![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি সাঈদ সৌম্য। ঘুরা ঘুরি করতে ভাল্লাগে আমার ব্যাক্তিগত সাইট http://www.shoummo.com/
(ক্যাপশানঃ দেড় ইঞ্চি একপ্রানীর আক্রমনে নাজেহাল ৫ফুট ১০ইঞ্চি আরেকটা প্রানীর রক্তাক্ত চেহাড়া)
বাংলার খুব কমন একটা প্যারাসাইট জোক। সাধারনত দেশের সখানে এক দেড় ইঞ্চি আকৃতির সাধারন জোক পাওয়া যায়। জোক শিতল ভেজা এবং স্যাত স্যাতে জায়গায় গাছের পাতায় কিংবা ঘাসে থাকে। মাটিতে কিংবা পানিতে এরা থাকেনা। গাছ পালা কিংবা ঝোপ ঝারে কোন প্রানী গেলেই টূপ করে তার গায়ে পড়ে এবং রক্ত খেয়ে ফুলে ঢোল হয়। মাঝে মাঝে মুল আকৃতির দ্বিগুন বা তিন গুন পর্যন্ত হয়ে যায় রক্ত খাবার পড়ে।
জোকের শরীরে পা কিংবা অন্য কোন উপাঙ্গ নাই। শুধু চোষক আছে। জোক অনেক দূর থেকে মানুষ কিংবা অন্য প্রানীর গন্ধ পায় (নাক কিংবা আর কিছু নাই)। এবং তক্কে তক্কে থাকে। প্রানী পেলেই লাফিয়ে পড়ে। জোকের মুখ তিনখন্ডে ভাগ করা। সমারসল্টিং (মাথা বাকিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে) পদ্ধতিতে হাইড্রার মত করে চলাচল করে জোক।
দেখা যায় মানুষের মধ্যে কিছু কিছু লোক জোকের শিকার বেশী হয়। সাধারন ভাবে বলা হয় এদের রক্ত নাকি মিষ্টি। আমি হয়তো এই দলে। আমার শরীরে প্রায় ১০০ জোকের কামড়ের দাগ আছে। আর আরেকদলকে জোক বলতে গেলে ধরেই না। আমার পর্যবেক্ষন যারা বেশি ঘামে তাদেরকে জোক কম ধরে। হয়তো লবনাক্ত পরিবেশে এরা টিকতে পারে না এই কারনে।
আমাদের দেশে সবখানেই অসংখ্য জোক কিলবিল করে। এদের বেশির ভাগ হচ্ছে চিনা জোক। তবে চট্টগ্রামে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পিছে উদালিয়া বলে একটা ঘন জঙ্গল আছে। বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমীর ক্যাডেটরা সামরিক মহড়ার জন্যে যখনই ওখানে যায় ওখানকার বিখ্যাত ৬ ইঞ্চি জোক নিয়ে আসে সুভেনির হিসাবে। এছাড়া বান্দারবনের রুমা, থানছি, পুকুড়পাড়া, তিনমাথা এবং মায়ানমার বর্ডারের কাছে বিখ্যাত ৬ ইঞ্চি জোক পাওয়া যায়।এ গুলো অনেক বড় চ্যাপ্টা তাই জোকের ফিজিওলজি পরিষ্কার জানতে এগুলোই বেষ্ট। ঢাকা শহরে ফুটপাথে বিভিন্ন যৌনরোগের চিকিতসার জন্যে বোতলে যেই দৈত্যাকার ৬ ইঞ্চি জোক দেখা যায় এগুলা আসে ওখান থেকে। এই জোক থেকেই জোকের তেল (ভাল্গার ওয়েল, চির যৌবন তেল নানা নামে পরিচিত) পাওয়া যায়।
সাধারনত জোক ধরলে ক্ষত স্থানে আমরা লবন ছিটিয়ে দেই তাহলে জোক পড়ে যায়। কারণ ক্ষত স্থান থেকে টেনে জোক সরানো কঠিন। যতই টানিবে ইলাস্টিকের মত ইহা ততই বাড়িবে। জোকের লালায় একটা কেমিক্যাল থাকে যা রক্তকে জমাট বাধতে দেয় না। তাই ক্ষত স্থান থেকে ক্রমাগত রক্ত পড়তেই থাকে। টানা ৫ দিন রক্ত পড়ার ঘটনা দেখেছি। সবচেয়ে ভাল হয় সাথে লাইটার দিয়ে ক্ষত স্থানে আগুনের ছেকা দেয়া তাতে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। ট্রেকিং এ ট্রেকাররা এবং পাহাড়ি আদিবাসীরা বাঁশের পাত্রে লবন পানি নিয়ে যায় এবং ঝিরি পথে ঢোকার সময় কঞ্চি দিয়ে লবন পানি গায়ে মাখে। কেউ কেউ গুল গায়ে মাখে।
