নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাদিয়ানী মতবাদ: বিশ্ব মুসলিম কর্তৃক গৃহীত ফতোয়া: ঈমান বাঁচাতে প্রত্যেকের যা জানা প্রয়োজন

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৩১



কাদিয়ানীদের অন্যতম আস্তানা, মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু, ফযল মসজিদ, লন্ডন।

এই মতের অনুসারীগন নিকৃষ্টতম কাফির এবং মুরতাদ

বিশ্বের হকপন্থী সকল আলেম-উলামার সম্মিলিত সিদ্ধান্ত- কাদিয়ানি মতবাদ একটি কুফুরি মতবাদ। এই মতের অনুসারীগন নিকৃষ্টতম কাফির এবং মুরতাদ। শুধু তাই নয়, যদি কোনো মুসলিম ব্যক্তি কাদিয়ানীদের কাফির হওয়ার বিষয়ে সন্দেহ পোষন করেন, তিনিও কুফুরীতে নিপতিত হবেন। উপমহাদেশের দখলদার বৃটিশ রাজ মুসলমানদের মধ্যে ফিতনা ফাসাদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে, মুসলমানদের ভেতরে অন্তর্কলহ তৈরির অসত উদ্দেশ্যে তাদের নেতা মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীকে নবুয়তি দিয়ে ধন্য করেছিল। বৃটিশরা তাদের উদ্দেশ্য সাধনে সফল হয়েছে এবং মির্জাা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীও তার জীবদ্দশায় বৃটিশ প্রভূদের অঢেল কৃপালাভে ধন্য হয়েছেন। জায়গীর, জমিদারী দেয়া হয়েছে, রাজকীয় ভাতা ইত্যাদি গোগ্রাসে গিলেছেন তিনি। আর সবশেষে তিনি একটি ভাল কাজ করেছেন, অনাগত পৃথিবীবাসীর সামনে তার কাঁচা হাতে কিছু ফালতু, ভাষাগত দুর্বলতার কারনে নিতান্ত পাঠ অযোগ্য, পড়লেই হাসির উদ্রেক হয়- এমন কিছু লেখনি রেখে গেছেন, যাতে আর যাই হোক, দু'টি প্রমান তিনি রেখে যেতে সক্ষম হয়েছেন, ১. তিনি ভন্ড নবী, ভন্ড ইমাম মাহদী, ভন্ড মাসীহে মওউদ ২. তিনি বৃটিশদের গোলাম, তারা তার প্রভূ। তাও তিনি তার লেখনির মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে জানিয়ে গেছেন, তার অকল্পনীয় বৃটিশ তোষামোদি জাহির করার মাধ্যমে। আজও বিশ্ববাসী খোলাচোখে দেখছে, বৃটিশরা তাদের বসবাসের জায়গা দিয়েছে। আজও এই মতবাদের কেন্দ্রবিন্দু ব্রিটেন। ছোট্ট দু'টি প্রশ্ন, ১. আচ্ছা, মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী হজ্ব কিংবা উমরাহ করলেন না কেন? তিনি তো অর্থ বিত্তের অধিকারী ছিলেন। ২. ভয়াবহ ডায়েরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পায়খানায় ডুবে লজ্জাজনকভাবে কেন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন? নবী রাসূলের তো প্রশ্নই আসে না, সাধারন কোনো নেককার পরহেযগার লোকের কি এমন লজ্জাস্কর পরিনতি সচরাচর দেখা যায়?

আসলে যতটুকু ধারনা করা যায়, জীবনে মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর মক্কাতুল মুকাররমাহ কিংবা মদীনাতুল মুনাওওয়ারাহ প্রবেশের সাহস হয়নি। আল্লাহ পাকের সাথে, আল্লাহর শ্রেষ্ঠতম রাসূলের সাথে বেআদবি আর চরম দুশমনি করার ফলেই কি তার এই পরিনতি হওয়া ছাড়া আর কীইবা আশা করা যেত?

কাদিয়ানীরা কুরআনে বর্ণিত ঈসা আলাইহিসসালামকে আসমানে উঠিয়ে নেওয়ার আয়াতকে অস্বীকার করে

কাদিয়ানিরা কাফির হওয়ার জন্য অনেক তথ্য প্রমানের প্রয়োজন নেই। অনেক দলিল আদিল্লারও দরকার নেই। তাদের কাফির সাব্যস্ত করার জন্য ছোট্ট এই প্রমানটিই যথেষ্ট যে, তারা কুরআনে বর্ণিত ঈসা আলাইহিসসালামকে আসমানে উঠিয়ে নেওয়ার আয়াতকে অস্বীকার করে। ব্যাস। এক আয়াত অস্বীকার করলেই কাফির। কাফির হওয়ার জন্য তো ৩০ পারা কুরআন অবিশ্বাস করতে হয় না। ইসলামের মূলে কুঠারাঘাতকারী এই দলটির কিছু বিভ্রান্ত ব্যক্তির অব্যহত প্রচারনায় সামু ব্লগে তাদের প্রতি কারও কারও সহানুভূতির অন্যরকম প্রকাশ দেখে বিস্মিত হই! বলি, আরে ভাই, এটাকে তো সহানুভূতি বলে না, এ -তো আপনি ওদের ঈমান ক্রয়ের জালে জড়াচ্ছেন! মিথ্যাবাদী মির্জা কাদিয়ানীর ব্যাপারে সন্দেহ - সংশয় কেন? আতি - উতি কেন?

আল্লাহর দ্বীন আল্লাহ রক্ষা করবেন, এটা ঠিক, কিন্তু আপনি অন্যায় দেখে নিরবে বসে থাকতে পারেন না

আল্লাহর দ্বীন আল্লাহ রক্ষা করবেন, এটা ঠিক, কিন্তু আপনি অন্যায় দেখে নিরবে বসে থাকতে পারেন না। আমি জানি, এই পোস্ট প্রকাশিত হওয়ার পরে কেউ কেউ হয়তো বলবেন, 'অাল্লাহর দ্বীন, আল্লাহর কুরআন -এসবের হেফাজত তো আল্লাহ পাক নিজেই করবেন। আমাদের কথা বলার দরকার কী?'

একথার জবাবে তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই, 'আল্লাহ পাক তাঁর দ্বীনের হেফাজত অবশ্যই করবেন। কুরআনের সম্মানও তিনি রক্ষা করবেন। তবে তিনি আসমান থেকে নেমে এসে ইতিপূর্বে এটা করেননি। ভবিষ্যতে কখনো করবেনও না। বরং পৃথিবীতে তিনি যে খলিফা প্রেরন করেছেন, তাদের মাধ্যমেই, অর্থাৎ তার খলিফাগণ এই গুরু দায়িত্ব পালন করছেন - এমনটাই দেখতে চান। যেমনটি আমরা দেখি আল্লাহর রাসূলের যামানায়, তিনি স্বয়ং রহমাতুল্লিল আলামীন, তাঁর তো সেনাপতির দায়িত্ব পালনের প্রয়োজন ছিল না। তিনি তো নবী শ্রেষ্ঠ। তাকে কেন দাঁত ভাঙতে হবে? তাকে কেন ক্ষুধার যন্ত্রনা সহ্য করতে হবে? তাঁর কেন দ্বীনের জন্য বাড়ি-ঘর ছেড়ে হিজরত করতে হবে? কেন তাকে ১০৬ কিলোমিটার দূরবর্তী শহর তায়েফের পানে ছুটে যেতে হবে পদব্রজে? পাথরের আঘাতে আঘাতে তিনি কেন রক্তাক্ত হবেন তায়েফের মরু পাথরের পথে পথে? মদীনার পানে কেন তাকে প্রিয় পিতৃশহর মক্কাকে পেছনে ফেলে যেতে হবে? সহীহ হাদিসের ভাষ্য থেকে আমরা জানতে পারি, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, من رأى منكم منكرا، فليغيره بيده، فإن لم يستطع فبلسانه، فإن لم يستطع فبقلبه، وذلك أضعف الإيمان

আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন শারী‘আত বিরোধী কার্যকলাপ হতে দেখে, সেটাকে যেন নিজ হাতে পরিবর্তন করে দেয়। যদি নিজ হাতে সেগুলো পরিবর্তন করার ক্ষমতা না থাকে, তাহলে মুখে নিষেধ করবে। আর যদি মুখে নিষেধ করারও সাধ্য না থাকে, তাহলে অন্তরে সেটা ঘৃণা করবে। এটা সবচেয়ে দুর্বল ঈমানের পরিচায়ক। (মুসলিম)[1] পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি / গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) / অধ্যায়ঃ পর্ব-২৫ঃ শিষ্টাচার (كتاب الآداب)

হাদিস নম্বরঃ ৫১৩৭ | 5137 | ۵۱۳۷

[1] সহীহ : মুসলিম ৭৮-(৪৯), আবূ দাঊদ ১১৪০, তিরমিযী ২১৭২ ইবনু মাজাহ ৪০১৩, নাসায়ী ৫০০৮, সহীহ আত্ তারগীব ২৩০২, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ৫৬৪৯, আহমাদ ১১১৫০, মুসনাদ আবূ ইয়া‘লা ১২০৩, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩০৭, সুনানুন্ নাসায়ী আল কুবরা ১১৭৩৯, হিলইয়াতুল আওলিয়া ১০/২৮, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬৪২৩।

On the authority of Abu Saeed Al-Khurdari, who said: I heard the messenger of Allah say:

"Whosoever of you sees an evil action, let him change it with his hand; and if he is not able to do so, then with his tongue; and if he is not able to do so, then with his heart; and that is the weakest of faith."

মির্জার নিজের নবুয়ত দাবির স্বীকারোক্তি

মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী তার জীবদ্দশায় প্রকাশিত তাঁর জীবনের শেষ পত্রে বলেছেন, তিনি স্বাধীন স্বয়ংসম্পূর্ণ স্বতন্ত্র নবুওতের দাবী নয় বরং কুরআন শরীফের অধীনে খাতামান নবীঈন হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আনুগত্যে উম্মতী নবুওতের দাবী করেছেন।

মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী -এর লিখিত পত্র ‘আখবারে আম’ পত্রিকার সম্পাদকের কাছে প্রেরিত। পত্র লেখার তারিখ ২৩ শে মে ১৯০৮, পত্র প্রকাশের তারিখ ২৬শে মে,১৯০৮॥

“আমি সব সময় নিজের প্রকাশনার মাধ্যমে জনগণকে জানিয়ে এসেছি আর এখনও জানাচ্ছি, আমার বিরুদ্ধে এই বলে যে অভিযোগ আরোপ করা হয়, আমি নাকি এমন এক নবুওতের দাবী করেছি যার দরুন ইসলামের সাথে আমার আর কোন সম্পর্কই থাকে না এবং যার অর্থ হল, আমি স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে নিজেকে একজন এমন নবী মনে করি যার ফলশ্রুতিতে আমার পক্ষে কুরআন শরীফকে অনুসরণ করার আর কোন প্রয়োজন থাকে না এবং আমি নিজের একটি পৃথক কলেমা বা পৃথক কিবলা বানিয়েছি অথবা ইসলামী শরীয়তকে একটি অচল বিষয় বলে ঘোষণা করেছি এবং মহানবী সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লামের অনুকরণ ও অনুসরণ পরিত্যাগ করেছি-এই অভিযোগ সঠিক নয় বরং আমার সব পুস্তকে এ ধরণের নবুওত দাবী করিনি বলে আমি সব সময় লিখে এসেছি। এটি আমার বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট অপবাদ। পক্ষান্তরে যেভাবে আমি নিজেকে নবী বলে থাকি এর ভিত্তি হচ্ছে, আমি মহান আল্লাহর সাথে বাক্যালাপ করার মর্যাদা পেয়েছি। তিনি আমার সাথে ঘন ঘন কথা বলেন এবং বাক্য বিনিময় করে থাকেন আর আমার নিবেদনের উত্তর প্রদান করেন এবং অদৃশ্য বিষযের অনেক কথা আমার কাছে প্রাকাশ করেন আর ভবিষ্যতে ঘটিতব্য এমন অনেক রহস্য উন্মোচন করেন যেগুলো বিশেষ নৈকট্যপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও কাছে তিনি প্রকাশ করেন না। এসব বিষযের আধিক্যের কারণে তিনি আমাকে নবী বলে আখ্যায়িত করেছেন। অতএব আমি খোদার আদেশে একজন নবী। একথা অস্বীকার করলে আমার পাপ হবে। আর যেক্ষেত্রে খোদা তা’লা আমার নাম নবী রেখেছেন সেক্ষেত্রে আমি কীভাবে তা অস্বীকার করতে পারি! আমি একথায় দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত আছি আর জগত থেকে বিদায় না নেয়া পর্যন্ত এতে দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত থাকবো। কিন্তু নিজেকে ইসলাম ধর্মের আওতামুক্ত করে অথবা ইসলাম ধর্মের কোন আদেশকে অচল ঘোষণা করে আমি নবী নই। আমার ঘাড়ে কুরআন পরিবেশিত শরীয়তের জোয়াল বিদ্যমান। আর কুরআন শরীফের এক বিন্দু বা কণা পরিমাণ রহিত করার মত সাধ্য কারও নাই। অতএব আমার নবী হিসেবে আখ্যায়িত হবার একমাত্র কারণ হল, আরবী ও হিব্রু ভাষায় খোদার পক্ষ থেকে ইলহাম লাভ করে অধিক সংখ্যায় ভবিষ্যদ্বাণী ঘোষণাকারীকে ‘নবী’ বলা হয়। আধিক্য ছাড়া এই অর্থ সাব্যস্ত হতে পারে না, যেমন এক পয়সার অধিকারী ব্যক্তি ‘ধনী’ হিসেবে আখ্যায়িত হতে পারে না। খোদা তা’লা তাঁর নিজ বাণীর মাধ্যমে আমাকে অদৃশ্য বিষয়ে অনেক জ্ঞান দান করেছেন আর আমার মাধ্যমে হাজার হাজার নিদর্শন প্রকাশ করেছেন এবং করছেন। আমি আত্মপ্রসাদে লিপ্ত না হয়ে কেবল খোদার অনুগ্রহ ও তাঁর প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ঘোষণা করছি, সমস্ত বিশ্ববাসীকে যদি একদিকে দাঁড় করানো হয় আর অপরদিকে যদি আমাকে একা দাঁড় করানো হয় আর এমন কোন বিষয় যদি উপস্থাপিত হয় যা দ্বারা খোদার বান্দারা পরীক্ষিত হয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে, খোদা আমার সপক্ষে থাকবেন আর প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাকে বিজয় দান করবেন। অতএব খোদা তা’লা কেবল এ কারণেই আমাকে নবী নামে সম্বোধন করেছেন কেননা এ যুগে আল্লাহর সাথে কথোপকথন ও বাক্যালাপের আধিক্য এবং অদৃশ্য বিষয়ে জ্ঞানের প্রাচুর্য্য একমাত্র আমাকেই দান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষও (সত্য) স্বপ্ন দেখে থাকে আর কেউ কেউ ইলহামও পায় এবং কিছু সংমিশ্রণসহ অদৃশ্য বিষয়ে সংবাদও লাভ করে থাকে যদিও সেই ইলহাম সংখ্যায় নিতান্ত অল্প আর অদৃশ্য বিষয়ে তাদের প্রাপ্ত সংবাদের পরিমাণও কম হয়ে থাকে। এই স্বল্পতার পাশাপাশি তা সন্দেহযুক্ত এবং কলুষিত আর প্রবৃত্তির চিন্তা-চেতনার মিশ্রণযুক্ত হয়ে থাকে- সেক্ষেত্রে নির্মল বিবেকের দাবী হল, যে ব্যক্তির ওহীর ও অদৃশ্য বিষয়ে জ্ঞান এসব কলুষ এবং দুর্বলতামুক্ত তাঁকে অন্যান্য সাধারণ মানুষের সাথে এক করে না ফেলে তাঁকে যেন একটা বিশেষ নামে অভিহিত করা হয়। যাতে তাঁর সাথে অন্যান্যদের তারতম্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাই আল্লাহ তা’লা কেবল বিশেষ মর্যাদা প্রদানের জন্য আমাকে নবী নাম দিয়েছেন। আর এটা আমাকে একটি সম্মানসূচক উপাধী দান করা হয়েছে যেন তাদের সাথে আমার তফাতটা প্রকাশিত হয়। এই অর্থে আমি একজন নবী আবার একজন উন্মতীও বটে, যেন আমাদের সম্মানিত নেতা ও প্রেমাষ্পদ(সা.)-এর সেই ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণ হয় যাতে বলা আছে, আগমনকারী মসীহ উম্মতীও হবেন আবার নবীও হবেন। তা না হলে হযরত ঈসা (আ.), যাঁর দ্বিতীয় আগমন সম্বন্ধে মানুষ এক মিথ্যা আশা ও কল্পিত ধারণা পোষণ করে আসছে তিনি উন্মতী হবেন কীভাবে? তিনি আকাশ থেকে নেমে কি নতুন করে মুসলমান হবেন? সে সময়ে আমাদের নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি আর খাতামুল আম্বীয়া থাকবেন না?

