নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি [email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

গান আর গান

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৩৭

গত মাস দুয়েকে বেশকিছু গান করা হয়েছে, কিছু আমার নিজের লেখা ও সুর করা, কিছু অন্যদের গান। কিন্তু এর মধ্যে অল্প কটা ব্লগে দেয়া হয়েছিল। আজ বাকিগুলো জড়ো করে একপোস্টে শেয়ার করা হলো। কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির গান না এগুলো, যখন যেটা ভালো লেগেছে, সেটাই গেয়েছি। আর বাংলা গানে আমার নির্দিষ্ট কোনো ক্যাটাগরি নেই, আপনারা জানেন, আমি সর্বভুক। অতএব, এখানে গানগুলোও হবে সাত-মিশালি।

গত কয়েক বছর ধরেই আমি গান লিখছি, সুর করছি এবং শুধু সুরগুলো ধরে রাখার জন্যই আমার নিজের কণ্ঠে গেয়েই এগুলো ইউটিউবে আমার নিজস্ব চ্যানেলে শেয়ার করছি। আমি গানের শিল্পী নই, আমি মূলত কবি, গীতিকার ও সুরকার। কাজেই, আমার গাওয়া গানগুলোতে দয়া করে কেউ কণ্ঠশৈলী, উচ্চারণ-ত্রুটি, মিউজিক-ফল্টস ধরার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বেন না; কারো কারো এ প্রবণতা আমাকে অতিশয় আহত, বিরক্ত ও ক্ষিপ্ত করে, কারণ, তারা গানগুলো শেয়ারের মূল কারণ অনুধাবন করতে ব্যর্থ হয়ে থাকেন; দয়া করে বিচার ও বিশ্লেষণ করবেন আমার সৃষ্টি করা লিরিক ও সুরগুলো, এগুলো মৌলিক ও মেলোডিয়াস কিনা, বৈচিত্র ও আকর্ষণ আছে কিনা, ইত্যাদি। এ সংক্রান্ত আপনাদের কোনো মতামত ও পরামর্শ থাকলে দয়া করে আমার উপকার ও উন্নতির জন্য তা জানাবেন। এ গানগুলো ভবিষ্যতে প্রকৃত কণ্ঠশিল্পীদের দ্বারা গাওয়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমার। কোনো কণ্ঠশিল্পী আমার গান গাইতে চাইলে আমাকে মেইল করতে পারেন। অবশ্য, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য ছাড়া শুধু বিনোদন ও আনন্দের জন্য আমার গান যে-কেউ গাইতে ও শেয়ার করতে পারেন, সেটি আমার নিজের জন্যই বরং অনেক আনন্দের হবে এবং শিল্পীর প্রতি আমার অগ্রিম ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা থাকবে।

কেউ চাইলে লিরিক পাঠাতে পারেন। তবে এখনই তাড়াহুড়ো করে লিখে এখানে কমেন্টের ঘরে পোস্ট করার দরকার নেই। সময় নিন, ধীরে সুস্থে চিন্তা করে লিখুন। কথাগুলো সরল, সহজবোধ্য, বলামাত্রই শ্রোতা বুঝতে পারেন, এমন হতে হবে। ছোটো ছোটো লাইনে। ২ লাইনের মুখ/শুরু, এরপর ৩ + ৩ লাইনের দুই অন্তরা। পর্বগুলো যেন ছোটো ছোট হয়, ২ বা ৩ পর্বের। কথাগুলো সাবলীল ও আধুনিক হতে হবে, অর্থাৎ, কবিতার পুরোনো রীতি পরিত্যাজ্য, উদাহরণ দিই - মম, তব, তরে, লাগি, ইত্যাদি বাদ দিয়ে লিখবেন। আমার প্রোফাইলের নীচে আমার ই-মেইল অ্যাড্রেস দেয়া আছে :) আচ্ছা, আগে তিতা পরে মিঠা, আমার সুর করা আপনার লিরিকের গানের কপিরাইট আমার। কিন্তু, আপনি সর্বত্র শেয়ার করতে পারবেন, তবে, কোথাও মানিটাইজ করতে চাইলে আমার অনুমতি নিতে হবে। আমি অনুমতি দিলে বা কোনো শর্ত দিলে সেটা মানিটাইজ করা যাবে। উল্লেখ্য, আমার ইউটিউব চ্যানেল হলো শৌখিন, মানিটাইজ করা না :) সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ : লিরিক আমার মনের মতো না হলে ওটায় সুর করা হবে না।

