যোগদান না করে'।
জিন্নাহ জানতেন যে বাঙালি হিন্দুরা মন-প্রাণ দিয়ে যুক্ত বাংলার সমর্থন করে না। ১৯৪৭ সালের ১৭ মে জিন্নাহ বলেন, দাবি-দাওয়া নিয়ে সোচ্চার বেশির ভাগ হিন্দু বাংলার বিভক্তি চায়। বাংলার সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় বাঙালি মুসলমানরা কখনো বাংলার বিভক্তিকরণ চায়নি। পক্ষান্তরে বাংলাকে ভাগ করার দাবি সম্পর্কে বাঙালি হিন্দুদের মনোভাব অমৃতবাজার পত্রিকা (৫ এপ্রিল, ১৯৪৭ এভাবে প্রকাশ করেঃ 'এটা শুধু পার্টিশনের প্রশ্ন নয়, এটা হিন্দুদের জীবন মরণের প্রশ্ন'।

ইতিহাসের বিচারে এটা আমাদের স্বীকার করতেই হবে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছিল এই ভূখণ্ডের সেই অঞ্চল গুলোর যেই অঞ্চল গুলো বিভেদ রেখার প্রান্তীয় ভৌগলিকতার কারণে জাতিগত ভাবে দ্বিখণ্ডিত ও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। দেশভাগের বছর মুজিব কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রী লাভ করেন। ভারত ও পাকিস্তান পৃথক হওয়ার সময়ে কলকাতায় ভয়ানক হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা হয়। এসময় শেখ মুজিব মুসলিমদের রক্ষা এবং দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সোহরাওয়ার্দীর সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক তৎপরতায় শরিক হন। পাকিস্তান-ভারত পৃথক হয়ে যাওয়ার পর শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন।

আমরা হারিয়েছি জীবনানন্দ দাশ, অমর্ত্য সেন, মেঘনাদ সাহা, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, এদের। পশ্চিম বাংলার বর্তমানের প্রচন্ড খ্যাতনামা অনেক সাহিত্যিকের বাড়িই কিন্তু পূর্ববঙ্গে। অমর্ত্য সেনের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তাঁর বাড়ি পুরানো ঢাকায়। সেরকমই জ্যোতি বসুর বাড়ি। ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পর থেকে এ পর্যন্ত ৯৫ ভাগ আদিবাসী তাদের জমি হারিয়েছে। আদিাসীরা সংখ্যালঘু হওয়ার কারনে তারা কোন প্রতিবাদ করতে পারেনি। অনেকেই মনের দুঃখে আবার ভারতে পাড়ি জমিয়েছে। আবার অনেকেই নিজের জমিতে দিন মজুর হিসেবে তাদের তাদের জীবন নতুন করে শুরু করেছে। অভিভক্ত বাংলায় শেষ নির্বাচন হয়েছিল ১৯৪৬ সালে। নির্বাচনের পর সোহরাওয়ার্দী গ্রুপ শক্তিশালী হয় এবং তিনিই অভিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হন।

ডাঃ জাকির নয়েকের মতে ১৯৪৭ এ ভারত ভাগ হওয়া বিরাট ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। এর পক্ষে তিনি যুক্তি দেখিয়ে বলেন; আজ ভারত হিন্দু-মুসলমানের এক রাষ্ট্র থাকলে সবার মেধা এক হয়ে ভারত চীনকে আরো শক্তিশালী ভাবে মোকাবেলা করতে পারত। তিনি বলেন ভারত কিছু দিনের মধ্যেই একটা সুপার পাওয়ার হতে যাচ্ছে।' শুধু মাত্র ধর্মের ভিত্তিতে হাজার মাইল এর দুরত্ব থাকা সত্বেও দুটি দেশকে একটি দেশ হিসেবে ভাগ করে দেয়া হয়। ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ‘ভারত স্বাধীনতা আইন’ পাস হয়। এ আইন অনুসারে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদের হাতে এবং ১৫ আগস্ট ভারতীয় গণপরিষদের হাতে মাউন্ট ব্যাটেন ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। উপমহাদেশ স্বাধীন হলো।

মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ১:৫৯

রানার ব্লগ বলেছেন: দেশ ভাগটা পুরোটাই ব্রিটিশদের খামখেয়ালীর ফসল।

২৪ শে মে, ২০২১ রাত ২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: পুরোপুরি ব্রিটিশদের দোষ দেওয়া ঠিক হবে না।
দুই বাংলার মানুষ যদি ধর্ম নিয়ে ক্যাচাল না করতো তাহলে অন্য রকম কিছু হতো।

২| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ২:০৯

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: দেশভাগে সবচাইতে লাভবান হয়েছি আমরা বাংলাদেশিরা - আমরা আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে যেভাবে একটি পৃথক রাষ্ট্রের মালিক হয়েছি সেটা অন্য দুটি দেশের সাথে হলে কোনোদিনই সম্ভব হতো না। এর বাইরেও অনেকভাবেই লাভবান হয়েছি আমরা যা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি প্রবাসে যাওয়ার অভিপ্রায়ে এক ভিসার জন্য আমাদের সুদূর ইসলামাবাদ অথবা দিল্লি (হনুজ দূর অস্ত ) দৌড়তে হয় না। আমাদের এখনো প্রকট দুর্নীতি ও রাজনৈতিক সমস্যা আছে সত্যি, কিন্তু সেটাও দূর করা অসম্ভব হবে না পরবর্তী প্রজন্মের পক্ষে। আর আমাদের জনগণের এক বিশাল অংশ এখনো দলমত, ধর্ম নির্বিশেষে সহাবস্থানে বিশ্বাসী বলেই আমি বিশ্বাস করি।

কিন্তু দেশভাগে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে পাকিস্তান ও ভারতের সংখ্যালঘুরা - অবশ্য পাকিস্তানের বর্তমান সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কত তার পরিসংখ্যান আমার কাছে নেই।

২৪ শে মে, ২০২১ রাত ২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আমি চমকে গেছি। ভালো বলেছেন। আমি আসলে এভাবে ভাবি নি।

৩| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ২:২৭

কামাল১৮ বলেছেন: দেশভাগে লাভবান হয়েছে পুঁজিপতিরা,সাধারন মানুষের দুইপয়সার লাভও হয় নাই,মাঝখান থেকে তাদের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: লাভবান অল্প কিছু মানুষ হয়েছে। কিন্তু ক্ষতি হয়েছে সবার।

৪| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ২:৩০

কামাল১৮ বলেছেন: সাইকেল প্রতিকটা খুব সুন্দর হয়েছে।চাকা দুটো আলাদা করে ফেললে আর চড়ার উপযোগী থাকে না।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমার একটা সাইকেল ছিলো। সারা ঢাকা শহর সাইকেলে করে ঘুরে বেড়াতাম।

৫| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ৩:০৬

ডাব্বা বলেছেন: শিরোনাম পড়েই আমি একমত।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: তবে অনেক মুরুব্বী বলেন, দেশ ভাগ না হলেই ভালো হতো।

৬| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ৩:০৯

ডাব্বা বলেছেন: বর্ডারবিহীন দুইটি প্রদেশ নিয়ে একটি দেশ, এমনটা কেবল পাগলামিতেই সম্ভব।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: এভাবে সবাই ভাবে না।
আবেগের কারনে মানুষ অন্য রকম করে ভাবে।

৭| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ৩:৪২

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনার পুরো লেখাটা তথ্যগত ভুলে ভর্তি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সূত্র বহির্ভূত।
প্রাচীন কালে বহুবার বাংলাদেশ একটা স্বাধীন রাষ্ট্র ছিলো তবে পশ্চিবঙ্গ সহ আরো কয়েকটা অঞ্চল নিয়ে এর আয়তন অনেক বড় ছিলো। শশাংক,পাল এবং সুলতানঅ আমল তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।History of Bengal
দেশ ভাগের কথা লিখেছেন , সেটা কোন দেশ ভাগ হয়েছে?
বহিরাগত আর্য হিন্দুদের জোর করে স্থাপন করা একটা উপনিবেশ ছাড়া অতীতে ভারত নামেই কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব্ব ইতিহাসে ছিলো না। আর মুসলিম শাসকরা হিন্দুস্থান নাম দিয়ে একে শাসন করেছিলেন।
বৃটিশ আমলে ধর্মের ভিত্তি হিন্দুরা ভারত চাইলেও বাঙ্গালীরা কোনোদিনও সেটা ভাঙ্গতে চায়নি। কিন্ত ১৯৩৭ সালে কংগ্রেস মন্ত্রী সভা বৃটিশ আমলেই যে ভয়ংকর সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস চালিয়েছিলো, সেটা দেখার পর মুসলিম লিগ গঠন না করে আর কোনো উপায় ছিলো না।
তবে তারপরও পশ্চিবঙ্গের হিন্দুরা সোহরাওয়ার্দী-শরৎ বসুর পরিকল্পনা অনুযায়ী মুসলমানদের সাথে মিলে অবিভক্ত স্বাধীন বাংলা গঠনের পরিবর্তে হিন্দুরাষ্ট্র ভারতের সাথে যোগ দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলো। অবিভক্ত স্বাধীন বাংলা
তাদের কারণেই ১৯৪৬ সালে স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠা করা যায়নি এবং পরে ৩০ লাখ মানুষের প্রাণের বিনিময়েপাকিস্তানের কবল থেকে স্বাধীনতা অর্জন করতে হয়েছে।

