নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কি বলা যায়! কিছু কথায় নিজেকে ব্যক্ত করা সম্ভব না আমার পক্ষে। তাই একটা সিরিজে কিছু কিছু করে সবই বলছি।

সামু পাগলা০০৭

আমি অতিআবেগী, আগে ব্যাপারটা লুকানোর চেষ্টা করতাম। এখন আর করিনা।

সামু পাগলা০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সামুপাগলার প্রাণী ব্লগ: বৈচিত্রময় পৃথিবী - ৫টি মিষ্টি প্রেমের গল্প! লাভ ইজ ইন দ্যা এয়ার ! :)

২৬ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৬



পূর্বের পর্ব:
সামুপাগলার প্রথম প্রাণী ব্লগ: কিছু কথা কিছু ছবি - ৫ টি রোমাঞ্চকর ও উত্তেজনাপূর্ণ জীবন মরণ লড়াই!

১) গ্রেট হর্নবিলস/রাজ ধনেশ!
গ্রেট হর্নবিলসরা মনোগামাস হয় মানে একের অধিক সঙ্গী রাখেনা। এদেরকে সাধারণত সাউথ ইস্ট এশিয়ায় পাওয়া যায়, এবং ৫০ বছরের মতো সময় বাঁচে। ওদের প্রশস্ত ডানা ঝাপটানোর শব্দ অনেক দূর থেকেও একজন মানুষ শুনতে পারে। ৫ বছর বয়সে ওরা ম্যাচিউর হয়, তখন থেকেই সঙ্গীনি খোঁজা শুরু করে দেয়। মেল হর্নবিলসরা ভীষন রোমান্টিক এবং প্রেমিকার মন জয় করার জন্যে প্রাণপন চেষ্টায় থাকে। পছন্দের মেয়েটির সামনে একের পর এক উপহার রাখতে থাকে। খাবার (মৃত শিকার, ফল), ডাল ইত্যাদি ততক্ষন পর্যন্ত দিতে থাকে যতক্ষন না পর্যন্ত মেয়েটি উপহার গ্রহণ করে! মেয়ে হর্নবিলসরাও কম রোম্যান্টিক নয়! অনেকের কাছ থেকে উপহার পেলেও, তারা শুধুমাত্র পছন্দের ছেলেটিরই উপহার গ্রহণ করে এবং তারপরে সারাজীবনে আর কারো উপহার নেয়না! আমৃত্যু একসাথে থাকে।



প্রেম হয়ে যাবার পরে, ওরা ঘর বাঁধে বড় কোন গাছের মাঝে। একসময়ে মেয়ে ধনেশটি ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা না হওয়া পর্যন্ত নিজেকে ঘরের মধ্যে রেখে দেয়। ঘরে প্রবেশের ফাঁকা জায়গাটিও বন্ধ করে দেয়! সেই দুমাস পুরুষ সঙ্গীটি একাই খাবারের ব্যবস্থা করে নিজের পরিবারের জন্যে। পুরুষটি লম্বা ঠোঁট ব্যবহার করে ঘরের ফাঁক দিয়ে খুঁজে আনা খাবার পৌঁছে দেয় নিজের সন্তানের মায়ের ঠোঁটে। যখন বাচ্চারা বড় হতে থাকে, তখন মা ও বাবা দুজনে মিলে বাচ্চাদের জন্যে খাবার আনার জন্যে বের হয়ে পড়ে।

২) সি হর্সেস/সামুদ্রিক ঘোড়া/সিন্ধুঘোটক!
ঘোড়ার মতো দেখতে এই সামুদ্রিক প্রাণীগুলোও মনোগামাস। প্রতি সকালে ওরা একে অপরকে গ্রিট করে - নাহ গুড মর্নিং বলে নয় অবশ্যই - তার চেয়েও অনেক সুন্দর ভাবে। ওরা একসাথে নাচে এবং সেসময়ে একে অপরের লেজ স্পর্শ করে, রং বদলায়। মজার ব্যাপার হলো, পুরুষ সি হর্সরা প্রেগন্যান্ট হয় এবং সেই প্রেগন্যান্সি পিরিওডে নারী সঙ্গীটি খেয়াল রাখে নিজের পার্টনারের!



