নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

কুসংস্কাররোধে উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর ঐতিহাসিক চিঠি ; সেদিন থেকে অদ্যাবধি আর শুষ্ক হয়নি নীলনদ

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২৫



কুসংস্কাররোধে উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর ঐতিহাসিক চিঠি ; সেদিন থেকে অদ্যাবধি আর শুষ্ক হয়নি নীলনদ

হযরত উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর সময়কার ঘটনা। তিনি ছিলেন রাসূলে আরাবি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একনিষ্ঠ প্রধান সাহাবিদের অন্যতম এবং ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা। প্রথম খলিফা আবু বকরের রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর ইনতিকালের পরে তিনি দ্বিতীয় খলিফা হিসেবে দায়িত্ব নেন। উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহু ইসলামি আইনে অভিজ্ঞ একজন আইনজ্ঞ ছিলেন। ন্যায়ের পক্ষাবলম্বন করার কারণে তাকে আল ফারুক (সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী) উপাধি দেয়া হয়। আমীরুল মুমিনীন উপাধিটি সর্বপ্রথম তার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। ইতিহাসে তাকেই প্রথম উমর হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০ হিজরি সনে দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর শাসনামলে বিখ্যাত সাহাবি আমর ইবনুল ‘আছ রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর নেতৃত্বে সর্বপ্রথম মিশর বিজিত হয়। মিশরে তখন প্রবল খরা। নীলনদ পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। সেনাপতি আমরের নিকট সেখানকার অধিবাসীরা অভিযোগ তুললেন, হে আমীর! নীলনদ তো একটি নির্দিষ্ট নিয়ম পালন ছাড়া প্রবাহিত হয় না।

তিনি বললেন, সেটা কি?

তারা বলল, এ মাসের ১৮ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আমরা কোনো এক সুন্দরী যুবতীকে নির্বাচন করব। অতঃপর তার পিতা-মাতাকে রাজি করিয়ে তাকে সুন্দরতম অলংকারাদি ও উত্তম পোশাক পরিধান করানোর পর নীলনদে নিক্ষেপ করব।

আমর ইবনুল আছ (রা.) তাদেরকে বললেন, ইসলামে এ কাজের কোনো অনুমোদন নেই। কেননা, ইসলাম প্রাচীন সব জাহেলী রীতি-নীতিকে ধ্বংস করে দেয়।

অতঃপর তারা পর পর তিন মাস পানির অপেক্ষায় কাটিয়ে দিল। কিন্তু নীলনদের পানিতে হ্রাস-বৃদ্ধি কিছুই পরিলক্ষিত হ’ল না। অতঃপর সেখানকার অধিবাসীরা দেশত্যাগের কথা চিন্তা করতে লাগলো।

এ দুর্যোগময় অবস্থা দৃষ্টে সেনাপতি আমর ইবনুল আছ রাদিআল্লাহু তাআলা আনহু খলীফা উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহু -এর নিকটে পত্র প্রেরণ করলেন।

উত্তরে ওমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহু লিখলেন, ‘হে আমর! তুমি যা করেছ ঠিকই করেছ। আমি এ পত্রের মাঝে একটি পৃষ্ঠা প্রেরণ করলাম, যা তুমি নীলনদে নিক্ষেপ করবে।’

ওমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর পত্র যখন আমরের নিকটে পৌঁছালো, তখন তিনি পত্রটি খুলে তাতে এ বাক্যগুলো লিখিত দেখলেন, ‘আল্লাহর বান্দা আমীরুল মুমিনীন উমর-এর পক্ষ থেকে মিসরের নীলনদের প্রতি। যদি তুমি নিজে নিজেই প্রবাহিত হয়ে থাক, তবে খলিফা হিসেবে নির্দেশ দিচ্ছি প্রবাহিত হও। আর যদি একক সত্তা, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাকে প্রবাহিত করান, তবে আমরা আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা করছি, যেন তিনি তোমাকে প্রবাহিত করেন।’

অতঃপর আমর (রা.) পত্রটি নীলনদে নিক্ষেপ করলেন। পর দিন শনিবার সকালে মিশরবাসী দেখল, আল্লাহ তা‘আলা এক রাত্রে নীলনদের পানিকে ১৬ গজ উচ্চতায় প্রবাহিত করে দিয়েছেন। তারপর থেকে আজও পর্যন্ত নীলনদ প্রবাহিতই রয়েছে। কখনো শুষ্ক হয়নি।

(তথ্যসূত্র : আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৭/১০০; তারীখু দিমাশক ৪৪/৩৩৭; তাবাকাতুশ শাফিয়া আল-কুবরা ২/৩২৬), আল-আসমাত গ্রন্থে কায়েস ইবনে হাজ্জাজের বরাত দিয়ে আবুশ শাইখ।