আজ সবাংলাদেশ স্বাধীন না হলে ভারতে গরু খাওয়ার অপরাধে মুসলমানদের উপর যেরকম অত্যাচার হয় আর মসজিদ ভাঙ্গা হয়, বাংলাদেশেও সেসবই হতো।
নাস্তিক হয়েও শুধু আরবী নামের কারণেই তাদের বাড়ি থেকে ধরে এনে পিটিয়ে হত্যা করা হতো।
পদে পদে তাদের সাথে বৈষম্য করা হতো যেভাবে নাস্তিক শাবানা আজমী, শাহরুখ খান ও ইমরান হাশমীদের মুম্বাইয়ে বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনতে বাধা দেয়া হয় । শুধু সংখ্যগিরিষ্ঠতার জোরে মুসলমানসহ সব সংখ্যাখ্যালঘুদের উপর বর্বর অত্যাচার চালাতো জঙ্গী হিন্দুরা ।
বাংলাদেশে স্বাধীন না হলে কেউ রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী হতে পারতো না।
ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের অত্যাচার থেকে মুক্তি লাভের জন্য আসামের হিন্দু এবং মণিপুর-মিজোরামের খ্রিষ্টানরাও দীর্ঘদিন ধরে সশত্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার মন্তব্য লজিক আছে।
আমি আপনার বক্তব্য মেনে নিয়েছি।
এরকম একটা ভুলে ভরা পোষ্ট দিয়েছি বলেই আজ সঠিকটা জানতে পেরেছি। আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৮| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ৩:৫৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

খানসাব ইতিহাস নিয়ে লিখতে গেলে
আপনাকে আরো সতর্ক হতে হবে
তথ্য সংযোজনের বিষয়ে!
গল্প কবিতায় নিজের ইচ্ছা মতো
রং লাগানো যায়, তবে ইতিহাসে নয়।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি আপনার সাথে সম্পূর্ন সহমত।

৯| ২৪ শে মে, ২০২১ ভোর ৬:৪০

কামাল১৮ বলেছেন: নূরু ভাই,আপনার আমার জীবদ্দশায় কত রকমের ইতিহাস দেখলাম।যারা শাসন ক্ষমতায় তারা তাদের মত করেই ইতিহাস লেখে।সেই প্রাচীন কাল থেকে এটাই হয়ে আসছে।তাই সত্য মিথ্যা বোঝা বড়ই মুসকিল।তথ্য নিয়ে যে লিখবেন সেই তথ্যই বিতর্কের উর্ধে নয়।
গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং।হিন্দুদের লেখা ইতিহাস একরকম,মুসলমানদের লেখা ইতিহাস অন্য রকম।তার জের ধরে নোয়াখালি কিলিং,সেটাও তাই।ইতিহাসের সত্য কোন সত্যই না। এমন কি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত কোন সত্যও চিরন্তন কোন সত্য নয়।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: দেশ ভাগ, ভাষা আন্দোলন এবং ৭১ আমাদের কাছে সত্য। চরম সত্য।

১০| ২৪ শে মে, ২০২১ সকাল ৭:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



ভারতের ২২কোটী মুসলমানের ভেতর ১০ কোটী বস্তিতে থাকে।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: হ্যাঁ ১০ কোটি বস্তিতে থাকে। ভারত বলে এসব বস্তিতে থাকা লোকজন ওদের দেশের না। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, মায়ানমার থেকে এসেছে।