ওয়াসসালামু আলা মানিততাবা আলহুদা, যারা হেদায়েতের পথ অনুসরণ করে চলে তাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।''

আহমাদিয়া কাদিয়ানীদের বিষয়ে বিশ্ব মুসলিমের ফতোয়া

এই আহমাদিয়া কাদিয়ানীদের বিষয়ে Majlis Ugama Islam Singapura (Islamic Religious Council of Singapore) সিঙ্গাপুর কর্তৃক ২৩ জুন ১৯৬৯ ইং সালে গৃহীত ফতোয়া-



অনলাইন লিঙ্ক-

AHMADIYAH

কাদিয়ানী মতবাদ সম্মন্ধে মুসলিম বিশ্ব কর্তৃক গৃহীত ফতোয়া Fatwas of Muslim Scholars and Organizations Regarding the Qadiani (Ahmadiyya) Cult:

Always be warned from Islam.com it is not trustworthy

Islam.com is a site used to attack Islam by the qadyani cult using the kafir called asif jamil (the anti-islamic kafir with a Ph.D in Neuroscience from University of Gottingen- dedicated for running islam.com in the name of Islam to attack it while he is not a Muslim).

The 1974 Declaration of Muslim World League:

Qadianism or Ahmadiyyat: It is a subversive movement against Islam and the Muslim world, which falsely and deceitfully claims to be an Islamic sect; who under the guise of Islam and for the sake of mundane interests contrives and plans to damage the very foundations of Islam. Its eminent deviations from the basic Islamic principles are as follows:

1. Its founder claimed that he was a Prophet.

2. They deliberately distort the meanings of the verses of the Holy Quran.

3. They declared that Jehad has been abolished.

Qadianism was originally fostered by the British imperialism. Hence it has been flourishing under her flag. This movement has completely been disloyal to and dishonest in affairs of the Muslim Ummah. Rather, it has been loyal to Imperialism and Zionism. It has deep associations and cooperation with the anti Islamic forces and teachings especially through the following nefarious methods:

1. Construction of mosques with the assistance of the anti Islamic forces wherin the misleading Qadiani thoughts are imparted to the people.

2. Opening of schools institutions and orphanages wherein the people are taught and trained as to how they can be more anti Islamic in their activities. They also published the corrupted versions of the Holy Quran in different local and international languages.

In order to combat these dangers, the Conference recommends the following measures:

1. All the Muslim organization in the world must keep a vigilant eye on all the activities of Qadianisin their respective countries; to confine them all strictly to their schools, institutions and orphanages only. Moreover he Muslims of the world be shown the true picture of Qadianism and be briefed of their various tactics so that the Muslims of the world be saved from their designs.

2. They must be declared non Muslims and ousted form the fold of Islam. And be barred to enter the Holy lands.

3. There must be no dealings with the Qadianis. They must be coycotted socially , economically and culturally Nor they be married with or to Nor they be allowed to be buried in the Muslims graveyards. And they be treated like other non Muslims.

4. All the Muslim countries must impose restrictions on the activities of the claimant of Prophethood Mirza Ghulam Ahmed Qadiani’s followers; must declare them a non Muslim minority must not etrust them them with any post of responsibility in any Muslim country.

5. The alterations effected by them in the Holy Quran must be made public and the people be briefed of them and all these be prohibited for further publication.

6. All such groups as are deviators from islam must be treated at par with the Qadianis.
Fatwa of permanent board of Inquiry and Fatwa (Saudi Arabia):

Question: What is the Islamic ruling (fatwa) about this new religion Ahmadiyya and its followers? … In addition, when and where did this religion originate and what is the Islamic ruling (fatwa) about people who are in its favor?

All Praise to Allah who is The One and Blessings and Peace be upon his Messenger, his Followers and Companions … To the Point:

Answer: The Pakistan government has ruled these people outside the fold of Islam; also, the Muslim World League (Rabita A’ailm-e-Islami) in Mecca has passed a similar fatwa. In the gathering of the Muslim Scholars (Rabita A’ailm-e-Islami) in the year 1394 A.H. (1974), a written statement was drafted to explain the true principles of this group, how and when they started, and so on. Very briefly, this group has declare that Mirza Ghulam Ahmad, an Indian, is a prophet who has received revelations from Allah and that no one will be correct in his Islam, unless he believes in him (Mirza). He (Mirza) was born in the 13th century, but Allah(SWT) has told us in his Book (Quran) that prophet Muhammad(SAW) is the last of Prophets1; all Muslim scholars have given an unanimous ruling that whoever makes the claim that after him(SAW) there can appear a new prophet is a Kafir (non-Muslim), because he will be lying about Allah’s Book and about the hadith of the Prophet(SAW) which states that he(SAW) is the very last of the Prophets. In addition, this would be contrary to the consensus of the Muslim Ummah.

With Allah is Success and Peace of Allah be upon his Messenger Muhammad and his Followers and Companions.

The Permanent Board for Inquiry and Fatwa (Saudia Arabia):

Member Member Vice Chairman Chairman

Abdullah bin Ghaud Abdullah bin Ghedian Abdulrezagh Afifi Abdulaziz bin Abdullah bin Baz

1: Ahmad: 398/2, 412, 79/3, 248, 81/4, 84, 127, 128, 278/5; Al-Bukhari: 3535; Muslim: 2286, 2287
Fatawa al-Lajnah ad-Daimah lil-Buhoth al-‘Ilmiyah wal-Ifta., Question 3 of Fatwa No. 1615

Question from the Fatwa No. 4317:

Question: We request your explanation on the Islamic ruling regarding the Qadiani group, and their self-procalimed “prophet” Ghulam Ahmad Qadiani. We also request you send us some books which have researched this group since I am concerned in studying them.

Answer: The prophethood was completed by our prophet Muhammad(SAW) so there is no prophet after him, according to what is confirmed in the Book (Quran) and the Sunnah. So whoever claims prophethood after this, then he is a liar. And from amongst these is Ghulam Ahmad Qadiani. So his claim of prophethood is a lie, and what the Qadianis claim regarding his prophethood is false.

The judgement of the Council of Senior Scholars of Saudi Arabia was passed regarding the Qadianis that they are an unbelieving group because of their ideology.

With Allah is Success and Peace of Allah be upon his Messenger Muhammad and his Followers and Companions.

The Permanent Board for Inquiry and Fatwa:

Member Member Vice Chairman Chairman

Abdullah bin Ghaud Abdullah bin Ghedian Abdulrezagh Afifi Abdulaziz bin Abdullah bin Baz

Fatawa al-Lajnah ad-Daimah lil-Buhoth al-‘Ilmiyah wal-Ifta., Volume 2, Page 313, Fatwa No. 4317The third question from the Fatwa No. 8536:

Question: What is the difference between the Muslims and the Ahmadis (Qadianis)?

Answer: The difference between the two is:

The Muslims are those who worship Allah alone and follow His messenger Muhammad(SAW) and believe that he is the seal of the prophets, and that there is no prophet after him.

As for the Ahmadis, who are followers of Mirza Ghulam Ahmad, they are kuffar and not Muslims, because they claim that Mirza Ghulam Ahmad was a prophet after Muhammad(SAW), and whoever believes in this ideology then he is an denier of truth, according to all the scholars of Islam, as Allah(SWT) says:
“Muhammad is not the father of any man among you, but he is the Messenger of Allaah and the last (seal) of the Prophets” [al-Ahzaab, 40].

And because of what has been authenticated on the authority of the Messenger of Allah(SAW) that he said:
“I am the seal of (all) the prophets, there is no prophet after me”, [Imam Ahmad – volume 2, page 398 and 412, volume 3 page 79 and 248, volume 4, page 81, 84, 127 and 128, volume 5, page 278; al-Bukhari (Fath al-Bari) number 3535; Muslim – number 2286 and 2287; Abu Dawud – number 4252].

With Allah is Success and Peace of Allah be upon his Messenger Muhammad and his Followers and Companions.

The Permanent Board for Inquiry and Fatwa :

Member Member Vice Chairman Chairman

Abdullah bin Ghaud Abdullah bin Ghedian Abdulrezagh Afifi Abdulaziz bin Abdullah bin Baz
Fatawa al-Lajnah ad-Daimah lil-Buhoth al-‘Ilmiyah wal-Ifta., Volume 2, Page 314, Question 3 of Fatwa No. 8536

Fatwa of Islamic Fiqh Academy, Egypt:

Question:Dear scholars, As-Salaam `Alaykum

Would you please shed some light on the Ahmadiyyah or Qadyaniyyah movement? Jazakum Allah khayran.

Answer:Wa`alykum As-Salaamu Warahmatullahi Wabarakaatuh.
In the Name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.
All praise and thanks are due to Allah, and peace and blessings be upon His Messenger.
Dear sister in Islam, thanks for showing great keenness on understanding the teachings of your religion and we pray to Allah to keep us firm on the Straight Path.

As regards the question you posed, we quote for you the fatwa issued by Islamic Fiqh Academy on Qadyaniyyah, with slight additions from other sources. It goes as follows:

Definition:

Qadyaniyyah (also known as Ahmadiyyah) is an Indian-based movement that was established under the patronage of the British colonial powers in 1900 for the aim of driving Muslims away from their religion and, most definitely, the religious duty of Jihad, which, they feared, might be used to stage rebellion against the British occupation. The mouthpiece of the movement was Religions, a magazine that was issued in English at that time.

Dogmas and Ideology:

Ghulam Ahmad, the founder of the movement, began his activities as an Islamic caller to attract as many supporters as he could. Later, he claimed himself a reformer and a divinely-inspired man. Afterwards, he said that he was the awaited Mahdi. Later on, he claimed prophethood and even said that his prophethood was much better than that of Prophet Muhammad, peace and blessings be upon him.
The followers of this group believe that Allah, Glorified be He, performs some acts befitting the mortals, like fasting, praying, sleeping, and even committing mistakes. But Allah Almighty is Far Exalted above what they say!

A Qadyani believes that his lord is English as he speaks to him in English. He also believes that Muhammad, peace and blessings be upon him, is not the seal of Prophets and that Allah Almighty sends new prophets according to time and need, and that Ghulam Ahmad is the greatest prophet. The followers of this sect also believe that Angel Gabriel used to come to Ghulam Ahmad and convey revelations to him. In addition, they say that the only accepted book is the book presented by Ghulam Ahmad, his words are the only accepted words and that all prophets stand under his control. Furthermore, they believe that their book, known as Al-Mubeen is a heavenly-revealed one.

They continue spreading their false ideas by saying that they have a new religion totally different from all other religions and that the companions of Ghulam Ahmad are like the Prophet’s Companions. Moreover, they say that Qadyan, their leader’s place of birth, is like, or even better than, Makkah and Madinah, so they take it as their prayer direction and a center of pilgrimage. They call for ignoring Jihad and showing complete obedience to the British empire, because it represents the ruler to whom obedience is due. To them, every Muslim is a Kafir (disbeliever) until he converts to their belief, and that anyone who marries a non-Qadyani is considered an unbeliever. They also allow wine, opium, intoxicants and drugs.

In 1914 the followers of Ghulam Ahmad were divided into two groups. The overwhelming majority of his followers belong to the first group known as Qadyanis and were headed by Bashiruddin Mahmud, the second successor of Ghulam Ahmad. The second group known as Lahori, and founded by Muhammad ‘Ali Lahori, is a minority among the followers of Ghulam Ahmad. The second group have a less striking tone of their principles by claiming that they do not believe in Ghulam Ahmad as a prophet in the real sense of the term but as Mujaddid (a renovator). However, they still believe him to be true in all other claims, which led Muslims to regard them also as outside the pale of Islam.

Qadianiyah in the Eyes of Muslims:

On the month of Rabi` Al-Awwal 1394 A.H. (April 1974 A.C.) a large conference was held in the Muslim World League headquarters in Makkah and was attended by many representatives of international Islamic organizations. The communiqué issued by this conference branded this group as Kafirs (unbelievers). It also recommended that all Muslims should stand to face this group and never deal with its members and not to bury them in Muslim cemeteries.

Moreover, Qadyaniyyah followers have good relations with Israel that helped them issue a special magazine (that stands as their mouthpiece) and many other pamphlets that are distributed all over the world.

Conclusion:

Based on the above-mentioned facts, we can say that Qadyaniyyah is a deviant group that has nothing to do with Islam. Muslims are to be aware of them especially after they have been branded as Kafirs by all scholars.

For more information, you can read the following:

• Muhammad Iqbal, Islam and Ahmadism, Lahore-Pakistan, 1976.
• Syed Abul Ala Maudoodi, The Qadiani Problem, Karachi, 1956.
• Ehsan Elahi Zaheer, Qadiyaniat: An Analytical Survey, Lahore-Pakistan, 1976.
• Mahmood A. Ghazi, Qadiani Problem and Position of the Lahori Group, Islamic Book Foundation, Islamabad, 1991.
• Bashir Ahmad, Ahamadiyya Movement: British Jewish Connections, Islamabad, 1994.
• Mane`Bin Hammad Al-Juhani, Al-Mawsu`ah Al-Muyassarah fi Al-Adyan wal Madhahib Al-Mu`asirah.
Allah Almighty knows best.

Fatwa of Islamic Fiqh Council, South Africa:

After discussing the question put to the Islamic Fiqh Council in Capetown, South Africa, concerning the ruling on the Qadianis and their off-shoot which is known as Lahoriyyah, and whether they should be counted as Muslims or not, and whether a non-Muslim is qualified to examine an issue of this nature:
In the light of research and documents presented to the members of the council concerning Mirza Ghulam Ahmad al-Qadiani, who emerged in India in the last century and to whom is attributed the Qadiani and Lahori movements, and after pondering the information presented on these two groups, and after confirming that Mirza Ghulam Ahmad claimed to be a prophet who received revelation, a claim which is documented in his own writings and speeches, some of which he claimed to have received as revelation, a claim which he propagated all his life and asked people to believe in, just as it is also well-known that he denied many other things which are proven to be essential elements of the religion of Islam
In the light of the above, the Council issued the following statement:

Firstly: the claims of Mirza Ghulam Ahmad to be a prophet or a messenger and to receive revelation are clearly a rejection of proven and essential elements of Islam, which unequivocally states that Prophethood ended with Muhammad (peace and blessings of Allaah be upon him) and that no revelation will come to anyone after him. This claim made by Mirza Ghulam Ahmad makes him and anyone who agrees with him an apostate who is beyond the pale of Islam. As for the Lahoriyyah, they are like the Qadianiyyah: the same ruling of apostasy applies to them despite the fact that they described Mirza Ghulam Ahmad as a shadow and manifestation of our Prophet Muhammad (peace and blessings of Allaah be upon him).

Secondly: it is not appropriate for a non-Muslim court or judge to give a ruling on who is a Muslim and who is an apostate, especially when this goes against the consensus of the scholars and organizations of the Muslim Ummah. Rulings of this nature are not acceptable unless they are issued by a Muslim scholar who knows all the requirements for being considered a Muslim, who knows when a person may be deemed to have overstepped the mark and become an apostate, who understands the realities of Islam and kufr, and who has comprehensive knowledge of what is stated in the Qur’aan, Sunnah and scholarly consensus. The ruling of a court of that nature is invalid. And Allaah knows best.
Majma’ al-Fiqh al-Islami, p. 13

Fatwa of Dr Muzammil Siqqiqi, USA:

Question:As-Salamu `Alaykum. What can you tell us about Ahmadis? I think you can give us some insight into their ideology and method and what should our attitude be toward their missionaries.
Answer:Wa`alaykum As-Salaamu Warahmatullahi Wabarakatuh.
In The Name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.

