নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

এমনি ক’রে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল? -চুরির অপবাদে যুবককে গাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:১১

১.
রানাকে গাছে ঝুলানো হচ্ছে

২.
গাছে ঝুলিয়ে যুবককে নির্যাতন করা হচ্ছে।

গত ২৮ ডিসেম্বর (শুক্রবার) ঝিনাইদহে টেলিভিশন চুরির অপবাদ দিয়ে রানা নামে এক যুবককে গাছে ঝুলিয়ে বেদম মারধর করা হয়েছে। জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে নির্যাতিত রানার বাবা কৃষক ওমর আলী বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনার ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

৩.
লাঠি হাতে প্রহারের জন্য অগ্রসর হচ্ছেন জল্লাদসম অত্যাচারী ব্যক্তিটি

এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর স্বজন ও এলাকাবাসী।

৪.
কাহাতক আর পেটানো যায়! কাহাতক আর কুলোয়! সপাঙ সপাঙ বাড়ির প্রতিটি আঘাতে প্রচুর শক্তি ব্যয় করতে হয় যে! পেটাতে পেটাতে ক্লান্ত হয়ে তিনি যাচ্ছেন বিশ্রামের জন্য! একটু জিরিয়ে নিতে! হায়রে অমানুষ! তুমি তো মানুষ নামের পশু মাত্র!

এলাকাবাসী জানায়, গত ২৭ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) হরিণাকুণ্ডু উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের শ্রীপুর বাজারে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যালয় থেকে একটি টেলিভিশন চুরি হয়। পরদিন সকালে ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর রহমান তুহিন গ্রামের কৃষক ওমর আলীর ছেলে রানাকে চোর সন্দেহে মাঠ থেকে ধরে আনে। পরে শ্রীপুর বাজারের একটি কাঁঠাল গাছে হাত পা বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে বেদম মারধর করেন। পরে তাকে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করেন। পুলিশ হরিণাকুণ্ডু থানায় এনে তাকে নিয়ে টিভি উদ্ধারে গেলেও টিভি উদ্ধার করতে পারেনি। পরে পুলিশ রানাকে তার পরিবারের জিম্মায় ফেরত দেয়।

৫.
নির্মমভাবে পেটাচ্ছেন তিনি! আহ! কোথায় মানবাধিকারের বুলি আওড়ানো ধোঁকাবাজরা কোথায়? মানবাধিকারের কথা বলে বলে যাদের মুখে ফেনা তুলতে দেখা যায়! মানবতার সেই ধ্বজাধারী ফেরিওয়ালা বনিকরা এখন নিরব কেন?

রানা গুরুতর অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) সকালে ওই নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

৬.
প্রচন্ড শক্তি দিয়ে বাড়ি দেয়ার জন্য লাঠি উঁচিয়েছেন

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শাহীনুর রহমান তুহিন বলেন, তেমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। টিভি চুরি করেছিল তাই স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য একটু মারধর করা হয়েছে।

৭.
পূর্ন মূর্তিতে নির্যাতনকারী

এ ঘটনায় শাহীনুর রহমান তুহিনসহ তিন/চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

৮.
নির্যাতন চলছে! আর কত? আর কত? আর কত মার খাবে এমনি করে, সবল নামের অত্যাচারীর হাতে অসহায় দুর্বল?

সংবাদ সূত্র:
ঝিনাইদহে চুরির অপবাদে যুবককে গাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন

নির্যাতনের ইউটিউব ভিডিও লিঙ্ক:
ঝিনাইদহে চুরির অপবাদে যুবককে গাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন

শিরোনামের প্রথমাংশ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'কুলি-মজুর' মজুর কবিতা থেকে নেয়া একটি লাইন। এই জঘন্য ঘটনাটি দেখেই মনে পড়ে যায় বিখ্যাত এই কবিতাটি। আসুন, আরেকবার পড়ে নিই, সমাজের প্রান্তিক পর্যায়ের অতি সাধারন এবং চির অবহেলিত এসব মানুষের অধিকার নিয়ে জাতীয় কবির দ্রোহ মেশানো অনবদ্য কাব্যকথা। প্রতিবাদে সোচ্চার হই সাধারন মানুষের অধিকারকে যারা দু'পায়ে দলে চলেছেন তাদের বিরুদ্ধে-

