নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

না ফেরার দেশে চলে যাওয়া অরিত্রী; দু:খকাতর বর্নমালার লুকানো কিছু কান্না।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:০৪

হ্যাঁ, যাদের কারনে চলে যেতে হলো অরিত্রীকে, তাদেরকেই বলছি। এরা কি সত্যিই শিক্ষক? শিক্ষক হওয়ার নূন্যতম যোগ্যতাও কি তাদের আচরনে প্রতিফলিত হয়? ক্ষমা, উদারতা, মহত্ব, মানবিকতা না থাকলে তাদের কাছ থেকে আমাদের শিশুরাই বা কি শিখবে?

ভাবতেই আশ্চর্য লাগে, একটি শিশু পায়ে ধরে ক্ষমা চাচ্ছে! শিশুর অভিভাবক জন্মদাতা পিতা মাতা শিশুটির পক্ষে আবেদন নিবেদন করছেন! অথচ, কোনো কিছুতেই তাদের মন গলছে না, এ কেমন নিষ্ঠুরতা?

কোনো দীর্ঘসূত্রিতা নয়, ঘটনার সঠিক তদন্ত পূর্বক দ্রুত বিচার হোক।

অরিত্রি, মা, তোমাকে বলছি-

অরিত্রী, জানি, তুমি ফিরে আসবে না। চলে গেছ না ফেরার দেশে। তোমার চলে যাওয়া আমাদের কাঁদায়। আমরা নির্বাক। নিস্তব্ধ। হতবাক।

অরিত্রী, তোমাকে অপমান করেছে। তোমার বাবা মাকে অপমান করা হয়েছে। তুমি প্রতিবাদ করেছো। প্রতিবাদের বহুমাত্রিক ভাষা থাকে। প্রতিবাদের কঠিন থেকে কঠিনতর পথটিই তুমি বেছে নিয়েছো। অরিত্রী, তোমার এই প্রতিবাদটি ভিন্নতর কোনো পদ্ধতিতেও তো হতে পারতো। তোমার অবুঝ মন সে সুযোগ হয়তো দিতে চায়নি তোমাকে। অপমানের গ্লানি সইতে না পেরে জীবনের মায় ছেড়ে দিয়ে তুমি চলে গেছো দূরে, বহু দূরে।

অরিত্রী, জানি, অপমান সইতে না পেরে তুমি কেঁদেছো। কঁচি বুক তোমার ভেঙ্গে গেছে অপমানের নির্মম আঘাতে আঘাতে। তুমি ক্ষমা চেয়েছিলে। তোমাকে ক্ষমা করা হয়নি। তুমি পায়ে পড়ে কেঁদেছিলে। অভাবিত অবজ্ঞায় তোমাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

অরিত্রী, তুমি তো পারতে তাদের মত ক্ষমাহীনদের ক্ষমা করে দিতে। তুমি কেন সেটা না করে এমন নির্মম প্রতিশোধ নিতে গেলে? জানি, তুমি লজ্জা পেয়েছো। বাবা মায়ের সামনে নিজের অপমান তুমি বরদাশত করতে পারোনি। নিজের সাক্ষাতে নিজেরই জন্য বাবা মা অপমানিত হবেন এই অনুভূতি তোমাকে ক্ষমা করেনি বলে তুমিও নিজেকে ক্ষমা করতে পারোনি। নিজের অপমান না হয় মেনে নিতে পারতে। কিন্তু বাবা মায়ের অপমান? চোখের সামনে বাবা মাকে অপমান হতে দেখেছো তুমি। এই কঠিন অপমান অপদস্ততার গ্লানি তোমার সম্মানে আঘাত করেছে। তোমাকে অস্থির আকুল করে তুলেছে। তুমি সইতে পারোনি। তুমি মেনে নিতে পারোনি। তুমি নিজেকে বোঝাতে গিয়েও পারোনি। নিজের বোঝাপড়ার সাথে হেরে গেছো বারবার। অবশেষে বেছে নিয়েছো শেষ সিদ্ধান্তটি। পৃথিবীর সবচে' কঠিন সিদ্ধান্ত। না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। অরিত্রী, মা আমার, এই কঠিন সিদ্ধান্তটি তুমি কেন নিলে?