এদের প্রেমের সবচেয়ে বড় প্রমাণ বোধহয় এটাই যে ওরা দুঃসময়েও সঙ্গীকে ছেড়ে যায়না। কোন কারণে যদি পুরুষটি আহত হয় এবং সেসময়ে সন্তান দিতে অসক্ষম হয়, তাহলে নারীটি তাকে ছেড়ে যায়না। বরং ততদিন পর্যন্ত সেবা করতে থাকে যতদিন পর্যন্ত তারা সুস্থ হয়।
যারা যারা ভাবছেন এ আর এমন কি!? এটাই তো স্বাভাবিক। তাদেরকে বলি, আস্তে চলার কারণে ওরা খুব দ্রুত ধরা পরে শিকারীর হাতে। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার একটাই উপায়, নিজের জিনস আগত জেনারেশনের মধ্যে দেওয়া। যে পার্টনার রিপ্রোডাকশনে সক্ষম নয়, তার পাশে থাকা মূলত নিজের পুরো জাতটাকে হুমকির মধ্যে ফেলে দেওয়া! কিন্তু প্রেমিকার হৃদয় কবে কোন যুক্তি মেনেছে? :)

৩) প্রেইরি ভোল!

ভোল হল ইঁদুরের একটি রিলেটিভ প্রজাতি। প্রেইরি ভোলদেরকে সেন্ট্রাল নর্থ আমেরিকায় দেখা যায়। মেল ভোলরা আয়েশ করে মনের মানুষ খোঁজে না। বরং যেকোন মেয়ের সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা করে। এর কারণ, যতদিন না সম্পর্ক এবং মেলামেশা হয় ওরা পার্থক্য করতে পারেনা কোনটি নিজের পার্টনার এবং কোনটি অন্য কোন মেয়ে ভোল! মানুষদের মধ্যে জমজদের মধ্যে যা হয় আরকি। কিন্তু সম্পর্ক হবার পরে ওরা পার্থক্য করতে পারে - গন্ধ, ব্যবহার ইত্যাদির মাধ্যমে। তখন ওরা ডিভোটেড প্রেমিক হয়ে যায়। ব্যাপারটা সেটেলড ম্যারেজের মতো অনেকটা, নয়? ;)



সম্পর্ক হয়ে যাবার পরে দুজনে এক ঘরে থাকা শুরু করে এবং সারাজীবন একসাথেই থাকে। মেল ভোলরা যেমন প্রেমিক তেমনই যোদ্ধা! নিজের সঙ্গীনি এবং সন্তানদের রক্ষার জন্যে নিজের এলাকায় চিহ্ন আঁকে এবং পাহাড়া দেয়। যদি অন্য কোন ভোল বিশেষত ফিমেল ভোল তার এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করে, তাহলে নিজের দাঁতে দাঁত ঘষে/বাহু তুলে তাদেরকে হুমকি দেয়। তাতে কাজ না হলে আক্রমণ করে। মেল এবং ফিমেল প্রেইরি ভোল কাপলরা মাঝেমাঝেই একে অপরকে জড়িয়ে ধরে থাকে উষ্ণতার জন্যে।

৪) বাটারফ্লাই ফিশ!

এই সুন্দর মাছগুলোকে কেন প্রজাপতি বলা হয় তা নিশ্চই ছবি দেখেই বুঝতে পারছেন!? শুধু সৌন্দর্যেই নয়, প্রেমেও তারা অন্য অনেক সামুদ্রিক প্রাণীর চেয়ে এগিয়ে। ওরা একাই থাকে যতদিন না পর্যন্ত সেই পারফেক্ট সোলমেটকে পায়, আর একবার পেয়ে গেলে তাদের সাথেই সারাজীবন মানে প্রায় সাত-দশ বছরের মতো সময় কাটিয়ে দেয়! বাটারফ্লাই ফিশেরা সবসময় জোড়ায় জোড়ায় সিংক্রোনাইজ করে সাঁতরে বেড়ায় এবং অদ্ভুত সুন্দর একটি দৃশ্য তৈরি করে। হলুদ, কালো ও সাদা রং এর পোশাকে, নেচে বেড়ায় নীল সমুদ্রের পানির মাঝে দুটো প্রেমে পাগল প্রজাপতি!



