নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চারুশিল্পী , লেখক

শাহ আজিজ

চারুশিল্পী , লেখক

শাহ আজিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কলাপাতায় খেয়েছেন কখনো ??

১২ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৪৯



এই সময়ে এটি এক বিরল অভিজ্ঞতা । আমার ছোট বেলায় গ্রামের বাড়িতে আব্বা ২৭ রমজান বেশ ঘটা করেই করতেন । ছাগল জবাই হতো , সব্জি , ডাল আর ভাত । আমি ঐ সময়টা শীতকাল পেয়েছি বলেই নতুন চালের ভাত রান্না হতো বিশাল ডেগে । কলাপাতা কেটে আনত আমাদের কিষাণরা । তারপর তা পুকুরে ভাল করে ধুয়ে রেখে দিত । কলাপাতা আসত পরিচিত কারো বাড়ি হতে এবং তিন চারশ লোকের আয়োজন হতো । সেই পাক আমলে তিনশ লোক চাট্টিখানি কথা নয় । আমাদের থানা সদরে সামান্য লোক ছিল । সরকারী অফিস আর থানার স্টাফ দিয়ে জনা পঞ্চাশ মানুষ হতো । পুরাতন বাড়ি থেকে আর পাশের গ্রামগুলো থেকে বাকি মানুষ আসত । প্রথমেই ইফতার বা রোজা খোলা যাকে বলে সেটি কয়েকটি কলাপাতা দিয়ে তার পর পিয়াজু , বেগুনি , ছোলা আর মুড়ি এবং চিড়া কলা মাখা দিয়ে রোজা খুলে আব্বার তৈরি মসজিদে মাগরিব আদায় হতো । ঘণ্টা খানেক পরে মুল খাওয়ার পালা । মাংস , ভাজি , ডাল দিয়ে রাতের খাবার বা ইফতারির দ্বিতীয় পর্ব । ডাল যাতে গড়িয়ে না পড়ে তার জন্য সবাই খুব কসরত করত । ঐ সময় মানে ৬০এর দশকে গ্রামে ডেকোরেটর ছিল না যাতে প্লেট ভাড়া করে আনা যায় । বিয়েবাড়িতেও কলাপাতার প্রচলন ছিল । সবাই খেয়ে দ্রুত রওনা দিত বাড়িতে যাওয়ার জন্য , সবাই পায়ে হেটে । এদের মধ্যে একজনের কাছে তিন ব্যাটারির টর্চ অতি অবশ্যই থাকত। বাইসাইকেল বা রিকশা একটা স্বপ্ন ছিল । সবশেষে কলাপাতা নিয়ে নদীতে ফেলে দিত । শুধু এসব উৎসবে নয় মিষ্টির দোকানে ছোট কলা পাতায় মিষ্টি আর সন্দেশ পাটের সুতলি দিয়ে বাঁধা হতো । শুধু রসগোল্লা মাটির মালসায় দিয়ে কলা পাতায় মুখ মুড়ে দিত , এটি শহরেও প্রচলিত ছিল । ক্রমশ জীবন জীবিকা পাল্টেছে এবং কলাগাছ রোয়া হ্রাস পেয়েছে বা কলা না কাটা পর্যন্ত পাতা দিতনা গেরস্থ । এখন মেলামাইন দখল করেছে কলা পাতার জায়গা । আমি পঞ্চান্ন বা তার বেশি বছর আগের কথা বলছি । অনেক দুরের আত্মীয় স্বজনরা আসতে পারতেন না দূর রাস্তা অতিক্রম করার ঝামেলায় ।

ছবি - সংগৃহীত

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমাদের শৈশবের চেনা দৃশ্য!

কলা রুয়ে কলা না কাটা পর্যন্ত গেরস্তরা পাতা দিতে চাইতো না, কারণ সে সময় একটা প্রবাদ খুবই প্রচলিত ছিলঃ
"কলা রুয়ে না কেটো পাত,
তাতেই কাপড়, তাতেই ভাত"!