কুলি-মজুর
কাজী নজরুল ইসলাম

দেখিনু সেদিন রেলে,
কুলি ব’লে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে!
চোখ ফেটে এল জল,
এমনি ক’রে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল?
যে দধীচিদের হাড় দিয়ে ঐ বাষ্প-শকট চলে,
বাবু সা’ব এসে চড়িল তাহাতে, কুলিরা পড়িল তলে।
বেতন দিয়াছ?-চুপ রও যত মিথ্যাবাদীর দল!
কত পাই দিয়ে কুলিদের তুই কত ক্রোর পেলি বল্‌?
রাজপথে তব চলিছে মোটর, সাগরে জাহাজ চলে,
রেলপথে চলে বাষ্প-শকট, দেশ ছেয়ে গেল কলে,
বল ত এসব কাহাদের দান! তোমার অট্টালিকা
কার খুনে রাঙা?-ঠুলি খুলে দেখ, প্রতি হঁটে আছে লিখা।
তুমি জান না ক’, কিন- পথের প্রতি ধূলিকণা জানে,
ঐ পথ, ঐ জাহাজ, শকট, অট্টালিকার মানে!
আসিতেছে শুভদিন,
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ!
হাতুড়ি শাবল গাঁইতি চালায়ে ভাঙিল যারা পাহাড়,
পাহাড়-কাটা সে পথের দু’পাশে পড়িয়া যাদের হাড়,
তোমারে সেবিতে হইল যাহারা মজুর, মুটে ও কুলি,
তোমারে বহিতে যারা পবিত্র অঙ্গে লাগাল ধূলি;
তারাই মানুষ, তারাই দেবতা, গাহি তাহাদেরি গান,
তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান!
তুমি শুয়ে র’বে তেতালার পরে আমরা রহিব নীচে,
অথচ তোমারে দেবতা বলিব, সে ভরসা আজ মিছে!
সিক্ত যাদের সারা দেহ-মন মাটির মমতা-রসে
এই ধরণীর তরণীর হাল রবে তাহাদেরি বশে!
তারি পদরজ অঞ্জলি করি’ মাথায় লইব তুলি’,
সকলের সাথে পথে চলি’ যার পায়ে লাগিয়াছে ধূলি!
আজ নিখিলের বেদনা -আর্ত পীড়িতের মাখি’ খুন,
লালে লাল হ’য়ে উদিছে নবীন প্রভাতের নবারুণ!
আজ হৃদয়ের জমা-ধরা যত কবাট ভাঙিয়া দাও,
রং-করা ঐ চামড়ার যত আবরণ খুলে নাও!
আকাশের আজ যত বায়ু আছে হইয়া জমাট নীল,
মাতামাতি ক’রে ঢুকুক্‌ এ বুকে, খুলে দাও যত খিল!
সকল আকাশ ভাঙিয়া পড়-ক আমাদের এই ঘরে,
মোদের মাথায় চন্দ্র সূর্য তারারা পড়-ক ঝ’রে।
সকল কালের সকল দেশের সকল মানুষ আসি’
এক মোহনায় দাঁড়াইয়া শোনো এক মিলনের বাঁশী।
একজনে দিলে ব্যথা-
সমান হইয়া বাজে সে বেদনা সকলের বুকে হেথা।
একের অসম্মান
নিখিল মানব-জাতির লজ্জা-সকলের অপমান!
মহা-মানবের মহা-বেদনার আজি মহা-উত্থান,
উর্ধ্বে হাসিছে ভগবান, নীচে কাঁপিতেছে শয়তান!