অরিত্রী, আজ কোনো শোক প্রকাশ করবো না। শোকের কোনো কথাও বলবো না। তুমি চলে গেছো, তোমাকে ফেরানোর সাধ্য আমাদের নেই। তুমি আশির্বাদ করো, তোমার চলে যাওয়ার প্রতিবাদী এই দৃশ্য দেখে আমাদের ভেতরের কলুষ কালিমাগুলো আমরা যেন দূরীভূত করতে পারি। তোমার চলে যাওয়ার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা যেন শুদ্ধ সুস্থ হতে পারি। প্রজন্মের জন্য তোমার চলে যাওয়া দৃষ্টান্ত হয়ে থেকে যাক। তুমি যা শেখাতে চাইলে এই সমাজ জাতি তা যেন অক্ষরে অক্ষরে শিখে নিতে পারে, যাতে করে ভবিষ্যতে আর কোনো অরিত্রীকে তোমার মত এভাবে চলে যেতে না হয়।

অরিত্রী, তুমি যাদের কলিজার টুকরো ছিলে, সেই অভাগা স্বজনদের প্রতি আমাদের প্রানভরা সমবেদনা। তোমার দু:খকাতর নির্বাক বাবা আর শোকাহত দু:খিনী মায়ের জন্য আমাদের হৃদয়ের গহীন গভীর থেকে শান্তনা, সমবেদনা এবং শুভকামনা।

অরিত্রীর জন্য প্রতিবাদে সরব সকলকে ধন্যবাদ।

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


এসব স্কুলগুলোর ব্যবস্হাপণা দখল করেছে এলিট ডাকাতেরা; ওরা দুষ্টদের ওখানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়, সবকিছু পরিচিতির মাধ্যমে

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১৫

নতুন নকিব বলেছেন:



ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।

তথাকথিত এলিট শ্রেনির দখলেই এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা। শুধু ব্যবস্থাপনা নয়, কুলি, মজুর, ঠেলাওয়ালা আর খেটে খাওয়া মেহনতি দরিদ্র পরিবারের কোনো সন্তানের পড়ালেখা তো দূর কি বাত, এসব প্রতিষ্ঠানের বারান্দায় পা দেয়ারও সাধ্য নেই।

অর্থ বিত্তওয়ালাদের চক্র নিজেদের পছন্দমত রোবট টাইপ কিছু লোকদের নিয়োগ দেয়। বানিজ্য চলতে থাকে অত:পর.....

২| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২২

চোরাবালি- বলেছেন: ঘটনাটি অবশ্যই হৃদয়বিদারক। কিন্তু ঢালাওভাবে শিক্ষকগণকে দোষারোপ করা কতটুকু যৌক্তিক সে প্রশ্ন থেকেই যায়। ঘটনা পড়ে এটা অনুমিত, অরিত্রী পরীক্ষার হলে অসদুপায় অবলম্বন করেছিল। শিক্ষক এটা দেখলে তিরস্কার করবেন এটাই স্বাভাবিক। করেছেনও। অতিরিক্ত সচেতনতার জন্য তার পিতামাতাকেও ঢেকেছেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপিঠ হিসেবে এটা না করাটাই অযৌক্তিক ছিলো, আপাতত আমার কাছে সেটাই মনে হচ্ছে। এতটুকু শৃঙ্খলা, এতটুকু শাসনের জন্য কেউ যদি আত্মহত্যা করে সে দায়ভার প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক নেবেন কেন??? (প্রথম আলোর মন্তব্য থেকে কপি করা, আমার মন্তব্যই একই)

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:২৮

নতুন নকিব বলেছেন:



মন্তব্যে আসায় ধন্যবাদ।

কোনো শিক্ষার্থীর সাথে মোবাইল ফোন নেয়া স্কুলের নিয়মপরিপন্থী। অরিত্রী তার ব্যাগে মোবাইল নিয়ে গিয়ে সেই নিয়ম অমান্য করেছিল। কিন্তু এই অপরাধটি কি ক্ষমার অযোগ্য? শুধু অরিত্রীকেই নয়, তার বাবা মাকে পর্যন্ত অপমান করা হয়েছে। আজকের প্রথম আলো দেখুন। ভাইস প্রিন্সিপ্যাল তার কক্ষ থেকে তাদের অপমান করে বের করে দিয়েছেন। এরা কি শিক্ষক? এদের চেয়ে আমার দেশের অশিক্ষিত কামার কুমার জেলে মাঝি মাল্লাও হাজার গুনে উত্তম। তাদের ভেতরেও মানবিকতার ছাপ রয়েছে। যেটা থেকে এরা বঞ্চিত।

আপনি কষ্ট নিবেন না আশা করি, আমি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না, একটি শিশু ক্ষমা চাওয়ার পরে, পায়ে পড়ে কান্নাকাটি কর সত্ত্বেও তাকে ক্ষমা করা হবে না- এই দৃশ্যটা অমানবিক, অচিন্তনীয় এবং অকল্পনীয়।

৩| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: @চোরাবালিঃ মেয়েটি নকল করেছিলো বিষয়টি প্রমানিত হয় নি। মোবাইল তার ব্যাগে ছিলো। যাইহোক। ধরে নিচ্ছি মেয়েটি নকল করেছে কিন্তু তাই বলে এইভাবে এত নির্মম অপমান করতে হবে? এটা কি মানুষের জন্য স্কুল নাকি সার্কাসের দল?

