| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বাস্থ্যকর এবং নিরাপদ গর্ভাবস্থা ধরে রাখতে গর্ভবতী মায়েদের অবশ্যই ১০টি উপদেশ মেনে চলতে হবে । এসব উপদেশ মেনে চললেই কেবল সম্ভব গর্ভাবস্থায় অবাঞ্ছিত ঝুঁকিকে এড়ানো ।
১। সুষম খাদ্য খাবেন ।
২। ধূমপান থেকে বিরিত থাকবেন ।
৩। ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ করুন । ---গর্ভসঞ্চারের শুরু থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত দৈনিক নিয়মিত ৪০০ মাইক্রোগ্রাম ফলিক এসিড খেতে হবে । ফলিক এসিড আপনি বিভিন্ন খাবার থেকে পেতে পারেন । এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফুলকপি, খাদ্যশস্য প্রভৃতি । নিয়মিত ফলিক অ্যাসিড খেলে গর্ভস্থ শিশু 'স্পাইনা বাইফিডা' হবার ঝুঁকি থেকে রেহাই পায় ।
৪। অ্যালকোহল পরিহার করুন ।
৫। কিছু খাবার এড়িয়ে চলুন । ---এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে নরম অপাস্তুরিত মাখন, ঠিকমত রান্না না করা মাংস, কাঁচা ডিম এবিং লিভার ।
৬। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন । ---আপনি যদি স্বাস্থ্যের ব্যাপারে শঙ্কিত থাকেন কিংবা আপনার কোন অবাঞ্ছিত স্বাস্থ্য সমস্যা ঘটে, যেমনঃ যোনিপথে রক্তস্রাব, মুখ ফুলে যাওয়া, হাত পা ফুলে যাওয়া, দেখতে অসুবিধা হওয়া, পেটেব্যথা কিংবা মাথাব্যথা করা তাহলে দেরি না করে সাথে সাথেই আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন । মনে রাখবেন বিলিম্ব যত হবে, আপনার ঝুঁকি তত বেড়ে যাবে ।
৭। ওষুধ পরিহার করুন । ---যদি আপনার কোন ওষুধের প্রয়োজন হয় আপনি চিকিৎসককে না জানিয়ে কোন ওষুধ খাবেন না । কারণ এমন ওষুধ আছে যা খেলে আপনার গর্ভস্থ শিশুর জীবন বিপন্ন হতে পারে ।
৮। আরাম করুন । ---শহরীর যথাসম্ভব শিথিল করে বিশ্রাম নিন । পা দুটো একটু উপরে তুলে রাখুন । নিয়মিত ব্যায়াম করবেন, কিন্তু সেই ব্যায়াম যেন হালকা ব্যায়াম হয় ।
৯। টক্সোপ্লাজমোসিস সম্পর্কে সচেতন থাকুন । ---আপনি কি জানেন পরজীবী সংক্রমণে আপনার গর্ভস্থ শিশুর মারাত্বক ক্ষতি হতে পারে ? এসময় পোষা বেড়াল থেকে দূরে থাকবেন । বিছানার উপড় ভুলেও যেন বেড়াল না উঠতে পারে তা নিশ্চিত করুন । বেড়ালের সংস্পর্শে কিংবা মল থেকে ঘটতে পারে টক্সোপ্লাজমসিস নামক ঘাতক ব্যাধি । একই সঙ্গে খেয়াল রাখবেন বিভিন্ন ফলমূল এবং শাকসবজি যেন ভালো করে ধুয়ে খাওয়া হয় । মাংস খেতে হবে ভালোমতো সিদ্ধ করে ।
১০। নিয়মিত এন্টেনেন্টাল চেকআপ করুন । ---গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবেন । যে-কোন সমস্যা হলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে ভুলবেন না । এসময় নিকটস্থ হাঁসপাতাল কিংবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে কাড করবেন এবং সেইমতো চেকআপ করবেন ।
আগে প্রকাশিতঃ View this link
©somewhere in net ltd.