শুধু যে রোম্যান্সের জন্যেই ওরা একসাথে থাকে তা কিন্তু নয়। বিপদজনক সমুদ্রের কোণায় কোণায় প্রতি মুহূর্তে শিকার ও শিকারীর জীবন মরণ খেলা চলতে থাকে। সেখাকে একজন সঙ্গী থাকলে সার্ভাইব করা সহজ হয়ে যায়। বাটারফ্লাই ফিশদের খাদ্য হচ্ছে ছোট ছোট কাঁকড়া, চিংড়ি ইত্যাদি। কিন্তু এই শিকারগুলো প্রবাল প্রাচীরের ছিদ্রে লুকিয়ে থাকে এবং দু জোড়া চোখ থাকলে খুঁজতে সুবিধা হয়। শিকারের পরে একজন যখন খেতে থাকে অন্যজন চারিপাশে চোখ রাখে - কোন শিকারকে দেখলেই একজন আরেকজনকে সিগন্যাল দেয় এবং পালিয়ে যায় দুজনে মিলে। তবে এদের ভালোবাসা শুধুই স্বার্থের জন্যে তৈরী হয়না।

যদি কোনদিন এরা আলাদা হয়ে যায় তাহলে প্রবাল প্রাচীরের একেবারে মাথায় উঠে ভালোবাসার মাছটিকে খুঁজতে শুরু করে দেয় যদিও এতে মৃত্যুর আশংকা থাকে!

৫) লাভবার্ড!

আই সেভড দ্যা বেস্ট ফর দ্যা লাস্ট! প্রেমের কথা হচ্ছে, সেই প্রানীটিকে আনব না যার নামের মধ্যেই প্রেম আছে? লাভবার্ড! রোম্যান্টিক মানব কাপল দেখলেও আমরা বলি, "দেখো দেখো একেবারে লাভবার্ড!" কখনো কৌতুহল হয়েছে কেন ওদের এমন নামকরণ, কিভাবে ভালোবাসার প্রতীক হয়েছে ওরা?



ওরা যে মনোগামাস সেটা আলাদা করে বলার কিছু নেই। সারাক্ষন জোড়ায় জোড়ায় গাছের ডালে বসে থাকা পাখিগুলোকে দেখলেই বোঝা যায় সেটা। ১০-১৫ বছরের ছোট্ট কিন্তু সুন্দর একটা জীবন ওদের। মাত্র ২ মাস বয়স থেকেই সঙ্গী খোঁজা শুরু করে দেয়। মেয়ে পাখিগুলো নিজের পালক ঝাঁকিয়ে পুরুষ পাখিকে আকৃষ্ট করে। পুরুষ পাখিটি সুন্দর করে মাথা ওপর নিচ করে নাচের মাধ্যমে জবাব দেয়। একবার প্রেম হয়ে গেলে এদের আর আলাদা দেখা যায়না। সারাক্ষন একসাথে বসে থাকে এবং একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে থাকে।