সর্বশেষ আপডেট ০৬ জানুয়ারি, সকাল ১১:৫০: ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীর বরাত দিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন রিপোর্ট করেছে, 'হরিণাকুন্ডুর শ্রীপুর গ্রামে টিভি চুরির অপবাদ দিয়ে রানা নামে এক যুবককে নির্যাতনের ঘটনায় তার বাবা মামলা করেন। ওই মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা শাহীনুর রহমান তুহিন ও বাবুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।'

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন নিউজ লিঙ্ক:
যুবককে গাছে ঝুলিয়ে নির্যাতন, আওয়ামী লীগ নেতাসহ দুজন গ্রেফতার

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঝিনাইদহ ও চাপাই নবাবগন্জের সব লোকই সন্ত্রাসী; এই এলাকাগুলোকে মিলিটারীর অধীনে রাখার দরকার কয়েক বছর, এগুলো অমানুষ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৩৮

নতুন নকিব বলেছেন:



চাঁপাইয়ের এক বক্তাকে দেখেছি, তিনি প্রচন্ড ক্ষ্যাপা টাইপের। কথা বলেন মানুষকে খোঁচা দিয়ে। চাপিয়ে চাপিয়ে। চিবিয়ে চিবিয়ে। কথায় প্রচুর ঘোরপ্যাচ। তার বক্তব্যের ধরন, 'এই যুবক তোমাকে বলছি, ছোনো, (শোনো) তোমার মা তোমার বোনকে কলেজে পাঠিয়েছে! পড়া ছোনা (পড়াশোনা) করতে! তোমার মা বুঝি আবার তাহাজ্জুদ পড়েন! তাহাজ্জুদ পড়ে তিনি না কি জান্নাত কিনে নিয়েছেন! এই ব্যাটা, ছোনো, (শোনো) জান্নাত এত সোজা নয়! মেয়েকে কলেজে পাঠিয়ে জান্নাত কেনা যায় না!'

তবে বাকি লোকেরা কেমন জানা নেই। তবে আমার মনে হয় না, কোনো এলাকার সকল লোক ভালো কিংবা খারাপ হতে পারে। ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতায় যতটুকু দেখেছি, প্রত্যেক স্থানেই ভালো মন্দ দুই ধরনের মানুষ থাকেন। ভালো মন্দ মিলিয়েই সমাজ।

ভালো থাকুন চাঁদগাজী ভাই।

২| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৫২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমাদের জাতীগত কিছু স্বভাব আছে যেগুলো সভ্য জগতে অত্যন্ত বিরল। মাঝে মাঝে মনে হয় কেয়ামত আসাটা অত্যন্ত জরুরী হয়ে গেছে। মানুষ নামের কিছু নোংরা দানবে গিজগিজ করছে এই পৃথিবী। জঘন্য পশু থেকেও বর্বর মানব জাতি, আর তাদের তালিকায় বাঙালীদের নাম তলানির দিকে থাকবে তাতে আমার কোন সন্দেহ নেই। X((

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

নতুন নকিব বলেছেন:



খারাপ বলেননি।

অবস্থাদৃষ্টে আমারও এমন মনে হয় মাঝে মাঝে। এই অত্যাচার অবিচারের শেষ কোথায়? এই নির্মমতার সমাপ্তি কোথায়? এই জঘন্যতার ইতি কোথায়?

আহ! এই পাষন্ড লোকটির যদি দৃষ্টান্তমূলক এবং উপযুক্ত শাস্তি হত? একইভাবে তাকেও যদি প্রকাশ্যে জনসম্মুখে উল্টো করে টাঙিয়ে পেটানো হত?

মন্তব্য ভালো লাগলো। কৃতজ্ঞতাসহ অনেক অনেক শুভকামনা।

৩| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আমার খুব ইচ্ছে করছে দেশে এসে ঐ বুড়া ব্যাটাকে পুরো টিভির দামটা শোধ করে, ওকে ঐভাবে ঝুলিয়ে পেটাই। তাতে হয়তো আমার মনের ক্ষোভটা কিছুটা হলেও কমতো।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০৫

নতুন নকিব বলেছেন:



দারুন বলেছেন। ধন্যবাদ।

৪| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এভাবেই এরা দেশকে ধ্বংস করবে আওয়ামী ছত্রছায়ায়!!

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

নতুন নকিব বলেছেন:



এইসব অমানুষ পাষন্ডদের কোনো দল থাকা উচিত নয়। কিন্তু দুর্ভাগ্য, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করেই এরা দেশজুড়ে নৈরাজ্য করে যাচ্ছে।

এরা স্বভাবে নিকৃষ্টতর!
আচরনে হিংস্র পশুকেও হার মানায়!
শুধু আকার আকৃতিতে মানুষের মত!