নকিব ভাই, এখনও বাবা মা হই নি। আমি শুধু ঐ পিতামাতার কথা ভাবছি আর হৃদয়টা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে। এত প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছে। আমরা মানুষের সমাজ বানাতে পারি নাই এখনও।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৩৩

নতুন নকিব বলেছেন:



নকিব ভাই, এখনও বাবা মা হই নি। আমি শুধু ঐ পিতামাতার কথা ভাবছি আর হৃদয়টা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে। এত প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছে। আমরা মানুষের সমাজ বানাতে পারি নাই এখনও।

আপনার মত আমিও সংবাদটি জানার পর থেকে এক ধরনের অস্থিরতার ভেতর দিয়ে সময় পার করছি। হৃদয়ে রক্তক্ষরন। বারবার উঁকি দেয় অরিত্রীর ম্লান মুখ। এক অরিত্রী যেন হাজার লক্ষ অরিত্রী হয়ে থেকে থেকে ধিক্কার দিয়ে যায় আমাদের।

অরিত্রীকে নিয়ে আপনার প্রতিবাদী পোস্টটি খুব ভালো হয়েছে। পড়ে মন্তব্য রেখে এসেছি। শুভকামনাসহ।

৪| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভিকারুননিসার প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আরা বরখাস্ত

আপাত: প্রাথিমক শাস্তি হয়েছে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই!
শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করে যে গো!
এই আপতবাক্য যেন ভুলেই বসেছে বর্তমান শিক্ষক সমাজ!
সেদিন দেখলাম- এক স্কুলে মোবাইল নেয়ার অপরাধে সবার মোবাইল ভেঙবগে ফেলছে!!!!
স্কার্ফ তাদের স্কুল/কলেজের মনোনীত ষ্টাইলে না হলে ক্লাশ থেকে বের করে দিচ্ছে!
সারা কলেজ জীবন পার করে এলাম- লাইব্রেরী ওয়ার্ক করে- আর এখন বইয়ের কমিশন খোর শিক্ষক নামের কলংক রা বই কেনা এবং তার প্রমাণ হিসেবে সব বই কলেজে নিয়ে যাবার বিধান করেছে। না নিলে ক্লাশে দাড় করিয়ে রাখে বা বের করে দেয়???
একটা কলেজ ছাত্রীর সাথে এই আচরণ করলে তার মানসিক বিকাশ হবে কি করে???

এসব কি? এরা কারা? কোন গ্রহের জীব! এদের শিক্ষা দেয়া জরুরী!!!
নইলে ভবিষ্যত প্রজন্ম এক খন্ডিত, ক্রুঢ় এবং অসহিষ্ণু শিক্ষা নিয়ে বড় হবে। যা কাম্য নয়।
জাতির জন্যও শুভ নয়।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪১

নতুন নকিব বলেছেন:



আপাত: প্রাথিমক শাস্তি হয়েছে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই!
শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করে যে গো!
এই আপতবাক্য যেন ভুলেই বসেছে বর্তমান শিক্ষক সমাজ!
সেদিন দেখলাম- এক স্কুলে মোবাইল নেয়ার অপরাধে সবার মোবাইল ভেঙবগে ফেলছে!!!!
স্কার্ফ তাদের স্কুল/কলেজের মনোনীত ষ্টাইলে না হলে ক্লাশ থেকে বের করে দিচ্ছে!
সারা কলেজ জীবন পার করে এলাম- লাইব্রেরী ওয়ার্ক করে- আর এখন বইয়ের কমিশন খোর শিক্ষক নামের কলংক রা বই কেনা এবং তার প্রমাণ হিসেবে সব বই কলেজে নিয়ে যাবার বিধান করেছে। না নিলে ক্লাশে দাড় করিয়ে রাখে বা বের করে দেয়???
একটা কলেজ ছাত্রীর সাথে এই আচরণ করলে তার মানসিক বিকাশ হবে কি করে???