ওরা একসাথে থাকার বাহানা করেনা, বরং একসাথে থাকাকেই নিত্যদিনের নিয়ম বানিয়ে ফেলে। দুজনে মিলে খাবার খুঁজতে যায় এবং বাচ্চাদের খেয়াল রাখে। এদের এমন জোড় দেখে গ্রীকদের তীব্র বিশ্বাস ছিল যে একজন মারা গেলে অন্য সঙ্গীও মারা যাবে। যদিও সেটা সবসময় সত্যি নয়, অনেকেই শোকটি সামলে নেয়। তবে হ্যাঁ, এটা দেখে গিয়েছে যে কিছুক্ষেত্রে, সঙ্গী মারা গেলে কিছুদিন পরে হুট করে অন্য পাখিটিও মারা যায়। কোন পূর্ব অসুস্থতা বা শিকারীর কারণে নয়। মানসিক কষ্টে না খেয়ে থাকা এবং এক কোণে বসে থাকা, সোশালাইজ না করার কারণে একা লাভবার্ডটি মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে ধীরে ধীরে।

শেষ কথা:



ছোটছোট প্রাণী হয়েও ওদের মধ্যে কত ভালোবাসা! আর আমরা মানুষেরা - সৃষ্টির সেরা জীব হয়েও কি করছি? প্রেমে ধোঁকা দিয়ে কাউকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছি। প্রেগন্যান্ট স্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছেন স্বামীরা যে কন্যা সন্তান হলে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেবেন! অনেক নারী পরকীয়া এবং মেন্টাল এবিউজের মাধ্যমে শেষ করে দিচ্ছেন পুরুষটির জীবন! যৌতুকের দায়ে হত্যা তো নিত্যদিনের ব্যাপার। সামর্থ্যের বেশি চেয়ে স্বামীকে বারবার অপমান করে, অনেকে ডিভোর্সের পথে হাঁটছেন! যা যা বললাম তার সব যে পেপারে পড়েছি তা নয়, নিজের পরিচিতদের এসবের মধ্যে দিয়ে যেতেও দেখেছি!
কেন এতকিছু? সত্যিই কি কোন দরকার আছে এক জীবনে নিজের জীবন সাথীকে এত কষ্ট দেবার? কিসের এত ইগো/জেদ/রাগ/অভিমান? এই প্রাণীগুলোর কাছ থেকে কিছু শিখুন এবং সবার আগে নিজের পাশের মানুষটিকে ভালো রাখুন। সে ভালো না থাকলে কিন্তু আপনিও ভালো থাকবেন না। বৃদ্ধ বয়সে পাড়া প্রতিবেশী, বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজন, সন্তান কেউ কাছে থাকবেনা - ঔষুধটা এগিয়ে দেবেনা, নকল দাঁত/চশমা খুঁজে দেবে না, ফেলে আসা জীবনের স্মৃতিগুলো নিয়ে গুটুর গুটুর গল্প করবেনা। শুধু এটুকু মনে রাখবেন, তাহলেই বিনা কারণে "ব্রেকআপ/ডিভোর্স" শব্দগুলো মুখ থেকে বেড়োবে না। ভালোবাসার পোস্টটি সবাইকে ভালোবাসা জানিয়ে শেষ করছি। :)

ছবি ও তথ্যসূত্র: অন্তর্জালের অলিগলি।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:০৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: কি দারুণ সব মিষ্টি প্রেমের গল্প।

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:১২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনার নিকটিও কিন্তু খুব মিষ্টি! প্রিয় গানটির কথা মনে করিয়ে দেয়।

প্রথম মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা।
সকল শুভকামনা রইল।

২| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:০৭

শের শায়রী বলেছেন: দারুন ভালো লাগার এক পোষ্টে ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম, কিছুই জানতাম না এ ব্যাপারে। ভালো থাকুন।

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:১৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ভালো লাগা জানিয়ে অনুপ্রাণিত করলেন। নতুন কিছু জানাতে পেরে আনন্দিত।

পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ অনেক।
ভালো থাকুন।

৩| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:২৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অসাধরাণ লিখা, ভালো লাগলো

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:২৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ, মন্তব্য করে ভালো লাগা জানানোর জন্যে।
শুভেচ্ছা।

৪| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: শেষের কথাগুলোর জন্য সবিশেষ কৃতিজ্ঞতা! প্রানীদের প্রেমের গল্প পড়ে যার পর নাই বিমোহিত হলাম।

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২১

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যে আপনাকেও কৃতজ্ঞতা!