১২ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:২৯

শাহ আজিজ বলেছেন: হুম , এটাই বাঙ্গাল সংস্কৃতির একটা অংশ এবং আমরা জোর গলায় বলি কলা পাতা খুব উপকারি জিনিষ।

২| ১২ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:১৮

জগতারন বলেছেন:
আমি বহুবার খেয়েছি ১৯৬০ সালে গোড়ার দিকে।
বড় চাচাতো বোন ও ফুপুদের শশুর-এর মৃত্যুর পরে তাদের বাড়ীতে তার স্মরনে ফয়তা জিয়াফত খেতে যেতাম।
আমাদের গুষ্টীতে বড় দাদাদের মৃত্যুর পরে বহুবার ফয়তা বা জিয়াফতের আয়োজন হয়েছিল আমার বেশ মনে আছে।

১২ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩১

শাহ আজিজ বলেছেন: গ্রামের মানুষ জিয়াফত খেতে খুব পছন্দ করত । যারা জিয়াফত আয়োজন করত না পাড়ার লোকেরা বলত তোদের বাপ বেহেশতে জায়গা হবে না , তাড়াতাড়ি খাওয়া আমাগে ।

৩| ১২ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনার বাবার বনেদী আয়োজনের কথা শুনে খুব ভালো লাগলো।

আমরা ছোটোবেলায় কলাপাতায় শিন্নী খেয়েছি। শিন্নী হলো মানত উপলক্ষে দুধের জাও (চিনি ও লবণ ছাড়া) বা খিঁচুড়ি রান্না করে পোলাপানগো খাওয়ানো। একবার আমার মা আমার কোনো এক বিপদ উপলক্ষে এই শিন্নীর মানত করেছিল :) আরেকটা ছিল বাতাসা, যা শিন্নী আকারে বাচ্চাগো মধ্যে বিলানো হতো।

তবে, কলাপাতার সর্বাধিক ব্যবহার হতো মেলা বা ওরসের বাড়িতে (পীর বা ফকির বাড়িতে)। সারারাত জিকির, গজল, জারি-বয়াতী গানের পর শেষ রাতের দিকে খিঁচুড়ি খাওয়ানোর আসর বসতো। এগুলোর প্রতিটারই সুনির্দিষ্ট গ্রামীণ টার্ম আছে, যা আজ ভুলে গেছি, তেমন প্রচলন আছে কিনা তাও জানি না। শীতের রাতে মেলায় গিয়ে শীতে কাবু হইয়া অনেক বারই ব্যাপক কষ্টের মধ্যে পড়তে হয়েছিল। একবার তো টাকা পয়সা শেষ, খিদার চোটে আধামরা হইয়া গেছি। লাইন ধরে ডেকচি বসাইয়া মেলার শিন্নী রান্না হচ্ছে, একটু পর পর সেখানে যাইয়া ঘোরাঘুরি করি - মনে হইতেছিল এই নিদানের কাল বোধ হয় আর শেষ হবে না। তো, সেইখানে এই কলাপাতায় পাতলা খিঁচুড়ি খাইতাম। আগে কী সুন্দর কলাপাতায় খাইতাম :)

টপিকে নস্টালজিক। আমার কোনো কোনো লেখায় এই কথাটা আছে বলে মনে পড়ে।

১২ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৩৭

শাহ আজিজ বলেছেন: শিন্নি শব্দটি দক্ষিনাঞ্চলে ব্যাপক পরিচিত এবং এখনো । আমার বাবা শিন্নি পছন্দ করতেন না , তার কথা ছিল মানুষ বছরে একবার খায় তাই ভাল খাওয়াই । আপনার অভিজ্ঞতা ব্যাপক । ধন্যবাদ আমাদের সাথে যোগ দেবার জন্য ।

৪| ১২ ই মে, ২০২২ রাত ৮:১১

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ‌আমার মনে হয় এই সুযোগ হয়নি এখনো।

১২ ই মে, ২০২২ রাত ৮:৪২

শাহ আজিজ বলেছেন: এখন প্রায় নেইই বলা চলে । সম্ভবত মন্দিরে কলাপাতা ব্যাবহার হয় ।

৫| ১২ ই মে, ২০২২ রাত ৮:৩৯

সোনাগাজী বলেছেন:


পাকিস্তানী আমল থেকেই চট্টগ্রামের মানুষ এর থেকে বেশী ঐক্যবদ্ধ ছিলো; সমাজের কাছে এলুমিনিয়ামের প্লেট ছিলো; সমাজের অথবা পারিবারিক মেজবানে সেগুলো ব্যবহার হতো।

১২ ই মে, ২০২২ রাত ৮:৪৪

শাহ আজিজ বলেছেন: চট্টগ্রামে ধনিক বনিকের বাস কাজেই সেখানে এলিট ব্যাপার স্যাপার থাকবে ।

৬| ১২ ই মে, ২০২২ রাত ৮:৪২

একলব্য২১ বলেছেন: এখন গ্রামে গঞ্জে কি আর একদমই কলাপাতা ব্যাবহার হয় না। কবে থেকে উঠে গেল এই প্রচলন।

১২ ই মে, ২০২২ রাত ৮:৪৬

শাহ আজিজ বলেছেন: কলার মুল্য বৃদ্ধি এবং কলার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কলা পাতা কেউ বেচে না । কলা গাছের চাষ হচ্ছে গ্রামে ।

৭| ১২ ই মে, ২০২২ রাত ৮:৫১

ইসিয়াক বলেছেন: আমাদের এলাকায় ১৯৯৯ সালের শেষ দিকে সম্ভবত শেষ বারের মত কলা পাতায় চল্লিশা খানা খেয়েছিলাম। সে এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা। ততদিনে চেয়ার টেবিল ডেকরেটর চলে এসেছে বলে এই ব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়ে যায় আস্তে আস্তে ।কখনও কখন রাত দুপুরের বনভোজন করলে কলা পাতা ই ভরসা ছিল । কয়েকবার পদ্মপাতায় ও নেমন্তন্ন খেয়েছি হিন্দু বন্ধুদের বাড়িতে।

১২ ই মে, ২০২২ রাত ৯:০২

শাহ আজিজ বলেছেন: ভারতে সেগুনের শুকনা পাতা এবং বট পাতা ব্যাবহার হয় দেখেছি । বাংলাদেশে কলাপাতা সংগ্রহ করা ভীষণ মুস্কিল ।

৮| ১২ ই মে, ২০২২ রাত ৮:৫৬

ইসিয়াক বলেছেন: আমাদের এলাকায় পাইকারি হাটে কলা পাতা ও পদ্মপাতা বান্ডিল করে বেঁচতে দেখেছি। আমি নিজেও ময়রার দোকান থেকে পদ্ম পাতায় মোড়ানে মিষ্টি ও ছানার জিলাপি কিনেছি। শুকনো মিষ্টি দেওয়া হতো কলাপাতায়। এক্ষেত্রে দয়া কলার( বিচি কলা) পাতা বেশি ব্যবহার হত।

১২ ই মে, ২০২২ রাত ৯:০৩

শাহ আজিজ বলেছেন: দয়া কলার পাতা কি আলাদা রকম , খেয়াল করে দেখিনি ।

৯| ১২ ই মে, ২০২২ রাত ১০:২৮

জুন বলেছেন: ভারতের রামেশ্বরম থেকে ট্যুরিস্ট বাসে রওনা দিয়ে মাদুরাই হয়ে কন্যাকুমারী গিয়েছিলাম। মাঝ রাতে কন্যা কুমারীর প্রায় দরজা বন্ধ বন্ধ অন্নপূর্ণা রেস্তোরাঁয় ক্ষুধার্ত ক্লান্ত আমরা গোটা বিশেক ভ্রমন পিয়াসী কলাপাতায় ডাল ভাত খেয়েছিলাম। কি যে অপুর্ব তার স্বাদ বলতে পারবো না। অদুরে তিন সমুদ্রের গর্জন আর আমরা বেঞ্চে বসে টেবিলের উপর বিছানো কলাপাতা যার চারিদিকে ডাল চলকে চলকে পরছে আর আমরা হাত দিয়ে কেচে কেচে মাঝখানে টেনে আনছি আর সপ সপ করে মুঠো মুঠো ডাল মাখা ভাত মুখে চালান করছি। সেই প্রথম কলাপাতায় খাওয়া আর বড্ড স্মরণীয় রাত।