১। এই তো অবশেষে তুমি ফিরে এলে হায়। প্রোমোশনাল। পুরোটা আসছে শীঘ্রই।

লিংক : প্লিজ এখানে ক্লিক করুন - এই তো অবশেষে তুমি ফিরে এলে হায়



১৮ নভেম্বর ২০২২ তারিখে প্রথম অন্তরা লেখা ও সুর করা হয়েছে। সেটি শোনার জন্য এই লিংক ক্লিক করুন।

এক অন্তরার গান।




২। ও বাবু, খাইছো নাকি? প্রোমো। পুরোটা আসছে শীঘ্রই।

লিংক : প্লিজ এখানে ক্লিক করুন - ও বাবু, খাইছো নাকি?view this link



৩। আমি কোথায় পাব তারে?

লিংক : আমি কোথায় পাব তারে?



৪। কারো রবে না এ ধন



৫। আমার বলার কিছু ছিল না



৬। শোন লোলিতা শোন, আমার কথা শোন



৭। বড়োলোকের বেটি লো



৮। শোন লোলিতা শোন - পরীক্ষিত বালা



৯। আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি



১০। জীবনে যদি দীপ জ্বালাতে নাহি পারো



১১। তুই যখন চলে গেলি



১২। তুমি তো তোমার কথা বলে দিয়েছ



১৩। আমি যে তোমার প্রেমে পড়েছি



১৪। বড়াই কইরো না রে মানুষ

১৫। এই নিরালায় বসো প্রিয়তমা



১৬। আজ দিনভর তাকিয়ে রইব



১৭। তুই ফেলে এসেছিস কারে মন, মন রে আমার



১৮। তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই



১৯। যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই



২০। তোরে রাং দিল কী সোনা দিল

২১। ও কী ও বন্ধু কাজল ভ্রমরা রে

২২। দেখে যারে মাইজভাণ্ডারে

২৩। আমার জনম গেল কাঁদিতে



২৪। কিচ্ছু কেন বলছো না

২৫। রাজকুমারী - ও আমার সহেলিয়া




উৎসর্গ : ধ্বংসের আওয়াজ

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৩৭

শেরজা তপন বলেছেন: বড় ভাই আপনার কাছ থেকে চমৎকার একটা ফিচার আশা করছি। আশা করি পাব নিশ্চিত

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ সকাল ১০:৩২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ওহে আদরের সুপ্রিয় ছোটোভাই, ফিচার লেখা মোর কম্ম নহে। ফিচার লিখিবেন আপনি, এবং অঙ্গলি আপা ও শায়মামণি! আরেব্বাহ, পদ্যের ছন্দ হয়ে গেল দেখি!!! :) সে যাক গে, আমি তাহলে গান, কবিতা, গল্প-সাহিত্যেই থাকি। আপনার জন্য রহিল শুভকামনা।

২| ১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৩:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: গত কয়েকদিন ধরে কলকাতার ''রঞ্জনা আমি আর আসবো না' ' এই গানটা শুনতে ইচ্ছা করছে।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৫৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:

৩| ১৯ শে নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:৪২

মিরোরডডল বলেছেন:




অনেকগুলো জনপ্রিয় গান শুনলাম ধুলোর কণ্ঠে ।
আমার বলার কিছু ছিলো না, এটা ভীষণ প্রিয় একটা গান ।
ধুলো গানটা ভালোই গেয়েছিলো কিন্তু ‘ছ’ এর উচ্চারণের ত্রুটি ছিলো ।
এটা ঠিক করে নিলে ভালো হবে ।