মন্তব্যে পাশে থাকার জন্যে ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন শেরজা তপন!

৫| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১৪

বিপ্লব06 বলেছেন: প্রাণী ব্লগ ভালো লাগছে।

বেশ কিছুদিন পরে আসলাম। কি অবস্তা আপনার? পড়াশুনা কি নিয়ে করছেন? শেষ হয়ে গেল নাকি এর মধ্যে?

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:২৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই!

আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারো ভালো লাগল। :)

জ্বি শেষ হইয়াও হইলনা শেষ, ইন্টারশিপের জন্যে স্পেসিফিক জব পাওয়াটা কঠিন এই প্যানডেমিকের মধ্যে। জব খুঁজতে খুঁজতে আরো কিছু এক্সট্রা কোর্স পড়তে পারি। দেখা যাক।

আপনার কি অবস্থা? নিশ্চই ভালো?
বি সেফ, টেক কেয়ার।

৬| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৫৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

সুন্দর পোস্ট।
পোস্টে গোল্ডেন এ +।

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৫২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হাহা, ব্লগে আমার প্রথম গোল্ডেন এ+! ইয়েএএ। থ্যাংকস এ লট!

নিজের খেয়াল রাখবেন ভাইয়া।

৭| ২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: পশুপাখি থেকে শুরু করে প্রতিটা মানুষের মধ্যেই ভালোবাসা থাকে। ভালোবাসাই হতে পারে মানুষের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

২৬ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৫৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন রাজীব নুর। ভালোবাসা সব প্রাণীর মধ্যে রয়েছে এবং যেকোন বিপদ থেকে বাঁচতে ভালোবাসাই মানুষকে সাহায্য করতে পারে। বা এও বলা যায় যে মানুষে মানুষে ভালোবাসা থাকলে, পৃথিবীর অর্ধেক সমস্যা নাই হয়ে যেত!

৮| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১২:১৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: খুবিই চমৎকার একটি পোস্ট। কিছু অজান হলো জানা।

ধন্যবাদ।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৩৭

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: মোস্ট ওয়েলকাম। আপনাকেও ধন্যবাদ পোস্টটিকে প্রশংসা করার জন্যে। এমন পোস্ট আরো দেবার জন্যে অনুপ্রাণিত হলাম।

শুভকামনা রইল।

৯| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১:৫৮

রামিসা রোজা বলেছেন:
কত অজানাকে জানলাম । মানুষের শেখার শেষ নেই সে যেই হোক না কেন মানুষ ভুল করে অথচ দেখুন আপনার লেখাগুলো পড়ে মনে হচ্ছিলো, মানুষ কেন এমন হয় না ?
চমৎকার লেখায় ভালোবাসা রইলো ।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৪২

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আসলেই! মানুষ কেন এমন হয়না? এসব প্রাণীরা যদি জানে, মানুষের মধ্যে মেয়ে এবং ছেলে সন্তান নিয়ে ঝগড়া হয়, প্রেগন্যান্ট ওয়াইফকে মারধোরও করে কিছু কিছ বর, তাহলে অবাক হয়ে যাবে! কেউ খারাপ কাজ করলে আমরা তাকে জানোয়ার বলে গালি দেই, কিন্তু আমরা অনেকক্ষেত্রেই ওদের চেয়ে অধম!

আপনার সুন্দর মন্তব্যটিতে আমারো ভালোবাসা জানবেন।
নিরাপদে থাকুন।

১০| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:৩২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হেই সখি
দারুন ভিন্ন মাত্রার উপস্থাপনা :)

এমন দারুন প্রানী প্রেমোপাখ্যান পড়ে যদি কাব্য না আসে, তবে তো নিজের প্রতি অবিচার করা হবে ;)