১১| ২৪ শে মে, ২০২১ সকাল ৭:১১

কামাল১৮ বলেছেন: @ অনল চৌধুরী,প্রাচীন কালে পৃথীবিতেই কোন রাষ্ট্র ছিল না।রাষ্ট্র চিন্তার উদ্ভব হয় শিল্প বিপ্লবের পর।বৃটিশদের সময়েও ভারতে কোন রাষ্ট্র ছিল না।বৃটিশরা চলে যাবার সময় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: যিশুর জন্মের আগেও মানুষ নিজ দেশ বা রাষ্ট্র নিয়ে ভেবেছে।

১২| ২৪ শে মে, ২০২১ সকাল ৭:৪৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

বাংলাদেশের নতুন পাসপোর্ট এর সাথে একটা তফাৎ আছে।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশের পাসপোর্ট দিয়ে পৃথিবীর একটা দেশে যাওয়া যায় না।

১৩| ২৪ শে মে, ২০২১ সকাল ৯:৫৯

ইনদোজ বলেছেন: মালয়েশিয়ার পাসপোর্ট তাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষায় 'আন্তর্জাতিক মানের' পাসপোর্ট নয়। তারা এখনও ইসরাইলকে অচ্ছুত মনে করে। বাঙ্গালদেশ তাইলে ইসরাইলকে ইজ্জত করে অনেক জাতে উঠে গেল। এবার আমেরিকা বাবাজী যদি একটু নেক নজরে তাকায়!

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমেরিকা সভ্য দেশ।

১৪| ২৪ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:৩৬

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: @ইন্দোজ:
আপনি কি বাংলাদেশ বানান লিখতে জানেন না নাকি ইচ্ছাকৃতভাবেই এরকম বিকৃত উচ্চারণ করছেন ? নিজের দেশকে কেহ এরকম বিকৃতভাবে উচ্চারণ করে না। কোনো পাকিকে কোনোদিন শুনেছেন নিজের দেশকে 'ফাকিস্তান' বলে উচ্চারণ করতে ?

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: হয়তো দ্রুত টাইপ করতে গিয়ে এরকম হয়েছে। উনি ইচ্ছা করে এরকম করার কথা না।

১৫| ২৪ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:৩৯

শেরজা তপন বলেছেন: জনাব, এইসব স্পর্শকাতর ও সিরিয়াস বিষয় নিয়ে লিখতে হলে আরো অনেক
পড়াশুনা করতে হবে বলে আমার মত!
আপনার লেখার শিরোনামের সাথে আমি একমত নই!

আপনি কি‘ বাংলা ভাষা তুমি কার‘ বইটা পড়েছেন?

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: ''বাংলা ভাষা তুমি কার'' না পড়ি নি।

কার লেখা?

১৬| ২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ১২:০৫

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: লেখার বিষয়বস্তুর প্রতি খেয়ালরাখা খুবই জরুরী।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: সম্পূর্ন সহমত।
আসলে এক কথা লিখতে গিয়ে আরেক কথায় চলে যাই। তাতে লেখার সউন্দর্য কমে যায়।

১৭| ২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ১:২৫

পদ্মপুকুর বলেছেন: 'ক্ষতি' এর পর "ই" কার যুক্ত হওয়াতে বোঝা যাচ্ছে যে এখানে লাভের পরিমাণও কম নয়। শুধু যদি ক্ষতি হতো, তাহলে ই-কার যুক্ত হতো না। সীমান্তরেখা নামে তানভীর মোকাম্মেল এর একটা ডকুফিল্ম আছে দেশভাগ নিয়ে। সেখানে তিনি নিজের ভয়েজেই বলছেন যে মুর্শিদাবাদের মুসলমানদের অবস্থা দেখলে অনুমান করা যায় যে দেশভাগ না হলে বাঙালী মুসলমানদের অবস্থা কতটা করুণ হতো...

একটা ঘটনার প্রায় ৭৫ বছর পর এসে যখন আনুষাঙ্গিক পরিস্থিতি বদলে গেছে সম্পূর্ণভাবে, তখন বলাই যায় যে আমাদের ক্ষতি(ই) হয়েছে।

ইদানিং আপনার লেখার কনটেন্ট নিয়ে ব্লগে বেশ নেতিবাচক আলোচনা হচ্ছে, আমি ওইসব আলোচনার সাথে একমত কিন্তু আমার বিশ্বাস এ পোস্টটা সে আলোচনার বাইরে থাকবে।

ভালো থাকবেন। শুভ ব্লগিং।

২৪ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: আপনাকে অনেকদিন পর পর ব্লগে দেখি। কিন্তু আপনাকে নিয়মিত দেখতে চাই।