১২ ই মে, ২০২২ রাত ১০:৪২

শাহ আজিজ বলেছেন: ওয়াও , দক্ষিনের ডালে একটা আলাদা স্বাদ আছে কিন্তু উড়িস্যায় নেই । কলকাতায় কিছু ছোটখাটো খাবার দোকানে এরকম ডাল পাওয়া যায় , অদ্ভুত । ডাল ম্যানেজ করা একটা আলাদা জিমন্যাসটিক চর্চা ।

চেন্নাই আর পন্দিচেরিতে বাঙ্গালরা হোটেল খুলেছে যেখানে চমৎকার বাঙ্গাল রান্না হয় , ডাল চমৎকার ।

১০| ১২ ই মে, ২০২২ রাত ১১:৫৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: খেয়েছি।
আমাদের বাড়িতে বড় বড় দোয়ার মাহফিল হতো।
অনেক মানুষ আসতো। তখন কলার পাতায় খাবার দিতো।

১২ ই মে, ২০২২ রাত ১১:৫৯

শাহ আজিজ বলেছেন: আমার কেনো জানি মনে হয়েছে সংস্কৃতির এই ধারাটি আমাদের ধরে রাখা উচিত ।

১১| ১৩ ই মে, ২০২২ রাত ১২:০৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: লাস্ট পিকনিকে আমরা কলাপাতায় খেয়েছিলাম। পদ্মার ধারে।

১৩ ই মে, ২০২২ রাত ১২:০৬

শাহ আজিজ বলেছেন: বাহ চমৎকার আয়োজন ছিল নিশ্চয়ই ।

১২| ১৩ ই মে, ২০২২ রাত ১২:০৫

মিরোরডডল বলেছেন:




আমি খাইনি কখনও কিন্তু শুনেছি ।
মন্দিরে পূজার সময় কলাপাতায় খাবার দেয়, ওটাকে বলে ভোগ ।



১৩ ই মে, ২০২২ রাত ১২:০৮

শাহ আজিজ বলেছেন: একসময় এই বঙ্গে কি মুসলমান কি হিন্দু ঐ কলাপাতাই সম্বল ছিল । ফেলে দিলে মাটি উর্বর হতো অথবা গরুকে দিয়ে খাওয়ানো যেত । মাল্টিপারপাস ইউজ ।

১৩| ১৩ ই মে, ২০২২ সকাল ৯:৫৬

বিজন রয় বলেছেন: হ্যাঁ, হ্যাঁ, অনেকবার খেয়েছি।
এখনো মাঝে মাঝে দেখি।

১৩ ই মে, ২০২২ সকাল ১০:০৬

শাহ আজিজ বলেছেন: ৬০ এর দশকে কলা পাতায় খাওয়া দেখেনি এমন মানুষ খুব কমই আছে ।

১৪| ১৩ ই মে, ২০২২ সকাল ১০:১৮

জ্যাকেল বলেছেন: কমবেশি সকলেই কলাপাতায় সিন্নি খাওয়ার কথা। অবশ্য অধুনা ২০০০ এর পরে জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের খবর ভিন্ন হইতে পারে।

১৩ ই মে, ২০২২ সকাল ১০:৫০

শাহ আজিজ বলেছেন: হুম , ২০০০ কেন তার আগেও ঢাকায় জন্ম নিয়েছে বড় হয়েছে এরকম অনেকেই কলা পাতার ট্র্যাডিশন জানেনা শুনেছে ।

১৫| ১৩ ই মে, ২০২২ সকাল ১০:৫৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: খাইনি কখনও। তবে গ্রামে এই ধারা এখনও মনে হয় আছে। তবে পাতার ( কিসের পাতা বলতে পারবো না) তৈরি পাত্রে বিয়ের জন্য রান্না করা পোলাও দেখেছি অনেক আগে।