এসব কি? এরা কারা? কোন গ্রহের জীব! এদের শিক্ষা দেয়া জরুরী!!!
নইলে ভবিষ্যত প্রজন্ম এক খন্ডিত, ক্রুঢ় এবং অসহিষ্ণু শিক্ষা নিয়ে বড় হবে। যা কাম্য নয়।
জাতির জন্যও শুভ নয়।


জিনাত আরা বরখাস্ত হয়েছে। সর্বশেষ খবর, তিনজনের নামে মামলা হয়েছে।

দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা এই অসুস্থ মানসিকতাসম্পন্ন লোকদের শিক্ষকের আসনে বসিয়েছি। মামার জোরে, অর্থের জোরে এদের মত নির্মম নিষ্ঠুর অমানবিক লোকরা সমাসীন সর্বত্র। এদের হাতে জিম্মি আমরা, আমাদের সন্তানরা। শুধুমাত্র সার্টিফিকেট অর্জন করার মাধ্যমেই যে মানুষ শিক্ষিত হয় না, হতে পারে না, পরিমল জয়ধরসহ এই একটি প্রতিষ্ঠানেই তার অনেক প্রমান জাতি প্রত্যক্ষ করলো।

আমার মনে হয়, প্রতিটি শিক্ষককে আচরনবিধি শেখানো উচিত।

শ্রদ্ধাসহ।

৫| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
শুধু বরখাস্ত/শাস্তি দিলেই কি
ফিরবে অরিত্রীরা তাদের বাবা মায়ের
শূণ্যবূকে? আমরা আরো কঠিন শাস্তির দাবী জানাই।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪২

নতুন নকিব বলেছেন:



শুধু বরখাস্ত/শাস্তি দিলেই কি
ফিরবে অরিত্রীরা তাদের বাবা মায়ের
শূণ্যবূকে? আমরা আরো কঠিন শাস্তির দাবী জানাই।


সহমত পোষন করছি আপনার সাথে।

ধন্যবাদ।

৬| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৬

হাবিব বলেছেন: এমন ঘটনা আর যেন না ঘটে

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪২

নতুন নকিব বলেছেন:



সেটাই।

কৃতজ্ঞতা।

৭| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৬

চোরাবালি- বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা@ অপমান মাপার কি কোন যন্ত্র আছে? নিয়মও মানবেন না আবার অপমানও মানবেন না?
আসলে আমাদের একতরফা দোষারোপ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
আমরা বাচ্চাদের আদর করতে করতে বান্দর বানাচ্ছি দিন দিন। আত্মহত্যা করেছে এটা পারিবারিক অশিক্ষা। ঐ ছাত্রির মত অনেকেই এ ধরনের অপরাধ করে এবং শিক্ষকেরাও এ ধরনের ব্যবস্থা নেন, কই অন্যরা তো আত্মহত্যা করল না?

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪৭

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার মন্তব্য যেহেতু কা_ভা ভাইকে, আর তিনি যেহেতু ইতোমধ্যেই উত্তর দিয়ে গেছেন, তাই এই মন্তব্যের উত্তর দেয়া থেকে বিরত থাকলাম।

৮| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: @চোরাবালিঃ আপনার মানসিকতা দেখে বিস্মিত হলাম। বাচ্চাদের আদর করতে করতে বান্দর বানাচ্ছি। আপনি খুব সম্ভবত জন্মবার পর এক লাফেই পরিপক্ক তরুন হয়েছেন। অপমান মাপার যন্ত্র হচ্ছে মানুষের বিবেক, মুল্যবোধ এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি। শিক্ষার একটার ব্যাপার আছে - কিন্তু লিখতে পড়তে জানলেই যে শিক্ষিত হবে এমন কোন কথা নেই।

কোন শিশু যদি কোন অপরাধ করে নিয়ম অনুসারে সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শিশুরা কোন দাগী আসামী নয়। এদেরকে উপযুক্ত ভাবে বুঝিয়ে শিক্ষা দিতে হয়। কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে তাদের নিজস্ব আইন কানুন থাকতেই পারে। সেটার প্রয়োগ নিয়ে কোন কথা নেই। প্রশ্ন আছে প্রয়োগের পৈচাশিকতায়। একটা শিশু অন্যায় করেছে। তাকে অপমান বা শাস্তি সহ্য করতে হবে। কিন্তু বাবা মা কে অপমান করতে হবে, নিজস্ব সম্মানবোধের জায়গাটা নষ্ট করতে হবে এটা কোথাকার শিক্ষা?

