নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মার্কেটিং মানে বিক্রয় করার পায়তারা না, মার্কেটিং মানে মানুষকে বোকা বানিয়ে পণ্য ধরিয়ে দেয়া না, মার্কেটিং মানে মডেলদের সাথে একাকী সময় কাটানো না, মার্কেটিং স্রেফ একটা সত্য গল্পের ব্যাসার্ধ নিয়ে প্রয়োজনীয়তার মাপে ভোক্তাকে কেন্দ্র করে একটি বৃত্ত তৈরী করা।

নাওেয়দ

টুইটারে আসেন, আড্ডা দেই। @smnawed

নাওেয়দ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভ্যাট ফাঁকি দেয়ার ১০টি কৌশল

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:২২

১) ভ্যাট চালান (মূসক-১১ ও মূসক-১১/ক) ছাড়া পণ্য পরিবহন করা
২) ডুপ্লিকেট বা নকল ভ্যাট চালান ব্যবহার করা
৩) একই ভ্যাট চালান একাধিক বার ব্যবহার করা
৪) পণ্য বিক্রির তথ্য বিক্রয় রেজিস্ট্রারে সঠিক উল্লেখ না করা
৫) পণ্যের তথ্য আংশিকভাবে লিপিবদ্ধ করা
৬) হিসাবযন্ত্র বা ইলেকট্রনিক ক্যাশ রেজিস্ট্রার (ইসিআর) ও পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন ব্যবহার না করা
৭) ইসিআর এবং পিওএস নষ্ট করে রাখা।
৮) নিজস্ব বিক্রয় ভাউচার ব্যবহার ও ভোক্তাদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করে তার একটি বড় অংশ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়া
৯) সময়মতো বিক্রয় ভাউচার প্রদান না করা
১০) সেবা খাতের হোটেল, রেস্টুরেন্ট, চাইনিজ রেস্তোরাঁ, ফাস্টফুডের দোকান, ক্যাটারিং সার্ভিসং, বিরিয়ানি হাউস, বিউটি পার্লার, মিষ্টির দোকান, ডেকোরেটর ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান প্রতিদিনের বিক্রয় তথ্য ছোট ছোট কাঁচা স্লিপে রাখে, এই তথ্যপ্রমাণাদি যাতে খুঁজে না পাওয়া যায়— সে জন্য লুকিয়ে রাখেন ব্যবসায়ীরা
বোনাস: ক্রয়-বিক্রয় রেজিস্ট্রার ও ভ্যাট চালানসহ কোনো ধরনের হিসাব এবং দলিলাদি ব্যবহার বা সংরক্ষণ না করা।

[link|http://www.bd-pratidin.com/last-page/2016/01/16/121150#sthash.yUFYDBoy.dpuf|তথ্যসূত্র








বাংলাদেশের প্রতিদিনের শেষ পৃষ্ঠার এই রিপোর্টটির টাইটেল বদলে ব্লগপোস্ট করলাম

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৪২

প্রামানিক বলেছেন: পোষ্ট পড়ে বিষয়টি জানা হলো।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:১১

নাওেয়দ বলেছেন: আমারও বাংলাদেশ প্রতিদিনে লেখাটি পড়েই মনে হলো এইটা সবারই জানা উচিৎ

২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫১

ঢাকাবাসী বলেছেন: এসবই এনবিআর জানে তবে বখরা পায় তাই কিছু বলেনা।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:১১

নাওেয়দ বলেছেন: উপায় কি?

৩| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১২:৪৭

আসিফামি বলেছেন: সবার জানা উচিত ব্যপারগুলো অন্ততঃ আপনি যাতে বুঝতে পারেন , কে ভ্যট দিচ্ছেন আর কে দিচ্ছেন না / বড় বড় নামি দোকান , যাদের বিশাল ব্যবসা তারা পর্যন্ত এই কাজ করেন , তাহলে অন্যরা কি করবে??? এমনকি গুলশান, বনানি, ধানমন্ডি এর মতো জায়গা তেও একই ব্যপার। আমরা কিন্তু কেনার সময় ভ্যটসহ দিয়ে দেই , সরকার কে , কিন্তু ব্যবসায়িরা অনেকে সেইটা , নিজের পকেটে রেখে দেন/ তার মানে উনি আমার আমানতের খেয়ানত করছেন / কারণ আমি টাকা দিচ্ছি , যাতে সরকার সেইটা আমাদের কাজে ব্যবহার করতে পারেন ; কিন্তু উনি সেই আমার টাকা সরকার কে না দিয়ে , নিজে মেরে দিচ্ছেন !!! ব্যপার টা কি তা না??!!! ইসলামে তো এটা সমর্থন করার কথা না.।।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৩৭

নাওেয়দ বলেছেন: সরকার নিয়েও কতটুকু পকেটে ভড়বে সে বিষয়ে ডিসকাস না'ই করি।
ধর্মীও নীতিবাক্যে আমি এক্কেবারে ১১০% সহমত। সমস্যাগুলা তো লিখলাম। আইটি ইনভল্ভমেন্ট ছাড়া পরিত্রানের তো কোনও উপায় দেখি না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.