নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রতিবাদ: ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিকৃত চিত্রণ ও দালালি মানসিকতার জবাব

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:০৫

প্রতিবাদ: ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিকৃত চিত্রণ ও দালালি মানসিকতার জবাব

ছবি প্রথম আলোর সৌজন্যে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে আজ থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনুসের দ্বিপাক্ষিক একটি বৈঠক হয়েছে। ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের পতনের পরে দীর্ঘ প্রায় ৭ মাসের মাথায় দুই প্রতিবেশী দেশের প্রধানদের এই বৈঠক বিবিধ কারণে গুরুত্ববহ। উভয়ের এই বৈঠক নিয়ে সামুতে বাংলাদেশী পরিচয়ে একজন মনের মাধুরি মিশিয়ে একটি লেখা লিখেছেন। তার লেখাটি পড়ে মনে হয়েছে, তিনি নিজের বাংলাদেশী পরিচয় দিলেও ভারতীয় আধিপত্যবাদী মনোভাবকে সাদরে গ্রহণ করেছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীন চিন্তা-চেতনাকে "ভারত-বিরোধিতা" বলে আখ্যায়িত করে নিজের দালালি স্পষ্ট করেছেন। তাঁর লেখার প্রতিটি বাক্য যেন ভারতীয় কর্তৃত্বকে প্রমোট করার জন্য এক অদ্ভুত মানসিক দাসত্বের পরিচয় দেয়। নিচে তাঁর ভ্রান্তিগুলোর জবাব দেওয়া হলো:

১. "ভারতের সাথে শত্রুতা নয়, বন্ধুত্বই কাম্য"—এ কথার আড়ালে কী লুকিয়ে?

লেখক বারবার বলেছেন, "ভারতের সাথে শত্রুতা করা উচিত নয়"। কিন্তু প্রশ্ন হলো— কে শত্রুতা করছে? বাংলাদেশের স্বাধীন নীতি নির্ধারণ, নিজস্ব ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং প্রতিবেশীর অন্যায়ের প্রতিবাদ করাকে কি "ভারত-বিরোধিতা" বলা যায়? ভারত যদি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে (যেমন: নির্বাচনে প্রভাব, গুপ্তচরবৃত্তি, সীমান্তে গুলি করে পাখির মত বাংলাদেশীদের হত্যা), তবে তার প্রতিবাদ করাই স্বাধীন দেশের কর্তব্য। লেখক যেন মনে করিয়ে দিতে চান, "ভারত যা চায়, তাই মেনে নাও—নইলে শাস্তি পাবে!"

২. "মোদি-ইউনূস বৈঠক = বাংলাদেশের আত্মসমর্পণ"—এ কী অদ্ভুত যুক্তি?

লেখক আনন্দে নেচে উঠেছেন এই ভেবে যে, প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সাথে মোদির দেখা হওয়ায় "জুলাইপন্থীরা" (যারা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পক্ষে) হতাশ হয়েছে। কিন্তু এটি কি আদৌ রাজনৈতিক বৈঠক ছিল? নাকি একটি প্রোটোকল সৌজন্য সাক্ষাৎ মাত্র? প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ ইউনূস একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ, তাঁর সাথে বৈঠককে ভারতের "বন্ধুত্বের জয়" বলে চালানো কতটা হাস্যকর? যদি এতেই বাংলাদেশের "আত্মসমর্পণ" হয়, তাহলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী কি এতটাই হীনম্মন্য যে একটি সাধারণ সাক্ষাত্কারেই তাঁর "জয়গান" করতে হবে?

