![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
ফ্যাসিবাদের কবলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন: ধর্মীয় বইয়ের বদলে দলীয় প্রচার ছবি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, যার মূল লক্ষ্য ইসলামী জ্ঞান, গবেষণা ও সচেতনতা প্রচার করা। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে এই প্রতিষ্ঠানটিকে ধর্মীয় কাজের বদলে দলীয় প্রোপাগান্ডা ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক মহিমাকীর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রকাশনায় ধর্মীয় বইয়ের অবমূল্যায়ন ও রাজনৈতিক প্রাধান্য
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকাশনা বিভাগ থেকে এ পর্যন্ত ৪,৫৯৬টি বই প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে শেখ মুজিব ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই রয়েছে ৬৩টি (শুধু মুজিবকে নিয়ে ৩৪টি)। এই বইগুলোর বেশিরভাগই ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকাশিত, যা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই সংঘটিত।
অন্যদিকে, ইসলামী সাহিত্যের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের মুদ্রণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বহু কিতাবের স্টক শেষ হয়ে গেলেও সেগুলো পুনর্মুদ্রণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এর ফলে ইসলামী জ্ঞানের প্রচার-প্রসারে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
কে এই পরিবর্তনের পেছনে দায়ী?
এই অপকর্মে যারা জড়িত ছিলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক মহাপরিচালক)
আলহাজ মিছবাহুর রহমান চৌধুরী (সাবেক বোর্ড অব গভর্নরস সদস্য)
সামীম মোহাম্মদ আফজাল, মহিউদ্দিন মজুমদার, ডা. শাহাদাত হোসেন (আওয়ামীপন্থী লেখক ও কর্মকর্তা)
এরাসহ ফ্যাসিবাদের দোসর অন্যান্যরা মিলে প্রতিষ্ঠানটিকে ধর্মীয় কাজের বদলে রাজনৈতিক প্রচারণার হাতিয়ারে পরিণত করেছিলেন।
কেন এই পরিবর্তন?
বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এই রূপান্তর একটি সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়া:
রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা: শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগের ইতিহাসকে ব্যাপকভাবে প্রচার করা।
ধর্মীয় প্রকাশনা সীমিতকরণ: ইসলামী বই কম প্রকাশ করে ধর্মভিত্তিক আলোচনা নিয়ন্ত্রণ।
দলীয় স্বার্থে প্রতিষ্ঠান ব্যবহার: সরকারপন্থী ব্যক্তিদের বই প্রকাশ করে তাদের স্বার্থসিদ্ধি।
জনগণের প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ
ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই অবস্থাকে ইসলামের প্রতি অবিচার হিসেবে দেখছেন। অনেকের মতে, একটি রাষ্ট্রীয় ইসলামী প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আবারও তার মূল লক্ষ্যে ফিরিয়ে আনতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি, কুরআন-হাদিসের প্রকাশনা বাড়ানো এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে।
০২ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১:৪৩
নতুন নকিব বলেছেন:
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রোপাগান্ডার হাতিয়ারে পরিণত করা ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের প্রতি চরম অবিচার। এরা সেটাই করে গেছে বিগত ১৬/ ১৭ টি বছর। এদের জন্য দুর্ভোগ! এরা ভাবতেই পারেনি যে, দুষ্কর্মের পরিণতি এতটা নিকৃষ্ট হয়ে দেখা দিবে! তারা চিন্তাও করেনি যে, এইভাবে লাঞ্চিত, অপমানিত ও অপদস্ত হয়ে শেষমেষ পালিয়ে আত্মরক্ষা করার মত ঘোর অমানিশার একটা সময় আসবে!
সে কারণেই তারা যাচ্ছে তাই করেছে। যাচ্ছে তাই বলেছে। যাচ্ছে তাই করে করে দেশটাকে বিচার আচারহীন এক সাক্ষাৎ নরকে পরিণত করতে যা কিছু করার তার সবই তারা করেছে।
২| ০২ রা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১১:৪৫
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: সুন্দর বক্তব্য । ভালো থাকবেন ।
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৩১
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনিও অনেক ভালো থাকবেন, এটাই কামনা।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১২:০৩
জুল ভার্ন বলেছেন: কেন্দ্রীয় কারাগারে বেশ বড়ো একটা লাইব্রেরী আছে....সেখানে ৫ হাজারের বেশি বই আছে। যার দুই তৃতীয়াংশ বই হচ্ছে- রাষ্ট্রীয় চোর পরিবারের সদস্যদের নামে চোর ছ্যাচোরদের লেখা টয়লেট অযোগ্য চটি পেপার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ মন্দির ছাড়াও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দেশজুড়ে ছিল "মুজিব কর্নার"- সেখানেও একই অবস্থা!