১৩ ই মে, ২০২২ সকাল ১১:০৩

শাহ আজিজ বলেছেন: পাতা দিয়ে প্রেস করে খোরা বা বাটি তৈরির চল ভারতে চলমান । আমাদের সীমান্ত এলাকায় এসব জিনিষ সুলভ । আমিও আশা করি বিবিধ পাতা শুকিয়ে প্রেস করে এরকম বাটি তৈরি সম্ভব এবং তা রেস্টুরেন্টে ব্যাবহার হতে পারে । প্লেট ঠিকমতো ধোয়া হয়না হোটেল গুলোতে ।

১৬| ১৩ ই মে, ২০২২ সকাল ১১:০৪

নতুন বলেছেন: গতকালই লান্চ করেছি বানানা লিফে B-))

ছোট বেলায় দাদা বাড়ীতে অনুস্ঠানে কয়েক বার খেয়েছি। তারপরে গ্রামেও ডেকোরেটার ব্যবসা শুরু হবার পরে এখন শুধুই আধুনিক খানাপিনার আয়োজন হয়।

বিদেশে এসে রেস্টুরেন্টে কলা পাতায় খেয়েছি। গতকালই ভারতীয় একটা রেস্টুরেন্টে দুপুরে মোটা চালের ভাত আর বিভিন্ন শবজি আর মাছ ভাজা।

https://www.instagram.com/reel/CdfEIPDDEAk/?igshid=YmMyMTA2M2Y=

১৩ ই মে, ২০২২ সকাল ১১:২৭

শাহ আজিজ বলেছেন: দুর্দান্ত !!

কলা পাতার প্রতি দুর্বলতা আছে আমার কারন শহরের বাড়িতে কয়েকটা কলা গাছ ছিল এখন যা শুধুই স্মৃতি ।

১৭| ১৩ ই মে, ২০২২ দুপুর ১:০১

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: বেস ক'বার খেয়েছি

১৩ ই মে, ২০২২ দুপুর ২:৫৫

শাহ আজিজ বলেছেন: কেমন একটা আলাদা স্বাদ ভাব আছে ।

১৮| ১৩ ই মে, ২০২২ বিকাল ৪:৫৭

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: শুক্রবার মসজিদে খিচুড়ি দেওয়া হতো কলাপাতায়।

১৩ ই মে, ২০২২ বিকাল ৫:০০

শাহ আজিজ বলেছেন: যখন প্লেট সুলভ ছিলনা তখন কলাপাতাই সম্বল ।

১৯| ১৩ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩৬

জুন বলেছেন: আগের দিনে সনাতন ধর্মীদের মাঝে কলা পাতার বহুল ব্যবহারের উল্লেখযোগ্য একটি কারন ছিল যে তাদের মতে এটা মাটি বা ধাতব প্লেট বাসনের মত এটো হতো না। কারন একজন খাবার পরেই ফেলে দেয়া হতো । দক্ষিন ভারতে বিশেষ করে মন্দিরের শহর মাদুরাইতে এখনো কলাপাতা প্রচুর ব্যবহার হয় শাহ আজিজ । মুসলমানরা ব্যবহার করতো সহজলভ্য ও প্রচুর যোগানের দরকার থাকায় ।

১৩ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৫৭

শাহ আজিজ বলেছেন: একসময় সহজ লভ্য আর প্লেট এঁটো হবার ভয় থেকেই কলাপাতা ব্যাবহার হতো । মুঘলরা প্লেট সাথে নিয়ে এসেছিল । ভারতের নিচু জাতপাত আর আর্থিক বিবেচনায় কলাপাতা উপযুক্ত বিষয় ছিল পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে । অর্থাৎ ওয়ান টাইম ইউজের ব্যাপারে আমরা পশ্চিমাদের চেয়ে হাজার হাজার বছর এগিয়ে ছিলাম ।

২০| ১৩ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৩

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: হ্যাঁ ভারতের মাদ্রাজে খেয়েছি। খাবারের হোটেলে প্লেট এর উপর কলাপাতা দেয়া হয়।

১৩ ই মে, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৫৮

শাহ আজিজ বলেছেন: হ্যা , এই দেশেও এখনো কলাপাতা চালু আছে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.