৩. "শেখ হাসিনা ভারতের দালালি করেছেন, তাই তিনিও ভালো"—এ যুক্তির অসারতা

লেখক শেখ হাসিনার "ভারত-সমর্থক" নীতিকে যুক্তি দিয়েছেন এভাবে: "ভারতের সাথে বন্ধুত্ব রাখলে শান্তি থাকে, না রাখলে শাস্তি পেতে হবে।" কিন্তু এটা কোন যুক্তি? একটি স্বাধীন দেশের নীতি কি প্রতিবেশীর "ভয়" দিয়ে নির্ধারিত হওয়া উচিত? লেখক নিজেই স্বীকার করেছেন, শেখ হাসিনা সরকারের দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের কারণে তিনি বিদেশে পালিয়েছেন। তাহলে ভারতের সমর্থন পেয়েও তিনি কেন জনগণের সমর্থন হারালেন? কারণ, ভারতের অজিত দোভালদের চাপে চলা সরকার কখনই স্থায়ী হয় না।

৪. "ভারত-বিরোধীরা জঙ্গি, পাকিস্তানি এজেন্ট"—এ কেমন প্রোপাগান্ডা!

লেখক বাংলাদেশের সকল ভারত-সমালোচনাকে "জঙ্গিবাদ" বা "পাকিস্তানি প্রোপাগান্ডা" বলে চালিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী—যারা ভারতের সীমান্ত হত্যা, বাণিজ্য বৈষম্য, ফারাক্কা বাঁধের বিরোধিতা করে, তারাও কি জঙ্গি? ভারত যদি সত্যিই বন্ধুত্বপূর্ণ হতো, তবে তিস্তার পানি চুক্তি, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, অস্ত্র ও গুপ্তচরবৃত্তি কমাতে পারত। কিন্তু লেখকের মতে, "ভারত যা দেবে, তাই নিতে হবে—প্রতিবাদ করলে তুমি জঙ্গি!"

৫. "চা বিক্রেতা" বিতর্ক: শ্রেণীঘৃণা নাকি লেখকের মানসিক দাসত্ব?

লেখক মোদিকে "চা বিক্রেতা" বলার সমালোচনা করেছেন, কিন্তু মোদি নিজেই তাঁর বাবার চায়ের দোকানের গল্প গর্ব করে বলেন! তাহলে এটা নিয়ে হাসি-তামাশা কেন? কারণ, লেখকের আসল উদ্দেশ্য— "মোদিকে সমালোচনা করো না, তিনি এখন 'বড়লোক'!" এখানে শ্রেণীঘৃণা নয়, বরং লেখকের মানসিকতাই প্রকাশ পেয়েছে— "যারা নীচু থেকে উঠে এসে ক্ষমতায় যায়, তাদের সমালোচনা করা যাবে না!"

৬. "ভারতের দালালদের শেষ যুক্তি: 'না মানলে শাস্তি পাবে!'"

লেখকের মূল বক্তব্য: "ভারতের সাথে শত্রুতা করে লাভ নেই, কারণ তারা শক্তিশালী।" অর্থাৎ, দুর্বলের ন্যায্য দাবি নয়, শক্তির দাপটই শেষ কথা! এটাই কি বাংলাদেশের স্বাধীন চেতনা? পাকিস্তানের শাসনামলে বলা হতো— "পাকিস্তানের বিরোধিতা করো না, তারা বড় শক্তি!" আজ লেখক সেই একই যুক্তি দিচ্ছেন, শুধু "পাকিস্তান" এর জায়গায় "ভারত" বসিয়ে।

শেষ কথা: দালালি নয়, স্বাধীন চিন্তাই মুক্তির পথ

লেখক হয়তো ভাবেন, ভারতের গলগ্রহ হয়ে তিনি "বুদ্ধিমান" এর ভূমিকায় আছেন। কিন্তু ইতিহাস প্রমাণ করে, যারা পরাশক্তির দালালি করে, তারা শেষমেশ সেই পরাশক্তিরই ভোগ্য পণ্যে পরিণত হয়। বাংলাদেশের মানুষ চায় না পাকিস্তানি বা ভারতীয় প্রভু—তারা চায় একটি স্বাধীন, স্বাধিকারসম্পন্ন বাংলাদেশ, যেখানে প্রতিবেশীর সাথে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে, ভয় বা দাসত্বের ভিত্তিতে নয়!

