![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ত্রিপিটক হল পালি ভাষায় সংরক্ষিত থেরবাদ বৌদ্ধধর্মের প্রামাণ্য ধর্মগ্রন্থের সংকলন। এটিই বিদ্যমান আদি বৌদ্ধ আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থাবলির মধ্যে প্রাচীনতম এবং সম্পূর্ণতম ত্রিপিটক উত্তর ভারতে রচিত হয়। গৌতম বুদ্ধের মৃত্যুর প্রায় সাড়ে চারশো বছর পর খ্রিস্টপূর্ব ২৯ অব্দে শ্রীলঙ্কায় চতুর্থ বৌদ্ধ সঙ্গীতি চলাকালীন লিপিবদ্ধ হওয়ার আগে এটি মুখে মুখে প্রচলিত ছিল।
ত্রিপিটক তিনটি সাধারণ শ্রেণীতে বিভক্ত। এগুলিকে বলা হয় পিটক অর্থাৎ, ঝুড়ি। কারণ হিসেবে জানা যায় তালপাতায় লেখা পাণ্ডুলিপিগুলি ঝুড়িতে রাখা হত। এই জন্যই পালি আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থাবলি তিপিটক সংস্কৃত ত্রিপিটক নামে পরিচিত হয়। এই তিনটি পিটক হলঃ
বিনয় পিটক ("শৃঙ্খলা ঝুড়ি"), এখানে ভিক্ষু এবং ভিক্ষুণিদের নিয়মাবলি রয়েছে । সুত্ত পিটক,সূত্র/বচন পিটক, কথোপকথন। অধিকাংশই বুদ্ধের কথোপকথন বলে কথিত। কোনো কোনোটি বুদ্ধের কোনো শিষ্যের কথোপকথন।অভিধম্ম পিটক, দর্শন, মনস্তত্ত্ব, অধিবিদ্যা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা।বিনয় এবং সুত্ত পিটক অন্যান্য আদি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সম্প্রদায়ের অনুরূপ। অভিধম্ম পিটক অবশ্য কঠোরভাবে থেরবাদী সংকলনের অন্তর্গত। অন্যান্য বৌদ্ধ সম্প্রদায়ে অভিধম্ম রচনার সংখ্যা নগন্য।
থেরবাদ বৌদ্ধধর্মে ত্রিপিটককে বুদ্ধবচন বা বুদ্ধের বাণী মনে করা হয়। যদিও ত্রিপিটক সম্পূর্ণত বুদ্ধের বাণী নয়। এতে বুদ্ধের শিষ্যদের উপদেশও সংকলিত হয়েছে ।ত্রিপিটকের প্রথাগত থেরবাদী বা মহাবিহারী ব্যাখ্যা পাওয়া যায় অত্থকথা নামে এক টীকা গ্রন্থমালায়। সেই গ্রন্থমালায় সমগ্র ত্রিপিটকের ব্যাখ্যা আছে। সেই টীকাগুলি সম্পাদনা করেছিলেন বুদ্ধঘোষ,খ্রিস্টীয় ৪র্থ-৫ম শতাব্দী এবং অন্যান্য সন্ন্যাসীরা। সেই টীকার ভিত্তি ছিল অধুনালুপ্ত প্রাচীন কিছু গ্রন্থ। ত্রিপিটক এবং এর টীকাগুলির ব্যাখ্যা করে পরবর্তীকালে উপটীকা গ্রন্থমালা রচিত হয়েছিল। ত্রিপিটকের প্রথাগত থেরবাদী ব্যাখ্যার সারসংক্ষেপ রয়েছে বুদ্ধঘোষের বিশুদ্ধিমাগ্গ গ্রন্থে।
মায়ানমারের বুদ্ধ সাসন সঙ্গীতির হয়ে এক মুখপাত্র প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেন, ত্রিপিটকে নির্বাণের পথপ্রদর্শক সব কিছুই রয়েছে, টীকা এবং উপটীকাগুলিকে কোথাও কোথাও অনুমানমূলক কথা আছে তবে সেগুলি ত্রিপিটকের শিক্ষার প্রতি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ক্ষেত্রবিশেষে খুব সুন্দর উপমা দিয়েছে। শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডে সরকারি বৌদ্ধধর্মের ব্যাখ্যা অনেকাংশে পাশ্চাত্য গবেষকরা গ্রহণ করেছেন ।