All praise and thanks are due to Allah, and peace and blessings be upon His Messenger.
Dear questioner, thank you very much for having confidence in us, and we hope our efforts, which are purely for Allah’s Sake, meet your expectations.

In his response to the question, Dr. Muzammil Siddiqi, former president of the Islamic Society of North America, states the following:

Ahmadiyyah is a movement that started in India in the beginning of the 20th century. The founder of this movement, Ghulam Ahmed, from the village of Qadiyan in Punjab, claimed to be the Messenger of Allah.
Because of this claim, the scholars of Islam unanimously consider him as a non-believer. Some of his followers still believe that he was the Messenger although they say that he was not the full Messenger, but a subsidiary Messenger. They misinterpret the verse of Surat Al-Ahzab where Allah Almighty says, ” Muhammad is not the father of any man among you, but he is the messenger of Allah and the Seal of the Prophets; and Allah is Aware of all things.” (Al-Ahzab: 40)

They claim that the word Khatam An-nabiyyin doesn’t mean the last Prophet, but the best Prophet.
According to them, Prophet Muhammad, peace and blessings be upon him, was the best Prophet, but it is possible to have lesser or minor Prophets. However, this is obviously a wrong interpretation because there are many other verses and Prophetic Hadiths that indicate that Prophet Muhammad, peace and blessings be upon him, was sent as a Prophet of Allah for all people, and there are many authentic Hadiths, of which the Prophet, peace and blessings be upon him, said that there would be no Prophet after him.

So Ahmadi’s have rejected a basic principle of Islamic faith and because of this, they are not considered Muslims. Among them, there is a group that says that Ghulam Ahmad was not a Prophet, ut that he was the Messiah or the Madhi or things like that.

However, that is also obviously wrong because the Messiah and the Mahdi will come at the end of the world and the end of the world has not come yet, so that shows that this claim was a false claim.
The Ahmadi missionaries succeed because they are organized and they spread their message all over the world while many of us are lazy and we don’t present the authentic message of Islam with the same vigor and enthusiasm. Thus, instead of getting into arguments with Ahmadis or any other group, let us concentrate on presenting the authentic message of Islam and Insha Allah, the truth will prevail.”
May Allah guide you to the straight path, and guide you to that which pleases Him, Amen.
Allah Almighty knows best.

Fatwa of Shariah Council, UK:

Question:

There has been a local dispute in which a Muslim community has prevented a Qadiani women from burying her husband in a Muslim cemetery. Given that Qadianis are consensually agreed to be outside the fold mainstream of Islam, is this a reasonable stance to take or is religious bigotry?

Answer:

This is not religious bigotry. We do not have an excommunicating authority in Islam but we do have a set of beliefs which are indisputable. Anybody calling into question these beliefs is considered a Murtadd (an apostate). The finality of Prophethood is established in the Qur’an in Chapter 33 where Allah says that Muhammad was not the father of any man among you, but he is the Messenger of God and the seal of all the Prophets. The Prophet, peace be upon him, himself confirmed this when he said, “I am the last of all the Prophets. There will be no more after me.” Thus the finality of Prophethood is an act of faith to which every Muslim must submit.

Those who dispute this belief with arguments, even though they may be couched in Islamic terms, have been declared as non-Muslims by all the scholars and research academies. As such they have no right whatsoever to be buried in a Muslim cemetery.

This is not bigotry. It is part of the Islamic way of life in which only Muslims should be buried in an Islamic cemetery to the extent that where a non-Muslim woman is married to a Muslim man and she passes away during pregnancy she is not to be buried in a Jewish or Christian cemetery because she is conceiving a Muslim child. Nor is she to be buried in a Muslim cemetery because she herself is not a Muslim. She has to be interred somewhere neutral. (31 – Jana’iz 2)

Shaykh Syed Mutawalli ad-Darsh
Chairman of the UK Shari’ah Council
Fatwa of Mufti Ebrahim Desai, South Africa:

Question:

How should we act toward the Ahmadis or (Qadianis) people who are in Pakistan also, and they belive that Imam mehdi(A) has come to the world? I wanted to know how to treat these people? Now that the government in Afghanistan is western backed, I noticed these people also trying to come for their tabligh to Afghanistan and the dificulty is that these people act like muslims and they try to spread in Afghanistan too, so how could we take steps towards them and I want you to please inform as many muslims as possible about these people and that they could go to Afghanistan to take every step to stop them. may Allah give you the reward wasalaam

Answer:

Qadianis are not Muslims.
It is incumbent upon every individual to inform his associates about Qadianis and every possible effort should be made to protect and safeguard innocent people from the net of Qadianis.
and Allah Ta’ala Knows Best

Mufti Ebrahim Desai FATWA DEPT.
Fatwa of Sheikh Muhammed Salih Al-Munajjid:

Question:

I appeal to you to answer the questions that I have previously submitted or to answer the one that follows, as the problem has for months caused me nothing but trouble in my local community. Even if I had the support of a fatwa, it might not help because this local community does not respect the ulama, but at least I would know that I am not erring.

I know that you cannot answer all questions, but surely something as important as this cannot be ignored. It is Ramadan and I hope for your answer.

If someone is not a qadiani but knows that they believe in a false prophet and accepts qadianis as a madhab in Islam, are they out of Islam? I believe that they are out of Islam, and I am acting on that belief in my conduct towards such people.

Answer:

Praise be to Allah.

Definition:

Qadianism is a movement that started in 1900 CE as a plot by the British colonialists in the Indian subcontinent, with the aim of diverting Muslims away from their religion and from the obligation of jihad in particular, so that they would not oppose colonialism in the name of Islam. The mouthpiece of this movement was the magazine Majallat Al-Adyaan (Magazine if Religions) which was published in English.
Foundation and prominent personalities:

Mirza Ghulam Ahmad al-Qadiani (1839-1908 CE) was the main tool by means of which Qadianiyyah was founded. He was born in the village of Qadian, in the Punjab, in India, in 1839 CE. He came from a family that was well known for having betrayed its religion and country, so Ghulam Ahmad grew up loyal and obedient to the colonialists in every sense. Thus he was chosen for the role of a so-called prophet, so that the Muslims would gather around him and he would distract them from waging jihaad against the English colonialists. The British government did lots of favours for them, so they were loyal to the British. Ghulam Ahmad was known among his followers to be unstable, with a lot of health problems and dependent on drugs.

Among those who confronted him and his evil da’wah was Shaykh Abu’l-Wafa’ Thana’ al-Amritsari, the leader of Jama’iyyat Ahl al-Hadeeth fi ‘Umoom al-Hind (The All-India Society of Ahl al-Hadeeth). The Shaykh debated with him and refuted his arguments, revealing his ulterior motives and Kufr and the deviation of his way. When Ghulam Ahmad did not come to his senses, Shaykh Abu’l-Wafa’ challenged him to come together and invoke the curse of Allaah, such that the one who was lying would die in the lifetime of the one who was telling the truth. Only a few days passed before Mirza Ghulam Ahmad al-Qadiani died, in 1908 CE, leaving behind more than fifty books, pamphlets and articles, among the most important of which are: Izaalat al-Awhaam (Dispelling illusions), I’jaaz Ahmadi (Ahmadi miracles), Baraaheen Ahmadiyyah (Ahmadi proofs), Anwaar al-Islam (Lights of Islam), I’jaaz al-Maseeh (Miracles of the Messiah), al-Tableegh (Conveying (the message))and Tajalliyyaat Ilaahiyyah (Divine manifestations).
Noor al-Deen (Nuruddin): the first Khaleefah of the Qadianis. The British put the crown of Khilaafah on his head, so the disciples (of Ghulam Ahmad) followed him. Among his books is: Fasl al-Khitaab (Definitive statement).

Muhammad Ali and Khojah Kamaal al-Deen: the two leaders of the Lahore Qadianis. They are the ones who gave the final shape to the movement. The former produced a distorted translation into English of the Qur’aan. His other works include: Haqeeqat al-Ikhtilaaf (The reality of differences), al-Nubuwwah fi’l-Islam (Prophethood in Islam) and al-Deen al-Islami (The Islamic religion). As for Khojah Kamaal al-Deen, he wrote a book called al-Mathal al-A’laa fi’l-Anbiya’ (The highest example of the Prophets), and other books. This Lahore group of Ahmadis are those who think of Ghulam Ahmad as a Mujaddid (renewer or reviver of Islam) only, but both groups are viewed as a single movement because odd ideas that are not seen in the one will surely be found in the other.

Muhammad Ali: the leader of the Lahore Qadianis. He was one of those who gave the final shape to Qadianiyyah, a colonialist spy and the person in charge of the magazine which was the voice of the Qadianiyyah. He also produced a distorted translation into English of the Qur’aan. Among his works are Haqeeqat al-Ikhtilaaf (The reality of differences), and al-Nubuwwah fi’l-Islam (Prophethood in Islam), as stated above.

Muhammad Saadiq, the mufti of the Qadianiyyah. His works include: Khatim al-Nabiyyeen The seal of the Prophets).

Basheer Ahmad ibn Ghulam. His works include: Seerat al-Mahdi (the life of the Mahdi) and Kalimat al-Fasl (Decisive word).

Mahmood Ahmad ibn Ghulam, his second Khaleefah. Among his works are: Anwaar al-Khilaafah (Lights of the caliphate), Tuhfat al-Mulook and Haqeeqat al-Nubuwwah (The reality of prophethood).
The appointment of the Qadiani Zafar-Allaah Khan as the first Foreign Minister of Pakistan had a major effect in supporting this deviant sect, as he gave them a large area in the province of the Punjab to be their world headquarters, which they named Rabwah (high ground) as in the aayah (interpretation of the meaning): “And We gave them refuge on high ground (rabwah), a place of rest, security and flowing streams.” [al-Mu’minoon 23:50].

Their thought and beliefs:

Ghulam Ahmad began his activities as an Islamic daa’iyah (caller to Islam) so that he could gather followers around him, then he claimed to be a mujaddid inspired by Allaah. Then he took a further step and claimed to be the Awaited Mahdi and the Promised Messiah. Then he claimed to be a Prophet and that his prophethood was higher than that of Muhammad (peace and blessings of Allaah be upon him).
• The Qadianis believe that Allaah fasts, prays, sleeps, wakes up, writes, makes mistakes and has intercourse – exalted be Allaah far above all that they say.
• The Qadiani believes that his god is English because he speaks to him in English.
• The Qadianis believe that Prophethood did not end with Muhammad (peace and blessings of Allaah be upon him), but that it is ongoing, and that Allaah sends a messenger when there is a need, and that Ghulam Ahmad is the best of all the Prophets.
• They believe that Jibreel used to come down to Ghulam Ahmad and that he used to bring revelation to him, and that his inspirations are like the Qur’aan.
• They say that there is no Qur’aan other than what the “Promised Messiah” (Ghulam Ahmad) brought, and no hadeeth except what is in accordance with his teachings, and no Prophet except under the leadership of Ghulam Ahmad.
• They believe that their book was revealed. Its name is al-Kitaab al-Mubeen and it is different from the Holy Qur’aan.
• They believe that they are followers of a new and independent religion and an independent Sharee’ah, and that the friends of Ghulam are like the Sahaabah.
• They believe that Qadian is like Madeenah and Makkah, if not better than them, and that its land is sacred. It is their Qiblah and the place they make hajj to.
• They called for the abolition of jihaad and blind obedience to the British government because, as they claimed, the British were “those in authority” as stated in the Qur’aan.
• In their view every Muslim is a Kaafir unless he becomes a Qadiani, and everyone who married a non-Qadiani is also a kaafir.
• They allow alcohol, opium, drugs and intoxicants.

Intellectual and ideological roots:

The westernizing movement of Sir Sayyid Ahmad Khan paved the way for the emergence of the Qadianiyyah, because it had already spread deviant ideas.

The British made the most of this opportunity so they started the Qadiani movement and chose a man from a family that had a history of being agents of the colonialists.

In 1953 CE, there was a popular revolution in Pakistan which demanded the removal of Zafar-Allaah Khan from the position of Foreign Minister and that the Qadiani sect should be regarded as a non-Muslim minority. In this uprising around ten thousand Muslims were martyred, and they succeeded in having the Qadiani minister removed from office.

In Rabee’ al-Awwal 1394 AH (April 1974), a major conference was held by the Muslim World League in Makkah, which was attended by representatives of Muslim organizations from around the world. This conference announced that this sect is Kaafir and is beyond the pale of Islam, and told Muslims to resist its dangers and not to cooperate with the Qadianis or bury their dead in Muslim graveyards.

The Majlis al-Ummah in Pakistan (the central parliament) debated with the Qadiani leader Mirza Naasir Ahmad, and he was refuted by Shaykh Mufti Mahmood (may Allaah have mercy on him). The debate went on for nearly thirty hours but Naasir Ahmad was unable to give answers and the Kufr of this group was exposed, so the Majlis issued a statement that the Qadianis should be regarded as a non-Muslim minority.

Among the factors that make Mirza Ghulam Ahmad an obvious Kaafir are the following:
• His claim to be a Prophet
• His abolition of the duty of jihaad, to serve the interests of the colonialists.
• His saying that people should no longer go on Hajj to Makkah, and his substitution of Qadian as the place of pilgrimage.
• His anthropomorphism or likening Allaah to human beings.
• His belief in the transmigration of souls and incarnation.
• His attributing a son to Allaah and his claim to be the son of God.
• He is denying that Prophethood ended with Muhammad (peace and blessings of Allaah be upon him) and his regarding the door of Prophethood to be open to “any Tom, Dick or Harry”.
• The Qadianis have strong ties with Israel. Israel has opened centres and schools for them, and helped them to publish a magazine which is their mouthpiece, to print books and publications for distribution worldwide.
• The fact that they are influenced by Judaism, Christianity and al-Baatiniyyah is clear from their beliefs and practices, even though they claim to be Muslims.

Their spread and positions of influence:

Most of the Qadianis nowadays live in India and Pakistan, with a few in Israel and the Arab world. They are trying, with the help of the colonialists, to obtain sensitive positions in all the places where they live.
The Qadianis are very active in Africa and in some western countries. In Africa they have more than 5,000 teachers and dai’yahs working full-time to call people to Qadianiyyah. Their wide-spread activity proves that they have the support of the colonialists.

The British government is also supporting this movement and making it easy for their followers to get positions in world governments, corporate administration and consulates. Some of them are also high-ranking officers in the secret services.

In calling people to their beliefs, the Qadianis use all kinds of methods, especially educational means, because they are highly-educated and there are many scientists, engineers and doctors in their ranks. In Britain there is a satellite TV channel called Islamic TV which is run by the Qadianis.

From the above, it is clear that:

Qadianiyyah is a misguided group, which is not part of Islam at all. Its beliefs are completely contradictory to Islam, so Muslims should beware of their activities, since the ‘Ulama’ (scholars) of Islam have stated that they are Kaafirs.