আমাদের সমাজে কিছু বিকৃত মনের মানুষ আছে যারা ভদ্রতা ও শিক্ষার মুখোস পড়ে থাকে। এদের সনাক্তকরণ মুসকিল। শুধুমাত্র কোন নির্দিষ্ট ঘটনায় এদের আসল চেহারা বের হয়।

অনুগ্রহ করে সম্ভব হলে ব্লগার ঢাবিয়ানের এই পোষ্টটি পড়বেন

ব্লগার র ম পারভেজ বলেছেন, যদি নকলের অভিযোগ আসলেই সত্য হয়ে থাকে, তবে তার জন্য প্রতিষ্ঠানই দায়ী। প্রতিষ্ঠান তাকে পড়ানোর দায়িত্ব ঠিকমতো পালনে ব্যর্থ। প্রতিষ্ঠান জানে প্রতিষ্ঠান এখন নামেই চলে, বাচ্চাদের আর পড়ানো লাগবে না। পড়ালে বরং প্রতিষ্ঠানের নাম বেচে যে প্রাইভেট টিউশন ব্যবসা তা লাটে উঠবে।

ব্লগার আহমেদ জী এস বলেছেনঃ এই নির্মম ও ক্ষমার অযোগ্য ঘটনাটি আবারও প্রমান করলো যে, আমাদের শিক্ষাদানে নিয়োজিত শিক্ষক শিক্ষিকারা কেউই শিক্ষাদানকে একটি সুস্থ্য ধারায় মানুষ গড়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে না নিয়ে , কেরানীর চাকুরীর মতো আর দশটা চাকুরী পেশা হিসেবেই দেখেন এবং নিয়েছেন। যেন আলু-পটল বিক্রি শেষে পকেটে কিছু পয়সা নিয়ে ঘরে ফেরা!

আমি জানতে চাই, এই সব আবাল শিক্ষক শিক্ষিকারা কোনও দিন "চাইল্ড সাইকোলোজী" বিষয়ে পড়েছেন কিনা কিম্বা আদৌ তারা এমন বিষয়টি জানেন কিনা ! " টিচার'স বিহেভ্যিয়র' ব্যাপারটিও তারা কোনওদিন শুনেছেন কিনা!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৫০

নতুন নকিব বলেছেন:



খুব সুন্দর করে ব্লগার 'চোরাবালি-'কে তার মন্তব্যের প্রত্যুত্তর দিয়েছেন। ধন্যবাদ।

৯| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৪

সুমন কর বলেছেন: এমন কঠিন সিদ্বান্ত নেবে.................মেনে নেওয়া যায় না। কা_ভা'র পোস্টে করা মন্তব্যটাই তুলে দিলাম:

আজ সকাল থেকেই এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে.......কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। সে যদি নকল করে থাকে (ধরে নিলাম) তবে ক্ষমা চাওয়া এবং তার বাবা এসে ক্ষমা চাওয়াই যথেষ্ট। এখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করার কোন প্রশ্ন নেই। কথা না বাড়িয়ে, ভবিষ্যতে সে যাতে আর এমন না করে, সেটা বোঝানো উচিত ছিল। অভিভাবকের সাথে খারাপ ব্যবহার করার প্রশ্নই আসে না। ছাত্র ছিলাম আজ অভিভাবক হয়েছি। এটা মেনে নেওয়া যায় না।।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৫১

নতুন নকিব বলেছেন:



কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। সে যদি নকল করে থাকে (ধরে নিলাম) তবে ক্ষমা চাওয়া এবং তার বাবা এসে ক্ষমা চাওয়াই যথেষ্ট। এখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করার কোন প্রশ্ন নেই। কথা না বাড়িয়ে, ভবিষ্যতে সে যাতে আর এমন না করে, সেটা বোঝানো উচিত ছিল। অভিভাবকের সাথে খারাপ ব্যবহার করার প্রশ্নই আসে না। ছাত্র ছিলাম আজ অভিভাবক হয়েছি। এটা মেনে নেওয়া যায় না।।

সহমত আপনার মূল্যবান অভিমতে। ধনবাদ দাদা।

১০| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট টি মন দিয়ে পড়লাম মন্তব্য সহ।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৫৩

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ মন্তব্যসহ পোস্ট পাঠে।

আচ্ছা, আপনার পোস্ট এবং মন্তব্য পাঠের উপর এখন কি একটা ছোটখাট পরিক্ষা নিতে পারি?

