নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

রূপালী আলোর পথে

বাস্তবতা ফেরী করে বেড়াচ্ছে আমার সহজ শর্তের সময়গুলোকে

একরামুল হক শামীম

http://www.facebook.com/samimblog আমি স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি। স্বপ্ব দেখতে এবং স্বপ্ন দেখাতে চাই আজীবন।

একরামুল হক শামীম › বিস্তারিত পোস্টঃ

পরিনত মোহ কিংবা অপরিনত ভালোবাসা ( এয়োদশ পর্ব)

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১১

গল্পটা এখানেই শেষ হয়ে যায়। ঠিক গল্প না। গল্পের মতো জীবনকাহিনী। শেষ হয়ে যাওয়ার কারণ ডায়েরীর পরবর্তী কয়েকটা পৃষ্টায় বেশ কাটাকাটি। তারপর আর কোন পৃষ্টাই নেই। অন্য কোন ডায়েরীতে হয়তো ছেলেটি তার জীবনের পরবর্তী লিখে গেছে। তবে অন্য কোন ডায়েরী খুঁজে পায় নি আমার রুমমেট। সে অবশ্য অনেক খোঁজাখুঁজি করেছে। পরবর্তীতে আমি এবং আমার রুমমেট অবন্তীর দেওয়া পেইন্টিংটাও অনেক খুঁজেছি। পাই নি। হয়তো পেইন্টিং ছেলেটি বাসা ছেড়ে যাওয়ার আগে নিয়ে গেছে।





এই বাসাটায় আমার বেশ কিছুদিন আগে থেকে থাকে রুমমেট। সে’ই ঘরদোর পরিস্কার করার সময় পুরানো কাগজের বান্ডিলের ভিতর ডায়েরীটা আবিস্কার করে। যার ডায়েরী হয়তো সে ভুল করে রেখে গেছে। কিন্তু পরবর্তীতে কখনোই ডায়েরীটার মালিক তা ফেরত নিতে আসে নি। নতুন বাসায় উঠার কিছুদিন পরেই ডায়েরীটা আমাকে পড়তে দেয় রুমমেট। আমি আগ্রহ নিয়ে পড়া শুরু করি। মিশে যেতে থাকি ছেলেটির জীবনকাহিনীর সাথে। একপর্যায়ে ছেলেটির জীবনকাহিনীকে মনে হতে থাকে নিজের জীবনকাহিনী। ছেলেটির রাত জাগা আর প্রতীক্ষার সমাপ্তি কেমন হয়েছে, তাই ভাবি মাঝেমধ্যে। অবশ্য অনুভব করি, সবকিছুর সমাপ্তি হয় না, সব কিছুর সমাপ্তি থাকতে নেই।





কখনো কখনো আমরা দুই রুমমেট মিলে ছেলেটির কাহিনী নিয়ে একসাথে ভাবতে বসে যাই। রুমমেট আমার জুনিয়র। তবে আমার সাথে বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। ছেলেটির জীবনে পরবর্তীতে কি হয়েছিল তাই নিয়ে ধারণা করি আমরা। অবন্তী নাকি ছাত্রী, কাকে পেয়েছিল ছেলেটি ? দুজনে মিলে ভাবি। তবে মজার ব্যাপার হলো এক্ষেত্রে দুজনের ধারণা মিলে না। জুনিয়র রুমমেট ফিনিশিং এর ক্ষেত্রে সবসময়ই বিচ্ছেদপূর্ণ কাহিনী বলে। তার যুক্তি জীবনটা পুতুপুতুময় আবেগের জায়গা না, জীবন অনেক কঠিন। তাই সে কঠিন রকমের ফিনিশিং কল্পনা করে। তার কল্পনা বলে যায় আমার সামনে। আমিও আগ্রহ নিয়ে শুনতে থাকি।





