![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একদিন তুমি এসেছিলে ভবে,কেঁদেছিলে তুমি হেসেছিলো সবে... এমন জীবন করিবে গঠন,মরনে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন......
আমার শোবার ঘরটা আমার বাড়ির ছোট্ট বাগানটার পাশে।যদিও এটা পরিকল্পিত বাগান নয়,তবুও এটা বাগান।অপরিকল্পিত হলেও কিছু ফুলের গাছ মাথা ছড়িয়ে এবং কিছু ফলের গাছ মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে।আছে কিছু আগাছাও।সেই আগাছা গুলো নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র অভিযোগ নেই।তাদেরও বাঁচার অধিকারে আমি সচেষ্ট।জেলা শহুরে এলাকায় চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলা বড় বড় বিল্ডিং গুলো গাছপালার রোদের আলোয় সালোকসংশ্লেষ পক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাড়ায়।কিন্তু জীবন কে কিভাবে থামাবে তারা?? জীবন কি দমিয়ে রাখা যায়??
হয়ত এজন্যই বাউন্ডারি ওয়ালের সাথে ঘেসে ফল খেয়ে ফেলা বিচিতে বেড়ে ওঠা লিচু গাছটাকে দশ বছর ধরে একই আকৃতিতে দেখছি।
আছে তিনটি বুড়ো ডাব গাছ,দুটি জোয়ান আম গাছ,তিনটি সদ্য কৈশরে পা দেওয়া মেহগনি গাছ, তেরটি মধ্যবয়স্ক সুপাড়ি গাছ,এবং একটি যুবক বিদেশী লাল গাব গাছ,একটি বামন বাতাবি লেবু গাছ এবং একটি ভঙ্গুর মাচায় রোগা আঙ্গুর গাছ।
সৌন্দর্য বর্ধনকারি হিসেবে আছে কিছু বাহারি পাতাবাহার।ফুলের মাঝে আছে শেফালি,কয়েকটি বেলি ফুল গাছ।
নাম না জানা অনেক আগাছা ও বড় পাতার খোকসা গাছ(যে গাছে টুনটুনি বাসা বাধে।এই গাছ দেখলেই আমি টুনটুনির বাসাখুজি পাতার ফাকে)।
এই হচ্ছে আমার একটুকরো বেহেশত।আমি সাধারনত মধ্য রাতে লেখা লেখি করি।যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে।
শরৎ শেষে হেমন্তের আগমনের অনেক আগেই শেফালি গাছ লাল শাদা ফুলের মায়াময় গন্ধ বিলিয়ে চলেছে। আমি লিখতে লিখতে শোবার ঘর থেকে সেই গন্ধে মহিত হই।সেই শেফালি গাছের প্রতি আমার একরাশ ভক্তি এসে জমা হয়।
ঋতু পরিবর্তন আমার কাছে পৃথিবী তথা মানবজাতির জন্য এক আশির্বাদ বলে মনে হয়।আমার ইচ্ছে করে সব কাজ বন্ধ করে দেই,এমন কি নাওয়া খাওয়া ঘুম।বসে বসে শুধু দেখি,কিভাবে গরম ঠান্ডায় রুপান্তরিত হয়।
গত মধ্য রাতে ধুমপানের জন্য জানালা খুলে দেখি বৃষ্টি হচ্ছে।আমি অবাক হলাম।নাহ বৃষ্টি না।কুয়াশা দায়িত্ব পালন শেষে ক্লান্ত পায়ে পানি হয়ে ঝরে পড়ছে।ক্লান্ত কুয়াশার ফোটা শেফালির ডালে মৃদু টোকা দিয়ে নামিয়ে নিচ্ছে কিছু লালা সাদা শেফালি, আর সেই ফুলগুলোর অভিযোগ যেন বাতাসে মায়াময় গন্ধ হয়ে ছড়িয়ে পরছে।আহা জীবন!
মধ্যরাতের এই মায়াময় শেফালি ফুলের সুবাস ও গাড়ো অন্ধকার কে রহস্যময় ও ভৌতিক করতেই যেন হটাৎ করে নাম না জানা পাখি কর্কশ শব্দে ডেকে উঠে বুকের মাঝে হাহা কার শৃষ্টি করে।সেই হাহাকার মস্তক বেয়ে মাঝে মাঝে বুকের নিচের দিকেও গিয়ে পৌছায়।মাঝে মাঝে আমাকে অবাক করে দিয়ে সেই মধ্য রাতে দোয়েল ও ডেকে ওঠে।দোয়েল রাত জেগে কি করে?? ফড়িংয়ের জীবনের সাথে দেখা হবার অপেক্ষা??
২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৮
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: শুনে প্রিত হলাম।চেষ্টা করব এরকম লেখা লেখার। শুভেচ্ছা জানবেন।
২| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩৮
চাঁদগাজী বলেছেন:
লেখক, কবিরা প্রকৃতিকে ভালোবাসেন, ভালো
২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৯
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: ধন্যবাদ গাজী ভাই।প্রকৃতি ভাল লাগে।লেখার মান নিয়ে কিছু বললেন না তো ভাই?
৩| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:০৫
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: প্রকৃতিকে কারনা ভালো লাগে; সবাই প্রকৃতিকে ভালোবাসে।
ভালো থাকুন নিরন্তর। ধন্যবাদ।
২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:০০
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: শুনে খুশি হলাম।শুভেচ্ছা জানবেন।
৪| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:২৯
রাসেল উদ্দীন বলেছেন: চমৎকার বর্ণনা শৈলী। বলতে থাকুন বেশী বেশী!
২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:০৪
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: আপানকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবার শুভকামনা প্রত্যাশী।
৫| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:১২
শহিদুল ইসলাম মৃধা বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩২
মো: হাসানূর রহমান রিজভী বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ,শুভেচ্ছা জানবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৩:১১
আশরাফুল এষ বলেছেন: ভালো লাগলো। এরকম আরও লেখা চায় সামুবাসীরা।