পাঠান্ত ভাবনা চরণ-

রাজ ধনেশ হয়ে যখন সাজিয়েছি উপহারের পাহাড়
তুমি রাজনন্দীনি গ্রীবা বাঁকিয়ে চলে গেলে অন্য সখায়;
সি হর্সেস হয়ে যখন ভেসে উঠেছিলাম বাঁচাতে তোমায়
শিকারীর জালে যখন ছটফট, তুমি ভুলে গেলে আমায়;

প্রেইরি ভোল হয়ে দাতে দাত ঘষে শত্রুর মূখোমূখি
আহত আমায় ফেলে চলে গেলে বিজয়ী ঘরে;
বাটার ফ্লাই ফিশ হয়ে যখন হারিয়ে খুঁজছি তোমায়
অলখে শিকারী জালে হারালাম উঠে প্রবাল পাচিলের পরে;

লাভ বার্ড হয়ে তুমি জনম জনমের সখি হয়ে থাকো সদা
হারাবার ভয় হীন স্বপ্নের ভুবনে অনন্য যুগল চখি-চখা।
:)

কেমন হলো তাৎক্ষনিক প্রাণিপ্রেম কাব্য

ভিন্নমাত্রার উপস্থাপনায় অনেক অনেক ধন্যবাদ
লাভ বার্ডেরে টা জানা ছিল। বাকী গুলো জানানোয় কৃতজ্ঞতা।

অনেক অনেক শুভকামনা

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: ওহে সখা! কে দিলে মনে এমন ব্যাথা? ;)
এতো প্রাণী প্রেমের মিলনাত্মক গদ্য
বিদ্রোহের রক্ত লাল কালি নয়
জবাবে এলো নীল বিরহের পদ্য!

কেমন লাগছে জিজ্ঞেস করছেন কি? আমার পোস্টের ওজন আপনার কবিতায় ১০০ কেজি বেড়ে গেল! জাস্ট অসাম! থ্যাংকস এ লট! ব্লগে এসেই সুন্দর মন্তব্যটি পেয়ে খুবই ভালো লাগল।

শুভকামনা আপনার জন্যেও!

১১| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:০৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: শেষ কথাগুলোই পোস্টটাকে এক ভিন্ন উচ্চমাত্রায় নিয়ে গেল। পুরুষ সি-হর্স প্রেগ্ন্যান্ট হয়ে, এটা খুব আশ্চর্য লাগলো।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৯

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আর তখন নারী সি হর্সটি সেবা করে প্রেগন্যান্ট সাথীর! ইন্টারেস্টিং না? কত বিচিত্র আমাদের এই দুনিয়া!

সুন্দর মন্তব্যটির জন্যে ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা।

১২| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: খুব সুন্দর শিক্ষনিয় পোস্ট আপি

শেষ কথা

বেশী ভালো লাগলো। মানুষ যে কেন বুঝে না :(

ভালোবাসাময় হোক সকলের পরিবার

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই ছবি আপু! আপনাকে পোস্টে পেয়ে দারূণ লাগল!

সেটাই, মানুষই বুঝলনা, ওরা ছোট ছোট প্রাণী হয়েও বুঝে গেল যে জীবন সাথীর হাত কখনো ছাড়তে হয়না, বিপদে আপদে পাশে থাকতে হয়! আর আমাদের মানুষদের সম্পর্ক বিপদে আরো বেশি দূর্বল হয়ে পড়ে! দুঃখজনক!

একই কথা আমারো - ভালোবাসাময় হোক সকলের পরিবার

১৩| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তরে খুব সুন্দর একটা কথা বলেছেন। মানুষে মানুষে ভালোবাসা থাকলে, পৃথিবীর অর্ধেক সমস্যা নাই হয়ে যেত!

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আবারো ফিরে এসে প্রতিমন্তব্যে ভালো লাগা জানানোর আন্তরিকতায় মুগ্ধ হলাম।
ভালো থাকুন রাজীব নুর!