ছেলেটির রাত জাগা একসময় কমে যেতে থাকে। সে বুঝে যায় জীবনের পরিসীমা অনেক বিশাল। পরিবারের জন্য কিছু করতে হবে। এইসব ভাবনা ছেলেটাকে সাহস যোগায়। তারপরেও কোন কোন রাতে ছেলেটি বিষন্ন মন নিয়ে অতীত নিয়ে ভাবে। মানুষ তার অতীতকে বেশিরভাগ সময়ই স্বর্ণময় অতীত মনে করে। যত্ন করে পালন করতে চায় অতীত স্মৃতি। কিন্তু সব অতীত মানুষকে সুখ দেয় না।





পরীক্ষা শেষে ফলাফলের জন্য অপেক্ষা না করে থেকে চাকরীর খোঁজে ঘুরে বেড়ায় ছেলেটি। চাকরীর ইন্টারভিউ বোর্ডেই ডাক পায় না। তারপরেও নতুন নতুন সিভি তৈরি করে জমা দেয় বিভিন্ন অফিসে। একসময় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। মোটামুটি রকমের ভালো ফলাফল। তবে ছেলেটির ধারণা সে আরো ফলাফল করতে পারতো। অন্তত সেকেন্ড ইয়ার ফাইনাল পর্যন্ত ডিপার্টমেন্টে সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট ছিলো তার। পরীক্ষার ফলাফল পেয়ে কিছুটা ভেঙ্গে পড়লেও চাকরী খোঁজা বাদ দিলো না। চাকরীর বাজার বেশ কঠিন একটা জায়গা। মামা চাচা না থাকলে ভালো চাকরী খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। বেশ কয়েকটা জুতা পরিবর্তনের পর এমনটাই উপলব্ধি করে ছেলেটি।





একদিন তাড়াহুড়ো করে একটা চাকরীর ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছিল। পাশ দিয়েই একটা রিক্সা চলে গেল। ছাত্রী তার বান্ধবীদের সাথে রিক্সা করে যাচ্ছে। ভাবলো-ডাক দিয়ে রিক্সা থামাবে, ছাত্রীর কুশলাদি জিজ্ঞেস করবে। পরমুহুর্তেই সে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ফেলে। অনেক খোঁজের পর ছোট একটি এনজিওতে কাজ পায়। নামমাত্র বেতন। তার উপর আবার মাঝেমধ্যেই এ শহর ও শহর ঘুরে বেড়াতে হবে। তারপরেও রাজি হয়ে যায়। চাকরীর খুব দরকার। বাড়ির খরচ, ভাই-বোনদের পড়ালেখার খরচ বাবা একলা যোগাড় করতে পারছেন না। তার একটা দায়িত্ব আছে। স্বল্প বেতনের চাকরী হলেও ছেলেটি চেষ্টা করে যায় টাকা বাচিয়ে বাড়িতে পাঠাতে। অন্তত ছোট ভাইবোনদুটি টাকার কষ্ট বুঝতে না পারুক।





কোন কোন দিন খুব ভোরে বের হতে হয় শহর থেকে। কুয়াশার সকাল শেষে রোদ উঠে। বাসে করে যেতে যেতে দেখা হয় বিস্তৃর্ণ মাঠ। সবুজের সমারোহ। পথ ঘাট, নদী বন্দর, হাট বাজার। তারপর এনজিও এর বাধাধরা কাজ। আবার বাসের জানালা। খোলা প্রান্তর, বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত। আরো কতো সবুজ। তারপর শহর। সকাল, দুপুর, বিকাল, রাত, অতঃপর মধ্যরাত। জীবনের মেটামরফোসিস এখানেই। রোমান্টিক জীবনের রুপান্তর ঘটেছে বাস্তবতার জীবনে। ছেলেটি প্রথম প্রথম অনেকগুলি রাত প্রতীক্ষা করেছিল। অবন্তী হয়তো একটা ফোনকল করবে। হয়তো বলবে- সে বিকালে বলা সবকিছুই ভুল। তারপর বদলে যায় সেই প্রতীক্ষার ধরণ, হয়ে উঠে অপেক্ষা। সে অপেক্ষা করতে থাকে। অবন্তী হয়তো বিয়ের দাওয়াত দিতে ফোনকল করবে। কিন্তু সেই ফোনকল আর আসে না। হয়তো অবন্তী সে কথা ভুলেই গেছে।