ছবিঃ অন্তর্জাল।

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৩২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: তথ্যটা খাঁটি কি না জানি না। তাই এই ব্যাপারে মন্তব্য করবো না। তবে ওমর (রাঃ) কে শয়তান ভয় পেত।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৩

নতুন নকিব বলেছেন:



এটা ইতিহাসের সামান্য একটি ঘটনামাত্র। সাহাবায়ে কেরামের অসংখ্য কারামাতের ঘটনা হাদিসের কিতাবগুলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে যা আপনার অজানা নয়।

কিছু লোক এসব কথা শুনলেই দেখবেন নড়েচড়ে ওঠে। যুক্তি খুঁজতে শুরু করে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই সবকিছুতে যারা যুক্তি খুঁজে বেড়ান, তাদের কাছে তাদের নিজেদের নিয়ে প্রশ্ন করলে অনেক কিছুতে আবার তারাই খেই হারিয়ে ফেলেন। যুক্তি দিতে পারেন না। উত্তর দিতে গিয়ে এলোমেলো বলতে থাকেন। তখন তাদের অসহায়ত্ব উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

কোনো বিষয়ে শিউর না হওয়া পর্যন্ত সে সম্পর্কে কিছু না বলে নিরবতা পালন করা বুদ্ধিমানের কাজ। আপনি সেটাই করেছেন। আর উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুকে শয়তানও ভয় পেত- এটা তো হাদিসেরই কথা।

আপনার কল্যান কামনা করছি।

২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়া ও আবার প্রবাহিত হওয়ার অনেক গুলো নির্দিষ্ট কারন থাকে। এক কুসংস্কার দূর করে আরেক কুসংস্কারের অবতারণা হয়েছে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৩

নতুন নকিব বলেছেন:



ইসলাম আবির্ভাবের পূর্বে নীল নদের পানি যাতে শুকিয়ে না যায় সে জন্য মিশরবাসী কর্তৃক যা করা হতো সেগুলো ছিল অন্ধবিশ্বাস এবং জঘণ্য প্রথা। জ্যান্ত কিশোরী তরুনীকে নদের জন্য বলিদান করা হতো তখন। কিন্তু উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু এই সমস্যা দূর করতে যা করলেন তা কুসংস্কার নয়, এটা বিশ্বাসের ব্যাপার।

এই ক্ষেত্রে বিশ্বাসকে আপনি কুসংস্কার বলছেন। আপনার কাছে যেটা কুসংস্কার সেটাই অন্য কারও কাছে বিশ্বাসের বিষয়। নীল নদকে আল্লাহ তাআ'লার সৃষ্টি তথা মাখলূক মনে করে এবং মাখলূক আল্লাহ তাআ'লার আদেশ নির্দেশ মেনে চলে - এই বিশ্বাস অন্তরে পরিপূর্ণরূপে ছিল বলেই উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু নীল নদকে চিঠি লিখতে পেরেছিলেন। আর নীলও তার কথা মেনে নিয়েছিল। এটা বিশ্বাসের ব্যাপার।

ভালো থাকবেন।

৩| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



বেদুইনদের নিয়ে মিথ্যা রূপকথা

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



বেদুইনদের নিয়ে তবুও (আপনার ভাষায়) কেউ না কেউ অন্ততঃ রূপকথা টুপকথা কিছু একটা রচনা করে! কিন্তু কিছু অথর্ব আর আহাম্মকদের জন্য সেটাও আশা করা যায় না! তারা বরং পৃথিবীতে আসার পরে শুধু খায় আর টয়লেটের বারোটা বাজায়! এই দু'টোই তাদের কাজ!

আপনার অভিমত কি?

তা আপনার চোখের অবস্থা কি? ঝাপসা দেখে উল্টাপাল্টা মন্তব্য করছেন না কি?

এটা রূপকথা কি না, তা ইতিহাস পাঠ করলেই জানতে পারবেন। পোস্টের নিচের দিকে বইয়ের লিঙ্ক দেয়া আছে। অবশ্য, বই পড়ার মত ধৈর্য্য আপনার আছে বলে মনে হয় না। আর এটা কুরআন কিংবা হাদিসের বাণী নয়। ইতিহাসের একটি ঘটনা মাত্র। বিশ্বাস না করলে সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু সাহাবিকে বেদুইন বলার মত ফালতু কাজ আপনাকে দিয়েই মানায়! আপনি ইচ্ছে করলে ভালো কথা বলে এই কমেন্টটি করতে পারতেন। কিন্তু তা আপনার অভ্যাসের পরিপন্থি। আপনি নিজে একজন উগ্রবাদী। আপনার পছন্দও সেটাই। অন্যকে, অন্যের বিশ্বাসকে আঘাত করাই আপনার কাজ এবং হ্যাভিট। যাক, ভালো থাকবেন।

৪| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২৮

মা.হাসান বলেছেন: নীল নদের পানি কেন শুকাতো আবার কেন প্রবাহিত হতো এই নিয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন কথা বলতে পারে, তবে আপনি যে ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন তা একাধিক সূত্র হতে প্রতিষ্ঠিত এবং একথাও প্রতিষ্ঠিত যে গত ১৪০০ বছরে আর কখনো নীলনদে পানি শুকিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বুঝলে বুঝ পাতা না বুঝলে ...