আরেকটা প্রিয় গান দূর হতে তোমারে দেখেছি ।
এখানে ছোট সুর, বেশি দমের ব্যবহার না থাকায় এই গানটা সুন্দর করে গেয়েছে ধুলো, ভালো লেগেছে ।

তবে সবচেয়ে ভালো হয়েছে লালন ।
আমার কাছে মনে হয় ধুলোর কণ্ঠ এবং গায়কী ফোক গানের জন্যই ভালো ।
আমি যদি মিউজিক ডিরেক্টর হতাম আর ধুলো হতো গায়ক, তাহলে ধুলোর জন্য আমি ফোক গানই সিলেক্ট করতাম :)


২২ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১:০৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমার কাছে মনে হয় ধুলোর কণ্ঠ এবং গায়কী ফোক গানের জন্যই ভালো।

বাংলাদেশের ব্যান্ডের কিছু রকি গান ছাড়া সব গানই ফোক টিউনের। ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তানেরও। এ পোস্টের সবগুলো গানই ফোক টিউনের। আমি গেয়েছিও সবই ফোক টিউনের গান। ৩ নাম্বারে আছে 'আমি কোথায় পাব তারে'। এটা গগন হরকরার গান। এ গানের সুরে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন 'আমার সোনার বাংলা'। 'আমার সোনার বাংলা' একটা ফোক গান। গগন হরকরার আরো একটা গানের সুরে রবীন্দ্রনাথ একটা গান লিখেছেন। লালনেরও ৫/৭টা গানের সুরে রবীন্দ্রনাথ গান লিখেছেন। শায়মাবীন্দ্র নাথের কাছে পুরা তালিকা আছে। জন বেনসনের Drink to me only with বাংলায় বানিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ - কতবারও ভেবেছিনু- ইংলিশ থেকে রবীন্দ্রনাথ বাংলায় ফোক বানিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথের সব গানই ফোক গান। নজরুলের কিছু বিপ্লবী গান ছাড়া বাকি সবই ফোক গান।

শিল্পীর কণ্ঠে গানটা কেমন হবে, তা প্রথমত ডিপেন্ড করে শিল্পীর গলার শক্তির উপর। এরপর তার মিউজিক সেন্সের উপরও। অনেকের গলায় অনেক শক্তি থাকে, কিন্তু সুর ওঠে না। (ওহ বলা হয় নি, আপনি অনেকদিন আমার মিউজিকবিহীন গানের বেলায় একটা ভুল টার্ম ইউজ করতেন- বেসুরো। ফর গড সেক, আমি যদি কখনো দেখি আমার কোনো গান বেসুরো হয়ে গেছে, ওটা আমি কখনো আপলোড করি না। ওটা 'বেসুরো' না, বলতে পারেন মিউজিকবিহীন, আর আমি তো বলেই দিচ্ছি, খালি গলায়। বেসুরো অর্থ হলো সুর নাই, বা সুর হয় নাই, বা সুর কেটে গেছে বা সুর হয় না এমন ভাবে গাওয়া। আমার ক্ষেত্রে সুর ঠিক রাখা হলো ব্রত)। বললে আপনিসহ অনেকে তেড়ে আসবেন। আইয়ুব বাচ্চু আর জেমস শাইন করেছে গলার পাওয়ারের জন্য, তাদের কণ্ঠে মেলোডি বা সুর নাই। আইয়ুব বাচ্চুর বড়ো সাকসেস গিটারিস্ট আর কম্পোজার হিসাবে। অনেক খুঁজে-খাঁজে আইয়ুব বাচ্চুর মাত্র ৩/৪টা গান পেয়েছি আমার চ্যানেলে আপলোড করার মতো।