মন্তব্যে আসায় কৃতজ্ঞতা।

৫| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০০

বাংলার মেলা বলেছেন: চুরি করলে তো মার খেতেই হবে।
ঋণ খেলাপী করে করে ব্যাঙ্কগুলো ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে - জনগণ কিছুই করতে পারছেনা।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরি হয়ে যাচ্ছে - কাউকে ধরা যাচ্ছেনা।
কয়লা খনি থেকে কয়লা চুরি হয়ে যাচ্ছে - কাউকে হাতের কাছে পাওয়া যাচ্ছেনা।
ব্যাংকের সংরক্ষিত সোনা তামা হয়ে যাচ্ছে - চোর ধরা যাচ্ছেনা।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে চোর ধরা পড়লেও তাদেরকে উপযুক্ত শাস্তি দেয়া যাচ্ছেনা প্রভাব প্রতিপত্তির কারণে। তাই গ্রামবাসী চোর ধরে দেখিয়ে দিল চোরের সাথে কি করতে হয়। জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এটি।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



ভালো বলেছেন।

কিন্তু, চুরি করলে চোরকে শাস্তি দেয়ার দায়িত্ব কোনো অবস্থাতেই জনগনের হাতে তুলে নেয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়। শুধু চুরি নয়, সব ধরনের অপরাধেরই বিচার প্রত্যাশিত। কিন্তু সেটা হওয়া উচিত আইনানুগ, যথাযথ প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় নিযুক্ত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে।

অবশ্য এটা ঠিক, বিচারহীনতা কিংবা ন্যায় বিচার পেতে দীর্ঘসূত্রিতা, অথবা, বিচারের নামে প্রহসনসহ নানাবিধ ঝঞ্জাট আদালতের প্রতি আস্থা নড়বড়ে করার অন্যতম কারন হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের দেশ আস্তে আস্তে কি সেদিকেই ধাবমান?

আলোচ্য ঘটনায় ছেলেটিকে সন্দেহজনকভাবে চোর সাব্যস্ত করে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। সে চুরি করেছে, এমনটা প্রমানিতও নয়। এমনকি পুলিশ তাকে নিয়ে উক্ত টিভি উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। তাহলে অবস্থা কি দাঁড়ালো?

ভালো থাকুন অনেক অনেক।

৬| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২৩

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



বাংলাদেশে তো জোর যার ক্ষমতা তার । এর চেয়ে বেশি কি আশা করতে পারবেন ।

বড় জোর নিজের ঘরে বসে দুটো ডাল ভাত খেয়ে ঘুম দিন । অভ্যাস হয়ে যাবে ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২৬

নতুন নকিব বলেছেন:



অবস্থা বেগতিক,
আপনার ভাবনাই সঠিক।

তবে ঘুমিয়ে যাওয়ার আগে,
পরিস্থিতি আনা হোক বাগে।

শব্দ পরিচয়: বাগে মানে- আয়ত্বে।

ধন্যবাদ।

৭| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: এগুলো আগেও হয়েছে, এখনও হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। রাস্ট্রের এতে কিছু যায় আসে না।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

নতুন নকিব বলেছেন:



মন্তব্যে আসায় ধন্যবাদ আপনাকে।

কিন্তু এসবের অপনোদন জরুরী। কোনো একটি দেশ, জাতি কিংবা জনগোষ্ঠীর এগিয়ে চলার পথে নি:সন্দেহে এগুলো প্রতিবন্ধক। মানবাধিকার যেখানে পদদলিত, সেখানে কি থাকতে পারে? তাকে কেউ স্বর্গ ভেবে নিলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই, কিন্তু প্রকৃত অর্থে তা নরকেরই তুল্য। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি এই দেশকে আমরা সেই নরক হতে দেব না, ঢাবিয়ান ভাই। আল্লাহ পাক আমাদের সহায় হোন।

৮| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:০৫

হাবিব স্যার বলেছেন:





লঘু অপরাধে গুরু শাস্তি......
এমনটি হওয়া কখনোই কাম্য নয়.......
সবাই পারে শুধু দূর্বলের উপর.......