চাকরীর ছুটির অবসরে বাড়ি যায় ছেলেটি। মা কিছুটা অসুস্থ্য। গ্রামের ডাক্তার দেখে কিছু ঔষুধ দেয়। একটা বয়সের পর নাকি সাবধানে চলতে হয়। মা এতোকিছু মানতে পারেন না। সংসারের প্রায় সব কাজই করতে হয়। মাঝেমধ্যে ছোট বোনটা সাহায্য করে। তবে মা এক্ষেত্রে বেশ সচেতন। কাজে সাহায্য করতে গিয়ে পাছে না আবার পড়ালেখার ক্ষতি হয়।রাতে খাওয়ার পর অনেক গল্প চলে। সবাই মিলে একসাথে গল্প। বাড়িঘরউঠাননদীপথঘাটহাটবাজারমাঠ সবই গল্পের বিষয়বস্তু।একরাতে ছোট দুইভাইবোনকে অন্যঘরে পাঠিয়ে দিয়ে মা কথা তুলেন। কথার পরিভ্রমণ চলতেই থাকে। রাত গভীর হলে পরভ্রমিত কথা নেমে আসে সত্ত্বার কাছাকাছি। বিয়ের প্রসঙ্গ উঠে। বাবা মা মেয়ে দেখতে চান। চুপ করে শুনে যায় ছেলেটি। সব শুনেও চুপ করে থাকে। ছেলেটি কোনদিন বলতে পারে না, কোন একদিন অবন্তী নামের একটা মেয়েকে সে খুব পছন্দ করতো। অবন্তীর জন্য পছন্দের সীমারেখা কি ছিল তাও বলতে পারে না ছেলেটি। পরিণত মোহ নাকি অপরিণত ভালোবাসা?





(চলবে......)



প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব



তৃতীয় পর্ব



চতুর্থ পর্ব



পঞ্চম পর্ব



ষষ্ঠ পর্ব



সপ্তম পর্ব



অষ্টম পর্ব



নবম পর্ব



দশম পর্ব



একাদশ পর্ব



দ্বাদশ পর্ব



মন্তব্য ১১৬ টি রেটিং +১৯/-২

মন্তব্য (১১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৫

রাশেদ বলেছেন: প্রথমে ব্যাখ্যা দেয়াটা ভালো লাগে নাই। আর ছোট বোনকে যে ডিসটার্ব করছিলো এলাকার পোলাপাইন, সেইটাও আর বলো নাই কিভাবে মিটমাট হইছে।

ওভারওল এই পর্বের আগ পর্যন্ত ৮/১০ দেবো। আর এই পর্বে ৪/১০ দেবো আমি। :|

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩০

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হা হা হা

এই পর্ব থেকে নতুন কাহিনী শুরু হয়েছে। এজন্যই প্রথমে ব্যাখা দিতে হয়েছে।

ছোটবোনের ডিসটার্বের মিটমাট নিয়ে সেই পর্বে একটা কমেন্ট আছে। অনেকটা সেরকমই ভেবে নিতে পারেন। সব কথা বলতে হয় না :)

রাশু ভাইরে ধইন্যাপাতা।

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৮

পারভেজ বলেছেন: আমার কিন্তু মন্দ লাগেনাই।
সব প্রশ্নের জবাব হয়না, দিতেও নাই। :)
আগ্রহ বজায় থাকলো যথারীতি!