শিল্পীর কণ্ঠে গানটা ফুটে ওঠার পরের শর্ত হলো, সুরটা ভালো হতে হবে। এবং অতি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ হলো - স্কেল সিলেকশন। খুবই হাই স্কেলে শুরু করলে গলা ফেটে রক্ত বের হবে, গান হবে না। যে শিল্পী নিয়মিত যন্ত্রের সাথে গান করেন, তার স্কেল সিলেকশন অটোমেটিক্যালি অ্যাপ্রোপ্রিয়েট হয়। আমার যে গানগুলো শোনেন এখানে, এগুলো বেশ কয়েকবার রেকর্ড করে প্রতি রেকর্ড থেকে বেস্ট পার্ট নিয়ে ফাইনাল করা হয়েছে। সমস্যা হয়, জোড়াতালি দেয়ার সময় দেখা যায়, একটার সাথে ভিন্ন স্কেলের অন্য এক অংশ জোড়া লেগে গেছে। যদি একই দিন পাশাপাশি সময়ে গাই, তাহলে স্কেলে চেঞ্জ হয় না, ভিন্ন সময়ে গেলে আগের স্কেলটা ধরার জন্য সময় ও শ্রম ব্যয় হয় অনেক।

একজন শিল্পীকে জাজ করতে হলে তার একটা দুটো গান শুনে জাজ করলে জাজমেন্ট ভুল হবার সম্ভাবনা বেশি। আমরা আবার প্রিকনসিভ্‌ড আইডিয়া নিয়েই অনেক সময় জাজ করে ফেলি।

আমি যদি মিউজিক ডিরেক্টর হতাম আর ধুলো হতো গায়ক, তাহলে ধুলোর জন্য আমি ফোক গানই সিলেক্ট করতাম
:) মাইন্ড কইরেন না, খামোখা আপনাকে আশান্বিত করে লাভ নেই, আপনি কখনো মিউজিক ডিরেক্টর হতে পারবেন না। জোর করে হলেও সাকসেস হবেন না। প্রথমত শিল্পীদের সম্পর্কে আপনার ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। গান সম্পর্কে আপনার ভালো জ্ঞান থাকতে হবে (নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির গান সম্পর্কে আপনার ভালো জ্ঞান আছে)। অফিশিয়াল দায়িত্ব হিসাবে আমাকে বেশ কয়েকটা বড়োসড়ো অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে হয়েছে। অথোরিটি আমাকে এ কাজে নিয়োগ করতেন এ ফিল্ডে আমার দখল আছে বলে।

মুখের কথা হলো বন্দুকের গুলির মতো। বের হয়ে গেলে আর ফেরানো যায় না - এটা প্রথম দিক। দ্বিতীয় দিক হলো - সেই গুলি যার লাগে সে মারা যায় বা মর্মান্তিকভাবে আহত হয়। তাই বলার আগে বা লেখার আগে ভাবতে হয়, কী লিখছি। আর, মানুষকে কী বলা যায়, কী বলা যায় না, এ নিয়ে অনেক তত্ত্ব আগে প্রকাশ করেছি বিভিন্ন কমেন্টে/পোস্টে।

যাই, খেলা দেখি। কিছু হয় নাই। চিয়ার্স।

৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০২২ ভোর ৪:৫৬

মিরোরডডল বলেছেন:




থ্যাংকস ধুলো, ফোক সমাচার বলার জন্য ।
আমি যেটা বলতে চেয়েছি ধুলোর কণ্ঠে মৌলিক গান মাটির দেহ, ঘরের মানুষ অথবা কাভার করেছে লালন এগুলো আমার শুনতে বেশি ভালো লাগে । যেহেতু ধুলোর ইউটিউব চ্যানেলের গানগুলো প্রায়ই শুনি তাই এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত ছিলো ধুলোর কণ্ঠে কি ধরনের গান আমার পছন্দ । এটা একটা কমপ্লিমেন্ট ছিলো । আমি যদি মিউজিক ডিরেক্টর হতাম কথাটা ফান করেছি এটা মনে হয় একটা ছোট বাচ্চাও বুঝবে ।