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৭

নতুন নকিব বলেছেন:



প্রিয় মা.হাসান ভাই,
আপনার আগমন এবং আন্তরিক মন্তব্যে ভালো লাগা। ইতিহাসের কতটুকুই বা আমরা জানি! তাই নিয়তই জানার চেষ্টাটা অন্ততঃ থাকা চাই।

নীল নদের পানি কেন শুকাতো আবার কেন প্রবাহিত হতো এই নিয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন কথা বলতে পারে, তবে আপনি যে ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন তা একাধিক সূত্র হতে প্রতিষ্ঠিত এবং একথাও প্রতিষ্ঠিত যে গত ১৪০০ বছরে আর কখনো নীলনদে পানি শুকিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বুঝলে বুঝ পাতা না বুঝলে ...

-সঠিক বলেছেন। সহমত।

ভালো থাকার প্রার্থনা। মন্তব্যে +

৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৭

মা.হাসান বলেছেন: আরেকটি ঘটনা এখানে উল্লেখ করতে চাই হযরত ওমর অসাধারণ সমরবিদ ছিলেন। সুয়েজ খালের ওখানটাতে ওই সময়কার গভর্নর কিছুটা খনন করতে চেয়েছিলেন, হযরত ওমর অনুমতি দেননি এই বলে যে মুসলমানরা নো বিদ্যায় পারদর্শী না।১৮৬৯ সালে চালু হওয়ার পর এই ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বলে প্রমাণিত হয়।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫০

নতুন নকিব বলেছেন:



সুয়েজ খালের ওখানটাতে ওই সময়কার গভর্নর কিছুটা খনন করতে চেয়েছিলেন, হযরত ওমর অনুমতি দেননি এই বলে যে মুসলমানরা নো বিদ্যায় পারদর্শী না।১৮৬৯ সালে চালু হওয়ার পর এই ভবিষ্যদ্বাণী সত্য বলে প্রমাণিত হয়।

-দারুন একটি তথ্য শেআর করার জন্য মোবারকবাদ। উপরোক্ত ঘটনাটি জানা ছিল না। অনেক সূক্ষ্ম বিষয় আপনি তীক্ষ্ণভাবে লক্ষ্য করেন বলে সত্যি ভালো লাগে।

কৃতজ্ঞতা, পুনরায় এসে তথ্যটি জানিয়ে যাওয়ায়।

৬| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


খলীফা ওমর, আলী, মুয়াবিয়া, এঁরা সবাই আরব ও বেদুইন সাম্রাজ্যের রাজা ছিলেন; এদের নিয়ে মিথ্যা রূপকথা শিয়া, সুন্নী, ওয়াহাবী, দ্রুজ, ইয়াজিদী ইত্যাদির সৃষ্টি হয়ে এখন গৃহযুদ্ধ করে আবরেরা মাছির মতো মরছে, ও দুনিয়ার শিয়া মিলিশিয়া, হামাস, হেজবুল্লা তৈরি করে আরব ভুমিকে জংগীস্হানে পরিণত করেছে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০০

নতুন নকিব বলেছেন:



উহারা সবাই আরব ভূমিকে জঙ্গীস্তানে পরিণত করেছেন আর আপনি বুঝি বিশ্বে শান্তির মহান দূত হয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন! আপনি এমনই শান্তির দূত যে, আপনি যার সাথে কথা বলেন তার সাথেই আপনার লেগে যায়! এমনকি গ্রোসারির তরুণী বিক্রেতাদেরও আপনি আপনার সাথে ঝগড়া করতে বাধ্য করেন!!!!

৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



মোল্লা শফির অবস্হা দেখছেন? উনি মানুষকে ভুল বিষয়ে পড়ালেখা করানোতে, মাদ্রাসার এসব গ্রেজুয়েটরা জীবনটাকে সঠিকভাবে বুঝতে পারেনি, সমাজে এদের কোন অবদান নেই।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১১

নতুন নকিব বলেছেন:



তিনি তো আবার আপনার নিকটজন। আপনার এলাকার লোক। মুখে মুখে যতই তার বিরোধিতা দেখান, তলে তলে ঠিকই পিরিত ষোল আনা। নিজ এলাকার লোক বলে কথা! এই মাদরাসার পেছনেও সম্ভবতঃ আপনার অবদান আছে! বিপদের আশঙ্কা দেখলে এখন তো আর কিছুই স্বীকার করবেন না!