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৮

ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
অনন্য লেখকের অনন্য লিখা।
বরাবরের মতই দারুন লিখেছেন ।

যদিও আগের পর্ব গুলো পড়া হয়নি!
কেমন আছেন?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাস্কর ভাই।

সময় করে পারলে পড়ে নিয়েন। ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৯

সাইফুর বলেছেন: তার যুক্তি জীবনটা পুতুপুতুময় আবেগের জায়গা না, জীবন অনেক কঠিন।
____________________
ঠিক পুতু পুতু আবেগের দাম নাই


লেখাটা চলুক..ভালো লাগছে

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৫

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমমম। ধন্যবাদ সাইফুর ভাই।

৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩১

রাশেদ বলেছেন: তুমি কি পোলার মৃত্যু পর্যন্ত কাহিনী টানবা নাকি! :| শাস বাহু সিরিয়াল :P

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: গল্প কিন্তু শেষ হচ্ছে।
গেল পর্বে এক ধরনের শেষ হয়েছে।
এই পর্বে আরেকবার শেষ হলো।
আগামী পর্বে আরেকভাবে শেষ হবে।

বিষয়টা হলো পাঠককে স্পেস দেওয়া। পাঠক চিন্তা করে নিবে কোন শেষটা সে চায়। একটাও পছন্দ না হলে সেক্ষেত্রে নিজের মতো করে শেষ চিন্তা করারও স্পেস থাকবে।:):)

৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩১

রাজন সান বলেছেন: ভালো হয়েছে। তোমার হাত ভালো। চালিয়ে যাও।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৪

ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: এটা আমার কাছে জোওশ লাগছে শামীম। তোমার স্কিল অ্যাট বেস্ট টিল নাউ। "চলবে" দেখে আশা বাড়লো। তবে এই পর্বে আরেকটু দিতে পারতে। ছোট লাগলো।

আমি গল্পের চাইতে গল্পের ফ্যান্টাসিতে বেশি মজা পাইতেছি। ঘুড়ির মতো গোত্তা খেয়ে এদিকে ওদিকে যে কোন দিকে চলে যেতে পারে!

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমম.....এন্ডিং নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতাছি :)

ধইন্যাপাতা তোমারে।

৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৫

নামহীন মানব বলেছেন: ভাল লেগেছে। চালিয়ে যান।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ মিশু ভাই।

৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪০

রাশেদ বলেছেন: তাইলে গত পর্ব পর্যন্ত আমার কাছে সবচেয়ে ভাল্লাগছে। তুমি এন্ডিং মনে হইতেছে হ্যাপি এন্ডিং করতে চাচ্ছো।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

একরামুল হক শামীম বলেছেন: তাইলে গত পর্বই আপনার জন্য এন্ডিং :)

সব আগে থেকেই চিন্তা করে ফেললে চলবো কেমনে? :P

১০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

সুখী মানুষ বলেছেন: হুমম..

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৫

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমমমমম

১১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

রাশেদ বলেছেন: :P

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: :-P :-P :-P

১২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: বিয়ে হলেই কি অবন্তীর সাথে সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে?
ক্যারেক্টারটা আমার খুব প্রিয় ছিল।আশা করি পরের পর্বগুলোতে নিরাশ করবেন না।

আজ আসলেই অনেক ছোট হয়ে গেল।

লেখার ধরন ভালো লেগেছ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আচ্ছা আপনার কথা ভেবে হলেও কিছু করা উচিত :)

পরের পর্ব দেখি বড় করা যায় কি না।
ধন্যবাদ :)

১৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫১

অ্যামাটার বলেছেন: ১১,১২,১৩; তিনটা পইড়া কমেন্টামু, আপাতত মাইনাস;)

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৬

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ওক্কে ;) :)

১৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: আমিও আগ্রহ নিয়ে শুনতে থাকি...............গল্পটা এখানে শেষ হলে কেমন হত জানিনা.................হয়ত পাঠককে একটা বিশাল দায়িত্ব দিয়ে দেয়া হত।।। তবে অবন্তীর ঐ বিয়ের নাটকটি দেখানোর জন্যই হয়ত একে আরওদূর টেনে চলা।।। আগ্রহ নিয়ে শুনতে থাকির..... পরের অংশগুলো ততটা ইমপ্রেসসিভ লাগেনি, অনেকটা স্ট্রেইট লাইনের মত, আমার সবসময়ই কাহিনীর ক্ষেত্রে প‌্যারাবলিক ইকুয়েশন পছন্দ।।।।