For more information see:

Al-Qadianiyyah by Ihsaan Ilaahi Zaheer. (Translator’s note: this book is available in English under the title “Qadiyaniat: an analytical survey” by Ehsan Elahi Zaheer)

Reference:

Al-Mawsoo’ah al-Muyassarah fi’l-Adyaan al-Madhaahib wa’l-Ahzaab al-Mu’aasirah by Dr. Maani’ Hammad al-Juhani, 1/419-423

The Islamic Fiqh Council (Majma’ al-Fiqh al-Islami) issued the following statement:

After discussing the question put to the Islamic Fiqh Council in Capetown, South Africa, concerning the ruling on the Qadianis and their off-shoot which is known as Lahoriyyah, and whether they should be counted as Muslims or not, and whether a non-Muslim is qualified to examine an issue of this nature:
In the light of research and documents presented to the members of the council concerning Mirza Ghulam Ahmad al-Qadiani, who emerged in India in the last century and to whom is attributed the Qadiani and Lahori movements, and after pondering the information presented on these two groups, and after confirming that Mirza Ghulam Ahmad claimed to be a prophet who received revelation, a claim which is documented in his own writings and speeches, some of which he claimed to have received as revelation, a claim which he propagated all his life and asked people to believe in, just as it is also well-known that he denied many other things which are proven to be essential elements of the religion of Islam

In the light of the above, the Council issued the following statement:

Firstly: the claims of Mirza Ghulam Ahmad to be a prophet or a messenger and to receive revelation are clearly a rejection of proven and essential elements of Islam, which unequivocally states that Prophethood ended with Muhammad (peace and blessings of Allaah be upon him) and that no revelation will come to anyone after him. This claim made by Mirza Ghulam Ahmad makes him and anyone who agrees with him an apostate who is beyond the pale of Islam. As for the Lahoriyyah, they are like the Qadianiyyah: the same ruling of apostasy applies to them despite the fact that they described Mirza Ghulam Ahmad as a shadow and manifestation of our Prophet Muhammad (peace and blessings of Allaah be upon him).

Secondly: it is not appropriate for a non-Muslim court or judge to give a ruling on who is a Muslim and who is an apostate, especially when this goes against the consensus of the scholars and organizations of the Muslim Ummah. Rulings of this nature are not acceptable unless they are issued by a Muslim scholar who knows all the requirements for being considered a Muslim, who knows when a person may be deemed to have overstepped the mark and become an apostate, who understands the realities of Islam and kufr, and who has comprehensive knowledge of what is stated in the Qur’aan, Sunnah and scholarly consensus. The ruling of a court of that nature is invalid. And Allaah knows best.
Majma’ al-Fiqh al-Islami, p. 13

Sheikh Muhammed Salih Al-Munajjid:

Question:


I understand that it is alright for a Muslim male to marry a woman from the people of the book. But how about if a Muslim male wants to marry a Qadiani girl, who’s of a good character and personality?

Answer:

Praise be to Allaah.

Given that the Qadiani school of thought is a form of major Kufr (disbelief) which puts them beyond the pale of Islam, it is not permissible to marry this woman, because Allaah says (interpretation of the meaning):

“They are not lawful (wives) for the disbelievers nor are the disbelievers lawful (husbands) for them” [al-Mumtahinah 60:10]
And Allaah knows best.

Islam Q&A
Sheikh Muhammed Salih Al-Munajjid:
Question:
Assalaamu ‘Alaikum,

I attended a funeral today for my wife’s aunt. After the janazah prayer, I found out that the person performing the janazah prayer was not muslim. He was an Ahmadi belonging to the sect who says Mirza Gulam was a prophet. I personally feel that the janazah was not valid, but there were a lot of muslims in the congregation, who paid little attention to the fact that the leader was not muslim. Should my family and I re-pray the janazah?

Answer:

Praise be to Allaah.

Yes, you have to repeat the funeral prayer, because this imaam behind whom you prayed is a believer in a kaafir doctrine which puts him beyond the pale of Islam. We ask Allaah to show mercy to your deceased loved one..

Islam Q&A
Sheikh Muhammed Salih Al-Munajjid
Fatwa of Sheikh Ahmed Kutty, Canada:

Question:

My question is about Shi`a and Qadianiyyah. They don’t believe in some pillar of Islam. Are they Muslims?

Answer:

In the Name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.

All praise and thanks are due to Allah, and peace and blessings be upon His Messenger.
As far as the moderate Shi`ah like Ithna ‘Ashriya or Imamiyyah are concerned, generally they have been accepted as Muslims by the Ijma’ (juristic unanimity) of the Muslim community and that is why they have been permitted to go for hajj while it a recognized fact that non-Muslims are not allowed to perform hajj.
This Ijma’ of the community does not apply to people who have violated the fundamental principles of Islam, such as those who prophesied the divinity of ‘Ali, may Allah be pleased with him, or denied the fact that prophethood has ended with Prophet Muhammad, peace and blessings be upon him.

As for Qadianis, they have violated these principles when they claimed that Mirza Ghulam Ahmad is a prophet. Due to this violation, they cannot be called Muslims and this has also been established by the Ijma’ (concensus) of Muslims.

Fatwa of Islamic community of Bosnians in the U.S.:

10 June, 1997

Assalamu Aleikum:

Our Bosnia-Herzegovina Muslims, after enduring suffering and harsh circumstances, are now dealing with this equally harmful cult called “Qadianiyyat”, or better known in the West as “Ahmadiyyat”. This cult is falsely presenting itself to our fellow Muslims as brothers who want to help them. However, they are only interested in increasing the membership of their cult, and as a matter of fact they began as a cult with a hatred for Islam, and especially toward the Prophet Muhammad(SAW). They wish to weaken Islam and destroy it from the inside.

As a legitimate leader of Islam in the U.S., I feel obligated to open the eyes of our people and warn them away from Mirza Ghulam Ahmad, the false self-proclaimed prophet, who has been denounced by Muslim scholars as having gone against the religion.

“Whoever wishes to have another religion besides Islam will not be accepted by Allah, the beneficent the Merciful, and he will be of those whom are doomed.” [The Holy Quran]

Any Muslim man or woman who joins the “Ahmadiyya Cult” will cease to be Muslims and will be subject to the following conditions:

• He cannot be given the Islamic funeral rites, nor can he be buried in an Islamic cemetery;
• No Muslim man or woman is allowed to marry a person from this cult;
• Meat that is slaughtered by someone in this sect is considered “haram” and, therefore, is prohibited from being consumed by Muslims;
• Visiting any of their places of worship, which they falsely call mosques, is strictly prohibited.

Sadly, there have been quite a few Bosnians who have been recruited by the Ahmadiyya and who are now fallen Muslims and are traitors to our Muslim identity by working for them to recruit more innocent Muslims. Some have been promised apartments and a good wage if they are able to recruit more of our mujahedins. Because of this, my brothers and sisters, beware and do not allow any one to lead you astray. All of your religious needs may be met by visiting us at the address above or by calling our number.

By the word of your highest religious leader,
Senad Agic, Head Imam

Fatwa of Mullah Bashir Rahim:

Question:

Please give me explanation about Ahmadiyah movement. Are they right or wrong or possibly right or possibly wrong? And why?

Answer:

The Ahmadiya sect was founded in Qadian, Punjab in 1889 by one Mirza Gulam Ahmad.
He claimed not only that he was a Mahdi but also a re-incarnation of Krishna and that he was the Prophet of Islam in succession to the Holy Prophet. Some say that he claimed to be the reappearance (burooz) of the Holy Prophet. On the death of Mirza Gulam in 1908 the Ahmadiya community elected Moulvi Nuru-Deen to be the khalifah. When Nuru-Deen died in 1914 the majority of the community continued to believe that Mirza Gulam was a prophet in succession to the Holy Prophet. There was a minority splinter group in Lahore which declared that Mirza Gulam was a reformer (mujaddid).

As the Ahmadiyas believe that Mirza Gulam was a prophet they cannot be accepted within the fold of Islam. The Muslims, the sunnis as well as the shiahs, universally believe that Muhammad (SAWA) was the last of the prophets of Allah (SWT) as attested by the Holy Qur’an, Chapter 33, Verse 40 where Allah says, “Muhammad…………is the messenger of Allah and the last of the prophets”.

The expression used literally means the seal of the Prophet “khataman nabiyyin” but there can be absolutely no doubt that even in the context of a seal it has a definite finality.

There are many ahadeeth of the Holy Prophet which leave no doubt that there would be no prophet after him. He is reported as having said : “Bani Israeel had prophets who were leading them. When one died another would succeeded him. But after me there will be no prophet. I am khatiman nabiyyin.”

There can be no doubt that as far as the belief of the Ahmadiyas is concerned it is not only un-Islamic but contrary to the Holy Book.

Question 2:

Are Lahori Ahmadis kafirs even though they reject the belief that Mirza Ghulam Ahmad was a prophet?
If Lahori Ahmadis are not Muslims, please explain how this is so, since they deny neither the Khatm an-Nabiyeen nor Allah’s Tawheed.

Answer 2:

To accept as a leader religious, a person who claimed to be a prophet in succession to the Holy Prophet (SAWA) would place one in the same category as a person who accepts his claim to be true.
The splinter group of the Lahori Ahmadiyyas cannot be distinguished from the juridical point of view from the group which accepts Mirza Gulam Ahmad’s claim to prophethood. Had they chosen another leader, and had they openly denounced Mirza Gulam Ahmad as someone who had falsely claimed prophethood, it would have been a different case. In that case they would not have called themselves Ahmadiyyas.
________________________________________
Now as we are Authentic Muslims thanks to Allah, why not quote some of that heretic liar words, with FULL QUOTES to the sources?

Following are some of the excerpts/quotations/extracts taken from the books of Mirza Ghulam, which clearly highlight his heretical and anti-Islamic views. For obvious reasons full text cannot be reproduced here. Interested readers are adviced to read the actual text in Urdu/Arabic/Persian to understand the full extent and implications of his heretical views. Full set of Mirza Ghulam Ahmad’s 80 books are printed now-a-days under the title of ROOHANI KHAZAIN by Ahmadiyya Headquarters in London.

1. Holy Prophet Mohammed SAAW did not understand the meaning of Surath AlZilzal. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain, vol 3 p.166-167)

2. “Quran is God’s Book and the words of my mouth.” (Advertisement dated 15th March 1897)

3. Prophets are liars. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.472)

4. Hadrath Mohammad’s Revelation also turned out to be wrong. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.472-473)

5. Hazrath Imam Mahdi will not come. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.378-379)

6. Revelation did not inform Hazrath Mohammad about Ibne Maryam, Dajjal, Khare Dajjal, Yajoog Majoogand Daabatul Ardh. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.473)

7. Khar-eDajjal (donkey of Dajjal) is the railway train, Dabbatul Ardh are Muslim Scholars (Ulema) and Dajjal are the Christian Priests etc. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.365-366)

8. Hazrath Eisa ibne Maryam used to practice mesmerism and was quite expert in it. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.256-257)

9. “Hazrat Eisa ibne Maryam was the son of Yusuf Najjar (Joseph, the Carpenter).” (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.254)

10. Braheen-e-Ahmadiyya is the Book of God. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.386)

11. Miracles mentioned in Holy Quran are results of Mesmerism. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.506)

12. “Verse “No doubt we have revealed it near Qadian (Inna Anzalnaho Qareeban min alQadian) is mentioned in Quran.” (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.140)

13. “Names of Makkah, Madina and Qadian are mentioned with respect in Holy Quran.” (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p. 140)

14. “Bait-ul-Fikr (room where Mirza used to sit and write books) is like Haram-e-Ka’aba, ‘Wa man dakhalahoo kaan amina’ (and whosoever enter it,is in peace.)” (Braheen-e-Ahmadiyya, Roohani Khazain vol 1 p.666-667)

15. “Verse of Holy Quran : ‘Praise be to Allah, who took his servant on the Night Journey from Masjid Haram to Masjid Aqsa’, its real and literal application is the mosque built by father of Mirza Ghulam.” (Advertisement for Donation to build Minaret-ul-Maseeh, 10 years after claiming to be the Promised Messiah, Collection of Advertisements, vol 3 p.286)

16. Hadrath Rasool-e-Akram SAAW is not the Last and Final Messenger of Allah. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.320)

17. Qiyamah or the Day of Judgement is nothing and Destiny is false. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p. 2 Title page, First edition)

18. “Sun will not rise from the West.” (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.376)

19. There is no punishment in grave. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.316)

20. “Tanasukh (Transimmigration of soul – a hindu belief) is true.” (Sat Bachan p.84)

21. Holy Quran is full of filthy words. (Izala-e-Auham, Roohani Khazain vol 3 p.115-117)

22. “I claim that I am the awaited Messiah, about whom there are prophecies in all the Holy Books that he will appear in the last days.” (Thfa-e-Golravia, Roohani Khazain vol 17, p.295)

23. “I am Adam, I am Noah, I am Abraham, I am Isaac, I am Jacob, I am Ishmael, I am Moses, I am Jesus son of Mary, I am Mohammed SAAW …” (Roohani Khazain vol 22 p.521)

24. I am the “Self-implanted and Self-cultivated Seedling” of the British Government. (Kitab-ul-Bariyah, Roohani Khazain vol 13, p.350)

25. “From my early age till now when I am 65 years of age, I have been engaged, with my pen and tongue, in an important task to turn the hearts of muslims towards the true love & goodwill & sympathy for the British Government and to obliterate the idea of jehad from the hearts of stupid (muslims).” (Kitab-ul-Bariyah, Roohani Khazain vol 13 p.350)

26. “……for the sake of British Government, I have published & distributed 50,000 leaflets in this country (India) and other Islamic countries (against jehad)….. the result is that hundreds of thousands of people have given up their filthy ideas about Jihad.” (Roohani Khazain vol 15 p. 114)

27. “…and I know these literatures have affected people in this country as well and those who have taken oath with me they have formed a Jama’at (Ahmadiyya) whose hearts are filled with true benevolence of this (British) Government…and they are heartily willing to lay down their lives for Government.” (Letter to the British Government by Mirza Ghulam, Tabligh-e-Risalat vol 6 p.65)

28. “Except for the Children of Prostitutes, whose hearts have been sealed by God, everyone else believes in my Prophethood.” (Aina-e-Kamalate Islam, Roohani Khazain vol 5, p.547)

29. “He, who does not believe on Mirza Ghulam Qadiani, is Disobedient to God and Prophet and will go to Hell.” (Advertisement by Mirza Ghulam dated 25th May 1900)

These are the believes of the kafir asif jamil & kafir qadyanis he runs Islam.comfor (the anti-islamic kafir with a Ph.D in Neuroscience from University of Gottingen- dedicated for running islam.com in the name of Islam to attack it while he is not a Muslim).

শেষের কথা

নিবন্ধটি আকারে বেশ বড় হয়ে যাওয়ায় দু:খ প্রকাশ করছি। আসলে এটি পর্ব আকারে দেয়ার চেয়ে একই সাথে দেয়াটাই অধিক যৌক্তিক মনে হয়েছে। কাদিয়ানীদের মতবাদ একটি ভ্রান্ত কুফুরি মতবাদ। সারা পৃথিবীর সকল হকপন্থী মুসলিম এই বাতিল মতবাদকে ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা অনেকেই এই মুখোশধারী ঈমান ক্রয়কারী ফড়িয়াদের অাসল রূপ জানি না। সরল বিশ্বাসে তাদের দেয়া চকচকে গড়ল আমরা গলধ:করন করে ফেলি অনায়াসে। এদের নিয়ে বিশ্ব মুসলিমের মনোভাব, অধিকাংশ দেশের মুসলিমদের পক্ষ থেকে তাদের কাফির ঘোষনা করা ইত্যাদি অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয় একই নজরে আনার, এখানে একত্রিত করার সুযোগ হয়েছে সেটাই শুকরিয়ার বিষয়। আলহামদুলিল্লাহ। প্রশংসা তাঁরই দরবারে। শুরু এবং শেষে।

পোস্টটি তৈরিতে কৃতজ্ঞতা:

১. Click This Link

২. Click This Link

৩. https://www.google.com/

৪. Click This Link

৫. Click This Link

http://www.ourholyquran.com/index.php?option=com_content&view=article&id=56&Itemid=83

কাদিয়ানী বিষয়ক অন্যান্য পোস্ট দেখতে-

কাদিয়ানী আহমদীদের ধোঁকা থেকে বাঁচতে হলে তাদের অসারতা অনুধাবন অপরিহার্য্য পর্ব-০১।

কাদিয়ানী আহমদীদের ধোঁকা থেকে বাঁচতে হলে তাদের অসারতা অনুধাবন অপরিহার্য্য পর্ব-০২

কাদিয়ানী আহমদীদের ধোঁকা থেকে বাঁচতে হলে তাদের অসারতা অনুধাবন অপরিহার্য্য পর্ব-০৩

কাদিয়ানী আহমদীদের ধোঁকা থেকে বাঁচতে হলে তাদের অসারতা অনুধাবন অপরিহার্য্য পর্ব-০৪

কাদিয়ানী আহমদীদের ধোঁকা থেকে বাঁচতে হলে তাদের অসারতা অনুধাবন অপরিহার্য্য- ৫ম এবং শেষ পর্ব



বৃটিশ প্রভূদের দান, মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের আরেক কেন্দ্র, ফুতুহ মসজিদ, লন্ডন।

মন্তব্য ৫৭ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৫৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০০

নাঈমুর রহমান আকাশ বলেছেন: চালিয়ে যান। দেশটাকে পাকিস্তান বানানোর ব্যর্থ পরিকল্পনা করছেন আপনারা। আপনাদের পরিকল্পনা আল্লাহ কখনো সফল হতে দেবেন না জেনেও যে চেষ্টা আপনারা করছেন তা দেখে আমার হাসি পায়।
আপনাদের মতো সস্তা বাজারী ধর্মব্যবসায়ীদের দিন শেষ হয়ে আসছে।

আমরা দোয়া করি, আল্লাহ সাধারণ মানুষকে হেদায়াত দিন আ আপনাদের মতো মিথ্যাবাদী প্রতারকদের ধোঁকা থেকে তাদের দূরে রাখুন। আমীন।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



ধৈর্য্য ধরিয়া থাকার চেষ্টা করুন, ভ্রাতা। তাল সামলাইয়া রাখিতে সমস্যা হইলে বলিয়েন। এখনও ভূমিকায় পড়িয়া রহিয়াছি। আপনাদের যে অবস্থা। কেঁচো খুড়িতে সাপ বাহির হইয়া আসিতেছে। মূল আলোচনা স্টার্ট করিতে সময় লাগিতে পারে।

তবে ক্লেশ যতই আসুক, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাতিলের, তাগুতের, ভন্ডের মুখোশ উম্মোচন করিয়াই যাইব ইনশা-আল্লাহ। আপনাদের গুরু থাকিলে তাহাদের ডাকিতে পারেন। আপনি মনে হয় বডড ক্লান্ত পরিশ্রান্ত। আপনাকে নিরীহ গো বেচারা মানুষ মনে হয়। ফাঁদে জড়াইয়া পড়িয়া গিয়াছেন সম্ভবত:। আহ! আপনার প্রতি মায়া হয়। কত যুবক যে ইহাদের খপ্পড়ে পড়ে বিভ্রান্ত হইল!