৮| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ওমর (রাঃ) এর মতো সাহাবির দোয়া আল্লাহ্‌ কবুল করতেই পারেন। এতে আমি মোটেই বিস্মিত হয় নি। উনি একবার একটা যুদ্ধরত মুসলিম বাহিনীকে বহু দূর দেশ থেকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। আল্লাহ্‌ ওনাকে দেখিয়েছিলেন যুদ্ধের ময়দানের অবস্থা।

ইয়া সারিয়া! আল-জাবাল। ইয়া সারিয়া! আল জাবাল। মসজিদে নববীতে জুমার খুৎবার অবস্থায় খলিফা উমর (রা.) হঠাৎ করে এরূপ অসংলগ্ন বাক্য উচ্চারণ করায় উপস্থিত সবাই অবাক বিস্মিত। খলিফা যথারীতি তাঁর খুৎবা পাঠ করতে থাকেন। ‘ইয়া সারিয়া! আল জাবাল- খুৎবার এ অপ্রাসঙ্গিক অংশটি যুগপৎভাবে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে। অন্যদিকে একই সময় ইরাকের দূরবর্তী স্থানে নেহাবন্দে যেখানে মুসলিম বাহিনীর সেনাপতি সারিয়া অদৃশ্য কণ্ঠে রহস্যময় বাক্যটি নিজ কানে শ্রবণ করেন। দুইটি বাক্য কোথা থেকে কে উচ্চারণ করেছেন, এ কথা ভেবে তিনি রীতিমত হতভম্ব হয়ে পড়েন। খুৎবার মাঝে হঠাৎ খলিফার অদ্ভুত বাক্য উচ্চারণ কেন, কারো সাহস হচ্ছে না খলিফাকে জিজ্ঞাসা করতে। খুৎবা ও নামাজ শেষে মসজিদে উপস্থিত অনেকের মধ্যে বিষয়টি গুঞ্জন করতে থাকে। হযরত ওমর (রা.) এর সাথে অন্তরঙ্গ ছিল হযরত আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা.) এর সাথে। খোলামেলা আলোচনা করতেন তিনি খলিফার সাথে। তিনি অসংকোচে খলিফাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আজ আপনি খুৎবার মধ্যে অসংলগ্নভাবে ইয়া সারিয়া! আল জাবাল (দুই কিংবা তিনবার) উচ্চারণ করলেন- কেন? জবাবে খলিফা একটি সৈন্য বাহিনীর কথা উল্লেখ করলেন। যারা নেহাবন্দে জিহাদে লিপ্ত, এ বাহিনীর সেনাপতি সারিয়া। তিনি বলেন, আমি দেখেছি সারিয়া একটি পর্বতের পাশে লড়ছেন। অথচ, তিনি জানেন না যে, সম্মুখ এবং পেছন থেকে অগ্রসর হয়ে শত্রু বাহিনী তাকে ঘিরে ফেলার উপক্রম করেছে। এ শোচনীয় অবস্থা দেখে আমি বিচলিত হয়ে পড়ি, আমি স্থির থাকতে না পেরে আওয়াজ দিতে থাকি হে সারিয়া পর্বতের সাথে মিলে যাও। হে সারিয়া পর্বতের সাথে মিলে যাও। নেহাবন্দের রণক্ষেত্র থেকে বেশ কিছুদিন পর কাসেদ মদীনায় আগমন করেন এবং যুদ্ধের বিবরণ দিতে থাকেন এবং পূর্ণ ঘটনা ব্যক্ত করেন। কাসেদ জানান, আমরা যখন যুদ্ধে লিপ্ত তখন হঠাৎ একটি অদৃশ্য কণ্ঠ শোনা গেল, ইয়া সারিয়া! আল জাবাল। আওয়াজটি শ্রবণ করা মাত্র আমরা পর্বতের সাথে মিলে যাই এবং আমাদের বিজয় সূচিত হয়। ইমাম জালাল উদ্দীন সুয়ূতী (রা.) তাঁর বিখ্যাত ‘তারিখুল খোলাফা’ গ্রন্থে ঘটনাটি বিভিন্নভাবে বর্ণনা করেছেন।

হজরত ওমর ( রাঃ) এর কথার সমর্থনে কোরআনের আয়াতও নাজিল হয়েছে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৫

নতুন নকিব বলেছেন:



আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুমা থেকে বায়হাকী, দালাইলুন নবুওয়্যত গ্রন্থে আবু নাঈম, শরন্থস সুন্নাহ গ্রন্থে লাকায়ী, ফাওয়ায়েদ গ্রন্থে দারী, কারামতে আউলিয়া গ্রন্থে ইবনে আরাবী এবং রাওয়াতু মালিক গ্রন্থে খাতীব আপনার উল্লেখিত এই ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন।

ধন্যবাদ, ঘটনাটি শেআর করার জন্য।

উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুর আরও কিছু কারামতের ঘটনা-

এক. ইবনে উমর থেকে ফাওয়ায়েদ গ্রন্থে আবুল কাসিম বিন বুশরান বর্ণনা করেছেনঃ উমর এক ব্যক্তিকে নাম জিজ্ঞেস করলে সে বললো,“জামরাহ (স্ফুলিঙ্গ)।

”তিনি জিজ্ঞেস করলেন,“বাবার নাম ?”

সে বললো, “শিহাব (অগ্নিশিখা)।”

তিনি প্রশ্ন করলেন,“গোত্রের নাম ?”

সে বললো,“হরকা (আগুন)।”

তিনি জানোতে চাইলেন,“কোথায় থাকো ?”

সে বললো,“হিররাহ (উত্তপ্ত পাথুরে যমীন)।”

তিনি বললেন,“হিররাহ কোথায় ?”

সে জবাব দিলো,“নাতী (লেলিহান অগ্নিশিখা)।”

তিনি বললেন,“পরিবারের খোঁজ নাও, তারা পুড়ে মরেছে।”

সে লোক গিয়ে দেখলো সত্যিই তাই। আগুন লেগে সব পুড়ে গেছে।

(ঘটনাটি) মালিক প্রমুখ এভাবে বর্ণনা করেছেন।

দুই. তারেক বিন শিহাব থেকে ইবনে আসাকির বর্ণনা করেছেনঃ এক ব্যক্তি উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুকে সত্য মিথ্যার মিশ্রণে কিছু কথা বলছিলেন। উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু কখনো তাকে থামতে বলেন, আবার কখনো বলতে বলেন। এভাবেই লোকটি কথা বলে চলছিল। অবশেষে তার কথা শেষে সে বললো, “আমি আপনাকে যা বলেছি তা সত্য। তবে যেসব কথার প্রেক্ষিতে আপনি আমাকে থামতে বলেছিলেন, তা ছিল মিথ্যা।”

হাসান বলেছেন, “কথার মধ্যে মিশ্রিত মিথ্যা অংশটুকু উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু চিহ্নিত করতে পারতেন।”

তিন. আবু হুদাবা হামসী থেকে দালায়েল গ্রন্থে বায়হাকী বর্ণনা করেছেনঃ ইরাকবাসী তাদের গর্ভনরকে পাথর মেরেছে, এই সংবাদ পেয়ে উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু ক্রোধান্বিত হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন। সেদিন তার নামায ভুল হওয়ায় নামায পড়ে এ দুআ করলেন – “হে আল্লাহ, তারা নামায গড়মিল করেছে, তাদের প্রতিটি কাজ গড়মিল করে দিন। তাদের প্রতি বনু সাকীফ গোত্রের এক ছোকড়াকে চাপিয়ে দিন, যে জাহেলিয়াতের যুগের অত্যাচারের মত তাদেরকে শাসন করবে এবং সে তাদের ভালো কাজ গ্রহণ করবে না আর খারাপ কাজের শাস্তি ক্ষমা করবে না।”

গ্রন্থকার বলেছেন, “ছোকড়া বলতে তিনি হাজ্জাজ বিন ইউসুফ সাকাফীকে বুঝিয়েছেন।”

ইবনে লাহীআ বলেন, “সে ছোকড়ার তখন জন্মই হয়নি।”

৯| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি বলেছেন, "তিনি তো আবার আপনার নিকটজন। "

-মোল্লা শফি আমার আপন জন হতে পারে না, আমার শিক্ষক ড: হুমায়ুন আজাদ ও ড: শীদুল্লাহ সাহেব; এখন আপনার আপন জনেরা হাট হাজারী মাদ্রাসা দখল করছে, রগকাটার যন্ত্র বানাবে ওখানে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৯

নতুন নকিব বলেছেন:



ড: শীদুল্লাহ সাহেব আপনার শিক্ষক! তিনি তো এক আল্লাহতে গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। আপনি তার সত্যিকারের সাগরেদ হয়ে থাকলে আপনারও এমন হওয়ার কথা!

আপনাদের দান-অনুদানেই তো হাটহাজারির আজকের রমরমা অবস্থা। মোল্লাদের ছেড়ে আপনারা চলতে পারেন? এখন অস্বীকার করছেন কেন? গা বাঁচাতে চান?