বাই দি ওয়ে, এই লেখাটা পইড়েন সময় করে।।।।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৮

একরামুল হক শামীম বলেছেন: এন্ডিং নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে এমন হচ্ছে। ইচ্ছা করলে গত পর্বেই শেষ করতে পারতাম। তারপরেও দেখি কোথায় দাড়ায়। :)

১৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৪

ভাইরাস! বলেছেন: চালিয়ে যান।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১০

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আচ্ছা :)

১৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৭

নিঃসঙ্গ বলেছেন: প্রথম কথা গুলা বলেতো গল্পোটা পুরা অন্য দিকে মোর দিয়ে ফেলছেন। এই পর্ব ভালো লাগে নাই কেমন যেন দায় সারা রকমের লিখা :( এমন করে লিখলে কিন্তু পরের পর্ব গুলা আর পড়মু না :|

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমমমম। একটু এক্সপেরিমেন্ট করতে চাইলাম।

তাছাড়া এই পর্বে কথক পরিবর্তন হয়েছে। আগে ছিল ডায়েরীর লেখা এখন হইছে বর্ণনাত্বক লেখা :)

১৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৯

এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: চালিয়ে যান

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৫

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ওক্কে :)

১৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৫

নাঈম বলেছেন: হুমমম......

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৬

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমমমমম

১৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৯

রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: নাহ রে ভাই আর না ........... আর কত ???? থামেন এবার অন্য কিছু লিখেন রে ভাই, নতুন কিছু...... নতুন কোন গল্প, নতুন কোন মানুষের

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৮

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমমম। লেখা শুরুর আগে আমার একটা টার্গেট ছিল। আমাকেতো ওইটুকু পর্যন্ত গিয়ে শেষ করতে হবে।

তাছাড়া আমি আগের একটা কমেন্টে বলছি, কেউ যদি মনে করে গত পর্বই শেষ পর্ব তবে তার জন্য সেটাই এন্ডিং।

২০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৩

রাজর্ষী বলেছেন: চলুক, প্রেম ভালোবাসায় জন্য জীবন তো আর থেমে থাকে না

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ঠিক ঠিক :)

২১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪২

বিবর্তনবাদী বলেছেন: এটা ছিল ছেলেটির পরিনত মোহ, অপরিনত ভালোবাসা নয়। অপরিনত ভালবাসাত ইতি সুস্থির হয় না। ভাঙ্গনের তীব্রতা সেখানে গভীর দাগ ফেলে যায়।

আজ তৃতীয় পর্ব থেকে ত্রয়োদশ পর্ব একটানে পড়লাম। জানি না লেখক তুমি নাকি সেই ডায়রীর মালিক, তবে যেই হোক না কেন নিজ জীবনের ফেলে আসা সময়টুকু বা উপলব্ধি করা সত্য সুন্দর করে তুলে ধরতে পেরেছে। অবশেষে লেখকের প্রাপ্তি একটাই, "অভিজ্ঞতা"।


চলবে নাকি এখানেই সমাপ্তি?

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৬

একরামুল হক শামীম বলেছেন: সমাপ্তি নির্ভর করে .....হয়তো এখানেই সমাপ্তি।

ধন্যবাদ বিবু ভাইজান :)

২২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৪

সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: আমি পড়া শুরু কলরছিলাম প্রথম পর্ব ভেবেই। ত্রয়োদশ পর্বটা চোখেই পড়েনি। পরে অন্যদের মন্তব্য পড়ে বুঝেছি।


কিন্তু ত্রয়োদশেই আমার শুরুটা জমে গেছে.....
শেষে গিয়ে আবার না হয় শুরু করবো।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৭