"ভারত যদি সত্যিকার বন্ধু হয়, তবে সে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করবে—নয়তো যে কোনো ধরণের আগ্রাসনের জবাব দিতে স্বাধীনচেতা বাংলাদেশর দামাল সন্তানেরা বুক চিতিয়ে প্রতিরোধের অপ্রতিরোধ্য ব্যুহ তৈরি করে দেশ মাতৃকার সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে সদা প্রস্তুত।"

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৮:১১

অপলক বলেছেন: লেখাটা অনেক ভারি বিষয়বস্তু সম্বলিত। অনেক তর্ক বিতর্ক আশা করছিলাম। ব্লগাররা নেই কেন?

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৮:২৩

নতুন নকিব বলেছেন:



লেখাটিতে লাইক প্রদানসহ মন্তব্যে আসার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এমন নীচ মানসিকতাসম্পন্ন দালালি টাইপের লেখার প্রতিবাদ নিজের দায়িত্ব মনে করেই করেছি। জ্বি, আপনি ঠিক বলেছেন, এই লেখায় স্বাধীনচেতা প্রিয় ব্লগারদের সহমত/ একাত্মতা অন্ততঃ আশা করাই যায়।

যা হোক, প্রত্যেকের জন্য শুভকামনা।

২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৮:২১

এইচ এন নার্গিস বলেছেন: ভবিষ্যৎ কি? একি দেখলাম?

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৮:২৪

নতুন নকিব বলেছেন:



জ্বি, বুঝতে পারিনি। আপনি কীসের কথা বলেছেন?

৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৮:৫০

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: ইনি এদেশের একজন সরকারী কলেজের শিক্ষক হয়ে যে ধরনের পোস্ট লিখেছেন তা রাস্ট্রদ্রোহিতার সামিল।

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:১২

নতুন নকিব বলেছেন:



ন্যূনতম লজ্জা শরম না থাকলে তাদের পক্ষে সবই করা সম্ভব। খায় পড়ে সবই বাংলাদেশেরটা জিকির করে ঐপাড়ের। ছি! নেমকহারামিরও একটা সীমা থাকা উচিত! ভাবতেও ঘেন্না লাগে।

৪| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৫ রাত ৮:৫৩

নতুন বলেছেন: ভারতে মোদীর চেয়ে অনেক ভালো জ্ঞানী প্রধানমন্ত্রী আছে। মোদী বিজেপির প্রপাগান্ডার ইমেজে বড় ভাব ধরে বসে আছেন। ক্ষমতা চলে গেলেই সেটা হারিয়ে যাবে।

ভারতীয়রাই মোদীর প্রপাগান্ডায় বিরক্ত।


স্যার মোদী ভক্ত।

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:১৬

নতুন নকিব বলেছেন:




ভারতে মোদীর চেয়ে অনেক ভালো জ্ঞানী প্রধানমন্ত্রী আছে। মোদী বিজেপির প্রপাগান্ডার ইমেজে বড় ভাব ধরে বসে আছেন। ক্ষমতা চলে গেলেই সেটা হারিয়ে যাবে।

ভারতীয়রাই মোদীর প্রপাগান্ডায় বিরক্ত।

-সহমত প্রকাশ করছি। সবচেয়ে বড় কথা, মোদী একজন অন্য ধর্মে বিদ্বেষী ব্যক্তি। তিনি সংখ্যালঘু নির্যাতক। মসজিদ দখলকারী। নীতিভ্রষ্ট।

৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১২:০৪

ঊণকৌটী বলেছেন: ঊণকৌটী বলেছেন: মূর্খতার পরিচয় এই আপ্নার আলোচনা, আপনি কি জানেন আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান কে কোথায় আছে, বাংলাদেশ কি ভাবে ব্যাকুল ভাবে ভারতের সাথে মিটিং এর জন্য প্রার্থনা করেছে, জেনে নিন ভারত পৃথিবীর চার নম্বর অর্থনীতি, বাংলাদেশ কোথায় আছে আমি জানিনা, তো হাসিনা হোক আর ইউসুস হউক আসতে হবে, সবসময়ই আসতে হবে |কিছু লিঙ্ক দিছি আপনার বড় ভাইয়ের Click This Link