১০| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: আমি আধুনিক মানুষ।
কোনো প্রকার রুপ কথা আমি বিশ্বাস করি না। হ্যা বিজ্ঞানের কথা বিশ্বাস করি।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৩০

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার চিন্তাধারা ভালো। আধুনিক বিজ্ঞান মানব জীবনের জন্য নিঃসন্দেহে আশির্বাদ। আমরাও তাই বিজ্ঞানকে সাথে নিয়েই চলতে চাই। কিন্তু বিজ্ঞানকে একমাত্র থিওরি ভাবতে চাই না। বিজ্ঞানের সবকিছু যেমন প্রমানিত নয় ঠিক তেমনি বিজ্ঞান কখনো কখনো ভুল উত্তরও দেয়। আবার এমনও হয় যে, বিজ্ঞান অনেক কিছুর উত্তর দিতেই পারে না। তখন কোথায় যাবেন?

১১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি বলেছেন, "ড: শীদুল্লাহ সাহেব আপনার শিক্ষক! তিনি তো এক আল্লাহতে গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন। আপনি তার সত্যিকারের সাগরেদ হয়ে থাকলে আপনারও এমন হওয়ার কথা! "

-ড: শহীদুল্লাহ সাহেব বাংগালী ছিলেন, তিনি বেদুইনদের রূপকথা নিয়ে লিখতেন না।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৩৭

নতুন নকিব বলেছেন:



ড: শহীদুল্লাহ সাহেব বাংগালী ছিলেন, তিনি বেদুইনদের রূপকথা নিয়ে লিখতেন না।

-তিনি লিখতেন না তো আপনি লিখতেন? তিনি পড়তেন না তো আপনি পড়তেন? তিনি কুরআন পড়তেন। কুরআন গবেষনা করতেন। আপনি কি করেন? আপনি তো কুরআনের নামটা পর্যন্তু শুনতে চান না! কুরআনের কথা শুনলে আপনার গায়ে জ্বালা ধরে যায়। এর কারণ কি? কেমন যে শিষ্য হলেন! আপনার দাবি কি আসলেই সত্য?

হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন- সবকিছু নষ্টদের দখলে যাবে। সেই দিন কি এসেই গেল!

১২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংগালীদের মাঝে কিছু ইয়েমেনী আছেন, এদের ভাবনাচিন্তা রূপকথার মাঝেই সীমিত।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৪০

নতুন নকিব বলেছেন:



ইয়েমেনীরা লোক ভালো। আপনার মত ওরা বেদুইন না। আপনি তো পেটের ধান্ধায় বেদুইন জীবন বেছে নিয়ে গাও গ্রাম ছেড়ে সুদূরে পড়ে আছেন। আসল বেদুইন যে কে, সেটাই প্রশ্ন। বেদুইনের সকল লক্ষণ আপনার জীবনের সাথে মিলিয়ে দেখলে কিছুটা টের পাবেন।

১৩| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


খলীফা ওমর পত্রে যা লিখেছিলেন নীল নদীকে, তা আপনি লিখে পদ্মায় ফেলে দিয়েন শীতকালে, দেখবেন পদ্মা পানিতে ভরে গেছে, ইলিশ মাছ লাফ দিয়ে আপনার ভাতের থালিতে উঠে আসবে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:০৯

নতুন নকিব বলেছেন:



পদ্মায় ফেললেও কাজ হতেও পারে। তবে পদ্মায় ফেলার সম্ভবতঃ দরকার হবে না। এমনিতেই পদ্মার ভাঙ্গনে দুই পাড়ের মানুষ বাড়িঘর হারাচ্ছেন। পদ্মায় চিঠি দিলে অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

আর ইলিশ মাছের কথা বলে লাভ কি? টনকে টন ইলিশ আমরা উপহার দিই, আর বিনিময়ে তারা লোড গাড়িশুদ্ধ পিয়াজ আটকে দেয়! পিয়াজ এখন কত খোঁজ রাখেন? রেখেই আর লাভ কি? বেদুইন জীবনে দূর প্রবাসে বিলাসী জীবনে থেকে দেশের জন্য অহেতুক মেকি মায়াকান্নার কোনো মানে নেই।

কিছু মনে করবেন না, একটু অন্য একটা ব্যাপারে কথা বলি, আপনার গলায় এখন কয়টা তাবিজ আছে? আপনি তাবিজ কবজ কি কালো রঙয়ের কাইতন দিয়ে বাঁধেন? না কি এই কাজে নাইলনের সুতা ব্যবহার করেন?