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হা হা হা

আচ্ছা :) ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৭

মেহবুবা বলেছেন: একদিন অবন্তী নামের একটা মেয়েকে সে খুব পছন্দ করতো। অবন্তীর জন্য পছন্দের সীমারেখা কি ছিল তাও বলতে পারে না ছেলেটি। পরিণত মোহ নাকি অপরিণত ভালোবাসা?
কেমন যেন সত্য কথনের মত শোনালো ।
শুভেচ্ছা নেবেন ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৪

একরামুল হক শামীম বলেছেন: সত্য কথন? :)
ধন্যবাদ। আপনিও শুভেচ্ছা নিবেন।

২৪| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

শিবলী বলেছেন: আপনাকে আনলাকি ১৩ এর শুভেচ্ছা,

চলবে চলুক পোস্ট পড়ার আগেই আমার ভয় ধরে যায়!!! :(
তাই পড়া হয় না।

তাই কোন লেখা না পড়েই মন্তব্য, কিছু মনে করেন না।

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা। :)

২৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৬

নিবিড় বলেছেন: হুয়মম ডায়েরি নিয়া আসলেন দেখি...।
যাই হোক একটা ব্যপার মাথায় রাইখেন সেটা হল
লিখাটা অনেক পর্বে চলে আসছে
শেষটা যাতে হুট করে না আসে ...।
শেষটাও কয়েক পর্বে দিয়েন

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমম ডায়েরি নিয়ে আসলাম।
দেখা যাক কতোটুকু হয়।
শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ।

২৬| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৮

মিছে মন্ডল বলেছেন: তারপর বদলে যায় সেই প্রতীক্ষার ধরণ, হয়ে উঠে অপেক্ষা।

এই অপেক্ষার কী কোন মানে আছে???

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: অপেক্ষার হয়তো কোন মানে আছে .....আবার হয়তো কোনই মানে নেই।

ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।

২৭| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০৩

এন এইচ আর বলেছেন: এবারও ভাল লাগল আর অপেক্ষা বাড়ল।

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আচ্ছা। শুভেচ্ছা এবং ধন্যবাদ রইলো।

২৮| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪

কঁাকন বলেছেন: যাক চলবে

প্রথমের ব্যাখ্যা দেখে ভয় খাইছিলাম ভাবছিলাম লাউ দিয়া ভাউ দিয়া দায়রি শেষ কইয়া কাহিনী ও শেষ করে দেবেন

পরের পর্বের জন্য গভীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি
ভালো থাকুন

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমম। দেখি পরের পর্বে কি করা যায়।

আপনিও ভালো থাকবেন।

২৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩

অচেনা মানুষ বলেছেন: প্রতিবারের মতই সুন্দর হইছে.....পরের টার অপেক্ষায় থাকলাম....চালিয়ে যান শামীম ভাই

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ অচেনা মানুষ ভাই।

৩০| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১

জেরী বলেছেন: এটা কি হলো?????????X(+X(

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: তাইতো কি হলো! :) + :)

৩১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭

বরুণা বলেছেন: আবার আমার মন খারাপ লাগছে শামীমু!!!

ভাবনাটা আর একটু ভালো করা যায়না?????

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আচ্ছা ভালো করার চেষ্টা করা হৈবেক।

৩২| ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৬

মমমম১২ বলেছেন: উফ ভাল খেলা দেখাইতেছেন।তারপর কি?তাড়াতাড়ি না দিলে খবর আছে।

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৫

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হা হা হা। তারপর পরের পর্ব :)

৩৩| ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

নাজনীন খলিল বলেছেন:
অন্য বিষয় নিয়ে লেখার আগে এই গল্পটা শেষ করো।আগে কি পড়ি আমিতো আরেক পর্ব আসতে আসতেই ভুলে যাচ্ছি----আমার মতো দুর্বল স্মৃতিশক্তির পাঠকের কথাও তোমার ভাবা উচিত।

শুভেচ্ছা।

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হা হা হা। আচ্ছা।
শুভেচ্ছা রইলো।

৩৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

ভেংচুক বলেছেন: কামডা ভালো বলিয়া বোধ হইতাচে না

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হা হা হা :)

পরের পর্বে ঠিক কইরা দিমু ;)

৩৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৩

নিবিড় বলেছেন: এই পবটা লিখার আগে কি গাজিনি মুভিটা দেখসিলেন ?