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



অপরাধের প্রমান পাওয়া গেছে বলেও তো শোনা যায়নি। আর অপরাধ যদি ছেলেটি সত্যিই করেও থাকে তার বিচার এইসব অমানুষদের এরকম নির্মমভাবে করার অধিকার কি রাষ্ট্র তাদের দিয়েছে? তাহলে আইন আদালত কেন?

চুরির শাস্তি কি উল্টো করে টাঙিয়ে বেধরক পেটানো?

ঠিক বলেছেন।
লঘু অপরাধে গুরু শাস্তি......
এমনটি হওয়া কখনোই কাম্য নয়.......
সবাই পারে শুধু দূর্বলের উপর.......


আমাদের সমাজে এমনটাই হরহামেশা দেখা যায়। এই অপসংস্কৃতির অবসান হোক।
ধন্যবাদ, মন্তব্যে আসায়। ভালো থাকুন।

৯| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এক রানা নির্যাতিত হাজার রানার প্রতিচ্ছবি।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৩

নতুন নকিব বলেছেন:



সেটাই।

নির্যাতিতদের দু'একজনের খবরই শুধু আমাদের গোচরিভূত হয়। বাকি হাজারো ঘটনা থেকে যায় দৃষ্টির অন্তরালে।

ধন্যবাদ। শুভকামনা, লিটন ভাই।

১০| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫২

অগ্নি সারথি বলেছেন: পুকুর চোরদের এই হারামজাদারা বাপ ডাকে আর কারো উপর ছিঁচকা চুরির সন্দেহেও একেকটা মূর্তিমান আতংক বনে যায়! তোরা সব জাহান্নামী হ!

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

নতুন নকিব বলেছেন:



চোরদের বড় বড় রথি মহারথিগন বরাবরই থেকে যান ধরা ছোঁয়ার বাইরে। নির্মম নির্যাতনের শিকার হন শুধু সমাজের পিছিয়ে পড়া এই অবহেলিত গোষ্ঠী। মামু খালুর যাদের জোর নেই। অবৈধ অর্থের বেশাতি করে যারা গড়ে তুলতে পারেনি গাড়ি, বাড়ি আর অট্টালিকা। তাদের ওপরই হামলে পড়ে অথর্বরা। তাদের বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল স্রষ্টা প্রদত্ত শরীরটাকেই এদের টার্গেট। এরা নির্যাতন করে করে পঙ্গুর পর্যায়ে নামিয়ে দেয় কচিকাঁচা তাজা এইসব প্রান। কাউকে কাউকে এদের হাতে বিসর্জন দিয়ে দিতে হয় শেষ পর্যন্ত জীবনটাও। এখানটাতেই বড় দু:খ।

পৃথিবীর সকল কালের সকল পুঞ্জিভূত ক্ষোভ যেন পাহাড়সম বিভীষিকা হয়ে সমাজের কিছু উচ্ছিষ্ট আবর্জনা আর নষ্ট লোকের কল্যানে ঝড়ে ঝড়ে পড়ে অভাবী, অসহায় নিতান্ত হা-ভাতে সরল সোজা, বোকা সোকা এইসব মানুষদেরই কপালে। মোবাইল চুরি, লাইট চুরির মত একটু আধটু অপরাধের দায় চাপিয়ে এ যাবত কত কত তাজা প্রান যে কেড়ে নেয়া হয়েছে, ভাবতেও বুকের ভেতরটা শিউরে ওঠে।

হায়! দু:খ, কবে আমরা বেরিয়ে আসতে পারবো এই অপকালচার থেকে।

অনেক শুভকামনা আপনার জন্য, সারথি ভাই।

১১| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: এটা ভীষন অন্যায়।
থানা দিয়ে দিক। নিজে শাস্তি দিচ্ছে কেন?

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

নতুন নকিব বলেছেন:



প্রশ্নটা সেখানেই। কেউ একজন অন্যায় করলেই তাকে নির্যাতন করতে হবে? আইন আদালত তাহলে কার জন্য?

আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া কোনো অবস্থাতেই কাম্য নয়।

ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.