১৪| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯

পগলা জগাই বলেছেন: হে, এই কাহিনীটি শুনেছি অনেকবার।
চাঁদগাজী স্যার আর আপনার উত্তর-প্রতিউত্তর উপভগ্য হচ্ছিলো। মাঝখানে বেলাইন হয়ে পরেছিলো, এখন আবার লাইনে আসছে। চলুক

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



তিনি যেমন উল্টোপাল্টা কথা বলতেই থাকেন; তার মন্তব্যের উত্তরেও তার ছিটেফোটা না থাকলে হয় না। সেজন্যই মূলতঃ একটু আধটু ঢিল ছুঁড়তে হয়। আসলে তিনি লোক ভালো। একটু মাথা গরম হয় মাঝে মাঝে - এইটুকু যা।

১৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪১

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আমাদের চার খলিফার দুই খলিফা নবীজির মুরব্বি(শশুর)আর দুই খলিফা জামাই।পরে আর জামাই শশুর পাওয়া গেল না বলে তাদের আমরা খলিফা বলে মানি না।
তাদের খিলাফত নিয়ে আমরা অহংকার করি কিন্তু খলিফা হিসাবে মানি না।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:১৩

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ, মন্তব্যে আসায়।

১৬| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪৯

নতুন বলেছেন: =p~

সত্যিই বিশ্বাস করেন যে উমর রা: এর চিঠির কারনেই নীল নদ এখনো শুকিয়ে যায়নাই :|

এইটা কে যদি কুসংস্কার না বলে তবে কুসংস্কার কাকে বলে?

নীল নদ সম্পকে ধারনা নাই বলেই এমন কুসংস্কারের বিশ্বাস করছেন মুরুব্বি।

The Nile River, considered the longest river in the world, is approximately 4,258 miles (6,853 kilometers) long, but its exact length is a matter of debate. Flowing northward through the tropical climate of eastern Africa and into the Mediterranean Sea, the river passes through 11 countries: Tanzania, Uganda, Rwanda, Burundi, the Democratic Republic of the Congo, Kenya, Ethiopia, Eritrea, South Sudan, Sudan and Egypt.

এই নীল নদ ৬৮৫৩ কিমি লম্বা আর ১১ দেশের ভেতর দিয়ে গেছে। নীল নদের পানি মিশর থেকে আসে না বরং মিশরের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সাগরে যায়।

তাই এক টুকুরা কাগজ নীল নদে তাও আবার শুরু থেকে ৬৭০০ কিমি: পরে ফেলে দেওয়াতেই ৬৭০০ কিমি: উপ থেকে পানি আশা শুরু হইছে আর কখনোই বন্ধ হয় নাই। আর এই ৬৭০০ কিমি: এমন সমস্যা হয়নাই যাতে মিশরের পানি প্রবাহে সমস্যা হইতে পারে।

এই রকম বিশ্বাস করা যদি অন্ধ বিশ্বার আর কুসংস্কার না হয়ে থেকে তবে কুসংস্কার আর অন্ধবিশ্বাসের সঙ্গা পালটাইতে হবে । /:)

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



অবিশ্বাস করার কি আছে রে ভাই! আপনি তো মনে হয়, এ ঘটনায় গাছ থেকে পড়েছেন! অবশ্য গাছ থেকে পড়ার কথাও আপনার! আসলে সমস্যাটা অন্য জায়গায়। সমস্যাটা বিশ্বাস এবং দৃষ্টিভঙ্গির। যারা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্বাসকে সংকুচিত করেছে, যারা নিজেদের অভাবিত শক্তিকে শৃঙ্খলিত করে সীমিত করেছে - তারা এমন অনেক কিছুতেই এই ধরণের সংকীর্ণতা অনুভব করবে।

এই রকম বিশ্বাস করা যদি অন্ধ বিশ্বার আর কুসংস্কার না হয়ে থেকে তবে কুসংস্কার আর অন্ধবিশ্বাসের সঙ্গা পালটাইতে হবে । /:)

-এগুলো অন্ধবিশ্বার বা কুসংস্কার নয়। কারামত বা অলৌকিক ঘটনা। অলী আউলিয়াদের কারামত সত্য। অলী আউলিয়াদের কারামতকে সত্য বলে বিশ্বাস করাও ঈমানের অংশ। এ ধরণের ঘটনা একটি দু'টি নয়। আমাদের জানামতে, প্রত্যেক জামানায় অসংখ্য রয়েছে। আপনি জানতে চাইলে সময় করে জানানোর চেষ্টা করা যাবে।

১৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: যুগ যুগ ধরে কুসংস্কার ছিল এবং থাকবে তবে মানুষ আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হলে এইসব বন্ধ হয়ে যাবে ।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২২

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ।

১৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার চিন্তাধারা ভালো। আধুনিক বিজ্ঞান মানব জীবনের জন্য নিঃসন্দেহে আশির্বাদ। আমরাও তাই বিজ্ঞানকে সাথে নিয়েই চলতে চাই। কিন্তু বিজ্ঞানকে একমাত্র থিওরি ভাবতে চাই না। বিজ্ঞানের সবকিছু যেমন প্রমানিত নয় ঠিক তেমনি বিজ্ঞান কখনো কখনো ভুল উত্তরও দেয়। আবার এমনও হয় যে, বিজ্ঞান অনেক কিছুর উত্তর দিতেই পারে না। তখন কোথায় যাবেন?