আজ থেকে ৫ বছর আগে আমি একটা উপন্যাস লেখায় হাত দিয়েছিলাম। ''দেশভাগ'' নিয়ে উপন্যাসটি। ১৫ হাজার শব্দ লিখেছি। এরপর লেখা আর এগোয় না। আজও উপন্যাসটি অসম্পূর্ন অবস্থায় আছে।

১৮| ২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৩:১৮

পদ্মপুকুর বলেছেন: করোনা মহামারী এসে আমাদের তথাকথিত সভ্য চাকুরীজীবিদের জন্য কিছু ব্ল্যাকহোল উম্মোচিত করে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও যেনো সে ব্ল্যাকহোলগুলো এখনকার মত দাত ক্যালাতে না পারে, তার চেষ্টা-তদবির করার বাস্তবতার কাছে সুকুমারবৃত্তি হার মানছে। এ কারণেই ব্লগে অনেকদিন পরপর দেখছেন।

কি আর করবো বলেন, প্রতিভা বলেও তো একটা ব্যাপার আছে। সবার কি সমান থাকে?

২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৪:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: জন্মগত ভাবে কারো প্রতিভা থাকে না। প্রতিভা অর্জন করতে হয়। অর্জন করার ক্ষমতা আপনার আছে।

১৯| ২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৪:১৮

রানার ব্লগ বলেছেন: দেশ ভাগ কেউই চায় নাই, রাজনীতিবিদরা ছাড়া।
০১। দেশ ভাগের সময় একটা ভোটাভুটি হয়ে ছিলো তাতে ৫৫ শতাংশ ভোট পরেছিলো দেশ ভাগের বিপক্ষে, কথা হয়েছিলো যে দিকে ভোট বেশি হবে সেই স্বিধান্তই নেয়া হবে কিন্তু তা হয় নাই।

০২। ধর্ম ভিত্তিক দেশ ভাগও হয় নাই, কারন খুলনা, যশহর সিলেট চট্রগ্রাম দিনাজপুর এই অঞ্চলে হিন্দু জনগোষ্ঠি বেশি থাকা সত্বেও এরা পূর্ব পাকিস্থান হয়ে যায় ঠিক তেমনি আসাম, ত্রিপুরা উরিষ্যায় মুসলম্না সঙ্খ্যাগরিষ্ঠ থাকা সত্বেও তারা ভারতের অঙ্গো হয়ে যায়।

এই দেশের সাধারন মানুষ কখনোই চায় নাই দেশ ভাগ হোক, রাজনীতিবিদরা তাদের নিজেস্ব স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য দেশ ভাগ নামের একটা প্রহসন করে।

২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:০২

রাজীব নুর বলেছেন: দেশের ভাগের প্রধান ভূমিকায় আছে বিট্রিশরা।
১। আপনি যে ভোটের কথা বলছেন। সেই ভোট দেশের মানুষ দেয় না। গোলটেবিল বৈঠকের ভোট।
২। দেশ ভাগের প্রধান কারন ধর্ম। বিট্রিশরা হলো উছিলা। দুই বাংলার বহু লোক ভিটামাটি ছাড়া হয়েছেন।

দেশে ভাগে গুটি কয়েক মানুষের উপকার হয়েছে।

২০| ২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৪:৫৩

নতুন বলেছেন: মানুষ তার সময়ের সেরা সিদ্ধান্তই নেয়। যেটা হয়েছে সেটা অবশ্যই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।

৩ দেশের মানুষের মাঝে বাংলাদেশীরাই সব চেয়ে লাভবান হয়েছে।

যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গেছেন বা মানুষের সাথে মিশেছেন তাদের কাছে জিঙ্গাসা করুন বুঝতে পারবেন যে বাংলাদেশীরা ভারত বা পাকিস্তানের সাথে বা একটা দেশের অধিনে থাকলে এখনকার মতন ভালো থাকতে পারতো না।

আমরা ভন্ডামী বাদ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করলে আরো ভালো থাকতো দেশ এবং জনগন।

২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: ভাগবাটোয়ারা কখনই ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে না।
শেখ মুজিবকে হত্যার সিদ্ধান্ত কি ভালো ছিলো?
দেশভাগে কত লোক ভুমি ছাড়া হয়েছে তা জানেন?