১১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৪৮

আরোগ্য বলেছেন: নকীব ভাই আজ মন্তব্য করার শব্দ নেই।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:০১

নতুন নকিব বলেছেন:



জানি, আপনি কোমল প্রান। আপনি যেমন নির্বাক আজ আমরাও। কিন্তু প্রতিবাদের মিছিলে আমরা যদি না থাকি, আবর্জনায় তো ভরে যাবে এই সমাজ দেহের অলি গলি। প্রতিবাদে সোচ্চার হতেই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে বজ্রমুষ্ঠি উর্ধ্বে তুলে জোর আওয়াজে অন্যায়ের অপনোদনের দাবিকে তুলে ধরতে হবে। অন্যায়, জুলূম আর অবিচারের অবসান না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রাম নয়।

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১২| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৮

চোরাবালি- বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা @ জন্মের পর লাফাইয়া বড় হই নাই ঠিকই কিন্তু বিনা শাসনের বড় হই নাই।
আমার বাবার প্রথম কথা ছিল কোন দিন স্কুল থেকে যেন কোন বেয়াদবির অভিযোগ না আসে। পরীক্ষায় যা পারবা তাই লিখবা কারো খাতা দেখা বা কপি করার কোনরূপ চেষ্টা করবা না, যদি সেধরনের কিছু শুনি তা হলে বিচার আমি করব, অন্যরা না।

আমি আমার বাচ্চাকে প্রতিদিন স্কুলে নিয়ে যাই এবং বিভিন্ন শিক্ষা বিষয়ক যায়গাগুলিতে আমিই নিয়ে যাই, সো আপনার থেকে আমার ধারনা একটু হলেও বেশী হওয়ার কথা। আমি তাকে পড়ার জন্য প্রেসার দেই কিন্তু রেজাল্টের জন্য প্রেসার করি না। পৃথিবীতে সবার মেধা এক না, সবাই সব বিষয়ে পারদর্শী না। যদি তাই হত সবাই সক্রেটিস বা আইনস্টাইন বনে যেত।

আমাদের দেশে শিক্ষকেরা যতটা দায়ি তার থেকে বেশী দায়ি অভিভাবকেরা।

কখনও কি প্রশ্ন জেগেছে আপনার ছাত্রী কেন নকল করতে গেল?-- সে প্রশ্ন জাগলে এত লেখা আসত না আপনার।
দুইটি ভয়ে নকলের আশ্রয় নেয় ১) স্কুল থেকে বের করে দিবে ২) বাড়ীতে টরচার করবে
এই দুটির ভয় না থাকলে কেও নকল করবে না।
১) স্কুল থেকে বের করে দিলে কি হবে?? তার বাবা মা টরচার করবে- তোর পেছনে এতটাকা ঢালি থেকে শুরু করে চরথাপ্পর পর্যন্ত। স্কুল থেকে বের করে দিলে অন্য স্কুলে ভর্তি করালেই চুকে গেল। কিন্তু না আমাদের গার্ডিয়ানের ফুটানি না করলে চলে না, তার বাচ্চা অমুক স্কুলে পড়ে, শ্রেণীতে এততম স্থান, ইত্যাদি ফুটানি করা চাই গপ্পে।

আমার ফ্লাটের নিচের ফ্লাটে একজন মেডিকেল রিপেসেনটিটিভ থাকে তার বাচ্চা একটা স্কুলে ক্লাস ফোরে ৪র্থ স্থান। সে ছেলেকে স্কুল বাদ দিয়ে কোচিং এ দিয়েছে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা স্কুলে তাকে চান্স পেতে হবে, তার কলিগের বাচ্চারা জেলাস্কুলে পড়ে তার বাচ্চাকেও পড়তে হবে। তা না হলে তার মান সম্মান থাকবে না, কিন্তু ছেলে স্কুলের সময় হলে স্কুলে যাওয়ার জন্য পাগল হয়ে যায়। অবশেষে ছেলে অসুস্থ্য।

ব্যাপারটা এমন নিজে পারে নাই ডোঙ্গা বানাতে ছেলেকে বলে প্লেন বানাতে হবে। আমাদের মধ্যে থেকে যতদিন এত চিন্তু না যাবে ততদিন এমনটি ঘটতেই থাকবে।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার মন্তব্যের জবাব আশা করি, সময় সুযোগমত কা_ভা ভাই দিয়ে যাবেন।

আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.