২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:১৪

সনেট কবি বলেছেন: আপনার একটা লিংক পড়ে আসলাম। পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কিছু জানা হলো।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:২৬

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ পাঠ এবং মন্তব্যে আসায়। আপনার আগমন শুভ হোক। আপনাদের মত দ্বীনের ঝান্ডাবাহীগন অনেক ভাল থাকুন সেই প্রার্থনাই করছি। কারন, আপনাদের কাঁধে অনেকের দায়িত্ব বর্তায়। আপনাদের একটু সচেতনতা বাঁচিয়ে দিতে পারে জাতিকে। ঠেকিয়ে দিতে পারে অন্যায় পরাভবকে।

অনেক ভাল থাকুন প্রিয় কবি।

৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৬

ইনাম আহমদ বলেছেন: বাঙালী হুজুরেরা ব্লগ দিয়ে ইন্টারনেট চালাতে ও কোরআন থেকে রকেট বানাতে জানলেও, অপর ধর্মের ও মতের মানুষের সাথে সহাবস্থানে চলতে পারেনা।
সামনে আপনাদের মহা শবেবরাত! নামাজ পড়েন। সাম্প্রদায়িক নোংরামিটা ব্লগের বাইরে করেন। আমরা টাকা দিয়ে পেপার কিনে আপনাদের হানাফী-আহলে হাদীস-তাবলীগ জামাতের কোপাকুপির খবর পড়ি।
কাদিয়ানীরা সংখ্যায় কেমন জানিনা, তবে ওরা কখনো কাউকে কুপিয়েছে বা দলবেঁধে মন্দির ভেঙ্গেছে বা আল্লাহু আকবার বলে কোথাও বোমা হামলা করেছে এমন খরব পড়িনি। বরয় তাওহীদি জনতাই দেখেছি মাঝেমধ্যে দাও-চাপাতি নিয়ে চড়াও হয়েছে ওদের ওপরে।
ক্যাপ্টেন আহাব সাহেবের সাথে একমত। এই সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানো নোংরা পোস্টটি ডিলিট ও এর লেখক মৌলবাদী ছাগল হুজুরটাকে ব্যান করা হোক।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:০৪

নতুন নকিব বলেছেন:



ইনাম আহমদ,

নিতান্ত বাধ্য না হলে কারও কমেন্ট মুছে দেয়ার চিন্তা করি না। ক্যাপ্টেন আহাবের মন্তব্যটিতে তিনি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমন করে আপত্তিকর কথা বলেছেন। তাই সেটা মুছে দেয়া হয়েছে। আপনার মন্তব্যটিও কিন্তু মোটেই তার ব্যতিক্রম নয়। মৌলবাদী ছাগল টাইপের নোংড়া ভাষা পরিহার করতে পারলে এই ব্লগে স্বাগত, অন্যথায় এখানে পাকামো করতে এলে আহাবের মত দৌড় খেতে পারেন।

হানাফী-আহলে হাদীস-তাবলীগ জামাত সবই যদি আমরা হই তাহলে আপনি কী? ভন্ড নবী দাবীদারদের মুখোশ উম্মোচন করে সবাইকে সচেতন করে তুললে আপনার এত লাগে কেন? আপনি কি কাদিয়ানী মাল নাকি?

আপাতত: আপনার দু'টি মন্তব্যই মুছে দেয়া থেকে বিরত থাকলাম, আপনার নোংড়া ভাষায় আক্রমনোদ্যত হয়ে কথা বলার প্রমানটা যাতে সকলে সচক্ষে দেখতে পারেন সেজন্য। তবে প্রয়োজন মনে করলে সময়মত ঠিকই মুছে দেয়া হবে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:১৫

নতুন নকিব বলেছেন:



সাম্প্রদায়িক নোংরামিটা ব্লগের বাইরে করেন। আমরা টাকা দিয়ে পেপার কিনে আপনাদের হানাফী-আহলে হাদীস-তাবলীগ জামাতের কোপাকুপির খবর পড়ি।
কাদিয়ানীরা সংখ্যায় কেমন জানিনা, তবে ওরা কখনো কাউকে কুপিয়েছে বা দলবেঁধে মন্দির ভেঙ্গেছে বা আল্লাহু আকবার বলে কোথাও বোমা হামলা করেছে এমন খরব পড়িনি। বরয় তাওহীদি জনতাই দেখেছি মাঝেমধ্যে দাও-চাপাতি নিয়ে চড়াও হয়েছে ওদের ওপরে।


- চিহ্নিত মিথ্যাবাদী নবুয়ত দাবিদার যাকে সারা পৃথিবীর মুসলিম পন্ডিতগন অমুসলিম সাব্যস্ত করেছেন, তাকে এবং তার মতবাদের অসারতা তুলে ধরলে সেটা বুঝি হয় সাম্প্রদায়িক নোংড়ামি!!!

আপনি এত ভাল মানুষ। অপনার তো উচিত ছিল, নিজের পরিচয়টা আগে প্রকাশ করা। আপনার মতে যেহেতু 'তাওহিদী জনতা ওদের উপরে চড়াও হয়,' তো আপনি কি তাওহিদী জনতার বাইরের কেউ? ব্লগ ঘুরে দেখলাম, পরিচয়ে লিখেছেন, 'মুসলিম'। তাওহিদী না হলে সেটা কোন্ মুসলিম???

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৩৪

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনি সম্ভবত: এই পোস্টটি না পড়েই মন্তব্যে এসেছেন। এবং আপনার স্বভাবসুলভ ফালতু কথাগুলো বলে গেছেন। পোস্ট পড়া হলে এরকমটা হয়তো করতেন না। বরং এই পোস্টটির জন্য নিশ্চিত ধন্যবাদ জানাতেন পোস্টদাতাকে। মিয়া সাহেব, দোষটা আপনার একার নয়। এই সমস্যাটা এজন্য হয়েছে যে, ধর্মকর্মকে আমরা অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে নির্ধারন করে নিয়েছি। স্কুলের ৫০ মার্কস এর নাম মাত্র ধর্মশিক্ষা পড়ে এরচে' বেশি ধর্মের প্রতি দায়বদ্ধতা আশা করা বোকামী। পারিবারিকভাবে যাদের ধর্ম শেখার সুযোগ না থাকে, তাদের অধিকাংশই জীবনে সূরাহ ফাতিহা সহীহভাবে পড়ে কবরে যেতে পারেন না। মুসলিম হলে পুরোপুরি হওয়া উচিত। আল্লাহ পাকও তাই বলেছেন।

'নিমে তবীব খতরে জান,
নিমে মোল্লাহ খতরে ঈমান।'

'আধা ডাক্তার জীবন ধ্বংস করে,
আধা মোল্লা ঈমান বিনষ্ট করে ছাড়ে।'

তো, আমাদেরও হয়েছে সেই অবস্থা। আধা মুসলিম সেজে ইসলামের ধারকবাহক সাজতে শুরু করেছি। জীবনে ধর্মের 'ধ' না শিখেই পন্ডিতি জাহির করতে এসেছেন।

কাদিয়ানী যে ভদ্রলোক এই পোস্টে প্রথমেই কমেন্ট নিয়ে আসেন, তাকে ধন্যবাদ দিতে হয়, তিনি যদিও তার প্রতিবাদ জানিয়ে গেলেন, কিন্তু আপনার মত উগ্রবাদী মনোভাব তার ভেতরে দেখিনি। ভদ্রতা এবং সহনশীলতা শিখুন আগে, তারপরে ব্লগিং করতে আসুন।

৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৭

ইনাম আহমদ বলেছেন: আরে!!!! আহাব সাহেবের কমেন্ট গেলো কই!!!!!
পোস্ট লেখক কি চাপাতি বাহিনীর সদস্য নাকি? :-&

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৩৯

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার মনে 'চাপাতি ভাবনা' লালন করেন বলে কলম থেকেও সেটিই বেরিয়ে আসে মনে হয়। আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্র। আমার সন্তানকেও চিন্তা করেছি ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি করাব। কিছু মনে না করলে বলি, আপনার বয়স সম্ভবত: আমার ছাত্রের পর্যায়ের হতে পারে। আমরাও ঢাবির স্টুডেন্ট ছিলাম। নোংড়ামি কোথায় শিখেছেন? কথাবার্তা, আচার-আচরন আর ব্যবহারে বংশের পরিচয় লুকিয়ে থাকে।

ব্লগে এসেছেন আড়াই মাস। পাকনামো শুরু করেছেন যেন এখানকার মুরব্বি আমীর আপনি। গত দু'একদিন পূর্বে সম্ভবত: 'কাওসার চৌধুরি'র একটি পোস্টে আপনার মন্তব্য দেখেছিলাম। সেখানেই 'আপনি যে উগ্র ধর্ম বিরোধী' মনোভাব পোষন করেন, হুজুররা যে আপনার প্রতিপক্ষ তা লক্ষ্য করেছি। মন মানসিকতা পরিচ্ছন্ন করুন। অপরকে নসীহত করার পূর্বে নিজের চেহারার ময়লার দিকে একবার ভাল করে দেখে টেখে আসুন।

৫| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: এই মুসলিম ধর্ম নিয়ে কত ভাগাভগি। মানুষ কই যাবে? কার টা মানবে? একেক জন একেক রকম করে বলে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৪৪

নতুন নকিব বলেছেন:



সেটাই তো কথা। চিহ্নিত মিথ্যাবাদী নবুয়ত দাবিদার যাকে সারা পৃথিবীর মুসলিম পন্ডিতগন অমুসলিম সাব্যস্ত করেছেন, তাকে এবং তার মতবাদের অসারতা সম্মন্ধে না জানলে তো মানুষ বিপদে নিপতিত হবেই। সে লক্ষ্যেই এই পোস্ট।

অনেক ভাল থাকবেন। আপনার আগমনে আনন্দিত হলাম। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৫৭

আবু আফিয়া বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ, আপনার লেখার মাধ্যমেই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন, সবাই মিলে কাদিয়ানীদের কাফের ঘোষণা করে, কেননা
হজরত রাসুল করিম (সা.) বলেছেন, ‘বনি ইসরাইলী ৭২ ফেরকায় বিভক্ত হয়েছিল, আমার উম্মত ৭৩ ফেরকায় বিভক্ত হবে। তাদের প্রত্যেকেই জাহান্নামে যাবে কেবল মাত্র একটি ফেরকা ছাড়া। সাহাবারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! সেই একটি ফেরকা কোনটি? তিনি (সা.) বললেন, আমি এবং আমার সাহাবারা যে পথে আছি, সেই পথে যেই ফেরকা থাকবে।’ (তিরমিযি, কিতাবুল ইমান)।
তাহলে কি যারা কাদিয়ানীদের কাফের বলে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দিয়েছেন তারা সবাই সঠিক কেবল মাত্র কাদিয়ানীরা ভুল?? তাহলে এই হাদিসের অর্থ কি দাঁড়ায়।

মহানবী (সা।) কাউকে কাফের আখ্যায়ীত করে ইসালম প্রচার করেন নি, তিনি সবার জন্য শান্তি স্থাপন করেছেন। লেখক হয়তো মুসলমানের সংগাও জানেন না, যদি জানতেন তাহলে এমন একটি লেখা পোষ্ট করতেন না। কেননা
মহানবী (সা.) মুসলমানের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের মত নামাজ পড়ে এবং আমাদের কিবলামুখী হয় এবং আমাদের জবাইকৃত পশু ভক্ষণ করে সে এমন মুসলমান যার দায়িত্ব আল্লাহ এবং আল্লাহর রসুল গ্রহণ করেছেন, সুতরাং তোমরা আল্লাহর দায়িত্বে হস্তক্ষেপ করো না’ (বোখারি)।
যেখানে স্বয়ং রসুল করিম (সা.) নিষেধ করেছেন আল্লাহর দায়িত্বে হস্তক্ষেপ না করার জন্য, তাহলে কেন কাউকে না জেনে অমুসলমান হিসেবে আখ্যায়ীত করার পায়তারা করছেন, তাহলে তো আল্লাহর দায়িত্বে মানুষের হাত পড়ে যাচ্ছে, তাকি কোন মতে হতে পারে? অবশ্যই আল্লাহর কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এছাড়া মহানবী (সা.) এটিও বলেছেন, ‘প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি যার মুখ ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে’ (বোখারি ও মুসলিম)।
আপনার দৃষ্টিতে যারা ধর্ম নিয়ে রক্ত ঝরায় তারাই প্রকৃত মুসলমান তাই না? আসলে ইসলাম শান্তির অপর নাম। মহানবী (সা।) কে আল্লাহতালা শান্তির জন্যই পাঠিয়েছেন।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৮

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনি কোন্ স্তরের মানবতাবাদী বুঝার বাকি নেই। আহমদিয়া মুসলিম জামাতের সাথে আপনার কিসের সখ্য? আপনি তো আপনার নিজের কোনো এক পোস্টেও তাদের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন, দেখে এলাম। ঈমান বাঁচানোর চেয়ে দুনিয়ার স্বার্থ যাদের কাছে অধিক প্রিয় তাদের দলের হয়ে থাকলে, আপনাকে শত সালাম।