২১| ২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:০৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: দেশ ভাগ নিয়ে বই না লিখে ভালো করেছেন। কারণ আপনিও হুমায়ূন আহমেদের মত ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে অভিযুক্ত হতেন ( আপনাকে বেশ আগে হুমায়ূন আহমেদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগের সূত্র দিয়েছিলাম, তাই দয়া করে আবার চাবেন না। অবশ্য চাইলে আবার দিব)। আপনি ধর্ম আর ইতিহাস ছাড়া অন্য অনেক বিষয়ের উপর ভালো লিখতে পারবেন।

২৫ শে মে, ২০২১ রাত ১২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: আমার ধর্ম নিয়ে লিখতে সবচেয়ে ভালো লাগে। অথচ আমার হাতে হাত কড়া।

আসলে দেশভাগ নিয়ে আমি যে লেখাটা শুরু করেছিলাম, সেখানে আমি দেখাতে চেয়েছি দেশ ভাগের ফলে দুই বাংলা মানুষের সীমাহীন কষ্ট। হাহাকার।

২২| ২৪ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:৫৬

ইনদোজ বলেছেন: @রাজীব নুর, আমার হয়ে সত্যি জবাবটা দিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ, আমি সত্যিই খেয়াল করিনি। আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। ভবিষ্যতে পোস্ট করার আগে আমি বানান চেক করে পোস্ট করব।

২৫ শে মে, ২০২১ রাত ১২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

২৩| ২৪ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৬

শেরজা তপন বলেছেন: লেখকের নাম আমারও মনে নেই। একবার হাতে আসার পরে পড়া শেষ করতেই হারিয়ে ফেলেছি।
আর কোথাও খুজে পাইনি।
দেশ ভাগের সাথে সাথে জমিদার প্রথা বিলোপ সহ অন্যান্য অতি বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লেখা ছিল।
দারুন একটা বই- আপিনই খোজ পাইলে জানাবেন প্লিজ।

২৫ শে মে, ২০২১ রাত ১২:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: হ্যাঁ আমি খোজ নিবো।

২৪| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ১০:১৬

রিফাত হোসেন বলেছেন: আমিও দীর্ঘদিন জানতাম যে বাংলার সত্যিকারের স্বাধীন বাঙালি রাজা ছিলেন না। অনেক পরে ধারনা ভেঙ্গেছে। লিংক পড়ে নিতে পারেন। কিন্তু ইলিয়াশ শাহকে বা তার সময়কালের রাজত্বকে ততটা সামনে ধরা হয় না। যতটা ১৯৫২ সাল, মুক্তিযুদ্ধ- ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরা হয়

click

ঐটা(বাংলা সালতানাত) আমাদের সূচনা। আমরা গোড়াকে ভুলে যেতে পারি না। কিন্তু উন্নত জাতি তাদের অতীত ইতিহাস সুন্দর করেই নতুনদের সামনে উপস্থাপন করে থাকে। কিন্তু আমাদের সামনে একজনের নামেই শুধু তুলে ধরা হয়।

২৫ শে মে, ২০২১ রাত ১২:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: উইকিপিডিয়ার যে লিংকটা দিলেন সেটা খালি।

২৫| ২৪ শে মে, ২০২১ রাত ১১:১৩

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: @ ইনদোজ:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আমার কমেন্টের জবাব দেয়ার জন্য।
স্যরি, আমিও একটু উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম দেশের বানান ভুল দেখে।

২৫ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: গুড।

২৬| ২৫ শে মে, ২০২১ রাত ১২:৪৭

কামাল১৮ বলেছেন: রাষ্ট্র আর দেশ এক জিনিস না।রাষ্ট্রের জন্য সরকার লাগে সংবিধান লাগে,দেশের জন্য রাজা প্রজা লাগে

২৫ শে মে, ২০২১ রাত ১:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: ঐ একই কথা। ৫২ বাজার ৫৩ গলি।
যাহা লাউ তাহাই কদু।