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হা হা হা
নাহ.... কেনো?

৩৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

গল্পের এই বাঁকটা বা শেষের পর আবার নতুন করে যে শুরু, আর শুরুর পরতে পরতে যে অন্যরকম একটা আবছা কষ্ট গল্পের নায়ক বয়ে বেড়াচ্ছে এটা আমার ভালো লেগেছে ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৭

একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তোমাকে আরাশি ভাই। :)

৩৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১২

নিবিড় অভ্র বলেছেন: লেখক বলেছেন: কিবোর্ডনষ্ট
অনেক আগেই পড়েছি ।আজ বহুকষ্টে লগ ইন করলাম। থাংকু ভার্চুযাল কিবোর্ড।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৬

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আহারে কতো কষ্ট করে কমেন্ট লিখতে হলো!!
থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু.....কৃতজ্ঞ থাকিলাম :)

৩৮| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২১

প্রিয়তমা বলেছেন: আচ্ছাআ....

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: কি আচ্ছা!!? খবর কি তোমার?

৩৯| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৭

আবু সালেহ বলেছেন:

চলছে শাইম্মার গাড়ি...চলছি তার সাথে আমরা...

হুমম.....ব্যাখ্যাটা ভালো লাগেনি...ওভারওল ভালো.....

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২১

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আচ্ছা :)
ধইন্যাপাতা। :)

৪০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৮

নিঃসঙ্গ বলেছেন: ৫ দিনের বেশি হইয়া গেলো পরের পর্ব আসে না কেন ?

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৮

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আসবে। ইদানীং লেখালেখির ক্ষেত্রে অলস হয়ে গেছি :(

৪১| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৮

আউলা বলেছেন: ভালই বলেছিস তোর কাহিনীটা পড়ে তোর কথাটাই মনে হচ্ছে বারবার

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আহারে তুই-ই কেবল দুষ্কটা বুঝতে পারলি। দুস্কে চউক্ষে পানি আইসা যায় :'(

৪২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৩

সহেলী বলেছেন: ছেলেটির রাত জাগা একসময় কমে যেতে থাকে। সে বুঝে যায় জীবনের পরিসীমা অনেক বিশাল। পরিবারের জন্য কিছু করতে হবে। এইসব ভাবনা ছেলেটাকে সাহস যোগায়। তারপরেও কোন কোন রাতে ছেলেটি বিষন্ন মন নিয়ে অতীত নিয়ে ভাবে। মানুষ তার অতীতকে বেশিরভাগ সময়ই স্বর্ণময় অতীত মনে করে।----
বড় ভাল লাগল কথাগুলো জীবন্ত যেন ।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৮

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৪৩| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৯

তিতা কথন বলেছেন: +

২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫১

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৪| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭

ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: এবারের পর্বের লেখার ধরনটা বেশ ভাল লাগলো। বিরহে বিপর্যস্ত ছেলেটাকে দেখতে ভাল লাগছিলো না। ঘটনা শেষ হলে ভাল লাগতো মনে হয় তবে এখনো দেখার আগ্রহ আছে এরপর কি হলো। :)

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৪

একরামুল হক শামীম বলেছেন: এরপর যা হলো তা পরের পর্বে :)

৪৫| ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:১৭

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: খেকু ভাই'র খবর কি? ;)

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৬

একরামুল হক শামীম বলেছেন: খবর ভালোই।
তা আশবাফ ভাইয়ের খবর কিতা ? ;)

৪৬| ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

বরুণা বলেছেন: আরে কোথায় হারিয়ে গেলে????????????