মন্তব্যে আসায় ধন্যবাদ।

৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:১৮

নাঈমুর রহমান আকাশ বলেছেন: এবার আমি আসি আপনার পোস্টের বিষয়বস্তু নিয়ে।
আপনার শিক্ষার মান আমার যাচাই করা সম্ভব নয়, বলছেন ঢাবিয়ান তবে ঢাবিতে ভর্তি বহু মেধাবী ছেলেমেয়েরা হয়, আবার বহু গরুছাগলও হয়। সেদিকে যাবনা।
আপনি কোনও একটা ওয়েবসাইট (অনলাইনে এরকম ফালতু ওয়েবসাইটের অভাব নেই, গুগল করে পেয়েছেন হয়তো) থেকে ইংরেজী লেখা হুবহু কপি করে পেস্ট করেছেন, এডিটিংও করেননি। যেগুলোতে জনৈক মুফতি সাহেবকে করা প্রশ্নের উত্তর। এমন হাজার হাজার ব্যবসায়ী মুফতির ওয়েবসাইট আছে ইন্টারনেটে।
একপর্যায়ে মুফতি সাহেব একথাও বলেছেন, আহমদী মেয়েদের সাথে বিবাহ-বন্ধনে জড়ানো হারাম। যেখানে আপনারা দাবী করেন আহমদীরা বাইরে বিয়ে করেনা। আপনি না পড়েই সেটা দিয়ে দিয়েছেন না আপনার ইংরেজীর দক্ষতা কম সেটা জানিনা। এখানে কোনও লিখিত ডকুমেন্ট নেই, কোনও দলিল নেই, কোনও আয়াত-হাদীসের রেফারেন্স নেই। গরু-রচনার মতো লিখে গেছেন।
পাকিস্তানী মোল্লাদের চর্বিত চর্বন গেলা ও সাধারণ মানুষকে গেলানো বন্ধ করুন। এক পাকিস্তানেই আহমদীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা হয়েছে, আর বাদবাকি মুসলিম দেশগুলোতে বিরোধীতা চলছে যেটা স্বাভাবিক। কারণ, মক্কার সকল ধর্মনেতারা আমাদের নবীজী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে ধর্মীয় দলিল-প্রমাণের ভিত্তিতে কাফের ঘোষণা ও তাঁর (সা.) নবুওয়াতকে নাকচ করে দিয়েছিলো। ওই ধর্মনেতাদের মতোই অবস্থা আপনাদের। আপনারাও নিকৃষ্ট ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেছেন।
আহমদীরা এখনও হজ্জ করে। প্রতিবছর বহু আহমদী হজ্জ্বে যান এবং ইনশাল্লাহ এবছরও যাবেন এবং তার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আরব-ইউরোপ-এশিয়া-আফ্রিকা-আমেরিকা সর্বত্র আহমদীয়ার শান্তির পয়গাম পৌঁছাচ্ছে এবং মানুষ এর সুশীতল ছায়াতলে এক খলিফার অধীনে সমবেত হচ্ছে।
আর রয়েছেন আপনারা। বিক্ষিপ্ত মুসলিম উম্মাহ! যাদের ঐক্য নেই, নেতৃত্ব নেই, সঠিক ধর্মশিক্ষা, জ্ঞানের পিপাসা নেই। আপনাদের মতো অন্ধদেরও আমরা এক করতে পেরেছি অবশ্য। আপনাদের সকল দল নিজেদের মধ্যে হানাহানি করলেও, আহমদীদের বিরুদ্ধে আপনারা একযোগে লাগেন। এবং মক্কার অমুসলিম নেতারা যেভাবে একযোগে মুসলমানদের সাথে লড়াই করতো, সেভাবে লড়াইও করতে চান, আর আল্লাহ আপনাদেরও সেই অবস্থাই করছেন যা সেইসব নেতাদের করেছিলেন।
আল্লাহ আপনাদের মতো অন্ধদের হেদায়াত দিন। ধ্বংসের হাত থেকে মুসলিম উম্মাহকে বাঁচান।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫১

নতুন নকিব বলেছেন:



ফ্রি বিজ্ঞাপন প্রচারের দিন শেষ। আমার কোনো পোস্টে আপনাকে সেই সুযোগ আর দিতে না পারায় আন্তরিক দু:খিত!

৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৮

আলোর পথে বিডি বলেছেন: কাদিয়ানিদের পক্ষে দেখা যাচ্ছে অনেক মন্তব্য !!

তথ্য নির্ভর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ । জাজাক আল্লাহ খাইরান ।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৩৮

নতুন নকিব বলেছেন:



দু'চার জন মাত্র। এরাই সামুকে মাতিয়ে রাখেন। ছবি দিয়ে, ভিডিও দিয়ে, কলাম লিখে, মিথ্যা বিতরন করে ব্লগে অস্থির অবস্থা এই দু'চার জনের দ্বারাই।

সত্যপন্থীগন অবশ্যই আমাদের সাথে আছেন। অনেক গুনী জ্ঞানীকে এই পোস্ট পর্যবেক্ষনে রাখতে দেখেছি। হয়তো তাৎক্ষনিক মন্তব্যে আসেননি। আল্লাহ পাক অবশ্যই আমাদের অভিভাবক। তিনি উত্তম অভিভাবক। তাঁর সাহায্য চাই। তাঁর সকাশে সত্যপন্থীদের বিজয় এবং মিথ্যাবাদীদের বিনাশ কামনা করছি। আমরা যদি মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকি, তিনি যেন আমাদের ধ্বংস করে দেন। আর যদি কাদিয়ানীগন মিথ্যাবাদী হয়ে থাকেন, তাদের জন্যও একই আরজু মহান মনিবের দরবারে।

জাজাকুমুল্লাহু তাআ'-লা খাইরান।

৯| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৩৬

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ নতুন নকিব- জনাব,
১.মুসলিম বলতে আপনি কাদের বুঝান ? শুধু সুন্নিদের ? আপনার মুসলিমদের তালিকায় কি ইমামীয়া শিয়া-রা/ ইসমাইলিয়া আগাখানী-রা/দাউদী বোহরা-রা/যায়েদী হুতি-রা/আলাউয়্যি-রা/ আলেভী-রা/Submitters-রা/Nation of Islam- রা আছে ?
২.আপনি কি ৯ই নভেম্বর ২০০৪ ইং জর্দানে ৫০টির অধিক দেশের ২০০ জন Islamic scholar কর্তৃক ইস্যুকৃত Amman massage সম্পর্কে জানেন ?
৩.মির্জা গোলাম আহমদ এবং তার কাদিয়ানী/আহমদিয়া জামাত-কে নিয়ে সুন্নি মুসলিমদের মধ্যে গত ১২৯ বছর (১৮৮৯-২০১৮ ) ধরে আপত্তি/প্রতিবাদের/প্রতিরোধ/প্রত্যাখ্যান চলে আসছে। তার জের হিসাবে আহমদিয়াদের কাফের ঘোষণা করা হয়েছে,কাদিয়ানী বিরোধী দাংগা হয়েছে,পাকিস্তানে আইন করে অ-মুসলিম ঘোষণা করা হয়েছে। তথাপি আহমদিয়া-রা তাদের বিশ্বাস পরিত্যাগ করেনি,সুন্নি আলেম-উলেমাদের শতবর্ষের আহবান সত্বেও মূল ইসলামে ফিরে আসেনি,ফিরে আসবে এমন কোন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না। বরং ২০১৬ সালের হিসাবে দেখানো হয়েছে ২০৯টি দেশে ১০/২০ মিলিয়ন মতো আহমদিয়া মুসলিম আছে। আর তারা অত্যন্ত সুসংগঠিত।
৪.জনাব,নকিব আপনি জ্ঞানী মানুষ,নিশ্চয় বুঝেন কাফের ঘোষণা করে,অমুসলিম ফতোয়া দিয়ে শতবর্ষের পুরনো এই সমস্যার সমাধান হবে না।

_

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:০৩

নতুন নকিব বলেছেন:



১। নাম না বলে বলতে চাই, যারা ইসলামের ফরজ হুকুমগুলোতে কোনো তারতম্য করে না। আকিদা বিশ্বাসে সঠিক, কুরআন সুন্নাহ মেনে জীবন পরিচালনা করেন, তারাই মুসলিম।

২। জ্বি, জানতাম না। আপনি বলার পরে খোঁজ নিয়ে জানলাম। ধন্যবাদ অবহিতকরনে আন্তরিকতার জন্য।

৩। আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব আমরা সাধ্যানুসারে পালন করে যাব। আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি জীবিত থাকতেন, আমাদের যদি তাকে দেখার সৌভাগ্য হত, আর এমতাবস্থায় কুরআন বিরোধী, নবীজীর উক্তি পরিপন্থী কোনো উদ্ভট ব্যক্তি যদি নিজেকে নবী দাবি করে বসতেন, আপনার কি মনে হয়, আপনি আমি তার প্রতিবাদ না করে নিরবে বসে থাকতে পারতাম? আজও আমাদের শুধু সাধ্যমত দু'কলম লিখে মানুষকে অবহিত করিয়ে দিয়ে, তাদের সজাগ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্র এই প্রচেষ্টা।

৪। সমাধান হবে কি না আল্লাহ পাক ভাল জানেন। তবে, দিবালোকের মত স্বচ্ছ একটি 'পৃথিবীর জঘন্যতম একটি মিথ্যাচার, মিথ্যাবাদী নবী দাবিদারের বিষয়ে' আমাদের নিরবতা বিশ্বাস করি, আল্লাহ পাকও পছন্দ করবেন না।

আর ফতোয়া মোটেই আমি দিইনি। বরং, কাদিয়ানীদের ধ্বংসাত্মক মতবাদ বিষয়ে মুসলিম বিশ্বের বরেন্য স্কলারগনের মূল্যবান ফতোয়া এবং মতামতগুলোকে একত্রিত করারই চেষ্টা করেছি এখানে।

আপনার নিরীক্ষন অপূর্ব। মোবারকবাদ।

১০| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৩৭

ভবিষ্যত বলেছেন: ভাই দেশে এতো সুন্নী - এতো ভালাে ভালো আলেম ..মোল্লা..মাওলানা - তাও দেশের সমাজ, সংস্কৃতি - রাজনীতি তথা সমগ্র দেশের এটা বাজে অবস্থা কেন???? ভাল'র ফল ভাল হয়...

পাকিস্তানের দিকে তাকিয়ে দেখেন - ওইখানে ও সব লম্বা লম্বা বড় বড় আলেম, মোল্লা, মাওলানা - কিন্তু ওই দেশে ও শান্তি নাই।... কেন ভাই...

আমি জানিনা কে সঠিক, কে ভুয়া..শুধু এইটা জানি --- যদি কোন দল বা মত তাদের সবার সেরা মনে করে, আর আল্লাহর দল মনে করে তবে সে দলের কারনে সমাজে শান্তি আসে ..সমাজ দেশ সবাই উন্নতী করে...

কিন্তু উপমহাদেশের বাংলাদেশ, পাকিস্তান দুর্নীতি..রাহাজানী, মারামারির, ধর্ষন.. ধোকাবাজীর চরম র্শীষে অবস্থান করছে।

তার মানে আপনি আপনার দলে - গলদ আছে..খুজে বের করেন...

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:২৫

নতুন নকিব বলেছেন:



ভাল বলেছেন। আগে আমাদের নিজেদের ঠিক হতে হবে। কোনো জাতির ভাগ্য আল্লাহ পাক পরিবর্তন করে দেন না, যতক্ষন তারা তাদের প্রচেষ্টায় অগ্রগামী না হয়।

তবে, হতাশ হবার কিছু নেই। ইনশা-আল্লাহ সত্যপন্থীগন আল্লাহ পাকের রহমতে টিকে থাকবেন। বাতিল বাতিলই হয়ে যাবে।

মন্তব্যে ধন্যবাদ।

১১| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ২:০৮

এভো বলেছেন: কোরানের কোন আয়াতে হযরত ঈশা ( আ: ) কে আকাশে উঠিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে , সেটা কি জানতে পারি ? ধন্যবাদ ।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:১০

নতুন নকিব বলেছেন:



হযরত ঈসা আলাইহিসসালামকে উঠিয়ে নেয়ার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে আলকুরআনের সূরাহ আন নিসার নিম্নোক্ত আয়াতে-

وَقَوْلِهِمْ إِنَّا قَتَلْنَا الْمَسِيحَ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ رَسُولَ اللّهِ وَمَا قَتَلُوهُ وَمَا صَلَبُوهُ وَلَـكِن شُبِّهَ لَهُمْ وَإِنَّ الَّذِينَ اخْتَلَفُواْ فِيهِ لَفِي شَكٍّ مِّنْهُ مَا لَهُم بِهِ مِنْ عِلْمٍ إِلاَّ اتِّبَاعَ الظَّنِّ وَمَا قَتَلُوهُ يَقِينًا

'আর তাদের একথা বলার কারণে যে, আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসা মসীহকে হত্যা করেছি যিনি ছিলেন আল্লাহর রসূল। অথচ তারা না তাঁকে হত্যা করেছে, আর না শুলীতে চড়িয়েছে, বরং তারা এরূপ ধাঁধায় পতিত হয়েছিল। বস্তুতঃ তারা এ ব্যাপারে নানা রকম কথা বলে, তারা এক্ষেত্রে সন্দেহের মাঝে পড়ে আছে, শুধুমাত্র অনুমান করা ছাড়া তারা এ বিষয়ে কোন খবরই রাখে না। আর নিশ্চয়ই তাঁকে তারা হত্যা করেনি।' সূরাহ আন নিসা, আয়াত- ১৫৭

بَل رَّفَعَهُ اللّهُ إِلَيْهِ وَكَانَ اللّهُ عَزِيزًا حَكِيمًا

'বরং তাঁকে উঠিয়ে নিয়েছেন আল্লাহ তা’আলা নিজের কাছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।' সূরাহ আন নিসা, আয়াত- ১৫৮

পাঠ এবং মন্তব্যে বিষয়টি জানতে চাওয়ার জন্য ধন্যবাদ। এই আয়াতকে সরাসরি অস্বীকার করেছে কাদিয়ানীগন।

১২| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:০৪

সনেট কবি বলেছেন: ভালো লোকেরা ভালো কিছু করে দেখাতে না পারলে মানুষ এমন অপদার্থ ভালো লোকের দলে থাকবে না। যারা সবাই মিলে তাদেরকে অমুসলীম ফতোয়া দিচ্ছে তারা নিজেরাও এক দল অন্য দলকে কাফির ফতোয়া দেয়। এঘটনা দাঁড়ালো এই, পুকুর দুইটা শুকনা একটায় পানি নাই। ঘুরে ফিরে এক কথা। সংগত কারণে ফতোয়া প্রদান গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। জনগণ বলছে হুজুরেরা ও কথা সব সময় বলে।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:০৮

নতুন নকিব বলেছেন:



এদের ব্যাপারে ফতোয়া বিশ্বব্যাপী সকল হকপন্থী মুসলিমের একই -এরা অমুসলিম। এ বিষয়ে মুসলমানদের ভেতরে কোনো দ্বিমত নেই। পোস্টে যেটা বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। আর মুসলমানদের নিজেদের ভেতরে এক দল অপর দলকে যেসব ক্ষেত্রে অমুসলিম ফতোয়া দিতে দেখা যায়, সেগুলো ভিন্ন বিষয়। উদাহরন হিসেবে বলা যায়, ইসলাম বিরোধী আকিদা এবং কার্যকলাপের জন্য দেওয়ানবাগীকে হকপন্থী আলেম উলামাগন গোমরাহ পথভ্রষ্ট ফতোয়া দিয়েছেন। এদেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেমে দ্বীন বাইতুল মুকাররমের সাবেক খতীব মরহুম মাওলানা উবাইদুল হক রহমাতুল্লাহি আলাইহি স্বাক্ষরিত একটি ফতোয়া আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছিল। সাধারন মানুষের ঈমান আকিদা রক্ষার তাগিদে দেশের দায়িত্বশীল আলেমে দ্বীন আবশ্যক মনে করে এমনটি করতে বাধ্য হন কখনো কখনো। কিন্তু তবুও এগুলো তো চুনোপুটি। এদের কার্যাঞ্চল সীমিত। কিন্তু কাদিয়ানীগন তো বৃটিশ প্রভূদের সহায়তায় দুনিয়াজুড়ে ইসলাম ধর্মের নামে তাদের মতলবি অনৈসলামিক আকিদা বিশ্বাসের অপপ্রচারে লিপ্ত। দেশীয়, ঘরোয়া এসব বিদআতী গোমরাহদের সাথে কাদিয়ানী প্রসঙ্গ তুলনা করা অমূলক। তবে, সর্বোপরি এগুলোর প্রত্যেকটি স্ব স্ব ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই মুসলমানদের ঈমান আকিদা বিনষ্টের হাতিয়ার। বিপথগামীতার পথ উম্মুক্ত করে।