ত্রিপিটক দুই হাজার বছর ধরে লিখিত আকারে রক্ষিত হয়েছে। তবে তার আগে বৌদ্ধ প্রথা অনুসারে এটি মৌখিকভাবেই প্রচলিত ছিল ।তবে ত্রিপিটক মুখস্থ করে মনে রাখার প্রথা এখনও প্রচলিত আছে। বহুল পঠিত গ্রন্থগুলির মধ্যে একটি হল পরিত্তা। সাধারণ বৌদ্ধরাও অন্তত কয়েকটি গ্রন্থ মনে রাখে এবং সেগুলি তারা নিত্য পাঠ করেন। যদি পাঠক এর অর্থ বুঝে এটি করেন তবে এটিকে ধ্যানের একটি রূপ মনে করা হয়। সন্ন্যাসীদের একটু বেশি জেনে রাখতে হয় ।বিচিত্তসার নামে এক ব্রহ্মদেশীয় সন্ন্যাসী ষষ্ঠ বৌদ্ধ সঙ্গীতিতে সমগ্র ত্রিপিটক মুখস্থ করেছিলেন।
বৌদ্ধধর্মে ধর্মগ্রন্থগুলির সম্পর্ক প্রকৃতপক্ষে সাধারণ সন্ন্যাসী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যেভাবে রয়েছে, অন্যান্য ধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকে তা বোঝানো কঠিন; ত্রিপিটকের অল্প কিছু অংশই সুপরিচিত, তার প্রমাণ পাওয়া যায়। এও জানা যায় আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নয় এমন কিছু ধর্মগ্রন্থও অধিকতর জনপ্রিয়। তবে এর বিস্তারিত বিবরণ স্থান অনুসারে পৃথক হয়। রুপার্ট গেথিনের মতে, বৌদ্ধধর্মের সামগ্রিক ইতিহাসটিকেই প্রাচীন ধর্মগ্রন্থগুলির প্রয়োগের উদাহরণ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
ত্রিপিটকের রচয়িতা সম্পর্কে গবেষকের মতামতকে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়ঃ
স্বয়ং গৌতম বুদ্ধের রচনা
প্রাক-সম্প্রদায় বৌদ্ধধর্ম পর্যায়ের রচনা
অজ্ঞাবাদ
গবেষকরা বিভিন্ন মতবাদের স্বপক্ষে এবং বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্ত উত্থাপন করেছেন।
স্বয়ং বুদ্ধের রচনা – এই সংক্রান্ত মতামত
আদি বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে বিশারদ একাধিক গবেষকের মতে, ত্রিপিটকের (এবং এই গ্রন্থের প্রধান উপদেশগুলির) উপাদান সম্ভবত গৌতম বুদ্ধ কর্তৃক রচিত। রিচার্ড গোম্বরিচ বলেছেন যে, বুদ্ধের প্রধান উপদেশগুলি (যেমন বিনয় পিটক ও সুত্ত পিটকে পাওয়া যায়) যুক্তিসঙ্গত ও যথাযথভাবে ব্যাখ্যাত। এগুলি সম্ভবত কোনো এক জন মহাপুরুষের রচনা এবং তিনি হলেন গৌতম বুদ্ধ স্বয়ং। বুদ্ধের মৃত্যুর পর তার অনুগামীদের কোনো সমিতি তা রচনা করেনি।