সবচেয়ে মারাত্নক হয় জোক মাঝে মাঝে বড় বাথরুম কিংবা ছোট বাথরুমের রাস্তা দিয়ে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে যায়। সিলেটে SI&T(যেখানে এডভান্স কমান্ডো করানো হয়) একটা পুকুর আছে জোকে ভর্তি। কমান্ডোদের প্রায় সময় শাস্তি স্বরুপ ওখানে নামিয়ে দেয়া হয়। ওখানে নামার সময় ১হাত দিয়ে ১ নাম্বার বাথরুমের রাস্তা আরেক হাতে ২নাম্বার বাথরুমের রাস্তার ছিদ্র পথ আঙ্গুল দিয়ে বন্ধ করে নামতে হয়। (অশালিন মনে হলে ক্ষমা করবেন, কিন্তু ঘটনা সত্যি)। পাহাড়ে ঝিরি পথে সাধারনত যাতায়াত সোজা। দুপাশে খাড়া পাহাড় ভর্তি জঙ্গলে দিনের আলো প্রবেশ কঠিন। জোকের আড্ডা। এসব জায়গায় ট্রেকিং করার সময় ভালো বুদ্ধি হচ্ছে আন্ডারওয়ারের বদলে টাইটস পড়া। প্যারাসুট কাপড়ের পিছলা প্যান্ট খুব উপকারী। সবচেয়ে ভালো হয় পায়ের মোজার সাথে প্যান্ট ইন করে সংযোগস্থলে ইলাস্টিক দিয়ে সীল করে দেয়া। জোক অবশ্য কাপড় ভেদ করে ভেতরে খুব সহজেই ঢুকে পড়ে। আমার নিজের অভিজ্ঞতা, পায়ে শক্ত ডিএমএস আর্মি বুট এবং সার্ভিস সক্স ভেদ করে আঙ্গুলে জোক ধরা (চট্টগ্রাম শহরের ভিতরে)।
জোকের ইংরেজি লিচি। বানান জানিনা। নেটে খোজার চেষ্টা করলাম পেলাম না। জোক সম্পর্কে আর অতিরিক্ত কেউ কিছু জানলে জানাবেন।
২| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: জটিল পোস্ট..।
বানান টা হল leech.
ইন্টারেস্টিং ব্যাপারটা হল ডাক্তারদেরকে (যদ্দুর মনে পড়ে) স্ল্যাং য়ে leech বলা হয়... খিক খিক খিক ..
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৫
সৌম্য বলেছেন: থ্যাঙ্কস। হারামজাদারে নিয়া এট্ট ঘাটাঘাটি করি
৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৩
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: লিচি নয়, "লিচ"
http://en.wikipedia.org/wiki/Leech
৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: টরেন্ট ডাউনলোডে লিচার বলে একটা ব্যাপার আছে
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৬
সৌম্য বলেছেন: টরেন্ট ইউজ করি না,
এই ছবিটা ফিয়াং বিধান পাড়া থেকে তোলা। সামিটের পরে ঝর্নাতে দাঁড়িয়ে শার্ট খুলে টোটাল ২২টা জোক বের করছিলাম
৫| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: http://www.youtube.com/watch?v=ye4N2ZeJESA
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৫
সৌম্য বলেছেন: ভয় পাইছি
৬| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৩
মনির হাসান বলেছেন: হমমমমম ... জোক আমারে কখনো ধরেনাই ... গায়ে উঠছে প্রচুর...