আর সবচে' বড় কথা, কেউ আল কুরআন বর্নিত 'খাতামুন্নাবিয়্যীন আকিদা' অবিশ্বাস করলে তার ঈমান থাকে না। আল কুরআনের অমোঘ এই ঘোষনা অস্বীকার করার পরে তার বা তাদের মুসলিম পরিচয় বহন করার কোনো অধিকার থাকার প্রশ্ন আসে না। শেষ নবী এবং রাসূল মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আালাইহি ওয়াসাল্লামের পরে তাদের ভেতরে নতুন নবীর দাবি করে ইসলাম থেকে নিজেরাই বেরিয়ে গেছেন কাদিয়ানীগন। এদের নাম এরা 'মুসলিম' না বলে অন্য কিছু দিয়ে নিক তাহলে বিভেদের অবসান অনেকটা এমনিতেই হয়ে যায়।

হিন্দুদের ব্যাপারে কারও কোনো আপত্তি নেই, থাকতে পারে না, কারন তারা তাদের স্বতন্ত্র ধর্মমতে বিশ্বাসী। খৃষ্টানদের ব্যাপারে কারও কোনো আপত্তি নেই, থাকতে পারে না, কারন তারা তাদের স্বতন্ত্র ধর্মমতে বিশ্বাসী। বৌদ্ধদের ব্যাপারে কারও কোনো আপত্তি নেই, থাকতে পারে না, কারন তারা তাদের স্বতন্ত্র ধর্মমতে বিশ্বাসী। ইয়াহুদিদের ব্যাপারে কারও কোনো আপত্তি নেই, থাকতে পারে না, কারন তারা তাদের স্বতন্ত্র ধর্মমতে বিশ্বাসী। শিখদের ব্যাপারে কারও কোনো আপত্তি নেই, থাকতে পারে না, কারন তারা তাদের স্বতন্ত্র ধর্মমতে বিশ্বাসী। নাস্তিকদের ব্যাপারে কারও কোনো আপত্তি নেই, থাকতে পারে না, কারন তারা নিজেদের পরিচয়ে লুকোচুরির আশ্রয় না নিয়ে পরিষ্কার বলেন, তারা নাস্তিক। এমনিভাবে, পৃথিবীর সকল ধর্মমতই তাদের নিজস্ব স্বকীয়তা নিয়ে চলতে থাক, কারও এতে কোনো আপত্তি উত্থাপনের কোনো কারন কিংবা অধিকার নেই। কিন্তু সমস্যা এই একটি মতবাদে বিশ্বাসীদের ভেতরে। তারা তাদের স্বতন্ত্র মতবাদে বিশ্বাসী হয়েও 'মুসলিম' কিংবা 'ইসলাম' শব্দ ব্যবহার করে থাকেন নিজেদের পরিচয়ে। তারা এটা না করলেই সমস্যার সিংহভাগ সমাধান হয়ে যায়।

১৩| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:১২

সৈয়দ তাজুল বলেছেন: ভদ্রলোক নাকি বাতরুমে মারা গেছিল!

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:২০

নতুন নকিব বলেছেন:



জ্বি, শুনেছি। এটার পেছনেও একটি ছোট্ট ঘটনা জানা যায়। উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মিরী রহমাতুল্লাহি আলাইহির সাথে মুবাহালায় অবতীর্ন হয়েছিলেন নবুয়ত দাবীদার মিথ্যুক এই ব্যক্তিটি। দিন তারিখ মত উম্মুক্ত প্রাঙ্গনে বিশাল গনজমায়েতে মুবাহালা অনুষ্ঠিত হল। মুবাহালার পর থেকেই ভেঙে পড়তে থাকে তার মন ও শরীর। এবং অবশেষে এই মুবাহালাই না কি তার মৃত্যুর কারন হিসেবে চিহ্নিত হয়। কিছু দিনের মাথায় নবী দাবিদার কাদিয়ানী ভদ্রলোক(!) কলেরা রোগে আক্রান্ত হয়ে বাথরুমে পড়ে গিয়ে নিতান্ত লজ্জাষ্করভাবে দুনিয়া ত্যাগ করেন।

মোবারকবাদ। কৃতজ্ঞতা।

১৪| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৫৫

ক্স বলেছেন: কাদিয়ানীরা সামু ব্লগে এত সংগঠিত হল কি করে? এতদিন এক নাইমুর রহমান আকাশকেই দেখে এসেছি। এখন তো অনেককেই দেখছি। এরা কি সব আকাশের মাল্টি? না হলে মানুষ কাদিয়ানীদেরকে মুসলিম বলে মত দেয় কি করে? ব্রিটিশ আমলে কাদিয়ানীদের পক্ষে ব্রিটিশদের নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব, উৎপত্তিস্থান লাহোর থেকে বিতাড়িত হয়ে লন্ডনে আশ্রয় দান - এগুলো দেখেও কি আসল ঘটনা বুঝা যায়না? কাদিয়ানীরা কাদের হয়ে কাজ করছে - এটা বুঝতে কি আলেম হওয়া লাগে?

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:১১

নতুন নকিব বলেছেন:



ধর্মীয় জ্ঞান বিবর্জিত আমাদের তথাকথিত শিক্ষিত কিছু লোকদের অজ্ঞতার কারনে এরা আমাদের ঘাড়ে-গর্দানে পা রাখার দু:সাহস দেখাচ্ছে। বৃটিশ দখলদারদের দেয়া নবুয়তিতে ধন্য হয়ে আজও যাদের আস্তানা বৃটেনে। যাদের ফান্ডিং করে থাকে এন্টি মুসলিম কমিউনিটি। তাদের ব্যাপারে কথা বললেই না কি উগ্রতার বিষবাস্প ছড়ানো হয়।

আপনার শুভাগমন প্রত্যাশিত ছিল। শক্তিমান লেখকের সাহসী উচ্চারনে প্রীত। কৃতজ্ঞতা অফুরান।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:১৬

নতুন নকিব বলেছেন:



সম্ভবত: এগুলো আকাশেরই মাল্টি। আমারও তাই ধারনা। সামুকে এই ব্যক্তি তার নিজের অন্তরে লালিত ইসলাম বিরোধী কাদিয়ানী মতবাদ প্রচারের নিরাপদ এবং উর্বর স্থান নির্বাচন করে নিয়েছে। অনেকেই তার খপ্পড়ে পড়ার আশঙ্কায় এই পোস্ট জরুরী ছিল।

১৫| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:২২

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: সে হইতাছে উপমহাদেশের মুসাইলামা আল কাযযাব।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:১৪

নতুন নকিব বলেছেন:



একদম সঠিক বলেছেন। মোবারকবাদ।

আগমন, পাঠ এবং সুন্দর মন্তব্য রেখে যাওয়ায় কৃতজ্ঞতা। অনেক ভাল থাকুন।

১৬| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫

এভো বলেছেন: আপনার রেফারেন্সের জন্য ধন্যবাদ .. আপনি যদি দয়া করে নীচের লিংকে গিয়ে আর্টিকেলটি পড়েন তাহোলে ভিন্ন চিত্র পাবেন , আর্টিকেলের লেখক একজন সুন্নি মুসলমান এবং তিনি হযরত ঈশা ( আ: ) ব্যপারে কোরানের আয়াত থেকে দেখাচ্ছেন যে তার স্বাভাবিক মৃর্তু হয়েছিল -----
Click here please for the article about the Death of Hazrat Isa ( A: )

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:১৪

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ পুনরায় মন্তব্যে এসে কথা বলে যাওয়ায়।

আপনার দেয়া লিঙ্কটিতে দেখে এসেছি। আর্টিকেলের লেখকের সুন্নী হওয়া না হওয়া নিয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না। তবে, তার পোস্টগুলো পড়লে অনেক ব্লগারের মন্তব্য পাবেন, যাতে তারা সন্দেহ পোষন করেছেন যে, তিনি আসলেই মুসলিম কি না। তার সর্বশেষ পোস্টটিতে ব্লগার আশাবাদি অধমের মন্তব্য থেকে ধারনা করা যায়, তিনি কুরআনের কোনো কোনো আয়াতের অথেন্টিসিটি নিয়েও সন্দেহ পোষন করেছেন তার সেই পোস্টে। যদিও আমি তার এই সর্বশেষ পোস্টটি পড়িনি। তবে তার পোস্টের মন্তব্য প্রতিমন্তব্য, কুরআন বুঝার বিষয়ে তার নিজের অজ্ঞতার সরল স্বীকারোক্তি, আবার কুরআনের জটিল বিষয়াদি নিয়ে বড় মুফতী সেজে বসার প্রবনতা দেখে অনুমান করতে কষ্ট হয়নি, তিনি বিভ্রান্তিতে নিপতিত। তার সর্বশেষ পোস্ট লিঙ্ক- স্ক্রিপচার রিভিউ- দ্য আরাবিক কোরআন

১৭| ০১ লা মে, ২০১৮ ভোর ৬:২২

এভো বলেছেন: ভাই আপনার উত্তরের জন্য ধন্যবাদ । আসলে তার সব লিখা পড়া একসাথে সম্ভব নহে এবং সেটা অনেক সময়ের ব্যপার , তাই আমি শুধু একটা আর্টিকেলের উপর স্থির থাকতে চাই, যেটার লিংক আমি আপনাকে দিয়েছি । উনি কোরানের কত গুলো আয়াত দিয়ে দেখিয়েছেন হযরত ঈশা ( আ: ) এর স্বাভাবিক মৃর্তু হয়েছে এবং রাফা শব্দের বিভিন্ন অর্থ তিনি দেখিয়েছেন ।
রাফার অর্থ রেইজ হবে না ইস্জালট ইন অনার , হবে এ ব্যপারে নোট রেখেছেন ।
আমি নীচের মন্তব্য গুলো এবং তার উত্তর গুলো পড়েছি , এখন এই বিষয়টা সত্যই নতুন ভাবে কিছু ভাবার পথ তৈরি করেছে ।
আমার প্রশ্ন আসলে কি হযরত ঈশা (আ : ) স্বাভাবিক মৃর্তু হয়েছিল , নাকি তাকে আমরা সারা জীবন যে কথা জেনে এসেছি যে আল্লাহ তাকে উপরে উঠিয়ে নিয়েছিলেন ।

০১ লা মে, ২০১৮ সকাল ৮:৫২

নতুন নকিব বলেছেন:



পৃথিবীর এযাবতকালের বড় বড় যতগুলো নির্ভরযোগ্য তাফসীরের কিতাব রয়েছে, প্রায় সকলের তাফসীর গ্রন্থেই এ বিষয়টি উঠে এসেছে যে, হযরত ঈসা আলাইহিসসালাম এর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। তাকে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে এবং তিনি পুনরায় পৃথিবীতে আসবেন। তবে নবী হিসেবে নয়, শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হিসেবে। কুরআন না জানা, কুরআনের তাফসীরের 'ক' না জানা কোনো অজ্ঞ যদি বিশ্ব নন্দিত মুফাসসিরদের তাফসীরের ভুল ধরতে আসে সেটাতে আর আশ্চর্য্য হওয়ার কী এমন বিষয় থাকতে পারে? এ ধরনের বেকুবরা প্রকৃতই ইসলামের দুশমন। আপনার উল্লেখিত পোস্টটির উপসংহারের দিকটাতে একটু তাকিয়ে আসুন। দেখুন তো কী লিখেছেন আত্মস্বীকৃত কুরআন পড়তে না জানা মূর্খ পন্ডিতজি।

আমার সময় সংকীর্নতার কারনে আপনাকে আপাতত: একটি নির্ভরযোগ্য বইয়ের লিঙ্ক দিচ্ছি। দয়া করে এই বইটি একটু পড়ে দেখে আসুন। আপনার সকল প্রশ্নের জবাব এখানে ইনশা-আল্লাহ পেয়ে যাবেন। বিভ্রান্তদের পথ থেকে আল্লাহ পাক আমাদের নিরাপদ দূরত্বে থাকার তাওফিক দিন। ইমাম মাহদীর আবির্ভাব - ইসা (আঃ) এর অবতরণ ও আলামতে কিয়ামত Arrival Of Imam Mahdi - Return Of Isa Alaihi Wa Sallam - Signs Of Kiyamaat

ভাল থাকবেন।

০১ লা মে, ২০১৮ সকাল ৮:৫৪

নতুন নকিব বলেছেন:



উপসংহারে স্পষ্টভাবে তিনি দাজ্জালের আগমনকে অস্বীকার করেছেন। অথচ সহীহ হাদিস দ্বারা কিয়ামতের পূর্বে দাজ্জালের আগমন প্রমানিত। সহীহ হাদিস অস্বীকার করলেন কেন তিনি? কোনো ঈমানদার কি এটা করতে পারেন? যদি করেন তাহলে তার ঈমান কিভাবে বহাল থাকে?

আসুন, দাজ্জাল বিষয়ক কয়েকখানা সহীহ হাদিস দেখি-

১. দাজ্জালের কপালে আরবি ভাষায় 'কাফির' শব্দটি লিখিত থাকবে এবং তা কেবল মুমিনগনই দেখতে পাবে। বুখারী শরীফ

২. দাজ্জাল খুরাসান থেকে বের হবে। ইবনে মাজা

৩. তার বের হওয়ার পূর্বে একাধারে তিন বছর পর্যন্ত ফসল উতপাদিত না হওয়ার কারনে ভীষন দুর্ভিক্ষ থাকবে। আহমাদ

৪. দাজ্জালের কোনো সন্তান সন্তুতি হবে না। মুসলিম

৫. তার অনুসারীরা হবে ইয়াহুদি। মুসলিম

৬. মুনাফিকরাও তার অনুসরন করবে। আহমাদ

হাদিসের এতগুলো নির্ভরযোগ্য গ্রন্থে বর্নিত এত এত সহীহ হাদিস অস্বীকারকারী এই লোককে আমি কিছু বলতে চাই না। আপনি জ্ঞানী ব্যক্তি। আপনার জানার আগ্রহ দেখেও খুশি হয়েছি। দয়া করে তার ধর্ম, ধর্মীয় জ্ঞান, ফালতু পন্ডিতি, ঠিকমত কুরআন পড়তে না জানা সত্বেও কুরআনের মুফাসসির সেজে বসার কসরত, ফাজলামো ইত্যাদির মূল্যায়ন আপনি একটু করে নিন। এতগুলো সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত কোনো বিষয়কে অস্বীকার করার পরেও কি কোনো ব্যক্তির ঈমান অটুট থাকে? থাকতে পারে? আপনার জানা না থাকলে, কোনো মুফতী সাহেবকে জিজ্ঞেস করে নিন দয়া করে।

০১ লা মে, ২০১৮ সকাল ১০:৫৪

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার জানার অাগ্রহ দেখে 'দাজ্জালের আবির্ভাব এবং ঈসা আলাইহিসসালাম -এর অবতরণ' নিয়ে অচিরেই একটি পোস্ট দেয়ার ইচ্ছে জাগছে। দুআ চাই, যাতে দ্রুত পোস্টটি নিয়ে আসতে পারি।

১৮| ০১ লা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:১১

এভো বলেছেন: ধন্যবাদ .. আপনি অবশ্যই লিখবেন । একটা কথা আমি বলি ভাই ,আপনি ব্যপারটাকে যত সহজ ভাবে নিয়েছেন , আসলে ব্যপারটা অত সহজ নহে । উপসংহারে তিনি দজ্জালের আবির্ভাবকে রিজেক্ট করেছেন এই যুক্তিতে যে , যেহেতু হযরত ঈশা (আ: ) স্বাভাবিক মৃর্তু হয়েছে ( এই যুক্তির পক্ষে তিনি কোরানের আয়াতের রেফারেন্স দিয়েছেন ) তাই তার সাথে বা ইমাম মেহেদীর সাথে দজ্জালের কোন যুদ্ধ হওয়ার প্রশ্নই আসেনা , তাই দ্জ্জালের আবির্ভাবকে তিনি মিথ বলেছেন ।
আপনি সহি হাদিসের উদাহরন দিয়েছেন কিন্তু তিনি পাঠকদের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে যা বলেছেন তাহোল কোরানের আ্য়াত অনুযায়ি তিনি মারা গেছেন সেখানে কোরানের আয়াতকেই মানতে হবে , অন্য কোন হাদিসকে নহে এবং এই হাদিস মানতে গেলে কোরানের আয়াত গুলোকে অস্বীকার করা হবে ইত্যাদি ।
তাই আমার মনে হচ্ছে ব্যপারটা যতখানি সহজ আপনি ভাবছেন , আসলে অতখানি সহজ নহে ।

০১ লা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



সহজ কঠিনের বিষয় নয়। বিষয়টি হচ্ছে, বিশ্বাসের। কুরআন কোথায় বলেছে যে, দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে না, আর ঈসা আলাইহিসসালামকে যে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে, তাকে যে পুনরায় পাঠানো হবে, একথা তো সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত। স্থিরিকৃত বিষয়ে এত প্যাচঘোচ না পাকানোই ভাল। বিভ্রান্তি তৈরি করাই এক শ্রেনির মানুষের কাজ। তারা এগুলো করবেন। এতে কান দিয়েন না।

ধন্যবাদ, আবারো আলোচনায় আসায়।

১৯| ০১ লা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৫

অগ্নিবেশ বলেছেন: নকিব ভাইরে অনেক আগেই কইছি, এইসব ভেদাভেদ বাদ দ্যান, কথাই শোনে না। কত কত সমস্যায় মানুষ ভুগতাছে। নকিব
ভাই কি যে পাইছে?