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:২০

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার অজ্ঞতা ও অমর্যাদাসুলভ মন্তব্যের কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশ আজ স্বমহিমায় উন্নয়নের রোল মডেল, যার আর্থিক বৃদ্ধি, সামাজিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়, কিন্তু বাংলাদেশও গত এক দশকে ঈর্ষণীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ-সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর রিপোর্টে বারবার প্রমাণিত।

আপনার অহংকারী ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রতি অবজ্ঞা ফুটে উঠেছে, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। বাংলাদেশ কখনও কারও "প্রার্থনা" করে না, বরং সমমর্যাদায় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল রূপান্তর, মেগা প্রজেক্ট ও জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক নেতা।

যদি সত্যিই তথ্য জানতে চান, তাহলে বাংলাদেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার, রেমিট্যান্স, রপ্তানি আয় বা মানব উন্নয়ন সূচকের ডেটা বিশ্লেষণ করুন—অহংকার নয়। আর "বড় ভাই" এর ধারণা পেছনে ফেলে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ার যুগে আমরা বাস করছি।

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে অবমূল্যায়ন করার আগে সত্যটা জানুন!

প্রমাণ চাইলে পড়ুন:

বাংলাদেশ-অর্থনৈতিক-সমীক্ষা-২০২৩

বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট The World Bank In Bangladesh

মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি

৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১২:০৪

ঊণকৌটী বলেছেন: Click This Link

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৩৫

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ। এগুলো আপনি মন ভরে দেখুন।

৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১২:০৫

ঊণকৌটী বলেছেন: Click This Link

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৩৬

নতুন নকিব বলেছেন:



এসব আপনাদের দেখা দরকার।

৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১২:০৬

ঊণকৌটী বলেছেন: Click This Link

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৩৬

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ।

৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১২:০৭

ঊণকৌটী বলেছেন: এরা আপনার দেশের লোক Click This Link

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৩৫

নতুন নকিব বলেছেন:



শস্য ক্ষেতে শুধু শস্যই হয় না। কিছু আগাছাও জন্ম নেয়।

১০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১২:১৫

ঊণকৌটী বলেছেন: বাস্তব টা মেনে কাজে কর্মে মন দিন, ব্লগে ফালতু লিখে নিজের সময় নষ্ট না করে পয়সা রোজগারের সময় দিন, আর যদি লিখতে হয় তবে গুগল পড়ে শিক্ষা নিয়ে প্রাকৃত সত্য টা লিখতে চেষ্টা তো করতে পারেন |

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



গুগল আপনি পড়েন? প্রকৃত সত্য আপনি জানেন?

১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ রাত ১:০২

ঊণকৌটী বলেছেন: অদ্ভূত লাগে যখন শুনি আপনারা ভারতের আপনাদের তুলনা করেন, ভারত 144,44000lakh এর জন্য অসংখ্য আর আপনারা 1800,000.00 মাত্র,আওতনে একটা আসাম এর থেকে ছোট নর্থ ইস্ট তো দূরের কথা, ভারতের প্রায় 6500 কিল মিটার সমুদ্র বন্দর থেকে বা বিশাল নৌ শক্তি পাশাপাশি মাত্র 600 কিলোমিটার নিয়ে বাড়ায়, ভারত 4 trilon dollar এর অর্থনীতি আর আপনারা মোটামোটি 300 বিলিয়ন, তো বড়বড় কথা না বলে নিজেদের কে শিক্ষিত করেন,মনুষ্যত্ব জ্ঞান অর্জন করুন, সমান সমানে আসেন তারপরে না হয় চিন্তা করতে করবে ভারতীয় রা, সবচেয়ে বড় কথা মিসকিন থেকে কি ভাবে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশী হোন |

