![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি গর্বিত আমি বাঙালী।জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের একটাই পরিচয় আমরা বাংলাদেশী।
ঢাকার অভিজাত এলাকায় এক বিদেশিনী রাস্তার আবর্জনা পরিষ্কার করছেন। হাতে দস্তানা, কাছেই অন্য বন্ধুরা আছেন গার্বেজ ব্যাগ নিয়ে। তারাও ব্যস্ত জঞ্জাল অপসারণে। না, এটা কোন প্যাকেজ নাটকের দৃশ্য নয়। ‘ক্লিন আপ ঢাকা’ গত সপ্তাহ থেকে এই কার্যক্রম চালাচ্ছে। দু’সপ্তাহের জন্য ঢাকায় এসে জাপান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। অথচ এলাকাবাসী বা পথচারীরা তাতে যে খুব একটা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন না, সেটা সঙ্গের এই ছবিটিই বলে দিচ্ছে। তারা সিনেমা দেখার মজাই পাচ্ছেন। কেউ কেউ মোবাইলে ভিডিও করতেও শুরু করে দিয়েছেন। কী অদ্ভুত মানসিকতা। রাস্তাটাকে ডাস্টবিন ভেবে সেখানে বাতিল সব বস্তু ফেলে দেয়ার প্রবণতা রয়েছে বেশিরভাগ বাঙালীর। চলতি পথেও মানুষ বাসের জানালা দিয়ে, শিক্ষিত ব্যক্তি এসি গাড়ির কাঁচ নামিয়ে জানালা গলিয়ে উচ্ছিষ্ট দ্রব্য রাস্তার মাঝখানে ফেলে দেন। এমনকি কলার খোসা ফেলতেও দেখেছি। এটা যে কত বিপজ্জনক তাও অনেকের মাথাতে আসে না। আমি নিজে রাস্তায় কিছু ফেলব না, কাউকে ফেলতে দেখলে বুঝিয়ে অপকারিতার কথাটি বলব শুধু এটুকু মেনে চললেই রাজধানীর সড়ক এক সপ্তাহে অর্ধেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। এটা বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধার মতো কিছু নয়, একটুখানি সদিচ্ছাই যথেষ্ট। ক্লিন আপ ঢাকা সংগঠনটি ফেসবুকের মাধ্যমে আগেই জানিয়ে দিচ্ছে কোনদিন ঢাকায় কোন এলাকায় কতক্ষণ সড়ক পরিচ্ছন্নতায় অংশ নেয়া হবে। উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয়।
২| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৭
সুমন কর বলেছেন: উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয়।
সবার সচেতনার দরকার।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৪:১১
শরীফ মাহমুদ ভূঁইয়া বলেছেন: আসুন অামরা পরিছন্ন ঢাকা অভিযানে সবাই অংশগ্রহণ করি।