০১ লা মে, ২০১৮ দুপুর ১:৫৩

নতুন নকিব বলেছেন:



অনেক ভাল কথা বললেন। আপনার আন্তরিকতায় কৃতজ্ঞতা।

নকিব ভাই কিছুই পায়নি। তবে, ঈমান আকিদা রক্ষার জন্য মাঝে মাঝে কিছু না বলেই যে পারা যায় না! ওরা 'উলট পালট করে দে মা, লুটেপুটে খাই' অবস্থা করে যে! 'ফাকা মাঠে গোল' দিতে চায় যে কেউ কেউ! সামুকে বিশেষ গোষ্ঠীর প্রচার পাবলিকেশন্স এর ফ্রি মঞ্চ বানিয়ে ফেলতে চায় যে! আমরাও সামুতে আছি, এটা তারা ভুলেই যেতে চায় যে!

মাঠে ময়দানে, হাটে বাজারে স্থান না পেয়ে, এদেশের সাধারন মানুষের কাছে ঠাঁই না পেয়ে অনলাইন মিডিয়াকে প্রচারের নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে বেছে নিতে চায় তারা। তারই অংশ বোধ করি, এখানের ফ্রি ক্যাম্পেইন। বিশাল বিশাল মন্তব্যে অহেতুক, অমূলক, উদ্ভট এবং যন্ত্রনাদায়ক বিরক্তিকর প্রচারনা। এগুলো তাদের কে করতে বলে? তাদেরও যদি এরকম সুন্দর করে কিছু বলতেন!

ভাল থাকুন।

০১ লা মে, ২০১৮ দুপুর ১:৫৫

নতুন নকিব বলেছেন:



কত কত সমস্যায় মানুষ ভুগতাছে।

কথা ঠিক। তবে এটাও যে কত বড় সমস্যা, গভীরভাবে চিন্তা করলে আপনারও বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়। ১২ নং প্রতিমন্তব্য এবং ১৪ নং মন্তব্যটি দেখার অনুরোধ করছি।

২০| ০১ লা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৪৭

অগ্নিবেশ বলেছেন: নকিব ভাই, আসেন এই সব ছোটো খাটো জিনিস বাদ দিই। জবাবদিহি তো তাকেই করতে হবে? আপনি আপনারটা করেন, তাগো তাগোরটা করতে দেন। কে সঠিক এই বাতিক বাদ দেন। কে সঠিক তার বিচার মালিকই করবো। আপনি ভালো মানুষ আপনার আরো অনেক কিছু করার আছে। এমনিই মানুষ মানুষরে বিশ্বাস করতে চায় না। তার পরে এই সব প্যাঁচাল।

০১ লা মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৪২

নতুন নকিব বলেছেন:



ভাল কথাই বলেছেন। কিন্তু দু:খিত! এইগুলো আপনার দৃষ্টিতে ছোটখাট জিনিষ মনে হলেও অনেকের কাছে হয়তো বিষয়টা সেরকম মোটেই নয়। সমস্যাটা এখানেই। বিশ্বাসে, বোধে এবং দৃষ্টিভঙ্গিতে।

ক্ষমা করবেন, একটা কথা বলছি, স্মৃতি যদি আমার সাথে প্রতারনা না করে থাকে, আপনার আগের আচরন তো এতটা মধুর ছিল না। আপনি কি পাল্টে যাচ্ছেন? আপনার পরিবর্তনে আনন্দিত।

অনেক শুভকামনা।

২১| ০১ লা মে, ২০১৮ বিকাল ৪:০৩

এ আর ১৫ বলেছেন: ১)কার্দিয়ানিরা কাফের এবং মুরতাদ ------ এক দম সত্য কথা ।
২)এবার বলুন তো মওদুদীবাদী জামাতীরা কি কাফের এবং মুরতাদ ???
৩)তারপর বলুন আল্লাহ মানি, কোরান মানিনা কিন্তু হাদিস মানি ফেতনার মানুষরা কি কাফের এবং মুরতাদ কিনা ????
কুরআন কোথায় বলেছে যে, দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে না, আর ঈসা আলাইহিসসালামকে যে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে, তাকে যে পুনরায় পাঠানো হবে, একথা তো সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত।
সহি হাদিস তাকে বলে যে হাদিস কোরানের আয়াত দ্বারা প্রমাণীত । আপনি হাদিস দিয়ে প্রমাণ করেছেন দাজ্জাল আসবে এবং হযরত ঈশা ( আ: ) আসবেন --- এবার কোরানের আয়াত দিয়ে দাজ্জাল আসবে এটার প্রমাণ দিন ।

আপনি উপরের ১ নং নহেন তবে ২ এবং ৩ নং সেটা বোঝা যায় ।

০১ লা মে, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৩

নতুন নকিব বলেছেন:



এখন থেকে আপনার কথার উত্তর দেয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারন, আপনি আপনার ফালতু এবং ত্যানায় প্যাচানো স্বভাব ছাড়তে পারেননি।

আপনার জন্য শুভকামনা।

২২| ০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:১৩

এ আর ১৫ বলেছেন: এখন থেকে আপনার কথার উত্তর দেয়া থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।


তাই নাকি , তাহোলে অন্য মানুষের ব্লগে গিয়ে গায়ে পড়ে ত্যানা পেচাতে যান কি কারনে ? ঐ যে সে দিন গান বিষয়ক এক ব্লগে গিয়ে ত্যান প্যাচাইতে গিয়েছিলেন এবং সেই পুরানো ভাঙ্গা রেকর্ড বাজাইতে গেছিলেন কেন ???

কারন, আপনি আপনার ফালতু এবং ত্যানায় প্যাচানো স্বভাব ছাড়তে পারেননি।

আমি কোরানের আয়াতের রেফারেন্স চেয়েছি দাজ্জালের ব্যপারে এইটা বুঝি আপনার কাছে ফালতু চাওয়া এবং ত্যানা প্যাচানো :) :) :)
আপনি দাবি করেছেন কাদিয়ানীরা কাফের মুরতাদ ---- ভালো কথা । এটা তো আপনার দাবি এবং যে যুক্তি দিয়ে আপনি প্রমাণ করতে চাচ্ছেন তারা কাফের মুরতাদ , তাহোলে সেই একই যুক্তি দিয়ে কি প্রমাণ হয় না আপনার প্রীয় আদর্শ মওদুদী ফিতনা জামাতরা কাফের মুরতাদ এবং আপনার বিশ্বাষ আল্লাহ মানবো , কোরান মানবো না কিন্তু হাদিস মানবো ফিতনার লোকেরা কাফের মুরতাদ ।

তারমানি ব্যপারটা দাড়ালো এমন --- এক কাফের মুরতাদ আরেক জনকে বলে --- তুই হইলি কাফের মুরতাদ ।
কাদিয়ানীদের কাফের মুরতাদ বলার আগে নিজেরা কি সেটা মূল্যায়ন করেন আগে । কাদিয়ানী যেই রকমের চিজ , আপনারা ও সেই একই রকমের চিজ, শুধু গায়ের লেবেলটা ভিন্ন :) :) :)

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৫২

নতুন নকিব বলেছেন:



শুকরিয়া। আপনার গবেষনালব্ধ নতুন মন্তব্যে হৃদয় আপ্লুত হল। আল্লাহ পাক আপনার কল্যান করুন। চেয়েছিলাম, উত্তর আর দেব না। কিন্তু আপনি যেভাবে মরিয়া হয়ে লেগেছেন, কাফের ইত্যাদি ফতোয়া নিয়ে আসছেন, ডাহা মিথ্যাচার করছেন, অজ্ঞতার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন- কথা না বললেও বিপদ।

আপনার মতে, আমরা কাদিয়ানীদের মত একই রকমের চিজ। যদি তাই হয়ে থাকি, আপনি যেহেতু আল্লাহওয়ালা মানুষ, আমাদের জন্য অন্তত: দুআ তো করতে পারবেন। সেটাই চাই।

আপনার ধারনা, আপনি বিজ্ঞ ব্যক্তি। আপনার মতে কাদিয়ানীরা কী? না কি আপনি নিজেই কাদিয়ানী? দয়া করে যদি খোলাসা করতেন?

'মওদুদী আমার প্রিয়' এটা আপনাকে কে বলেছে? স্বপ্নে দেখেছেন? গত রাত, মানে, শবে বরাতের রাতের স্বপ্ন এটা? ব্রাদার, আহমকিরও তো সীমা থাকা উচিত।

আপনি ত্যানায় প্যাচাতে আমার কোনো পোস্টে না এলে খুশি হব।

২৩| ০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১:২০

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি ত্যানায় প্যাচাতে আমার কোনো পোস্টে না এলে খুশি হব।

আপনি তো মানুষের পোষ্ঠে গিয়ে গায়ে পড়ে ত্যানা প্যাচান তখন কি খেয়াল থাকে না ???

'মওদুদী আমার প্রিয়' এটা আপনাকে কে বলেছে? স্বপ্নে দেখেছেন?

তাহোলে মওদুদীরা কাফের মুরতাদ প্রমাণ করে আপনার একটা না একটা পোষ্ঠ থাকতো এবং জামাতীদের কর্মকান্ডের কঠোর সমালোচনা থাকতো আপনার । আপনার বিরুধী ২টা অভিযোগ করেছি তার একটার প্রতিবাদ করেছেন কিন্তু অন্যটার প্রতিবাদ করেন নি তারমানি আপনি আল্লাহকে মানি , হাদিস মানি এবং হাদিস সম্মত কোরানের আয়াত মানি কিন্তু হাদিস সম্মত নহে কোরানের আয়াত মানি না ( নাউযুবিল্লাহ ) গ্রুপের পাবলিক । আপনি তো এই অপবাদের কোন প্রতিবাদ করেন নি ।
। আপনার মতে কাদিয়ানীরা কী? না কি আপনি নিজেই কাদিয়ানী? দয়া করে যদি খোলাসা করতেন?

মনে আছে কি কিছুদিন আগে একজনের ব্লগে এক কাদিয়ানী আপনাদের কে নাস্তানুবাদ করে দিয়েছিল তারপর তারে গালাগালি শুরু করেছিলেন - আপনি কইতেছিলেন পায়খানা খেতে তার মৃর্তু হয়েছিল , তার যুক্তির কোন জবাব দিতে পারছিলেন না আপনি এবং ০০০০০৭টারজন , শুধু গালাগালি ছিল আপনাদের অস্ত্র । তখন আমি গিয়ে সেই ব্যটার মুখ বন্ধ করি কতগুলো টেকনিক্যাল প্রশ্ন করে , তারপর কি সন্দেহ আছে আমি কি ????

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১:৫১

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনি বলেছেন: আল্লাহকে মানি , হাদিস মানি এবং হাদিস সম্মত কোরানের আয়াত মানি কিন্তু হাদিস সম্মত নহে কোরানের আয়াত মানি না

-এর নামই ত্যানায় প্যাচাপেচি করা। আপনি লোক ভাল, তবে স্বভাবটা তেলানোর, প্যাচানোর। এটা আপনার দোষও নয় সম্ভবত:। কিছু লোক বংশগতভাবে এমন হয়, দেখেছি। মাথার পেছন দিক দিয়ে ঘুরিয়ে এনে তারপরে তারা লোকমা মুখে নেয়। মজ্জাগত, মুদ্রা দোষ মানুষের যায় না। সোজা বাংলায় বলি- আমরা কুরআন, সুন্নাহ (হাদিস), ইজমা এবং কিয়াসের ভিত্তিতে দ্বীন ইসলাম মানি। আশা করতে পারি, এরপর আর এই বিষয় নিয়ে রশি প্যাচাবেন না।

মওদুদিদের ফিতনা মনে করলে আপনি কেন লিখছেন না? আরেকজনকে অহেতুক সন্দেহ করছেন কোন্ সাহসে? নিজেকে দাবি করেন সবজান্তা, বুঝাতে চান- হাদিস কুরআন সব আপনার ঠোটস্ত, তো, কাউকে অহেতুক সনেদ্হ করা যে জঘন্য পাপাচার- এটা জানেন না?

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيرًا مِّنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَب بَّعْضُكُم بَعْضًا أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَن يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ تَوَّابٌ رَّحِيمٌ

মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। সূরা আল হুজরাত, আয়াত-১২

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:২৭

নতুন নকিব বলেছেন:



মনে আছে কি কিছুদিন আগে একজনের ব্লগে এক কাদিয়ানী আপনাদের কে নাস্তানুবাদ করে দিয়েছিল তারপর তারে গালাগালি শুরু করেছিলেন - আপনি কইতেছিলেন পায়খানা খেতে তার মৃর্তু হয়েছিল , তার যুক্তির কোন জবাব দিতে পারছিলেন না আপনি এবং ০০০০০৭টারজন , শুধু গালাগালি ছিল আপনাদের অস্ত্র । তখন আমি গিয়ে সেই ব্যটার মুখ বন্ধ করি কতগুলো টেকনিক্যাল প্রশ্ন করে , তারপর কি সন্দেহ আছে আমি কি ????

--- জনাব, কোথায় গালাগালি করেছিলাম সেখানে? মিথ্যা বলছেন কেন? যাক, মুখ খারাপ করতে চাইনি বলে লিখেও গালিটা মুছে দিলাম। তয় আপনি যে, কুরআন অনলি মূর্তির পুত! একথার সন্দেহ কিন্তু এখনও দূর হয়নি।

আর কাদিয়ানীর কথার জবাব দিতে পারছিল না কে? টারজান? আমি? আর আপনি গিয়ে সব ছিড়ে ফেললেন! আপনার মস্তিষ্কে তো দেখছি শয়তানে প্রসাব করেছে। শয়তান যে বিপথগামী, পথভ্রষ্ট এটাতো প্রমানিত, এ নিয়ে যেমন তর্কের কিছু নেই, ঠিক তেমনি কাদিয়ানী যে ভন্ড, এটাতো দিবালোকের মত স্বচ্ছ। এ নিয়ে তাদের সাথে তর্কের কি আছে? আপনি সেই নাপিতগিরি এখানে টেনে আনছেন কেন? নতুন করে আবার টারজানের খোচা খাওয়ার ইচ্ছে হচ্ছে?

২৪| ০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ১:৩১

এ আর ১৫ বলেছেন: যান এই ব্লগে গিয়ে দেখে আসেন সেই কাদিয়ানীর সাথে আমার কেচাল ,
মুসলিমরা কেন পিছিয়ে পড়ছে

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৩১

নতুন নকিব বলেছেন:



দেখে আসলাম। ঐ কাদিয়ানী আর আপনি দু'জন একই ব্যক্তির মাল্টি?

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৩২

নতুন নকিব বলেছেন:



মূর্তি জায়েজ মর্মে আপনি একটি পোস্ট দিতেন যদি!

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৩৩

নতুন নকিব বলেছেন:



মূর্তির পক্ষে আপনার দলিলগুলো কিন্তু বেশ। দিলে দিতে পারেন।

০২ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৩৪

নতুন নকিব বলেছেন:



নারী নেতৃত্ব নিয়েও দিতে পারেন। ভাল খাবে, মনে হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.