জোক হাতাইতে খুব মজা ... ভাল খ্যালনা ।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
সৌম্য বলেছেন: মনির ভাই, যারা বেশী ঘামে, কম রেক্সোনা মাখে, এদেরকে জোক কিছু করে না।
৭| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২২
জটিল বলেছেন: হে হে , ব্যাফার না
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
সৌম্য বলেছেন: জ্বী জ্বী ব্যাপার না। খালি ঘা গুলা শূকাচ্ছে না
৮| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৫
না বলা কথা বলেছেন: খুবই সুন্দর ভিন্ন ধর্মী পোস্ট দিছো।
প্লাস দিলাম।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১
সৌম্য বলেছেন: আচ্ছা। থ্যাঙ্কস
৯| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১
আসিফ আহমেদ বলেছেন: জোঁকের সাথে ভয়াবহ স্মৃতি আছে আমার। আমার এক সাহসী ক্লাসমেট না থাকলে সেবার আমার নৃত্য থামানো আর সম্ভব হতোনা।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২
সৌম্য বলেছেন: আমার এক কোর্স মেট, বর্তমানে ঢাকার র্যাবের একটা কোম্পানীর ইনচার্জ। চোখের সামনে দেখছিলাম জোক ওর নাভি দিয়ে ঢুকে গেছে
১০| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: আমি জুক বুই ফাই..........
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২
সৌম্য বলেছেন: বুই ফাওয়ার কিছু নাই। খালি চুলকায়
১১| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
অপ্সরা বলেছেন: আমি দেখেছিলাম জোঁকের দৌরাত্ব বান্দরবনে নীলগীরি যাবার পথে। মনে পড়লে গায়ে কাঁটা দেয়।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
সৌম্য বলেছেন: নীলগীরী নাকি নীলাচল? টাইগার হীল যেটা মিলন ছড়িতে শৈলপ্রপাতের পরে। অনেকেই ভুল করে আসল নাম নীলাচল ডাক নাম টাইগার হীল
১২| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
অক্ষর বলেছেন: আমিও এক দুইটা ১৮+ জোকের পোস্ট দিছিলাম
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
সৌম্য বলেছেন: পড়ছি। মজা লাগছে
১৩| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭
অপ্সরা বলেছেন: আমি জানি নীলগিরি। যেটা কিছুদিন আগে ফখরুদ্দীন সাহেব উদ্ভধন করেছেন।উপরে খুব সুন্দর একটা রেস্ট হাউস আছে।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৭
সৌম্য বলেছেন: নেক্সট টাইম গেলে খেয়াল করবেন, উপরে একটা নেমপ্লেট আছে, নীলাচল। কষ্ট করে আরেকটূ সামনে ওয়াই জাংশান পেরিয়ে গেলেই স্বর্গের দেখা পেতেন। বগা লেক
১৪| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩
মহলদার বলেছেন:
মাটিতে কিংবা পানিতে এরা থাকেনা।
প্রানী পেলেই লাফিয়ে পড়ে।
তথ্য দুটি ঠিক নয়।
(পানিতে বাস করে এমন অনেক প্রজাতির জোঁক আছে। জোঁক লাফাতে পারে না)
জোঁক নিয়ে আরো জানতে প্রবেশ করুন এখানে
http://en.wikipedia.org/wiki/Leech
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
সৌম্য বলেছেন: লাফানোর টা কথার কথা। এরা চলমান পানি, যেমন স্রোতে থাকেনা। পচা ডোবায় থাকে। পুরাটা পরলে দেখবেন সিলেটের একটা পুকুরের কথা বলছি। ওখানে পানি ভর্তি জোক। প্রস্রাব আর পায়খানার রাস্তা আঙ্গুল দিয়ে বন্ধ করে এরপরে নামতে হয়।
নর্মালী জোক পাতায় অথবা ঘাসে থাকে। ওখান থেকে খসে পড়ে জীবজন্তুর দেহে। সেটা ইচ্ছা কৃত। আক্ষরিক লাফানো (জাম্প না) কিন্তু না। কিন্তু ইচ্ছা করে উচু জায়গা থেকে পড়াটা লাফানো।
১৫| ০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
মনির হাসান বলেছেন: ... আমি কিন্তু আপ্নারেও বগল ট্রিটমেন্ট দিমু ... হাহাহাহাহাহাহ
১৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭
মিছে মন্ডল বলেছেন: খাইছে আমারে!!! ভয় পাইলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: সকাল সকাল এসব বলনের জন্য মাইনাস (আসলে প্লাস)...........