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৮:৩৩

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার অহংকারী ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্যের কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি! বাংলাদেশের অগ্রগতি, আত্মমর্যাদা ও স্বাধীন সত্ত্বাকে কখনওই ভারত বা অন্য কোনো দেশের "আকার" দিয়ে মাপা যায় না। উন্নয়ন ও সাফল্যের মাপকাঠি শুধু ভৌগোলিক আয়তন বা অর্থনৈতিক আকার নয়—মানব উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশের সাফল্য যে কারণে ঈর্ষণীয়:
অর্থনৈতিক মিরাকল:

২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত জিডিপি প্রবৃদ্ধির গড় হার ৬.৫%+ (বিশ্বব্যাংক)।

রপ্তানি আয় ৬০ বিলিয়ন ডলার (২০২৪), যেখানে ভারতে রপ্তানি/জিডিপি অনুপাতের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে।

গার্মেন্টস সেক্টরে বিশ্বের ২য় বৃহত্তম রপ্তানিকারক (চায়নার পরেই)।

মানব উন্নয়নে রোল মডেল:

মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হ্রাসে ভারতের চেয়ে এগিয়ে (UNDP রিপোর্ট)।

মহিলাদের শ্রমশক্তি অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে (ILO)।

ডিজিটাল বাংলাদেশ: ৯৫%+ জনগণের মোবাইল ব্যাংকিং এক্সেস, যা ভারতের চেয়ে বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক।

জলবায়ু সংকটে নেতৃত্ব:

মোট কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের ভূমিকা নগণ্য (০.৫%), অথচ ভারত বিশ্বের ৩য় সর্বোচ্চ দূষণকারী (Global Carbon Atlas)।

সোলার এনার্জি ও অভিযোজনে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

ভারতের সাথে অহেতুক তুলনা কেন অবান্তর?
ভারতের জনসংখ্যা ১.৪ বিলিয়ন, বাংলাদেশের ১৭০ মিলিয়ন—অর্থাৎ, প্রতি ব্যক্তির আয় (GDP per capita) ও জীবনযাত্রার মানে বাংলাদেশের অগ্রগতি কম নয়

সমুদ্রসীমা বা সেনাশক্তি দিয়ে "বড়ত্ব" প্রমাণ হয় না—লক্ষ্য হওয়া উচিত নাগরিকদের জীবনমান। বাংলাদেশ দারিদ্র্য ২০% থেকে ৫%-এ নামিয়েছে (১৯৯১-২০২৩), ভারতে এখনও ১০%+।

মনুষ্যত্বের পাঠ দেবার আগে দেখুন সত্যগুলো:
"মিসকিন" শব্দটি ব্যবহার করে আপনি নিজের সংকীর্ণতাই প্রমাণ করেছেন। বাংলাদেশ আজ আত্মনির্ভরশীল—কৃষি, শিল্প ও প্রযুক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

"সমান সমানে আসা"-র অহংকার ত্যাগ করুন! বাংলাদেশ কখনওই ভারতের গলগ্রহ নয়, বরং স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার।

ডেটা যাচাই করুন:

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪

UNDP: Human Development Index

বাংলাদেশের রপ্তানি অর্জন

বাংলাদেশের সাফল্যকে খাটো করবেন না—সত্য মেনে নিন, সম্মান দিন।

১২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ৯:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকলাম।

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১০:০১

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ। মন্তব্য ভারতের বিপক্ষে যাওয়ার ভয় থাকলে বিরত থাকাই শ্রেয়! :)

১৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১০:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: যেই ছাগলটারে নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন; এর মতো দালাল শ্রেণীর পা-চাটা সারমেয়র জন্য কাউন্টার পোষ্ট দেয়ার কোন মানে নাই। এইটা ঘেউ ঘেউ করতে থাকুক। দেব দুলাল গু নিয়ে ঘাটাঘাটির দরকার কি?