১৪| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৩০

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: বাহ! দারুন পোষ্ট।তবে শেষের দিকের কথা গুলি বাস্তব সত্য।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৫

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: হেই মোস্তফা সোহেল! পোস্টে পেয়ে খুবই খুশি হলাম।

সুন্দর কিছু কথায় অনুপ্রাণিত করলেন।
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানবেন।

১৫| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৪৫

তারেক ফাহিম বলেছেন: ভিন্ন মাত্রার পোস্ট।

পাঠে ভালো লাগা।
শেষাংশে লিখাগুলো পোস্টকে আরো সুন্দর করে তুলল।

২৭ শে জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: শেষের কথা গুলো লেখার জন্যেই হয়ত পোস্টটি দেওয়া! চারিপাশে এত ক্যাচাল দেখি মানব লাভবার্ডদের মধ্যে, যে মনে হলো রিয়েল লাভবার্ডদের কথাও লেখা উচিৎ। শেখা উচিৎ ওদের কাছ থেকে আমাদের সবার!

ভালো লাগা জানানোয় কৃতজ্ঞতা।
বি সেফ, বি হ্যাপি!

১৬| ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:০৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: প্রাণীদের ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি সুন্দরভাবে আপনার লেখায় ফুটে উঠেছে। আপনাকে ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য।

২৮ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৩৩

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: মোস্ট ওয়েলকাম সাড়ে চুয়াত্তর। ছোট্ট কিন্তু সুন্দর মন্তব্যটির জন্যে আপনাকেও ধন্যবাদ জানাই!
ভালো থাকবেন অবশ্যই।

১৭| ২৮ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৫৬

মূর্খ বন মানুষ বলেছেন: এত অল্প সময় এর ব্যবধানে আরো একটা পোষ্ট! অবশেষে তাহলে আপনার লেখার হাত আবার গতি পাচ্ছে।

প্রাণীদের জগত বড়ই রহস্যময়। এখনো নতুন নতুন প্রাণীর প্রজাতি আবিষ্কার হচ্ছে। আমি একটা আর্টিকেলে পড়ে ছিলাম যে আমরা মহাকাশ নিয়ে যত তথ্য জানি, তার থেকে অনেক কম জানি প্রাণী জগত নিয়ে! বিশেষ করে সাগরের অনেক গভীরের প্রানীদের নিয়ে। আপনার লেখা থেকে সেই সব রহস্যময় জগতের অল্প অংশ হলেও জানতে পারলাম। প্রাণীদের ভালোবাসা সম্পর্কেও জানতাম কিছু কিছু, তবে আপনার লেখা থেকে অনেক তথ্যপূর্ন ভাবে প্রাণীদের রহস্যময় ভালোবাসার জগত সম্পর্কে জানলাম।সৃষ্টির সেরা জীব হয়েও আমরা এমন ভালোবাসা বজায় রাখতে পারি না সেটাই আমাদের জন্য লজ্জাজনক।

২৮ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪০

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন। যা জানি তা এক ফোঁটা জল আর যা জানিনা তা মহাসমুদ্র! স্যার আইস্যাক নিউটনের এই কথাটি লিটারালী ট্রু! আমার খুব শখ হয় জানার! সমুদ্রের, আকাশের, অন্য প্ল্যানেটের প্রাণী/জীবগুলোকে নিয়ে জানতে।

সৃষ্টির সেরা জীব হয়েও আমরা এমন ভালোবাসা বজায় রাখতে পারি না সেটাই আমাদের জন্য লজ্জাজনক।
পোস্টের সারমর্ম এটাই!

পোস্টটি মন দিয়ে পড়ে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্যে থ্যাংকস।
টেক কেয়ার!

১৮| ২৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৪৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: বাহ, কত প্রেম প্রাণীদের ভেতরে!

২৯ শে জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৫৮

সামু পাগলা০০৭ বলেছেন: আপনাকে পোস্টে পেয়ে দারূনভাবে অনুপ্রাণিত হলাম। ধন্যবাদ।

একদম তাই, ওদের এত প্রেমের কিছুটা প্রত্যেকটা মানুষে মানুষে থাকলে পৃথিবীটা অন্যরকম হতো!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.