২৭| ২৫ শে মে, ২০২১ ভোর ৪:৩৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: ১।লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য লজিক আছে।আমি আপনার বক্তব্য মেনে নিয়েছি।এরকম একটা ভুলে ভরা পোষ্ট দিয়েছি বলেই আজ সঠিকটা জানতে পেরেছি। আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ- জ্ঞান চর্চা করতে গেলে কিছুটা ভুল হতেই পারে যেটা পরে সংশোধন করা যায়। আমিও মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা কাল ভুল লিখেছি, যেটা হবে ১৯০৫ সাল।
২।কামাল১৮ বলেছেন: @ অনল চৌধুরী,প্রাচীন কালে পৃথিবীতেই কোন রাষ্ট্র ছিল না।রাষ্ট্র চিন্তার উদ্ভব হয় শিল্প বিপ্লবের পর।বৃটিশদের সময়েও ভারতে কোন রাষ্ট্র ছিল না।বৃটিশরা চলে যাবার সময় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়- পড়াশোনা না করে একজন গবেষককে জ্ঞান দেয়ার চেষ্টা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।
আপনার জানা উচিত যে , আজ থেকে প্রায় ৬০০০ হাজার বছর আগেই ব্যাবিলনীয়রা প্রথম রাষ্ট্র সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের গঙ্গারাষ্ট্র, পাল সাম্রাজ্য-এসবও ছিলো শিল্প বিপ্লবের হাজার হাজার বছর আগে গঠিত রাষ্ট্র। First States
সুতরাং ভবিষ্যতে আমার সাথে তর্ক করতে গেলে পড়াশোনা করে আসবেন।
৩।রিফাত হোসেন বলেছেন: আমিও দীর্ঘদিন জানতাম যে বাংলার সত্যিকারের স্বাধীন বাঙালি রাজা ছিলেন না। অনেক পরে ধারনা ভেঙ্গেছে। লিংক পড়ে নিতে পারেন। কিন্তু ইলিয়াশ শাহকে বা তার সময়কালের রাজত্বকে ততটা সামনে ধরা হয় না। যতটা ১৯৫২ সাল, মুক্তিযুদ্ধ- ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরা হয়- বাংলার সুলতানদের কেউই বাংলাভাষী বাঙ্গালী ছিলেন না। তারা দিল্ল্রি প্রভাবমুক্ত হয়ে দেশ শাসন করতেন এবং তাদের কার্যক্রম বাংলার জনগণের জন্য কল্যাণকর ছিলো- এই হিসাবে তাদের আমলে বাংলা স্বাধীন ছিলো বলা হয়। কিন্ত তখনও সরকারী ভাষা বাংলা ছিলো না, ছিলো ফারসী।
১৯৭১ এর পর সম্পূর্ণ বাঙ্গালী শাসিত রাষ্ট্রে সাথে সুলতানী আমলের তুলনা করা যাবে না, যদিও সেই সময় বাংলা ছিলো পৃথিবীর অন্যতম ধনী ও সমৃদ্ধ একটা রাষ্ট্র।

২৫ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: স্যলুট বস।

২৮| ২৫ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৩৪

রিফাত হোসেন বলেছেন: অনল চৌধুরী সাহেব, আপনি যা ধারণা পোষন করতেন আমিও তাই করতাম। কিন্তু অনেক পড়ে ধারণা পাল্টে যায়। আমি কখনোই নবাব সিরাজকে বাঙালি মনে করতাম না। আদতে তিনি ছিলেনও না। তার সময়কালের রাজতন্ত্রের ভাষা ছিল ফারসী। কিন্তু পরবর্তীতে জানতে পারি তারও পূর্বের শাসনামলে বাংলার সালাতানাত এর ভাষা বাংলা ছিল। হ্যাঁ সাথে ফারসি ও আরবী এর প্রভাবও ছিল। কারণ আমরা মিশ্র জাতির উদ্ভবিত নতুন এক জাতি। সোজা কথায় evolve বলা যায়, যা ছোট ছোট অনেক জাতিতেই ঘটেছে।
বাঙ্গলা সালতানাত (১৩৫২-১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দ) শাসনামলে বাঙ্গলা ছিলো স্বাধীন দেশ। সে সময়কালে বাঙ্গলায় সাহিত্য ও সংস্কৃতির ভাষা হিসাবে বাংলা ভাষা পরিণতি লাভ করে। এই শাসনামল তাৎপর্যপূর্ণ এই অর্থে যে, এই বাঙ্গলার শাসনামলের নাম দেশের নামে হয়। এ ছাড়া এর আগে বা পরে বাঙ্গলায় প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য সমস্ত শাসনামলের নাম ছিলো রাজবংশের নামে।