পিটার হার্ভেও তিপিটকের ‘অনেকাংশে’র প্রামাণ্যতা স্বীকার করেছেন। এ. কে. ওয়ার্ডার বলেছেন যে, এমন কোনো প্রমাণ নেই যে ত্রিপিটক বুদ্ধ বা তার সাক্ষাৎ শিষ্যদের পরিবর্তে আদি বৌদ্ধ সম্প্রদায়গুলি রচনা করেছিল। জে. ডব্লিউ. দে জং বলেছেন যে, আমরা আদিতম বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানি না একথা বলা ‘বকধার্মিকতা’র সমতুল। তার মতে, “বৌদ্ধধর্মের মৌলিক ধারণাগুলি আনুশাসনিক গ্রন্থাবলিতেই পাওয়া যায়। এগুলি তার দ্বারা খুব ভাল ভাবে ঘোষিত হয়েছে প্রচারিত হয়েছে এবং তার শিষ্যগণ কর্তৃক বিকাশলাভ করেছে। শেষে এগুলি নির্দিষ্ট সূত্রের আকারে লিপিবদ্ধ হয়েছে। এ. ওয়েন বলেছেন যে ত্রিপিটকে যে ধর্মগ্রন্থগুলি সংকলিত হয়েছে সেগুলির উৎস বৌদ্ধধর্মের একবারে সূত্রপাতের সময়টি।
সম্ভবত এতে বুদ্ধের শিক্ষার সারাংশ আছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে হয়তো তার মুখের কথাগুলিও আছে। হাজিমে নাকামুরা লিখেছেন যে, ঐতিহাসিক বুদ্ধের রচনা হিসেবে কিছু পাওয়া না গেলেও কিছু উপদেশ বা শব্দ নিশ্চয়ই তার মুখ থেকে নিঃসৃত হয়েছিল।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট।
১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: হয়ত শেখা শেষ হওয়ার আগেই আপনাগো ছেড়ে চলে যামু ওখানে।
২| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
চাঁদগাজী বলেছেন:
আপনার দেয়া ছবির বইতে লেখা, "ত্রিপিটক", আর আপনি লিখেছেন "তিপিটক"; দেখে লিখতে গিয়েও এই অবস্হা?
১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: প্রশ্ন ফাস্ট জেনারশন কিনা তাই এই অবস্থা।
৩| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
মলাসইলমুইনা বলেছেন: জ্ঞানপিটক মূলক লেখা ।ভালো লেগেছে ।
মাহাজানবাদ, হিনযানবাদ কি ? সর্বস্তবাদী আর মূলসর্বস্তবাদী ব্যাপারগুলো কি বুদ্ধধর্মের ?
১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪১
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় নাইম ভাই। ভাই আমি এ বিষয় একদমই নতুন । তবুও আপনার মতামত অনুযায়ী বিষয়টি নিয়ে আরো কিছু ভাবতেছি।দেখি ফলাফল কি দাঁড়ায় জানাবো ।
৪| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯
চাঁদগাজী বলেছেন:
লেখক বলেছেন, " প্রশ্ন ফাস্ট জেনারশন কিনা তাই এই অবস্থা।"
আপনার টাইপো--- " প্রশ্ন ফাস্ট "
সঠিক হবে---- " প্রশ্ন ফাঁস"
১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪২
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: এই বিষয়টিও বুঝলেন না চাঁদগাজী ভাই।
৫| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: বৌদ্ধ ধর্মের আরেকটা বই আছে। নাম সম্ভবত ''মিলিন্দ''।
পড়েছেন?
আমি কিছুটা পড়েছি।
২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২০
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: এখনো পড়া হয়নি তবে সামনের দিকে পড়ার খুব আগ্রহ আছে।
৬| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: বৌদ্ধ ধর্মের আরেকটা বই আছে। নাম সম্ভবত ''মিলিন্দ''।
পড়েছেন?