এর বাইরেও ধুলোর অসংখ্য মৌলিক গান যেগুলো আমার বিভিন্ন সময় ভালো লেগেছে, সেগুলোও ধুলোকে সামুতে বা সামুর বাইরেও আমি জানিয়েছি । একটা গান ছিলো যেটা শুনলেই মনে হয় সুবীর নন্দীর কণ্ঠে যেন গানটা খুব ভালো যায়, সেটা ছিলো ধুলোর মৌলিক গানের মাঝে একটা বেস্ট গান ।

যারা গান তৈরি করে আই মিন গান লিখে বা সুর করে যেমন আলাউদ্দিন আলী, আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল কবির বকুল অসংখ্য সুন্দর সুন্দর গান সৃষ্টি করেছেন কিন্তু তারা গাইলে সেটা গায়ক গায়িকার মতো হয়না এটাই স্বাভাবিক । সেই তুলনায় ধুলো রেগুলার গায় বলে অবশ্যই অনেক গান ভালো হয় কিন্তু কিছু গানে সুর ঠিক না হতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক ।

মিউজিকবিহীন গান হলেই সেটাকে বেসুরো বলবো এতোটা বোকা মনে হয় আমি না । বেসুরো বলতে যে সুর কেটে যাওয়া বা সুর ধরে রাখতে না পারা এটুকু বোঝার সেন্স মনে হয় আমার আছে । যে গানগুলো মিউজিক ছাড়া খালি গলায় গেয়েছে, ওগুলোই ধুলোর সবচেয়ে সুন্দর গান, এ কথাটা আমি আগেও অনেকবার বলেছি । অন্য কারো হলে হয়তো আমি কিছুই বলতে যেতাম না কিন্তু ধুলো যেহেতু বন্ধুসুলভ তাই অনেকসময় অনেক কিছু ভালো মন্দ দুটোই বলে ফেলি কিন্তু মাঝেমাঝে এতো ওভাররিয়েক্ট করে যে আমি অবাক হয়ে যাই :(

একজন বন্ধু হিসেবে প্রশংসা যেমন করি, অনেক সময় হয়তো সমালোচনা করি । কিন্তু দুঃখজনক ধুলো সমালোচনা নিতে পারেনা। কয়েক্ মাস আগে আমার এক কমেন্টে ধুলো ভীষণ ফিউরিয়াস হয়েছে । অথচ আমি সেরকমভাবে বলিনি ধুলো যেটা মিন করেছে । একবার একটা গান ভালো লাগায় বলেছিলাম শিপ্রা বসুর মতো কারো কণ্ঠে এই গানটা খুব ভালো যেতো । ওটাও ছিলো একটা কমপ্লিমেন্ট, তারমানে সেইরকম একটা মৌলিক গান হয়েছিলো । কিন্তু ধুলো সেটাতে রিয়েক্ট করেছে । সমস্যাটা এখানেই, ফান করলে সিরিয়াসলি নেয়, আবার সিরিয়াস কমেন্টকে মনে করে টিজিং করেছি । ইদার ওয়ে প্রব্লেম । মাফ চাই, আমার দরকার নেই কিছুই বলার । ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি । গানই শুনবো না ।


কথা বললে আর ফেরানো যায়না, গুলি যার লাগে সে মর্মান্তিক ভাবে আহত হয়,

এ কথাগুলো সবার জন্য প্রযোজ্য । আশা করি ধুলোও মনে রাখবে ।
এনিওয়ে, ধুলোর সকল আপকামিং কাজের জন্য শুভকামনা থাকলো ।

কিছু হয় নাই। চিয়ার্স।

তাই নাহ????
চিয়ার্স টু ইউ ম্যান !

ভালো থাকবে ধুলো ।
গুডবাই এন্ড গুডলাক !


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.