ধারনা করা যায় তারা পারিবারিকভাবেও বাংলাও বলতেন (অনেকটা মিশ্র ভাষার মত সম্ভবত)। ধারণা করা হয় বাংলার সালতানাত শাসনামলে বাংলাও দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ব্যবহারের মর্যাদা পায়। হয়ত তার বংশের কেউ বাঙ্গালী(সঠিক গোড়া ইতিহাসবিদরাও জানেন না) ছিলেন না কিন্তু তিনি বাঙ্গালীকে আপন করে, একে ভিত্তি করে এগিয়ে যেতে চাইছিলেন। বাংলার এতটুকু মর্যাদা এর আগে ছিল না আর বাঙ্গলার সালতানাত এর পরের নবাবদের মধ্যেও ছিল না। এতটুকু সম্মান সে পেতে পারে এবং আমরাও গর্ব করতে পারি।

বাঙ্গলা সালতানাত Click This Link

http://bn.banglapedia.org/index.php/ইলিয়াস_শাহ

তুলনা না করলেও অতীতকে ভুলা ঠিক হবে না। আমাদের উত্থানকে ভুলে যাওয়া সবচেয়ে বড় ভুল হবে। আমাদের উথ্থান এর সূচনা সেখান থেকেই হয়।

পরিশেষে বলতে চাই, যেমন বিশ শতকে বাংলাদেশের উত্থানে শেখ মুজিবের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের চেতনায়ই বাংলাদেশের উদ্ভব। তেমনই ভাবে সর্বপ্রথম এই অঞ্চলের নাম বাঙ্গালাহ ও এর অধিবাসীদের নাম বাঙালী করনের মধ্য দিয়ে সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ বাঙালী জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটান।

২৫ শে মে, ২০২১ দুপুর ২:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ২:৩৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: রিফাত হোসেন, আপনার পড়াশোনার বিষয় কি ইতিহাস ছিলো না আপনি পেশদার লেখক এবং ইতিহাস গবেষক?
আপনার জানা উচিত, আমি নিজে ইতিহাসে ডিগ্রিধারী এবং ৩ দশকের বেশী সময় ধরে ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করছি।
মিশ্র জাতি হলেই একটা জাতিকে সম্পূর্ণ বাংলা না জানা বিদেশীরা শাসন করবে, এটা কোনো গর্বের না বরং চরম লজ্জার বিষয় এবং তাদের ব্যার্থতার প্রমাণ, যেটা সুলতানী আমলে ঘটেছে। তারপরও শাসকরা জনগণের উপর অত্যাচারী ছিলেন না বলে তারা সেন বংশের শাসকদের মতো ঘৃণিত না।
আমাকে যদি এসব লিক দেন তাহলে সেটা হাস্যকর পর্যায়ে পড়ে কারণ এগুলির চেয়ে আরো আরো বড় বড় অনেক বই ৩০-৩৫ বছর আগে পড়ে শেষ করেছি।
ইলিয়াস শাহ নিজেই বাঙ্গালী ছিলেন না । তার জন্ম আফগানিস্তানে এবং তিনি বাংলা বলতেও পারতেন না।
তাকে এখন বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের স্রষ্টা বানানো হচ্ছে !!!! এসব হাস্যকার যুক্তি শুধু বাংলাদেশেই দেয়া সম্ভব । Shamsuddin Ilyas Shah
আরব, পারস্য,চীন, জাপান কোরিয়া বা ইউরোপ-এ্যামেরিকার দেশগুলিতে এসব চলে না।
চীন অনেক বছর মঙ্গোলরা,ইরানে আরবরা শাসন করেছে। কিন্ত তারা বিদেশী শাসক বলেই বিবেচিত। আর আফগানরা কোনোদিনও বিদেশী শাসন মেনে নেয়নি।একটা জাতির আচরণই নির্ধারণ করে তারা রাজা হবে না প্রজা
এ বিষয়ে আরো তর্ক করলে চাইলে এখানে বলবেন, যেটা স্বাধীনতা ও জাতীয়তাবাদের বিষয় নিয়ে বিষয় নিয়ে লেখা হয়েছে।

২৭ শে মে, ২০২১ রাত ৩:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: সব বিষয়েই আপনার অনেক পড়াশোনা।
আপনি অনেক জানেন।

৩০| ২৭ শে মে, ২০২১ ভোর ৪:৩৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: উপরের কথাগুলি রিফাত হোসেনকে বলেছি।
আপনি আমি সবাই পড়াশোনা করেই লিখি। কারণ না পড়লে কিছু লেখা যায় না।

২৭ শে মে, ২০২১ বিকাল ৫:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: সেটা বুঝেছি।

আসলে ভালো লেখার প্রধান শর্তই হচ্ছে পড়াশোনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.