ইন্টারনেট, চিকিৎসা, উড়োজাহাজ, রকেট, মোবাইল- বিজ্ঞান অনেক করেছে মানুষের জন্য। এগুলো রুপকথা নয়। বাস্তব।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:১০

নতুন নকিব বলেছেন:



ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।

১৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: এটা সত্য ঘটনা। জানি। আর তাইতো নীল নদ অদ্যাবধি বয়ে চলেছে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:১০

নতুন নকিব বলেছেন:



মোবারকবাদ। শুকরিয়া। +

২০| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৫

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: অবিশ্বাস করার কি আছে রে ভাই! আপনি তো মনে হয়, এ ঘটনায় গাছ থেকে পড়েছেন! অবশ্য গাছ থেকে পড়ার কথাও আপনার! আসলে সমস্যাটা অন্য জায়গায়। সমস্যাটা বিশ্বাস এবং দৃষ্টিভঙ্গির। যারা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্বাসকে সংকুচিত করেছে, যারা নিজেদের অভাবিত শক্তিকে শৃঙ্খলিত করে সীমিত করেছে - তারা এমন অনেক কিছুতেই এই ধরণের সংকীর্ণতা অনুভব করবে। এই রকম বিশ্বাস করা যদি অন্ধ বিশ্বার আর কুসংস্কার না হয়ে থেকে তবে কুসংস্কার আর অন্ধবিশ্বাসের সঙ্গা পালটাইতে হবে । /:) -এগুলো অন্ধবিশ্বার বা কুসংস্কার নয়। কারামত বা অলৌকিক ঘটনা। অলী আউলিয়াদের কারামত সত্য। অলী আউলিয়াদের কারামতকে সত্য বলে বিশ্বাস করাও ঈমানের অংশ। এ ধরণের ঘটনা একটি দু'টি নয়। আমাদের জানামতে, প্রত্যেক জামানায় অসংখ্য রয়েছে। আপনি জানতে চাইলে সময় করে জানানোর চেষ্টা করা যাবে।

এইখানে একটা ছোট কাহিনি আছে।

ওমর রা: নিদেশ` দিয়েছেন দুইটা ।

‘আল্লাহর বান্দা আমীরুল মুমিনীন উমর-এর পক্ষ থেকে মিসরের নীলনদের প্রতি। যদি তুমি নিজে নিজেই প্রবাহিত হয়ে থাক, তবে খলিফা হিসেবে নির্দেশ দিচ্ছি প্রবাহিত হও। আর যদি একক সত্তা, মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাকে প্রবাহিত করান, তবে আমরা আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা করছি, যেন তিনি তোমাকে প্রবাহিত করেন।’

যদি নীল নিজেই প্রবাহিত হয় তবে যেন খলিফার নির্দেশ মেনে নেয়।
যদি আল্লাহ প্রবাহিত করান তবে তিনি যেন করান।

এখন যখন চালু হয়েছে তখন দুইটার একটা মেনেই হয়েছে বলে দাবি করলেই চবে।
যদি প্রবাহিত না হয় তবে সেটা সৃস্টিকতার নিদেশেই হয়েছে বলে দাবি করলেই চলবে।

তাই যদি আপনি ও পদ্মা নদীতে এমন চিঠি লিখে দেন তবে ১০০ বছর পরে আমরা বলতে পারবো এটা নতুন নকিবের কেরামতি ছিলো।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:০৭

নতুন নকিব বলেছেন:



নতুন ভাই,
তওবা তওবা! এইডা কি কইলেন! আপনার মাথা খ্রাপ! পদ্মা নদীর উপ্রে চিঠি ফালাইয়া পদ্মার দুই পাড়ের অভাগা চরাঞ্চলবাসী দরিদ্র মানুষজনের দুর্দশা আরো বাড়াইয়া দিবার কন! ক্ষমা করবেন ভাই! এই কাম আমারে দিয়া হইবে না। এইটা তার চাইতে কষ্ট কইরা চাঁদগাজী ভাইরে কইয়া দেখেন। হ্যায় ফুঁ টু দিয়া দিব, আশা করি।

আর না হইলে আপনি নিজেই দিয়া দেন না বিসমিল্লাহ কইয়া! কাজ হইয়া যাইবো ইনশাআল্লাহ!

ভালো থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.