আর কিছু আবাল ভারতীয় অর্ধ-শিক্ষিতের সাথে কথা বলেই বা সময় নষ্ট কেন করেন? মোদির গোদি মিডিয়া, গোদি ব্লগার আর গোদি আতেলদেরকে আপনি যতোই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাবেন, কোন লাভ নাই। এরা তোতাপাখীর মতো এদের মুখ দিয়ে টিপিকাল কিছু কথা বলতেই থাকবে।

আমাদের কথা বাদই দিলাম, এদের দেশেরই শিক্ষিত সমাজ আর আর আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা যেসব তথ্য উপাত্তভিত্তিক কথা বলে, তা বোঝার মতো জ্ঞানই এদের নাই। আপনার জন্য দুইটা ইন্টারেস্টিং ভিডিওর লিঙ্ক দিলাম আপনার জন্য, কোন অর্ধ-শিক্ষিতের জন্য না। এরা বাংলায় কিছু বললেই বোঝে না, ইংরেজি বুঝবে কোত্থেকে? =p~

India's $3.5 Trillion GDP Is A Joke (Here's Why) (৬:৫৪ মি. দেখেন)
Why India Loves to Mock Its Neighbors’ Poverty?

১৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ সকাল ১১:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আরেকটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম। প্লেনের ভিতরে সানগ্লাস পড়ে ছবি তোলে কারা? এদের ক্লাস কি বুঝতে পারেন!!! একজনের চরিত্র বহুভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। আমাদের কিছু শিক্ষার্থীর দুর্ভাগ্য যে, এমন ব্যক্তিত্বহীন আর আত্মপরিচয় বেচে খাওয়া দালাল তাদেরকে কিছু পাঠদান করছে। কি শিখায় আল্লাহ জানে। এইটারে একদিন না একদিন পশ্চাদ্দেশে লাথি দেয়া হবে........আশা করছি। সরকারী চাকুরী যেহেতু করে, চাইলে আমি শুরু করতে পারি; আমার সেই কানেকশান আছে। তবে কারো রিজিকের উপর হামলা করার মতো মানসিকতা আমার নাই। তাইলে তো আমি ওই দালালটার পর্যায়েই চলে গেলাম..........কি বলেন!!!! ;)

তবে আপনে বললে ওরে বান্দরবান বা খাগড়াছড়ি ট্রান্সফারের ব্যবস্থা করি। মতামত দিয়েন। :P

১৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৫ দুপুর ১২:০৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: উপরে একজন ভারতীয় যার আবাস্থল হল আসাম কিংবা ত্রিপুরা, তিনি আমাদের নসিহত করছেন, উপদেশ দিচ্ছেন। খুবই হাস্যকর ব্যাপার। ব্লগারদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে আসামের মাথাপিছু আয় হল ১৪০০ ডলার (ভারতের ২৯ টা রাজ্যের মধ্যে ১৮ তম) আর ত্রিপুরার মাথাপিছু আয় হল ১৮০০ ডলার (ভারতের ২৯ টা রাজ্যের মধ্যে ২১ তম)। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় (জিডিপি পার ক্যাপিটা ২০২৩) হল ২,৫৫১ ডলার আর ভারতের মাথাপিছু আয় (জিডিপি পার ক্যাপিটা ২০২৩) হল ২,৪৮১ ডলার। সূত্র - Click This Link কাদের মাথাপিছু আয় বেশী?

পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং ত্রিপুরা হল ভারতের পিছিয়ে থাকা রাজ্যগুলির অন্যতম। এরা আমাদেরকে উপদেশ দান করছে। ব্যাপারটা খুবই হাস্যকর। প্রচুর জনসংখ্যার জন্য ভারতের মোট জিডিপি বেশী। এই মোট জিডিপি দিয়ে একটা দেশের আর্থিক অবস্থা মাপা যায় না। ইউরোপের অনেক দেশের চেয়ে ভারতের মোট জিডিপি বেশী। তার মানে এই না যে ইউরোপের চেয়ে ভারতের লোক ধনী। ভারতের মহাকাশ যান আর যুদ্ধাস্ত্র থাকতে পারে অনেক। কিন্তু তাদের আগে তৈরি করা উচিত প্রচুর পরিমানে টয়লেট। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী গরীব লোক ভারতে বাস করে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.