আমি কিছুটা পড়েছি।
২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২১
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: এখনো পড়া হয়নি তবে সামনের দিকে পড়ার খুব আগ্রহ আছে।
৭| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪৫
ching বলেছেন: ধন্যবাদ। সাথে একটা লিঙ্ক view this link
২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৪
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ ।
৮| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:২৫
সনেট কবি বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৫
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ কবি ভাই ।
৯| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০০
অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:
আগে জানতাম না । বোদ্ধ ধর্ম আর গৌতম বুদ্ধ নিয়ে কয়েকটী বই সংগ্রহ করেছি পড়ব ।
ধন্যবাদ
২৪ শে নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৭
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ । হ্যা যত বেশি পড়া যায় জ্ঞানও আসলে ততই বাড়ে।
১০| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২১
পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মফিজ ভাই,
বেশ সুন্দর একটি পোস্ট দিয়েছেন। ধন্যবাদ জানাই আপনাকে ।চতুর্থ বৌদ্ধ সম্মেলন সম্পর্কে যে তথ্য দিয়েছেন সম্ভবত ওটা শ্রীলংকা না হয়ে সম্রাট কনিষ্কর সময় কাশ্মীরে মতান্তরে জলন্ধরে 72 খ্রিস্টাব্দে হয়েছিল ।
থেরবাদ কথাটি এসেছে :-
থেরবাদ সিংহল ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ ধর্ম থেরবাদ নামে প্রচলিত। সংস্কৃত স্থবিরবাদ থেকে কথাটি এসেছে। আক্ষরিক অর্থে প্রবীনদের তত্ত্ব। ভারতে অবশ্য এর নাম ছিল হীনযান বৌদ্ধ ধর্ম। কেউ কেউ হীনযান বা থেরবাদকে আদি বৌদ্ধমত বলতেন। এই মত অনুসারে বুদ্ধকে শ্রদ্ধা অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু তাকে দেবতা বানিয়ে পূজা করা অনুচিত। এইখানেই মহাযান পন্থার সঙ্গে হীনযান বা থেরবাদ মতের তফাৎ। জান কথার অর্থ শকট মহাযান পন্থীরা বুদ্ধকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করার পক্ষপাতী। উল্লেখ্য চতুর্থ বৌদ্ধ সম্মেলনে গৌতম বুদ্ধকে পুজো করা নিয়ে এই বিভাজন টি প্রকট হয়েছিল ।
প্রিয় ছোট ভাই রাজীব নূর ভাই এর প্রশ্নের উত্তরে বলি, ভারতে ব্যাকট্রিয়- গ্রিক রাজা মিলিন্দ বৌদ্ধ পণ্ডিত নাগ সেনের কাছে বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কে যে প্রশ্নগুলো করেছিলেন এবং নাগ সেন সেগুলোর যথাযথ উত্তর দিয়েছিলেন । প্রশ্নের উত্তরে খুশি হয়ে মিলিন্দ বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে সেই প্রশ্ন উত্তর গুলি সংকলিত হয়ে একটি পুস্তক আকারে রূপ নেয় , যার নাম ' মিলিন্দ পঞ্চহো ' বা মিলিন্দের প্রশ্ন । যেটা বৌদ্ধ ধর্মের একটি প্রামাণ্য দলিল।
শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় ভাইকে ।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
১১| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২৭
:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: খুব ভালো লাগল স্যার।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
১২| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৩
ব্লগ মাস্টার বলেছেন: বাহ! সুন্দর ভালো উপস্থাপন।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই মাস্টার।
১৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৫
আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: পালি ভাষা তো শিখতে হচ্চে
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮
ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। শেখার পর সে সম্পর্কে আমাদের কিছু সাধারন জ্ঞান দিয়েন।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৪
চাঁদগাজী বলেছেন:
ভালো, আপনি পালি ভাষা শিখে, আমাদেরকে আরো মৌলিক ব্যাখ্যা দেবেন, আশাকরি