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৪

একরামুল হক শামীম বলেছেন: এইতো আসলাম আবার :)

৪৭| ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২০

কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: এইটারে দেখি টেনেটুনে আরো বড় করা হচ্ছে!!!!!!!

পরের পর্বে কি আমরা বিয়ের দাওয়াত পাবো?! ;)

তারপর তোমার কি খবর?!

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০০

একরামুল হক শামীম বলেছেন: খিক খিক ;)

কিসের দাওয়াত !!?

খবর ভালোই। তোমার খবর কি?

৪৮| ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৪

কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: আর একটু হইলেই মাইনাসটা পাইতা X( মুহাহাহাহাহা
কিসের দাওয়াত মানে?!!!!!!!!!

গল্পের নায়কের (চামে নিজের কথাই বললা) বিয়ের দাওয়াত।
আমার অবস্থা খুবই খারাপ....শরীর মন দুইটাই খারাপ :(

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: গল্পের নায়কের বিয়ে হলে দাওয়াত পাইবা ...

কি হৈল আবার!

৪৯| ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৭

কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: হিহিহিহি

দাওয়াত খাইতাম চাই :)

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

একরামুল হক শামীম বলেছেন: কয় কি!!

তোমার বিয়ার দাওয়াত দেও ;)

৫০| ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৯

মনজুরুল হক বলেছেন:

শামীম আর কতদশ? একবারে একটা বড় কমেন্টের জন্য বসে আছি......................

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

একরামুল হক শামীম বলেছেন: আরেকটা পর্ব লেখার ইচ্ছা আছে। :)

আপনার বড় কমেন্টের প্রত্যাশায় থাকলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া।

৫১| ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৩

সিলভার রেইন বলেছেন: এতবার শেষ না কইরা একবারই করতেন...

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫০

একরামুল হক শামীম বলেছেন: তা অবশ্য করা যেতো।

৫২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৩

নাজনীন খলিল বলেছেন:
গাধার নাকের সামনে মুলা ঝুলিয়ে রাখার এই ফাজলামী আর কতদিন চলবে?

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫১

একরামুল হক শামীম বলেছেন: স্যরি আপু, পড়ালেখা নিয়া খুব বিজি দিন কাটাচ্ছি :(

৫৩| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৬

সংসপ্তক বলেছেন: বহুত আচ্ছা.....................

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধইন্যাপাতা।

৫৪| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৮

মমমম১২ বলেছেন: কি হলো,পরের পর্ব পড়তে কি বুড়ো হওয়া লাগবে।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫১

একরামুল হক শামীম বলেছেন: কবে যে লেখা শেষ হবে। আলসেমিতে ধরছে :(

৫৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৭

পিঁয়াজু বলেছেন: ছিলা ছামীম, তুমার এই অখাদ্য কুবে নাগাদ শ্যাষ হোবে?

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হা হা হা
যেদিন ঘরে বসে বসে বিশেষ কারো হাতে বানানো পিঁয়াজু খাইতে পারমু সেদিন এই অখাদ্য শ্যাষ হোবে :)

৫৬| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৭

মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন:
আপনার এখনকার স্টিকি পোস্ট: "১৯৭১ সালে সংগঠিত যেসব অপরাধের বিচার হওয়া জরুরী"। -'সংগঠিত' নাকি 'সংঘটিত' হবে। একটু দেখুন। আর আমার এই কমেন্টটা মুছে দিন।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৭

একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
কমেন্ট মুছতে হবে না। :)
আপনার এই বিনয় অনেক ভালো লাগলো। ভালো থাকবেন ভাইয়া।

৫৭| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৩

নিবিড় বলেছেন: পরের টারজানটা আসবে না ??

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

একরামুল হক শামীম বলেছেন: লেখা আটকে গেছে :(

৫৮| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫

নাজনীন১ বলেছেন: কঠিন বাস্তবতা!!! ভালোবাসা, ভাল লাগা অতি তুচ্ছ হয়ে যায়।

অন্যের ডায়েরী পড়া...খুব খারাপ...

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪২

একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমমম
ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.